IUB Pathfinders Of Deen

IUB Pathfinders Of Deen Connect your hearts through the message of Islam The Pathfinders of Deen also work towards building bridges between different communities and faiths.

The IUB - Pathfinders of Deen is a group of individuals who are dedicated to spreading the message of Islam, also known as Dawah. The group's aim is to help people understand the teachings of Islam and to help them lead fulfilling life according to Islamic principles. The IUB - Pathfinders of Deen has a wide range of activities that they carry out in order to achieve their goal. These include organizing talks and seminars on various Islamic topics, distributing literature on Islam, organizing social events, and providing support and counseling to those who are interested in learning about the faith. The group's members are passionate about their mission and are committed to spreading the message of Islam in a peaceful and constructive manner. They believe that Islam is a religion of peace and tolerance, and they strive to convey this message to the wider community through their work. They believe that interfaith dialogue is important in promoting understanding and tolerance, and they actively engage in such activities. Overall, the Pathfinders of Deen is a group of dedicated individuals who are committed to spreading the message of Islam in a positive and constructive manner. Their work is an important contribution toward promoting interfaith understanding and building a more peaceful and tolerant society.

22/07/2026

""হে জামানা! ভুলিলে কি মুসলমানকে তুমি?
ছিল সে জগতের আলো, তৃষ্ণার মধু ভুমি।
চাঁদ ছিলাম, রবি ছিলাম, নক্ষত্র হয়ে জ্বলতাম,
উম্মাহর তরে তাই জীবনটুকু ঢালতাম।”"

-আন্দালুসকে উদ্দেশ্য করে লেখা কবিতার অংশটুকু মহিমান্বিত এক স্বর্ণযুগের ক্ষুদ্র স্মৃতিচারণ।

বিশ্বকাপ জিতে স্পেন আজ যেভাবে ফুটবলে বিশ্বে প্রতিনিধিত্ব করছে,এভাবে জ্ঞান-বিজ্ঞান,সমৃদ্ধিতেও একসময় প্রতিনিধিত্ব করেছিল স্পেন।Oops…mistake,was takin about Andalus. ৭১১ খ্রিষ্টাব্দে মুসা বিন নুসাইর,তারিক বিন যিয়াদদের হাত ধরে আমাদের আগমন আন্দালুসে।

মধ্যযুগের অন্ধকারে হাবুডুবু অবস্থায় হারিকেনের সন্ধ্যানে থাকা ইউরোপীয় খ্রিষ্টান সমাজের বিপরীতে,সেই সময় জ্ঞান-বিজ্ঞানের বাতিঘর ছিল আন্দালুস।সমৃদ্ধি,স্থাপত্য,শিল্পের বিবরণ নাহয় অন্য কোন দিনের জন্য তোলা থাকুক।

একটা আয়রনিক বর্ণনায় পাওয়া যায়-ইউরোপিয়ান খ্রিষ্টান লাইব্রেরিতে বই যখন ছিল ৬০০,আন্দালুসে তখন লাইব্রেরীই ছিল ৬০০।শুধু খলিফা হাকাম বিন আব্দুর রহমানের প্রতিষ্ঠিত লাইব্রেরীতেই ছিল ছিল ৪ লক্ষ মূল্যবান বই।ইউরোপ ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জ্ঞানপিপাসুরা পড়তে আসতো কর্ডোভায়।
রাইট ব্রাদার্সেরও হাজার বছর পূর্বে কর্ডোভার আকাশে উড়ে বেড়ানো আব্বাস ইবনে ফিরনাস,সার্জারির আব্বা আবুল ক্বাসিম আল জাহরাউয়ি,ক্লিনিকাল মেডিসিন & পরীক্ষামূলক চিকিৎসাবিজ্ঞানের লিডার ইবনে যুহর,ফার্মাকোলজিস্ট ইবনে আল বাইতার,দার্শনিক ইবনে রুশদ,এস্ট্রোল্যাব নির্মাতা জ্যোতির্বিজ্ঞানী আল যারকালি সহ আধুনিক বিজ্ঞানের ভীত গড়ে দেয়া এরকম কঠিন কঠিন পশ নামের অসংখ্য কিংবদন্তিরা এই আন্দালুসের গর্ভ থেকেই।
অথচ কালের বিবর্তনে আজ আন্দালুস নামখানাই অপাংক্তেয়।
হাহ!!! ইয়া যামানা হাল নাসীতাল মুসলিমান?
Hossain

🛑 প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ছাত্র ভাইদের জন্য বিশেষ দ্বীনি মজলিস🎤 আলোচক:উম্মাহর প্রখ্যাত রাহবার, আন্তর্জাতিক খ্...
14/07/2026

🛑 প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ছাত্র ভাইদের জন্য বিশেষ দ্বীনি মজলিস

🎤 আলোচক:
উম্মাহর প্রখ্যাত রাহবার, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী চিন্তাবিদ, বিশিষ্ট দাঈ ইলাল্লাহ, সুপ্রসিদ্ধ লেখক, গবেষক ও শিক্ষাবিদ—

শায়খ ড. খলিলুর রহমান সাজ্জাদ নোমানী (দামাত বারাকাতুহুম)
মুখপাত্র, All India Muslim Personal Law Board

📖 আলোচনার বিষয়:
"যুবকদের অধিকার ও দায়িত্ব"

📍 স্থান:
যাইতুন ইসলামিক স্কুল অডিটোরিয়াম
আলহেরা টাওয়ার (১ম তলা), কুড়াতলী বাজার, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা।

🗓️ তারিখ: ১৫ জুলাই ২০২৬ (বুধবার)

⏰ সময়: বিকাল ৫:০০টা থেকে সন্ধ্যা ৭:০০টা

✨ প্রিয় ছাত্র ভাই,
বর্তমান সময়ে একজন মুসলিম যুবকের করণীয়, দায়িত্ব ও জীবন পরিচালনার দিকনির্দেশনা নিয়ে এই বিশেষ দ্বীনি মজলিসে অংশগ্রহণ করুন। মূল্যবান নসীহত, ইলম ও আমলের অনুপ্রেরণায় নিজেকে সমৃদ্ধ করার এই সুযোগ হাতছাড়া করবেন না।

✅ মহিলাদের জন্য বয়ান শোনার পৃথক সুব্যবস্থা রয়েছে।

আপনার বন্ধু ও সহপাঠীদেরও আমন্ত্রণ জানাতে ভুলবেন না।

13/07/2026

অ্যাবসল্যুইটলি ইনফোগ্রাফিক্যাল এপিসোড, হিউজ থ্যাংক্স টু এনটিভি ফর শেয়ারিং দিস থটফুল ভিডিও।

28/06/2026
28/06/2026

সূরা আল ইমরান

Muhammad Al Luhaidan

কিছু ভাইয়া-আপুরা সমাজ ও অর্থনীতির সার্বিক উন্নয়নের জন্য চমৎকার একটা পরামর্শ দিয়ে থাকে। তাঁদের মতে, ফিফার মতো মেগা ইভেন্ট...
18/06/2026

কিছু ভাইয়া-আপুরা সমাজ ও অর্থনীতির সার্বিক উন্নয়নের জন্য চমৎকার একটা পরামর্শ দিয়ে থাকে। তাঁদের মতে, ফিফার মতো মেগা ইভেন্টগুলো আয়োজন করলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়, যা পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করার পাশাপাশি নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে।

এছাড়া, ফুটবলের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দাতব্য কার্যক্রম এবং মানুষের মধ্যে পারস্পরিক মেলবন্ধন ও সম্প্রীতি গড়ার যে অনন্য সুযোগ তৈরি হয়, তা নিঃসন্দেহে একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। সামগ্রিকভাবে এটি একটি অত্যন্ত যুগোপযোগী ও সম্ভাবনাময় পরিকল্পনা। সুন্দর যুগোপযোগী প্ল্যান!!

তাহলে আমরা একটু দেখি, যারা অলরেডি এই প্ল্যান বাস্তবায়ন করেছে, তাদের দেশে এবং এই খেলার পেছনে আসলে কী চলছে।

১। মানবাধিকার লঙ্ঘন ও আধুনিক দাসপ্রথা (Modern Slavery)

আমাদের অনেকেরই স্বপ্নের মধ্যপ্রাচ্য বা কাতার ২০২২ সালে বিপুল অর্থ ঢেলে আয়োজন করল ফুটবল বিশ্বকাপ। বাইরে থেকে চোখ ধাঁধানো স্টেডিয়াম আর আলোর ঝলকানি। কিন্তু এই আলোর নিচে চাপা পড়া রক্তের ইতিহাসটা কী জানেন?

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম The Guardian-এর একটি বিখ্যাত অনুসন্ধানী রিপোর্টে জানা যায়, কাতার বিশ্বকাপের স্টেডিয়াম ও অবকাঠামো নির্মাণ করতে গিয়ে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার প্রায় ৬,৫০০ এর বেশি শ্রমিক মারা গেছেন। চরম ৪২-৪৫ ডিগ্রি গরম, অস্বাস্থ্যকর আবাসন আর দাসসুলভ খাটুনির কারণে এই বিপুল প্রাণহানি ঘটে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে ফিফার সমালোচনা করে আসছে। তাদের দাবি, ফিফা শুধু মুনাফা নিয়ে চিন্তা করে কিন্তু স্টেডিয়াম বা অবকাঠামো নির্মাণে যেসব শ্রমিকদের শ্রম ও জীবন ব্যয় হয়েছে, তাদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ বা সহায়তা দিতে ফিফা ব্যর্থ হয়েছে। তারা ফিফার কাছে এই পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা এবং শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে আসছে।

যাকে আমরা "বিশ্বের মিলনমেলা" বলছি, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা Human Rights Watch (HRW) তার রিপোর্টে একে সরাসরি "Modern Slavery" বা আধুনিক যুগের দাসপ্রথা এবং Wage Theft (শ্রমিকদের বেতন ও ক্ষতিপূরণ আত্মসাৎ) হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

রেফারেন্স ১: https://www.theguardian.com/global-development/2021/feb/23/revealed-migrant-worker-deaths-qatar-fifa-world-cup-2022

রেফারেন্স ২: https://www.hrw.org/news/2022/11/07/labour-rights-legacy-of-the-fifa-world-cup

রেফারেন্স ৩: https://www.hrw.org/news/2025/06/12/fifas-world-cup-ignores-child-labor-nightmare

২। অর্থনৈতিক অপচয় ও সাদা হাতি (White Elephants)

পুঁজিবাদী অর্থনীতিবিদরা বলেন, বিশ্বকাপ আয়োজন করলে দেশের ব্যবসা বাড়ে। ব্রাজিল বিশ্বকাপ ২০১৪ সালে আমাজন জঙ্গলের মাঝে 'মানাউস' শহরে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করে স্টেডিয়াম বানানো হয়েছিল। এখন সেখানে কোনো খেলা হয় না, স্টেডিয়ামটি স্রেফ পরিত্যক্ত বাস পার্কিং লট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এগুলোকে অর্থনীতিতে "White Elephants" বা গলার কাঁটা বলা হয়।

Oxford University (Saïd Business School)-এর একটি বিখ্যাত গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৬০ সালের পর থেকে প্রতিটা অলিম্পিক এবং ফুটবল বিশ্বকাপ তাঁদের মূল বাজেটের চেয়ে গড়ে ১৭২% বেশি খরচ করায়, যা আয়োজক দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী চরম ঋণের মুখে ঠেলে দেয়। অথচ সেই টাকা দিয়ে ব্রাজিলের বা আফ্রিকার হাজারো ক্ষুধার্ত মানুষের খাদ্য ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যেত।

রেফারেন্স ৪: BBC News: https://www.bbc.com/sport/football/32073525

রেফারেন্স ৫: Oxford Academic: https://www.ox.ac.uk/news/2020-09-18-olympic-costs-are-comparable-deep-disasters-pandemics-earthquakes-tsunamis-and-war

৩। খেলার আড়ালে দেহ ব্যবসা ও মানব পাচার (Human Trafficking)

খেলা যখন উৎসবের রূপ নেয়, তখন সেই উৎসবের আড়ালে সচল হয় অন্ধকার জগতের সবচেয়ে জঘন্যতম ব্যবসা—মানব পাচার ও দেহ ব্যবসা।

২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপ এবং ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের সময় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অফিসিয়াল রিপোর্টে ভয়াবহ তথ্য উঠে আসে। বিশ্বকাপের লাখ লাখ পর্যটকদের অনৈতিক চাহিদা মেটাতে আন্তর্জাতিক ক্রাইম সিন্ডিকেটগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। কেবল দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের সময় প্রায় ৪০,০০০ নারীকে জোরপূর্বক এবং প্রতারণার মাধ্যমে যৌন দাসত্বের জন্য পাচার করা হয়েছিল। খেলা দেখার আনন্দের আড়ালে লাখো নারীর জীবন বিষাক্ত হয়ে যায়।

রেফারেন্স ৬: Reuters: https://www.reuters.com/world/americas/us-puts-brazil-south-africa-human-trafficking-watch-list-2025-09-29/

৪। অপরাধ ঢাকার হাতিয়ার: স্পোর্টসওয়াশিং (Sportswashing)

বিশ্বের বড় বড় একনায়ক, যুদ্ধাপরাধী বা গণহত্যাকারী রাষ্ট্রগুলো নিজেদের রাজনৈতিক অপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘন বিশ্ববাসীর নজর থেকে আড়াল করার জন্য ফিফা বা মেগা স্পোর্টস ইভেন্টকে বেছে নেয়। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একে বলা হয় "Sportswashing"।

২০১৮ সালে রাশিয়ায় হলো বিশ্বকাপ। পুতিনের চেচনিয়া যুদ্ধ, রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বা ক্রিমিয়া আগ্রাসনের মতো জঘন্য অপরাধগুলো বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনার আলোর নিচে সফলভাবে ঢাকা পড়ে গিয়েছিল। কাতার বা রাশিয়ার মতো দেশগুলো নিজেদের ভেতরের কঠোর স্বৈরাচারী আইন ও শ্রম শোষণ ঢাকতে বিপুল অর্থ খরচ করে বিশ্ববাসীর সামনে নিজেদের এক 'উদার' ইমেজ তৈরি করে, যা Amnesty International স্পষ্ট ভাষায় প্রমাণ করেছে।

রেফারেন্স ৭: Amnesty International: https://www.amnesty.org.uk/knowledge-hub/all-resources/russia-2018-why-human-rights-matter-world-cup/

স্পোর্টসওয়াশিং কী এবং কিভাবে কাজ করে তা জানতে এটি পড়ুন: https://www.humanrights.unsw.edu.au/students/blogs/what-is-sportswashing

৫। জুয়া, বাজি এবং আত্মহত্যার মহামারী

স্বাভাবিক বিনোদন যখন সহজলভ্য থেকে উন্মাদনায় রূপ নেয়, তখন পুঁজিবাদ তার আসল থাবা বসায়। ফিফা বিশ্বকাপের সময় বিশ্বজুড়ে অনলাইন বেটিং বা জুয়া কয়েক হাজার গুণ বেড়ে যায়। ক্রিপ্টো আর অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কোটি কোটি তরুণ দ্রুত বড়লোক হওয়ার আশায় ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ে দেউলিয়া হয়।

আর এই উন্মাদনার শেষ পরিণতি কী? নিজের ঘরের খেয়ে, জমি বেচে ভিনদেশের পতাকা টানানো তরুণ যখন দেখে তার প্রিয় দল হেরে গেছে, তখন সে মানসিক ট্রমা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে বসে!

বিখ্যাত মেডিকেল জার্নাল The Lancet Psychiatry-এর গ্লোবাল রিপোর্টে দেখা গেছে, বড় বড় স্পোর্টস ইভেন্টের পর সাপোর্টারদের মাঝে বিশেষ করে বাংলাদেশ ও লাতিন আমেরিকায় হার্ট অ্যাটাক এবং আত্মহত্যার ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়।

রেফারেন্স ৮: The Lancet Psychiatry: Sports Events and Su***de Risk (Global Context) https://www.thelancet.com/journals/eclinm/article/PIIS2589-5370(23)00203-1/fulltext

লাস্ট আর একটা টুইস্ট আপনি কি জানেন কেন FIFA প্রতি ৪ বছর পর পর হয়? বিশ্বকাপের এই ৪ বছরের চক্রটি মূলত অলিম্পিক গেমসের প্রাচীন ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত (যাকে 'Olympiad' বলা হয়)।

১৯৩০ সালে যখন প্রথম বিশ্বকাপ শুরু হয়, তখন ফিফা চেয়েছিল অলিম্পিকের ফুটবল ইভেন্টের বাইরে নিজেদের একটি স্বাধীন ও সবচেয়ে বড় একক রাজত্ব তৈরি করতে।

অলিম্পিক যে বছর হয়, তার ঠিক ২ বছর পর বিশ্বকাপ আয়োজন করা হয়। এর ফলে অলিম্পিক এবং বিশ্বকাপের মাঝে কোনো সংঘাত (Clash) হয় না এবং ফিফা পুরো পৃথিবীর মিডিয়ার আলো এককভাবে নিজের দিকে টেনে নিতে পারে।

পুঁজিবাদী অর্থনীতির একটি মূল সূত্র হলো—"যেকোনো জিনিসের সরবরাহ যত কম হবে, বাজারে তার চাহিদাও তত আকাশচুম্বী হবে।" যদি বিশ্বকাপ প্রতি বছর বা ২ বছর পর পর হতো, তবে মানুষের কাছে এর আকর্ষণ বা এক্সাইটমেন্ট কমে যেত।

৪ বছরের এই দীর্ঘ বিরতি বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মাঝে এক ধরণের তীব্র ক্ষুধা ও ব্যাকুলতা (Anticipation) তৈরি করে। একে বলা হয় কৃত্রিম অভাব তৈরি করা বা (Creating Artificial Scarcity)

এই কৃত্রিম অভাবকে পুঁজি করে ফিফা স্পন্সরশিপ, টিভি রাইটস এবং বিজ্ঞাপনের দাম হাজার গুণ বাড়িয়ে দেয়, যা প্রতি বছর আয়োজন করলে কখনোই সম্ভব হতো না।

৪ বছরের এই চক্রের পেছনে যে শুধুই ব্যবসার হিসাব, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো—২০২১ সালে ফিফার বর্তমান সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো প্রতি ২ বছর পর পর বিশ্বকাপ আয়োজন করার একটি গোপন প্রজেক্ট হাতে নিয়েছিলেন। ফিফার লক্ষ্য ছিল প্রতি ২ বছর পর পর আয়োজন করলে তাঁদের রাজস্ব বা ইনকাম দ্বিগুণ (প্রায় ৮.৬ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত) হয়ে যাবে।

কিন্তু ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা (UEFA), দক্ষিণ আমেরিকান সংস্থা (CONMEBOL) এবং খোদ খেলোয়াড়েরা এর তীব্র বিরোধিতা করেন। তারা সাফ জানিয়ে দেন, প্রতি ২ বছর পর খেলা হলে বিশ্বকাপের মর্যাদা ধূলিসাৎ হয়ে যাবে এবং খেলোয়াড়েরা ক্লান্তিতে মাঠেই মারা যাবেন। তীব্র তোপের মুখে পড়ে ফিফা বাধ্য হয়ে তাঁদের সেই বাণিজ্যিক লোভ সামলে আবার ৪ বছরের নিয়মে ফেরত যায়।

আচ্ছা এবার আসি FIFA নিয়ে বহিরবিশ্বে উন্মাদনা বা ক্রেইজ কি রকম। আমরা যদি একটু বৈশ্বিক মানচিত্রের দিকে তাকাই, তবে দেখতে পাব এক অদ্ভুত বৈপরীত্য। বিশ্বের অনেক উন্নত বা সচেতন দেশ এই খেলা নিয়ে আমাদের মতো রাস্তাঘাটে মারামারি বা উন্মাদনা করে না।

জার্মানি বা নরওয়ের মতো দেশগুলোতে কাতার বিশ্বকাপের সময় সাধারণ দর্শক, সচেতন নাগরিক এবং বড় বড় ফুটবল ক্লাবগুলো দলমত নির্বিশেষে "Boycott Qatar 2022" আন্দোলন করেছিল। তারা হাজার হাজার অভিবাসী শ্রমিকের মৃত্যুর প্রতিবাদে টিভির পর্দা বন্ধ রেখেছিল। তারা স্রেফ ৯০ মিনিটের একটা খেলা দেখার চেয়ে মানুষের 'মানবাধিকার' এবং জীবনের মূল্যকে অনেক বড় মনে করে।

অন্যদিকে চীন ও জাপানের মতো এশিয়ার পরাশক্তি দেশগুলো খেলাধুলার চেয়ে নিজেদের দেশের কর্মক্ষমতা, প্রযুক্তি, উৎপাদনশীলতা এবং সময়ের মূল্যকে অনেক বেশি মূল্যায়ন করে। তারা খেলাকে বড়জোর একটা হালকা বিনোদন হিসেবে দেখে—একে কখনো নিজেদের জীবনের নেশা, ধ্যান-জ্ঞান বা অন্ধ উন্মাদনা বানিয়ে ফেলে না।

ঠিক এই জায়গাতেই আমাদের দেশের চিত্রটি সম্পূর্ণ উল্টো এবং চরম লজ্জাজনক। আমাদের নিজেদের দেশের ফুটবল র‍্যাংকিং যখন ১৮০ এর নিচে, যখন আমাদের নিজেদের ফুটবল দল বিশ্বমঞ্চে খেলার যোগ্যতাটুকুও রাখে না তখন আমাদের যুবসমাজ এক অদ্ভুত পলায়নপর মানসিকতায় (Escapism) ভোগে। নিজেদের জীবনের ব্যর্থতা, হতাশা আর কর্মহীনতা ভুলে থাকতে তারা লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল কিংবা আর্জেন্টিনার জয়কে নিজেদের অস্তিত্বের লড়াই বানিয়ে ফেলে।

যেখানে ইউরোপের মানুষ শ্রমিকের অধিকারের জন্য খেলা বর্জন করে, সেখানে বাংলাদেশের তরুণ নিজের বাপের জমি বন্ধক রেখে, ঋণ করে ভিনদেশের হাজার ফুট লম্বা পতাকা বানায়। সামান্য একটা গোল দেওয়া বা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে নিজের আপন ভাই, বন্ধু আর প্রতিবেশীর বুকে ছুরি চালায়, মুখে নোংরা গালিগালাজ করে। যে দেশের কোটি মানুষ এখনো দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত, সে দেশের মানুষ প্রজেক্টরের আলো আর ভিনদেশী দলের জার্সির পেছনে কোটি কোটি টাকা অপচয় করে এক চরম জাহেলিয়াত ও মানসিক দাসত্বের পরিচয় দেয়।

যখন ৯০ মিনিটের একটি খেলা মানুষের বিবেক, সময় ও নীতিবোধকে অবশ করে দেয়, তখন মানুষ আর সাধারণ মানুষ থাকে না; সে পরিণত হয় পুঁজিবাদের এক অন্ধ দাসে। তখন কারও লাগে মধ্যরাতে টিভির সামনে বসে চোখের জিনা, কারও লাগে জুয়া আর বাজির নেশা, আর কারও লাগে ভিনদেশী দলের জন্য নিজের ভাইয়ের রক্ত ঝরানো।

আর এই উন্মাদনা ও নতুন চাহিদা মেটাতে পুঁজিবাদ খুলে বসবে নতুন নতুন সব দোকান। সেখানে সাজানো থাকবে পসরা—স্পন্সরশিপ, কোটি ডলারের জার্সির ব্যবসা, প্রজেক্টরের আলো। এমন সব পসরা যা দেখে বিবেকের তলানিও শিউরে ওঠে। সব মানবতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতার লাশের ওপর দিয়ে চলে যায় ফিফা আর পুঁজিবাদের এই পসরার ট্রাক। তাদের প্রয়োজন শুধু মুনাফা আর পুঞ্জীভূত পুঁজি; কার ঈমান গেল, কার জীবন গেল তা দেখার সময় তাদের নেই।

২০০০ বছর আগে রোমান কবি জুভেনাল শাসকদের একটা কুৎসিত মনস্তাত্ত্বিক চক্রান্ত ফাঁস করেছিলেন, যার নাম ছিল "Bread and Circuses" (রুটি ও সার্কাস)। পলিসিটা খুব সিম্পল—জনগণকে সস্তা খাবার (রুটি) আর গ্যালারির হিংস্র বিনোদন (সার্কাস) দিয়ে এমনভাবে বুঁদ করে রাখো, যেন তারা শোষণের বিরুদ্ধে বা নিজেদের আসল অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলার চিন্তাই ভুলে যায়।

আজ ২০০০ বছর পর, রোমের সেই পাথুরে রক্তাক্ত কলোসিয়াম রূপ নিয়েছে বিলিয়ন ডলারের আধুনিক ফুটবল স্টেডিয়ামে। চক্রান্তের কাঠামো বদলেছে মাত্র, কিন্তু শোষণের সেই মনস্তত্ত্ব বিন্দুমাত্র বদলায়নি। ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের মতো মেগা-ইভেন্টগুলো আসলে আধুনিক সভ্যতার তৈরি করা ‘সামিরীর বাছুর’। এর চোখ ধাঁধানো গ্ল্যামার আর কৃত্রিম হাইপ আমাদের ব্রেন ও অ্যাটেনশনকে হ্যাক করার জন্যই ডিজাইন করা হয়েছে।

সুতরাং, যুবসমাজের নৈতিকতা, মেধা ও আত্মিক মুক্তি এই ক্ষণস্থায়ী ৯০ মিনিটের চামড়ার বলের উন্মাদনায় নেই; এর স্থায়ী সমাধান "হেথা নয়, হেথা নয়; অন্য কোথাও, অন্য কোনো খানে" আর তা কেবলই মহান আল্লাহর দেওয়া চিরন্তন হিদায়াত ও দ্বীনের আলোতে।

লিখা: সানিম মাহমুদ রাতুল

- We Are Muslim Ummah-WAMU

Guardian analysis indicates shocking figure over the past decade likely to be an underestimate

تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَمِنْكُمْতাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম। আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের (নেক আমলসমূহ) কবুল করুন...
20/03/2026

تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।

আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের (নেক আমলসমূহ) কবুল করুন।

সবাইকে IUB Pathfinders Of Deen এর পক্ষ থেকে ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা – ঈদ মুবারক।

Deadline: 6 March (Friday) 11:59 PM🌙 GRAND IFTAR MAHFIL 2026🌙👤 only for boys আস-সালামু আলাইকুম প্রিয় ভাইয়েরা,  ইনশা-আল্ল...
05/03/2026

Deadline: 6 March (Friday) 11:59 PM
🌙 GRAND IFTAR MAHFIL 2026🌙
👤 only for boys

আস-সালামু আলাইকুম প্রিয় ভাইয়েরা,

ইনশা-আল্লাহ আগামী ৮ই মার্চ আমাদের কাঙ্খিত "গ্ৰ্যান্ড ইফতার মাহফিল ২০২৬" অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এখনো যারা রেজিস্ট্রেশন করেন নি অতি দ্রুত করে ফেলুন।

🛑রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা: 6March ( Friday) 11:59 PM

📅 তারিখ: ৮ই মার্চ ২০২৬
⏰ সময়: বাদ আসর( বিকাল ৫ টা)
📍 স্থান: BC Level 4 (5th floor)

রেজিস্ট্রেশন লিংক:
https://forms.gle/KqomyLmTZPHkAMas7

যে কোনো প্রয়োজনে নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করুন:
Sayeeat Mahmod
+880 01329-434542(WhatsApp)
Siyam Hasan
+880 1722-640528 (WhatsApp)

🌙 GRAND IFTAR MAHFIL 2026🌙👤 only for boys আস-সালামু আলাইকুম প্রিয় ভাইয়েরা,  পবিত্র রমজানের মহিমান্বিত সময়ে সিয়ামের বরকত ...
04/03/2026

🌙 GRAND IFTAR MAHFIL 2026🌙

👤 only for boys

আস-সালামু আলাইকুম প্রিয় ভাইয়েরা,

পবিত্র রমজানের মহিমান্বিত সময়ে সিয়ামের বরকত লাভ এবং ইফতারের আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য আমরা প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এইবারও আয়োজন করতে যাচ্ছি "গ্র্যান্ড ইফতার মাহফিল ২০২৬"। আল্লাহর রহমত ও ভালোবাসার এই মুহূর্তগুলো একসঙ্গে কাটানোর জন্য আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

📅 তারিখ: ৮ই মার্চ ২০২৬
⏰ সময়: বাদ আসর( বিকাল ৫ টা)
📍 স্থান: BC 5th floor

💳 হাদিয়া: ১৫০ টাকা [যদি কেউ ইচ্ছা করেন, সওয়াবের নিয়তে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অনুদান দিতে পারেন]
⏳টাকা পাঠানোর সর্বশেষ সময়: ৬ই মার্চ রাত ১১টা।

📖 রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করায়, সে রোজাদারের সমান সওয়াব পাবে, তবে রোজাদারের সওয়াব কমানো হবে না।" (তিরমিজি, ৮০৭)

আসুন, আমরা ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একত্রিত হয়ে এই পবিত্র মাসের সৌন্দর্য উপভোগ করি, ইফতার ভাগাভাগি করি এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য একসঙ্গে দোয়া করি।

🤲 অনুগ্রহ করে আপনার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করুন-
https://forms.gle/QprNxpcCJZ2NaJML7

যে কোনো প্রয়োজনে নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করুন:
Sayeeat Mahmod
+880 01329-434542(WhatsApp)
Siyam Hasan
+880 1722-640528 (WhatsApp)

আপনার উপস্থিতি আমাদের জন্য আনন্দের হবে! জাযাকুমুল্লাহু খাইরান!

#ইফতার_মাহফিল

Address

Plot-16, Block B, Aftabuddin Ahmed Road, Bashundhara R/A, Bangladesh
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IUB Pathfinders Of Deen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share