IUB Pathfinders Of Deen

IUB Pathfinders Of Deen Connect your hearts through the message of Islam The Pathfinders of Deen also work towards building bridges between different communities and faiths.

The IUB - Pathfinders of Deen is a group of individuals who are dedicated to spreading the message of Islam, also known as Dawah. The group's aim is to help people understand the teachings of Islam and to help them lead fulfilling life according to Islamic principles. The IUB - Pathfinders of Deen has a wide range of activities that they carry out in order to achieve their goal. These include orga

nizing talks and seminars on various Islamic topics, distributing literature on Islam, organizing social events, and providing support and counseling to those who are interested in learning about the faith. The group's members are passionate about their mission and are committed to spreading the message of Islam in a peaceful and constructive manner. They believe that Islam is a religion of peace and tolerance, and they strive to convey this message to the wider community through their work. They believe that interfaith dialogue is important in promoting understanding and tolerance, and they actively engage in such activities. Overall, the Pathfinders of Deen is a group of dedicated individuals who are committed to spreading the message of Islam in a positive and constructive manner. Their work is an important contribution toward promoting interfaith understanding and building a more peaceful and tolerant society.

تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَمِنْكُمْতাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম। আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের (নেক আমলসমূহ) কবুল করুন...
20/03/2026

تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।

আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের (নেক আমলসমূহ) কবুল করুন।

সবাইকে IUB Pathfinders Of Deen এর পক্ষ থেকে ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা – ঈদ মুবারক।

Deadline: 6 March (Friday) 11:59 PM🌙 GRAND IFTAR MAHFIL 2026🌙👤 only for boys আস-সালামু আলাইকুম প্রিয় ভাইয়েরা,  ইনশা-আল্ল...
05/03/2026

Deadline: 6 March (Friday) 11:59 PM
🌙 GRAND IFTAR MAHFIL 2026🌙
👤 only for boys

আস-সালামু আলাইকুম প্রিয় ভাইয়েরা,

ইনশা-আল্লাহ আগামী ৮ই মার্চ আমাদের কাঙ্খিত "গ্ৰ্যান্ড ইফতার মাহফিল ২০২৬" অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এখনো যারা রেজিস্ট্রেশন করেন নি অতি দ্রুত করে ফেলুন।

🛑রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা: 6March ( Friday) 11:59 PM

📅 তারিখ: ৮ই মার্চ ২০২৬
⏰ সময়: বাদ আসর( বিকাল ৫ টা)
📍 স্থান: BC Level 4 (5th floor)

রেজিস্ট্রেশন লিংক:
https://forms.gle/KqomyLmTZPHkAMas7

যে কোনো প্রয়োজনে নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করুন:
Sayeeat Mahmod
+880 01329-434542(WhatsApp)
Siyam Hasan
+880 1722-640528 (WhatsApp)

🌙 GRAND IFTAR MAHFIL 2026🌙👤 only for boys আস-সালামু আলাইকুম প্রিয় ভাইয়েরা,  পবিত্র রমজানের মহিমান্বিত সময়ে সিয়ামের বরকত ...
04/03/2026

🌙 GRAND IFTAR MAHFIL 2026🌙

👤 only for boys

আস-সালামু আলাইকুম প্রিয় ভাইয়েরা,

পবিত্র রমজানের মহিমান্বিত সময়ে সিয়ামের বরকত লাভ এবং ইফতারের আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য আমরা প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এইবারও আয়োজন করতে যাচ্ছি "গ্র্যান্ড ইফতার মাহফিল ২০২৬"। আল্লাহর রহমত ও ভালোবাসার এই মুহূর্তগুলো একসঙ্গে কাটানোর জন্য আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

📅 তারিখ: ৮ই মার্চ ২০২৬
⏰ সময়: বাদ আসর( বিকাল ৫ টা)
📍 স্থান: BC 5th floor

💳 হাদিয়া: ১৫০ টাকা [যদি কেউ ইচ্ছা করেন, সওয়াবের নিয়তে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অনুদান দিতে পারেন]
⏳টাকা পাঠানোর সর্বশেষ সময়: ৬ই মার্চ রাত ১১টা।

📖 রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করায়, সে রোজাদারের সমান সওয়াব পাবে, তবে রোজাদারের সওয়াব কমানো হবে না।" (তিরমিজি, ৮০৭)

আসুন, আমরা ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একত্রিত হয়ে এই পবিত্র মাসের সৌন্দর্য উপভোগ করি, ইফতার ভাগাভাগি করি এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য একসঙ্গে দোয়া করি।

🤲 অনুগ্রহ করে আপনার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করুন-
https://forms.gle/QprNxpcCJZ2NaJML7

যে কোনো প্রয়োজনে নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করুন:
Sayeeat Mahmod
+880 01329-434542(WhatsApp)
Siyam Hasan
+880 1722-640528 (WhatsApp)

আপনার উপস্থিতি আমাদের জন্য আনন্দের হবে! জাযাকুমুল্লাহু খাইরান!

#ইফতার_মাহফিল

18/02/2026
09/10/2025

নিজেদেরকে অতিবুদ্ধিজীবী মনে করা কিছু লিবারেল, সেক্যুলার, মুনাফিক গোষ্ঠী বাংলাদেশের কোনো ঘটনায় [আ ও য়া মী লী গ], [ই স ক ন], র’ বা অন্য কোনো সংগঠনের ফাঁদ বা ষড়যন্ত্র দেখতে পায় না—কিন্তু ইসলাম ও মুসলিমদের স্বার্থ-সংক্রান্ত বিষয়েই হঠাৎ বিশ্লেষক বনে যায়। একদিকে শাতিমরা প্রকাশ্যে ইসলাম অবমাননা করে, অন্যদিকে শাসক ও প্রশাসন নীরব থেকে কিংবা শাতিমদের পক্ষ নিয়ে তাদের সাহস জোগায়। আর তৃতীয় দল হলো এরা—যারা জুজুর ভয় দেখিয়ে মুসলিমদের দমিয়ে রাখে। সব মিলিয়ে ইসলাম অবমাননার এক বীভৎস চক্র তৈরি হয়।

দ্বীন ইসলাম তথা আল্লাহ, আল্লাহর নাবী-রসূল, আল্লাহর কিতাব ইত্যাদিকে অবমাননা, অসম্মান, অপমান, কটূক্তি, ব্যঙ্গবিদ্রুপ করা—এমন ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের পেছনে আছে প্রাতিষ্ঠানিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় (প্রশাসনিক) মদদ ও ছাড়। সিস্টেমের ভেতরে থেকেই এগুলো ঘটতে দেওয়া হয়, তাই শুধু প্রতিবাদ বা দাবি জানিয়ে খুব বেশি ফল পাওয়া যায় না।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এ ধরনের ঘটনার প্রতি প্রায়ই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নীরব সমর্থন দেখায়। কারণ, তারা নিজেদের লিবারেল সেক্যুলার ইমেজ ধরে রাখতে গিয়ে ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডকে হালকাভাবে নেয়। এমন ঘটনার পর দেখা যায়, মুসলিমদের ক্ষোভ ও প্রতিবাদকে নিয়ন্ত্রণ বা দমন করার চেষ্টা চলে। অথচ মুসলিমদের ঈমানের ওপর আঘাত করা হলে তাদের প্রতিবাদই স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। এর মাধ্যমে আমাদেরকেই বারবার ‘চুপ থাকো’ সংস্কৃতির মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়।

কিছু লিবারেল গোষ্ঠী, বিশেষ করে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান (গ্রুপ-পেজ) গুলো মুসলিম শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশকে ক্রিমিনালাইজ করার ঘৃণ্য চেষ্টা করছে। আপনারা জুলাইয়ের স্টেকহোল্ডার হোন, বা যায় হোন না কেন, মুসলিমদের ঈমানের সাথে সম্পৃক্ত বিষয় নিয়ে বাজে মন্তব্য ও প্রোপাগান্ডা ছড়াবেন না।

একটা কথা সাফ মনে রাখতে হবে সবার: লিবারেল আর সেকুলার এই কুফরি জীবনব্যবস্থার মধ্যে বসবাস করে আল্লাহ ও তার রসূলের ইজ্জত রক্ষার একমাত্র হাতিয়ার হলো এই সব বিষয়ে মুসলিমদের অনমনীয় আচরন।

ইংরেজদের আমল থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত পৃথিবীর সর্বস্থানে রসুলের ইজ্জতের বিষয়ে মুসলিমদের অনমনীয় আচরণই কেবল আয়িম্মাতুল কুফরকে বাধা দিয়ে রেখেছে। নাহলে লিবারেলিজমের কুফর চর্চার আড়ালে এবং বাকস্বাধীনতার নামে নাটক, সিনেমা, গল্প, উপন্যাস, কার্টুন ইত্যাদিতে আল্লাহ ও তার রসূলকে শয়তানের দোষররা কী জঘন্য চিত্রায়ণ যে করতো, তা আল্লাহই ভালো জানে!

সুতরাং, রাষ্ট্রের কী হলো, দেশকে কে নিয়ে গেলো, কোন দেশের আর্মি বাংলাদেশে আক্রমণ করে বসলো তা নিয়ে সামান্য ভাবার সময় আমাদের নাই। আমাদের একটাই কথা, আল্লাহ ও তার রসূলকে নিয়ে তাদের শানের বিপরীত একটি টু-শব্দও এই পৃথিবীর কোথাও উচ্চারণ কেউ করতে পারবে না। কেউ করলে তার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড! হয় কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়ন করবে, অন্যথায় মুসলিমরা নিজেদের দায়িত্ব নিজেরাই বুঝে নিবে।

তাই, দেশের কথিত শান্তি ঠিক রাখতে হলে, ‘আল্লাহ ও তার রসূলের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়’ — যে বা যারা এমন কোনো কথা বা কাজ করবে তাদের শাস্তি বাস্তবায়ন করুন।

বাংলাদেশে বর্তমানে ইসলাম অবমাননার বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর আইন নেই। কেউ আল্লাহ্ বা রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে গালি দিলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নিয়মতান্ত্রিক কার্যকর কোনো পথ খোলা নেই।

রাখাল রাহার ব্যাপারটা দেখুন। এই লোক প্রকাশ্যে ফেইসবুকে মহান আল্লাহ্‌কে নিয়ে অশ্লীল গালি দিয়েছে। সে স্বীকারও করেছে ঐ পোস্ট সে দিয়েছিল। অথচ তার কোনো শাস্তি হয়নি, বরং আদালত মামলাই খারিজ করে দিয়েছে।

স্পষ্ট করে বললে, শাতিমির রসূল বা আল্লাহ্‌কে অবমাননার বিরুদ্ধে মুসলিমদের হাতে এখন কোনো লিগ্যাল রিকোর্স নেই।

একজন মুসলিম যার কাছে রসূল (ﷺ) এর ইজ্জত ঈমানের অংশ, তাঁর জন্য এই রাষ্ট্র কী অপশান রেখেছে?

• এ অবস্থায় কেউ উপেক্ষা করবে। কেউ দুঃখ পাবে, মুখ বুঝে সহ্য করে যাবে।
• কেউ প্রতিবাদ করবে, আন্দোলনে নামবে।
• আবার কেউ এমনও থাকবে যারা মনে করবে—যেহেতু রাষ্ট্র কিছু করছে না, বিচার নিজেই করতে হবে।

দিনের পর দিন আল্লাহ্‌ ও রসূল (ﷺ)-কে গালি দেওয়া হবে, রাষ্ট্র চুপ করে থাকবে—এটা কোনো ঈমানদার ‘স্বাভাবিক’ বলে মেনে নিতে পারে না। আইনহীনতা বাড়লে, নিজ হাতে বিচার করাও বাড়বে। এটা অবধারিত।

দেশে যেহেতু শাতিমদের থামানোর নিয়মতান্ত্রিক কোনো উপায় নাই, মানুষ নিয়মের বাইরে গিয়ে সমাধান খুঁজবে। এটাও অবধারিত।

ইকোনমিক্সের ভাষায় বললে: যেহেতু অবমাননা থামানোর ব্যাপারে মুসলিমদের অবস্থান ইনইলাস্টিক, তাই ইসলাম অবমাননাকে স্পেইস দিয়ে রাষ্ট্র এবং সুশীল সমাজ ভিজিল্যান্টি জাস্টিসকে ইনসেন্টিভাইয করছে।

রাষ্ট্র অপরাধ না থামিয়ে যে শূন্যতা তৈরি করেছে, সেটাই ভিজিল্যান্টিসমের জায়গা খুলে দেবে। এটা ঠান্ডা, শীতল লজিক। ধর্মীয় উত্তেজনা না।
————

“আইনের উপর আস্থা রাখেন!” কোন আইন? যে আইন এখনো আমাদের ভাই শহীদ আলিফকে দিবালোকে প্রকাশ্যে যবেহ করে [খু ন] করা [ই স ক নে র] সন্ত্রাসীদের বিচার করতে পারে নাই সেই আইন?

• সিলেটের এল পুরোহিত বাচ্চা মুসলিম মেয়েকে [রে ই প] করলো, সেটার বিচার করতে পারে নাই ওই আইনের উপর ভরসা রাখব?

• মুসলিম মেয়েকে গ্যাং [রে ই প] করেছিল যে হিন্দু যুবকরা, তাদের বিচার করতে না পারা আইনের উপর ভরসা রাখব?

• ফেসবুকে [খু নে র] হুমকি দেয়া ট্রাশগন্ডার সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশের উপর [বো মা] মারার হুমকি দিলেও তাকে আইনের আওতায় পর্যন্ত আনেনি, সেই আইনের উপর ভরসা রাখব?

• ঠিক কোন আইনের উপর আমি ভরসা রাখব? যে আইন দেশ থেকে ডিবি হারুনের পলায়ে যাওয়া ঠেকাইতে পারে না সেই আইনের উপর?

• যে আইন প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও রেপিস্টের বিচার করেনি সেই আইন? যে আইন চোখে ভিলেন হিসাবে শুধু মুসলিম আর ইসলামকেই দেখতে চায় সেই আইন?

এই কচুর আইন আসলে কী করছে বলেন আমাকে? একটা ভালো কাজ দেখান। একটা ইনসাফ দেখান। দেখি কোন আইনের উপর আপনি ভরসা রাখতে বলতেছেন।

আর এমনিতেও, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেনঃ আইন দেয়ার অধিকার একমাত্র আল্লাহর। [সূরাহ ইউসুফ ১২: আয়াত ৪০]। আল্লাহর আইনের বিপরীত মানবরচিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার কোনো সুযোগই নেই, বরং এটা শির্ক।

“ইসলামী আইন ব্যতীত ইসলাম অবমাননার সঠিক বিচার হওয়া সম্ভব নয়।”

░ শাতিমির রসূল কে হত্যা করা ওয়াজিব ░

আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা বলেনঃ যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আর যমীনে বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে বেড়ায় তাদের শাস্তি হল এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে।
সূরাহ আল-মায়ীদাহ ৫: আয়াত ৩৩

যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে অভিশপ্ত করেছেন।
সূরাহ আল-আহযাব ৩৩: আয়াত ৫৭

যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে কষ্ট দেয় এই আয়াত অনুযায়ী তাদেরকে হত্যা করা ওয়াজিব। বিষয়টি আরও বেশী স্পষ্ট হয় এই হাদিসটির সুস্পষ্ট বর্ণনা দ্বারা: জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্‌ (রদিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বললেনঃ কা‘ব ইবনু আশরাফকে হত্যা করার দায়িত্ব কে নিতে পারবে? আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলকে সে তো কষ্ট দিয়েছে। মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রদিঃ) তখন বললেনঃ আমি।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২৫১০

জাবির (রদিঃ) সূত্রে নাবী (ﷺ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী (ﷺ) বলেনঃ কা’ব ইব্‌নু আশরাফকে হত্যা করার দায়িত্ব কে নিবে? তখন মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রদিঃ) বললেনঃ ‘আপনি কি পছন্দ করেন যে, আমি তাকে হত্যা করি?’ আল্লাহর রসূল (ﷺ) বললেনঃ হ্যাঁ।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৩০৩২
▬▬▬

ইবনু আব্বাস (রদিঃ) থেকে বর্ণিত, এক অন্ধ লোকের একটি ওয়ালাদ (দাসী) ছিল। সে নাবী (ﷺ)-কে গালমন্দ করতো, তাকে নিয়ে কটুক্তি করতো। ফলে অন্ধ লোকটি একটি ধারালো ছুরি নিয়ে তার পেটে ঢুকিয়ে দিয়ে চেপে ধরে তাকে হত্যা করলেন। এই ঘটনা নাবী (ﷺ)-কে শোনানো হলে তিনি ওই দাসীর রক্ত মূল্যহীন ঘোষণা করেন।
সুনান আন-নাসায়ী, হাদিস নং ৪০৭০
সুনান আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৩৬১ | সহিহ
▬▬▬

যারা রসূলুল্লাহ (ﷺ) কে কটাক্ষ বা গালী-গালাজ করবে তাদের হত্যা করার ব্যাপারে সমস্ত ওলামায় কিরাম একমত।
ফাতওয়ায় শামী ৪/৪১৭

কোনো মুসলিম অথবা কাফির যদি নাবী (ﷺ)-কে কটূক্তি করে, তা হলে তাকে হত্যা করা অপরিহার্য। এটাই উলামায় কিরামের সর্বসম্মত মাযহাব।
— শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যা (রহিঃ)
আস সারিমুল মাসলুল আলা শাতিমির রসূল, পৃষ্ঠা: ১০ (নুসুস পাবলিকেশন)

ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল (রহিঃ) বলেনঃ এমন অভিশপ্তকে হত্যা করা হবে, চাই সে মুসলিম হোক কিংবা কাফির। তখন ইমাম আহমাদ (রহিঃ)কে জিজ্ঞেস করা হলো, এ ব্যাপারে কি কোনো হাদিস আছে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ! অনেক হাদিস আছে। তার মধ্যে একটি হলো, অন্ধ-সাহাবি-সম্পর্কিত বর্ণনাটি। যখন তিনি শুনতে পেলেন, এক মহিলা নাবী (ﷺ)-কে গালমন্দ করে, তখন তিনি ওই মহিলাটিকে হত্যা করেছিলেন। আরেকটা হলো হুসাইন (রদিঃ)-কর্তৃক বর্ণিত হাদীস। তিনি আরও বলেনঃ শাতিমুর রসূলকে তাওবারও সুযোগ দেওয়া হবে না। এই বক্তব্যটি ইমাম আবু বাকর (রহিঃ) তার আশ-শাফি গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং ‘শাতিম’-কে হত্যা করার ব্যাপারে ইমাম আহমাদ রাহিমাহুল্লাহ থেকে ভিন্ন কোনো মত নেই, আর (শাতিম যদি যিম্মি হয়) তা হলে তার নিরাপত্তা-অকার্যকর হয়ে পড়বে।
আস সারিমুল মাসলুল আলা শাতিমির রসূল, পৃষ্ঠা: ১২ (নুসুস পাবলিকেশন)

ইমাম খাত্তাবি (রহিঃ) বলেনঃ রসূলের কটুক্তিকারী কে হত্যা করা ওয়াজিব। এ ব্যাপারে একজন মুসলিমও দ্বিমত করেছে বলে আমি জানি না।
মায়ালিমুস সুনান : ৩/২৯৬

সুতরাং

যেখানে ইসলাম (আল্লাহ, আল্লাহর নবী-রসূল, আল্লাহর কিতাব ইত্যাদিকে) অবমাননা হচ্ছে দুনিয়ার সবচেয়ে নিকৃষ্ট অপরাধ, সেখানে কিছু লিবারেল, সেক্যুলার, মুনাফিক গোষ্ঠীর দ্বারা মুসলিমদের স্বাভাবিক ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশকে ক্রিমিনালাইজ করার ঘৃণ্য চেষ্টা নিতান্তই গর্হিত ও প্রোপাগান্ডা মূলক কাজ বলে আমরা মনে করি এবং এর তীব্র প্রবাদ জানায়।

আজকে আইইঊবিতে মহিমান্বিত  কোরআন বিতরনে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। "যারা বিশ্বাসী তারা আল্লাহর পথে সংগ্রাম করে ...
08/10/2025

আজকে আইইঊবিতে মহিমান্বিত কোরআন বিতরনে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।

"যারা বিশ্বাসী তারা আল্লাহর পথে সংগ্রাম করে এবং যারা অবিশ্বাসী তারা তাগূতের পথে সংগাম করে। সুতরাং তোমরা শয়তানের বন্ধুদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম কর। নিশ্চয় শয়তানের কৌশল দুর্বল"। (৪ঃ৭৬)

ছবি: সংগৃহীত

বিবৃতি : নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (NSU) ঘটে গেল ভয়াবহ কুরআন অবমাননা—আমাদের ঈমান, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ওপর সরাসরি আঘাত! ...
05/10/2025

বিবৃতি :
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (NSU) ঘটে গেল ভয়াবহ কুরআন অবমাননা—আমাদের ঈমান, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ওপর সরাসরি আঘাত! কাল সকাল ৯টায় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির NAC-2 ভবনে এক হৃদয়বিদারক ও মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।

অপূর্ব পাল নামের এক শিক্ষার্থী প্রকাশ্যে পবিত্র কুরআন শরীফ মাটিতে রেখে, তাতে লাথি মারে, পৃষ্ঠাগুলো ছিঁড়ে ফেলে এবং এর ভিডিও ধারণ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে। পরে সে সেই অবস্থায় ক্লাসরুমে প্রবেশ করে। শিক্ষার্থীরা তীব্র প্রতিবাদ জানালে সে উল্টো হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু করে, এমনকি শিক্ষকদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে সিকিউরিটি কর্মীরা এসে তাকে ‘সেফ এক্সিট’ দিয়ে সরিয়ে দেয়। এটি কোনো সামান্য শৃঙ্খলাভঙ্গ নয়—বরং পুরো মুসলিম উম্মাহর ঈমান ও পবিত্র কুরআনের ওপর নগ্ন আঘাত।

অপরাধীর তথ্য:
নাম: অপূর্ব পাল (Apurba Paul)
আইডি: 2112076642
ইমেইল: [email protected]
https://www.facebook.com/share/17BfxGUVCn/

ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অপরাধীকে কঠোর শাস্তি দেওয়া তো দূরের কথা, বরং শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন গ্রুপ অ্যাডমিনদের নীরব থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। এত বড় ধর্ম অবমাননার ঘটনাকে গোপন রাখার চেষ্টা করছে—যা প্রমাণ করে এর পেছনে প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত ইসলামবিদ্বেষ কাজ করছে।

আমরা আশঙ্কা করছি, এই জঘন্য ঘটনার পর তাকে ‘ড্রাগ এডিক্ট’ বা ‘মানসিক রোগী’ সাজিয়ে ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হতে পারে। অথবা কিছু ‘দায়সারা ব্যবস্থা’ নিয়ে নতুন ইস্যু সামনে আনা হবে। অথচ এটি নিছক কোনো ছাত্র-শৃঙ্খলা ভঙ্গ নয়—বরং পরিকল্পিত ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ড। এটি আল্লাহর কিতাবের প্রতি সরাসরি অবমাননা ও মুসলিম উম্মাহর ঈমানের ওপর আঘাত। এমন ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের পেছনে আছে প্রাতিষ্ঠানিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় (প্রশাসনিক) মদদ ও ছাড়। সিস্টেমের ভেতরে থেকেই এগুলো ঘটতে দেওয়া হয়, তাই শুধু প্রতিবাদ বা দাবি জানিয়ে খুব বেশি ফল পাওয়া যায় না।

আজ যদি কুরআনের জায়গায় অন্য কোনো ধর্মগ্রন্থ হতো, তাহলে শাহবাগে মশাল মিছিল, বামপন্থিদের বিবৃতি, রাজনৈতিক দলের প্রেস রিলিজ, সুশীল সমাজের নিন্দাবার্তা—সবকিছু দেখা যেতো। কিন্তু যেহেতু কুরআন অবমাননা করা হয়েছে, তাই এ নিয়ে রাষ্ট্র, প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নীরব।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এ ধরনের ঘটনার প্রতি প্রায়ই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নীরব সমর্থন দেখায়। কারণ, তারা নিজেদের লিবারেল সেক্যুলার ইমেজ ধরে রাখতে গিয়ে ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডকে হালকাভাবে নেয়। এমন ঘটনার পর দেখা যায়, মুসলিমদের ক্ষোভ ও প্রতিবাদকে নিয়ন্ত্রণ বা দমন করার চেষ্টা চলে। অথচ মুসলমানদের ঈমানের ওপর আঘাত করা হলে তাদের প্রতিবাদই স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। এর মাধ্যমে আমাদেরকেই বারবার ‘চুপ থাকো’ সংস্কৃতির মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়।

আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই—অপূর্ব পালকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গোপনীয়তা ও নীরবতার সংস্কৃতি আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি। এই ঘটনাটি শুধুমাত্র NSU ক্যাম্পাসের বিষয় নয়। বরং এটি পুরো মুসলিম উম্মাহর জন্য এক বড় ইস্যু। পবিত্র কুরআন অবমাননা করা মানে আমাদের ঈমান, আমাদের ধর্মীয় পরিচয় এবং আমাদের মৌলিক বিশ্বাসকে অপমান করা।

05/10/2025

ব্লাসফেমির একমাত্র শাস্তি মৃ/ত্যু/দ/ণ্ড

এর বাইরে আর কোনোকিছুই এক্সেপ্ট করা হবে না।

এই জমীনে আল্লাহ, আল্লাহর রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আল্লাহর আয়াত, আল্লাহর কিতাবকে অপমান করার পর আমাদের আসলে বেঁচে থাকা অর্থহীন।

আমাদের রক্ত পুরোটাই পূজ হয়ে গেছে। আমাদের আত্নসম্মানবোধ বলে কিছু নেই। আমাদের বেঁচে থাকা নিরর্থক।

৪ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা মামুনের। গত ২২ সেপ্টেম্বর ভোরে রাজধানীর উত্তরা ২১ ...
25/09/2025

৪ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা মামুনের।

গত ২২ সেপ্টেম্বর ভোরে রাজধানীর উত্তরা ২১ নং রোড থেকে নিখোঁজ হন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উত্তরা তুরাগ থানার যুগ্ম আহ্বায়ক ও খাদেমুল কুরআন মডেল মাদ্রাসার মুহতামিম ক্বারী মাওলানা মামুনুর রশীদ।

অনেকেই এ ঘটনাকে রাজনৈতিক কারণে সংঘটিত বলে দাবি করছেন। পাশাপাশি হাসিনার শাসনামলে একই কায়দায় গুমের শিকার ব্যক্তিরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, তবে কি এই নয়া বাংলাদেশে আবারো গুম শুরু হতে যাচ্ছে?

ড. মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন ও আসিফ মাহতাব উৎস-কে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি প্রসঙ্গে তীব্র নিন্দা ও প্রতিরোধ ঘোষণাআমরা গভীর উদ...
20/08/2025

ড. মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন ও আসিফ মাহতাব উৎস-কে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি প্রসঙ্গে তীব্র নিন্দা ও প্রতিরোধ ঘোষণা

আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, ড. সারোয়ার হোসেন ও আসিফ মাহতাব উৎস-কে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি বিভৎস চিত্র এঁকে হত্যার কল্পনা প্রচার করা হয়েছে, যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর ভয়াবহ আঘাত।

ড. সারোয়ার ও আসিফ দীর্ঘদিন ধরে একাডেমিকভাবে LG* B*T *Q নরমালাইজেশনের বিরুদ্ধে গবেষণা ও সচেতনতা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁরা যুক্তি ও গবেষণার মাধ্যমে বিষয়টির অসারতা ও সমাজবিরোধী দিক তুলে ধরেছেন, কখনো সহিংসতায় জড়াননি। অথচ আজ তাঁরা ভয়াবহ ডিহিউম্যানাইজেশন ও সন্ত্রাসী হুমকির শিকার।

আমরা জোরালোভাবে দাবি করছি—

১) ড. সারোয়ার স্যার ও আসিফ স্যারের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
২) হুমকিদাতাকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।
৩) হত্যার হুমকিদাতাকে যারা সমর্থন করেছে তাদেরও আইনের আওতায় আনা।

একইসাথে জানানো যাচ্ছে যে, নর্থ সাউথ ও আইইউবি এর সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

📌 তারিখ: ২১ আগস্ট ২০২৫, বৃহস্পতিবার
🕑 সময়: দুপুর ২ টা
📍 স্থান: IUB Gate no. 1 / NSU Gate no. 8

আমরা ছাত্রসমাজ ও সকল বিবেকবান নাগরিককে এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

বার্তা প্রেরক,
আইইউবি এর সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে,
সিয়াম হাসান

নর্থ সাউথ এর সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে,
অর্ণব আহমেদ

21/07/2025

🚨 জরুরি বার্তা 🚨
ঢাকা মেডিক্যাল বার্ন ইউনিট
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ
কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল
উত্তরা উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ
মনসুরআলী মেডিকেল কলেজ

উত্তরার হাসপাতালগুলোতে শত শত ব্যাগ রক্ত লাগবে।রক্তদানে আগ্রহীরা এই হাসপাতাল গুলোতে আসুন, প্রচুর রক্ত প্রয়োজন। দুর্ঘটনাস্থলে ভিড় করে উদ্ধারকাজ বাধাগ্রস্থ করবেন না প্লিজ। আপনার রক্তের গ্রুপ ও মোবাইল নাম্বার কমেন্টে দিতে পারেন।
if needed:
যদি রক্তের প্রয়োজন হয় যোগাযোগ করবেন।
❗Only For Dhaka❗

(রক্তের গ্রুপ)-(ফোন নাম্বার)
A- Negative 01933892321
A- Negative 01844464155
A- Negative 01676335830
A- Negative 01883586717
A+ 01706926694
A+ 01689223789
A+ 01703268335
A+ 01875024194
A+ 01710376348
A+ 01928275633
A+ 01890372558
A+ 01911303620
A+ 01910902996
A+ 01995362098
A+ 01715323084
A+ 01701833905
A+ 01877793861
A+ 01937906789
AB- Negative 01913545498
AB+ 01626804795
AB+ 01925582350
AB+ 01790059606
AB+ 01558448484
AB+ 01919888277
AB+ 01770412286
AB+ 01925582350
Ab+ 01792208551
Ab+ 01863181279
AB+ 01626804795
B- Negative 01870435259
B- Negative 01722414689
B+ 01967507147
B+ 0130479265
B+ 01748446523
B+ 01949315386
B+ 01703778563
B+ 01712258706
O- Negative 01643105457
O- Negative 01406310948
O+ 01302900057
O+ 01634189232
O+ 01714501929
O+ 01571024605
O+ 01736582765
O+ 01812765772
O+ 01765606433
O+ 01521467763
O+ 01626822146
O+ 01841008718
O+ 01715826941
O+ 01834878727
O+ 01920869955
O+ 01921798307
O+ 01755700448
O+ 01300334793
Ab+ 01727810154

দয়া করে বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট করেন, হতেও তো পারে আপনার উছিলায় কারো জীবন বাঁচলো
©ফয়সাল আশিক (IUB)

Address

Plot-16, Block B, Aftabuddin Ahmed Road, Bashundhara R/A, Bangladesh
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IUB Pathfinders Of Deen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share