মেডিকেল ক্যাম্পাস

মেডিকেল ক্যাম্পাস ❤️ দেশজুড়ে মেডিকেল ক্যাম্পাস ❤️

আসল গুপ্ত!
17/06/2026

আসল গুপ্ত!

16/06/2026

৭ জন রোগী আসছে একসাথে। ডক্টর আমরা ৪ জন। ৭ম রোগীর এটেনডেন্ট চিল্লাপাল্লা শুরু করলো, তার রোগীকে দেখা হচ্ছে না। জাস্ট একজন রোগীর পরেই কিন্তু তার রোগী দেখা হতো।
যাকে দেখছিলাম দ্রুত শেষ করে উনার রোগীর কাছে গেলাম। রোগী ১০ দিন আগে ঘাস মারা বিষ খেয়েছে। মুখের ভিতরে পুড়ে যেয়ে অবস্থা খারাপ।
আজ আর মুখ খুলতেই পারছেন না, তাই হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন। এসে ৫ মিনিট আর ধৈর্য ধরতে পারছেন না।

আমার সোনার বাংলায়, হিপক্রেটের অভাব নাই!

-ডা: মেহেদী হাসান লিমন

১. গোপনীয়তাই তোমার শক্তি। যা অন্যরা জানে না, তা নষ্ট করতে পারবে না। নিজের ব্যক্তিগত জীবন গোপন রাখো—সবাই তোমার মঙ্গল চায় ...
16/06/2026

১. গোপনীয়তাই তোমার শক্তি। যা অন্যরা জানে না, তা নষ্ট করতে পারবে না। নিজের ব্যক্তিগত জীবন গোপন রাখো—সবাই তোমার মঙ্গল চায় না।

২. একাকীত্ব পথচলারই অংশ। একে ভয় না পেয়ে উপভোগ করো, এতে আত্মউন্নতির সুযোগ বেশি।

৩. সবকিছুই ক্ষণস্থায়ী। জীবনে উত্থান-পতন আসবেই, তাই সবসময় বাস্তববাদী ও বিনয়ী থাকো।

৪. প্রত্যেকেই ভেতরে ভেতরে কোনো না কোনো লড়াই করছে। যতটা সম্ভব সদয় হও, এতে তোমার কিছু কমবে না।

৫. জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার সময় শুধু সৌন্দর্য নয়, তার মূল্যবোধও দেখো। কারণ, সে-ই হবে তোমার প্রতিচ্ছবি।

৬. তোমার মানসিক শান্তি সবার আগে। এটা ঠিক রাখার জন্য মাঝে মাঝে একটু স্বার্থপর হও প্রয়োজন।

৭. সময়ের অভাব নেই, দরকার শুধু কম বিভ্রান্তি। ফোকাস করো, সফলতা ধরা দেবেই।

৮. সবার জন্য সময় বরাদ্দ করো না। শুধু তাদের জন্য রাখো, যারা সত্যিকার অর্থেই তোমাকে মূল্য দেয়।

৯. যে মানুষগুলো তোমার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও কৃতজ্ঞ, তাদের সঙ্গেই থাকো। সম্মানের জন্য কারও কাছে অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই।

১০. নিজেকে ভালোবাসা আত্মকেন্দ্রিকতা নয়, বরং নিজের প্রতি দায়িত্ববোধ।

১১. যারা তোমার জীবনের বোঝা হালকা করে, তাদের আঁকড়ে ধরো। এমন মানুষ খুবই বিরল।

১২. সঠিক মানুষ তোমাকে এগিয়ে নেবে, আর ভুল মানুষ টেনে নামাবে। তাই বন্ধু-বান্ধব বেছে নিও বুঝে।

১৩. মানসিক শান্তি দুনিয়ার সবচেয়ে দামি সম্পদ। তাই যেকোনো মূল্যে এটি রক্ষা করো।

১৪. ভালোবাসার পেছনে ছুটবে না, বরং নিজের জীবনকে উপভোগ করো। সঠিক মানুষ আপনিই আসবে।

১৫. তেমন কাউকে খুঁজে নিও, যে তোমার সঙ্গে এগিয়ে যেতে চায়। একে অপরকে ভালো কিছুতে অনুপ্রাণিত করবে।

১৬. পশ্চাতাপ নয়, জীবন থেকে শিক্ষা নাও। ভুল থেকে শিখে সামনে এগিয়ে যাও।

১৭. তোমার সঙ্গী এমন হওয়া উচিত, যে তোমাকে নিয়ে গর্বিত থাকে।

১৮. জীবনে কঠিন সময় আসবেই, কিন্তু কখনো হাল ছেড়ো না।

১৯. ক্লান্ত লাগলে বিশ্রাম নাও, কিন্তু স্বপ্নের পথ থেকে সরে যেও না।

২০. কখনো কখনো কিছু সময়ের জন্য নিজেকে আড়ালে রাখতে হয়, আরও শক্তিশালী হয়ে ফেরার জন্য।

২১. অন্যদের সফলতা থেকে শেখো, কিন্তু তাদের ভুল থেকেও শিক্ষা নিতে ভুলো না।

২২. কাউকে কিছু আশা করা বন্ধ করো, তাহলেই মানসিক শান্তি পাবে।

২৩. সবকিছু একদিন ঠিক হয়ে যাবে। ইতিবাচক মানসিকতা বজায় রাখো।

২৪. অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাও—সফলতা একদিন ধরা দেবে।

২৫. পারস্পরিক প্রচেষ্টার চেয়ে আকর্ষণীয় কিছু নেই।

২৬. যেখানে তোমার মূল্য নেই, সেখানে বেশি ভাবার দরকার নেই।

২৭. যদি কেউ তোমাকে সাহায্য না করে, নিজেই নিজের পথ তৈরি করো।

২৮. নিজের উন্নতিতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করো।

২৯. সত্যিকারের আলোচনায় ভুল বোঝাবুঝি থাকার কথা নয়।

৩০. "আগামীকাল করব" মানেই দেরি করা। আজই শুরু করো।

৩১. আগের মতো থাকার প্রয়োজন নেই, বরং প্রতিদিন আরও ভালো হও।

৩২. অনেক সময় ধৈর্য ধরাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

৩৩. সবাই তোমার জীবনকে বুঝবে না, সেটাই স্বাভাবিক।

৩৪. নিজেকে সারিয়ে তুলো, যাতে অতীত তোমার ভবিষ্যৎকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে।

৩৫. বন্ধু সংখ্যা কম হলেও চলবে, তবে তারা যেন সত্যিকার অর্থেই শুভাকাঙ্ক্ষী হয়।

৩৬. যারা সাময়িকভাবে আসে, তাদের স্থায়ীভাবে বিদায় জানাও।

৩৭. মানুষ আসবে-যাবে, কিন্তু তুমি যেন নিজে শক্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে পারো।

৩৮. নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাইলে মাঝে মাঝে হারিয়ে যাও।

৩৯. যদি কেউ তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তাহলে হয়তো তারা তোমার পরিবর্তন মেনে নিতে পারবে না।

৪০. নিজের উন্নতিতে মনোযোগ দাও, অন্যদের প্রমাণ করার কিছু নেই।

৪১. কখনোই সেই জায়গায় ফিরে যেও না, যা একসময় তোমাকে ভেঙে ঘুড়িয়ে দিয়েছিল।

সামনে এগিয়ে যাও, কারন তোমার জীবনের সেরা দিনগুলো এখনও আসেনি!

@ Ultimate Positive Motivation

আমি যখন ইন্টার্নশিপ করি, সার্জারীতে প্লেসমেন্ট এর সময় একদিন ওটিতে থাকাকালীন রংপুর মেডিকেলে হঠাৎ আগুন লাগে। খবরটা জানার প...
15/06/2026

আমি যখন ইন্টার্নশিপ করি, সার্জারীতে প্লেসমেন্ট এর সময় একদিন ওটিতে থাকাকালীন রংপুর মেডিকেলে হঠাৎ আগুন লাগে। খবরটা জানার পর স্বাভাবিকভাবেই সবাই ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে যাই। স্যাররা তখন আমাদের বলেন, তোমরা সবাই দ্রুত নিচে চলে যাও! বললাম, আর স্যার আপনারা?
স্যার বললেন, আমরা রোগী ফেলে কিভাবে যাই বলো? অতঃপর কারেন্ট চলে যাওয়ায় উনারা মোবাইলের ফ্ল্যাশ লাইট জ্বালিয়ে অপারেশন সম্পন্ন করেন!

এই বিষয়ে কোনো পত্রিকায় নিউজ বা কোনো গণমাধ্যমে সামান্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ হয়েছিলো কি? হয়নি!

দুইদিন আগে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হসপিটালেও আগুন লেগেছিলো। এবং একইভাবে সেখানকার চিকিৎসকরা নিজের জীবনের পরোয়া না করে এবং বর্তমানে দেশে চিকিৎসকদের উপর সাধারণের হামলার পরোয়া না করেই প্রসূতি মায়ের ডেলিভারি করিয়েছেন।

এই ঘটনায় কোনো পজিটিভ নিউজ দেখেছেন কি? দেখবেন না!

পদ্মা এক্সপ্রেসে চলন্ত ট্রেনে এক বয়স্কা নারী অসুস্থ হয়ে পড়লে মাইকিং করে ডাক্তার খোঁজা হয়। দেশে চিকিৎসকদের যা ভয়ানক পরিস্থিতি সবকিছু ভুলে তিনজন চিকিৎসক সেই রোগীকে বাঁচাতে ছুটে যান। কারণ, সেই যে মেডিকেল ইথিক্স! যেটা ডাক্তাররা ধারণ করেন মনেপ্রাণে!

চিন্তা করুন, যদি ওই রোগীটা মারা যেতো বা খারাপ কিছু হয়ে যেতো, ট্রেনের এতগুলো প্যাসেঞ্জার কি ডাক্তারদের এমনিই ছেড়ে দিতেন? একটাবারও মনে করতেন যে উনারা উনাদের সর্বোচ্চ চেষ্টাই করেছেন, বাঁচা মরা তো আল্লাহর হাতে। করতেন না!

এভাবেই অনেক অপ্রতুলতা, প্রতিকূলতা ফেস করে প্রতিদিন লাখো রোগীকে সুস্থ করে বাড়ি পাঠান চিকিৎসকরা। উন্নত দেশের মতো কোনো সাধুবাদ, কৃতজ্ঞতা আর কেউ প্রত্যাশা করে না আপনাদের থেকে। অন্তত নিরাপদে বাঁচতে দিন চিকিৎসকদের, এইটুকু প্রত্যাশা জাতির থেকে তো করাই যায় নাকি?

~ ডা.রেজওয়ানা সুলতানা পূর্ণতা

দশ টাকা দিয়ে পুরা হাসপাতাল কিনে ফেলা বাংলাদেশ ছাড়া কোথাও সম্ভব না।যেখানে ইচ্ছা থুথু ফেলেন। বাচ্চাকে হাগতে বসায় দেন। চেয়া...
15/06/2026

দশ টাকা দিয়ে পুরা হাসপাতাল কিনে ফেলা বাংলাদেশ ছাড়া কোথাও সম্ভব না।

যেখানে ইচ্ছা থুথু ফেলেন। বাচ্চাকে হাগতে বসায় দেন। চেয়ারে পা তুলে ফোনে কথা বলেন। বিছানায় পারিবারিক পিকনিক করেন। দুই বউয়ের কাইজ্জ্যা সমাধান করেন। স্বামীর গার্লফ্রেন্ডের চুল ধরে টানেন।

সময়ে অসময়ে যারে মন চায় তারে পিটান।

রোগীর প্রয়োজনীয় কাজে ডাকা হলে 'আমাগো লোক নাই, আইবো, গেরাম থেকে ফুন দিলে।'

সেই লোক আর আসে না।

কিন্তু ডাক্তার পিটানোর বেলায় চৌদ্দ গুষ্টি মুহূর্তের মধ্যে হাসপাতালে হাজির হয়ে যাবে।

চিকিৎসার আগে চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে চাইলে 'আমরা গরীব মুরুক্ষু মানুষ। অত বুঝি না। হায়াত মউত উপারালার হাতে। আমনে সিকিতসা করেন। আমি সই দিতাসি।'

এরপর আপনার হাই-রিস্ক রোগী মারা গেলে 'আমার সুস্থ রোগীডারে সেলাইন দি মাইরা ফেলাইছে ' বলে ভাংচুর শুরু করেন৷

দশ টাকার এত ক্ষমতা শের শাহ আমলের পর একমাত্র হাসপাতালেই দেখা যায়।


#চিকিৎসকসুরক্ষাআইন

©somira unwinds

প্রেম-ভালোবাসা, বিয়ে  এর ক্ষেত্রে বংশ/ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ধর তুমি বদরুল। পড়ছ প্রাইমারী স...
15/06/2026

প্রেম-ভালোবাসা, বিয়ে এর ক্ষেত্রে বংশ/ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ধর তুমি বদরুল। পড়ছ প্রাইমারী স্কুলে, পাব্লিক ভার্সিটিতে। ছোটবেলায় শখ আহলাদ বলে কিছুই তোমার ছিল না। সারাজীবন বাবা-মা র কাছে ফিজিকালি আর মেন্টালি এবিউসড হইছ।

আগের জন্মে কোন এক পূণ্যের কারণে ধনীর দুলালী আফসানার সাথে তোমার বিয়ে হল।

আফসানার বাবা-মা আফসানার জন্য কোন কিছু করা বাকি রাখে নাই। সে যা চাইছে পাইছে।

এখন আফসানা তার বন্ধুদের সাথে হ্যাংআউটে গেলে তোমার খারাপ লাগে। কারণ তোমার ফ্যামিলিতে মেয়েদের এত খুশী দেখে তুমি অভ্যস্ত না।

সারাজীবন নিজের মা কে রান্নাঘরে পচতে দেখে তুমি অভ্যস্ত। তুমি বা তোমার মা কেউ ই চাবে না আফসানা রান্না না করে ঘুরে বেড়াক।

আফসানা যে নিজের মত থাকতে চায় এটাও তোমার ভাল লাগে না। কারণ, একে অন্যের পিছে আঙুল দেওয়াই তোমাদের পারিবারিক রীতি।

আফসানার ভাল থাকাটাকে তোমার মনে হবে স্বার্থপরতা। কেননা, নিজের ভালো চাওয়াটাকে তোমার ফ্যামিলিতে এভাবেই দেখা হয়।

আসলে তোমার ও দোষ নাই। যে পাখি উড়তে পারে না সে উড়াটাকে পাপ না ভাবলে মানসিক শান্তি বিঘ্নিত হবে।

এইকারণে বিসিএস ক্যাডার, ইউএস সিটিজেন, ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার এসব দেখে বিয়ে দেওয়ার আগে, পরিবারটাও দেখবেন। পরিবার যদি ফকিন্নী মার্কা হয়, পাত্র/পাত্রী নিজ গুণে বিলগেটস হলেও কোথাও না কোথাও রিস্ক থেকে যায়।

হুট করে দুইটা পয়সা বেশি কামানো যতটা কঠিন
জাতে ওঠা তার চাইতে শত গুণে কঠিন।

-আশিকুর রহমান রুপম

ছবিটা ঢাকার এক স্বনামধন্য বেসরকারি হাসপাতালের। আমার ছোট ভাইয়ের অসুস্থতায় গতকাল থেকে এক ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হচ্ছে আমাদ...
15/06/2026

ছবিটা ঢাকার এক স্বনামধন্য বেসরকারি হাসপাতালের। আমার ছোট ভাইয়ের অসুস্থতায় গতকাল থেকে এক ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হচ্ছে আমাদের। নাম বলব না, তবে এমন ডাক্তার জীবনে এই প্রথম দেখলাম।

লোকটা অদ্ভুত। এখন ঘড়িতে রাত তিনটা, অথচ উনি এখনো চেম্বারে বসে রোগী দেখছেন। হাসপাতালের সব আলো নিভে গেছে, সব বিভাগের ডাক্তারদের রুম বন্ধ, শুধু ওনার ফ্লোরে লোকজন। গতকালও একই দৃশ্য দেখলাম।

গতকাল প্রথমবার সিরিয়াল নেওয়ার সময় কল সেন্টার থেকেই সাবধান করে বলেছিলো আমাকে, “হাতে সময় নিয়ে আসবেন, এই ডাক্তার অনেক সময় নেন।” আমি বলেছিলাম, “ভালোই তো, সময় নিয়ে দেখেন।”

আমার সিরিয়াল ছিল রাত নয়টায়। রাত গড়িয়ে আড়াইটা বাজল। একেকজন রোগীর পেছনে কমপক্ষে আধাঘণ্টা।প্রতিদিন বড়জোর পনেরো-বিশ জন রোগী দেখেন। তাতেই উনি সন্ধ্যা থেকে রাতের তিনটা বাজিয়ে ফেলেন। আমি গতকাল থেকেই তার কর্মকাণ্ড নিয়ে ভাবতেছি।
আজকে রিপোর্ট নিয়ে দেখাতে যাওয়ার কথা, তার সহায়ক গতকাল আমাকে বললেন, “একটু রাত করে আসবেন, অপেক্ষা কম করতে হবে।” আমি আজকে গেলাম রাত এগারোটায়। তারপর ডাক আসতে আসতে আড়াইটা বাজলো।

আমি বসে বসে ভাবতেছিলাম ডাক্তাররা রোগীকে বলেন, “তাড়াতাড়ি ঘুমাইতে, সকালে উঠতে।” আর এই প্রফেসর নিজে সারা রাত জাগেন, সঙ্গে জাগিয়ে রাখেন তার রোগীদেরও।দূর-দূরান্ত থেকে আসা
মানুষগুলোর জন্যও তার ভ্রুক্ষেপহীন থাকাটা আমাকে অবাক করেছে বেশি। কিন্তু আরো অবাক করেছে অপেক্ষারত কারো মধ্যে বিরক্তি নাই, নাই কোনো হট্টগোল। সবাই চুপচাপ বসে আছে, যেন একটু পরেই কবি ডাকবেন আর শোনাবেন তার সুধাবাণী।

ভেতরে ঢুকে দেখলাম আর মাথার ঠিক ওপরে টাঙানো তার বৃদ্ধা মায়ের ছবি। (জীবিত আছেন কিনা জানি না)

কথা বলেন কবির মতো করে। মনে হলো ডাক্তার তিনি আসলে হতে চান নাই। কিংবা এই পেশায় থেকেও যে কবির মতো জীবন যাপন করা যায় সেটাই তিনি করতেছেন। তার রুমে থেকেই যে রোগী অর্ধেকটা মানসিকভাবে সুস্থ হয়ে যায় এইটা হলফ করে বলা যায়।

সবশেষে প্রফেসর সাহেব তাকে নিয়ে লিখতে বাধ্য করেছে আমাকে। মনে হলো সময়ই ওনার আসল ওষুধ। তাই এই তাড়াহুড়োর যুগেও মানুষ কোনো হট্টগোল ছাড়াই অপেক্ষা করছে একজন কবির মতো ডাক্তারের ডাকের জন্য।

~শুভ

13/06/2026

ভিডিও তে কান ধরে ওঠবস করা লোকটি- রংপুর মেডিকেল কলেজের দায়িত্বরত চিকিৎসক এর গায়ে হাত তুলেছেন।

পরে রংপুর মেডিকেল এর ভাইরা তাঁকে একটু আদর আপ্যায়ন করেছেন।
RpMCian দের স্যালুট 🫡

13/06/2026

#শোক_সংবাদ

মেডিকেল ক্যাম্পাস পেইজ & গ্রুপের
এর একজন এডমিন গতকাল আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমাদের ছেড়ে চলে যায়।
আমরা একেক জন একেক ক্যাম্পাসের।এক সাথে কাজ করার সুবাধে সবাই পরিবারে অংশের মত ছিল।
তার মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি।কি লিখব কিভাবে বুঝাব সেটার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি

আপনাদের নিকট একটাই অনুরোধ, আপনারা দোয়াতে স্মরন রাখিয়েন।
আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুক।

বিশ্বমঞ্চে কেউ যদি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে আর বাংলাদেশের আইকনিক কিছু বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে চায়,সেইটা দেখতে যে ক...
13/06/2026

বিশ্বমঞ্চে কেউ যদি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে আর বাংলাদেশের আইকনিক কিছু বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে চায়,সেইটা দেখতে যে কি ভাল্লাগেএএএ ভাইইইই ❤️

এই ছেলেটার নাম সঞ্জয়। সিলেটের মানুষ,পরে বড়ো হয়েছে আমেরিকায়। পেশা হচ্ছে মিউজিক কম্পোজার।

শুনলাম ২০২৫ সালের বিপিএলের থিম সং টাও তার কম্পোজ করা ছিলো। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের প্রচারণামূলক গান Siir Siir ও তার কম্পোজ করা যৌথভাবে!

কানাডায় বিশ্বকাপের অনুষ্ঠানে সঞ্জয় বারবার নিজের দেশ কে দেখাচ্ছিলেন! তার আউটফিটের স্লীভে ছিলো সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগারের একটা প্রিন্টিং আর বাকি অংশে ছিলো লাল সবুজ পতাকার আদলে ডিজাইন।
সঞ্জয় এটাকেই বারবার দেখাচ্ছিলেন ক্যামেরায়, মানুষের নজর পড়লে মানুষ নিশ্চয় ই এইটা নিয়ে আগ্রহ দেখাবে আর বাংলাদেশ সম্পর্কে জানবে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশের কেউ পারফর্ম করলো আর সেখানে যতোটা সম্ভব বাংলাদেশ কে তুলে ধরলো, এই ব্যাপার টাই আনন্দের আর গর্বের ❤️

-Umed

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মেডিকেল ক্যাম্পাস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to মেডিকেল ক্যাম্পাস:

Share