MNF Foundation

  • Home
  • MNF Foundation

MNF Foundation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MNF Foundation, Charitable organisation, (Head Office) Boro Vat Mosjid, Lalbagh Road, .

Mawlana Nuruddin Fatehpuri (rh) Foundation (MNF) একটি শিক্ষা, গবেষণা ও সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান। জ্ঞানচর্চা, মৌলিক গবেষণা, প্রকাশনা, শিক্ষাবৃত্তি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রমই যার লক্ষ্য।

আপনার কাছে সামাজিক সেবা বলতে কী বুঝায়?    #সামাজিক_সেবা  #মানবিকতা  #মানুষের_পাশে  #সেবার_জন্য_সেবা  #মানবতার_সেবায়  #সা...
05/09/2026

আপনার কাছে সামাজিক সেবা বলতে কী বুঝায়?

#সামাজিক_সেবা #মানবিকতা #মানুষের_পাশে #সেবার_জন্য_সেবা #মানবতার_সেবায় #সামাজিক_উন্নয়ন #মানবিক_সমাজ #সেবামূলক_কাজ

আলহামদুলিল্লাহ।প্রতিটা দুর্যোগে, অভাবে, সংকটে বাংলাদেশের মানুষ সহযোগিতায় দলবেঁধে নেমে যায়, এমনকি দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্...
04/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ।
প্রতিটা দুর্যোগে, অভাবে, সংকটে বাংলাদেশের মানুষ সহযোগিতায় দলবেঁধে নেমে যায়, এমনকি দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্বের আনাচে কানাচে হলেও। মহান রব্বুল আলামীন সবাইকে কবুল করুক।

একটু সহানুভূতি, একটি জীবন বদলে দিতে পারে। আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যাদের প্রয়োজন খুব বেশি কিছু নয়—একটু সহযোগি...
03/09/2026

একটু সহানুভূতি, একটি জীবন বদলে দিতে পারে।

আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যাদের প্রয়োজন খুব বেশি কিছু নয়—একটু সহযোগিতা, একটু ভালোবাসা, কিংবা বিপদের সময়ে পাশে দাঁড়ানোর একজন মানুষ।

আপনার সামান্য সহযোগিতা কারও একবেলার খাবার হতে পারে, একজন শিক্ষার্থীর পড়াশোনার সুযোগ তৈরি করতে পারে, কিংবা একটি অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে পারে।

মানবতার সবচেয়ে সুন্দর পরিচয় হলো—অন্যের প্রয়োজনের সময়ে পাশে দাঁড়ানো।

MNF Foundation বিশ্বাস করে,
“আমরা একসঙ্গে এগিয়ে এলে, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোকেও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।”

আসুন, যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, ততটুকু নিয়েই মানুষের পাশে দাঁড়াই।

#মানবতার_পাশে #মানবিকতা #সহযোগিতা #একসাথে_এগিয়ে_চলি

আপনার অপচয় কৃত খাবারই হয়তো অন্যের এক বেলার রিজিক!
02/09/2026

আপনার অপচয় কৃত খাবারই হয়তো অন্যের এক বেলার রিজিক!

মাওলানা নুরুদ্দিন ফতেহপুরি রহঃ ফাউন্ডেশন পরিচিতি। নামহীন একটি প্রতিষ্ঠান, যার ছিল না কোনো আনুষ্ঠানিক পরিচয়, ছিল না কোন প...
30/08/2026

মাওলানা নুরুদ্দিন ফতেহপুরি রহঃ ফাউন্ডেশন পরিচিতি।

নামহীন একটি প্রতিষ্ঠান, যার ছিল না কোনো আনুষ্ঠানিক পরিচয়, ছিল না কোন প্রচারের আয়োজন। ছিল শুধু নিরব কার্যক্রম আর মানুষের পাশে দাড়ানোর নিভৃত সাধনা।

মাওলানা নুরুদ্দিন ফতেহপুরি (রহ.) ছিলেন উপমহাদেশের অন্যতম প্রাজ্ঞ আলেম। জ্ঞান ও বিদ্যায় ছিলেন অনন্যসাধারণ। তাঁর কাছে জ্ঞানার্জন করেছেন অসংখ্য আলেম ও শিক্ষার্থী। শিক্ষকতা, গবেষণা, লেখালেখি ও প্রকাশনার মাধ্যমে তিনি রেখে গেছেন সমৃদ্ধ এক ইলমি উত্তরাধিকার।

ইলমি খেদমতের পাশাপাশি গবেষণা, লেখালেখি ও প্রকাশনার ক্ষেত্রেও তাঁর ছিল নিয়মিত ও সমৃদ্ধ অবদান। অনন্য ও সময়োপযোগী নানা বিষয়ে তাঁর লেখনী ছিল সাবলীল ও প্রাঞ্জল। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য; তবে অপ্রকাশিত রচনার পরিমাণ প্রকাশিত রচনার চেয়েও বেশি।

কিন্তু তাঁর কাজের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল—তিনি ছিলেন প্রচারবিমুখ। জ্ঞানচর্চার মতোই মানুষের পাশে দাঁড়ানোও ছিল তাঁর নীরব সাধনার অংশ। হাসপাতালে অসহায় হয়ে পড়া মানুষের পাশে ছুটে যাওয়া, অর্থাভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে না-পারা শিক্ষার্থীর সহযোগিতায় এগিয়ে আসা, বেকার তরুণের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা—এমন অসংখ্য মানবিক উদ্যোগ ছিল তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ।

দেশব্যাপী বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা, শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভিভাবকসুলভ দায়িত্ব পালন এবং মানুষের প্রয়োজনকে নিজের সামর্থ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তিনি দুহাত ভরে পাশে দাঁড়াতেন।এসবকিছুই তিনি করে গেছেন প্রায় নিভৃতে, কোনো প্রচার কিংবা প্রতিদানের প্রত্যাশা ছাড়াই।

সেই ধারাবাহিকতাকে সময়ের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রত্যয়েই, তাঁর সুযোগ্য সন্তান মাওলানা কাওসার বিন নুরুদ্দিন-এর উদ্যোগে এই ফাউন্ডেশনটির নামকরণ করা হয়েছে,
Mawlana Nuruddin Fatehpuri (RH) Foundation (MNF Foundation)

উক্ত ফাউন্ডেশন মাওলানা নুরুদ্দিন ফতেহপুরি রহঃ এর নামকে শুধুমাত্র স্মরণ করার জন্য নয়; বরং তাঁর ইলমি চিন্তা, মানবিক মূল্যবোধ ও সেবার আদর্শকে প্রাতিষ্ঠানিক ধারায় এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি বিনীত প্রয়াস।

জ্ঞানচর্চা, মৌলিক গবেষণা, প্রকাশনা, শিক্ষাবৃত্তি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং মানবকল্যাণ—এই ক্ষেত্রগুলোকে সামনে রেখে এই ফাউন্ডেশন তার পথচলা এগিয়ে নিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

আরবী ভাষায় আবুল ফজল ফয়জী 'তাফসিরে ছাওয়াতিউল ইলহাম' বা তাফসিরে বে-নেকাত বিন্দুবিহীন রচনা করেছেন এবং উর্দু ভাষায় করাচীর মা...
18/07/2026

আরবী ভাষায় আবুল ফজল ফয়জী 'তাফসিরে ছাওয়াতিউল ইলহাম' বা তাফসিরে বে-নেকাত বিন্দুবিহীন রচনা করেছেন এবং উর্দু ভাষায় করাচীর মাওলানা ওয়ালী রাজি কর্তৃক লিখিত রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনী 'হাদিয়ে আলাম' গ্রন্থটিও নোক্তাবিহীন জীবনীগ্রন্থ। আশ্চর্যের ব্যাপার যে, আরবী ২৯টা অক্ষরের মধ্যে ১৫টি অক্ষরই নোক্তা বা বিন্দুযুক্ত। উর্দুতে ৩৬টি অক্ষর থেকে ১৮টি অক্ষরই বিন্দুযুক্ত। আরবী বর্ণমালা থেকে ১৫টি অক্ষর বাদ দিয়ে মাত্র ১৪টি অক্ষর দ্বারা এবং উর্দুতে ৩৬টি অক্ষর থেকে মাত্র ১৮টি অক্ষর দ্বারা বিশাল তাফসির ও জীবনীগ্রন্থ তাঁরা রচনা করতে পেরেছেন অথচ বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে ৪৮টি অক্ষর, তার মধ্যে মাত্র চারটি অক্ষর হল বিন্দুযুক্ত। তবুও এই চারটি অক্ষর বাদ দিয়ে বাকি ৪৪টি অক্ষর দ্বারা গ্রন্থ রচনা আজ পর্যন্ত কেউ করেছে বলে জানা যায়নি।

ঠিক এই শূন্য জায়গাটিতেই কলম ধরেছেন বিশিষ্ট আলেম, গবেষক মাওলানা নুরুদ্দিন ফতেহপুরী। হযরত আদম আলাইহিস সালাম থেকে নিয়ে পাকিস্তান হওয়ার আগ পর্যন্ত ইতিহাস তিনি সংগ্রহ করেছেন এবং রচনা করেছেন কোন প্রকার বিন্দুযুক্ত অক্ষর ছাড়াই। অর্থাৎ 'র' 'য়' 'ড়' 'ঢ়' এই চারটি বিন্দুযুক্ত অক্ষর বাদ দিয়ে বাকি ৪৪টি অক্ষর দিয়ে তিনি ৩২ পৃষ্ঠার সংক্ষিপ্ত একটি পুস্তিকা রচনা করেছেন। ইতিহাসগুলো তিনি সংগ্রহ করেছেন 'তারিখে ফেরেশতা', স্যার সৈয়দের 'আসারু স্বানাদীদ', আবুল ফজল ফয়জীর 'আইনে আকবরী'। তাওয়ারিখে হিন্দ, তাওয়ারীখে বাঙালা ইত্যাদি গ্রন্থ থেকেও তিনি সাহায্য নিয়েছেন। পাকিস্তান ও পরবর্তী সময়ের তথ্য বিভিন্ন বই-পুস্তক, ইতিহাস ও সংবাদপত্র থেকে এবং স্বাধীনতা ও তার পরবর্তী ইতিহাস তিনি নিজের স্মৃতিচারণ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি সংবাদপত্র থেকেও তথ্য সংগ্রহ করেছেন। উক্ত বইয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং তার পরবর্তী সময়ের অনেক দুর্লভ তথ্যও বইটিতে তিনি উল্লেখ করেছেন।

বইটিতে বিন্দুযুক্ত অক্ষর এড়াতে গিয়ে যদিও কিছু কৃত্রিমতার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। তবুও সংক্ষিপ্ত ইতিহাস হিসেবে পাঠকের জন্য সুখপাঠ্য হবে বলেই আশা করি।

বইটির নাম 'বাংগালী ও বাংলাদেশ'।
বশির মেসবাহর প্রচ্ছদে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছে অক্টোবর ১৯৯৫ সালে।

16/07/2026

মাওলানা নুরুদ্দিন ফতেহপুরি রহঃ কে নিয়ে আলোকিত জ্ঞানী অনুষ্ঠানের স্মৃতিচারণ।

বই: বিন্দু-বিহীন বর্ণে মহানবীলেখক: মাওলানা নূরুদ্দীন ফতেহপুরী (রহ.)প্রকাশনী: আল মাহমুদ প্রকাশনরাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনালেখ্...
15/07/2026

বই: বিন্দু-বিহীন বর্ণে মহানবী

লেখক: মাওলানা নূরুদ্দীন ফতেহপুরী (রহ.)
প্রকাশনী: আল মাহমুদ প্রকাশন

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনালেখ্য প্রতিটি মুমিনের হৃদয়ের এক চিরন্তন আগ্রহের বিষয়। যুগে যুগে অসংখ্য লেখক তাঁর পবিত্র জীবনকে কলমবন্দি করেছেন, আর পাঠক সেই সিরাত পাঠ করে নিজের জীবনকে সুন্নাহর আলোয় আলোকিত করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সেই চিরচেনা সিরাত যদি একেবারেই ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়, তবে কেমন হয়?

এই অভিনব প্রয়াসই দেখা যায় প্রখ্যাত আলেম, গবেষক ও সাহিত্যিক মাওলানা নূরুদ্দীন ফতেহপুরী (রহ.)-এর রচিত ‘বিন্দু-বিহীন বর্ণে মহানবী’ গ্রন্থে। বাংলা সাহিত্যে এটি এক অনন্য ভাষাশৈলীর নিদর্শন। লেখক এমন সব বর্ণ ব্যবহার করে পুরো বইটি রচনা করেছেন, যেখানে বিন্দুযুক্ত অক্ষর পরিহার করা হয়েছে। এই সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনকে সাবলীল ও অর্থবহভাবে তুলে ধরেছেন—যা নিঃসন্দেহে তাঁর ভাষাদক্ষতা ও সাহিত্যিক কৃতিত্বের পরিচায়ক।

মাত্র ১১২ পৃষ্ঠার এই সংক্ষিপ্ত গ্রন্থে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জন্ম থেকে ওফাত পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নির্ভরযোগ্য সিরাতগ্রন্থের আলোকে সংকলিত হয়েছে। সংক্ষিপ্ত হলেও বিষয়বস্তুর ধারাবাহিকতা ও প্রয়োজনীয়তা বজায় রাখা হয়েছে।

বিন্দুবিহীন ভাষা রক্ষার কারণে লেখক অনেক ক্ষেত্রে প্রতিশব্দ ব্যবহার করেছেন এবং কোথাও কোথাও সাধুভাষার আশ্রয় নিয়েছেন। যেমন, ‘তোমাদেরকে’-এর পরিবর্তে ‘তোমাদিগকে’ এবং ‘গাজওয়া’-এর পরিবর্তে ‘গাজওআ’ লিখেছেন। তাই বইটি পড়ার আগে লেখক ও প্রকাশকের নিবেদন পড়ে নিলে এসব ভাষাগত বৈশিষ্ট্য সহজেই বুঝা যাবে।

সব মিলিয়ে, ‘বিন্দু-বিহীন বর্ণে মহানবী’ শুধু একটি সিরাতগ্রন্থ নয়; এটি বাংলা ভাষায় এক অভিনব সাহিত্যিক প্রয়াস। যারা ভিন্নধর্মী রচনাশৈলী উপভোগ করেন এবং একই সঙ্গে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবন সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত অথচ নির্ভরযোগ্য ধারণা অর্জন করতে চান, তাদের জন্য বইটি নিঃসন্দেহে একটি চমৎকার সংযোজন।

মাওলানা নুরুদ্দিন ফতেহপুরি রহঃ এর কোন কর্ম এবং অবদান সম্পর্কে আপনি জানেন? কমেন্টে লিখুন...
14/07/2026

মাওলানা নুরুদ্দিন ফতেহপুরি রহঃ এর কোন কর্ম এবং অবদান সম্পর্কে আপনি জানেন? কমেন্টে লিখুন...

ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল (রহ.) একবার জুলুমের শিকার হয়ে বলেছিলেন, "আমাদের এবং তাদের মধ্যে পার্থক্য প্রকাশ পাবে আমাদের জানাজা...
31/12/2025

ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল (রহ.) একবার জুলুমের শিকার হয়ে বলেছিলেন, "আমাদের এবং তাদের মধ্যে পার্থক্য প্রকাশ পাবে আমাদের জানাজার দিন।"

সংসদ ভবন, মানিক মিয়া, থেকে শুরু করে কাওরান বাজার, বিজয় স্মরনী, আগারগাঁও, ধানমন্ডি এলাকা সহ পুরো ঢাকা শহর আজ বেগম জিয়ার জানাজায় শামিল হয়েছে। এরপর গায়েবানা জানাজা হবে সারাদেশে।

বিদায় দেশরত্ন!

Address

(Head Office) Boro Vat Mosjid, Lalbagh Road

1211

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MNF Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your organization to be the top-listed non profit organization?

Share