Bukhainagar Trust

Bukhainagar Trust Non profitable community organisation.

03/03/2026

ইমাম মাহদী কখন আসবে.!!
যতক্ষণ এই বিশ্বে একটা বড়ো যুদ্ধ না হচ্ছে, ততক্ষণ ইমাম মাহদী আসবে না। তিনি আসবেন ফাতিমা রাঃ এর বংশ থেকে। তার আসল নাম মোহাম্মদ, তার বাবার নাম হবে আব্দুল্লাহ, মায়ের নাম হবে আমিনা। চেহারার গড়ন হবে আমাদের নবী সাঃ এর মতো। তিনি দায়িত্ব নিতে চাইবেন না, দায়িত্ব না নেওয়ার জন্য তিনি মদিনা থেকে মক্কায় পালিয়ে চলে আসবেন। তিনি আরবি ভাষায় কথা বলবেন।

কাবা ঘরের হাজারে আসওয়াদ ও মাকামে ইব্রাহিম এর মাঝামাঝি জায়গায় মানুষ তাকে চিনে ফেলবেন। সিরিয়া থেকে একদল লোক আসবে, ইমাম মাহদীর বিরুদ্ধে। আল্লাহ তাদেরকে মক্কা মদিনার মাঝখানে বায়দা নামক জায়গায় ধ্বসে দিবে। এই চিহ্নই প্রমাণ করবে এটাই ইমাম মাহদী।

এরপর মুসলিমদের আর কোনো পতন নাই, আর তারা কোনোদিন মাথা নত করবে না। ইসলামের বিজয় চলতেই থাকবে।

আল্লাহু আকবর!🤍🤲

একটু আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতির উদ্দেশ্যে ১১ মিনিটের ভাষণ দিয়েছেন, যেটা টিভিতে লাইভ দেখেছি। সেখানে তিনি রমজানে ...
18/02/2026

একটু আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতির উদ্দেশ্যে ১১ মিনিটের ভাষণ দিয়েছেন, যেটা টিভিতে লাইভ দেখেছি। সেখানে তিনি রমজানে দ্রব্যমূল্য ঠিক রাখার জন্য সিন্ডিকেট ভাংগার ঘোষণা দিয়েছেন।

ওদিকে আজকেই ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষের সেলেব্রিটি ম্যাজিস্ট্রেট জব্বার সাহেবকে একটা মার্কেটের সভাপতি রীতিমতো নাকানিচুবানি খাইয়েছেন! আমি ৪ মিনিটের ভিডিও দেখেও স্পষ্টভাবে বুঝি নাই, পুরা কাহিনি কি! তবে এটা বুঝেছি যে, ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব পণ্য কেনার চালান দেখতে চেয়েছিলেন, যাতে ক্রয় ও বিক্রয় মূল্যের পার্থক্য বুঝতে পারেন। কিন্তু সভাপতি যে বডি ল্যাংগুয়েজ দেখাইছেন, মার্কেট বন্ধ করার হুমকি দিয়েছেন, একজন ব্যবসায়ী হিসেবে আমি রীতিমতো স্তম্ভিত হয়েছি!

আমি দেখতে চাই, একজন প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ওয়াদা নাকি ঐ সভাপতির গলার জোরের ক্ষমতা বেশি!

এবার যেটা বলবো, সেটা দেখে অনেকের গায়ে জ্বলন শুরু হবে। লীগের আমলের সেই 'হোল্ড অন' ম্যাজিস্ট্রেটের কথা নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে। সেসময় তাকে আমি পুরোপুরি সমর্থন দিয়েছিলাম। কারণ কিছু ব্যবসায়ীকে ওভাবেই থামাতে হবে! বলাবাহুল্য, সে বুয়েট ছাত্রলীগের গুন্ডাবাহিনীর একজন ছিল, যেটার বিরুদ্ধে আমি লেখালেখি করছি ২০১৪ সাল থেকে! কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে তার দায়িত্ব সঠিকভাবে সেদিন পালন করেছিল সে। হাস্যকর ব্যাপার হলো - সেই হোল্ড অন ঘটনার জন্য ইউনুসের আমলে যারা তাকে অপদস্ত করার চেষ্টা করছিল, তারাই আজ জব্বার সাহেবের পক্ষ নিয়েছেন! 😄

আমি সেসব ভন্ডদের মত নই। সেজন্য আজকের ম্যাজিস্ট্রেট জব্বার সাহেবের পক্ষে আছি, ভবিষ্যতে অন্য সরকার আসলেও আমার অবস্থান পরিবর্তিত হবে না।

অবশেষে বিদেশ !দুই সপ্তাহ আগে আমার এক বন্ধু পরিমল শিকদার ফেসবুকে লিখল—“বন্ধুরা, চলে যাচ্ছি। ভালো থেক।” তার বন্ধুরা এমনভাব...
15/01/2026

অবশেষে বিদেশ !

দুই সপ্তাহ আগে আমার এক বন্ধু পরিমল শিকদার ফেসবুকে লিখল—“বন্ধুরা, চলে যাচ্ছি। ভালো থেক।” তার বন্ধুরা এমনভাবে কমেন্ট করতে শুরু করল, যেন কেউ মারা গেছে—“আলহামদুলিল্লাহ”, “ভালো থেকো”, “দোয়া রইল”ইত্যাদি, ঠিক যেমন হাজারে হাজার “ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন” লেখা হয় মৃত্যুর খবরে !

আজ আরেক বন্ধু মনোয়ার হোসেন লিখল—“বিদায় বাংলাদেশ, ভালো থেকো সবাই ।” সেখানেও একই আবেগঘন বিদায়বেলা। কেউ লিখছে, “স্যার, দোয়া করি ভালো থাকবেন”, কেউ লিখছে, “একেবারে চলে যাচ্ছেন নাকি?”, কেউ আবার সোজাসাপ্টা—“ভালো থাকিস, আর ফিরিস না।”

এরই মধ্যে গতকাল শুনলাম, আমার এক ক্লাসমেট, যিনি একসময় বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী ছাত্রীসংস্থার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তিনি এখন DAE (কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর)-এর প্রধান। সব খবরই ভালো। সবাই মেধাবী, সবাই এগিয়েছে, এ নিয়ে গর্বই হয়। কিন্তু বিষয়টা সেটা না !

বিষয়টা হচ্ছে, সময় বদলায়। মানুষ বদলায়। একই দিনে কোথাও দাফন হয়, আবার কোথাও বাসরঘর সাজে !

হাসিনার আমলে এক জেলা প্রশাসকের (বন্ধু) বাংলোয় গিয়েছিলাম। অহংকারে আমাকে সময়ই দেয়নি। উল্টো বলেছিল,
“তোরা বিদেশে গিয়া কার বাল ফালাইসছ ? কী করলি বিদেশে গিয়া ?” অথচ, বন্ধু কিন্তু ডিসি !💪

আমি উত্তরে বলেছিলাম,
“যারা সারাজীবন গুয়ের মধ্যে থাকে, তারা কখনো গুয়ের গন্ধ পায় না, রে পাগলা।”

গত বছর শুনি, সেই ডিসি মহোদয় বালবাচ্চা নিয়া নিজেই বিদেশে পালিয়েছে !🤠

আমার নিজের সংসারেও এই “বিদেশ-দেশ” নিয়ে তর্ক চলে। আমার স্ত্রী বলে, “আমার বোনদের ছেলেমেয়েরা দেশে থেকে কত ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হচ্ছে। আর আমাদের বাচ্চারা বিদেশে জন্ম নিয়ে না হচ্ছে মুসলিম, না হচ্ছে অমুসলিম; মানে, আধাদোচা অবস্থা !🤠

আমি তাকে সান্ত্বনা দিই—
“শোনো, হ্যাগোর পোলাপানগুলাও তো শেষমেশ বিদেশেই পাঠান লাগবো যে ! না পাঠাইলে তারা হবে একেকটা “হাদি”, হবে একেকটা “সারজিস” আর বলবে, “শাউয়া-মাউয়া সব ছিঁড়া ফালাইতে হইবো !”

হ্যাঁ, বলছিলাম- অবশেষে বিদেশ !😢

ক্ষমতায় যেতে বিদেশ।
টাকা রাখতে বিদেশ।
উচ্চশিক্ষায় বিদেশ।
পালাতে গেলে বিদেশ।
চিকিৎসায় বিদেশ।
প্রযুক্তিতে বিদেশ।
হাত পাততে বিদেশ।

তাহলে দেশে কী আছে ? কি থাকবে ?

দেশে আছে, থাকবে- মসজিদ, মাদ্রাসা, বলাৎকার, খুন, আগুন, ওয়াজ, সালাফি, হেফাজত, জামায়াত, আজহারী, আমির হামজা, ৫০১, আহমাদুল্লাহ, ফুয়াদ, হাসনাত, জারা, নির্বাচন—আর অন্তহীন হইচই !

আমার এক ধার্মিক বন্ধু কানাডায় সেটেলড। সে ওখানে স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছে । ফেসবুকে সহকর্মীদের সাথে ছবি দিয়েছে; সবাই নারী-পুরুষ মিলে, স্বাভাবিক পোশাকে। অথচ বাংলাদেশে সে প্রতিষ্ঠা করেছে মা-মেয়ের নামে একটা মাদ্রাসা, যেখানে শিশুদের ড্রেসকোড হচ্ছে সৌদি পোশাক !

গত বছরে অনিয়মিত পথে ইউরোপে পৌঁছানো অভিবাসীদের মধ্যে শীর্ষে বাংলাদেশিরা। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা আর ইউরোপীয় সীমান্ত রক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্স—দুটোরই তথ্য তাই বলে।

মানে দাঁড়াল কী ?

নিজের দেশকে সবাই মিলে আফগানিস্তান বানাবো, কিন্তু নিজের গন্তব্য হবে ইউরোপ-আমেরিকা ?

আমেরিকায় বসবাসকারী অনেক বাংলাদেশিকে দেখি, ফেসবুকে বসে দেশে ইসলামিস্ট সরকার কায়েমের জন্য নিয়মিত ওয়াজ-নসিহত চালাচ্ছে। কিন্তু নিজেরা দেশে ফিরবে না। কারণ কী ?

কারণ, “ওখানে নিরাপত্তা বেশি”,
“ওখানে জীবনযাত্রার মান ভালো”,
“সন্তানদের ভবিষ্যৎ ওখানেই নিরাপদ।”

অথচ যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বাংলাদেশি পরিবারের ৫৪.৮ শতাংশই সরকারি সহায়তায় চলে। সেই সরকার তালেবান সরকার না, গাজায় বোমা পড়ার পেছনের মদদদাতা সরকার। কিন্তু তারা সেই সরকারি সুবিধা নেবে, আবার ফেসবুকে বসে আমেরিকান পণ্য বর্জনের ডাক দেবে ! 🤠

দেশে বলবে—“ইসলামী শাসন চাই।”
আর নিজেরা থাকবে—অমুসলিম রাষ্ট্রের করুণায় !

তারেক জিয়া দেশে ফিরেছেন, তাকে দেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা। বিদেশে তিনি নাকি ফ্রি স্টাইলে চলাফেরা করতেন—গার্ড লাগত না। তার মেয়ে বিদেশে খোলা মাথায় ঘুরলেও দেশে এসে মাথায় কাপড় দিল—এতে দেশের মানুষ খুব খুশি হলো ।কারণ, তিনি নাকি ভবিষ্যৎ দেশনেত্রী—ধার্মিক হবেন । বাংলাদেশের মানুষ ধার্মিক চায়, যোগ্য নেতা নয়; সে হোক কারোর বউ বা মেয়ে ! 🤠

সব মিলিয়ে মর্মকথা একটাই—

বিদেশে থাকা বাংলাদেশিরা নিজেরা উন্নত, নিরাপদ, মানবিক জীবনের জন্য অমুসলিম দেশ বেছে নেয়। আর দেশের মানুষের জন্য তারা চায় ধর্মীয় শাসন, কড়াকড়ি, শরিয়া, আফগানিস্তানি ভবিষ্যৎ।

নিজেদের জীবনের জন্য ইউরোপ।
আর দেশের মানুষের জন্য কাবুল।

এই দ্বিচারিতার নামই বোধহয় আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় নৈতিক সংকট ! কি বলেন ?


ড. শাহ্ সুফি ফকির চাঁদ জগৎপুরী রাহিমাহুল্লাহ,
জাপান থেকে ॥

মনে আছে যুদ্ধের শুরুতে ৫টি রুশ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করেছিল ইউক্রেন। পাল্টা প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি ছিল ন্যাটোর। মোবাইল...
08/12/2025

মনে আছে যুদ্ধের শুরুতে ৫টি রুশ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করেছিল ইউক্রেন। পাল্টা প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি ছিল ন্যাটোর। মোবাইল যোগাযোগ ছিল বিচ্ছিন্ন, ছিল না বিদ্যুৎ। তখন রাশিয়ার প্যারা ট্রুপার দেখে ভীত সন্ত্রস্ত ইউক্রেনবাসী।

'প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে স্যুটকেস তৈরি রাখুন', নাগরিকদের বার্তা ইউক্রেন প্রশাসনের। জরুরি অবস্থা জারি করে সেনা আইন বলবৎ গোটা ইউক্রেনে। এয়ারস্পেস বন্ধ রেখেও আটকানো গেল না রাশিয়াকে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে এত বড় হামলা হয় নি, সেটাই প্রথম। হামলার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার সমস্ত সম্পদ জব্দ করার ঘোষণা দিয়েছিল। ইউরোপের আর্থিক বাজারের ব্যাংকগুলোতে রাশিয়ার প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দিয়েছিল। হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছিলেন, এ যুদ্ধ পুতিনের পূর্বপরিকল্পিত। ওয়াশিংটন ও তার মিত্ররা রাশিয়ার ওপর ‘চরম নিষেধাজ্ঞা’ আরোপ করবে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার এ হামলাকে আগ্রাসন বলতে নারাজ চীন। দেশটি সব পক্ষকে শান্তি বজায় রাখতে আহ্বান জানিয়েছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জি-সেভেনের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে পরবর্তী করণীয় নিয়ে বসেছিলেন। রাশিয়ার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য জরুরি বৈঠকে বসেছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের নীতিনির্ধারকেরা এক জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন।

রাশিয়ার সাথে ইউক্রেনের যুদ্ধ বাঁধানো ছিল যুদ্ধবাজ নেতাদের দীর্ঘ দিনের আকাংখ্যা।

ওই যুদ্ধবাজ নেতারা বছরের পর বছর ধরে ইউক্রেনের তরুণদের পেছনে 'বিনিয়োগ' করে গেছে।

ইউক্রেনের তরুনদেরকে বুঝানো হয়েছে, রাশিয়া তোমাদেরকে লুটপাট করছে, রাশিয়া তোমার ওপর প্রভাব বিস্তার করছে।

আরও বোঝানো হয়েছে ইউক্রেনের রাজনৈতিক দলগুলো দুর্নীতিগ্রস্ত, রাশিয়ার দালালিতে ব্যস্ত। এদেরকে দেশ থেকে তাড়াও। রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলো।

ইউক্রেনকে রাশিয়ার প্রভাব মুক্ত করার জন্য পশ্চিমারা দুই হাতে বিনিয়োগ করে গেল।

তিনটা প্রতিষ্ঠান এই টাকা পয়সা ঢালার সাথে সরাসরি জড়িত ছিল, USAID, National Endowment for Democracy (NED) এবং Open Society Foundations।

২০১৪ সালে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানোকোভিচ রাশিয়ায় পালিয়ে যেতে বাধ্য হল।

২০১৯ সালে জেলোনস্কিকে ক্ষমতায় বসানো হল।

এই জেলোনস্কির হাত ধরেই সম্প্রতি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে চুক্তিটা হলো। চুক্তির বিনিময়ে ইউক্রেনের মহামূল্যবান খনিজ সম্পদ এখন আমেরিকার।

ইউক্রেনের এই খনিজের ভেতর রয়েছে বহু মূল্যবান critical minerals— যা আধুনিক প্রযুক্তি, সবুজ জ্বালানি এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে অপরিহার্য।
আরও আছে, লিথিয়াম (Lithium) যা ব্যাটারি উৎপাদনে অপরিহার্য।

আছে মহা মূল্যবান নিওডিমিয়াম (Neodymium), প্রাসিওডিমিয়াম (Praseodymium) এগুলা উইন্ড টারবাইন, ইলেকট্রিক মোটর ও ডিফেন্স টেকনোলজিতে ব্যবহৃত শক্তিশালী চুম্বক তৈরিতে অপরিহার্য।

টাইটানিয়াম (Titanium) এভিয়েশন, ডিফেন্স, স্পেসক্রাফ্ট এবং চিকিৎসা যন্ত্রাংশ তৈরিতে অপরিহার্য।

ইউক্রেনের যে সব স্বপ্নবাজ তরুণ যারা আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল, তারা এখন প্রাণ বাঁচাতে ইউরোপের নানা দেশে উদ্বাস্তু।

রাশিয়ার সাথে এই অসম যুদ্ধ থেকে কী পেলো ইউক্রেন?

উত্তর হল, ৪৬ হাজার মৃত সৈন্য।

১ লক্ষ ৮০ হাজার পঙ্গু।

২০ হাজার মৃত সাধারণ মানুষ।

ঘরহারা লাখ লাখ উদ্বাস্তু পরিবার।

ইউরোপ আমেরিকায় উদ্বাস্তু ইউক্রেনীয়ানদের ঢল।

আমেরিকার কাছে হারালো দেশের মহামূল্যবান অর্ধেক খনিজ সম্পদ।

রাশিয়ার কাছে হারালো ইউক্রেনের মানচিত্রের প্রায় এক চতুর্থাংশ।

বাংলাদেশের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে, তাই না?
আমরাও কি ওদের পথেই হাঁটছি?

©অনলাইন থেকে

এবারের শীতে আপনার অবস্থা কি 🙄😂
05/12/2025

এবারের শীতে আপনার অবস্থা কি 🙄😂

মিশরের রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাতের হত্যাকারীকে প্রশ্ন করেছিলেন বিচারকঃ—প্রেসিডেন্ট সাদাতকে কেন হত্যা করেছ তুমি?হত্যাকারী জ...
20/11/2025

মিশরের রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাতের হত্যাকারীকে প্রশ্ন করেছিলেন বিচারকঃ—
প্রেসিডেন্ট সাদাতকে কেন হত্যা করেছ তুমি?

হত্যাকারী জবাব দিয়েছিলঃ— "কারণ সে সেক্যুলার ছিল।"
বিচারক তখনই পরের প্রশ্নটি করলেনঃ— "সেক্যুলার মানে কী?"
হত্যাকারী জানালোঃ— "আমি জানি না।"

প্রয়াত মিশরীয় লেখক নাগিব মাহফুজকে ছুরি মেরে হত্যা-চেষ্টাকারীর একজনকে প্রশ্ন করেছিলেন বিচারক- "নাগিব সাহেবকে তুমি ছুরিকাঘাত করেছ কেন?"
জবাবে সন্ত্রাসী বলেছিলো- "কারণ সে ধর্মবিরোধী 'চিলড্রেন অভ গেবালাবি' উপন্যাসটি লিখেছে।"
বিচারক আগ্রহ দেখালেন- "উপন্যাসটি পড়েছ তুমি?"
অপরাধী জবাব দিয়েছিলো- "না।"

মিশরীয় সাহিত্যিক ফারাজ ফাউদাকে হত্যাকারী সন্ত্রাসীটিকে বিচারক প্রশ্ন করেছিলেন- "ফারাজ ফাউদাকে মেরে ফেললে কেন?"
হত্যাকারী জবাব দিয়েছিল- "কারণ তার ঈমান নাই।"
বিচারক জানতে কৌতূহলী হলেন- "তুমি কিভাবে বুঝলে যে তাঁর ঈমান নেই?"
সন্ত্রাসীর জবাব ছিল- "তার বইগুলা পড়লেই সব বোঝা যায়।"
বিচারকের কৌতূহল বেড়ে গেলো- "তাঁর কোন্‌ বইটিতে তুমি তাঁর ঈমানহীনতার প্রমাণ পেলে?"
হত্যাকারী স্বীকার করলো- "বইয়ের নাম আমি জানি না। আমি পড়িনি ওসব।" বিচারক বিস্মিত হলেন- "কেন পড়োনি?"
খুনীটি বলেছিলো- "আমি লিখতে-পড়তে জানি না।"

ঘৃণা, কখনোই জ্ঞানের মাধ্যমে ছড়ায় না। ঘৃণা ছড়িয়ে পড়ে অজ্ঞতার মাধ্যমে। সমাজ অজ্ঞতার খেসারত, অজ্ঞ করে রাখার খেসারত এভাবেই দেয়।

সুতরাং কারো বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য করার আগে নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে- "তুমি আদৌ বিষয়টি পরিস্কার ভাবে, প্রমান সহকারে জানো কিনা?"

সবাই মিলে ধানমন্ডি ৩২ ভাংগা আমি সমর্থন করি না! ধানমন্ডি ৩২ রক্ষা করতে না পারা ইন্টেরিমের ব্যর্থতা!এক-ই সাথে ধানমন্ডি ৩২ ...
18/11/2025

সবাই মিলে ধানমন্ডি ৩২ ভাংগা আমি সমর্থন করি না!
ধানমন্ডি ৩২ রক্ষা করতে না পারা ইন্টেরিমের ব্যর্থতা!
এক-ই সাথে ধানমন্ডি ৩২ সসম্পুর্ন ভেংগে না ফেলাও ইন্টেরিমের ব্যর্থতা!
ধানমন্ডি ৩২ শেখ মুজিবর রহমান এর ব্যক্তিগত সম্পত্তি! যা ১৯৭৫ সালে আর্মি টেইক ওভার করে!
১৯৮১সালে হাউসবিল্ডিং ফাইন্যান্স এর অকশন থেকে শেখ হাসিনা মালিকানা পুনঃরুদ্ধার করে!
তারপর জাদুঘরে রূপান্তর করে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কাছে হস্তান্তর করে!
এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনি চাইলেই কারো মালিকানাধীন কোন স্থাপনা ভাংগতে পাড়েন?
উত্তর হচ্ছে, না আপনি পারেন না!
এটা অপরাধ, আইনের চোখে!
একটা রাষ্ট্র এভাবেই ফাংশন করে!
আর আপনারা ৩২ ভাংগবেন মানে?
এই কালচার কেন শুরু করলেন?
৩২ ভাংগার কালচার মানে আপনার ঘরবাড়িও ভাংগার বৈধতা দেয়া!
৩২ কেন ভাংগবেন?
কারণ লীগ ফিরে এলে এখানে এই করবে সেই করবে!
এইসব লেইম কথাবার্তা!
লীগ যদি ফিরে আসে ৩২ আবার বানাবে!
এইসব লেইম কথাবার্তা আর কাজ কেন করেন?
এই কাজ ৫-৮ আগস্ট করলে তখন আলাপ ভিন্ন ছিল।
৮ তারিখের পর দেশে একটা সরকার হয়েছে!
সেই সরকার চাইলে ৩২ কে অধিগ্রহণ করে ভেংগে যে কোন স্থাপনা তৈরী করতে পারতো, সেইটা হতো আইন সম্মত!
কোন উপদেষ্টা সেই সাহস করেছে?
আপনারা সরকারকে বাধ্য করতে পেড়েছেন?
এখন উস্কানী দিয়ে ৩২ ভাংগতে গিয়েছেন?
অথচ আজকে দাবী করতে পাড়তেন সরকার কেন ৩২ অধিগ্রহণ করে ভেংগে অন্য কোন স্থাপনা করলো না?
সরকারকে চাপ দিতে পাড়তেন!
এক ৩২ ভেংগে ভবিষ্যতে সকল রাজনীতিক প্রতিপক্ষ দ্বারা প্রতিপক্ষের বাড়িঘর ভাংগার বৈধতা উৎপাদন করলেন।
আর ইন্টেরিমের ব্যর্থতার দায়মুক্তি দিলেন।
ধন্যবাদ!

ষাটের দশকে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক গুন্ডামিকে কাঁচকলা দেখিয়ে ঢাকায় বর্ষবরণের উৎসব শুরু করেছিল ছায়ানট। ভেন্যু  ...
16/11/2025

ষাটের দশকে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক গুন্ডামিকে কাঁচকলা দেখিয়ে ঢাকায় বর্ষবরণের উৎসব শুরু করেছিল ছায়ানট। ভেন্যু বলধা গার্ডেন, সময়টা ১৯৬৭।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের মঙ্গল শোভাযাত্রা বৈশাখের আরেক অচ্ছেদ্য অঙ্গ। তবে মঙ্গলশোভা যাত্রা সেই পাকিস্তান আমল থেকেই প্রশ্নবিদ্ধ।

কারণ জীবজন্তুর ছবি আঁকা ও ভাস্কর্য নির্মাণ এবং তা ব্যবহার করা ইসলামে নিষিদ্ধ।

একই কারণে আমাদের আজকের চারুকলাও প্রশ্নবিদ্ধ। ২১শে পালন, বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবস পালনও পরবর্তিতে হয়ে যায় প্রশ্নবিদ্ধ।

দেশে যত মূর্তি ও ভাস্কর্য আছে সেগুলিও আজ প্রশ্নবিদ্ধ। আমাদের শিখা অনির্বান, এমন কি আজ বাংলা ও ইংরেজি পঞ্জিকাও প্রশ্নবিদ্ধ।

সপ্তাহে ৭ দিনের হিসেবটা পাওয়া যায় গ্রীক-রোমান মিথোলজিতে। সান গড, মুন গড, মার্কারি, ভেনাস, মার্স, জুপিটার ও স্যাটার্ন।

বাংলা মাসের নাম করণ প্রাচীন দেব-দেবী ও নক্ষত্রের নামে, বিশাখা থেকে বৈশাখ, জ্যেষ্ঠা থেকে জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়া থেকে আষাঢ়, শ্রবণা থেকে শ্রাবণ ...ইত্যাদি।

জানুয়ারী মাস রোমান দেবতা জানুস, ফেব্রুয়ারী মাস দেবতা ফ্রেব্রুস, জুলাই মাস জুলিয়াস সিজার, অগাস্ট মাস দেবতা অগাস্টাস ইত্যাদি। একই যুক্তিতে কিন্তু ইংরেজি ক্যালেন্ডারও হয়ে যায় প্রশ্নবিদ্ধ।

সেই হিসাবে আমাদের এই মুসলিম প্রধান দেশে হিজরী সালের প্রবর্তন করাই যথার্থ।

কিন্তু আমাদের ষড় ঋতুর দেশে ফসলি সৌর পঞ্জিকা বাতিল করে চন্দ্র পঞ্জিকার প্রবর্তন কতখানি যুক্তিযুক্ত?

প্রশ্ন থেকেই যায়, হিজরী সালের প্রবর্তন বাংলার কৃষকেরা মানবে তো ?

মুর্খ আগেও ছিলো, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। মূল সমস্যা হচ্ছে মুর্খের ঘনত্ব!!

06/11/2025

বিদেশের মামদানিরা ক্ষমতা পেলে হয়ত করার সুযোগ পাবে। যদি সে সাহসী হয়। সবাই তাকে সাহায্য করবে। হয়ত তারা করেও দেখাবে।

আমাদের কেউ মামদানি হলে, তাকে কখনোই সুযোগ দেয়া হবে না। কখনোই সে সুযোগ পাবে না।

কারণ আমরা কেউ মানুষ নই। আমাদের মানুষ বানাবার কোনো কার্যক্রম কেউ কখনো হাতে নেয়নি।

অনেক চড়াই-উতরাইয়ের পরে আমেরিকার সাথে ইন্ডিয়ার আগামী দশ বছরের জন্য সামরিক চুক্তি সম্পর্ণ হইছে! দুইদিন আগেই আন্তর্জাতিক তি...
01/11/2025

অনেক চড়াই-উতরাইয়ের পরে আমেরিকার সাথে ইন্ডিয়ার আগামী দশ বছরের জন্য সামরিক চুক্তি সম্পর্ণ হইছে!

দুইদিন আগেই আন্তর্জাতিক তিন মিডিয়ায় "প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা" ইন্টারভিউ যখন দিয়েছে।তখনই রাজনৈতিক সচেতন ব্যাক্তিরা বুঝতে পারছে খুব শীঘ্রই দেশে কিছু একটা হচ্ছে।

আমেরিকা এই অঞ্চলে তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রথমে অং সান সূচিকে দিয়ে চেষ্টা করেছে সেই চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে দ্বিতীয় ধাপে ইউনুস কে দিয়ে চেষ্টা করেছে। কিন্তু এই চেষ্টাও আমেরিকা ব্যার্থ হয়েছে।

আমেরিকা ভালো করে জানে বঙ্গবন্ধু কন্যা ক্ষমতা থাকলে এই দেশের এক ইঞ্চি ভূমিও তারা ব্যবহার করতে পারবেনা এবং তাদের স্বার্থ রক্ষা হবেনা। সেজন্য তারা ইউনুস কে ব্যবহার করে মেটিকুল্যাস ডিজাইন করে আওয়ামীলীগকে ক্ষমতা থেকে নামিয়েছে।

আমেরিকার সাথে ভারতের মধুর সম্পর্ক ছিলো।আমেরিকা মনে করেছিলো নেত্রীকে ক্ষমতা থেকে সড়িয়ে দিলে চীনের উপর নজরদারির জন্য এই অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় ভারত তাদের পাশে থাকবে।

কিন্তু ভারত জানে মার্কিনীরা এই অঞ্চলে আসলে তাদের দেশের অখণ্ডতা ধরে রাখা যাবে না। তাই চীনের পাশাপাশি ভারতও মার্কিনীদের স্বার্থ রক্ষায় বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়।এতে করে মার্কিনীদের পরিকল্পনা পুরাপুরি ভেস্তে যায়।

তারপর মার্কিনীরা ভারতকে চাপে ফেলার জন্য ভারত পাকিস্তান যুদ্ধসহ ভারতের উপর অতিরিক্ত ট্যারিফ আরোপ সহ সব ধরনের কৌশল প্রয়োগ করেছে।কিন্তু ভারত সরকার মাথা নত করেনি মার্কিন চাপে।মার্কিনীদের চাপে (ভারত সরকার মাথা নত না করার অন্যতম কারণ হলো সেই দেশের সকল রাজনৈতিক দল গুলো পররাষ্ট্রনীতি ক্ষেত্রে সরকারের পাশে ছিলো)ভারতের রাজনৈতিক দল গুলো নিজেরা রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা করে সরকারের বিরুদ্ধেই কথা বলে।কিন্তু দেশের স্বার্থে তারা সবাই সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে যায়।

সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা যখন দেখলো এই অঞ্চলে তাদের স্বার্থ রক্ষায় ভারত তাদের পাশে নাই। তখনই সব ধরনের কৌশল প্রয়োগ করে চাপ সৃষ্টি করলো ভারতের উপর কিন্তু ভারত তাতে মাথা নত করেনি।উল্টো ভারত আমেরিকার সাথে সামরিক চুক্তি বাতিল করে জাতিসংঘ অধিবেশন বয়কট করে, রাশিয়া -চীন - ভারত জোট করে মার্কিনীদের কে কঠিন বার্তা দিলো যার পরিপ্রেক্ষিতে আমেরিকা বাধ্য হয়ে ভারতের কাছে আসতে হইছে এই অঞ্চলে টিকে থাকার জন্য।

আজকে ভারত - মার্কিন সামরিক চুক্তি এবং ভারতের উপর আরোপিত মার্কিন ট্যারিফ কমে ১৫-১৬ % আসার ঘোষণায় এই অঞ্চলের জন্য নতুন এক অধ্যায় সৃষ্টি হচ্ছে।

এই অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থ যেমন ভারত দেখবে তেমন করে রাশিয়ার স্বার্থও ভারত দেখবে। চীনের সাথে ভারতের বিরোধ থাকলেও বাংলাদেশ বিষয়ে ভারতের সাথে চীনের সম্পর্ক খুবই মধুর হয়ে আছে।

ডিপ স্টেট আপাতত কয়েক দশকের জন্য এই অঞ্চলে তাদের পরিকল্পনা থেকে সরে গেছে তাই তাদের মুল দালা*লদের তারা সেফ এক্সিটে নিয়ে যাবে। কিন্তু যারা দা*লালদের সহযোগী ছিলো তারা আফগানিস্তানের বিমানের দৃশ্যের রিহার্সেল দিতে পারেন।



#ঢাকা
#ঢাকাবাংলাদেশ
#ঢাকার
#বাংলা
#আবুসাঈদমিশু

১.চার দশক আগে পড়া সৈয়দ মুজতবা আলীর "পাদটীকা" গল্পটা মাথায় ঘুরছে। ভীষণভাবে। তাড়াতে পারছিনা। উঁচু সরকারী কর্মকর্তার কুকুরে...
28/10/2025

১.

চার দশক আগে পড়া সৈয়দ মুজতবা আলীর "পাদটীকা" গল্পটা মাথায় ঘুরছে। ভীষণভাবে। তাড়াতে পারছিনা। উঁচু সরকারী কর্মকর্তার কুকুরের সাথে স্কুল শিক্ষকের পরিবারের তুলনা—সমাজের বৈষম্য এবং শিক্ষিতের অবমাননার এমন নির্মম, নিপাট ও সত্য প্রকাশ আর হয়না।

গল্পের মূল চরিত্র “পণ্ডিতমশায়”—তর্কালঙ্কার ছিলেন কি কাব্যবিশারদ, তা স্পষ্ট নয়, তবে সংস্কৃতিতে তাঁর দখল ছিল যথেষ্ট।

ব্রিটিশ শাসনামলের এক সময়কার কথা—আসামের চিফ কমিশনার (লাট সাহেব) স্কুল পরিদর্শনে আসেন। পাইক-পেয়াদা ঘেরা আনুষ্ঠানিকতা, আর সঙ্গে তাঁর পোষা কুকুর—যার এক পা নেই, খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটে।

লাট সাহেব বিদায়ের আগে পণ্ডিতমশায়ের দিকে হালকা মাথা নাড়েন—সে নরম ইঙ্গিতে আনন্দে গলে যান পণ্ডিতমশায়। গর্বে চৌচির হয়ে যান, এমনকি নতুন গেঞ্জির চুলকানিও ভুলে যান আনন্দের আতিশয্যে।

সমাজের অসহায় কদর্য দিকটি প্রকাশ পায় লাট সাহেব চলে যাওয়ার পর। পণ্ডিতমশায় জানতে পারেন—ওই তিন-পা’ওয়ালা কুকুরের রক্ষণাবেক্ষণে মাসে খরচ হয় পঁচাত্তর টাকা। আর তাঁর নিজস্ব বেতন—স্ত্রী, সন্তানসহ আটজনের পরিবারের জীবিকা—সব মিলিয়ে মাত্র পঁচিশ টাকা।

পণ্ডিতমশায় ছাত্রদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন,

“আমার আটজনের পরিবার লাট সাহেবের কুকুরের কয়টা ঠ্যাং-এর সমান?”

লজ্জায় স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো শ্রেণিকক্ষ।

তাঁর গর্জন—“উত্তর দে”—নিস্তব্ধতা ভাঙতে পারে না।

২.

চিফ-কমিশনার নয়, লাট সাহেবও নয়— বর্তমানে বাংলাদেশে উপসচিব (ডেপুটি সেক্রেটারি) ও তার উপরের পদ-মর্যাদার সরকারি কর্মকর্তারা চার-চাকার গাড়ি কেনার জন্য অতি সহজ-শর্তে ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ পান। আর অবিশ্বাস্য হলেও সত্য—এই গাড়ি "পোষার" জন্য তাঁরা মাস প্রতি পান ৫০,০০০ টাকা।

বর্তমানে যে পে স্কেল-এর অধীনে সরকার বেতন দেয় সেখানে মাসিক বেতন নির্ধারণ করতে পরিবারের আকার ধরা হয় ছয়জন—স্বামী-স্ত্রী, বাবা-মা এবং দুই সন্তান।

- মাত্র কয়েকদিন আগে যে এম.পি.ও. ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা বাড়ি-ভাড়া ভাতা বাড়ানোর জন্য রাস্তায় নেমেছিলেন—তাদের প্রারম্ভিক বেতন ১২,৫০০ টাকা। তাহলে, এম.পি.ও. ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষকের ছয়জনের পরিবার সরকারি কর্মকর্তার গাড়ির কয়টি চাকার সমান?

- প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি গড়ার কারিগর—সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের মূল বেতন শুরু হয় ১১,০০০ টাকায়; ভাতা-সহ হয় ১৯,০০০ টাকা। এমন একজন শিক্ষকের পরিবার সরকারি কর্মকর্তার গাড়ির কয়টি চাকার সমান?

- আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, যার হাতে গড়ে ওঠে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব—তাঁর মূল বেতন শুরু হয় ২২,০০০ টাকায়। ভাতা-সহ যা মোটামুটি ৩৫,০০০ টাকা। তাঁর ছয়জনের পরিবার ঐ গাড়ির কয়টি চাকার সমান?

Proud moment for BDeshi’S 🫣😒
20/09/2025

Proud moment for BDeshi’S 🫣😒

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bukhainagar Trust posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bukhainagar Trust:

Share