21/08/2026
: This case is closed!
𝐂𝐚𝐥𝐥 𝐟𝐨𝐫 : 𝐇𝐞𝐥𝐩 𝐚 𝐦𝐨𝐭𝐡𝐞𝐫 𝐢𝐧 𝐡𝐞𝐫 𝐟𝐢𝐠𝐡𝐭 𝐚𝐠𝐚𝐢𝐧𝐬𝐭 𝐜𝐡𝐫𝐨𝐧𝐢𝐜 𝐥𝐮𝐧𝐠 𝐝𝐢𝐬𝐞𝐚𝐬𝐞
আসসালামু আলাইকুম।
নাজমা, ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত এক অসহায় মা। তার জীবন বাঁচানোর জন্য মানবিক সহায়তার আবেদন নিয়ে আজ আমরা এসেছি।
🛑 All Documents (নিচে ধারাবাহিক medical history এর মধ্যে বিভিন্ন document এর রেফারেন্স দেওয়া আছে):
https://drive.google.com/drive/folders/11swfVCr9-5yZPOfmrJPsLJy-MQ0jB_ok?usp=drive_link
পাবনার আটঘোরিয়ার বাসিন্দা নিতু। এখন পাবনা নার্সিং কলেজে পড়ছেন। তার আম্মু নাজমার অসুস্থতা শুরু হয় ২০১৭ সাল থেকে। ওনার আম্মুর বুক ব্যথা ছিল, পাবনার ডাক্তার ঢাকায় যেতে বলেছিলেন, কিন্তু খরচের কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। নিতুর আব্বুর এক রিলেটিভ গাজীপুরে হোমিও / জেনারেল ডাক্তার দেখানোর ব্যবস্থা করেন, কিন্তু কোনো লাভ হয় নাই। এভাবে ২ বছর যাওয়ার পর ২০১৯ সালে ঢাকায় বক্ষব্যাধি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ওনাকে। ওইখানে ডাক্তাররা জানান যে নিতুর আম্মুর ফুসফুস এর ৩ ভাগের ১ ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে, অপারেশন করতে হবে। নিতু এখন একজন নার্সিং স্টুডেন্ট হয়ে এখন বুঝেন যে উনার মায়ের আসলে ডান ফুসফুসের ৩ টা lobe এর মধ্যে একটা lobe নষ্ট হয়ে গেছিল, আর সেটা middle lobe ছিল।
ডাক্তার সেই ফুসফুসের ৩ ভাগের ১ ভাগই কেটে ফেলে দেন। তারপর নিতুর আম্মু অনেক গুলো বছর আলহামদুলিল্লাহ সুস্থ ছিলেন। তার বক্ষব্যাধি হাসপাতালের ছাড়পত্র দেওয়া হলো। অনেক বছর আগের কথা, তাই শুধু ছাড়পত্রগুলো আছে। (documents 1-3)
২০২৩ সালে আবার হঠাৎ নিতুর আম্মু খুব অসুস্থ হয়ে যান, কাশির সাথে দলা দলা রক্তযুক্ত কফ বের হতো। নিতু ও তার পরিবার পাবনায় বক্ষব্যাধি ডাক্তার এর কাছে নিয়ে যান, ওইখানে ২০২৩ সালের মে, জুন, জুলাই পর পর ৩ মাস রেগুলার চেকআপ করানো হয়। কিন্তু সুস্থ না হওয়ায় ডাক্তার আবার ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেন, যেহেতু অপারেশন এর পর প্রথম এই সমস্যা হচ্ছিলো। ২৩ সালের প্রেস্ক্রিপশনগুলো দেওয়া হলো। (documents 4-6)
তারপর টাকার কারণে উনার আম্মুকে আর ঢাকা নিতে পারেন নি। ২০২৪ সালের প্রথম দিকে পাবনায় ডাক্তার দেখালেও উনি সুস্থ হচ্ছিলেন না। ডাক্তার আবারো ঢাকা যেতে বলে, কিন্তু টাকার জন্য সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে রেগুলার ইঞ্জেকশন দেওয়া হচ্ছিল নাজমাকে, তখন নিতু প্রতিদিন ভাঙা রাস্তায় বার বার হাসপাতালে উনার মাকে নিয়ে যেতেন, তাতে উনি আরো অসুস্থ হয়ে যান। নিতু ও তার পরিবার তখন উনাদের অল্প জমি বিক্রি করে ইঞ্জেকশন ওষুধ জোগাড় করেন।
উনারা টাকা ম্যানেজ করে ২০২৪ সালে ঢাকায় যেই ডাক্তার অপারেশন করসিলো উনার কাছে নিয়ে যান। উনি অনেক টেস্ট করে রিপোর্ট দেখে জানান যে নিতুর আম্মুর সমস্যা ফুসফুসে যে সমস্যা ছিল, বাম ফুসফুসে একই প্রব্লেম দেখা দেয়। নিতুদের পক্ষে আবার অপারেশন করা কঠিন ছিল, তার আম্মুর শারীরিক ও উনাদের financial দিক বিবেচনা করে, তাই ডাক্তার ওষুধ লিখে দেন। প্রেস্ক্রিপশন সংযুক্ত। (documents 7-13)
তারপর ঢাকা থেকে এসে নাজমা এক বছরের মতো সুস্থ ছিলেন। কিন্তু রোজার মাসে নাজমা রান্না করার সময় হঠাৎ কাশি শুরু হয় এবং গলা দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হয়। অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে ওষুধ খেলে ভালো, না খেলেই খারাপ। তখন রমজান মাস, হাতে উনাদের টাকা নাই। নাজমা এর মধ্যে অজ্ঞান হয়ে গেলে উনাকে নিতু পাবনা বক্ষব্যাধিতে নিয়ে যান। ওইখানে যক্ষ্মা সহ অনেক টেস্ট দেয় এবং পাবনা হাসপাতালে ভর্তি থাকতে বলে। কিন্তু খরচ বাঁচাতে নিতু তার আম্মুকে একটা সরকারি যক্ষ্মা নিরাময় কেন্দ্রে নিয়ে যান টেস্ট করানোর জন্য। নিতুর আম্মু নরমালি যে ক্লিনিকের ডাক্তার দেখান, উনিই পাবনা বক্ষব্যাধির ডাক্তার। ডাক্তার বলে রিপোর্ট নিয়ে দুপুরে উনার ক্লিনিক এ যেতে, উনি ভিজিট ছাড়াই দেখে দিবেন। তার সব প্রেস্ক্রিপশন আর কাগজ দেওয়া হলো। (documents 14-17)
এরপর নিতুর আম্মু 4 মাস ভালো ছিলেন। কিন্তু আবার বমির মতো রক্ত যাওয়া শুরু করে, অবস্থা অনেক খারাপ হয়। ডাক্তার জানান অপারেশন দরকার, কিন্তু নাজমার শরীরের অবস্থা অপারেশন নেওয়ার মতো ছিল না, তাই অনেক গুলো ইঞ্জেকশন দেয়া হলো। ওইগুলো ৭ দিনের দিলেও পড়ে ডাবল এন্টিবায়োটিক ডোজ দিয়ে নাজমা সুস্থ হন। ডক্টর জানান এখন ওষুধ দিয়েই উনার রক্ত বন্ধ করা সম্ভব, এরপর কয়েকবার ডক্টর এর রেগুলার চেকআপ করা হয়। প্রেসক্রিপশন সংযুক্ত। (documents 18-19)
কিছুদিন আগে (August 2026) নিতুর মায়ের অনেক বুক ব্যথা করে আবার রক্ত বেরোতে থাকে, নিতুর ওই সময় এক্সাম চলছিল। নিতু পরীক্ষা দিয়ে ডাক্তার দেখালে ডাক্তার জানান যে ওষুধ বন্ধ করা যাবে না, অপারেশনও করা যাবে না ওনার শারীরিক দুর্বলতার কারণে। এভাবেই উনি যতদিন বাঁচেন। এর মধ্যে এক্স-রে করে জানানো হয় নিতুর আম্মুর ফুসফুসে ইনফেকশন হয়েছে, এবং দুই ফুসফুসেই সমস্যা। কিন্তু উনার এত রক্ত কোথা থেকে আসে জানা যায়নি, হয়তো আরো advanced treatment করলে জানা যাবে। কিন্তু এখন আর নিতুর মা ঢাকা বা দূরে কোথাও জার্নি করে যেতে পারবেন না, তাই ওষুধ খেয়েই একটু সুস্থ থাকতে পারবে। সব কাগজপত্র আপলোড দেওয়া আছে। (documents 20-21)
দশ দিন ওষুধ খেয়ে ডাক্তার আবার যেতে বলেছিলেন। ১৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে নিতুর আম্মুকে ডাক্তার দেখিয়ে আনা হয়। উনার অবস্থার উন্নতি নেই, পাবনায়ও চিকিৎসা নেই, ঢাকায় যাওয়া উনার পক্ষে সম্ভব না উনার condition এ। তাই উনাকে কিছু high power injection দিয়ে শেষ চেষ্টা করবেন। এক সপ্তাহের ওষুধ প্রায় ১৩,৭০০ টাকা পাইকারী। সেই prescription দেওয়া হলো। (document 22)
নিতুর আব্বু সাধারণ দিনমজুর, ৬০+ বছর বয়স। বুয়েটের EEE '18 ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী শুরু থেকেই নিতুর পড়াশোনার টাকা দিতেন। নিতু উনার গ্রামের অনেককেই সেই শিক্ষার্থীর মাধ্যমে ট্রিটমেন্ট করিয়েছেন এর আগে। কিন্তু বর্তমানে এই বিশাল ব্যয়ভার বহন করা তাদের সবার পক্ষে খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই আপনাদের সকলের কাছে যথাসম্ভব আর্থিক সহায়তার জন্য বিনীত অনুরোধ করা হচ্ছে।
🛑 সাহায্য পাঠানোর মাধ্যমসমূহ 🛑
Reference: Nitu
: This case is closed, so we have removed the fundraising account numbers from the post.
আল্লাহ চাইলে আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমেই হয়তো এই অসহায় মায়ের পক্ষে সুস্থভাবে কিছু বেশি সময় বেঁচে থাকার সুযোগ হবে। সাধ্যমতো এগিয়ে আসুন, পোস্টটি শেয়ার করে সবার কাছে পৌঁছে দিন যেন তারাও সাদাকার মাধ্যমে সাহায্য করতে পারেন।