02/05/2024
।। ফরজ ফেলে নফলের দ্বীনদারিত্ব ।।
অনেক দ্বীনি বোনকে দেখি ফরজ ও নফলের মধ্যে পার্থক্য করতে পারেন না।
এই বোনদের উপর থেকে দ্বীনদার অর্থাৎ তাদের কথা অনেক দ্বীনদার মনে হলেও আসলে ইসলামের জ্ঞান কম বলে মনে হয়। আমাকে মাফ করবেন।
অনেকে আছে দ্বীনি সংগঠন, হালাকা, দ্বীনি কমিউনিটি মেইনটেইন করেন, নিয়মিত এক্টিভ থাকেন। অন্যকে দ্বীনের সবক দেয়ার বেলায় বা দাওয়াতি কাজ করার বেলায় এক ধাপ এগিয়ে থাকেন। এদিকে এত এত ইসলামিক এক্টিভিটি করতে যেয়ে ফরজ যে দ্বায়িত্ব স্বামী, সন্তান বা পিতা-মাতার প্রতি তাই পালন করার সময় পান না। আপনি যতই ইসলামের কথা বলেন, আপনি আসলে ইসলামিক নন। কারণ আপনি আপনার উপর কি ফরজ, কি সুন্নাহ্ আর কি নফল তাই পার্থক্য করতে বুঝেন না।
এক ইন্টারনেশনাল নারী ইসলামিক প্রিচার কে চিনি, নাম বলবোনা কারণ চিনবেন। তার কোটি কোটি নারী ও পুরুষ ফলোয়ার। তিনি সারাক্ষণ আল্লাহ, রাসুল ও ইসলামের কথা বলেন। অথচ তার ভ্রু প্লাক করা, চোখে কাজল দেয়া, আটোসাটো আাবায়া ও সুন্দর ছোট হিজাবটা আমাকে এই ফিল দেয় যে তার পর্দার জ্ঞান নেই। তার নিজেকে এই উপস্থাপনায় আমার তাকে ফলো করার মত মনে হয়নি। কারণ আমি মনে করি তার ফরজ নফল এর জ্ঞান নেই। মেয়েদের জন্য পর্দা করা ফরজ আর পুরুষদের সামনে সুদর্শনা হয়ে দাওয়াত দিয়ে বেড়ানো নফল বলতে পারেন, তবে বেশিরভাগ আলেমদের মতে তা হারাম। তিনি কোটি কোটি নন মাহরামের সামনে এসে ইসলামের কথা বললেই তাকে অনেক মুমিনা মানতে হবে আমি তা বিশ্বাস করিনা।
সেরকম আপনি দ্বীন, কুরআন, ফিকহ এর যতই পাণ্ডিত্য জাহির করেন না কেন, আপনি যখন পরিবারের প্রতি উদাসীন, আমি নিশ্চিত আপনার ইসলামের জ্ঞান কম। কারণ নারীই পরিবার আর পরিবার মানেই নারী। দ্বীনি নারী মাত্রই পরিবারের প্রতি সর্বোচ্চ যত্নশীল।