S S LAW HOUSE

S S LAW HOUSE Adv subarna seema
Supreme court of Bangladesh.
01712258569
(2)

14/08/2026

"I’m unwell, so I haven’t been writing for a few days. I kindly ask for everyone’s prayers."

জ্যামিতিক প্রেম-✍️,,,, Adv Subarna Seema তোমার - আমার জ্যামিতিক প্রেমআমার কম্পাসে তুমি ছিলে কেন্দ্র, তোমার কম্পাসে আমি দ...
07/08/2026

জ্যামিতিক প্রেম-
✍️,,,, Adv Subarna Seema

তোমার - আমার জ্যামিতিক প্রেম
আমার কম্পাসে তুমি ছিলে কেন্দ্র,
তোমার কম্পাসে আমি দূরত্ব।
তবু্ও...
দূরত্বেই আমাদের জ্যামিতিক প্রেম।

তোমার - আমার গল্প
শুধুই আমাদের,
ছিল না কোন স্পর্শ কিংবা আকুলতা —
ছিল আমাদের বিশ্বাসের প্রতি বিন্দু।

বিন্দু বিন্দু ভালোবাসায়
পরিণত হলো একটি রেখায়
একটি বৃত্ত - অসংখ্য কোণ।
শব্দ চরণে তোমার কন্ঠস্বরে লিখেছি উপপাদ্য,
যার প্রতিটি বাক্য রয়ে গেল অসমাপ্ত।

তুমি ছিলে আমার বৃত্তের কেন্দ্র,
আমি ছিলাম ব্যাসার্ধ।
দূরত্বে দূরে সরেছি আমি
তবুও....
আমার পরিমাপ তোমার কাছেই স্থির।

তোমার হাসি আমার কাছে একটি জ্যা—
তোমার নীরবতা সমান্তরাল রেখা;

তোমার - আমার জ্যামিতিক প্রেমে
নিয়তির কোনো স্কেল নেই,
দূরত্ব মাপার কোনো সূত্র নেই—
তুমি-আমি সূত্রের শেষে শুধুই বিন্দু।

স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল বিধিমালা, ২০২৬​সরকার কর্তৃক ভূমি/সম্পত্তি অধিগ্রহণ করা হলে ক্ষতিগ্রস্ত মালিকগণ কীভা...
07/08/2026

স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল বিধিমালা, ২০২৬

​সরকার কর্তৃক ভূমি/সম্পত্তি অধিগ্রহণ করা হলে ক্ষতিগ্রস্ত মালিকগণ কীভাবে এবং কত টাকা ক্ষতিপূরণ পাবেন, তা সদ্য প্রকাশিত ‘স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল বিধিমালা, ২০২৬’-এ স্পষ্ট সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
​গেজেটে উল্লিখিত প্রধান নিয়মাবলী নিচে তুলে ধরা হলোঃ

​১। জমির ক্ষতিপূরণের হার (বিধি ২৯-এর উপ-বিধি ৭):
​অধিগ্রহণকৃত জমির নির্ধারিত বাজারমূল্যের ওপর ভিত্তি করে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে।
​সরকারি সংস্থার ক্ষেত্রে নির্ধারিত বাজারমূল্যের অতিরিক্ত ২০০% (শতকরা দুইশত ভাগ) ক্ষতিপূরণ যোগ করে মোট ৩০০% দেওয়া হবে।

​বেসরকারি ব্যক্তি বা সংস্থার ক্ষেত্রে নির্ধারিত বাজারমূল্যের অতিরিক্ত ৩০০% (শতকরা তিনশত ভাগ) ক্ষতিপূরণ যোগ করে মোট ৪০০% দেওয়া হবে।

​২। অবকাঠামো, স্থাপনা ও অন্যান্য সম্পত্তির ক্ষতিপূরণ (বিধি ৩০-এর উপ-বিধি ১১):
​ভূমি ব্যতীত অন্যান্য সম্পত্তি যেমন- ঘরবাড়ি, অবকাঠামো, গাছপালা, ফসল ইত্যাদি ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্যের ওপর অতিরিক্ত ১০০% (শতকরা একশত ভাগ) ক্ষতিপূরণ যোগ করে মোট মূল্য প্রদান করা হবে।

​৩। জমির বাজারমূল্য নির্ধারণের পদ্ধতি (বিধি ২৯-এর উপ-বিধি ১, ৩ ও ৬):
​পারিপার্শ্বিক এলাকা ও সময়সীমা:
প্রস্তাবিত জমির সীমানা হতে সকল দিকে ৫০০ (পাঁচশত) গজ দূরত্ব বিশিষ্ট পারিপার্শ্বিক এলাকা (Vicinity) চিহ্নিত করে, ধারা ৪ এর অধীন নোটিশ জারির পূর্ববর্তী ১২ (বারো) মাসের রেজিস্ট্রি হওয়া সমশ্রেণির এবং সমান সুবিধাযুক্ত ক্রয়-বিক্রয় দলিলের তথ্য নেওয়া হবে।
​মৌজা বিবেচনা:
যদি ৫০০ গজ এলাকার মধ্যে কাঙ্ক্ষিত দলিল পাওয়া না যায়, তবে সংশ্লিষ্ট মৌজার সমশ্রেণির এবং সমান সুবিধাযুক্ত জমির দলিল বিবেচনায় আনা হবে।

​গড় মূল্য হিসাব: সংগৃহীত সমশ্রেণির সকল দলিলের মোট মূল্যকে হস্তান্তরিত মোট জমির পরিমাণ দিয়ে ভাগ করে একর প্রতি গড় মূল্য বা বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হবে।

​মূল পরিবর্তন ও সংশোধনের বিবরণ:
​১. ‘স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল বিধিমালা- ২০২৬’ এর বানান ও শিরোনাম গেজেট অনুযায়ী হুবহু ঠিক করা হয়েছে।
২. স্থাপনা ও অবকাঠামোর অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ: গেজেটের বিধি ৩০ (১১) অনুযায়ী ভূমি ব্যতীত অন্যান্য ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে "অতিরিক্ত ১০০%" কথাটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
৩. জমির মূল্য নির্ধারণ: গেজেটের ২৯(১) বিধি অনুযায়ী ৫০০ গজের পারিপার্শ্বিক এলাকা এবং ১২ মাসের বিক্রয় দলিলের বিষয়টি আইনি কাঠামোর সাথে সংগতি রেখে সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে।

মায়াবৃত্তের জোছনা ✍️,,, Adv Subarna Seemaতুমি কি জানো চাঁদ যাকে আমি ভালোবাসি-সে আমায় কাঁদিয়ে হাসে। এই আশ্চর্য মায়াবৃত্ত...
05/08/2026

মায়াবৃত্তের জোছনা
✍️,,, Adv Subarna Seema

তুমি কি জানো চাঁদ
যাকে আমি ভালোবাসি-
সে আমায় কাঁদিয়ে হাসে।
এই আশ্চর্য মায়াবৃত্তের পৃথিবীতে

তুমি কি জানো চাঁদ
আমার বিস্তৃত আকাশ জুড়ে
সেই লুকিয়ে আছে আলো হয়ে।

তুমি কি জানো চাঁদ
আমার চোখে আঁকা কাজল,
চাঁপা বালিশের ভারে অশ্রুসিক্ত
ঝর্ণায় লেপ্টে যায়।
তবুও...
হৃদয় সেই স্মৃতি ধারন করে

তুমি কি জানো চাঁদ
তোমার আলোয় আমার আকাশে,
আজও স্বাক্ষরিত আছে,
তার বর্ণিল সেই কন্ঠস্বর।

"A lawyer's greatest weapon is preparation, not persuasion."
04/08/2026

"A lawyer's greatest weapon is preparation, not persuasion."

 #আলোচ্য বিষয় -মামলা দায়ের করার আগে আইন জানুন, তারপর পদক্ষেপ নিন।অনেকেই মনে করেন মামলা করা মানেই শুধু আদালতে গিয়ে একটি...
04/08/2026

#আলোচ্য বিষয় -
মামলা দায়ের করার আগে আইন জানুন, তারপর পদক্ষেপ নিন।

অনেকেই মনে করেন মামলা করা মানেই শুধু আদালতে গিয়ে একটি আবেদন জমা দেওয়া। কিন্তু বাস্তবে একটি মামলা সঠিকভাবে দায়ের করতে প্রয়োজন সঠিক তথ্য, উপযুক্ত প্রমাণ, আইনগত ভিত্তি এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা।

একটি মামলা দায়েরের জন্য সাধারণত যা প্রয়োজন— ✅ জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা পরিচয়পত্র
✅ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ
✅ প্রাসঙ্গিক প্রমাণ (ছবি, ভিডিও, অডিও, দলিল, চুক্তিপত্র, রসিদ ইত্যাদি)
✅ সাক্ষীর তথ্য (যদি থাকে)
✅ মামলার ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
✅ অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ ও সহায়তা
✅ আদালতের নির্ধারিত কোর্ট ফি

মনে রাখবেন, আইন আবেগ দিয়ে নয়—প্রমাণ, সত্য এবং ন্যায়ের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। তাই মামলা করার আগে নিজের অধিকার সম্পর্কে জানুন, সঠিক আইনি পরামর্শ নিন এবং আইনকে সম্মান করে ন্যায়বিচারের পথে এগিয়ে চলুন।

⚖️ "আইন জানা প্রতিটি নাগরিকের অধিকার, আর আইন মেনে চলা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।"

♦️♦️সতর্কতা.... ❓সর্ব সাধারণের জন্য জরুরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারক চক্র সামাজিক যোগাযোগ ...
04/08/2026

♦️♦️সতর্কতা.... ❓সর্ব সাধারণের জন্য জরুরি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারক চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পুলিশের নাম, লোগো ও ছবি বা ডিপফেক ছবি ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

এই চক্রগুলো সরাসরি চ্যাটজিপিটি দিয়ে অপরাধ করে না, বরং এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া আইডি, ছবি ও মেসেজ ব্যবহার করে মানুষকে ভয় দেখিয়ে বা লোভ দেখিয়ে প্রতারণা চালায়।

প্রতারণার কৌশলভুয়া পরিচয়: প্রতারকরা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা সরকারি বিভিন্ন সংস্থার বড়কর্তার ছবি ও নাম ব্যবহার করে ফেসবুক বা WhatsApp-এ ফেক আইডি খোলে।

ভীতি প্রদর্শন: মামলা, গ্রেফতার বা আইনি ব্যবস্থার ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা দাবি করা হয়।

এআই ইমেজ ও বার্তা: কনটেন্ট বা বিশ্বাসযোগ্য চ্যাট ও ছবি তৈরির জন্য অনেক সময় বিভিন্ন এআই টুল বা প্রম্পট ব্যবহার করা হয় যাতে সাধারণ মানুষ সহজে বিভ্রান্ত হয়।

সচেতনতা ও প্রতিকারযাচাই করুন: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের ছবি থাকলেই তা আসল নয়। পুলিশ বা কোনো সরকারি সংস্থা কখনো মেসেজ দিয়ে টাকা চায় না।

অর্থ লেনদেন থেকে বিরত থাকুন: অচেনা বা সন্দেহজনক কোনো নম্বরে টাকা পাঠানো বা ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া যাবে না।

অভিযোগ করুন: প্রতারণার শিকার হলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করুন অথবা ডিএমপি-র সাইবার ক্রাইম ইউনিট বা সিআইডি-র সাইবার পুলিশ সেন্টারকে জানান...।

বিঃ দ্রঃ - নিজে জানুন এবং অন্য কে জানতে সাহায্য করুন।

 #আলোচ্য বিষয় -স্বাক্ষর মিললেই কি চেকের মামলায় জেতা যায়? ফাঁকা চেকের ব্যবসার দিন শেষ!“চেকের স্বাক্ষর তো আপনারই, তাহলে টা...
04/08/2026

#আলোচ্য বিষয় -

স্বাক্ষর মিললেই কি চেকের মামলায় জেতা যায়? ফাঁকা চেকের ব্যবসার দিন শেষ!
“চেকের স্বাক্ষর তো আপনারই, তাহলে টাকা দেন না কেন?” এন.আই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার মামলায় আদালত কক্ষে এই একটি প্রশ্নই বহু আসামিকে কোণঠাসা করে ফেলে। আইনের ১১৮ ও ১৩৯ ধারার ‘সংবিধিবদ্ধ অনুমান’ অনেক সময়ই বাদীর পক্ষে একচেটিয়া সুবিধা তৈরি করে। কিন্তু আসলেই কি তাই? শুধু একটি স্বাক্ষর থাকলেই কি যেকোনো ফাঁকা চেক আইনি বৈধতা পেয়ে যায়?

উচ্চ আদালতের কিছু যুগান্তকারী রায় এবং ফরেনসিক বিজ্ঞানের অগ্রগতি এই ধারণাকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। এখন আর ফাঁকা চেকে নিজের ইচ্ছেমতো অংক বসিয়ে মামলা জিতে যাওয়া সহজ নয়।

স্বাক্ষর সঠিক, কিন্তু ভেতরের লেখা আলাদা?
আমাদের সমাজে ব্যবসা, ঋণ বা সিকিউরিটির নামে ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর রাখার একটা ভয়াবহ কু-প্রথা রয়েছে। পরবর্তীতে শত্রুতা বা লোভের বশে সেই চেকে কোটি টাকা বসিয়ে মামলা ঠুকে দেওয়া হয়।

এখানেই ডিফেন্সের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ৫৬ ডিএলআর পৃষ্ঠা ৬৩৬ (এম.এ মজিদ বনাম মোঃ আব্দুল মোতালেব) মামলাটি। মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ স্পষ্ট করে বলেছেন:

"আসামির স্বাক্ষর, টাকার অংক এবং পেয়ীর নাম ভিন্ন হাতের লেখায় থাকলে এন.আই অ্যাক্ট-এর ধারা ৩(ই) অনুসারে উহাকে 'ইস্যুয়েন্স অব চেক' বলা যাবে না এবং অনুরূপ চেক আইনানুগভাবে বৈধ নয়।" অর্থাৎ, চেকটি যে আসামী নিজেই বাদীকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেওয়ার উদ্দেশ্যে পূরণ করে দিয়েছেন তা বাদীকেই প্রমাণ করতে হবে।

কেন অন্য হাতে লেখা?
অনেক সময় বাদী দাবি করেন, "আসামি লিখতে পারেন না বা অনুরোধ করেছেন, তাই আমি লিখেছি।" কিন্তু উচ্চ আদালত এই খোঁড়া যুক্তিকে কঠোরভাবে খÐন করেছেন। ৭৫ ডিএলআর, পৃষ্ঠা ৪৪৭ (এ.এইচ. এরশাদুল হক বনাম রাষ্ট্র) মামলায় আদালত পরিষ্কার বার্তা দিয়েছেন। যদি চেকের হস্তাক্ষরে অসংগতি থাকে, তবে মামলার মোড় ঘুরে যাবে। বাদীকে আদালতে দাঁড়িয়ে জবাব দিতে হবে: কেন চেকটি ড্রয়ার (আসামি) নিজে পূরণ করেননি? অন্য কে এটি পূরণ করেছে? অন্যের পূরণের ক্ষেত্রে ড্রয়ারের লিখিত বা স্পষ্ট অনুমতি ছিল কি-না? বাদী যদি এই হস্তাক্ষরের ভিন্নতার কোনো সন্তোষজনক এবং যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে না পারেন, তবে মামলার মূল ভিত্তিই ধূলিসাৎ হয়ে যাবে এবং আসামি সরাসরি খালাস পাবেন।

চেকের বস্তুতগত পরিবর্তন:
এন.আই অ্যাক্টের ৮৭ ধারা অনুযায়ী, চেকে যদি দাতার সম্মতি ছাড়া পরবর্তীতে কোনো কাটাকাটি, ঘষামাজা বা এমন কোনো পরিবর্তন করা হয় যা চেকের মূল চরিত্র বদলে দেয় (যেমন: তারিখ বসানো বা টাকার অংক বাড়ানো), তবে সেই চেকটি আইনগতভাবে বাতিল হয়ে যায়। ফাঁকা চেকে পরবর্তীতে তারিখ বা অংক বসানোও এক ধরণের অবৈধ পরিবর্তন, যদি তা প্রমাণের সুযোগ আসামি পান।

ফরেনসিক পরীক্ষা ও ‘ফেয়ার ট্রায়াল’ আসামির মৌলিক অধিকার
"স্বাক্ষর আমার, কিন্তু ভেতরের লেখা ৫ বছর পরের!" এই সত্যটি প্রমাণ করার বৈজ্ঞানিক উপায় কী? এখানেই আসে ফরেনসিক বা হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞের পরীক্ষা। সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারা এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩(২) ধারা অনুযায়ী এই পরীক্ষা আসামির একটি আইনি অধিকার।
উপ-মহাদেশের সমাদৃত নজির 'টি. নাগাপ্পা বনাম ওয়াই.আর. মুরলিধর' (এআইআর ২০০৮ সুপ্রিম কোর্ট ২০১০) এবং 'কল্যাণী ভাস্কর' মামলায় সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছেন যে:

শুধু আইনের অনুমানের ওপর ভর করে আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ কেড়ে নেওয়া যাবে না। চেকের কালি, হস্তাক্ষর এবং তা ভিন্ন সময়ে (যেমন ৫ বছর পর) পূরণ করা হয়েছে কি না, তা নির্ধারণে চেক ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো 'ফেয়ার ট্রায়াল' বা ন্যায়বিচারের অংশ। আদালত এই আবেদন সহজে খারিজ করতে পারেন না।

সন্দেহের সুবিধা কার?
মহামান্য আপিল বিভাগ ৭১ ডিএলআর (এডি)-তে (হুমায়ুন রশিদ বনাম শাহিন আকন্দ) সিকিউরিটি চেকের অপব্যবহার নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। ফৌজদারি আইনের চিরন্তন সত্য হলো যেকোনো যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বা অসংগতির সুবিধা পাবেন আসামি।

অতএব, চেকে হস্তাক্ষরের ভিন্নতা, কালির অমিল এবং ভিন্ন সময়ে লিখনকাল যদি ফরেনসিক বা পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য দ্বারা আদালতে তুলে ধরা যায়, তবে শতকোটি টাকার চেকের মামলাও তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে বাধ্য। ফাঁকা চেকের ব্যবসার দিন এবার শেষ হতে চলেছে!

বিঃ দ্রঃ - নিজে জানুন এবং অন্য কে জানতে সাহায্য করুন।

Adv Subarna Seema
Supreme court of Bangladesh.

 #আলোচ্য বিষয় -বিবাহ বিচ্ছেদ (ডিভোর্স) অনেক সময় মানুষের প্রকৃত চরিত্রকে প্রকাশ করে।বিয়ের সময় যে সম্পর্ককে নিঃস্বার্থ ভাল...
04/08/2026

#আলোচ্য বিষয় -
বিবাহ বিচ্ছেদ (ডিভোর্স) অনেক সময় মানুষের প্রকৃত চরিত্রকে প্রকাশ করে।

বিয়ের সময় যে সম্পর্ককে নিঃস্বার্থ ভালোবাসার বলে মনে হয়, ডিভোর্সের সময় অনেক ক্ষেত্রেই সেই সম্পর্কের আড়ালে লুকিয়ে থাকা স্বার্থ, লোভ ও হিসাব-নিকাশ সামনে চলে আসে।

একজন আইনজীবী হিসেবে ডিভোর্স, দেনমোহর, ভরণপোষণ ও পারিবারিক বিরোধ সংক্রান্ত অসংখ্য মামলায় কাজ করতে গিয়ে একটি বিষয় বারবার লক্ষ্য করেছি—অনেকেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর বিয়ের অনুষ্ঠানের খরচ থেকে শুরু করে বৈবাহিক জীবনে একে অপরকে দেওয়া ছোট ছোট উপহার পর্যন্ত তালিকা করে নিয়ে আসেন।

দেনমোহর, ভরণপোষণ, শ্বশুরবাড়ির উপহার বা অন্যান্য আইনি দাবির বিষয় তো আছেই; কিন্তু অনেক সময় এমন তুচ্ছ বিষয় নিয়েও বিরোধ তৈরি হয়, যা একটি সুন্দর সম্পর্কের শেষ অধ্যায়কে আরও তিক্ত করে তোলে।

এমনও ক্লায়েন্ট পেয়েছি, যিনি অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে এনেছিলেন—বিয়ের পর সঙ্গীকে দেওয়া প্রতিটি ছোট-বড় উপহারের মূল্য উল্লেখ করে, সেগুলো আইনি নোটিশের মাধ্যমে ফেরত চাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।

আইন তার নিজস্ব পথে চলবে। তবে সম্পর্ক ভাঙার সময়ও যদি মানবিকতা, সম্মান ও পরস্পরের প্রতি ন্যূনতম শ্রদ্ধাবোধ বজায় থাকে, তাহলে দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ক্ষতি এবং অপ্রয়োজনীয় আইনি জটিলতা—দুটিই অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

বিঃ দ্রঃ নিজে আইন মেনে চলুন এবং অন্যকে আইন মানতে উৎসাহিত করুন।

Adv Subarna Seema
Supreme court of Bangladesh.

 #বলোচ্য বিষয় -ছেলে আজীবন তার বাবার বাড়িতে থাকে, বিধবা মেয়ের সেই অধিকার নেই কেন-এই বৈষম্যের মূল উৎসটি কোনো রাষ্ট্রীয় আইন...
04/08/2026

#বলোচ্য বিষয় -
ছেলে আজীবন তার বাবার বাড়িতে থাকে, বিধবা মেয়ের সেই অধিকার নেই কেন-
এই বৈষম্যের মূল উৎসটি কোনো রাষ্ট্রীয় আইনে লেখা নেই; বরং এটি আমাদের শতবছরের পিতৃতান্ত্রিক সামাজিক প্রথা, উত্তরাধিকার আইন সংক্রান্ত অজ্ঞতা এবং একপেশে মানসিকতার ফসল।

১. আইনি সত্য: কন্যাসন্তান হিসেবে অধিকার কি আইনে ভিন্ন?
বাংলাদেশের প্রচলিত উত্তরাধিকার আইন (যেমন: মুসলিম পারিবারিক আইন বা হিন্দু পারিবারিক আইন) অনুযায়ী:

সম্পত্তির মালিকানা: একজন বাবা জীবিত থাকা অবস্থায় তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির পূর্ণ মালিক তিনি নিজেই। তিনি কাকে ঘরে রাখবেন আর কাকে রাখবেন না, তা তার ব্যক্তিগত ইচ্ছা।

মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার: বাবা মারা যাওয়ার পর, ছেলে সন্তান যেমন সেই ভিটা বা সম্পত্তির ওয়ারিশ বা অংশীদার হয়, মেয়ে সন্তানও ঠিক তেমনি উত্তরাধিকার সূত্রে ওই বাড়ির নির্দিষ্ট অংশের (যেমন: মুসলিম আইনে ভাইয়ের অর্ধেক অংশ) আইনগত মালিক হন।

আইনি বাস্তবতা: একজন বিধবা বা তালাকপ্রাপ্তা মেয়ে তার মৃত বাবার ভিটার একজন আইনসংগত অংশীদার (Co-sharer)। ফলে আইনত বাবার বাড়িতে বা সম্পত্তিতে তার থাকার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। কেউ তাকে সেখান থেকে জোর করে তাড়িয়ে দিতে পারে না।

২. তবে কেন সমাজ ও পরিবারে এই পার্থক্য? (সামাজিক ও অর্থনৈতিক কারণ)
আইন মেয়েকে সমান বা নির্দিষ্ট অধিকার দিলেও, বাস্তব সামাজিক কাঠামোর কারণে বিধবা মেয়েরা বাপের ভিটায় স্বাধীনভাবে থাকতে পারেন না। এর প্রধান কারণগুলো হলো:

ক) ‘পরের ঘর’ বনাম ‘নিজের বংশ’ ধারণা: আমাদের সমাজে কন্যাসন্তানকে জন্ম থেকেই মানসিক ও সামাজিকভাবে "পরের আমানত" বা "পরের ঘরের মানুষ" হিসেবে দেখা হয়, আর ছেলেকে ভাবা হয় "বংশের প্রদীপ" বা ভবিষ্যতের একমাত্র অভিভাবক। ফলে বিয়ের পর মেয়ের বাপের বাড়িটি মানসিকভাবে তার কাছে ‘পরের বাড়ি’ হয়ে যায়, যা একজন পুরুষের ক্ষেত্রে কখনো হয় না।

খ) ভাই ও ভাবিদের মনস্তাত্ত্বিক চাপ: বাবা-মা বেঁচে থাকা পর্যন্ত বিধবা মেয়ে বাপের বাড়িতে আশ্রয় পেলেও, বাবা-মা মারা যাওয়ার পর ভাইয়েরা এবং ভাইয়ের স্ত্রীরা প্রায়ই বিধবা বোনকে একটি "অতিরিক্ত আর্থিক ও সামাজিক বোঝা" মনে করেন। বাবার ভিটায় বোন চিরস্থায়ী হলে ভবিষ্যতের ভাইদের সম্পত্তি বণ্টনে ভাগ বসবে, এই অর্থনৈতিক হিংসা থেকেই বোনকে বাপের বাড়িতে স্থায়ী হতে দিতে চান না অনেকে।

গ) সামাজিক কটু কথা ও লিঙ্গভিত্তিক মানসিকতা: আমাদের সমাজ একজন একাকী, তালাকপ্রাপ্তা বা বিধবা নারীকে সহজে সামাজিক মর্যাদা দিয়ে স্বাধীনভাবে বাঁচতে দেয় না। বাপের ভিটায় থাকলে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা "মেয়েটা বাপের ঘাড়ে বসে খাচ্ছে" বা "সংসার টিকিয়ে রাখতে পারল না" বলে কটু কথা শোনায়, যা একজন পুরুষের ক্ষেত্রে সমাজ বা প্রতিবেশীরা কখনোই বলে না।

৩. ইসলামি শরিয়াহ ও আইনের দৃষ্টিকোণ
ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, একজন নারী যখন বিধবা বা স্বামীহারা হন এবং তার নিজস্ব উপার্জনের পথ বা প্রাপ্তবয়স্ক স্বাবলম্বী ছেলে না থাকে, তখন তার থাকার ব্যবস্থা, নিরাপত্তা এবং ভরণপোষণের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব প্রথমত তার বাবা, ভাই বা বাপের পরিবারের সামর্থ্যবান পুরুষ অভিভাবকদের ওপরই বর্তায়। ইসলামে কোনো বিধবা বোন বা কন্যাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া বা তাকে বোঝা মনে করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ।

সহজ কথায়, ছেলে আজীবন বাপের ভিটায় থাকতে পারে আর বিধবা মেয়ে পারে না, এটি কোনো আইনের তৈরি বৈষম্য নয়, এটি আমাদের কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও স্বার্থপর সামাজিক ব্যবস্থার ফসল। একজন কন্যাসন্তান বিধবা হলেও বাবার ভিটায় তার রক্ত ও আইনের অধিকার কোনোদিন মুছে যায় না। একজন সচেতন পিতা হিসেবে জীবনেই মেয়েদের সম্পত্তির অংশ ও অধিকার বুঝিয়ে দেওয়া এবং ভাইদের মানসিক দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো ছাড়া এই সামাজিক ব্যাধি দূর করা সম্ভব নয়।

বিঃ দ্রঃ - নিজে জানুন এবং অন্য কে জানতে সাহায্য করুন।

Adv Subarna Seema
Supreme court of Bangladesh.

Address

Dhaka

Telephone

01680063496

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when S S LAW HOUSE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share