12/06/2026
#ফৌজদারি মামলায় মামলা চলাকালীন সময়ে আসামি মামলার দায় হতে দু ভাবে মুক্তি পায়।
একটি হলো,,,,,
অব্যাহতি (Discharge) এবং অন্যটি হলো
খালাস (Acquittal)।
#আজকে এই পোস্ট এর মাধ্যমে এ দুটি কাকে বলে এবং
অব্যাহতি (Discharge) এবং খালাস (Acquittal) এর মধ্যে পার্থক্য কী এসব জানার চেষ্টা করব।।।।
#অনেকেই ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে 'অব্যাহতি' এবং 'খালাস' শব্দ দুটিকে এক মনে করেন।
#শব্দ দুটির শেষ ফলাফল আসামির মুক্তি হলেও আইনগতভাবে এদের মধ্যে বড় ধরণের পার্থক্য রয়েছে. ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC) অনুযায়ী এই দুইটির মূল বিষয়গুলো নিচে সহজ ভাষায় তুলে ধরা হলো:
⚖️ #অব্যাহতি (Discharge) কাকে বলে:-
মামলার প্রাথমিক পর্যায়ে, অর্থাৎ
#আনুষ্ঠানিক বিচার (Trial) শুরু হওয়ার আগে বা চার্জ (অভিযোগ) গঠনের সময় যদি আদালত দেখেন যে আসামির বিরুদ্ধে মামলা চালানোর মতো পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ বা কোনো ভিত্তি নেই, তখন আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়.
#আইনের ধারা:
ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের ক্ষেত্রে ২৪১(ক) ধারা,এবং
দায়রা আদালতের ক্ষেত্রে ২৬৫(গ) ধারায় অব্যাহতি দেওয়া হয়।
#ভবিষ্যত ফল:
অব্যাহতি কোনো চূড়ান্ত রায় নয়. তাই পরবর্তীতে যদি ওই অপরাধের বিষয়ে নতুন কোনো অকাট্য তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে আসামির বিরুদ্ধে পুনরায় একই মামলা শুরু করা বা চার্জ গঠন করা যেতে পারে।
⚖️ #খালাস (Acquittal) কাকে বলে:-
মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া পুরোপুরি সম্পন্ন হওয়ার পর, অর্থাৎ সাক্ষী-প্রমাণ গ্রহণ এবং উভয় পক্ষের যুক্তি-তর্ক শোনার পর যদি আদালত দেখেন যে আসামির বিরুদ্ধে আনা অপরাধ প্রমাণিত হয়নি, তখন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে নালিশী মামলা প্রত্যাহার বা বাদীর অনুপস্থিতির কারণেও খালাস হতে পারে।
#আইনের ধারা:
ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের ক্ষেত্রে ২৪৫, ২৪৭ ও ২৪৮ ধারা,
দায়রা আদালতের ক্ষেত্রে ২৬৫(এইচ) ও ২৬৫(কে) ধারা।
ভবিষ্যত ফল:
#খালাস হলো আদালতের একটি চূড়ান্ত রায়। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারার (Double Jeopardy) নীতি অনুযায়ী,
একবার কোনো ব্যক্তি আদালত থেকে খালাস পেয়ে গেলে একই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে দ্বিতীয়বার আর কোনো মামলা বা বিচার করা যায় না।তবে,উচ্চ আদালতে আপীল করা যাবে।
আইন জানুন, সচেতন থাকুন। ⚖