মঙ্গলালোক

মঙ্গলালোক ��ßig Dreamer প্রয়োজনীয় সব তথ্য

বিদ্যুৎ এখন ৫ মাইলেরও বেশি সময় ধরে তারবিহীনভাবে বিম করা হয়েছে - বিদ্যুৎ সঞ্চালনে একটি বড় সাফল্য।DARPA-এর পারসিসটেন্ট ...
09/12/2025

বিদ্যুৎ এখন ৫ মাইলেরও বেশি সময় ধরে তারবিহীনভাবে বিম করা হয়েছে - বিদ্যুৎ সঞ্চালনে একটি বড় সাফল্য।

DARPA-এর পারসিসটেন্ট অপটিক্যাল ওয়্যারলেস এনার্জি রিলে (POWER) প্রোগ্রাম ৮.৬ কিলোমিটার জুড়ে ৮০০ ওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করে একটি নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে, যা দূরত্ব এবং ওয়্যারলেস এনার্জি ট্রান্সফারে পাওয়ার উভয় ক্ষেত্রেই রেকর্ড স্থাপন করেছে।

পরীক্ষায় টেরাভেক টেকনোলজিস দ্বারা তৈরি একটি কমপ্যাক্ট রিসিভার ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্বল্প পরিসরে ২০% এরও বেশি দক্ষতার সাথে লেজার শক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তরিত করেছে।

এই অগ্রগতি দূরবর্তী বা উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে - যেমন দুর্যোগ অঞ্চল বা সামরিক পরিবেশে - দুর্বল সরবরাহ লাইনের উপর নির্ভর না করে শক্তি সরবরাহের ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তনের প্রতিনিধিত্ব করে।

পাওয়ার রিসিভার অ্যারে ডেমো (PRAD) প্রমাণ করেছে যে লেজার-ভিত্তিক শক্তি ভূমি থেকে ভূমি কনফিগারেশনে বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে ঘন অংশের মধ্য দিয়েও নির্ভরযোগ্যভাবে যেতে পারে, যা বাস্তব-বিশ্বের শক্তিশালী নির্ভরযোগ্যতা প্রদর্শন করে।

ড্রোনকে শক্তি প্রদান থেকে শুরু করে জ্বালানি ছাড়াই ক্ষেত্র অপারেশনগুলিকে সমর্থন করা পর্যন্ত সম্ভাব্য অ্যাপ্লিকেশনগুলির সাথে, এই পরীক্ষার সাফল্য পরবর্তী পর্যায়ের জন্য মঞ্চ তৈরি করে। DARPA এখন রিলে এবং উল্লম্ব ট্রান্সমিশন প্রযুক্তি বিকাশে সহায়তা করার জন্য নতুন অংশীদারদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে, যা শক্তি-সরবরাহ উদ্ভাবনে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ইঙ্গিত দেয়।

#প্রযুক্তি #বাংলাদেশ #বিজ্ঞান

❤️👑মায়ের একটি সাধারণ চুমু কেবল আদরের প্রকাশ নয়, এটি মা ও শিশুর মধ্যে এক গভীর বৈজ্ঞানিক এবং বিস্ময়কর সংযোগ তৈরি করে।মায়ের...
21/10/2025

❤️👑মায়ের একটি সাধারণ চুমু কেবল আদরের প্রকাশ নয়, এটি মা ও শিশুর মধ্যে এক গভীর বৈজ্ঞানিক এবং বিস্ময়কর সংযোগ তৈরি করে।

মায়ের মস্তিষ্কে যা ঘটে:
যখন একজন মা তার সন্তানকে চুমু খান, তখন তার মস্তিষ্কের প্লেজার সার্কিট (ডোপামিনার্জিক সিস্টেম) সক্রিয় হয়, যা তাকে আনন্দ এবং পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি দেয়। একই সাথে অক্সিটোসিন, যা “ভালোবাসার হরমোন” নামে পরিচিত, নিঃসৃত হতে থাকে। এই হরমোন মায়ের মনে সন্তানের প্রতি সুরক্ষা এবং মানসিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

শিশুর মস্তিষ্কে যা ঘটে:
মায়ের স্পর্শ ও চুমু শিশুর কর্টিসল (Cortisol) নামক স্ট্রেস বা মানসিক চাপের হরমোনকে কমিয়ে দেয়। ফলে শিশু শান্ত, নিরাপদ এবং সুরক্ষিত বোধ করে।

এই ছোট ছোট স্নেহের মুহূর্তগুলো কেবল অনুভূতি নয়; এগুলো আক্ষরিক অর্থেই শিশুর মস্তিষ্ককে নতুন করে গঠন করে এবং তার মানসিক বিকাশের ভিত্তি তৈরি করে দেয়। ভবিষ্যতে তার বিশ্বাস, আত্মবিশ্বাস এবং ভালোবাসা প্রকাশ করার ক্ষমতা এই মুহূর্তগুলোতেই জন্মায়।

সুতরাং, একটি আন্তরিক চুমু শুধু একটি সাধারণ ভঙ্গি নয়। এটি একই সাথে জীববিজ্ঞান, স্নেহ এবং মানসিক ওষুধ যা আমাদের অস্তিত্বের গভীরে খোদাই হয়ে থাকে।

🔔

#মা #ভালোবাসা #বাংলাদেশ

সেফ এক্সিট (Safe Exit) কি?সেফ এক্সিট (Safe Exit)* বলতে বোঝানো হয়—একটি নিরাপদ প্রস্থান পথ বা পদ্ধতি, যা কোনো ভবন, প্রতিষ্...
11/10/2025

সেফ এক্সিট (Safe Exit) কি?
সেফ এক্সিট (Safe Exit)* বলতে বোঝানো হয়—একটি নিরাপদ প্রস্থান পথ বা পদ্ধতি, যা কোনো ভবন, প্রতিষ্ঠান বা ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি থেকে *দ্রুত ও নিরাপদে বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ* দেয়।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেফ এক্সিটের মানে:
1. ভবনে (Building):
অগ্নিকাণ্ড বা ভূমিকম্পের মতো জরুরি অবস্থায় যাতে মানুষ নিরাপদে বের হতে পারে, তার জন্য নির্ধারিত দরজা বা পথকে Safe Exit বলা হয়।
2. প্রকল্প বা কর্মস্থলে:
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য সম্মানজনক বা পরিকল্পিতভাবে কাজ/প্রকল্প শেষ করে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগকে Safe Exit বলা যেতে পারে।
3. নিরাপত্তা ব্যবস্থা:
নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়লে সঠিক সময়ে, সঠিক পথে বের হওয়ার প্রশিক্ষিত পদ্ধতিও Safe Exit-এর অংশ।
লক্ষ্য:
- জীবন বাঁচানো
- বিশৃঙ্খলা এড়ানো
- জরুরি পরিস্থিতিতে পরিকল্পিত সাড়া দেওয়া
সংক্ষেপে:
Safe Exit = নিরাপদ ও দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার পথ বা কৌশল।

#বাংলাদেশ #সেফএক্সিট #নিরাপদ

সাঁথিয়ায় ‘ছাত্র শিবির’ কর্তৃক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভাং-চুর ও শিক্ষকদের মার-ধরের অভিযোগ #রাজনীতি  #বাংলাদেশ  #পাবনা
17/09/2025

সাঁথিয়ায় ‘ছাত্র শিবির’ কর্তৃক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভাং-চুর ও শিক্ষকদের মার-ধরের অভিযোগ

#রাজনীতি #বাংলাদেশ #পাবনা

🇧🇩🇧🇩🇧🇩💜🕊️সোনার খণ্ড ভেবে আগলে রেখেছিলেন, কিন্তু পাথরটি ছিল পৃথিবীর চেয়েও পুরোনো! 🤯 এক অবিশ্বাস্য আবিষ্কারের গল্প।অস্ট্র...
21/08/2025

🇧🇩🇧🇩🇧🇩💜🕊️সোনার খণ্ড ভেবে আগলে রেখেছিলেন, কিন্তু পাথরটি ছিল পৃথিবীর চেয়েও পুরোনো! 🤯 এক অবিশ্বাস্য আবিষ্কারের গল্প।

অস্ট্রেলিয়ার এক স্বর্ণ সন্ধানী বছরের পর বছর ধরে ১৭ কেজি ওজনের এক অদ্ভুত লালচে পাথর আগলে রেখেছিলেন। তার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, এর ভেতরেই লুকিয়ে আছে বিশাল এক সোনার খণ্ড! পাথরটি এতটাই শক্ত ছিল যে কোনোভাবেই তা ভাঙা যাচ্ছিল না।

অবশেষে, কৌতূহলবশত তিনি পাথরটি মেলবোর্ন মিউজিয়ামের বিশেষজ্ঞদের কাছে নিয়ে যান। আর সেখানেই তিনি এমন কিছু জানতে পারেন, যা তার ধারণাই পাল্টে দেয়। এটি কোনো সোনার খণ্ড নয়, এমনকি পৃথিবীর কোনো পাথরও নয়!

এটি ছিল ৪৬০ কোটি বছরের পুরোনো এক উল্কাপিণ্ড—আমাদের সৌরজগতের জন্মলগ্নের এক টুকরো, যা পৃথিবীর চেয়েও প্রাচীন! বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এটি মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝের গ্রহাণু বেষ্টনী (asteroid belt) থেকে ছিটকে এসে হাজার হাজার বছর আগে অস্ট্রেলিয়ায় পড়েছিল। ☄️

এই উল্কাপিণ্ডটি সোনার চেয়েও অনেক বেশি মূল্যবান—শুধু অর্থের দিক থেকে নয়, বিজ্ঞানের কাছেও। এই ধরনের পাথরগুলো একেকটি টাইম ক্যাপসুল, যা থেকে গ্রহদের গঠন এবং প্রাণের উৎস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।

লোকটির 'সোনার' সন্ধান শেষ হয়েছিল এক অবিশ্বাস্য প্রাপ্তি দিয়ে। তিনি যা পেয়েছিলেন, তা তার কল্পনার চেয়েও দুর্লভ, প্রাচীন এবং মূল্যবান ছিল। কারণ, সেরা সম্পদ সবসময় চকচক করে না—কিছু সম্পদ আকাশ থেকেও ঝরে পড়ে।
#ইতিহাস #বিজ্ঞান #জানাঅজানা

🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩 বাংলাদেশ মূলত গঠিত হয়েছে হিমালয় থেকে বয়ে আসা নদীগুলোর মাধ্যমে বয়ে আনা পলিমাটি জমে, যা একটি বিশাল বদ্বীপ গঠন ক...
25/07/2025

🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩 বাংলাদেশ মূলত গঠিত হয়েছে হিমালয় থেকে বয়ে আসা নদীগুলোর মাধ্যমে বয়ে আনা পলিমাটি জমে, যা একটি বিশাল বদ্বীপ গঠন করেছে। এই নদীগুলো হলো গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, এবং মেঘনা।
আসলে, প্রায় ৫ কোটি বছর আগে এই এলাকাটি সমুদ্রের নিচে ছিল। সময়ের সাথে সাথে, হিমালয় থেকে বয়ে আসা নদীগুলো পলিমাটি এনে এখানে জমা করতে থাকে এবং ধীরে ধীরে ভূমি গঠিত হতে শুরু করে। এই পলি জমার কারণেই আজকের বাংলাদেশ একটি উর্বর বদ্বীপ হিসেবে গড়ে উঠেছে।
সুতরাং, হিমালয় বাংলাদেশের ভূখণ্ডের জন্মদাতা না হলেও, এর উৎপত্তিতে হিমালয় থেকে বয়ে আসা নদীগুলোর অবদান অনস্বীকার্য। হিমালয় থেকে উৎপন্ন নদীগুলোই পলিমাটি এনে বাংলাদেশের ভূমি তৈরি করেছে।

#মঙ্গলালোক #ইতিহাস #বাংলাদেশ

🇧🇩🇧🇩🇧🇩 ধেঁয়ে আসছে দেশের দিকে প্রবল মৌসুমি বৃষ্টি বলয় " ধারা। [অলরেডি শুরু]নোট : বলে রাখা ভালো, বৃষ্টি বলয় ধারা অলরেডি দে...
23/07/2025

🇧🇩🇧🇩🇧🇩 ধেঁয়ে আসছে দেশের দিকে প্রবল মৌসুমি বৃষ্টি বলয় " ধারা। [অলরেডি শুরু]

নোট : বলে রাখা ভালো, বৃষ্টি বলয় ধারা অলরেডি দেশের মধ্য ও দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় হতে শুরু করেছে। এটি আগামী ২৪-৩৬ ঘণ্টার মধ্যে দেশের ৬০-৭০% এলাকায় প্রথম ধাপে সক্রিয় হতে পারে। এরপর ২৬ তারিখে দক্ষিণাঞ্চল ব্যতীত বাকি এলাকায় বৃষ্টি অনেকটা কম থাকতে পারে। এরপর ২৬ তারিখ রাত থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘন্টায় বৃষ্টি বলায় ধারা পর্যায়ক্রমে দেশব্যাপী সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।

এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বৃষ্টি বলয়, মানে এই বৃষ্টি বলয়ে দেশের সকল এলাকায় যথেষ্ট বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এবং এই বৃষ্টি বলয় টি দেশের ১০০ শতাংশ এলাকায় কমবেশি বৃষ্টি হতে পারে।

এটি চলতি বছরের ৯ তম বৃষ্টি বলয় ও ৫ম মৌসূমী বৃষ্টি বলয়, যা আজ ২৪ শে জুলাই চট্টগ্রাম বিভাগ হয়ে দেশের প্রবেশ করেছে ও ২ রা অগাস্ট রংপুর হয়ে দেশ ত্যাগ করতে পারে।

সর্বাধিক সক্রিয়ঃ চট্টগ্রাম,,বরিশাল ও খুলনা বিভাগ
বেশ সক্রিয় : ঢাকা, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগ
মাঝারি সক্রিয় : রংপুর বিভাগ

নাম : প্রবল বৃষ্টি বলয় ধারা
টাইপ : পূর্ণাঙ্গ বৃষ্টি বলয়।

কাভারেজ : দেশের প্রায় ১০০ শতাংশ এলাকা।
ধরন : মৌসূমী বৃষ্টি বলয়
সময়কাল : ২৪ শে জুলাই হতে ১লা অগাস্ট পর্যন্ত।
সর্বাধিক সক্রিয়: ২৪-২৫ শে জুলাই দেশের ৬০-৭০% এলাকায় ও ২৭ শে জুলাই হতে ১লা অগাস্ট পর্যায়ক্রমে দক্ষিন হতে উত্তরাঞ্চলে।

কালবৈশাখী : নেই
বজ্রপাত : অপেক্ষাকৃত কম [শুরুতে বেশি]
বন্যা : আছে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বন্যা প্রবণ নিচু এলাকায়।

একটানা বর্ষন : আছে
সিস্টেম : ১/২টি মৌসূমী সিস্টেম আছে।
ঝড় : এই বৃষ্টি বলয়ে দেশের উপর বড় কোন ঝড়ের সম্ভাবনা নেই তবে উপকূলীয় এলাকায় লঘুচাপ বা নিম্নচাপের কারণে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

সাগর : বেশিরভাগ সময়েই কিছুটা উত্তাল থাকতে পারে সামুদ্রিক সিস্টেম ও বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে।

পাহাড় ধসঃ এসময় চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকাতে পাহাড় ধ্বসের বেশ আশঙ্কা রয়েছে।

নোট : বৃষ্টিবলয় "ধারা" চলাকালীন সময়ে দেশের আকাশ অধিকাংশ এলাকায় আংশিক থেকে মূলত মেঘলা থাকতে পারে। ও অধিক সক্রিয় এলাকায় মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে।
বৃষ্টি বলয় "ধারায়" অধিকাংশ বৃষ্টিপাত হতেপারে একটানা ও দীর্ঘস্থায়ী।

*এই বৃষ্টি বলয় চলাকালীন সময়ে দেশের প্রায় ৮০-৯০% এলাকায় পানি সেচের চাহিদা পুরন হতে পারে।

বৃষ্টিবলয় ধারা চলাকালীন সময়ে দেশের আবহাওয়া অধিকাংশ এলাকায় আরামদায়ক থাকতে পারে, তবে বৃষ্টি বিরতির সময় অল্প কিছুটা ভ্যপসা গরম পড়তে পারে কিছু কিছু এলাকায়।
তবে ২৪ শে জুলাই হতে ২৬ শে জুলাইয় পর্যন্ত দেশের মধ্য ও উত্তর অঞ্চলে মাঝে মাঝে ভ্যাপসা গরম পড়তে পারে।

ধারা চলাকালীন সময়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর অধিকাংশ সময়েই সামুদ্রিক সিস্টেম ও বায়ুচাপের তারতম্যের কারনে কিছুটা উত্তাল থাকতে পারে।
"ধারা" চলাকালীন সময়ে বেশি সক্রিয় স্থানে রোদের উপস্থিতি তেমন পাওয়া যাবেনা ইনশাআল্লাহ।

মেঘের অভিমুখ: শুরুতে দক্ষিণ-পূর্ব থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে। তারপর এরপর অধিকাংশ এলাকায় দক্ষিণ হতে উত্তর দিকে। তবে মাঝে মাঝে বিভিন্ন এলাকায় গতিপথ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। যেমন, উপকূলে দক্ষিণ পশ্চিম হতে উত্তর পূর্ব দিকে এবং উত্তরাঞ্চলে দক্ষিণ পূর্ব থেকে উত্তর পশ্চিম দিকে।

বজ্রপাতঃ এই বৃষ্টি বলয়ে দেশের অধিকাংশ এলাকায় শুরুতে বেশ বজ্রপাত হতে পারে। এবং পরবর্তীতে বৃষ্টি বলয় দেশে বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠার সাথে সাথে বজ্রপাত কমে যেতে পারে। শুরুতে বজ্রপাত বেশি হলেও, বৃষ্টি বলয়ের অনেকাংশে বজ্রপাত মুক্ত থাকতে পারে।

আসুন একনজরে দেখেনেই বৃষ্টি বলয় ধারা এ চলাকালীন সময়ে দেশের কোন বিভাগে গড়ে কত মিলিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। ও বৃষ্টি বলয়ের ১০ দিনে কোন বিভাগে গড়ে কত দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।

ঢাকা ২১৫-২৫০ মিলিমিটার, গড়ে ৫দিন
খুলনা ৩২০-৩৫০ মিলিমিটার গড়ে ৮ দিন
বরিশাল ২৫০-৩৫০ মিলিমিটার গড়ে ৮ দিন
সিলেট ২৭০-৩০০ মিলিমিটার গড়ে ৬ দিন
ময়মনসিংহ ২১৩-২৪০ মিলিমিটার গড়ে ৫ দিন
রাজশাহী ১৭৫-২০০ মিলিমিটার গড়ে ৫ দিন
রংপুর ১৪৫-১৭০ মিলিমিটার গড়ে ৪ দিন
চট্টগ্রাম ৩৫৫-৫৫০ মিলিমিটার গড়ে ৮ দিন।

আসুন একনজরে দেখে নেই, বৃষ্টি বলয় ধারায় চলাকালীন সময়ে আপনার জেলায় গড়ে কত মিলিমিটার বৃষ্টি হতেপারে।
জেলার নাম। বৃষ্টির পরিমান (মিমি)

বরিশাল বিভাগ
==========
বরিশাল ৩০০
ভোলা উত্তর ৩৫০
ভোলা দক্ষিণ ৪০০
বরগুনা ৪০০
ঝালকাঠি ৩২০
পটুয়াখালী উত্তর ৩৫০
পটুয়াখালী দক্ষিণ ৩৬০
পিরোজপুর ৩৫০
---------------------------
চট্টগ্রাম বিভাগ
==========
বান্দরবান উত্তর ৩৫০
বান্দরবান দক্ষিণ ৪৫০
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০
চাঁদপুর ৩০০
চট্টগ্রাম উত্তর ৪০০
চট্টগ্রাম দক্ষিণ ৪৬০
কুমিল্লা উত্তর ২৬০
কুমিল্লা দক্ষিণ ৩০০
কক্সবাজার উত্তর ৫০০
কক্সবাজার দক্ষিণ ৫৫০
ফেনী ৪০০
খাগড়াছড়ি উত্তর ২৫০
খাগড়াছড়ি দক্ষিণ ২৮০
লক্ষ্মীপুর ৩৬৫
নোয়াখালী উত্তর ৩৬০
নোয়াখালী দক্ষিণ ৪০০
রাঙামাটি উত্তর ২৫০
রাঙামাটি দক্ষিণ ৩০০
---------------------------
ঢাকা বিভাগ
===========
ঢাকা ২০০
ফরিদপুর ২৫০
গাজীপুর ২১০
গোপালগঞ্জ ২৮৫
মাদারীপুর ২৫০
মানিকগঞ্জ ১৯০
মুন্সীগঞ্জ ২০৫
নারায়ণগঞ্জ ২০০
নরসিংদী ২০০
রাজবাড়ী ২৪০
শরীয়তপুর ২৪০
টাঙ্গাইল ২০০
কিশোরগঞ্জ ২০০
--------------------
ময়মনসিংহ বিভাগ
=============
জামালপুর ১৬৫
ময়মনসিংহ উত্তর ২৫০
ময়মনসিংহ দক্ষিণ ২২০
নেত্রকোনা ২৫০
শেরপুর ১৬০
---------------------------
খুলনা বিভাগ
============
বাগেরহাট উত্তর ৩৪০
বাগেরহাট দক্ষিণ ৪০০
চুয়াডাঙ্গা ২৭৫
যশোর ২৮০
ঝিনাইদহ ২৭৭
খুলনা উত্তর ৩৫০
খুলনা দক্ষিণ ৪০০
কুষ্টিয়া ২৫০
মাগুরা ২৮০
মেহেরপুর ২৬০
নড়াইল ২৯০
সাতক্ষীরা উত্তর ৩৫০
সাতক্ষীরা দক্ষিণ ৪০০
---------------------------
রাজশাহী বিভাগ
============
বগুড়া ১৬৫
জয়পুরহাট ১৫০
নওগাঁ ১৭০
নাটোর ১৮৫
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১৭৫
পাবনা ২০০
রাজশাহী ১৭০
সিরাজগঞ্জ ১৯৫
---------------------------
রংপুর বিভাগ
=============
দিনাজপুর ১০০
গাইবান্ধা ১২০
কুড়িগ্রাম ১৫০
লালমনিরহাট ১৯০
নীলফামারী ১৮৫
পঞ্চগড় ২০০
রংপুর ১০০
ঠাকুরগাঁও ১৩০
---------------------------
সিলেট বিভাগ
============
হবিগঞ্জ ২২০
মৌলভীবাজার ২৪০
সুনামগঞ্জ ৩০০
সিলেট ৩২০
---------------------------
পশ্চিমবঙ্গ
==========
উত্তর ২৪ পরগনা ২৮৫
দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৩৫০
দক্ষিণ মধ্য বাংলা ৩০০
কলকাতা ৩১০
দীঘা ২৭০
পশ্চিম মেদিনীপুর ২৮৫
বাঁকুড়া ৩৫০
পুরুলিয়া ৩০০
পূর্ব বর্ধমান ৩১০
আসানসোল ৩৮৫
বহরমপুর ২৪০
মালদা ১৪০
রায়গঞ্জ ১১০
ইসলামপুর ১৪০
শিলিগুড়ি ২২০
দার্জিলিং ২৫০
জলপাইগুড়ি ২২০
কোচবিহার ২২০
---------------------------
ওড়িশা
==========
উত্তর ওড়িশা ২০০
পূর্ব-মধ্য ওড়িশা ১০০
---------------------------
ঝাড়খণ্ড
==========
উত্তর ঝাড়খণ্ড ২৫০
দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড ২০০
জামশেদপুর ৩০০
রাঁচি ২৮৫
দুমকা ২৫০
---------------------------
বিহার
========
দক্ষিণ বিহার ২০০
পূর্ব বিহার ১১৫
উত্তর বিহার ১০০
---------------------------
নেপাল
উচ্চ নেপাল ২০০
পূর্ব নেপাল ১৮০
---------------------------
ভুটান
পশ্চিম ভুটান ১০০
মধ্য ভুটান ১০৫
পূর্ব ভুটান ১১০
---------------------------
আসাম
পশ্চিম আসাম ২২০
মধ্য আসাম ১৪০
পূর্ব আসাম ১৭৫
দক্ষিণ আসাম ২২০
---------------------------
অন্যান্য
===========
চেরাপুঞ্জি ৪৫০
মধ্য মেঘালয় ১৫০
দক্ষিণ পশ্চিম অরুণাচল ২০০
মধ্য ত্রিপুরা ৩৪০
ত্রিপুরা-মিজোরাম সীমান্ত ২৫০
মণিপুর ১৫০
নাগাল্যান্ড ১৬০
উত্তর মিজোরাম ২০০
দক্ষিণ মিজোরাম ২৮০
-----------------------
মিয়ানমার
===========
উত্তর চীন ২০০
দক্ষিণ চীন ৩০০
সাগাইং ১০০
উত্তর রাখাইন ৬৫০
মধ্য মাগোয়ে ৮৫
---------------------------
*এখানে দেওয়া বৃষ্টির পরিমান একটা গড় ধারনা মাত্র, স্থানভেদে এর পরিমান কিছুটা হেরফের হতেপারে। ও দেশের কোন কোন ক্ষুদ্র এলাকায় কিছুটা বেশি বৃষ্টি হতে পারে ও কোন ক্ষুদ্র স্থানে বৃষ্টি অনেক কম হতে পারে।
নোট : প্রাকৃতিক কারনে বৃষ্টি বলয় ধারা এর সময়সূচি কিছুটা পরিবর্তন ও এর শক্তি কিছুটা হ্রাস, বৃদ্ধি বা বিলুপ্ত হতেপারে।

সূত্র : Bangladesh Weather Observation Team- BWOT

#মঙ্গলালোক #আবহাওয়া

🇧🇩🇧🇩🇧🇩 অনেক চিকিৎসাবিদদের মতে আ'গুনে পু'ড়ে যাওয়া মৃ'ত্যু মানুষের জন্য সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতার একটি। এর গভীরতা ...
22/07/2025

🇧🇩🇧🇩🇧🇩 অনেক চিকিৎসাবিদদের মতে আ'গুনে পু'ড়ে যাওয়া মৃ'ত্যু মানুষের জন্য সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতার একটি। এর গভীরতা বোঝা যায় তখনই, যখন আ'গুনের তাপে ত্বকের একের পর এক স্তর, মাং'সপেশি এবং স্নায়ু কোষ ক্ষতি'গ্রস্থ হতে থাকে। সম্পূর্ণভাবে জ্ঞান হারা'নোর আগ পর্যন্ত এই যন্ত্রণা অনুভব করতে থাকে। তবে একটা সময় পর আর এই ব্যথার অনুভূতি থাকে না কারণ স্নায়ুর সঞ্চালন ক্ষমতা আ'গুনে পো'ড়ার কারণে নষ্ট হয়।
আ'গুনে পো'ড়ার ধরন সাধারণত চারটি স্তরে ভাগ করা হয়। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ডিগ্রি বার্ন। প্রথম ডিগ্রি বা'র্ন এর ক্ষেত্রে কেবল ত্বকের উপরিভাগ অর্থাৎ এপিডার্মিস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে চামড়ায় একটুখানি লালচে ভাব এবং হালকা ব্যথা অনুভূত হয়। তবে এটা সাধারণত দ্রুত সেরে যায়। এই অভিজ্ঞতা মোটামুটি সবারই আছে। আর দ্বিতীয় ডিগ্রি বা'র্নে আ'গুন ত্বকের নিচের স্তর ডার্মিস অবধি পৌঁছায়। এসময় ফোসকা পড়ে, প্রচণ্ড জ্বা'লা হয়। কারণ এই স্তরে তখনো স্নায়ু সক্রিয় থাকে।

ভয়াবহতা শুরু হয় তৃতীয় ডিগ্রি বা'র্ন থেকে। এই পর্যায়ে ত্বকের এপিডার্মিস ও ডার্মিস উভয় স্তরই পু'ড়ে যায়। অনেক সময় নিচের চর্বিও ক্ষতি'গ্রস্ত হয়। আক্রান্ত অংশ দেখতে কখনো সাদা, বাদামি বা কালো রঙের হয়। কিন্তু অদ্ভুতভাবে এই ধাপে অনেক রোগী ব্যথা টের পাননা, কারণ সংবেদন রিসেপ্টরগুলোও পু'ড়ে গিয়ে নি'স্ক্রিয় হয়ে পড়ে। ফলে শরীর ব্য'থার সংকেত মস্তিষ্কে পাঠাতে পারে না।

সবচেয়ে মারাত্মক হলো চতুর্থ ডিগ্রি বা'র্ন। তখন আ'গুন ত্ব'ক ছাড়িয়ে গিয়ে পেশি, টেন্ডন এমনকি হাড় পর্যন্ত পৌঁছায়। পোড়া অংশটা তখন অনেকটা কালচে, কাঠকয়লার মতো হয়ে যায়। এই অবস্থায় সেই জায়গায় কোনো অনুভূতি আর থাকে না। এমনকি র''ক্ত চলা'চলও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

পাশাপাশি আ'গুনে পো'ড়ার ফলে শরীর থেকে বিপুল পরিমাণে তরল বেরিয়ে যায়। ফলে পানিশূন্যতা দেখা দেয়, রক্তচাপ কমে যায় এবং কি'ডনি কাজ ব'ন্ধ করে দিতে পারে। এই অবস্থাকে বা'র্ন শক বলা হয় যা জীব'নহানির বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তৃতীয় ও চতুর্থ ডিগ্রির বা'র্নে মৃ'ত্যুর ঝুঁকি অনেক বেশি। তবে সেটা নির্ভর করে পো'ড়ার স্থান, মাত্রা, রোগীর বয়স এবং কত দ্রুত চিকিৎসা শুরু হয়েছে তার ওপর। অনেকেই বিশাল ক্ষয়'ক্ষতির মধ্যেও বেঁচে ফেরেন শুধুমাত্র দ্রুত এবং সঠিক চিকিৎসার জন্য।

ত্বক আমাদের শরীরের সবচেয়ে বড় প্রহরী। কিন্তু আ'গুনে পু'ড়ে যাওয়ার পর এই প্রাকৃতিক সুরক্ষা স্তর ভেঙে যায়। ফলে ইনফে'কশনের ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়। ব্যাকটেরিয়া সহজেই শরীরে ঢুকে পড়ে এবং গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

যারা বড় ধরনের বা'র্ন সারভাইভর, তাদের অনেকেই পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রে'সে ভোগেন। আয়নায় নিজেকে দেখা, সমাজের দৃষ্টি'ভঙ্গি সবকিছু মিলিয়ে মানসি'কভাবে ভেঙে পড়েন অনেকে। তাই বা'র্ন ট্রিটমেন্টে শুধু ওষুধ বা অ'স্ত্রোপ'চার নয়, মানসিক সহায়তাও জরুরি।

#বিজ্ঞান #মঙ্গলালোক

আমরা যে চুলায় রান্না করি তার তাপমাত্রা বড়জোর হয় ৩০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১০০ ডিগ্রিতেই পানি ফুটতে শুরু করে। একটা জেট যখন ক্র...
22/07/2025

আমরা যে চুলায় রান্না করি তার তাপমাত্রা বড়জোর হয় ৩০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১০০ ডিগ্রিতেই পানি ফুটতে শুরু করে।

একটা জেট যখন ক্র্যাশ করে, তখন এর আগুনের তাপমাত্রা কত থাকে জানেন?

প্রায় ১০০০ থেকে ১৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস...

কল্পনা করা যায়, এই আগুনে পুড়ে যাওয়ার যন্ত্রণাটা কতটা ভয়াবহ হতে পারে?

এরকম নির্মমভাবে পুড়ে যাওয়া বাচ্চাগুলো আমাদের ক্ষমা করবে না যদি এমন ঘটনা আবার ঘটার পথ বন্ধ না করেন।

দুর্ঘটনার সম্ভাব্য বিমান গুলো আলাদা করে, সেগুলো এলিমিনেট করুন।
#প্রযুক্তি #বিজ্ঞান

অদৃশ্যকরণ প্রযুক্তি: আলো, তাপ আর শব্দ লুকানোর বিজ্ঞানবিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা এমন প্রযুক্তি বানানোর চেষ্টা করছেন যা আমাদের ...
23/06/2025

অদৃশ্যকরণ প্রযুক্তি: আলো, তাপ আর শব্দ লুকানোর বিজ্ঞান

বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা এমন প্রযুক্তি বানানোর চেষ্টা করছেন যা আমাদের দৃষ্টির আড়ালে রাখবে। কিন্তু আসলেই কি আমরা অদৃশ্য হওয়ার কাছাকাছি চলে এসেছি?

অদৃশ্য হওয়ার ইচ্ছা অনেক পুরোনো। শিকারি আর সৈনিকরা শত শত বছর ধরে নিজেদের লুকাতে নানা রকম কৌশল ব্যবহার করে আসছেন, কিন্তু এখন বিজ্ঞানীরা সত্যিকার অর্থে কিছু জিনিস অদৃশ্য করার কাছাকাছি চলে এসেছেন। আজকের আধুনিক স্টেলথ টেকনোলজি শুধু প্লেনকে রাডার থেকে আড়াল করতেই পারে না, বরং ইনফ্রারেড ক্যামেরায় দেখা যাওয়া তাপের চিহ্নও লুকিয়ে ফেলতে পারে, এমনকি শব্দও গোপন করতে পারে। তাহলে অদৃশ্য হওয়ার প্রযুক্তি কতটা কাছাকাছি?

অদৃশ্য করার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি

আমরা কোনো বস্তু দেখি, কারণ আলো যখন ওই বস্তুতে পড়ে, তখন সেটা কিছুটা শোষিত হয় আর কিছুটা প্রতিফলিত হয়। কিন্তু কাচের মত স্বচ্ছ জিনিস আলোকে প্রায় বিনা বাধায় পার হতে দেয়। কিন্তু যদি কোনো অস্বচ্ছ বস্তুকে লুকাতে হয়, তাহলে আলোকে ওই বস্তু ঘিরে ঘুরিয়ে নিয়ে যেতে হবে, যেন মনে হয় ওখানে কিছু নেই!

২০০৬ সালে ডিউক ইউনিভার্সিটির ইঞ্জিনিয়াররা প্রথম এক ধরনের ক্লোকিং ডিভাইস (Cloaking Device) তৈরি করেন। এটি এক ধরনের তামার সিলিন্ডার, যেটিকে মাইক্রোওয়েভ দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছিল, যাতে তা মাইক্রোওয়েভ ডিটেক্টরের কাছে অদৃশ্য মনে হয়। এই ডিভাইসটি বানানো হয়েছিল মেটাম্যাটেরিয়াল দিয়ে—এটি এমন এক ধরনের বিশেষ কাঠামো যেটা ত্রিমাত্রিক ভাবে বার বার এক রকম প্যাটার্নে সাজানো হয়। এর ফলে এটি কিছু অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য পায়।

তবে এই ক্লোক শুধু মাইক্রোওয়েভে কাজ করত—যেটা তুলনামূলকভাবে অনেক বড় তরঙ্গ। কিন্তু দৃশ্যমান আলোতে (যেটার তরঙ্গ অনেক ছোট) অদৃশ্য হওয়া অনেক কঠিন। কারণ একদিকে ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম ইফেক্ট চলে আসে, অন্যদিকে সব রঙের আলোকে একসাথে ঘুরিয়ে দেওয়া ভীষণ কঠিন কাজ। আর একটি বড় সমস্যাও ছিল—এই ক্লোকটি কেবল ছোট একটি বস্তুর জন্য কাজ করত, মানুষের মত বড় কিছুর জন্য নয়।

মেটালেন্স: আলোকে নিখুঁতভাবে নিয়ন্ত্রণ

২০১৮ সালে হার্ভার্ড ও কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওয়াটারলু’র গবেষকরা একটি অত্যাধুনিক ডিভাইস তৈরি করেন, যেটি মেটালেন্স (metalens) নামে পরিচিত। মেটালেন্স মূলত একধরনের অতি পাতলা ও চ্যাপ্টা লেন্স, যা দেখতে প্রায় কাচের পাতলা চাকতির মত, কিন্তু তার কাজ অনেক বেশি জটিল।

এই লেন্সের পৃষ্ঠে বসানো থাকে ন্যানোফিন (nanofin)—মানে, অতিক্ষুদ্র "পাখার মত" গঠন। প্রতিটি ন্যানোফিনের আকার এতটাই ছোট যে একটির প্রস্থ একটি চুলের প্রস্থের হাজার ভাগের এক ভাগের চেয়েও কম। এই ন্যানোফিনগুলি বিশেষভাবে সাজানো থাকে, যেন তারা আলোকে নির্দিষ্টভাবে বাঁকাতে পারে।

আমরা জানি, কোনো বস্তু দেখতে হলে আলো সেই বস্তু থেকে আমাদের চোখে পৌঁছায়। আর আলো এক ধরনের তরঙ্গ, যার বিভিন্ন রঙের জন্য তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্ন হয়। কিন্তু সাধারণ লেন্স সব রঙের আলোকে সমানভাবে বাঁকাতে সক্ষম না, ফলে বিভ্রান্তি তৈরি হয় (যেমন, রঙ বিকৃতি বা ফোকাসের সমস্যা)।

মেটালেন্সের ন্যানোফিনগুলি এই সমস্যার সমাধান করে। এগুলি এমনভাবে কাজ করে যে, একাধিক রঙ বা তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোও সঠিকভাবে বাঁকানো যায়—একই পয়েন্টে ফোকাস করা যায়। ফলে, এটি অনেক বেশি নিখুঁতভাবে আলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

এই কারণে, মেটালেন্স স্টেলথ প্রযুক্তিতে আলোকে ঘুরিয়ে দিয়ে বস্তুকে "অদৃশ্য" করার পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়।

তবে এই প্রযুক্তি এখনও উন্নয়নের পর্যায়ে। মেটালেন্স দিয়ে দৃশ্যমান আলো নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও, এখনও এমন একটি ক্লোক তৈরি হয়নি, যেটা পরে মানুষ হেঁটে বেড়াতে পারে—কারণ এটি এখনও ছোট আকারের বস্তুর জন্যই কার্যকর।

ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটার-এর থিওরেটিক্যাল ফিজিক্সের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সাইমন হর্সলি বলেন, “সবাই চায় এমন একটা ক্লোক যা গায়ে পরা যাবে… কিন্তু ওগুলিকে নরম ও নমনীয় করা এখনও সম্ভব হয়নি।”

তিনি আরো বলেন, “এখনকার ক্লোক বলতে আপনি যা বুঝবেন, সেটা অনেকটা একটা সিলিন্ডার যেটা নিজের চারপাশে পরতে হয়। কিন্তু আপনি যদি এমন কিছু চান যেটা পরে ঘুরে বেড়াতে পারবেন, সেটা একদম ভিন্ন ডিজাইনের ব্যাপার।”

রাডার থেকে লুকাতে স্টেলথ বিমানের কৌশল

যদিও আমরা এখনও এমন কোনো জিনিস বানাতে পারিনি যা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যায়, তবুও কিছু প্রযুক্তি ইতিমধ্যেই এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে জিনিসগুলি অন্য তরঙ্গদৈর্ঘ্যে কার্যত অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে। যেমন—স্টেলথ জেট। এসব জেট এমনভাবে বানানো হয় যেন রাডারে ধরা না পড়ে।

রাডার আসলে একটা রেডিও তরঙ্গ পাঠায়, তারপর দেখে সেটি কোনো কিছুর গায়ে লেগে ফেরত আসে কিনা। যদি ফেরে, তাহলে সেই সময় আর দিক দেখে বোঝা যায় ওই বস্তুটা কোথায় আছে। বিমান সাধারণত ধাতবে তৈরি, তাই এগুলি রাডার তরঙ্গ খুব ভালভাবে প্রতিফলিত করে—যার মানে হল, রাডার সহজেই এগুলিকে ধরতে পারে।

তবে দুটি জিনিস আছে যা প্লেনকে রাডার থেকে লুকাতে সাহায্য করে: প্রথমত, প্লেনের গঠন বা আকার। বিমানগুলি যদি গোল-গোল হয় (যেমন যাত্রীবাহী প্লেন), তাহলে যে দিকেই রাডার তরঙ্গ আসুক, তা কিছুটা ফেরত যাবেই। কিন্তু স্টেলথ প্লেনগুলি একদম বিপরীত—এসবের পৃষ্ঠ একেবারে চ্যাপ্টা, ধারালো কোণযুক্ত। এতে রাডার তরঙ্গগুলি এমনভাবে প্রতিফলিত হয় যে, তারা রাডারের উৎসে আর ফিরে যায় না—ফলে রাডারে ধরা পড়ে না।

দ্বিতীয়ত, বিমান তৈরির উপাদান। বিমান যদি ধাতব বা কার্বন ফাইবার দিয়ে তৈরি হয়, তাহলে সেটি রাডার তরঙ্গ খুব সহজে প্রতিফলিত করবে। তাই রাডার-প্রুফ করতে গেলে এমন উপাদান ব্যবহার করতে হয় যেগুলি বিদ্যুৎ পরিবাহক না। আর যদি ধাতব ব্যবহার করতেই হয়, তাহলে বিমানের গায়ে এমন এক ধরনের পেইন্ট ব্যবহার করা হয়, যা রাডার তরঙ্গ শোষণ করে।

এরকম একটি রাডার শোষণকারী পেইন্টের নাম ‘iron ball paint’। এতে থাকে ছোট ছোট আয়রন বল, যেগুলির তরঙ্গ কম্পন রাডারের মতই। রাডার সিগনাল প্লেনের গায়ে লাগলেই, এই ছোট ছোট বলগুলি কম্পিত হয়ে সেই শক্তিকে তাপে রূপান্তর করে চারপাশে ছড়িয়ে দেয়। ফলে, রাডার যখন ফিরে আসা তরঙ্গ খুঁজছে, তখন কিছুই খুঁজে পায় না—প্লেন কার্যত অদৃশ্য হয়ে যায়। অনেক সময় এমন হয় যে, প্লেনকে দেখে মনে হয় কোনো পাখি উড়ছে!

তবে এসব প্রযুক্তি নির্দিষ্ট কিছু তরঙ্গদৈর্ঘ্যের জন্যই কাজ করে। আর আজকের আধুনিক রাডার কম্পিউটারগুলি এতটাই শক্তিশালী হয়ে গেছে যে, বিমান লুকিয়ে থাকলেও তারা সেগুলি চিনে ফেলতে পারে।

শুধু রাডার নয়, স্টেলথ বিমানগুলিকে দৃশ্যমান আলো থেকেও লুকাতে হয়। এ জন্য এসব বিমান সাধারণত কালো রঙে রঙ করা হয় এবং রাতের বেলায় ওড়ানো হয়। এমনকি প্লেনগুলি এমন উচ্চতায় চালানো হয়, যেখানে কনডেনসেশন ট্রেইল (বিমানের পেছনে সাদা রেখা) কম তৈরি হয়। কারণ এটাও অনেক দূর থেকে দেখা যায়।

আরেকটি সমস্যা হল তাপ। বিমানের ইঞ্জিন থেকে প্রচণ্ড উত্তাপ বের হয়, যেটা ইনফ্রারেড ক্যামেরায় সহজেই ধরা পড়ে। তাপ গোপন করতে কিছু বিমান ঠাণ্ডা বাইরের বাতাস ইঞ্জিনের গরম এক্সহস্টে মিশিয়ে দেয়। কেউ কেউ সরু-আকৃতির পাইপ ব্যবহার করে, যাতে গরম বাতাস বেশি ছড়িয়ে যায়। আবার কিছু বিমান এমনভাবে ডিজাইন করা হয়, যাতে এক্সহস্ট উপরের দিকে বের হয়—নিচ থেকে কেউ দেখতে না পায়।

নতুন প্রজন্মের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক মেটাসারফেস নামের প্রযুক্তি এসেছে, যা আরও ভালভাবে রাডার বা আলোকে ঘুরিয়ে দিতে পারে। কিন্তু চ্যালেঞ্জ হল—সব রকম তরঙ্গদৈর্ঘ্যে একসাথে লুকানো এখনও সম্ভব হয়নি।

তাপ গোপন করার কৌশল

যুদ্ধে বা গোপন মিশনে সৈনিকদের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হল ইনফ্রারেড (IR) ক্যামেরা থেকে লুকানো। কারণ মানুষের শরীর স্বাভাবিকভাবেই প্রায় ২০০ ওয়াট তাপ বিকিরণ করে, যা প্রায় তিনটা ঘরের লাইটবাল্বের সমান। আর এই তাপ সহজেই ইনফ্রারেড ক্যামেরায় ধরা পড়ে।

একটা সহজ, সস্তা উপায় হল অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল কম্বল ব্যবহার করা। এই ধরনের কম্বলকে "ইমারজেন্সি ব্ল্যাঙ্কেট" বা "স্পেস কম্বল"ও বলা হয়। এর চকচকে ধাতব পৃষ্ঠ তাপ বের হতে দেয় না।

এর পেছনে রয়েছে একটি বৈজ্ঞানিক ধারণা—ইমিসিভিটি (emissivity)। সহজভাবে বললে, ইমিসিভিটি হল কোনো বস্তু কতটা সহজে তাপ বিকিরণ করে সেটা মাপার একটি মান। একে ০ থেকে ১ পর্যন্ত স্কেলে মাপা হয়। যেখানে ১ মানে সেই বস্তু খুব সহজেই তাপ বিকিরণ করে (যেমন মানুষের ত্বক বা কাপড়), আর ০ মানে তাপ প্রায় বের হয় না (যেমন চকচকে ধাতু)।

অ্যালুমিনিয়ামের ইমিসিভিটি প্রায় ০.০৩ থেকে ০.০৫—মানে প্রায় শূন্যের কাছাকাছি। তাই এই ফয়েল কম্বল শরীরের তাপ বাইরে বের হতে দেয় না। এর ফলে ইনফ্রারেড (IR) ক্যামেরা বুঝতেই পারে না যে ভেতরে কেউ আছে—কারণ তাপের চিহ্ন দেখা যায় না।

কিন্তু সমস্যা হল, শরীরের তাপ যেহেতু বাইরে বের হতে পারছে না, সেটা ভেতরেই জমা হতে থাকে। কিছুক্ষণ পর এই অতিরিক্ত তাপ পুরো কম্বল গরম করে ফেলে। তখন পুরো কম্বলটাই ইনফ্রারেড ক্যামেরায় গরম বস্তু হিসেবে দেখা যায়।

আর আশেপাশের পরিবেশ যদি অনেক ঠাণ্ডা বা অনেক গরম হয়, তাহলে কম্বলটা চারপাশের তুলনায় আলাদা দেখায়—যেটা ইনফ্রারেড ক্যামেরার জন্য একটি পরিষ্কার সংকেত হিসাবে ধরা পড়ে।

ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার-এর প্রফেসর কসকুন কোকাবাস আর তার টিম এমন এক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন, যেটা আশেপাশের পরিবেশের সঙ্গে মিলিয়ে নিজেকে বদলে ফেলতে পারে—একেবারে গিরগিটির মত! “প্রথমে ভাবনা ছিল, গিরগিটির মত স্মার্ট সারফেস বানানো যায় কি?”—বলেন কোকাবাস। উত্তর হল: হ্যাঁ, যায়! আর সেটা সম্ভব গ্রাফিন দিয়ে।

গ্রাফিন একধরনের ২D ম্যাটেরিয়াল (মাত্র এক পরমাণু পুরুত্বের) যেখানে অসংখ্য চলমান ইলেকট্রন থাকে। আর এই ইলেকট্রনগুলিই আলো আর তাপের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করে। এই ইলেকট্রনগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করলেই আপনি বস্তুটির আলোক প্রতিফলন, শোষণ আর তাপ বিকিরণ—সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। গ্রাফিনের স্তরগুলির মধ্যে আয়ন গুঁজে দেওয়া হয়—যাকে বলে ইন্টারক্যালেশন। এতে ইলেকট্রনের চলাফেরা বদলে যায়, ফলে আপনি পুরো সারফেসের অপটিক্যাল প্রপার্টি বদলে ফেলতে পারেন—মানে, আলো বা তাপ কেমনভাবে প্রতিফলিত হবে, সেটি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

২০২২ সালে কোকাবাসের টিম ৪২টি গ্রাফিন প্যাচ দিয়ে একটা জ্যাকেট বানায়, যেটা একেকটা পিক্সেলের মত কাজ করে। এই জ্যাকেট এমনভাবে আশেপাশের পরিবেশের তাপমাত্রা অনুকরণ করতে পারে, যে ইনফ্রারেড ক্যামেরায় লোকটিকে দেখা যায় না! যদিও গ্রাফিন মাত্র ২০ বছর আগে আবিষ্কৃত হয়েছে, আর এখনও এটি বড় থ্রিডি ম্যাটেরিয়ালের সঙ্গে ভালভাবে মিশিয়ে কাজ করানো কঠিন। কিন্তু একবার এই সমস্যাগুলি কাটিয়ে উঠতে পারলে, অদৃশ্য জ্যাকেট বা ক্লোক বাস্তবে পরা সম্ভব হবে—যা দৃশ্যমান আলো এবং ইনফ্রারেড দুই থেকেই মানুষকে লুকিয়ে রাখতে পারবে।

শব্দ গোপন করার কৌশল

এই জায়গায় আমাদের চেয়ে প্রকৃতির কিছু প্রাণী অনেক বেশি এগিয়ে। এর একটা দুর্দান্ত উদাহরণ হল আফ্রিকান ক্যাবেজ ট্রি এম্পেরর মথ (African cabbage tree emperor moth)। এটি আফ্রিকার নির্জন বনাঞ্চলে পাওয়া যায়, এবং সাধারণত রাতে সক্রিয় থাকে। এর ডানার রঙ ধূসর আর বাদামির মিশেল, দেখতে সুন্দর হলেও সহজেই গাছের গায়ে মিশে যেতে পারে।

তবে এর আসল স্টেলথ গুণ লুকানো আছে তার ডানার গঠনে। এর ডানায় রয়েছে সূক্ষ্ম আঁশ ও লোম, যা শুধু দেখতেই হালকা নয়—এটি আসলে আশ্চর্য প্রাকৃতিক সাউন্ড ক্লোক (sound cloak) হিসাবে কাজ করে।

এই মথের শত্রু হল বাদুড়, যারা দেখতে পায় না, কিন্তু "ইকোলোকেশন" (echolocation) ব্যবহার করে শিকার করে। ইকোলোকেশন এক ধরনের জৈবিক সোনার প্রযুক্তি—বাদুড় নিজের মুখ দিয়ে উচ্চ-তরঙ্গ (আল্ট্রাসোনিক) শব্দ পাঠায়, আর সেই শব্দ কোনো কিছুর গায়ে লেগে ফিরে এলে বুঝে নেয় আশেপাশে কী আছে, কোথায় আছে।

কিন্তু ক্যাবেজ ট্রি এম্পেরর মথের ডানার আঁশ সেই শব্দ শুষে নেয়—ফলে কোনো প্রতিফলন হয় না, এবং শব্দ ফিরে না যাওয়ায় বাদুড় বুঝতেই পারে না যে সামনে তার প্রিয় শিকারটি উড়ছে!

ইউনিভার্সিটি অব ব্রিস্টল-এর প্রফেসর মার্ক হোল্ডারিড এই দারুণ ব্যাপারটি আবিষ্কার করেছেন। এটিই প্রথম প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া অ্যাকোস্টিক মেটাম্যাটেরিয়াল। এগুলি এমন ধরনের কাঠামো যা শব্দের তরঙ্গকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। যেমন আলো নিয়ন্ত্রণে মেটাম্যাটেরিয়াল কাজ করে ইলেকট্রনের মাধ্যমে, তেমনি শব্দে এগুলি কাজ করে পিরিয়ডিক স্ট্রাকচার দিয়ে—মানে, ছোট ছোট একরকম গঠন বার বার সাজানো।

ইউনিভার্সিটি অব সাউথ্যাম্পটন-এর অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. ফেলিক্স ল্যাংফেল্ড বলছেন—“এগুলি এমনভাবে বানানো যায়, যেখানে গঠন, জ্যামিতি আর উপাদান সব নিয়ন্ত্রণ করে শব্দতরঙ্গ কীভাবে চলবে তা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। শব্দকে প্রতিফলিত, মোড়ানো বা শোষণ—সবই সম্ভব।” এই গঠনগুলি এতই দক্ষ যে খুবই পাতলা স্তরেও অনেক শব্দ শোষণ করা যায়, যা আগে করতে হলে পুরু ফোম দরকার হতো। “ভাবুন তো, একটা কাগজের মত পাতলা কিছু, যেটা কংক্রিটের দেয়ালের মত শব্দ আটকায়।”

এই স্ট্রাকচারগুলি ব্যবহার করা যেতে পারে বড় দালানে শব্দ কমাতে, বা বিমানগুলিকে নিঃশব্দ করতে—আর সেটাই এখন ল্যাংফেল্ডের গবেষণার বিষয়। শব্দ বা ভাইব্রেশন শুধু কানে বাজে না, এগুলি শক্তি। যদি মেটাম্যাটেরিয়াল দিয়ে এগুলির দিক ঠিকমত ঘুরানো যায়, তাহলে সেই শক্তিকে ধরে রাখা সম্ভব।

ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটার-এর ড. গ্রেগরি চ্যাপলেইন এখন এই টেকনোলজি নিয়ে কাজ করছেন। তিনি বলেন, “গাড়ির মধ্যে অনেক শব্দ বা কম্পন হয়, যা আসলে অপচয় হওয়া শক্তি। আপনি যদি মেটাম্যাটেরিয়াল দিয়ে সেই শক্তির দিক ঘুরিয়ে দেন, আর সেখানে একটা যন্ত্র রাখেন যা শক্তি শুষে নেয়—তাহলে ওই অপচয় কাজে লাগানো যায়।” এই টেকনোলজি দিয়ে এমন ছোট ডিভাইস বানানো যাবে যেগুলি ভাইব্রেশন থেকে শক্তি নিয়ে চলবে—যেমন ব্রিজ, পারমাণবিক চুল্লি বা বিমানের ভেতরের নানা সেন্সর।

তাহলে ভাবুন, ভবিষ্যতের শহরগুলি এমন হতে পারে: একদম শব্দহীন, পরিবেশ থেকে শক্তি সংগ্রহে সক্ষম, ভূমিকম্প প্রতিরোধী, এমনকি হয়ত চোখে দেখা যায় না এমন—পুরোটাই মেটাম্যাটেরিয়ালের কল্যাণে!

সব দিক মিলিয়ে—আলো, তাপ আর শব্দ—এই তিন জায়গায় আমরা অনেকটাই এগিয়ে গেছি। যদিও এখনও ইনভিজিবিলিটি ক্লোক পরে হেঁটে বেড়ানো সম্ভব হয়নি, তবুও এটা নিশ্চিত যে আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি কাছে পৌঁছে গেছি। মেটাম্যাটেরিয়াল, গ্রাফিন, আর স্মার্ট ডিজাইন আমাদের এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিচ্ছে, যেখানে অদৃশ্য হওয়া আর শুধু গল্পের বিষয় নয়—বরং একেবারে বাস্তবের প্রযুক্তি।

#অদৃশ্যকরণ #প্রযুক্তি #বিজ্ঞান

15/06/2025

🇧🇩🇧🇩🇧🇩 হায়রে বাংলাদেশ

Address

Dhaka
DHAKA1217

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মঙ্গলালোক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share