Platform Doctors Foundation

Call Website Contact the organization

Platform Doctors Foundation Platform is the largest non-profit volunteering organisation of doctors, medical and dental students. for more visit our news portal: https://platform-news.org

একটি সেলাইন স্ট্যান্ড,তুমি জাগ্রত জনতার।সারাবিশ্বে বিস্ময়তুমি আমার অহংকার 😫Dr. Foisal Bin GoniCumilla Medical College
04/10/2026

একটি সেলাইন স্ট্যান্ড,
তুমি জাগ্রত জনতার।
সারাবিশ্বে বিস্ময়
তুমি আমার অহংকার 😫

Dr. Foisal Bin Goni
Cumilla Medical College

এটা হচ্ছে একটা দেশের সরকারি হাসপাতালের আইসোলেশনের অবস্থা। এখানে ডেঙ্গু + হাম মিলেমিশে একাকার। ডেঙ্গু পুরুষ + হাম ( ছেলে ...
04/10/2026

এটা হচ্ছে একটা দেশের সরকারি হাসপাতালের আইসোলেশনের অবস্থা।

এখানে ডেঙ্গু + হাম মিলেমিশে একাকার। ডেঙ্গু পুরুষ + হাম ( ছেলে বাচ্চা+ মেয়ে বাচ্চা+ পুরুষ+ মহিলা) সবাই এখানে আছে।
এখানে কেউ হাম নিয়ে ভর্তি হলে সাথে করে ডেঙ্গু নিয়ে বাসায় যায়। ডেঙ্গু নিয়ে আসলে HAP( Hospital Acquired Pneumonia) নিয়ে বাসায় যায়। সাথে অন্যান্য ইনফেকশন তো আছেই।
হাসপাতালগুলোর দিকে তাকালেই এদেশের করুন অবস্থা বুঝা যায়।

এগুলো কে দেখবে?

রোগী একজন তার সাথ patients party ৫ জন ১০জন।

আজকে ডেপুটি ডিরেক্টর স্যারকে বললাম, স্যার রোগী ভিজিটিং টাইম ঠিক করা যায় কিনা? স্যার বললেন আজকে একজনকে আটকালে কাল ৫০ জনকে নিয়ে আসবে। এদেশের সবাই নেতা। তখন এদের ম্যানেজ করবে কে?

মাঝে মাঝেই দেখি রাউন্ডের সময় ৪/৫ জন একসাথে খাইতে বসছে।একদিন দেখলাম ; রোগী Hypovolaemic shock এ, fluid running order দিছি। কিছুক্ষণ পরে গিয়ে দেখি রোগীর পাশে বসে তারা ভাত খাচ্ছে। তারা জানালো খাওয়া শেষ করে আনবে।

আসলে এই অবস্থায় মানুষ আল্লাহর খাস কুদরতে সুস্থ হয়ে বাসায় যায়।

Dr. Abdullah Khan
Gopalganj Medical College & Hospital

বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থায় ডাক্তার বোধহয় এখন তৃতীয় স্তরের চিকিৎসা!হালকা সমস্যা?আগে ফার্মেসি থেকে কিছু ওষুধ খেয়ে আসি—বেশ...
04/10/2026

বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থায় ডাক্তার বোধহয় এখন তৃতীয় স্তরের চিকিৎসা!

হালকা সমস্যা?
আগে ফার্মেসি থেকে কিছু ওষুধ খেয়ে আসি—বেশি কিছু না, একটা অ্যান্টিবায়োটিক, একটা মন্টিলুকাস্ট, একটা ডক্সোফাইলিন; সঙ্গে প্রয়োজন-অপ্রয়োজন মিলিয়ে আরও কয়েকটা ওষুধ।

রোগী একটু বেশি অসুস্থ?
এবার যাওয়া হয় তথাকথিত “পল্লী চিকিৎসকের” কাছে। সেখানে অ্যান্টিবায়োটিকটা একটু দামি হয়, সঙ্গে যোগ হয় স্টেরয়েড। বাকিগুলো তো আছেই!

সবশেষে যখন রোগ আর ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া—দুটোই সামলানো কঠিন হয়ে যায়, তখন রোগী আসে ডাক্তারের কাছে।

আজকের রোগীটির বয়স মাত্র ১৪ বছর।
এসেছে কাশির সঙ্গে রক্ত নিয়ে। তার ওপর অযথা স্টেরয়েড খাওয়ানোর পর মুখ ফুলে গেছে, শরীরজুড়ে তীব্র জ্বালাপোড়া।

অথচ আপনারাই আবার নিজেদের বলেন—“রোগীর বন্ধু”।

রোগীর বন্ধু হতে হলে আগে জানতে হবে—কোন ওষুধ কখন দিতে হয়, কেন দিতে হয়, আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—কখন না দিতে হয়।

অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড, ব্রংকোডাইলেটর—এগুলো মুড়ি-মুড়কি নয়।

প্রতিদিন কত কিছু যে দেখি!

আসলেই, দেশটার নাম বাংলাদেশ।

Dr. Naveed Rahman
MBBS(SZMC),MD(Pulmonology)
বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ

Courtesy: Tasnim Tabassum Proma
03/10/2026

Courtesy: Tasnim Tabassum Proma

রাজনৈতিক ক্ষমতার আড়ালে শিশু ও নারী গ্রুমিং - পেছনে মনস্তত্ত্ব কি? - আজকের পত্রিকা
03/10/2026

রাজনৈতিক ক্ষমতার আড়ালে শিশু ও নারী গ্রুমিং - পেছনে মনস্তত্ত্ব কি?

- আজকের পত্রিকা

03/10/2026

ঢাকা শহরের বিরানি বানানো হয়, গরুর কাঁচা চামড়ায় দেয়া শিল্প লবণ বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল সল্ট (খাবার অযোগ্য) দিয়ে। চামড়ায় দেয়ার পর যেসব লবণ চামড়া থেকে ঝড়ে পড়ে, সেগুলো কালেকশন করার পর প্যাকেট জাত করে খাবার লবণ হিসেবে বিক্রি করা হয়। এই লবণের দাম কম বলে বিরানি হাউজগুলো তা কিনে এনে কাচ্চি আর মোরগ বিরানিতে দিয়ে আপনাদের রসনা বিলাস সামলায়। ।

আরও উত্তম খবর আছে, বিরানিতে যে রঙ দেয়া হয়, তা কাপড়ের রঙ। রাসায়নিক কেওড়া জল তো আছেই।

Mahbub Kabir Milon
সাবেক অতিরিক্ত সচিব

যমুনা টিভির প্রতিবেদন কমেন্টে।

It is a deliberate murder.এটি একটি রাষ্ট্রীয় হত্যাকান্ড! প্রায় সব সরকারি হাসপাতালেই অতিরিক্ত গরমে মাত্রাতিরিক্ত রোগীর সে...
02/10/2026

It is a deliberate murder.

এটি একটি রাষ্ট্রীয় হত্যাকান্ড!

প্রায় সব সরকারি হাসপাতালেই অতিরিক্ত গরমে মাত্রাতিরিক্ত রোগীর সেবা দিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা ধুঁকে ধুঁকে বেঁচে থাকেন। এতে সেবাপ্রার্থী রোগীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এজন্য যে ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা দরকার,ডালের নুন চেখে তা কখনো সম্ভব না।

মাসুমা হত্যাকাণ্ড এই নিদারুণ সত্যকে সামনে নিয়ে আসলো আবার।

কিন্তু এখানে সুশীল চুপ!নারীবাদী নীরব!
মাসুমা সুশীল তো নয়ই,বোধ হয় নারীও না নারীবাদীদের সংজ্ঞায়।

আবার সর্বক্ষেত্রে উচ্চকন্ঠ রাজনৈতিক নেতারাও নেই।

কারণ স্বাস্থ্যকর্মীর হত্যাকান্ডে ক্যাশ করার মতো কোনো রসদ নেই।

অধ্যাপক ডা. মাহবুব মোতানাব্বি ,
ব্যাচ ৩৫,
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ।

এদেশের নির্দিষ্ট একটা শ্রেণীর মানুষের যে সিভিক সেন্স কত টা কম সেটা ৯ দিন সরকারি হাসপাতালে থেকে রিয়েলাইজ করলাম। এদেশের মা...
01/10/2026

এদেশের নির্দিষ্ট একটা শ্রেণীর মানুষের যে সিভিক সেন্স কত টা কম সেটা ৯ দিন সরকারি হাসপাতালে থেকে রিয়েলাইজ করলাম। এদেশের মানুষ যে এখনো এতো বন্য রয়ে গেছে সরকারি হাসপাতালে কয়েক রাত না কাটালে আমি সত্যি কখনো জানতাম না কারণ আমার ব্যক্তিজীবনে এই লেভেলের মানুষ দের সাথে আসলে আমার উঠাবসা নাই, তাই এরা যে এক্সিস্ট করে আমি জানতাম ও না। আমার ধারণা ছিলো কোভিডের পর কমবেশি সবাই ই হাইজিন জিনিস টা কে সিরিয়াসলি নিয়েছে।

হাসপাতালের অনেক অনেক ঘটনার মধ্যে কয়েকটা ঘটনা বলি জাস্ট।

ঘটনা ১: একদিন টয়লেটে গেছি। দুইজন ফিমেইল, রিলেটিভ হবেন হয়তো। একজন টয়লেট থেকে বের হতে হতে বলতেছে, " ইশ রে জুতা ডা ভিজ্জা গেছে গা "। সাথে সাথে তার সাথের মহিলা বলতেছে, " আরে গাধা, তুই নিজের জুতা নিয়া আইছোস ক্যান, অন্য কারো জুতা পইড়া আইবি বাথরুমে "। কথোপকথন শুনে আমি কিছু সেকেন্ড স্টান্ড হয়ে জাস্ট দাঁড়ায় ছিলাম!

ঘটনা ২: ICU তে আমার পাশের বেডের একজন বেডে বসে বসে নখ কাটতেছে, তার বাচ্চা বেডে শুয়ে আছে। এবং এরপর সে সেটা ক্লিন ও করে নাই। 😑

ঘটনা ৩: একটা বাচ্চা কিছুক্ষণের মধ্যে এক্সপায়ার করবে। ডাক্তার রা আমার পাশে দুইটা বেডের পেশেন্ট দের সরিয়ে দিয়ে একটা বেডে বাচ্চা টা কে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা করতেছে। ( ছবি দিয়েছি ) বাচ্চার মা পাশে দাঁড়ায় কানতেছে। আমি আমার বেডে বসে বসে কানতেছি। বাচ্চার দাদি এসে যেই বেডে বাচ্চার উপর ট্রিটমেন্ট চলতেছে, সব ডাক্তার নার্স দের ভীড় ওখানে। ওখানে মাঝে গিয়ে ঢুকে বলতেছে, " ঢাকনা ডা কই, এহানেই না আছিলো "
আমি ডাক্তার হইলে ঐ মুহুর্তে বেটি রে ধরে উত্তম মধ্যম দিতাম। 😐

ঘটনা ৪: ICU তে একটা ফ্রিজ আছে কমন৷ যেই ঔষধ গুলো নষ্ট হয়ে যায় দ্রুত সেগুলো রোগী রা এই ফ্রিজে রাখে প্যাকেটে বাচ্চার নাম, বেডের নাম লিখে। সকালে নাস্তায় হসপিটাল থেকে পাউরুটি, কলা, ডিম দেয়। এক বাচ্চার মা গিয়ে কলা আর ডিম ফ্রিজে রেখে আসচ্ছে সে পরে খাবে 😫

ঘটনা ৬: ইমানার ভাইরাল ডাইরিয়া চলতেছে। তো গতকাল ওকে ডাক্তারের কাছে নিলাম। সেখানে এক বাচ্চা দিলো হিসু করে। রুম ভর্তি মানুষ দাঁড়ানোর জায়গা নেই। মহিলা কে সবাই বলতেছে আপনি ডায়পার পড়ায় আনলেন না ক্যান। মহিলা বলতেছে, " প্রতি বার ডায়পার পড়ায় আনি, হিসু করে না। প্র‍তিবার বাসায় নিয়ে শুকনা ডায়পার টা ফালাইতে হয় তাই আজকে আর পড়াই নাই। " মহিলা কে দেখে এতো টাও গরীব লাগতেছিলো না যে তিনি ১ টা ডায়পার নষ্ট হওয়া এফোর্ড করতে পারবেন না তারপর মহিলা বাচ্চার প্যান্ট টা খুলে দিয়ে সেখানে রাখা খেলনা ঘোড়ায় বসিয়ে দিলো বাচ্চা কে, এই নেংটু অবস্থায়! মানে তার পরে যে অন্য বাচ্চা রাও এটা ইউজ করবে এতোটুকু হাইজিনের বালাই নাই 😫

এই দিকে আমি বান্দা, হসপিটালে থাকতে যতবার টয়লেটে গেছি। ফিরে এসে বেডে উঠার আগে পায়ে হেক্সিসল দিয়ে ভিজা টিস্যু দিয়ে ভালো করে পা মুছে এরপর বেডের নিচে একটা বালতি রাখতাম, হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুয়ে তারপর বাচ্চার বেডে উঠতাম। ৯ দিনে শারদুল আর আমার কম্বাইন প্রায় ৪ টা টয়লেট টিস্যু শেষ হইছে। আমাদের কে যখন ICU তে দেয়, আমি এসে নিজের বেডশীট বিছাইছি, বাবু কে শোয়ায় দিয়ে এরপর হেক্সিসল আর ভিজা টিস্যু দিয়ে পুরো বেডের চারপাশ, টেবিল, আমার অংশের ফ্লোর সব কিছু ক্লিন করছি। বাচ্চার জন্য একটা বেলুন কিনে নিয়ে গেছিলাম, সেটাকেও নিয়ে আগে স্যানিটাইজ করে তারপর ওর কাছে নিছি। ICU এর নার্স রা বলতেছিলো, এই পর্যন্ত হাজার হাজার রোগী চিকিৎসা দিছি আমরা কিন্তু আপনার মতো সিন্সিয়ার পেশেন্ট হাতে গুনে ২-৪ টা পাই আমরা। সবাই যদি আপনার মতো সিন্সিয়ার হতো বাচ্চা গুলা আরও আগে সুস্থ হতো।

মানুষের কাহিনী দেখে হাসবো নাকি রাগ হবো আমি কনফিউজড। কারণ যদি রিয়েক্ট করতে যাই তাহলে সারাদিন সারাক্ষণ কারো না কারো সাথে ঝগড়া করতে হবে। আমার পার্মিশন না নিয়ে আমার বাচ্চার বেলুন নিয়ে গিয়ে নিজের বাচ্চা কে খেলতে দেওয়া, আমাদের পানির বোতল আমি ঘুমে থাকা অবস্থায় চুরি হয়ে যাওয়া, জরুরী কলের কথা বলে আমার হটস্পট দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা চৌদ্দ গুষ্টির সাথে ইমো তে আড্ডা দেওয়া - বলে শেষ করা যাবে না এদেশের মানুষের কমন সেন্স যে এতো কম।

লিখেছেন
তাসনিম দিশা

গোল বৃত্তের এই ছেলের নাম এস আর নজরুল।ভুয়া এমবিবিএস ডাক্তার।কয়েকদিন আগে ফেসবুকে দেখলাম, তিনি একটা একটা কলেজের চেয়ারম্যা...
30/09/2026

গোল বৃত্তের এই ছেলের নাম এস আর নজরুল।

ভুয়া এমবিবিএস ডাক্তার।

কয়েকদিন আগে ফেসবুকে দেখলাম, তিনি একটা একটা কলেজের চেয়ারম্যান।

আজ দেখি তিনি আরও একটা কলেজের অধ্যক্ষ।

কলেজের নাম এস আর ইম্পেরিয়াল মেডিকেল টেকনোলজি। নিচে লেখা আন্ডার বিটিএফ। মানে এটা একটা দোকান। এর অনুমোদন নাই।

বিজ্ঞান না পড়ে এমবিবিএস ডাক্তার হওয়া এই নজরুল দুইটা প্রতিষ্ঠানের মালিক।

একটা দেশের স্বাস্থ্য খাত কতটা খারাপ হলে ভুয়া ডাক্তার হয় মেডিকেল শিক্ষার দুই প্রতিষ্ঠানের মালিক ?

হাসান মিসবাহ
সিনিয়র সাংবাদিক
যমুনা টেলিভিশন

30/09/2026

ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে ডাব/মাল্টা/কমলা!!
#ডেঙ্গু_মহামারী এর সৌজন্যে!!!

📢কিন্তু ডাব বিক্রেতা বলছে,ডাক্তার কসাই।

Address

68, South Basabo
Dhaka
1214

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Platform Doctors Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Platform Doctors Foundation:

Shortcuts

Share