বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জোট

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জোট

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জোট আন্দোলনের জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যায়ের শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম

সংহতি।
02/02/2026

সংহতি।

23/06/2025
04/01/2025

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯২ ‘যুগোপযোগী’ করার কথা বলে ২০১০ সালে সংশোধন করা হয়। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, পুনঃপ্রণীত আইনের ৫৩টি ধারার একটিতেও একাডেমিক ও চিন্তার স্বাধীনতা বা উচ্চশিক্ষা তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন প্রশ্নে কোনো শব্দ নেই। বরং বিভিন্ন ধারায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আমলাতান্ত্রিক আইনি মারপ্যাঁচের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কড়া নজরদারিতে রাখার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

একটি ধারায় রয়েছে, ‘প্রস্তাবিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উহার শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কিত একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করিবে, যাহা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক পূর্বে অনুমোদিত হইতে হইবে।’ অনুরূপভাবে ‘পাঠক্রম কমিটি’ সংক্রান্ত আইনের ২৪ ধারাও (যেটির কয়েকটি উপধারা বেশ অস্পষ্ট) ইউজিসির আওতাধীন হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কিত কোনো কিছুই স্ব-উদ্যোগে বা স্বাধীনভাবে গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে পারে না। তার মানে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী ফোরাম যেমন একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেট পাঠ্যক্রম সম্পর্কিত কোনো সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদন ছাড়া নিতে পারে না।

আইনের সিন্ডিকেট-সংক্রান্ত ১৭ ধারার কয়েকটি উপধারা অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক এবং একপেশে। সিন্ডিকেটে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদমর্যাদার কাউকেই প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দেওয়া হয়নি, শুধু ইউজিসি মনোনীত একজন অধ্যাপক প্রতিনিধি এবং সরকার মনোনীত একজন শিক্ষাবিদ ছাড়া।
ধারা ২৫ অনুযায়ী অর্থ কমিটির সদস্য হবেন ৯ জন, যেখানে ট্রাস্টি থাকবেন তিনজন, বাকি সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরকার সদস্য। এখানে কোনো অ্যালামনাই বা শিক্ষার্থী প্রতিনিধি রাখা হয়নি। বরং ট্রাস্টিদের মধ্য থেকে একজনকে কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এখানে আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার কোনো রক্ষাকবচ বা জুতসই ব্যবস্থা রাখা হয়নি।
বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ– এগুলো মুনাফাকেন্দ্রিক। অথচ এ দেশে শিক্ষার ব্যবসায়িক ও মুনাফাকেন্দ্রিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রামের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। বিভিন্ন সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেককে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা তথা সনদ প্রদানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এমন বিশ্ববিদ্যালয়ও আছে, যেখানে পরিচালনা পর্ষদের (বিওটি) সব সদস্য একই পরিবার থেকে এসেছেন। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহি নিশ্চিত করা অসম্ভব।

উল্লেখ্য, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ রক্ষণশীল ও কর্তৃত্ববাদী হলেও সরকার সেটিকেও এড়িয়ে গিয়ে যেনতেনভাবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ব্যবসা করার অনুমোদন দিয়েছে। যদিও বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট। এর মাধ্যমে একদিকে গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষার আকাঙ্ক্ষা বা সনদকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে, অন্যদিকে অপরিকল্পিত ও অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে স্নাতক বা গ্র্যাজুয়েট তৈরির মাধ্যমে বেকারত্বের ঝুঁকিতে ফেলা হয়েছে লাখ লাখ সম্ভাবনাময় তরুণকে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০-এর ৪২ ধারায় ‘দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার মানদণ্ডে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি শিক্ষার্থী ফি’ এবং ৪৩ ধারায় ‘শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের জন্য উপযুক্ত বেতন কাঠামো ও চাকুরি প্রবিধানমালা’ নির্ধারণের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ফি ও অনুপযুক্ত বেতন কাঠামো বিদ্যমান। এটি অবধারিতভাবে একটি বৈষম্যমূলক ব্যবস্থাকে নির্দেশ করে। আইনের ৪ ধারায় উল্লিখিত ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত পূর্ণকালীন শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম শতকরা ছয়, তন্মধ্যে শতকরা তিন ভাগ আসন মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এবং শতকরা তিন ভাগ আসন প্রত্যন্ত অনুন্নত অঞ্চলের মেধাবী অথচ দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য সংরক্ষণ’ করার বিধান অনেকেই মানছে না। এসব শিক্ষার্থীকে সব ফি ব্যতীত বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সুযোগ প্রদান এবং প্রতি শিক্ষাবর্ষে অধ্যয়নরত এরূপ শিক্ষার্থীর তালিকা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে দাখিলের নির্দেশনাও উপেক্ষিত। এ ছাড়া শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রেও নানা রকম অসামঞ্জস্য দেখা যায়।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০-এর সংশোধনী এখন সময়ের দাবি। কাঙ্ক্ষিত সংশোধনে কয়েকটি সুপারিশ হতে পারে এমন: ১) বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে মুক্তচিন্তা, বাক স্বাধীনতা ও একাডেমিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। ২) আইনগতভাবে শিক্ষকদের ইউনিয়ন (ফ্যাকাল্টি ইউনিয়ন) থাকতে হবে। তবে এটি কোনোভাবেই দলীয় রাজনৈতিক পরিচয় ধারণ করতে পারবে না। ৩) শিক্ষার্থীদের ইউনিয়ন থাকতে হবে, যেটি নিয়মতান্ত্রিকভাবে নিজেদের প্রতিনিধিত্ব করবে। তবে এটি কোনোভাবেই দলীয় রাজনৈতিক পরিচয় ধারণ করতে পারবে না। ৪) শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক বেতন কাঠামো নিশ্চিত করতে হবে।

৫) চাকরি নিরাপত্তা ও সার্ভিস বেনিফিট (গ্র্যাচুইটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, পেনশন স্কিম, অর্জিত ছুটির বিপরীতে আর্থিক প্রণোদনা ইত্যাদি), স্যাবাটিক্যাল ছুটি, মেটারনিটি ছুটি, শিক্ষা ছুটি ও গবেষণা ছুটি নিশ্চিত করতে হবে। ৬) শিক্ষার্থীর টিউশন ফি দেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে হবে। ৭) অভিন্ন গ্রেডিং পদ্ধতি চালু করতে হবে। ৮) সুযোগ্য অধ্যাপককে (সত্যিকারের একাডেমিক ও প্রশাসনিকভাবে দক্ষ) ভিসি এবং প্রো-ভিসি হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে। ৯) বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদে (বিওটি) একই পরিবার থেকে দু’জনের বেশি সদস্য বা ট্রাস্টি থাকতে পারবেন না। ১০) ট্রাস্টি কোনো লাভজনক পদে থাকতে পারবেন না। এমনকি বেতনভুক্ত কোনো কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারবেন না। ১১) প্রতিবছর অথবা দুই বছর পরপর সমাবর্তন হতে হবে। ১২) বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ তহবিল পরিচালিত হবে অবশ্যই ভিসি ও কোষাধ্যক্ষের স্বাক্ষরে। ১৩) বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদে অবশ্যই তিন ভাগের এক ভাগ (৩৩ শতাংশ) সদস্য থাকবেন শিক্ষাবিদ বা শিক্ষক। ১৪) বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অধিবেশনে শিক্ষক (প্রভাষক, সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং অধ্যাপক), শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাই প্রতিনিধি রাখতে হবে। প্রতিবছর বাজেটে গবেষণায় বরাদ্দ থাকতে হবে। ১৫) অর্থ কমিটিতে শিক্ষক (কমপক্ষে তিনজন) প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাই প্রতিনিধি রাখতে হবে।
লিখেছেন-
শেখ নাহিদ নিয়াজী: সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ

02/01/2025

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক আবদুল হান্নান মাসউদের মধ্যস্থতায় ইউল্যাব প্রশাসনের পক্ষে রেজিস্ট্রা...

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষার্থী যারা আছেন তারা স্বাক্ষর দিয়ে দাবি আদায়ে পাশে থাকুন।
29/02/2024

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষার্থী যারা আছেন তারা স্বাক্ষর দিয়ে দাবি আদায়ে পাশে থাকুন।

২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি "বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর ১৫% কর আরোপ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ব্যবসাপ্রতিষ্...

  চলতি বছরের ২৭ শে ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ রায় দিয়েছে যে দেশের সবকয়টি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের আয়ের ১৫% ভ্য...
29/02/2024


চলতি বছরের ২৭ শে ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ রায় দিয়েছে যে দেশের সবকয়টি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের আয়ের ১৫% ভ্যাট দিতে হবে। কিন্তু আমরা সকলেই জানি যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজেস্ব কোনো প্রকারের আয় থাকার কথা কয়। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কারও নিজেস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয় যে এখানে লাভ-ক্ষতির হিসাব থাকবে। তাছাড়া এই রায়ের মাধ্যমে এটাও প্রমাণিত হয় যে 'শিক্ষা' এখন বাজারের আলু-পটল-ডিটারজেন্টের মতই পণ্যে পরিণত হয়েছে।
শিক্ষা একটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার। সবার জন্য বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি বাংলাদেশে। স্বাধীনতার পর থেকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ আস্তে আস্তে বাড়তে থাকায় এদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যাত্রা শুরু করে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করে আসছি শুরু থেকে এদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থীদের টাকা উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করা হয়। সমাজে এই ধরনের ধারণা প্রচারিত হয়েছে যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যারা লেখাপড়া করে তারা সবাই বড়লোক। ২০০৭ সালের ২৮ জুন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। তখন ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন অনুমোদিত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং অপরাপর বিশ্ববিদ্যালয় যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নয়, তাদের উদ্ভূত আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ হারে আয়কর পুনর্র্নিধারণ করা হলো। ১ জুলাই থেকে এটা কার্যকর হবে।’ ২০১০ সালে এনবিআরের আরেকটি প্রজ্ঞাপনেও ১৫% ভ্যাটের কথা বলা হয়েছিলো। ২০১৫, ১৬,২০১৮ সালেও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপর ভ্যাট আরোপ করার প্রসঙ্গ উত্থাপিত হয়েছিলো, যার প্রতিবাদে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বেসরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব করেন।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ এর ১৬ নং ধারার উপধারা (৫) এ বলা হয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরীর শর্তাবলী ও বেতনক্রম, শিক্ষার্থীদের বেতনক্রম বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর উপর ন্যস্ত। ধারা ৪২ এ উল্লেখিত আছে বিশ্ববিদ্যালয় তার প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করার জন্য দেশের আথ সামাজিক অবথার মানদণ্ডে একটি কাঠামো প্রস্তুত করে মঞ্জুরি কমিশনকে অবহিত করবে। মঞ্জুরি কমিশন চাইলে পরামর্শ দিতে পারবে। এইখানে খেয়াল করা দরকার যে মঞ্জুরি কমিশনে সেই ফি খারিজ করার ক্ষমতা নাই।
একই আইনের ধারা ৪৪ এ সাধারণ তহবিল গঠনের উল্লেখ আছে। যে তহবিল গঠিত হবে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সংগৃহীত বেতন, ফি ও অন্যান্য উৎস্য থেকে জমা অর্থের মাধ্যমে। এখন এই ' অন্যান্য উৎস ' আসলে কি? এইগুলার বর্ণনা পাওয়া যায় ধারা ৪১ এ। কোন ব্যক্তি,ব্যক্তিগোষ্ঠী বা ট্রাস্টের নিঃশর্ত দান বা অনুদান, অথবা ব্যক্তি,ব্যক্তিগোষ্ঠী,ট্রাস্ট,সরকারে কাছ থেকে প্রাপ্ত ঋণ। আরেকটি উৎসের বর্ণনা দেওয়া এভাবে যে সরকার বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত যেকোন আয়। ধারা ৪১ এ বর্ণিত অর্থে উৎসগুলোর দিকে খেয়াল করলে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের বেতন, ফি ছাড়া আর কোন উৎসই স্থিতিশীল ও নির্ভারযোগ্য নয়। ঋণ, দান, অনুদান পাওয়া না পাওয়ার অঙ্ক আসলে সম্ভাব্যতার অধ্যায়ে।
একই আইনের ধারা ৪৪ এর উপধারা ৭ এ বলা আছে সাধারণ তহবিলের অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় ব্যয় ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যয় করা যাবে না৷ তাহলে এইযে ১৫% ভ্যাটের টাকা শিক্ষার্থীদের দেওয়া বেতন থেকে কেটে নেওয়া সেইটা কেনো প্রয়োজনীয়? এই টাকা তো ব্যয় হওয়া কথা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মান উন্নয়নে।
শিক্ষা কোনো পণ্য নয়। শিক্ষা প্রতিটি মানুষের অধিকার। একটি স্বাধীন দেশের প্রতিটি নাগরিকের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর আরোপিত ১৫% ট্যাক্স তাই মানুষের অধিকারকে বাজারের পণ্যের মতো নিলামে তুলছে।অন্যদিকে শিক্ষাও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কমেছে ১৬৫০০ কোটি টাকা।সেইখানে এই ট্যাক্স আরোপ করা হলো উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর মত।

১৫ শতাংশ যে টেক্স ধার্য করা হইল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর তা যে শিক্ষার্থীদের পকেট থেকে কাটা হবে সে বিষয়ে সন্দেহ রইল ...
28/02/2024

১৫ শতাংশ যে টেক্স ধার্য করা হইল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর তা যে শিক্ষার্থীদের পকেট থেকে কাটা হবে সে বিষয়ে সন্দেহ রইল না।এই চরম অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের সময়ে যা আমাদের মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা।
তাই বন্ধুরা সংঘটিত হোন।রাস্তায় নামুন।

13/08/2023

প্রাইম ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছেন তাদের এক অমার্জনীয় দায়িত্বজ্ঞানহীন অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে ডিপার্টমেন্টের সদ্য গ্রাজুয়েট ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বার কাউন্সিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ হারানোর সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায়।

ভুক্তভোগী ৪৯ তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী প্রতিবাদ জানিয়ে বলছেন,
প্রাইম ইউনিভার্সিটি ল ডিপার্টমেন্ট এর ৪৯তম ব্যাচ ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসের ১ তারিখে ইউনিভার্সিটিতে ক্লাস করা শুরু করে। তখন বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাচে ৫৯ জন ভর্তি করায়। আপনারা জানেন যে ২০১৭ সালের এপিলেট ডিভিশনের এক রায়ে প্রতি ব্যাচে ৫০ জনের বেশি ভর্তি করানো পুরোপুরিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়।৪৯ ব্যাচ যখন এই বিষয়টি ক্লাস টিচার এবং রেজিস্ট্রার অফিসে জানায়, উনারা আশ্বাস দেন - কোন সমস্যা হবে না, আমরা বিষয়টা দেখবো।
তারপর তারা সেই ৫৯ জনের লিস্ট বার কাউন্সিলে পাঠিয়ে দেয়।
এক দেড় বছর পর যখন স্টুডেন্টের সংখ্যা ৫৯ থেকে ৩৯ এ নেমে আসে তখন তারা আইডি আগে পিছে করে
আবার নতুন আইডি কার্ড দেয়।
৪৯ ব্যাচ ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করে এবং নভেম্বরে বার কাউন্সিলে ইন্টিমেশন জমা দেয়।
ইন্টিমেশন জমা দেওয়ার এক-দেড় মাসের মধ্যে এপ্লিকেশন এপ্রুভ হয়ে যায়। কিন্তু ৪৯ ব্যাচের দুই মাস পার হয়ে যাওয়ার পরেও যখন এপ্রুভ হয় না তখন বিষয়টা তারা ভার্সিটিকে জানায় এবং প্রশাসন বলে - আমাদের কোন সমস্যা নাই, বার কাউন্সিলের সমস্যা! ছাত্ররা বার কাউন্সিলে গিয়ে যোগাযোগ করলে উনারা বলে - আপনাদের ব্যাচে ৫০ জনের বেশি ভর্তি হয়েছিলো তাই ইন্টিমেশন আটকিয়ে রাখা হয়েছে! ছাত্ররা এর রেমিডি জানতে চাইলে উনারা বলে - রীট করতে হবে, অন্যান্য ইউনিভার্সিটির মত জরিমানা দিতে হবে।
ছাত্ররা যখন রেজিস্ট্রার জব্বারকে রীট করার কথা বলে তখন সে জরিমানার (১০-১৫ লাখ) কথা শুনে ধমক দিয়ে বলে - এইসব রীট ইউনিভার্সিটি করবে না। আমরা বিষয়টা দেখতেছি। আমরা অন্যভাবে হ্যান্ডেল করবো!
তাদের অন্য ভাবে হ্যান্ডেল করার ওয়ে হলো - তারা বার কাউন্সিলকে বুঝাবে যে, ওটা ৫৯ হবে না, ৩৯ জন হবে। বাই মিস্টেক ৩৯ এর জায়গায় ৫৯ হয়ে গেছে এবং ছাত্রদেরও শিখিয়ে দেয় তারা যেন সেম কথা সবাইকে বলে! অথচ বার কাউন্সিলে যখন লিস্ট পাঠানো হয়েছিলো তখন নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, ব্যাসিকালি পুরো চোদ্দগুষ্টির ইনফরমেশন পাঠানো হয়েছিলো। প্রাইম ইউনভার্সিটি বার কাউন্সিলকে গাধা গরু মনে করে, তারা মনে করে এগুলো তারা বারকে বুঝাতে পারবে!
যাইহোক,ছাত্ররাও তাদের বিশ্বাস করেছিলো। প্রতি শুক্রবারই তারা ক্যাম্পাসে আসতো আপডেট শুনতে। তারা প্রত্যেকবার-ই তাদের একই কথা শুনতে হইসে, আমরা কাজ করতেছি, তোমাদের সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে!
মে অথবা জুন মাসের দিকে ভার্সিটি বার কাউন্সিলের সচিবকে প্রাইমে ফ্যাক্টলি হিসাবে নিয়োগ দেয়, উনি প্রতি শুক্রবার ৫৭ এবং ৫৮ ব্যাচের ক্লাস নেন। উনাকে নিয়োগ দেয়ার পিছনে কারণ ২টা। উনাকে দিয়ে ক্লাসও নেয়ানো যাবে আর তেলটেল মেরে আমাদের এপ্লিকেশন এপ্রুভও করানো যাবে ফ্রি। রীটে গিয়ে জরিমানা কে দেয়? এক ঢিলে দুই পাখি। এইসব চিকনা থার্ড ক্লাস মার্কা বুদ্ধি সম্ভবত প্রাইমের মাথা থেকেই বের হয়।
যাইহোক, উনারা বারের সচিবের সাথে কথা বলতেই ভয় পান। এমন বিহেভ করেন মনে হয় উনি সর্বশক্তিমান ঈশ্বর!
২৩ শে জুন, ২০২৩ তারিখে ৪৯ ব্যাচের সবাই ভার্সিটিতে যায় এবং সেদিন মীর শাহাবুদ্দীন বার কাউন্সিলের সচিবের সাথে ১ ঘন্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। কি বৈঠক করেছেন উনি আর সচিব জানেন, যাই হোক, বৈঠকের পর শাহাবুদ্দিন ছাত্রদের সকলকে ডেকে বলে - তোমাদের কাজ হয়ে গেছে, ঈদের পর তোমাদের এপ্লিকেশন এপ্রুভ হয়ে যাবে। আমরা খুশি মনে চলে আসি। জুন গেল, জুলাই গেল, আগস্ট আসলো, ফর্ম ফিলাপের ডেটও দিলো এখনো এপ্লিকেশন এপ্রুভড হলো না।
ছাত্ররা কুকুরের মতো ঘুরতেছে বার কাউন্সিল থেকে ইউনিভার্সিটি থেকে কোর্ট থেকে আইনজীবী, কিন্তু কোনো সমাধান পায় নাই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের বর্তমান এক শিক্ষার্থী বলছেন,
এরপরের কিছু ব্যাচেও এই বিশ্ববিদ্যালয় বেশি লাভের আশায় বার কাউন্সিল এর বেধে দেওয়া নিয়ম অমান্য করে ৫০ এর অধিক শিক্ষার্থী ভর্তি করায় এবং ছাত্রদের জীবনগুলোকে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়।
এই বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির অবস্থা দেখলেই বোঝা যাবে কি অবস্থা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। ল তে ভর্তি হইতে গেলে টাকা কিন্তু ৬ লাখ লাগে!
আদতে কয়েকটা নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া দেশের প্রায় সকল প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় শুধুমাত্র ব্যবসার স্বার্থে তাদের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে, ছাত্রদের সুবিধা-অসুবিধা তাদের কিছুই যায় আসে না। আর এদের নিয়ে কথা বলতে শিক্ষা সচেতন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনগুলোও অনীহা দেখায়, কারণ এখানে কথা বলে লাভের থেকে ক্ষতি বেশি হয়।
পরিশেষে এইটা বলতে চাই অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে যতটুকু সম্ভব দাড়ান। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে আসেন আমরা সবাই এক হয়ে প্রতিবাদ জানায়।

৪৯ তম ব্যাচের আরেক শিক্ষার্থী বলছেন,

যারা বলতাছেন যে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট করতাছি। আপনারা যদি এলএলবি পাশ করে বার কাউন্সিলর Exam দিতে পারবেন কিনা তা যদি অনিশ্চত থাকেন আপনারা কি করতেন। প্রশ্ন রেখে গেলাম আপনাদের কাছে। পুলার সম্মানিত সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সহ সকল সিনিয়র ভাইদের কাছে আমরা বলতে চাই বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের সাথে অন্যায় করতাছে।আমরা ৯ মাস ধরে ওদের কাছে যাইতাছি ওরা কোনো সমাধান করেনি।বলছে তোমাদের ম্যাসেজ না আসলে বারকাউন্সিল exam ই হবেনা।ফরমফিলাপ তো তারিখ দিয়া দিলো এখন আমরা কি করবো।আমরা কি এখন পড়ালেখা করবো নাকি এগুলা নিয়া দৌড়াবো আপনারা বলেন।কারো বাড়ি যশোর, কারো বাড়ি নড়াইল, কারো বাড়ি ফরিদপুর। তার পরেও তারা এগুলা উপেখা করে তাদের পেছনে দৌড়াতাছে।এখনো কোন সমাধান করেনি।আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রছাত্রী হিসাবে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি। আমরা আশা করি আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জোট সর্বদা সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে সমর্থন ও সহযোগিতা করে আসছে। প্রাইম ইউনিভার্সিটির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশে আমরা বলতে চাই, আমরা আপনাদের পাশে আছি। যেকোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতি বা অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার।

ট্যাক্সবাজ অর্থমন্ত্রী হুশিয়ার সাবধান
25/06/2021

ট্যাক্সবাজ অর্থমন্ত্রী হুশিয়ার সাবধান

Address

Dhaka

Telephone

+8801966217172

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জোট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share