Beside Ummah

Call Website Contact the organization

Beside Ummah We have a long-cherished dream; Breaking the barrier of being one Nation. Nations cannot be divided

একটা অর্ধপচা খেজুর পড়ে ছিলো। রাসুল (সাঃ) পচা অংশটা পরিষ্কার করলেন। আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন, খাবে?তিন...
24/03/2025

একটা অর্ধপচা খেজুর পড়ে ছিলো। রাসুল (সাঃ) পচা অংশটা পরিষ্কার করলেন। আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন, খাবে?
তিনি জবাব দিলেন, না, ইয়া রাসুলুল্লাহ্।

রাসুল (সাঃ)বললেন, তোমার কাছে এটা খাওয়া না খাওয়ার ব্যাপার। অথচ আজ চারদিন হলো তোমার রাসুলের পেটে কিছু পড়েনি।

ইহুদিবাদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা থিওডর হার্জল অটোমান সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ এর কাছে ফিলিস্তিনে ইহুদিদের বসবাসের (মূলতঃ...
09/10/2023

ইহুদিবাদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা থিওডর হার্জল অটোমান সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ এর কাছে ফিলিস্তিনে ইহুদিদের বসবাসের (মূলতঃ একটি ইহুদি দেশের ) জন্য একটি চুক্তিপত্র অনুমোদনের প্রস্তাব করেন।

এর বিনিময়ে সুলতানকে ২০ মিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ২.২ মিলিয়ন ডলার) দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

তিনি উত্তরে বলেন, “হার্জল”,

আমি তা বিক্রি করতে পারব না। এমনকি এক মুষ্ঠি পরিমাণও নয়।
কারণ তা আমার নয়, আমার জনগণের। আমার জনগণ নিজেদের রক্ত দিয়ে লড়াই করে এই সাম্রাজ্য জয় করেছে। তাদের রক্ত এ মাটিতে মিশে আছে।

* আমাদের থেকে তা ছিনিয়ে নিতে হলে রক্তের বিনিময়েই নিতে হবে *

রিয়া বা লৌকিকতা অত্যন্ত ভয়ানক একটি অপরাধ I যার দরুন আমাদের কষ্টার্জিত নেকী সমূহ মূল্যহীন হয়ে যায় I তাই সর্বদা একজন মুমিন...
12/05/2023

রিয়া বা লৌকিকতা অত্যন্ত ভয়ানক একটি অপরাধ I
যার দরুন আমাদের কষ্টার্জিত নেকী সমূহ মূল্যহীন হয়ে যায় I
তাই সর্বদা একজন মুমিন রিয়া থেকে বেঁচে চলতে আল্লাহর নিকট সাহায্য কামনা করবে এই দুআ'র মাধ্যমে I

➡️তোমরা শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকিয়ে যাওয়ার পূর্বেই তার পাওনা পরিশোধ কর I✅ নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শ্রমিকে...
01/05/2023

➡️তোমরা শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকিয়ে যাওয়ার পূর্বেই তার পাওনা পরিশোধ কর I

✅ নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শ্রমিকের পাওনা দ্রুত পরিশোধে জোর তাকীদ দিয়েছেন। তিনি বলেন ;
أَعْطُوا الْأَجِيرَ أَجْرَهُ، قَبْلَ أَنْ يَجِفَّ عَرَقُهُ ✅

শ্রমিক, কর্মচারী, দিনমজুর যেই হোক না কেন তার থেকে শ্রম আদায়ের পর যথারীতি তার পাওনা পরিশোধ না করা মহা যুলম। এ যুলুম এখন হর-হামেশাই হচ্ছে। শ্রমিকদের প্রতি যুলুমের বিচিত্র রূপ রয়েছে। যেমন,

❌শ্রমিক স্বীয় কাজের স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ পেশ করতে না পারায় তার পাওনাকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা। এক্ষেত্রে দুনিয়াতে তার হক নষ্ট হলেও কিয়ামতে তা বৃথা যাবে না। কিয়ামতের দিন যালিমের পূণ্য থেকে মাযলূমের পাওনা পরিমাণ পূন্য প্রদান করা হবে। যদি তার পূণ্য নিঃশেষ হয়ে যায় তাহলে মাযলুমের পাপ যালিমের ঘাড়ে চাপানো হবে, তারপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।

➡️যে পরিমাণ অংক মজুরী দেওয়ার জন্য চুক্তি হয়েছে তার থেকে কম দেওয়া। এ বিষয়ের সমূহ ক্ষতি প্রসঙ্গে আল্লাহ তা‘আলা হুঁশিয়ারী বাণী উচ্চারণ করে বলেছেন- وَيۡلٞ لِّلۡمُطَفِّفِينَ

“যারা ওযনে কম দেয় তাদের জন্য দুর্ভোগ রয়েছে”। [সূরা আল-মুতাফফিফীন, আয়াত: ১]

❌বেতন বা মজুরী বৃদ্ধি না করে কেবল কাজের পরিমাণ কিংবা সময় বৃদ্ধি করা I

❌ বেতন বা মজুরী পরিশোধে গড়িমসি করা।

➡️ অনেক চেষ্টা-প্রচেষ্টা, তদবীর তাগাদা, অভিযোগ-অনুযোগ ও মামলা-মোকদ্দমার পর তবেই প্রাপ্য অর্থ আদায় সম্ভব হয়।

অনেক সময় নিয়োগকারী শ্রমিককে ত্যক্ত-বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে টাল-বাহানা করে, যেন সে পাওনা ছেড়ে দেয় এবং কোনো দাবী না তুলে চলে যায়। আবার কখনো তাদের টাকা খাটিয়ে মালিকের তহবিল স্ফীত করার কুমতলব থাকে। অনেকে তা সূদী কারবারেও খাটায়।

অথচ সেই শ্রমিক না নিজে খেতে পাচ্ছে না নিজের পুত্র-পরিজনদের জন্য কিছু পাঠাতে পারছে। যদিও তাদের মুখে দু’মুঠো অন্ন তুলে দেওয়ার জন্যই সে এ দূর দেশে পড়ে আছে। এজন্যই এ সকল যালিমের জন্য এক কঠিন দিনের শাস্তি অপেক্ষা করছে।

✅ আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, আল্লাহ তা‘আলা বলেন;
ثَلاَثَةٌ أَنَا خَصْمُهُمْ يَوْمَ القِيَامَةِ: رَجُلٌ أَعْطَى بِي ثُمَّ غَدَرَ، وَرَجُلٌ بَاعَ حُرًّا فَأَكَلَ ثَمَنَهُ، وَرَجُلٌ اسْتَأْجَرَ أَجِيرًا فَاسْتَوْفَى مِنْهُ وَلَمْ يُعْطِ أَجْرَهُ

কিয়ামত দিবসে আমি তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাদী হব;
১. যে ব্যক্তি আমার নামে শপথ করে কিছু দেওয়ার কথা বলে তারপর তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে।

২. যে ব্যক্তি কোনো স্বাধীন বা মুক্ত লোককে ধরে বিক্রয় করে তার মূল্য ভোগ করে।

৩. যে ব্যক্তি কোনো মজুরকে নিয়োগের পর তার থেকে পুরো কাজ আদায় করেও তার পাওনা পরিশোধ করে না

আল্লাহ আমাদের সঠিক জ্ঞান দান করুন I

হিদায়াত প্রাপ্ত হওয়ার পর পুনরায় পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া ---------------------------------------------------------...
27/04/2023

হিদায়াত প্রাপ্ত হওয়ার পর পুনরায় পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া
---------------------------------------------------------------------

✅
رَبَّنَا لَا تُزِغۡ قُلُوۡبَنَا بَعۡدَ اِذۡ هَدَيۡتَنَا وَهَبۡ لَنَا مِنۡ لَّدُنۡكَ رَحۡمَةً‌ ۚاِنَّكَ اَنۡتَ الۡوَهَّابُ‏

হে আমাদের রব, আপনি হিদায়াত দেয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন।

রব্বানা-লা-তুযিগ্ কুলূবানা- বা’দা ইয্ হাদাইতানা-অহাবলানা-মিল্ লাদুন্কা রহ্মাতান্ , ইন্নাকা আন্তাল্ অহ্হা-ব্
=========================================

رَبَّنَاۤ اِنَّكَ جَامِعُ النَّاسِ لِيَوۡمٍ لَّا رَيۡبَ فِيۡهِ‌ؕ اِنَّ اللّٰهَ لَا يُخۡلِفُ الۡمِيۡعَادَ ✅

হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি মানুষকে সমবেত করবেন এমন একদিন, যাতে কোন সন্দেহ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।

রব্বানায় ইন্নাকা জ্বা-মি‘উন্ না-সি লিইয়াওমিল্ লা-রাইবা ফীহ্; ইন্নাল্লা-হা লা-ইয়ুখ্লিফুল্ মী‘আ-দ্।

✅ দোয়ার প্রেক্ষাপট ✅
আল-কুরআন থেকে সঠিক পথপ্রাপ্তি ও হেদায়াতের উপর অটল-অবিচল থাকার জন্যে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা। শাহর ইবনে হাওশাব (র.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উম্মু সালাম (রা.) কে বললাম, হে উম্মুল মু'মিনীন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনার নিকট অবস্থানকালে প্রায়শ কোন দু'আটি পড়তেন ?

উম্মে সালামা (রা.) বলেন, তিনি প্রায়শ এ দু'আ পড়তেন, -
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوْبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَي دِيْنِكَ
ইয়া মুক্বল্লিবাল কুলুব,ছাব্বিত ক্বলবী আ'লা দ্বী-নিক।

হে অন্তর সমূহের পরিবর্তনকারী,আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ'।

উম্মু সালামা (রা.) বলেন,আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল,আপনি প্রায়শ 'হে অন্তরসমূহ পরিবর্তনকারী, আমার অন্তর তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ' দু'আটি কেন পড়েন?

তিনি বললেন, হে উম্মু সালামা। এমন কোন মানুষ নেই যার অন্তর আল্লাহর দুই আঙ্গুলের মাঝখানে অবস্থিত নয়। তিনি যাকে ইচ্ছা(দ্বীনের উপর) স্থির রাখেন এবং যাকে ইচ্ছা (দ্বীন থেকে) বাঁকা করে দেন। অত:পর রাবী মুআয ইবনে মুআয (র.) কুরআনের এ আয়াত তিলওয়াত করেন-

رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوْبَنَا بَعْدَ اِذْ هَدَيْتَنَا ✅

রাব্বানা-লা-তুঝিগ কুলূবানা-বা‘দা ইয হাদাইতানা... 'হে আমাদের রব,আমাদের সৎপথে পরিচালিত করার পর তুমি আমাদের অন্তরসমূহকে বিপথগামী করো না I

(জামে আত-তিরমিযী,৬ষ্ঠ খন্ড,আবওয়াবুদ দাওয়াত-দু'আ বিষয়ক অধ্যায়,হাদীস নং-৩৪৫৩)

সূরা আলে ইমরান - ৩:৮-৯

"উটের দিকে তাকিয়ে দেখেছ, কীভাবে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে ?” (সূরা গাশিয়াহ ১৭)১) উট প্রকৃতির এক মহাবিস্ময়, এটি ৫৩ ডিগ্রি গরম...
08/01/2023

"উটের দিকে তাকিয়ে দেখেছ, কীভাবে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে ?” (সূরা গাশিয়াহ ১৭)

১) উট প্রকৃতির এক মহাবিস্ময়, এটি ৫৩ ডিগ্রি গরম এবং মাইনাস-১ ডিগ্রি শীতেও টিকে থাকে।

২) মরুভূমির উত্তপ্ত বালুর উপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা পা ফেলে রাখে।

৩) কোনো পানি পান না করে মাসের পর মাস চলে।

৪) মরুভূমির বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস খেয়ে ফেলে।

৫) দেড়শ কেজি ওজন পিঠে নিয়ে শত মাইল হেঁটে পার হয়।

উটের মত এত অসাধারণ ডিজাইনের প্রাণী প্রাণীবিজ্ঞানীদের কাছে এক মহাবিস্ময়।

মানুষসহ বেশিরভাগ স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহের তাপমাত্রা সাধারণত ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট) এর আশেপাশে থাকে।
যদি দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বেড়ে ৩৮.৫ ডিগ্রির (১০২ ফা) বেশি হয়ে যায়, তখন অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর ক্ষতি হতে থাকে। ৪০ ডিগ্রির (১০৪ ফা) বেশি হয়ে গেলে লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক, খাদ্যতন্ত্র ব্যাপক ক্ষতি হয়।
৪১ ডিগ্রি (১০৫ ফা) তাপমাত্রায় শরীরের কোষ মরে যেতে শুরু করে।

একারণেই যখন স্তন্যপায়ী প্রাণীদের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেড়ে যায়, তখন শরীর ঘেমে বাড়তি তাপ বের করে দিয়ে ঠাণ্ডা হয়ে যায়।

কিন্তু উটের জন্য এভাবে পানি অপচয় করা বিলাসিতা। কারণ মরুভূমিতে সবচেয়ে দুর্লভ সম্পদ হচ্ছে পানি। একারণে উটের শরীরে এক বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে।
ভোরবেলা এর শরীরের তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি থাকে। তারপর আবহাওয়া যখন প্রচণ্ড গরম হয়ে যায়, তখন অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বেড়ে ৪১ ডিগ্রি (১০৪ ফা) পর্যন্ত ওঠে।
এর পর থেকে এটি ঘামা শুরু করে। এর আগে পর্যন্ত এটি পানি ধরে রাখে। এভাবে প্রতিদিন উট স্বাভাবিক তাপমাত্রা থেকে প্রচণ্ড তাপমাত্রা পর্যন্ত সহ্য করে।

এর শরীরের ভেতরে ব্যবস্থা রাখা আছে, যেন তা দিনের পর দিন ভীষণ তাপ সহ্য করার পরেও অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর বড় ধরনের ক্ষতি না হয়। উটের রক্ত বিশেষভাবে তৈরি প্রচুর পরিমাণে পানি ধরে রাখার জন্য।

উট যখন একবার পানি পান করা শুরু করে, তখন এটি প্রায় ১৩০ লিটার পানি, প্রায় তিনটি গাড়ির ফুয়েল ট্যাঙ্কের সমান পানি, ১০ মিনিটের মধ্যে পান করে ফেলতে পারে।

এই বিপুল পরিমাণের পানি অন্য কোনো প্রাণী পান করলে রক্তে মাত্রাতিরিক্ত পানি গিয়ে অভিস্রবণ চাপের কারণে রক্তের কোষ ফুলে ফেঁপে ফেটে যেত।

কিন্তু উটের রক্তের কোষে এক বিশেষ আবরণ আছে, যা অনেক বেশি চাপ সহ্য করতে পারে। এই বিশেষ রক্তের কারণেই উটের পক্ষে একবারে এত পানি পান করা সম্ভব হয়।

উটের কুজ হচ্ছে চর্বির আধার। চর্বি উটকে শক্তি এবং পুষ্টি যোগায়। আর পানি শরীরের যাবতীয় আভ্যন্তরীণ কাজকর্ম সচল রাখে, শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখে।

একবার যথেষ্ট খাবার এবং পানি নেওয়ার পর একটি উট ছয় মাস পর্যন্ত কোনো খাবার বা পানি পান না করে টিকে থাকতে পারে।

উট হচ্ছে মরুভূমির জাহাজ। এটি ১৭০-২৭০ কেজি পর্যন্ত ভর নিয়েও হাসিমুখে চলাফেরা করে।

এই বিশাল, শক্তিশালী প্রাণীটির মানুষের প্রতি শান্ত, অনুগত হওয়ার কোনোই কারণ ছিল না।

বরং এরকম স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রাণীর হিংস্র হওয়ার কথা, যেন কেউ তাকে ঘাঁটানোর সাহস না করে। বিবর্তনবাদীদের বানানো বহু নিয়ম ভঙ্গ করে এই প্রাণীটি কোনো কারণে নিরীহ, শান্ত, মানুষের প্রতি অনুগত হয়ে গেছে।

আল্লাহ যদি উটকে মানুষের জন্য উপযোগী করে না বানাতেন, তাহলে মরুভূমিতে মানুষের পক্ষে সভ্যতা গড়ে তোলা অসম্ভব হয়ে যেত।

উটের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা হলো কাটা যুক্ত গাছপালা চিবানোর ক্ষমতা, যা অন্য কোনো প্রাণীর নেই। বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস এটি সাবাড় করে দিতে পারে।

অন্য কোনো প্রাণী হলে ক্যাকটাসের কাঁটার আঘাতে মাড়ি, গাল, জিভ ক্ষতবিক্ষত হয়ে যেত। কিন্তু উটের কিছুই হয় না।

উটের মুখের ভেতরে এক বিস্ময়কর ব্যবস্থা রয়েছে। এর মুখের ভেতরের দিকটাতে অজস্র ছোট ছোট শক্ত আঙ্গুলের মত ব্যবস্থা রয়েছে, যা কাটার আঘাত থেকে একে রক্ষা করে। এমন এক জিভ আছে যা কাঁটা ফুটো করতে পারে না।

উটের চোখে দুই স্তর পাপড়ি রয়েছে। যার কারণে মরুভূমিতে ধূলিঝড়ের মধ্যেও তা চোখ খোলা রাখতে পারে। এই বিশেষ পাপড়ির ব্যবস্থা সানগ্লাসের কাজ করে মরুভূমির প্রখর রোদের থেকে চোখকে রক্ষা করে এবং চোখের আদ্রতা ধরে রাখে।

একইসাথে এটি বিশেষভাবে বাঁকা করা যেন তা ধুলোবালি আটকে দিতে পারে।

ইব্রাহীম (আঃ) কর্তৃক (মক্কা) নগরীর অধিবাসীদের নিরাপত্তা ও রিযিক চাওয়া I
23/12/2022

ইব্রাহীম (আঃ) কর্তৃক (মক্কা) নগরীর অধিবাসীদের নিরাপত্তা ও রিযিক চাওয়া I

🌱 রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন অজু করল; সে যথেষ্ট করলো ও ভালো করলো। আর যে গো...
09/12/2022

🌱 রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন অজু করল; সে যথেষ্ট করলো ও ভালো করলো। আর যে গোসর করলো সে অধিক উত্তম।’ (ইবনে মাজাহ)

🌱 আবু দাউদ শরিফের একটি হাদিসে এসেছে, জুমার দিন যে ব্যক্তি ভালোভাবে গোসল করলো, তারপর তাড়াতাড়ি মসজিদে গেলো, কোনো বাহনে না চড়ে হেঁটে মসজিদে গেল, ইমামের কাছাকাছি গিয়ে মনোযোগ দিয়ে তার কথা (খুতবা) শুনলো, অনর্থক কোনো কথা বললো না; সে প্রতিটি কদমের জন্যে, এক বছর নামাজ-রোজার সওয়াব পাবে।

🌱 হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, ‘আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘জুমআর দিন প্রত্যেক সাবালকের (প্রাপ্ত বয়স্ক) জন্য গোসল করা ওয়াজিব।’ (বুখারি)

🌱 বিখ্যাত গ্রন্থ মুসলিমের এক বর্ণনায় এসেছে, ‘সুন্দরভাবে অজু করে যে ব্যক্তি জুমার নামাজে যায়; মনোযোগের সঙ্গে খুতবাহ শুনে এবং চুপ থাকে; তার এক জুমা থেকে অপর জুমার মধ্যের (৭দিন) এবং আরও অতিরিক্ত তিন দিনসহ ১০ দিনের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন স্বয়ং বিশ্বনবি।’ (মুসলিম)

May Allah grant us to perform Jummah Activities Properly.

একটি পাত্রে একটি ব্যাঙকে রেখে পাত্রটি পানি দ্বারা পূর্ণ করে তাপ দিতে শুরু করুন। পানির তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করলে ব্যাঙটি...
29/10/2022

একটি পাত্রে একটি ব্যাঙকে রেখে পাত্রটি পানি দ্বারা পূর্ণ করে তাপ দিতে শুরু করুন। পানির তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করলে ব্যাঙটি সেই অনুযায়ী তার শরীরের তাপমাত্রা অ্যাডজাস্ট করে ।

ব্যাঙ তার শরীরের তাপমাত্রা পানির ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার সাথে অ্যাডজাস্ট করতে থাকে। কিন্তু যখন পানি স্ফুটনাঙ্কে (Boiling point) পৌঁছায়, ব্যাঙ সেই তাপমাত্রা আর টলারেট করতে পারে না। ঠিক সেই মুহুর্তে ব্যাঙটি লাফ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

ব্যাঙটি লাফ দেওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু তা পারে না কারণ ক্রমবর্ধমান পানির তাপমাত্রার সাথে নিজেকে ব্যালেন্স করা বা লাফ দিয়ে বাহিরে বেরিয়ে আসার মতো শক্তি সে ইতোমধ্যে হারিয়ে ফেলেছে। এবং খুব তাড়াতাড়ি ব্যাঙটি মারা যায়।

প্রশ্ন হলোঃ- ব্যাঙটি কেন মারা গেল ? চিন্তা করুন!

আমরা অনেকেই হয়তো বলবো ফুটন্ত পানির কারনে।

কিন্তু সঠিক কারনটি হলো;
--------------------------
*সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত না নেয়া*
যখন পানির তাপ বাড়ানো হচ্ছিল, তখন ব্যাঙটির
২ ধরনের সিদ্ধান্ত নেবার সুযোগ ছিল।

(১) সর্বশক্তি দিয়ে লাফিয়ে বেরিয়ে আসা।
(২) তাপ সহ্য করার সক্ষমতা ব্যবহার করে গরম পানিতে সারভাইভ করা।

আমাদের বাস্তব জীবনেও এমনটিই দেখা যায়।
চারপাশের মানুষ, পরিবেশ বা সমাজের সাথে নিজেকে অ্যাডজাস্ট করতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ি।

কখন সমাজের সাথে ব্যালেন্স করতে হবে আর কখন সমাজ থেকেও আমাদের এগিয়ে যেতে হবে তা নিশ্চিত হউন। এমন সময় আছে যখন আমাদের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে এবং যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

যদি আমরা নিজেদের শারীরিক, আধ্যাত্মিক বা আর্থিকভাবে তাদের শোষণ করতে দেই, তবে তারা তা করতেই থাকবে।

কখন লাফ দিবেন সে সিদ্ধান্ত একান্তই আপনার ! এখনও শক্তি আছে ঝাঁপ দেয়ার। Let's do it.

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Beside Ummah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Beside Ummah:

Shortcuts

Share