Jariyah جارية

Jariyah جارية Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jariyah جارية, Nonprofit Organization, Dhaka.

নূহ (আঃ) এর মত নবীর ফলোয়ার সংখ্যা ছিল খুবই কম কিন্তু তারপরেও তিনি সফল। লক্ষ লক্ষ ফ্যান ফলোয়ার সফলতার মানদন্ড নয়। সফলতার মানদন্ড হচ্ছে আল্লাহর ক্ষমা লাভ করা এবং জান্নাতে প্রবেশ করা।
Revival of Sunnah ➡️ Jariyah পেইজটি সম্পূর্ণ অলাভজনক একটি দ্বীনি প্লাটফর্ম। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দ্বীনের দাওয়াতি কাজ করা। আমাদের সকল কন্টেন্ট কপিরাইট ফ্রী। দাওয়াতের উদ্দেশ্যে আমাদের কনটেন্ট

গুলো কপি, শেয়ার, রি-আপলোড করতে পারবেন। তবে দয়া করে মূলভাব পরিবর্তন করে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করবেন না। এরকমটা করলে তার কোনো দায়ভার আমরা নেবনা।

আমাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে :
https://www.facebook.com/107681237370672/posts/362809041857889/

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল লিংক : https://youtube.com/channel/UCykQgqs5JJA2lCVeUzsKU7Q



নিজেদের ইসলামিক পেইজ বা হালাল প্রোডাক্ট প্রমোট অথবা আমাদের কোনো কন্টেন্টের স্পনসর হতে চাইলে মেইল করুন নিচের ঠিকানায়। যেহেতু অলাভজনক প্ল্যাটফর্ম তাই এই অর্থ শুধু পেইজ এবং দ্বীনের কল্যাণে ব্যয় করা হবে ইন শা আল্লাহ্।

[email protected]

অথবা প্রধান অ্যাডমিনের সাথে সরাসরি চ্যাট করতে পারবেন। আইডি লিংক:
https://www.facebook.com/edulhassanofficial

সহকারী অ্যাডমিন আইডি লিংক:
https://www.facebook.com/famifuad

14/04/2026

আপনার সমস্ত অর্থ, দরকারী কাগজপত্র বা নথিপত্র, প্রশংসাপত্র এবং অলংকার নিরাপদ স্থানে, বাচ্চাদের নাগালের বাইরে রাখুন।
কোনো জিনিস হারিয়ে ফেলা বা ভেঙ্গে ফেলার জন্য আপনার বাচ্চাকে মারধর বা শাস্তি দেওয়া উচিত নয়। কারণ সেটি আপনারই দোষ যে— আপনি তা নিরাপদ স্থানে না রেখে বাচ্চার নাগালের মধ্যে রেখেছেন।
➤ 📖 দ্য কেয়ারিং ওয়াইফ, পৃষ্ঠা ১২৮।

04/04/2026

মা - বাবা যদি সৎ ও আদর্শবান না হোন, তাহলে সন্তানকে যতই কুরআন ও হাদীসের জ্ঞান বিতরণ করা হোক না কেন সেই সন্তানের শিষ্টজ্ঞান সম্পন্ন সভ্য ও ভদ্র সন্তান হিসেবে গড়ে ওঠা খুব কঠিন। কারণ প্রত্যেক সন্তানের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু থাকে, তার বাবা-মায়ের আচার-আচরণ, চিন্তা-চেতনার দিকে। তারা সন্তানকে কী উপদেশ দিচ্ছে, নীতিবাক্য গলাধঃকরণ করাচ্ছে, সেদিকে নয়।
সুতরাং আমরা যারা প্রকৃত অর্থেই নিজ সন্তানকে উত্তম মানসিকতার অধিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, সর্বপ্রথম নিজেদের আমূল পরিবর্তন ঘটাতে হবে। সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যত বিনির্মাণে সর্বাগ্রে নিজেদেরকে শুধরে নিতে হবে। এটি হলো একমাত্র পথ ও পন্থা।
➤ 📖 দ্য কেয়ারিং ওয়াইফ, পৃষ্ঠা ১৬৮।

04/04/2026

কিছু কিছু মানুষের নেতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলির একটি
হলো — একে অপরের সমালোচনা করা। এই স্বভাবটি জন্মগত নয়, চরিত্রগত। *এটি মানুষের মধ্যে দ্বিধা, হতাশা, বৈরাগ্য এবং কলহের সৃষ্টি করে। এটি পরিবারের সুসম্পর্ক নষ্ট করে বিবাদের সৃষ্টি করে। এটি স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দূরত্ব তৈরি করে এবং এর কারণে খুনাখুনিও হতে পারে।* দুর্ভাগ্যবশত এটি মানুষের মাঝে এত ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করেছে
যে— এটি মানুষের কাছে এখন আর অপরাধ বলে মনে হয় না!
মানুষ সমালোচনা ও গীবতকে কোনো আড্ডার সাধারণ বিষয় বিশেষ মনে করে। (নাউজুবিল্লাহ।)
মহিলাদের আলোচনায় এটি খুব বেশি হয়ে থাকে। দুজন মহিলার দেখা হলেই তারা সমালোচনা শুরু করে দেয়। যেন তারা প্রতিযোগিতা করে অন্যের সমালোচনা করে।
➤ 📖 দ্য কেয়ারিং ওয়াইফ, পৃষ্ঠা ৮২।

04/04/2026

সব রকম পরিস্থিতিতে নারীর সাথে নম্র ব্যবহার করা এবং তাদের সাথে সুন্দরভাবে কথা বলা উচিত, যাতে তাদের কর্ম ভালো হয়। একজন স্ত্রীর তার স্বামীর উপর অধিকার হলো, তার সকল অসচেতনতা এবং বোকামী মাফ করে দেওয়া।
➤ 📖দ্য কেয়ারিং ওয়াইফ, পৃষ্ঠা ৭৮।

01/04/2026

রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন -
“ ততক্ষণ পর্যন্ত কেয়ামত হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত মানুষ গাধার যৌনাচারের মতোন রাস্তাঘাটে যৌনাচার করবে। "
[ সহীহ ইবনু ইব্বান, ১৮৮৯। আলবানী রাহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে গ্রহণযোগ্য বলেছেন। ]
আর এই হাদীসে ভবিষ্যতে ঘটবে এমন এক বিষয়ের সংবাদ দেওয়া হয়েছে। যে বিষয়ে সংবাদ দেওয়া হয়েছে সেই বিষয়টিকে হাদীস দ্বারা শরীয়তসম্মত করা হয়নি।
➤ ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানী রাহিমাহুল্লাহ
( ফাতাওয়ায়ে আলবানী, পৃষ্ঠা ৩১৭।)

বিঃদ্রঃ - এ হাদীস শরীআত হিসেবে বর্ণিত হয়নি, বরং তাতে গায়েবের খবর দেওয়া হয়েছে যে, ভবিষ্যতে এমনটা হবে। আর গায়েবের মাধ্যমে ভবিষ্যতে ঘটবে এমন ভালমন্দ উভয় সংবাদই দেওয়া হয়।

01/04/2026

“বোন আমার, তোমার রব তোমাকে শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি বানিয়েছেন। না, তোমার সৌন্দর্যের জন্যে না। রূপ-লাবণ্যের জন্যেও না।তুমি শ্রেষ্ঠ কারণ তোমার আত্মমর্যাদা আছে। তোমার আছে ঈমান। আছে আয়িশা, ফাতিমা কিংবা খাদিজার মতোন মহীয়সী নারীদের আদর্শ। তুমি পৃথিবীসেরা সভ্যতার অনুসারী। এরপরেও কি অসভ্যতার অলিগলিতে ঘুরে নিজেকে নিঃশেষ করে দেবে?

[জাকারিয়া মাসুদ,
📖তুমি ফিরবে বলে;পৃষ্ঠা:৩৩। (ফিমেইল ভার্সন)]

01/04/2026

আপনি একজন নারী,আপনার কাছে কয়েকটি প্রশ্ন...

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই পৃথিবীতে আপনাকে একজন নারী হিসেবে সৃষ্টি করেছেন এবং আপনার এটা সৌভাগ্য যে,আল্লাহ তা'আলা একান্ত অনুগ্রহ করে আপনাকে মুসলিম মিল্লাতের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। কিন্তু মুসলিম নারী হিসেবে আপনার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে জানার জন্য আপনি কি কোনো চেষ্টা করেছেন? আল্লাহ তা'আলা আপনার প্রতি পর্দা বাধ্যতামূলক করেছেন। কিন্তু আপনি পর্দা মেনে চলেছেন? বরং যেসব মুসলিম নারী পর্দা করেছে আপনি তাদেরকে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করেছেন।পর্দার কথা যারা বলছে,তাদেরকে আপনি প্রগতির শত্রু মনে করছেন।

বিউটি পার্লার থেকে মেকআপ করে আপনি রাস্তায় আবেদনময়ী ভঙ্গিতে চলাফেরা করছেন, এমন পোষাক আপনি পরিধান করছেন যে,আপনার দেহ সৌষ্ঠব সম্পূর্ণ প্রস্ফুটিত হয়ে উঠে। এক শ্রেণির কামার্ত পুরুষ আপনার প্রতি কাম তাড়িত দৃষ্টি নিক্ষেপ করছে। আপনার কারণে অসংখ্য পুরুষ চরিত্রহারা হচ্ছে। লজ্জা হলো নারীর ভূষণ, আপনি লজ্জার সেই বাঁধন ছিন্ন করে নিজেকে আধুনিকা প্রমাণের জন্য অনাবৃতা হয়েছেন। আল্লাহতা'আলা একমাত্র পুরুষের জন্য যেসব কাজ নির্বাচিত করেছেন,আপনি সমঅধিকারের নামে নিজেকে সেসব কাজে জড়িত রেখে নিজের মূল্যমান হ্রাস করেছেন।
মুহূর্ত কালের জন্য আপনি পরকালের চিন্তা করেননি এবং মৃত্যু যে কোনো মুহূর্তে আপনার দিকে ছোবল দিতে পারে, এ চিন্তাও আপনি করেননি। এভাবে প্রগতির নামে গড্ডালিকা প্রবাহে ভেসে চলেছেন, হঠাৎ করে আপনি মৃত্যুমুখে পতিত হলেন। এ অবস্থায় চিন্তা করে দেখুন তো,আপনার আত্মীয়-স্বজন আপনার লাশ নিয়ে কি করবেন?
আপনার নামের পূর্বে মুসলিম শব্দটি থাকার কারণে আপনাকে শেষ গোছল দেয়ার জন্য যে স্থান নির্বাচন করা হবে, সে স্থানটি পর্দায় আবৃত করা হবে। কোনো পরপুরুষকে আপনার লাশ দেখতে দেওয়া হবে না। এখন আপনাকে কাফন পরানো থেকে কবরে নামানো পর্যন্ত পর্দার ব্যবস্থা করা হবে। অর্থাৎ একজন মুসলিম নারীর জন্য জীবিতকালীন পর্দার বিধান ছিলো, এখন আপনার মৃত্যুর পর সেই বিধান অনুসরণ করা হবে।
এবার আপনি চিন্তা করে দেখুন তো আপনি জীবিতকালে মুহূর্তের জন্য পর্দা করেননি,যারা পর্দা করতো তাদেরকে বিদ্রুপ করেছেন, প্রগতির শত্রু, সেকেলে, আনকার্লচার্ড ইত্যাদি বিশেষনে বিশেষিত করেছেন।
এরপর আপনাকে যখন কবরে নামানো হবে তখন বলা হবে,তোমাকে আল্লাহর নামে এবং রাসূলের দলের ওপর রাখা হলো।

আপনি চিন্তা করে দেখুন তো, আপনাকে যারা কবরে নামাবে এবং উক্ত কথাগুলো বলবে,তাদের কথা বলার সাথে আপনার জীবন-যাপন পদ্ধতির কি কোনো সাদৃশ্য ছিল?
কারণ আল্লাহর রাসূলের দলে তো ঐ নারীরাই স্থান পাবে, যারা পৃথিবীতে কুরআন-হাদীসের বিধান অনুসরণ করেছেন।
এমন প্রশ্নগুলো আপনি জীবিতকালেই আপনার বিবেককে করুন। আপনার বিবেক যদি আপনাকে নেতিবাচক জবাব দেয়,তাহলে এখনই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন, এখন কুরআন-হাদীসের বিধান অনুসরণ করে জীবনকে বদলে দিবেন, রূপ-যৌবনের অহংকার না করে এবং তা প্রদর্শনীর পণ্য না বানিয়ে আল্লাহকে ভয় করে তাঁর নির্দেশ অনু্যায়ী জীবন গড়ুন।

📖আল্লাহ মৃতদেহ নিয়ে কি করবেন/পৃষ্ঠা২৩-২৪।
মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী রাহিমাহুল্লাহ।

30/03/2026

এ কারণে আমরা যুবকদের পরামর্শ দেব, তারা যেন জ্ঞানের রাজ্যে বিচরণ করে এবং একমাত্র আল্লাহর জন্য জ্ঞানার্জন অব্যাহত রাখে। এরপর নিজেদের সংশোধন করে, আত্মশুদ্ধির পথ অবলম্বন করে এবং ইসলামী আদর্শ নিজেদের মধ্যে লালন করে। তারা নিজেদের এভাবে গড়ে তুলতে সক্ষম হলে আলেম তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের চরিত্র নিয়েই কথা বলার সাহস পাবে না। তাদের সমালোচনায় কালক্ষেপণ করার ফুরসতও পাবে না।

➤ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানী রাহিমাহুল্লাহ
( ফাতাওয়ায়ে আলবানী, পৃষ্ঠা ৮২।
অনুবাদে - শাইখ আব্দুল্লাহ মাহমুদ হাফিজাহুল্লাহ।)

30/03/2026

প্রশ্ন ২৫। অনেক সময় শয়তানের কুমন্ত্রণাবশত মনে প্রশ্ন জাগে, ‘আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছেন?’
এ কুমন্ত্রণা থেকে পরিত্রাণের উপায় কী?
উত্তর - সহীহ হাদীসে শয়তানের এ ওয়াসওয়াসা থেকে পরিত্রাণ ও উত্তরণের পথ দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে। সে সময় একজন মুসলিমের করণীয় কী, তাও অবহিত করা হয়েছে। তাই ভিন্ন কোনো উপায় ও পদ্ধতিতে শয়তানের সঙ্গে তর্কবিতর্ক না করে হাদীস নির্দেশিত পন্থা অবলম্বন করে তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রথমে বলতে
হবে —
اٰمَنْتُ بِاللّٰهِ وَرَسُوْلِهِ
**اللّٰہُ اَحَدٌ ۚ**
*اَللّٰہُ الصَّمَدُ ۚ*
*لَمۡ یَلِدۡ ۬ۙ وَلَمۡ یُوۡلَدۡ ۙ*
*وَلَمۡ یَکُنۡ لَّہٗ کُفُوًا اَحَدٌ
অর্থ - ‘আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের ওপর ঈমান এনেছি। আল্লাহ এক। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকে জন্ম দেওয়া হয়নি। তাঁর সমকক্ষ কেই নেই।'
এরপর বামদিকে তিনবার থুথু ফেলতে হবে এবং আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে পরিত্রাণ ও পানাহ চাইতে হবে। তারপর ওয়াসওয়াসা ও কুমন্ত্রণা মন থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে।
আমি বিশ্বাস করি, কেউ যদি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের শিক্ষা ও নির্দেশিত পন্থার ওপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে অন্তরে এ পদ্ধতি গ্রহণ করে, তাহলে সে শয়তানের ওয়াসওয়াসা ও কুমন্ত্রণা থেকে মুক্ত হতে পারবে। শয়তান ও শয়তানের চক্রান্ত তার কাছে পর্যুদস্ত হবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)
বলেছেন —
“ যে এ পদ্ধতি গ্রহণ করবে, তার থেকে কুমন্ত্রণা বিদায় নিবে।”
( মুসনাদে আহমাদ, ২৬২০৩। সহীহুত তারগীব ওয়াত তারহীব, ১৬১০। শাইখ আলবানী রাহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)

তর্কবিতর্ক, বিজ্ঞানের দোহাই, বিবেকপ্রসূত জবাবসহ অন্যান্য পদ্ধতি থেকে এ পদ্ধতি সর্বাধিক ফলপ্রসু,উপকারী ও কার্যকরী। অন্য যে কোনো উপায় থেকে সেই কুমন্ত্রণা থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব নয়; বরং আরো বিভিন্ন ওয়াসওয়াসা ও কুমন্ত্রণা ভিড় জমায়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, অধুনা অধিকাংশ মানুষ রাসূল-নির্দেশিত এ শিক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়। তারা এ ফলপ্রসূ, উপকারী, কার্যকরী উপায়ের ব্যাপারে অচেতন ও অজ্ঞ।
কাজেই মুসলিমদের প্রতি আমার আহ্বান, আপনারা আপনাদের নবীর সুন্নাত ভালোভাবে জানুন ও রপ্ত করুন। সে দিকে ফিরে আসুন। তা জীবনে বাস্তবায়ন করুন। তাতেই রয়েছে আপনার সকল সংশয়-সন্দেহ, ওয়াসওয়াসা ও কুমন্ত্রণার পরিষেধক।
(সিলসিলাতুস সহীহাহ, ১১৮ নং হাদীসের অধীনে।)
➤ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানী রাহিমাহুল্লাহ
( ফাতাওয়ায়ে আলবানী, পৃষ্ঠা ৭৩&৭৪।
অনুবাদে - শাইখ আব্দুল্লাহ মাহমুদ হাফিজাহুল্লাহ।)

28/03/2026

কুরআন কেন্দ্রিক আমাদের ৪ টি কাজ।
এর মধ্যে একটা কাজ হচ্ছে কুরআন তিলাওয়াত করা। দুই নম্বর কাজ হচ্ছে কি, অর্থ বোঝা। ৩) কুরআনকে নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করা। ৪) এর মাধ্যমে নিজেকে পবিত্র করা, পরিশুদ্ধ করা। কারণ কুরআন তো আমাদের জন্য শিফা।
➤ শাইখ মুখতার আহমাদ হাফিজাহুল্লাহ
[কুরআন কেন্দ্রিক মাত্র চারটি কাজ।
২৮.০৩.২০২৬।]

27/03/2026

পশ্চিমারা আমাদেরকে ইনসাফ শিখায়! আমাদেরকে সুশাসন শিখায়!
আরে ইনসাফ, সুশাসন, ন্যায়বিচার, সুবিচার, জাস্টিস কারে বলে বিশ্ব নবী (ﷺ) এর বায়োগ্রাফী থেকে জেনে নাও।
➤ মুহতারাম মিজানুর রহমান আজহারী হাফিজাহুল্লাহ
[সুশাসন ও ন্যায়বিচারের বাংলাদেশ চাই। ]

27/03/2026

ইমাম আহমাদ রহঃ হযরত আয়েশা রাঃ এর সূত্রে বর্ণনা করেন, “হযরত আয়িশা (রাঃ) তাঁর নিজের ঘরে রাসূল (সাঃ) ও আবু বকর (রাঃ)-এর কবরের পাশে হযরত ওমর (রাঃ)-কে দাফন করার পর থেকে, সেই ঘরে প্রবেশকালে পর্দা করতেন, ওমর (রাঃ) তাঁর স্বামী না হওয়ায়, কবরস্থ হওয়ার পরেও তিনি তাঁর সামনে পর্দা বজায় রাখতেন।"
(সীরাতে আয়েশা রাঃ, পৃষ্ঠা ১৬৪।
শাইখ সুলাইমান নদভী রাহিমাহুল্লাহ।)

এ থেকে পর্দার গুরুত্ব অনুমান করা যায়। আম্মাজান আয়েশা রাঃ তো কবরের দাফনকৃত ব্যক্তি থেকেও পর্দা করেছেন। অথচ বর্তমানের পর্দাহীন নারীরা জ্যান্ত-পুরুষের সামনেও পর্দা করে না। ধার্মিক নারীদের জন্য আম্মাজান আয়েশা রাঃ এর আমলটিতে রয়েছে আলোর মিনার।
➤ প্রিয় বোন! পর্দা কেন করবেন ?
লেখক : মাওলানা যুলফিকার আহমদ নকশবন্দী

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jariyah جارية posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Jariyah جارية:

Share