Mon Torongo - মন তরঙ্গ

Mon Torongo -  মন তরঙ্গ আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন শুরু হোক এখন থেকেই
https://montorongo.com/

আমাদের মস্তিষ্ক কখনো কখনো বাস্তবতাকে বিকৃত করে দেখে। ধরুন, একটি প্রেজেন্টেশনে ২০ জনের মধ্যে ১৯ জন আপনার কাজের প্রশংসা কর...
19/06/2026

আমাদের মস্তিষ্ক কখনো কখনো বাস্তবতাকে বিকৃত করে দেখে।

ধরুন, একটি প্রেজেন্টেশনে ২০ জনের মধ্যে ১৯ জন আপনার কাজের প্রশংসা করলো। কিন্তু একজন ছোট্ট সমালোচনা করল। দিন শেষে আপনি কোন কথাটা বেশি মনে রাখলেন?

সম্ভবত সেই একটি মাত্র সমালোচনাই, তাইনা!

অথবা কোনো বন্ধু কয়েক ঘণ্টা ধরে আপনার মেসেজের উত্তর দিল না, আর আপনি ভাবতে শুরু করলেন, “হয়তো সে আমার ওপর রাগ করেছে” বা “আমাকে আর পছন্দ করে না।”

বাস্তবে কী ঘটেছে, তা আমরা নিশ্চিতভাবে জানি না। কিন্তু আমাদের মস্তিষ্ক মাঝে মাঝে এমন কিছু ব্যাখ্যা তৈরি করে, যেগুলো পুরোপুরি সত্য নাও হতে পারে। এই প্রবণতাকেই বলা হয় “Cognitive Distortion”

Cognitive Distortion হলো এমন কিছু চিন্তার ধরণ, যা বাস্তবতাকে বিকৃত করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করে। তখন আমরা কোনো পরিস্থিতিকে আসল রূপে না দেখে ভয়, উদ্বেগ, হতাশা বা নেতিবাচক বিশ্বাসের প্রভাব দিয়ে দেখতে শুরু করি।

যেমন—
“একবার ব্যর্থ হয়েছি, মানে আমি সবসময়ই ব্যর্থ।”
“সে আমার দিকে তাকিয়ে হাসেনি, নিশ্চয়ই আমাকে অপছন্দ করে।”
“একটা ভুল করেছি, সবকিছু নষ্ট হয়ে গেছে।”

এই চিন্তাগুলো সত্য মনে হলেও, অনেক সময় এগুলো বাস্তবতার পুরো চিত্র নয়।

মজার বিষয় হলো, Cognitive Distortion কোনো দুর্বলতার লক্ষণ নয়। প্রায় প্রত্যেক মানুষই জীবনের কোনো না কোনো সময়ে এমন চিন্তার ফাঁদে পড়ে। সমস্যা তখনই হয়, যখন আমরা এসব চিন্তাকে প্রশ্ন না করেই সত্য বলে মেনে নিই।

তাই কোনো নেতিবাচক চিন্তা মাথায় এলে নিজেকে জিজ্ঞেস করতে পারেন—
“এর পক্ষে সত্যিই কী প্রমাণ আছে?”
“আমি কি পুরো ঘটনাটা দেখছি, নাকি শুধু একটি অংশ দেখছি?”
“একই পরিস্থিতিতে কোনো বন্ধুকে আমি কী বলতাম?”

অনেক সময় একটি প্রশ্নই আমাদের চিন্তার ভেতরে লুকিয়ে থাকা বিকৃতিগুলোকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।

মনে রাখবেন, আপনার প্রতিটি চিন্তাই সত্য নয়। কখনো কখনো আমাদের মস্তিষ্ক গল্প বানায়, আর সেই গল্পকে বাস্তবতা মনে করাই হলো Cognitive Distortion-এর সবচেয়ে বড় ফাঁদ।

নেতিবাচক চিন্তা সর্বদা সত্য নয়, অনেক সময় তা শুধু মনের তৈরি করা নিছক একটি গল্প!ধরুন, আপনার একদিন একটি ছোট ভুল হলো। হয়তো ক...
17/06/2026

নেতিবাচক চিন্তা সর্বদা সত্য নয়, অনেক সময় তা শুধু মনের তৈরি করা নিছক একটি গল্প!

ধরুন, আপনার একদিন একটি ছোট ভুল হলো। হয়তো কোনো কাজে প্রত্যাশামতো ফল পেলেন না, কিংবা কারও একটি মন্তব্য মন খারাপ করে দিল। তখন মাথায় নিশ্চয়ই একটা চিন্তা চলেই আসে—“আমার দ্বারা কিছু হবে না।” তাই না!

আসলে চিন্তাটা একা আসেনি। তার সঙ্গে এলো আরও কিছু ভাবনা, যেমন, “আমি যথেষ্ট ভালো নই”, “সবসময়ই আমার সঙ্গে এমন হয়”, “ভবিষ্যতেও কিছু বদলাবে না।”

ধীরে ধীরে একটি চিন্তা থেকে তৈরি হলো একটি পুরো গল্প। আর সেই গল্পই আপনার অনুভূতি, আচরণ এবং নিজের সম্পর্কে ধারণাকে প্রভাবিত করতে শুরু করল।

এভাবেই তৈরি হয় Negative Thinking-এর চক্র।

নেতিবাচক কোনো ঘটনা → নেতিবাচক চিন্তা → খারাপ অনুভূতি → আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া → কাজ এড়িয়ে যাওয়া → আরও হতাশা → আবার নেতিবাচক চিন্তা।

চক্রটি এতটাই ধীরে ধীরে কাজ করে যে অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না কখন এর ভেতরে আমরা আটকে গেছি।

এই চক্র থেকে বের হওয়ার প্রথম ধাপ হলো নিজের চিন্তাগুলোকে চিনতে শেখা। কোনো নেতিবাচক ভাবনা মাথায় এলে সঙ্গে সঙ্গে সেটিকে সত্য ধরে নেওয়ার বদলে একটু থামুন।

নিজেকে জিজ্ঞেস করুন—
“এটা কি সত্যি, নাকি শুধু আমার ভয়?”
“এর বিপরীতে কোনো প্রমাণ আছে কি?”
“আমি কি পুরো পরিস্থিতি দেখছি, নাকি শুধু খারাপ দিকটাই দেখছি?”

মনে রাখবেন, প্রতিটি চিন্তা বাস্তবতা নয়। আমাদের মস্তিষ্ক কখনো কখনো সম্ভাবনাকে নিশ্চিত ঘটনা হিসেবে দেখায়, ছোট ভুলকে বড় ব্যর্থতা বানায়, আর ভয়কে সত্য বলে উপস্থাপন করে।

তাই নেতিবাচক চিন্তা আসলে তাকে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা নয়, বরং তাকে প্রশ্ন করার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

কারণ অনেক সময় আমাদের সবচেয়ে বড় বাঁধা বাস্তবতার মধ্যে নয়, বরং বাস্তবতা সম্পর্কে মনের তৈরি গল্পের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে।

সময়কে সামলাতে পারলেই চাপ কমে, মনও থাকে অনেকটা শান্ত!সকালে ঘুম থেকে উঠেই মনে হলো অনেক কাজ বাকি। ক্লাস, অ্যাসাইনমেন্ট, মিট...
16/06/2026

সময়কে সামলাতে পারলেই চাপ কমে, মনও থাকে অনেকটা শান্ত!

সকালে ঘুম থেকে উঠেই মনে হলো অনেক কাজ বাকি। ক্লাস, অ্যাসাইনমেন্ট, মিটিং, পরিবারের দায়িত্ব, সবকিছু যেন একসঙ্গে এসে হাজির। দিন শেষে কাজের চেয়ে বেশি ক্লান্তি আসে এই ভাবনা থেকে যে, “এত কিছু করবো কীভাবে?”

আমাদের অনেকেই মনে করি Time Management শুধু কাজের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবে এটি আমাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত।

যখন কাজগুলো পরিকল্পনা ছাড়া জমতে থাকে, তখন মস্তিষ্ক সবসময় একটি চাপের মধ্যে থাকে। কোন কাজটা আগে করবো, কোনটা পরে করবো—এই অস্থিরতা থেকেই তৈরি হয় উদ্বেগ, মানসিক চাপ এবং অনেক ক্ষেত্রে ঘুমের সমস্যাও। ধীরে ধীরে এই চাপ আমাদের মনোযোগ, উৎপাদনশীলতা এবং মানসিক সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে।

অন্যদিকে, যখন আমরা কাজগুলোকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করি, অগ্রাধিকার ঠিক করি এবং নিজের জন্য বাস্তবসম্মত সময় নির্ধারণ করি, তখন মস্তিষ্কও কিছুটা স্বস্তি পায়। কারণ তখন সব দায়িত্ব একসঙ্গে মাথার ভেতর ঘুরতে থাকে না; সেগুলোর একটি স্পষ্ট জায়গা তৈরি হয়।

Time Management মানে প্রতিটি মিনিট কাজে ভরে ফেলা নয়। বরং এটি এমন একটি অভ্যাস, যা আমাদের কাজ, বিশ্রাম, ঘুম এবং নিজের জন্য সময়, সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করতে সাহায্য করে।

মজার ব্যাপার হলো, অনেক সময় আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় না আরও বেশি সময়; প্রয়োজন হয় সময়টাকে একটু গুছিয়ে নেওয়ার।

তাই প্রতিদিনের শুরুতে কয়েক মিনিট সময় নিয়ে কাজের তালিকা তৈরি করা, গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো আগে করা এবং বিশ্রামের জন্যও সময় রাখা, এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলোই চাপ কমাতে এবং মানসিক শান্তি বজায় রাখতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

কারণ সুস্থ জীবন মানেই শুধু কাজ শেষ করা নয়, বরং কাজের মাঝেও নিজের মনকে শান্ত রাখতে পারাটাই সুস্থতা!

প্রত্যাখ্যান আপনার মূল্য নির্ধারণ করে না, এটি শুধুই একটি অভিজ্ঞতা মাত্র।হয়তো চাকরির ইন্টারভিউটা ভালোই হয়েছিল, তবুও সুযোগ...
15/06/2026

প্রত্যাখ্যান আপনার মূল্য নির্ধারণ করে না, এটি শুধুই একটি অভিজ্ঞতা মাত্র।

হয়তো চাকরির ইন্টারভিউটা ভালোই হয়েছিল, তবুও সুযোগটা পেলেন না। হয়তো অনেক সাহস করে নিজের অনুভূতির কথা বলেছিলেন, কিন্তু উত্তরটা আপনার প্রত্যাশার মতো আসেনি। কিংবা কোনো স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়, সংগঠন বা সুযোগের দরজা আপনার জন্য খুললো না।

সেই মুহূর্তে আপনার মনে হতে পারে, “আমার মধ্যে হয়তো কোনো কমতি আছে।”

কিন্তু সত্যিই কি তাই?

প্রত্যাখ্যানের সবচেয়ে কঠিন দিক হলো, আমরা প্রায়ই ঘটনাটিকে নিজের পরিচয়ের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলি। একটি “না” শুনে আমরা ভাবতে শুরু করি যে আমরাই যথেষ্ট নই। অথচ বাস্তবে প্রত্যাখ্যান অনেক সময় যোগ্যতার নয়, পরিস্থিতির ফল। সময়, প্রয়োজন, অগ্রাধিকার কিংবা অসংখ্য অদৃশ্য কারণ একটি সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে।

ভাবুন তো, জীবনে এমন কত কিছু আছে যা আপনি চেয়েছিলেন কিন্তু পাননি। আজ হয়তো সেগুলোর কিছু নিয়ে আপনার আর কোনো আফসোসই নেই। কারণ সময়ের সঙ্গে বুঝতে পেরেছেন, একটি বন্ধ দরজা মানেই সব পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া নয়।

প্রত্যাখ্যান কষ্ট দেয়, এবং সেই কষ্ট অনুভব করাটা স্বাভাবিক। নিজেকে জোর করে শক্ত দেখানোর প্রয়োজন নেই। মন খারাপ হলে সেটিকে স্বীকার করুন, নিজের অনুভূতিগুলোকে জায়গা দিন। তবে চেষ্টা করুন যেন একটি অভিজ্ঞতা আপনার পুরো পরিচয় হয়ে না দাঁড়ায়।

প্রত্যাখ্যানকে ব্যর্থতার প্রমাণ হিসেবে নয়, শেখার সুযোগ হিসেবে দেখার অভ্যাস ধীরে ধীরে মানসিক স্থিতিস্থাপকতা গড়ে তোলে। কারণ জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যের পেছনেও থাকে অসংখ্য “না”, অসংখ্য বন্ধ দরজা, আর আবার উঠে দাঁড়ানোর সাহস।

মনে রাখবেন, কোনো সুযোগ আপনাকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে, কোনো মানুষ আপনাকে গ্রহণ নাও করতে পারে, কিন্তু তাতে আপনার মূল্য কমে যায় না। একটি প্রত্যাখ্যান শুধু একটি ঘটনা; এটি আপনার সামর্থ্য, সম্ভাবনা বা মানুষ হিসেবে আপনার মূল্য নির্ধারণ করে না।

মনের অগোছালো ভাবনাগুলো কাগজে নামিয়ে আনাই হতে পারে স্বস্তির প্রথম ধাপ!দিনভর কত রকমের চিন্তা আমাদের মাথার ভেতর ঘুরতে থাকে।...
14/06/2026

মনের অগোছালো ভাবনাগুলো কাগজে নামিয়ে আনাই হতে পারে স্বস্তির প্রথম ধাপ!

দিনভর কত রকমের চিন্তা আমাদের মাথার ভেতর ঘুরতে থাকে। কত অপূর্ণতা, কত দুশ্চিন্তা, কত না বলা কথা, কিংবা এমন কিছু অনুভূতি যেগুলো আমরা নিজের কাছেও স্বীকার করতে চাই না। সবকিছু একসাথে জমতে জমতে কখন যেন মনটা ভারী হয়ে যায়, তাই না!

ধরুন, দিনের শেষে আপনি একটি খাতা খুললেন। সেখানে লিখে ফেললেন আজ কী ঘটেছে, কী আপনাকে আনন্দ দিয়েছে, কী কষ্ট দিয়েছে, কিংবা ঠিক এই মুহূর্তে আপনার মনের ভেতর কী চলছে। কয়েক মিনিট পর হয়তো দেখবেন সমস্যাগুলো আগের মতো বিশাল মনে হচ্ছে না। কারণ, সেগুলো আর শুধু মাথার ভেতর আটকে নেই, সেগুলো শব্দ হয়ে কাগজে চলে এসেছে।

এটাই জার্নালিং!

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত নিজের অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা লিখে রাখলে মানসিক চাপ কমতে পারে, আবেগগুলোকে ভালোভাবে বোঝা যায় এবং চিন্তাগুলো আরও গুছিয়ে নেওয়া সহজ হয়। অনেক সময় আমরা কী অনুভব করছি সেটাই বুঝতে পারি না; কিন্তু লিখতে বসলে সেই অনুভূতিগুলো ধীরে ধীরে পরিষ্কার হয়ে ওঠে।

জার্নালিং কোনো সাহিত্যচর্চা নয়, সুন্দর ভাষায় লেখারও প্রয়োজন নেই। এটি মূলত নিজের সঙ্গে নিজের একটি নির্ভেজাল আলাপ। যেখানে বিচার নেই, সমালোচনা নেই; আছে শুধু নিজের মনের কথাগুলোকে জায়গা দেওয়ার সুযোগ।

হয়তো প্রতিদিন মাত্র ৫ মিনিট লিখলেন, কিন্তু এই ছোট্ট অভ্যাসটিই ধীরে ধীরে আপনাকে নিজের অনুভূতি, প্রয়োজন এবং মানসিক অবস্থার সঙ্গে আরও গভীরভাবে পরিচিত করে তুলতে পারে।

কখনো কখনো স্বস্তি খুঁজে পাওয়ার জন্য নিখুঁত উত্তর খুঁজতে হয় না; শুধু মনের কথাগুলোকে বের হওয়ার একটা পথ করে দিলেই যথেষ্ট।

13/06/2026

কঠিন সময় আমাদের জীবনে আসবেই। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা সেখান থেকে কীভাবে আবার উঠে দাঁড়াই।

Resilience এবং Effective Communication নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা শেয়ার করেছেন—

👩‍⚕️ Mahjareen Binta Gaffar
Lead Psychologist & CBT Coach
🧠 12+ Years of Experience
🎓 M.Phil in Clinical Psychology, University of Dhaka
🎓 BS in Psychology, University of Dhaka
✨ Expertise: CBT, Mindfulness & Self-Regulation

আপনিও যদি emotional wellbeing, confidence, emotional healing এবং personal growth নিয়ে কাজ করতে চান, তাহলে যোগ দিতে পারেন “45 Days to Reclaim Yourself” workshop-এ।

📅 Workshop Starts: 15 July
💰 Early Bird Fee: ৳1000 (১ জুলাই পর্যন্ত)
🏷️ Promo Code ব্যবহার করলে আরও 5% Discount

📩 Enrollment চলছে।

https://montorongo.com/workshop

প্রতিক্রিয়ার পেছনে লুকিয়ে থাকে হাজারো অজানা গল্প!আমরা প্রায়ই ভাবি, “এত ছোট একটা ঘটনায় কেউ এত কষ্ট পেল কেন?” কিংবা “একটা ...
11/06/2026

প্রতিক্রিয়ার পেছনে লুকিয়ে থাকে হাজারো অজানা গল্প!

আমরা প্রায়ই ভাবি, “এত ছোট একটা ঘটনায় কেউ এত কষ্ট পেল কেন?” কিংবা “একটা সাধারণ কথায় এত রেগে যাওয়ার কী আছে?”
কিন্তু আমাদের মনে রাখা উচিত, একজন মানুষের আবেগ শুধুমাত্র বর্তমান মুহূর্তের দ্বারা পরিচালিত হয় না। আমাদের মস্তিষ্ক প্রতিটি অভিজ্ঞতা, স্মৃতি এবং অনুভূতিকে সংরক্ষণ করে রাখে। তাই কোনো একটি শব্দ, আচরণ বা পরিস্থিতি অনেক সময় অতীতের কোনো অপূর্ণ ক্ষত, প্রত্যাখ্যান, অপমান বা ভয়কে আবার জাগিয়ে তুলতে পারে।

ধরুন, কাউকে বারবার অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। পরে জীবনের কোনো এক পর্যায়ে একটি সাধারণ সমালোচনাও তার কাছে শুধু সমালোচনা হিসেবে ধরা নাও দিতে পারে; সেটি পুরোনো সব অনুভূতিকে একসাথে ফিরিয়ে আনতে পারে। একইভাবে, যে মানুষটি একসময় অবহেলার শিকার হয়েছে, তার কাছে সামান্য দূরত্বও অনেক বড় প্রত্যাখ্যান বলে মনে হতে পারে।

এই প্রক্রিয়াকেই বলা হয় ‘Emotional Trigger’—যেখানে বর্তমানের কোনো ঘটনা অতীতের কোনো আবেগকে সক্রিয় করে তোলে। ফলে আমাদের প্রতিক্রিয়া অনেক সময় পরিস্থিতির তুলনায় বেশি তীব্র মনে হয়।

তাই আবেগকে বুঝতে চাইলে শুধু “কি ঘটেছে” তা নয়, বরং “এর আগে কী ঘটেছিল” সেটিও বোঝা জরুরি। কারণ অনেক সময় আমরা বর্তমানের প্রতি নয়, বরং অতীতের কোনো অমীমাংসিত অনুভূতির প্রতিই প্রতিক্রিয়া দেখাই।

নিজেকে আরও ভালোভাবে বুঝতে, মানসিকভাবে শক্তিশালী হতে এবং জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর psychological tools ...
10/06/2026

নিজেকে আরও ভালোভাবে বুঝতে, মানসিকভাবে শক্তিশালী হতে এবং জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর psychological tools ও techniques শেখার জন্য Montorongo নিয়ে এসেছে “45 Days to Reclaim Yourself” — একটি ৪৫ দিনের Psycho-Educational Workshop।

এই workshop-এ আলোচনা করা হবে Overthinking, Anxiety, Stress Management, Emotional Regulation, Confidence Building, Relationship Challenges, Breakup Recovery, Emotional Healing, Mindfulness, Productivity এবং CBT-based Practical Techniques নিয়ে।

👩‍⚕️ Workshop Facilitators

Mahjareen Binta Gaffar
Lead Psychologist & CBT Coach
• 12+ Years of Experience
• M.Phil in Clinical Psychology (DU)
• BS Psychology (DU)
• Expertise: CBT, Mindfulness & Self-Regulation

Jahan Ara
Self-Esteem & Relationship Coach
• 9+ Years of Experience
• MS Educational Psychology (DU)
• BS Psychology (JnU)
• Expertise: Self-Esteem, Relationships & Emotional Healing

📅 Workshop Starts: 15 July
⏳ Duration: 45 Days
💻 Platform: Google Meet
👥 Dedicated WhatsApp Support Group (3 Months)

💰 Regular Fee: ৳1200

🎉 Early Bird Offer: ৳1000 (Valid Until 1 July)

🏷️ Promo Code ব্যবহার করলে Early Bird Fee-এর উপর আরও 5% Discount পাওয়া যাবে।

আপনি যদি অতিরিক্ত চিন্তা, মানসিক চাপ, আত্মবিশ্বাসের অভাব, সম্পর্কের জটিলতা বা জীবনের ফোকাস হারিয়ে ফেলার মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে থাকেন, তাহলে এই workshop হতে পারে নিজের দিকে ফিরে তাকানোর এবং নতুনভাবে শুরু করার একটি সুযোগ।

📌 Enroll Now: www.montorongo.com/workshop

08/06/2026

45 Days to Reclaim Yourself

A Psycho-Educational Workshop by Montorongo

জীবনের নানা চাপ, অতিরিক্ত চিন্তা, মানসিক অস্থিরতা, আত্মবিশ্বাসের অভাব কিংবা সম্পর্কের জটিলতার মাঝে অনেক সময় আমরা নিজের কাছ থেকেই দূরে সরে যাই। এই ৪৫ দিনের workshop আপনাকে নিজের অনুভূতি বুঝতে, মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী হতে এবং জীবনে নতুন করে ফোকাস খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।

এই Workshop-এ যা যা থাকবে

• Overthinking ও anxiety মোকাবিলার কার্যকর কৌশল
• Stress ও emotions নিয়ন্ত্রণের উপায়
• Confidence ও self-esteem উন্নয়ন
• Relationship challenges ও breakup-এর পর নিজেকে গুছিয়ে নেওয়া
• Mindfulness ও self-awareness চর্চা
• Time management ও productivity skills
• CBT-based practical techniques এবং psychological tools

কারা অংশগ্রহণ করতে পারেন?

• যারা অতিরিক্ত চিন্তা বা মানসিক চাপের সঙ্গে লড়াই করছেন
• যারা আত্মবিশ্বাস বাড়াতে চান
• যারা সম্পর্কের কোনো কঠিন সময় পার করছেন বা move on করতে কষ্ট হচ্ছে
• যারা নিজেদের emotions আরও ভালোভাবে বুঝতে চান
• যারা জীবনে ফোকাস, motivation এবং balance ফিরিয়ে আনতে চান
• যারা personal growth-এর জন্য নিজের উপর কাজ করতে আগ্রহী

Workshop Details

📅 Workshop Start Date: 15 July
📅 Duration: 45 Days
💻 Platform: Google Meet
👥 Dedicated WhatsApp Support Group (3 Months)

Enrollment Fee

💰 Regular Fee: ৳1200

🎉 Early Bird Offer: ৳1000
(Valid until 1 July)

Promo Code ব্যবহার করলে Early Bird Fee-এর উপর আরও 5% Discount পাওয়া যাবে।

📌 Enroll Now: www.montorongo.com/workshop

নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করার যাত্রা শুরু হোক আজ থেকেই।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mon Torongo - মন তরঙ্গ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share