Manna Foundation

Call Contact the organization

Manna Foundation ২০০৯ সাল থেকে সুবিধাবঞ্চিত, অসহায়, বিপদ্গস্থ মানুষের পাশে মান্না ফাউন্ডেশন ।

25/09/2026

Welcome to Fly Easy!

Your journey starts here! We're here to make your travel dreams easier, smoother, and more memorable. From flights and tours to unforgettable adventures, we're excited to be part of your journey.

Follow us and let's explore the world together! ✈️

K-News Uncensored
24/02/2026

K-News Uncensored

বিল গেটস ও জেফ্রি এপস্টিনের সম্পর্ক:

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শুরুতে বিল গেটস প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জেফ্রি এপস্টিন সংক্রান্ত লক্ষ লক্ষ নথি প্রকাশ করার পর। গেটস স্বীকার করেন যে তিনি প্রায় ২০১১ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে এপস্টিনের সঙ্গে সময় কাটিয়েছিলেন এবং এটিকে তিনি নিজের বড় ভুল বলে মনে করেন। তিনি বলেন, এপস্টিনের সঙ্গে সময় কাটানোটা ছিল বোকামি এবং তিনি সেই সব সাক্ষাতের প্রতিটি মুহূর্তের জন্য অনুতপ্ত। গেটস স্পষ্ট করে জানান যে তিনি এপস্টিনের সঙ্গে শুধু কিছু নৈশভোজে দেখা করেছিলেন যেখানে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য বিষয়ক তহবিল সংগ্রহ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তিনি কখনোই এপস্টিনের ব্যক্তিগত দ্বীপে যাননি এবং সেখানে কোনো নারীর সঙ্গেও তার দেখা হয়নি। এপস্টিনের ফাইল থেকে পাওয়া কিছু খসড়া ইমেইলে থাকা গুরুতর অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন, যার মধ্যে যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়া এবং তা তখনকার স্ত্রী মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটসের কাছ থেকে গোপন করার দাবি ছিল। গেটস এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং হাস্যকর বলে মন্তব্য করেন। গেটস ফাউন্ডেশন জানায়, নথিগুলোতে মূলত এপস্টিনের হতাশা ফুটে উঠেছে কারণ তিনি গেটসের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখতে পারেননি এবং পরে তাকে বদনাম করার চেষ্টা করেছেন। গেটসের সাবেক স্ত্রী মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস বলেন, এসব তথ্য তার দাম্পত্য জীবনের কষ্টকর স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে এবং তিনি স্বস্তি প্রকাশ করেন যে তিনি এখন আর ওই পরিস্থিতির সঙ্গে জড়িত নন। এখন পর্যন্ত কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই যা বিল গেটসকে এপস্টিনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে বা দেখায় যে তিনি এসব যৌন অপরাধ সম্পর্কে জানতেন কিংবা এতে অংশ নিয়েছিলেন।

K-News Uncensored
24/02/2026

K-News Uncensored

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নতুন বাড়ি-ভাড়া নির্দেশিকা (জানুয়ারি ২০২৬):

প্রধান নিয়মগুলো:

১) ভাড়া বাড়ানো সংক্রান্ত নিয়ম
বাড়িভাড়া কোনোভাবেই ২ বছরের আগে বাড়ানো যাবে না।
বাড়িভাড়া বাড়ানো হলে সেটি শুধু জুন-জুলাই মাসে করা যাবে।
বাড়িভাড়া বাড়ালে সেটি সেই সম্পত্তির মার্কেট ভ্যালুর ১৫% এর বেশি না হলে চলবে না।

২) চাবি ও প্রবেশের অধিকার
বাড়ির মালিককে ছাদ ও মূল গেটের চাবি ভাড়াটিয়ার কাছে শর্তসাপেক্ষে দিতে হবে।
অর্থাৎ, নিরাপত্তার কারণে ভাড়াটিয়ার নিজের বাসায় প্রবেশের সুবিধা থাকতে হবে।
কিন্তু এটি ঘর মালিককে কোনো সময়ই অনির্দিষ্টভাবে রাতের বেলা বা বিরক্তিকর সময় প্রবেশ করার ক্ষমতা দেয় না, এটি ভাড়াটিয়ার নিজস্ব প্রবেশ সহজ করার জন্য নির্দেশ।

৩) চুক্তিপত্র ও রসিদ
লিখিত ভাড়া চুক্তিপত্র করা বাধ্যতামূলক।
ভাড়া পরিশোধের লিখিত রসিদ ভাড়াটিয়াকে দিতে হবে।
The Business Standard

৪) বিরোধ নিষ্পত্তি
বাড়ি-ভাড়া সংক্রান্ত সমস্যা হলে DNCC-র সংশ্লিষ্ট জোনাল কর্মকর্তা-এর কাছে অভিযোগ করা যাবে।

গুরুত্বপূর্ণ: গার্ডকে দরজা খুলতে বাধ্য করার কোন আইন নেই
আপনি যদি প্রশ্ন করে থাকেন “মালিক কি রাতে গার্ডকে বাধ্য করে ভাড়াটিয়ার বাসায় ঢুকতে পারে?,” তাহলে এর উত্তর না। এই নিয়মের উদ্দেশ্য ভাড়াটিয়াকে নিরাপদ ও স্বচ্ছভাবে নিজের বাসায় প্রবেশের সুযোগ দেওয়া, মালিককে ভাড়াটিয়ার ঘরে প্রবেশের ক্ষমতা দেয়ার জন্য নয়।
সরকারি নির্দেশে এমন কোনো স্টেটমেন্ট নেই যে মালিক বা তার প্রতিনিধি রাতে গার্ডকে দরজা খুলতে বাধ্য করতে পারবে।

নতুন নির্দেশিকায়: ভাড়া ২ বছরের আগে বাড়ানো যাবে না।
ভাড়াটিয়াকে ছাদ বা মূল গেটের চাবি দিতে হবে।
গার্ডকে বাধ্য করে ভাড়াটিয়ার বাসায় প্রবেশ করার নিয়ম নেই। (এই নির্দেশিকা এইটা দেয় না)
লিখিত চুক্তি ও রসিদ বাধ্যতামূলক।

K-News Uncensored
24/02/2026

K-News Uncensored

জেফ্রি এপস্টিন একজন দণ্ডিত যৌন অপরাধী ছিলেন, যিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের উপর নির্যাতন চালানোর একটি নেটওয়ার্ক পরিচালনার অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন এবং ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কারাগারে ফেডারেল যৌন পাচার মামলার বিচারের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় মারা যান।

ইলন মাস্ক, টেসলা এবং স্পেসএক্সের বিলিয়নিয়ার সিইও, এপস্টিনের নেটওয়ার্ক সম্পর্কিত সম্প্রতি প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগীয় নথিতে উল্লেখিত হয়েছেন। নথিতে দেখা যায় ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মাস্ক এবং এপস্টিনের মধ্যে একাধিক ইমেইল আদান প্রদান হয়েছিল, যেখানে সামাজিক সাক্ষাৎ এবং এমন কিছু পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা ছিল যা এপস্টিনের ব্যক্তিগত ক্যারিবীয় দ্বীপে ভ্রমণ অন্তর্ভুক্ত করতে পারত, যদিও এমন কোনো ভ্রমণ বাস্তবে ঘটেছিল কি না তা নিশ্চিত নয়। একটি ইমেইলে মাস্ক এপস্টিনকে তার দ্বীপের সবচেয়ে বন্য পার্টি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন এবং ভ্রমণের সেরা সময় জানতে চান। এসব যোগাযোগ নথিতে রয়েছে, তবে এগুলো কোনো অপরাধ প্রমাণ করে না।

কিছু প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির নামের সঙ্গে মাস্কের নামও প্রকাশিত নথিতে এসেছে। এসব নথিতে নাম থাকা মূলত ইমেইল এবং বিভিন্ন উল্লেখের মাধ্যমে এসেছে এবং তা সরাসরি কোনো অসদাচরণের প্রমাণ নয়।

ইলন মাস্ক প্রকাশ্যে কোনো ধরনের অপরাধের কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন এপস্টিনের সঙ্গে তার যোগাযোগ খুবই সীমিত ছিল, তিনি বারবার দ্বীপে যাওয়ার আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং তথাকথিত লোলিটা এক্সপ্রেস নামের বিমানে কখনো ভ্রমণ করেননি। মাস্ক আরও বলেছেন তিনি স্বচ্ছতা এবং এপস্টিন সংক্রান্ত নথি প্রকাশের পক্ষে এবং তার নাম নিয়ে আলোচনাকে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের দিক থেকে মনোযোগ সরিয়ে নেওয়া হিসেবে দেখেন।

ইলন মাস্ক এপস্টিনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বা কোনো অপরাধ করেছেন এমন কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই। প্রকাশিত নথিতে যোগাযোগের উল্লেখ আছে, তবে সেখানে যৌন পাচার বা অন্য কোনো অবৈধ কাজে মাস্কের সম্পৃক্ততার প্রমাণ নেই। এপস্টিন সংক্রান্ত নথিতে কারও নাম থাকা মানে তা কোনো আইনি অভিযোগ বা দণ্ড নয়।

মাস্ক এবং এপস্টিনের সম্পর্ক ছিল পরিচিত পর্যায়ের, প্রায় এক দশক আগে কিছু ইমেইল যোগাযোগ পর্যন্ত সীমিত। মাস্ক কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব বা অপরাধমূলক সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন। এখন পর্যন্ত এমন কোনো প্রমাণ নেই যে ইলন মাস্ক জেফ্রি এপস্টিন সম্পর্কিত কোনো অপরাধ করেছেন।

K-News Uncensored
24/02/2026

K-News Uncensored

বলিউডে আবার আন্ডারওয়ার্ল্ডের ছায়া। এক শীতল অডিও হুমকি ঘিরে নাম এসেছে অভিনেতা রণবীর সিং ও নির্মাতা রোহিত শেট্টির:

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেলবন্দী গ্যাংস্টার লরেন্স বিশ্নোইয়ের গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তিকে ঘিরে মতবিরোধের জের থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আগেই বলিউডের কয়েকজন তারকাকে ঘিরে সন্দেহজনক কথাবার্তা নজরদারিতে রেখেছিল।

মুম্বাইয়ে নির্মাতা রোহিত শেট্টির বাসভবনের বাইরে গুলির শব্দ শোনা যায় বলে জানা গেছে। ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। তবে বিষয়টি গুরুতর উদ্বেগের সৃষ্টি করে এবং পুলিশ মামলা দায়ের করে।

অভিযোগ রয়েছে, অভিনেতা রণবীর সিংয়ের টিমের কাছে চাঁদা দাবি করে একটি বার্তা পাঠানো হয় এবং টাকা না দিলে পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করা হয়। একটি ভয়েস মেসেজও প্রকাশ্যে আসে যেখানে নিজেকে বিশ্নোই গ্যাংয়ের সদস্য দাবি করা এক ব্যক্তি সরাসরি রণবীর সিং ও রোহিত শেট্টিকে হুমকি দেয়। সেখানে বলা হয়, তাদের পরবর্তী সাত প্রজন্ম পর্যন্ত এর পরিণতি মনে রাখবে।

মুম্বাই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে, দুই তারকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং অডিও বার্তা ও সংশ্লিষ্ট যোগাযোগের উৎস শনাক্ত করার কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত কোনো নিশ্চিত হামলার ঘটনা ঘটেনি। তবে কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

K-News Uncensored
24/02/2026

K-News Uncensored

শীতল গুজব নাকি নথির ভুল? জেফরি এপস্টিন ও বাল এর আসল সম্পর্ক কী:

সম্প্রতি অনলাইনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, যেখানে দণ্ডিত যৌন অপরাধী Jeffrey Epstein এর সঙ্গে “বাল” শব্দটির সম্পর্ক খোঁজা হচ্ছে। দাবি উঠেছে, নতুন করে পর্যালোচিত কিছু মামলার নথির আর্থিক অংশে এই শব্দটি দেখা গেছে।

সাম্প্রতিক জনসমক্ষে আসা নথি বিশ্লেষণে একটি লাইনে “Baal name” লেখা রয়েছে বলে মনে হয়েছে। তবে স্ক্যান করা ফাইল পরীক্ষা করা বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এটি সম্ভবত ডিজিটাল টেক্সট রিকগনিশনের ভুল। আসল শব্দটি সম্ভবত ছিল “Bank name”। এপস্টিন কোনো দেবতার নামে ব্যাংক হিসাব খুলেছিলেন বা ওই শব্দটির সঙ্গে যুক্ত কোনো উপাসনা করতেন এমন কোনো সরকারি নথিভুক্ত তথ্য নেই।

পবিত্র Qur'an এ Prophet Ilyas (আ.) এর কাহিনিতে “বাল” এর উল্লেখ রয়েছে, যেখানে মানুষকে মূর্তিপূজা থেকে সতর্ক করা হয়েছিল। ঐতিহাসিকভাবে, “বাল” ছিল প্রাচীন কনানীয়দের একটি দেবতার নাম, যার অর্থ ছিল প্রভু বা অধিপতি। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, বাল-এর উপাসনা শিরক হিসেবে গণ্য, যা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

সরকারি তদন্তে এপস্টিনের সঙ্গে বাল উপাসনা, গুপ্ত আচার বা ধর্মীয় বলিদানের কোনো যাচাইকৃত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ ধরনের দাবি ভাইরাল পোস্টে ছড়ালেও সেগুলো আদালতের নথি দ্বারা সমর্থিত নয়।

এপস্টিনের অপরাধ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে তার সংযোগ বিশ্বজুড়ে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছিল। সেই ইতিহাসের কারণে নথিতে অস্বাভাবিক কোনো শব্দ দেখা গেলেই দ্রুত জল্পনা-কল্পনা ছড়িয়ে পড়ে।

বর্তমান পর্যন্ত, Jeffrey Epstein এর সঙ্গে বাল এর কোনো ধর্মীয় বা আচারগত সংযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণিত তথ্য নেই। শব্দটির উপস্থিতি সম্ভবত একটি প্রযুক্তিগত বা দাপ্তরিক ত্রুটি, বিশ্বাস বা চর্চার প্রমাণ নয়। এখানে যা লেখা হয়েছে তা যুক্তরাষ্ট্রের নথিভুক্ত তথ্য ও আইনগত রেকর্ডের ভিত্তিতে উপস্থাপিত। পাঠকগণ নিজেদের মতামত ও উপসংহার গঠনে স্বাধীন।

K-News Uncensored
24/02/2026

K-News Uncensored

এপস্টিন ফাইলসে কাবার গিলাফ পাঠানোর তথ্য প্রকাশ:

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ Epstein Files Transparency Act অনুযায়ী দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিন সংশ্লিষ্ট তদন্তের আগে সিলগালা করা তিন মিলিয়নেরও বেশি পৃষ্ঠা প্রকাশ করে। প্রকাশিত নথির মধ্যে নতুন করে পাওয়া ইমেইল থ্রেড ও শিপিং রেকর্ড রয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

ফেব্রুয়ারি ও মার্চ ২০১৭ তারিখের ইমেইলে দেখা যায়, কিসওয়া অর্থাৎ মক্কার কাবা শরিফের উপর আবৃত কালো ও সোনালি সূচিকর্ম করা কাপড়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিন টুকরো বস্ত্র সৌদি আরব থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। এই যোগাযোগে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ব্যবসায়ী আজিজা আল আহমাদি এবং সৌদি সংযুক্ত এক মধ্যস্থতাকারী লজিস্টিক সমন্বয়ে কাজ করেন।

নথি অনুযায়ী, পণ্যগুলো বিমানযোগে পাঠানো হয় এবং কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স সহজ করতে “artwork” হিসেবে ঘোষণা করা হয়। একটি অংশকে কাবার ভেতর থেকে এসেছে বলে বর্ণনা করা হয়, আরেকটি ব্যবহৃত বাহ্যিক গিলাফ থেকে, এবং তৃতীয়টি একই ধরনের উপাদানে তৈরি হলেও তা কাবায় ব্যবহৃত হয়নি।

নথি অনুযায়ী চালানটি মার্চ ২০১৭ সালে এপস্টিনের ফ্লোরিডার বাসভবনে পৌঁছায়। তখন এপস্টিন ২০০৮ সালের দণ্ডের পর থেকেই নিবন্ধিত যৌন অপরাধী ছিলেন।

২০১৪ সালের একটি ছবি, যা প্রকাশিত নথির মধ্যে রয়েছে, সেখানে দেখা যায় এপস্টিন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিলিয়নিয়ার ব্যবসায়ী সুলতান আহমেদ বিন সুলাইয়েম একটি কাপড় দেখছেন, যা কিসওয়ার মতো দেখতে। তবে ছবির কাপড়টি আসল কিনা, সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই হয়নি।

এই চালানের খবর প্রকাশের পর অনলাইনে এবং মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই ইসলামের পবিত্রতম স্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বস্ত্র এপস্টিনের কাছে থাকার ধারণায় বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি।

সরকারি নথিতে চালানের লজিস্টিক ও ইমেইলে উল্লেখিত আধ্যাত্মিক প্রতীকী গুরুত্বের কথা বলা হলেও, সৌদি রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে পবিত্র ধর্মীয় বস্তু এপস্টিনকে উপহার দিয়েছে বা বিক্রি করেছে, এমন কোনো যাচাইকৃত প্রমাণ নেই। প্রকাশিত ছবিতে থাকা কাপড়ের সত্যতাও বিতর্কিত। যাচাইকৃত প্রতিবেদনে কেবল সরকারি ফাইলে প্রকাশিত ইমেইল মেটাডাটা ও লজিস্টিক তথ্যের দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

16/02/2026

Remembering Manna

February 17, 2008 – February 17, 2026

18 years

Address

Eastern Commercial Complex, 73 Kakrail
Dhaka
1000

Telephone

+8801958333240

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Manna Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Manna Foundation:

Shortcuts

Share