Shuchona-MJF

Shuchona-MJF “Shuchona” a project being implemented by MJF in Dhaka from November 2021.

05/11/2023

সমকাল- ০৫ নভেম্বর ২০২৩ | পাতা ৯ | নগর সংস্করণ

31/10/2023
’গৃহকর্মীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস সর্ম্পকিত অভিজ্ঞতা বিনিময়’ অনুষ্ঠান মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন...
26/09/2023

’গৃহকর্মীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস সর্ম্পকিত অভিজ্ঞতা বিনিময়’ অনুষ্ঠান

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের (এমজেএফ) ‘সূচনা’ প্রকল্পের মাধ্যমে বর্তমানে ৪ হাজারের বেশি গৃহকর্মী মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবার মাধ্যমে (বিকাশ, নগদ) বেতন নিচ্ছেন। বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন এর সহায়তায় এমজেএফ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে এই প্রকল্প তত্ত্বাবধায়নে আছেন সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার এবং জেন্ডার এডভাইজার স্নিগ্ধা আলি। ২৫ সেপ্টেম্বর মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের আলোক মিলনায়তনে ‘গৃহকর্মীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস সর্ম্পকিত অভিজ্ঞতা বিনিময়’ এ তথ্য উপস্থাপন করা হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নের ২২ মাস শেষে একটি চূড়ান্ত মূল্যায়ন হয়েছে। এই মূল্যায়নের ওপর তৈরি নিবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষণা প্রতিষ্ঠান এ আই আর ডির গবেষক মোজাহিদুল ইসলাম নয়ন। নিবন্ধ উপস্থাপক জানান, এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য নারী গৃহকর্মীদের মজুরি ডিজিটাইজেশন এর মধ্য দিয়ে ডিজিটাল ফাইনান্সিয়াল সিস্টেমে অর্ন্তভূক্তিকরণের মাধ্যমে নারী গৃহকর্মীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন করা। তিনি আরও জানান, সূচনা প্রকল্পের মাধ্যমে ৪০০০ গৃহকর্মী ও ৩৫০০ নিয়োগদাতাদের মধ্যকার বেতন আদান প্রদান নগদ অর্থের পরিবর্তে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে হচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৬% গৃহকর্মীর নিজের মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট আছে। ১০০% নিয়োগদাতা তাদের গৃহকর্মীদের বেতন দিচ্ছেন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে যার ফলে গৃহকর্মীরা নানাভাবে উপকৃত হচ্ছেন। যেমন, প্রায় ৮৫% গৃহকর্মী তার বেতনের কিছু অংশ জমা করতে পারছে যার ফলে তাদের সন্তানদের স্কুলের বেতন প্রদান করেছে। পাশাপাশি তাদের জীবন মানোয়ন্নয়নের তাগিদে তারা বেতনের টাকা জমিয়ে সেলাই মেশিন কিনেছে, ছোট মুদির দোকান শুরু করেছে। তবে ভবিষ্যতে গৃহকর্মীদের জন্য আইন হলে তাদের নিয়োগ, বেতন-ভাতা আরও স্বচ্ছ হবে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে আসন অলংকৃত করেন মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ মুজিবুল হক, চেয়ারম্যান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সর্ম্পকিত স্থায়ী কমিটি। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, জনাব মোঃ তৌফিকুল আরিফ, অতিরিক্ত সচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনাব মোঃ মাইনুল হক ভূঁইয়া উপসচিব তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও আয়শা সিদ্দিকী, উপপরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন), মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। অনুষ্ঠানে অতিথি বক্তা হিসেবে ছিলেন বিকাশের পক্ষ থেকে জনাব এ টি এম মাহবুব আলম, প্রধান – পে রোল বিজনেস কমার্শিয়াল ডিভিশন এবং নগদের পক্ষ থেকে ছিলেন হেদায়েতুল বাশার, প্রধান-কর্পোরেট সেলস, বিজনেস সেলস। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন নারী মৈত্রী, সহায়, বিলস, ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্স, ভরসা ইন্সটিউট, হ্যালো টাস্ক, গ্ণ স্বাক্ষরতা কেন্দ্র, ফুলকি, সবুজের অভিযান, রেড অরেঞ্জ, কর্মজীবি নারী, বোমসা সহ আরোও অনেক সমমনা সংস্থা।

সূচনা প্রকল্প মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নতুন উদ্যোগ যার লক্ষ্য ডিজিটাল মাধ্যমে বেতন গ্রহণের মাধ্যমে নারী গৃহকর্মীদের অর্থ...
02/09/2023

সূচনা প্রকল্প মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নতুন উদ্যোগ যার লক্ষ্য ডিজিটাল মাধ্যমে বেতন গ্রহণের মাধ্যমে নারী গৃহকর্মীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন। গৃহকর্মীর মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বেতন প্রদানে নিয়োগদাতাদের আগ্রহী করে তোলার জন্য মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন গৃহকর্মীর পাশাপাশি নিয়োগদাতাদের সাথেও কাজ করে যাচ্ছে এবং সামাজিক মাধ্যমে সবাইকে উৎসাহিত করছে।

দুলালী, একজন গৃহকর্মী, সূচনা প্রকল্পের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেছেন, "মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ) এর মাধ্যমে আমি আমার ছেলের স্কুলের বেতন এবং কোচিংয়ের বেতন দেই। অনেকসময় অসুস্থ থাকলেও মোবাইলে টাকা থাকলে, সেটি তুলে তাড়াতাড়ি চিকিৎসা করতে পারি। আগে হাতে টাকা থাকলে দুই দিনের মধ্যে খরচ হয়ে যেত তারপর পুরো মাস হিমশিম খাওয়া লাগতো। এখন আমার মোবাইলে টাকা থাকে প্রয়োজনমতো খরচ করি। আগে ঋণ করে ছেলের স্কুলের বেতন বা কোচিং এর বেতন দিতে হতো কিন্তু এখন সেটি করতে হয় না। তাছাড়া আগে স্বামী প্রায়ই টাকা ধার নিয়ে আর ফেরত দিত না। আমি কিছু টাকা সঞ্চয় করে রাখি কারণ আমিতো সারা জীবন মানুষের বাসায় কাজ করতে পারবো না, কোন এক সময়ে গ্রামের বাড়ি চলে যাব। তখন এই জমানো টাকা দিয়ে হাঁস মুরগি পালন করতে পারবো এবং সবজি চাষ করতে পারব।"




সূচনা প্রকল্প মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নতুন উদ্যোগ যার লক্ষ্য ডিজিটাল মাধ্যমে বেতন গ্রহণের মাধ্যমে নারী গৃহকর্মীদের অর্থ...
31/08/2023

সূচনা প্রকল্প মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নতুন উদ্যোগ যার লক্ষ্য ডিজিটাল মাধ্যমে বেতন গ্রহণের মাধ্যমে নারী গৃহকর্মীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন। গৃহকর্মীর মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বেতন প্রদানে নিয়োগদাতাদের আগ্রহী করে তোলার জন্য মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন গৃহকর্মীর পাশাপাশি নিয়োগদাতাদের সাথেও কাজ করে যাচ্ছে এবং সামাজিক মাধ্যমে সবাইকে উৎসাহিত করছে।

রিংকি, একজন গৃহকর্মী, সূচনা প্রকল্পের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেছেন, "আমি সূচনা প্রকল্পের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জানতে পারি কিভাবে মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ) এর জন্য অ্যাকাউন্ট খুলতে হয় ও টাকা লেনদেন করতে হয়। আমি এখন মোবাইল রিচার্জ, বাচ্চাদের বিদ্যালয়ের ফি, ক্যাশ আউটসহ সব ধরনের লেনদেন করতে পারি। আমার দুই বাসার গৃহকর্তা প্রথমে বিকাশে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমি দুই বাসার কাজ ছেড়ে দেই। পরে তৃতীয় বাসায়, আমার মালিক আপা যিনি শিক্ষিত, তিনি আমার কথা বুঝতে পেরে আমাকে বিকাশে টাকা দিতে রাজি হয়। আগে আমার কিছু টাকা অপচয় হয়ে যেতো কিন্তু এখন আমি হিসাব করে ব্যয় করছি এবং কিছু টাকা জমা রাখছি। এই সঞ্চয়ের টাকা দিয়ে আমি আমার মেয়ের এই বছরের বিদ্যালয়ের ভর্তির টাকা দিয়েছি।"




সূচনা প্রকল্প মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নতুন উদ্যোগ যার লক্ষ্য ডিজিটাল মাধ্যমে বেতন গ্রহণের মাধ্যমে নারী গৃহকর্মীদের অর্থ...
30/08/2023

সূচনা প্রকল্প মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নতুন উদ্যোগ যার লক্ষ্য ডিজিটাল মাধ্যমে বেতন গ্রহণের মাধ্যমে নারী গৃহকর্মীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন। গৃহকর্মীর মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বেতন প্রদানে নিয়োগদাতাদের আগ্রহী করে তোলার জন্য মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন গৃহকর্মীর পাশাপাশি নিয়োগদাতাদের সাথেও কাজ করে যাচ্ছে এবং সামাজিক মাধ্যমে সবাইকে উৎসাহিত করছে।

সামিমা, একজন নিয়োগদাতা, সূচনা প্রকল্পের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেছেন, "আমার গৃহকর্মীর স্বামী দেখা যেত মাসে শুরুতেই টাকাটা পেলে নিজের কাছে রেখে দিতো। গৃহকর্মী মাসের অর্ধেক আসলেই বলত টাকা শেষ, কিছু টাকা দেন। কিন্তু এখন বিকাশে টাকা দেওয়াতে ও খুব খুশি। কারণ এখন তার স্বামীর নিয়ন্ত্রণে থাকছে না ওর কষ্টের টাকাটা বরং সে নিজের ইচ্ছামত খরচ করছে। আমার গৃহকর্মীর মাধ্যমে আমি প্রথম সূচনা প্রকল্পের সন্ধান পাই। শুরুতে আমি বিশ্বাস করি নাই পরে সঠিক তথ্য জেনে রাজি হই। তারপর থেকেই আমি বিকাশে লেনদেন শুরু করি। এর মাধ্যমে আমার বেশী টাকা দিতে হচ্ছে না, কেননা গৃহকর্মী তার নিজের টাকা এখন সঞ্চয় করছে। ফলে, দেখা যাচ্ছে এতে আমারও সঞ্চয় হচ্ছে। অনেক সময় দেখা যায় টাকা দিতে মনে থাকে না, কিন্তু এখন যখন মনে পড়ে তখনই টাকা দিতে পারতেছি।”




সূচনা প্রকল্প মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নতুন উদ্যোগ যার লক্ষ্য ডিজিটাল মাধ্যমে বেতন গ্রহণের মাধ্যমে নারী গৃহকর্মীদের অর্থ...
29/08/2023

সূচনা প্রকল্প মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নতুন উদ্যোগ যার লক্ষ্য ডিজিটাল মাধ্যমে বেতন গ্রহণের মাধ্যমে নারী গৃহকর্মীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন। গৃহকর্মীর মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বেতন প্রদানে নিয়োগদাতাদের আগ্রহী করে তোলার জন্য মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন গৃহকর্মীর পাশাপাশি নিয়োগদাতাদের সাথেও কাজ করে যাচ্ছে এবং সামাজিক মাধ্যমে সবাইকে উৎসাহিত করছে।

নাজমা, একজন গৃহকর্মী, সূচনা প্রকল্পের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেছেন, "বাসার কাজ মানেই তো কষ্টের। আগে ম্যাডামরা টাকা দিতো , বাসায় আসার পরে পরিবারের বিভিন্ন কাজে তা হিসাব ছাড়া খরচ হয়ে যেত। শুরুর দিকে আমি টাকা উত্তোলন করতে পারতাম না কিন্তু মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারের উপর প্রশিক্ষণ পাওয়ার পরে আমি এখন টাকা উত্তোলন করতে পারি। এখন ম্যাডামদের কাছ থেকে টাকা পাওয়ার পরে আস্তে ধীরে ঘর ভাড়া দিয়ে, বাচ্চার খরচ দিয়ে, কিছু টাকা সঞ্চয় করি। আমি এক আপার কাছে তিন হাজার টাকার কাজ করি। একদিন আমাকে এই আপা অর্ধেক টাকা দিয়ে বলেছিলো পরের দিন বাকি অর্ধেক টাকা দিবেন। কিন্তু পরে ভুলে যাওয়ায় হিসাবে সমস্যা সৃষ্টি হয়।‌ এখন ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেনের ফলে আমার কাছে সকল লেনদেনের তথ্য থাকে। আগে হাতে হাতে লেনদেন থেকে এখান বিকাশের লেনদেনটা আমার বেশি ভালো লাগতেছে।"




সূচনা প্রকল্প মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নতুন উদ্যোগ যার লক্ষ্য ডিজিটাল মাধ্যমে বেতন গ্রহণের মাধ্যমে নারী গৃহকর্মীদের অর্থ...
28/08/2023

সূচনা প্রকল্প মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নতুন উদ্যোগ যার লক্ষ্য ডিজিটাল মাধ্যমে বেতন গ্রহণের মাধ্যমে নারী গৃহকর্মীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন। গৃহকর্মীর মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বেতন প্রদানে নিয়োগদাতাদের আগ্রহী করে তোলার জন্য মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন গৃহকর্মীর পাশাপাশি নিয়োগদাতাদের সাথেও কাজ করে যাচ্ছে এবং সামাজিক মাধ্যমে সবাইকে উৎসাহিত করছে।

সোনিয়া, একজন নিয়োগদাতা, সূচনা প্রকল্পের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলেছেন, "‘সফল নারী নিয়োগকর্তাদের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে এসে আমার খুবই ভালো লাগছে। কারণ আমি কখনো এভাবে চিন্তা করিনি যে আমাদের মত নারী, যারা আমরা ঘরে থাকি এবং যারা আমাদের ঘরে কাজ করে, তাদেরকে নিয়েও যে একটি কাজ হবে। তাদেরকে আজকে যে সম্মাননা দিচ্ছে তাতে আমি অনেক খুশি। এনজিওগুলো সবসময় প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করেছে কিন্তু এই প্রথম সূচনা প্রকল্প আমাদের মত নারী নিয়োগদাতা এবং গৃহকর্মীদের নিয়ে কাজ করছে। অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আমার এবং আমার গৃহকর্মীর দুজনেরই সুবিধা হচ্ছে। প্রথমে আমি ডিজিটাল মাধ্যমে টাকা লেনদেন করতে রাজি হইনি। কিন্তু পরে যখন যথাযথ প্রশিক্ষণ পেয়ে লেনদেন করে দেখলাম যে আমার অনেক সুবিধা হচ্ছে যেমন- প্রথমত, আমি আমার টাকার হিসাব রাখতে পারছিলাম।দ্বিতীয়ত, নির্বিঘ্নে লেনদেন করতে পারছিলাম। তৃতীয়ত, আমার গৃহকর্মী যদি টাকাটা হারিয়ে ফেলে তখন আমার কাছে একটি প্রমাণ থাকে টাকা দেয়ার। আমি আমার গৃহকর্মীর বেতন যেকোনো সময়ে পাঠিয়ে দিতে পারি। আমি যদি ঘরের বাহিরেও থাকি তাহলেও তাদের বেতন সময় মত দিতে পারছি। এতে আমার এবং আমার গৃহকর্মীর পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নয়ন হয়েছে।

গৃহকর্মী ও নিয়োগদাতাদের মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গৃহকর্মীর মজুরি আদান-প্রদান করলে গৃহকর্মী এবং নিয়োগদাতা উভয়ই লাভবান হবেন।




সূচনা প্রকল্প মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নতুন উদ্যোগ যার লক্ষ্য ডিজিটাল মাধ্যমে বেতন গ্রহণের মাধ্যমে নারী গৃহকর্মীদের অর্থ...
23/08/2023

সূচনা প্রকল্প মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নতুন উদ্যোগ যার লক্ষ্য ডিজিটাল মাধ্যমে বেতন গ্রহণের মাধ্যমে নারী গৃহকর্মীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন। গৃহকর্মীর বেতন মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে নিয়োগকর্তাদের প্রদানে আগ্রহী করে তোলার জন্য মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন গৃহকর্মীর পাশাপাশি গৃহকর্তাদের সাথেও কাজ করে যাচ্ছেন এবং সামাজিক মাধ্যমে সবাইকে উৎসাহিত করছে।

আদুরী, একজন গৃহকর্মী, সূচনা প্রকল্পের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেছেন, "প্রায় তিন বছর ধরে মানুষের বাসায় কাজ করি। কিন্তু কখনো টাকা রাখতে পারতাম না সব টাকা একসাথে খরচ করে ফেলতাম। আগে ক্যাশ টাকা হাতে থাকলে অপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনে টাকা খরচ হয়ে যেত। সূচনা প্রকল্পের জন্য এখন আমি বিকাশে বেতন গ্রহণ করি। সূচনা প্রকল্পে ট্রেনিং এর মাধ্যমে আমরা আরও শিখতে পেরেছি যে পিন নাম্বার কারো সাথে শেয়ার করা যাবে না তাহলে আমার টাকা অন্য একজন নিয়ে যেতে পারবে। আগে আমার স্বামী বলতো যে, ‘তোমার হাতে যেহেতু টাকা আছে তুমি ঘর ভাড়াটা দিয়ে দাও আমার কাছে টাকা আসলে ফেরত দিয়ে দিব।’ কিন্তু সে টাকা আর কখনোই ফেরত দিত না। কিন্তু এখন আমি আমার টাকা বিকাশে রাখি এবং আমার স্বামী বিকাশ পিন নাম্বার জানে না দেখে টাকাটা আর নিতে পারে না। এখন সে আমাকে বলে, ‘যেহেতু টাকা জমানো শিখেছ তাহলে টাকা জমাও, টাকা জমালে তো আর অন্য কোথাও খরচ হবে না নিজেদের কাজেই লাগবে।‘এই কারণে টাকার জন্য আর জোর করে না।"

গৃহকর্মী ও নিয়োগকর্তাদের মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গৃহকর্মীর মজুরি আদান-প্রদান করলে গৃহকর্মী এবং নিয়োগকর্তা উভয়ই লাভবান হবেন।




Address

Manusher Jonno Foundation (MJF)
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shuchona-MJF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Shuchona-MJF:

Share