30/03/2026
ইরান বোট বানাইছে ফাইবার গ্লাস দিয়ে। হেলমেটের ওপরের শেল বা গাড়ির বাম্পার বানায় যেটা দিয়ে -ওইটা। লোহা বা স্টিল না থাকার মতোই। খুব কম।
ফাইবার গ্লাস পাতলা। ওজন নাই। ছোট। বোট ৫০-৬০ ফিট। ফলে গতি বেশি। যেন বৈশাখের ঝড়! চোখের পলকে আসে, আরেক পলকে মিলায়!
ধাতু বা স্টিল না থাকায় রাডার ওয়েভ রিফ্লেক্ট করে না তেমন। যতটুকু প্রতিফলিত হয় - তাও সোজাসুজি না। আশেপাশে ছড়িয়ে যায়। মোরোভার, দিস ফাইবার ক্যান অ্যাবসর্ব রাডার ওয়েভ।
ফলে, রাডার বুঝতে পারে না এইটা কি বোট না পানির ঢেউ। ছোট হওয়াতে প্রায়শই ধোঁকা খায়।
আরেকটা আছে সেমি‑সাবমার্সিবল বোট। ৮০ -৯০% থাকে পানির ভেতরে। মানে আমরা যেমন নাক উঁচু করে শরীর ডুবিয়ে রাখি, তেমন। ওটাও এন্টেনা বের করে শরীর ডুবিয়ে রাখতে পারে - রিস্ক দেখলে!
বোটে করে এন্টি শিপ মিসাইল নিয়ে ঘুরে এরা। আবার ছোট টর্পেডো আছে। যেটা দিয়ে মেরিকা ইরানের জাহাজ ডুবাইছিলো, ভারত থেকে আসার পথে।
ওইটা ধরেন পানির মিসাইল। পানির নিচ দিয়ে গিয়ে বুউম!
ছোট হওয়াতে বড় শিপে আক্রমণ করে মৌমাছির মতো। মানে, চারপাশে ঘিরে। একটা মৌমাছি কামড়াতে আসলে থাপ্রায়ে মেরে ফেলতে পারবেন। কিন্তু দশ বিশটা আসলে হয়তো দুইটা পারবেন। বাকিগুলো পোঙ্গা মেরে দিবে।
তেমনি, এই সোয়ার্ম অ্যাটাক।
তাই জাহাজের প্রতিরক্ষা সিস্টেম এই আক্রমণের লোড নিতে পারে না। ওবায়েদুল কাদেরের মতো হ্যাং হয়ে যায়।
ইরান বহুবার এইসব সোয়ার্ম অ্যাটাক দিয়ে, বহু জাহাজকে হ্যারাস করেছে।
মার্কিন জাহাজকে তো ওরা মক করে। হুটহাট কোত্থেকে উঠে আসে, চারপাশে একটা ঘুত্তি দিয়া, ডর লাগিয়ে ফটাফট পালায়ে যায়।
কি একটা অবস্থা!
এজন্য পশ্চিমারা নাম দিছে ঘোস্ট বোট। মানে ভুতুড়ে নৌকা। লীগের না; ওইটা ইরানের।
ঘোস্ট বোটের এই আপগ্রেড ইরানের নিজস্ব!
ড্রোন বোটের আলাপ তো দিলামই না। এগুলোতে মানুষ লাগে। ওইটা মানুষ ছাড়াই মারে!😁
হরমুজকে একদিন ব্লক করা লাগতে পারে -তারা জানতো।
ব্লক করলে কি হবে, কোন ধরণের আক্রমণ হবে, কিভাবে এবং কি দিয়ে - সেই ক্যালকুলেশন, ইঞ্জিনিয়ারিং থেকেই তারা ঘোস্ট বোটকে আপগ্রেড করেছে, যা প্রমাণ করে- দে ওয়ার রেডি লং বিফোর আমেরিকা কুড ইভেন ইম্যাজিন!
Follow : Protesting Voice for More👍