Buetian Rhapsody

Buetian Rhapsody For the students, of the students, by the students of BUET

25/09/2025

(001287)
Leaving it here if anybody can ever relate to this(Don't intended to get anything in return,no sympathy,no empathy)
I was grown up in a separated family so I never got my parents emotionally available to me.They just carried out their responsibilities bcz they were mere responsibilities to them.So I grew up in my own way with my free-spirits.They took me for granted,hence my attachments never budded.Other relatives?As typical bengali crooked relatives do,they never spared a single moment for me rather they brag me to be the happiest after surviving such a fam and thriving into academic excellences LoL.Anyways,I have no potential,no special talent just an average guy just going with the flow.Even I can no longer study as I could before BUET.Again,I got no friends in my school,college,university.Sounds funny, right ?but yeah that's the truth.Literally if you ask any I can't mention a single name in my entire 20yrs, such a tyrannical loner I'm.Nobody ever listened to me nor I could open up myself.People just do for their sake.They be sympathizing like "Ah,you got these issues?Time will heal Or better consult with mental health specialist" Or giving you
fu***ng solutions(BUT deep down inside you know nothing will never ever change), leaving you passing thousand judgements with your emptiness only.Atp,I no longer need any friends.
I just don't give a flying f**k to all the formalities in this fu***ng world.I will never forgive myself,I will never forgive my birth-givers,I won't forgive this excruciating world and I won't forgive any being that procreates to another soulless existence.I will never forgive solitude,I will never forgive companionship.All I just wait for a peaceful death after all the formalities being over.Only Then I can share each and everything of me with my own graveyard.

16/09/2025

(001286)
এই পেজ কবে থেকে, কেনো ফলো শুরু করেছিলাম মনে নেই। তবে এর সুবাদেই বুঝলাম বুয়েটে আবার পরীক্ষা পেছানোর ভূত ঢুকেছে। সাথে এটা দেখেও ভালো লাগল অনেকেই এর প্রতিবাদ করছে। প্রায় এক যুগেরও আগে আমাদের সময়ে পরীক্ষা হতো সপ্তাহে একটা করে, এরপরেও পরীক্ষা পেছানো শেষ হতো না। লাল রুটিন, সাদা রুটিন আরো কত বাহারি নাম ছিল। আর প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার সাহস কারো হত না।

এই পরীক্ষা পেছানো নিয়ে কত নাটক যে দেখেছি! ক্যাম্পাস ভাংচুর করে হল ভ্যাকেন্ট, রোজার মাসে পরীক্ষা দিবে না বলে পাবলিক প্লেসে অজ্ঞান হয়ে যাবার নাটক কিংবা তিনবেলা ভরপেট খেয়ে রোজার মাসে পরীক্ষা দেয়ার কষ্টের বাণী, পরীক্ষার দিন সকালে ক্যাম্পাসের গেটে তালা - এসব নিয়ে লেখতে থাকলে উপন্যাস হয়ে যাবে। এই পরীক্ষা পেছানো আর রাজনৈতিক অস্থিরতায় আমাদের ব্যাচের প্রথম দুই সেমিস্টার শেষ করতে দুই বছরের কাছাকাছি লেগেছিল।

পরীক্ষা পেছানোর খেলা আটকে দিয়েছে অনেক স্বপ্ন, অনেক পরিবার, অনেক সম্পর্ক। কেউ গ্র্যাজুয়েশনের দিন বাবা-মাকে আর পাশে পায়নি, কেউ ভালোবাসার মানুষকে হারিয়েছে, কেউ পরিবারের দায়িত্ব নিতে গিয়ে জীবনের সেরা সুযোগ হাতছাড়া করেছে।

হয়তো আমরা সবাই এগিয়ে গেছি, জীবনও এগিয়ে গেছে। তবুও সেই ভাঙা স্বপ্ন আর অপূর্ণ অপেক্ষার দীর্ঘশ্বাসগুলো কোথাও না কোথাও এখনও রয়ে গেছে।

16/09/2025

(001285)
অনেকে নিজেকে ডেস্ক্রাইব করতে একটা কথা ব্যবহার করে, "Jack of all trades, master of none." এর অর্থ আপনি মোটামুটি সবকিছুতেই এভারেজ, কোনো কিছুতেই আপনার দক্ষতা খুব বেশি নেই। চারপাশে অনেকে আছে একাডেমিকস এ ভালো, কারো আবার স্কিল ভালো। কেউ কেউ দুই দিকেই ব্যালেন্স রেখেছে।

আপনার আশেপাশে অনেককেই দেখবেন, যারা এর দুইটার একটাতেও পড়ে না (পড়লেও স্বীকার করবে না)। কিন্তু তাদের আবার আলাদা নলেজ আছে। কেউ প্রচুর মুভি,সিরিজ দেখে, কেউ ফুটবল বা ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ, কেউ প্রচুর এনিমে দেখে, কেউ বিশ্বরাজনীতির ভ্রাম্যমাণ এনসাইক্লোপিডিয়া।

আমার এক বন্ধু আছে, সে দেখি পলিটিক্স নিয়ে রীতিমতো বিদ্যাসাগর হয়ে আছে। তার সাথে গল্প করেও মজা আছে। প্রচুর জ্ঞানী মানুষ। আবার আরেক ফ্রেন্ড কঠিন এনিমে লাভার। সে যে কয়টা এনিমে বা মাঙ্গা চিনে, আমি মনে হয় অতগুলো মানুষকেও চিনি না।

আমি এমন এক পাবলিক, যার সাথে আপনি কিছু নিয়েই আলোচনা কর‍তে পারবেন না। স্কুল লাইফে শুধু পড়াশোনাই করে গিয়েছি। তার উপর টক্সিক একটা পরিবেশে স্কুল লাইফ কাটিয়েছি। ফলে তখন মুভি, সিরিজ, খেলাধুলা - কোনো ব্যাপারেই তেমন নলেজ ছিলো না।

কলেজ লাইফ তো দৌড়ের উপর গেল। তখন ইন্টারনেটও চালাতাম না তেমন।

তাই দেখা গেল যখন ভার্সিটিতে উঠলাম, তখন আমার সবকিছুতেই সার্ফেস লেভেলের জ্ঞান।

যেখানে বাকি সবার ঠোঁটের ডগায় ফুটবল বা ক্রিকেটের স্ট্যাটস থাকে, সেখানে আমি এটাই শিউর না আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগার একজন ফুটবলারের নাম নাকি অভিনেতার নাম। যেখানে অনেকে শত শত মুভি সিরিজ দেখে বসে আছে, সেখানে আমার নলেজ এমন যে যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন শাটার আইল্যান্ড এর পরিচালক কে... আমি হয়তো বলবো ক্রিস্টোফার নোলান। প্রমিজড নেভারল্যান্ড নাম শুনে ভাবসি ৩০০০ বছর আগে প্রমিজ করা কোনো ল্যান্ড নিয়ে এনিমে কিনা (extremely sorry to anime fans, specially to that person jake eta bolsi. Later I saw it’s a good anime)।

তো এখন আমার পার্স্পেক্টিভ থেকে চিন্তা করেন। আমি এমন একটা মানুষ যার কোনোকিছু নিয়েই তেমন গভীর জ্ঞান নাই। আপনি আমার সাথে 5 মিনিট শান্তিতে গল্প কর‍তে পারবেন না। কারণ আমি কিছুই জানি না। আমার একাডেমিকস ও ভালো না, স্কিল তো কিছুই নাই।

এই যে আমি যে হীনমন্যতায় ভুগছি, এটা আমাকে দেখে বুঝার উপায় নাই। বুঝার উপায় নাই দেখে মানুষ মনে করে আমি খুব সুখে আছি। ফলে কারো সাথে এটা শেয়ার করলে সে জীবনেও বিশ্বাস করবে না, তাই এখানে বললাম।

অনেকে আছেন যারা একাডেমিকস বা স্কিল না থাকায় হতাশায় ভুগেন। তারা আমার কাহিনি পড়ে এট লিস্ট এইটুকু ভাবতে পারেন যে আপনার থেকেও বলদ আর আকাইম্মা খোদ বুয়েটের ভিতরেই আছে।

15/09/2025

(001284)
কলেজ থাকতে আট নম্বর বাসে রেগুলার যাওয়া আসা করতে হতো |

এমনি এক দিন | প্রচন্ড রোদ, তাকানো যাচ্ছে না | গরমে অসহ্য লাগছিল আর আফসোস হচ্ছিল আমার কেন এই লোকাল বাসে যাওয়া আসা করতে হয় |

প্রেসক্লাব মোর | ফুটপাথে পরে আছে একটা ছোট বাচ্চা | অনেক ছোট, হয়তো ১ বছর ও হবেনা | সাথে কেউ নেই, মানুষ উঁকি দিয়ে দিয়ে যাচ্ছে | এরকম অবস্থায় থাকলে হয়তো খুব বেশিদিন বাঁচবে না | এত রোদ, তাও সব কিছু অন্ধকার |

কলেজ আসা যাওয়া পথে অনেক কিছুই দেখতে হতো এই রাস্তায় | মিছিল বা মারামারি তে রক্তারক্তি, নগ্ন ভিক্ষুক, সপ্তায় সপ্তায় আমরণ অনশন |

বুয়েটে আসা যাওয়া পথে অবশ্য এত কিছু চোখে পরে না | কারণ হয়তো বুয়েটে খুব বেশি আসা যাওয়াই করতে হয়না |

15/09/2025

(001283)
Replying to (001212),

Dear Concern,

Glad to see you're so concerned about me that you managed your valuable time posting on rhapsody. It's been a while and after pointing out omni-directional pointers, the beam has finally been focused on me. How did I know? Well, you informed me by the way. However, never have I ever thought in my life of such occurrence, which I also gladly accept since I also evidently made some mistakes.

Speaking of mistakes, let's clear it out. You're my close one, right? I thought after a month of extreme academic pressure, you'd be the person to share some moments. Sounds fine? Well, not. I do accept that I was wrong at many points though. But your actions just reminded me of some past incidents that not everyone deserves love.

Speaking of your accusations, I want to thank you for making things clear. I also want to make things clear. Want to listen? Provided the answer is yes, my reply would be,

Never in my life have I thought for a second time before stretching my helping hand to any individual. I do accept, I am a nerdy guy who doesn't understand where to stop at some point though. You deserve a second thanks for that. But let's talk to the point, I firmly believe that, I respect my folks and they respect me. I love my folks and they love me. I help my folks and they help me. It's always mutual, at least that's what has happended till now.

Shouting it out loud in the rhapsody; loud and clear; your opinion is just nothing but a piece of dirt in my white cloth, which I wash out every day, by the way. So, thanks for spitting some facts without getting the actual point about my personal life.

Stay happy, stay safe. Also, you should know that hatred and love don't reside in the same heart. So, I do appreciate your anonymous, and bold accusations. At the same time, I clearly denounce your thought process, public shaming with direct pointing, which is nothing to be so proud of. Things could have worked a lot beautifully, at least this is what seems to me. So, pardon me and purify yourself and allow me to rectify my mistakes. Till then, Good bye. Brother still loves you.

Also, you should keep in mind that, like a half-silvered mirror, half of your accusations are completely false and totally irrelevant. Since you are such a grown up guy(s), I think you should step down a little bit and think from a simpler approach. After all, Life's isn't that much complex that a simple fact which can be easily solved through direct communication, went so far, more importantly, in public with such exaggerations. Hope I am able to clear out my views without offending anyone and I will certainly act upon my words in future in further communication, InShaAllah. Actions do have reactions, and thanks to you guy(s), now, I can foresee them.

Faithfully Yours,
(000000)

13/09/2025

(001282)
জীবন আর মৃত্যুর মাঝে সময় ঠিক কতটুকুর? আমরা কি দিনে অসংখ্য সুযোগ পাই না জীবন শেষ করে দেওয়ার?

ফুটপাত দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় যখন পাশ দিয়ে দ্রুতগামী ট্রাক এগিয়ে আসে তখন কি ইচ্ছে করে না ঝাপ দিতে? ট্রেন লাইন দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় পিছন থেকে ট্রেনের ঝকঝকানি শুনে আমরা তো হাটা থামিয়ে পাশে নেমে যাই। অথচ চাইলেই থমকে দাঁড়িয়ে থাকা যেত দানবের মুখের সামনে৷ অথবা নিজের রুমের ঘুরন্ত ফ্যানের দিকে তাকিয়ে কি মনে হয় না যে পাখা তিন টিকে চিরদিনের মতো থামিয়ে দেওয়া যাক। না হয় ফল কাটার সময় হঠাৎ থমকে ছুরিটা হাতে ধরে কি ইচ্ছে করে না যে গলায় একটি রেখা টেনে দিতে? বেশিরভাগ মানুষই তা করতে পারে না। কারন? কারন আশা। বাবা- মায়ের হাসিমুখ দেখার আশা, প্রিয় মানুষটির সাথে আরো কিছু মুহূর্ত কাটানোর আশা, বাসার ছোট সদস্যদের সাথে মিশে আবার ছোটোবেলায় হারিয়ে যাওয়ার আশা, হয়তো কালকের দিনটি জীবনকে বদলে দিবে এই আশায় আমরা বাচি ; আমাদের সাহস হয়ে ওঠে না চলন্ত ট্রাকের সামনে ঝাপ দেওয়ার। তবে পৃথিবীর সবাই তো আর স্বাভাবিক হয় না। তাই আজো গভীর রাতে কেউ কেউ বসে থাকে রেললাইন এর আধারে যার জীবন আলোকিত করার জন্য হয়ত ট্রেনের হেডলাইট পর্যাপ্ত হয়ে ওঠে না। কেউবা হঠাৎ চলে আসে রাস্তার মাঝে ছুটন্ত গাড়ির সামনে, কেউ হয়ত জীবনের স্রোতের সাথে তাল মিলাতে না পেরে নদীর স্রোতেই নিজের আশ্রয় খুজে নেয়।

আমি তাদের দোষ দিব না। দোষ এই সিস্টেমের যা তাদেরকে বেচেঁ থাকার আশা দেখাতে পারে না। অথবা দোষ হয়ত তাদের নিজেদেরই কেননা দুর্বলরাই এ সমাজের সকল অপরাধের ভাগীদার। কিন্তু প্রতিটা দিন ক্রমাগত নিজের সাথে লড়াই করে একদিন হেরে যাওয়া কতটা কষ্টের তা সে যে হারে শুধু সেই জানে। This world is for winners only. আর কেউ জিতলে অন্য কাউকে তো হারতেই হবে।

11/09/2025

(001281)
বুয়েটে চান্স পেলাম। চান্স পেয়ে চার-পাচ মাস ছুটি দেখে খুব খুশি হয়েছিলাম।এতদিন এত পরিশ্রম করার পর একটু শান্তিতে থাকব দীর্ঘদিন এই ভেবেই ফূর্তিতে ছিলাম।ক্লাস শুরু হলো। এক্সাম এর ঠিক আগের দিন বয়কট এর সিদ্ধান্ত। সবচেয়ে জুনিয়র ব্যাচ। আন্দোলন এর মূল ম্যান পাওয়ার হিসেবে দুইদিন আন্দোলন চললো।এর খেসারত দিতে হলো ৩ মাস সময় নষ্ট।তারপর ভাবলাম ১-২ তে হয়তো সব ঠিকঠাক হবে।দেশে বড় আন্দোলন হয়ে গেলো।আবার তিন মাস নষ্ট।ক্লাস শুরু হলো। হয়তো নতুন স্বাধীনতার পর এমন আন্দোলন আর করতে হবেনা ভেবে ভালো লেগেছিল।কিন্তু ক্লাস শুরুর এক মাস পর আবার বয়কট। এক মাস নষ্ট।টানা দশ উইক ক্লাস করতে হলো।তাও আবার লাস্ট উইকে দুইদিন বাকি তখন এসে বয়কট হলো।আবার ১-২ মাস নষ্ট।২-১ এ এসে পুরো টার্ম সুন্দর চলছিল। এখন আবার ১ মাস নষ্ট হলো।আরো হবে সামনে।চান্স পাওয়ার পর থেকে দেড় বছর শুধু ছুটিই কাটালাম।ভাবলে হতাশ লাগে।বাসায় পড়াশোনার ইচ্ছে হয়না।মাসে ৩০-৪০ হাজার না হয় এখন পাচ্ছি। চাইলে আরো কামানো যায়।কিন্তু লাভ কী?এগুলো কী আজীবন করা যায়?২৪-২৫ বছর এর দামড়া হয়ে কী টিউশন করানো যায়?কী আর বলবো।আমাকে একটু পরামর্শ দিন কী করব।যারা অযৌক্তিক বয়কট এর পক্ষে থাকেন,পক্ষে ভোট দেন আল্লাহ তাদের দুনিয়াতে যেন এর শাস্তি দেন। দোয়া করি।

11/09/2025

(001280)
যেই ছুকুর কানা লাইব্রেরির বাইরে থেকে আমার ছাতা চুরি করসোস, তোর দাম্পত্য জীবন সুখের হইবোনা। আজকে বাসায় ইচ্ছামতোন ঝাড়ি শুনলাম তোর জন্য

11/09/2025

(001279)
পূজার পরে আর বয়কট না হওয়া নিয়ে চিন্তিত?ভাবছেন এই বুঝি শেষ?তাহলে আজই নিয়ে নেন আমাদের বয়কট স্পেশাল কোর্স। ইতোমধ্যে বয়কটের পক্ষে বিভিন্ন জায়গায় ভোট দিয়ে থাকলে থাকছে স্পেশাল ডিসকাউন্ট।

কোর্সে যা যা থাকছে:

১. বয়কটের পক্ষে ১০১টি illogical reason(যেমন:অক্টোবর মাসে আমাদের অনেকের জন্মদিন,এই স্পেশাল মুহূর্তটি অবশ্যই পরিবারের সাথে কাটানো উচিত।এছাড়াও সেপ্টেম্বর মাসে এশিয়া কাপ হচ্ছে,আরও একবার বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট শুরুর ৭ দিনের মধ্যে বিদায় নিতে দেখার কষ্ট ভুলতেও তো ২ মাস লাগবে...etc)

২. illogical reason কে logical ভাবে উপস্থাপন করার চমকপ্রদ সব উপায়(বিশ্বাস করেন রাসেল ভাই,,,বয়কট গ্যাং এর লোকজন বাদে সবার কাছে logical লাগবে)।

৩. CE-24 এর একজনের মতো যারা যারা এক্সাম দিতে যাবে তাদের আটকানোর জন্য স্পেশাল মিলিটারি ট্রেনিং।

৪. প্রয়োজনে সবাই মিলে হাত ভাঙার নাটক করে এক্সাম পেছানোর ট্রেনিং(এটি অবশ্যই আমাদের শ্রদ্ধেয় ডিসি মাসুদ স্যার শেখাবেন)।

৫. নির্বাচনের পরে পরীক্ষা দেওয়ার গুরুত্ব উপস্থাপন(অবশ্যই মির্জা ফখরুল স্যার উপস্থাপন করবেন)

৬. বয়কটের মাঝে গোপনে tour দেয়ার সুব্যবস্থা।

৭. সাথে থাকছে সিএসবিতে সবচেয়ে বেশি বয়কটের পক্ষে পোস্ট,কমেন্টকারীর জন্য একটি স্পেশাল তিন চাকাওয়ালা সাইকেল।

তাই দেরি না করে আজই নিয়ে ফেলুন এই স্পেশাল কোর্স...প্রথম ১০ জনের জন্য থাকছে সুবিশাল 0% ডিসকাউন্ট।

10/09/2025

(001278)
ঘড়িতে ৭টা ১৩ । প্রথমটাই মনে হল ধাতুর মধ্যে বাতাস আটকে উদ্ভট শব্দ হচ্ছে, ক্রমেই যেন এই শব্দ তাকে গিলে ফেলবে। জানালার ফাক দিয়ে আসা আলোর চমকে যখন খানিকটা সঙ্গা ফিরল তখন সে হাত বাড়িয়ে এলার্ম টা বন্ধ করলো। আজ সকালের আলো অন্য সকালগুলোর আলো থেকে যেন আলাদা এ আলো রোদ নয় টিউবলাইট নয় এ যেন এক মায়াবী আভা । এই আলো সোনালী নয় সাদা নয় বিবর্ণ ধূসর। দাঁত মেজে মুখ হাত ধোয়ার সময় আয়নায় চোখ পরলো তার চেহারায় কেমন একটা পরিবর্তন এসেছে। চোখের নিচে কি কালো ছায়া? নাকি চোখ দুটোই বেশি ভেতরে ঢুকে গেছে ! কিছুটা সময় নিয়ে দেখার চেষ্টা করল , ঠিক কি পরিবর্তন এসেছে তার আন্দাজ করতে পারল না। সে মাথা ঝাঁকালো তবে অনুভূতিটা ঠিক গেল না। সে বেশি না ভেবে বাইরে বের হলো, চারদিক ধূসর বর্ণে ছেয়ে গেছে , সকাল নাকি সন্ধ্যা ঠাওর করতে পারলো না।
আস্তে আস্তে সে পা বাড়ায়, কড়িডোর আজ যেন একটু বেশিই লম্বা, এত লম্বা যে মনে হল দরজার শেষে পৌঁছালে ক্লাসরুমের বদলে অন্য শহরে পৌঁছে যাবে সে । ক্লাসে ঢুকতে কিছুটা দেরিই হয়ে গেল, কিন্তু কেউ যেন তাকে দেখতেই পেল না। প্রফেসরের হাতের চক মমের মতো গলছে আর বোর্ডে লেখা সমীকরণ গুলো তার দিকে তাকিয়ে বিদ্রুপ করছে। সিটির খাতা হাতে পেয়ে আরেকবার সচকিত হয়ে উঠল সে , নম্বরের জায়গায় এ কিসের ক্ষত ? আঙুল চালাতেই রক্তে ভিজে গেল খাতা । চারদিকে সবার ঠোঁট নড়ছে কিন্তু সে কিছু শুনতে পাচ্ছে না। হঠাৎ সে লক্ষ্য করলো সবার চোখে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা যেন কোনো ফ্রেমে বন্দী সবাই । এই বুঝি সে জ্ঞান হারাবে , এলোমেলো পায়ে টলতে টলতে কোনোরকমে বেরিয়ে এল ক্লাস থেকে দৌড়ে হোস্টেলের রুমে ঢুকে আরেক দফা স্তম্ভিত হল সে , ঘরটা আচমকা যেন বড় হয়ে গেছে টেবিল থেকে জানালা কয়েক আলোকবর্ষ দূরে । আয়নায় চোখ পড়তে হকচকিয়ে উঠলো সে , পেছনে তার ঘরের বদলে লম্বা একটা করিডোর অসীম অন্ধকারে মিলিয়ে গেছে । করিডর শেষে দাঁড়িয়ে আছে ছায়া মানবের মূর্তি । অবয়ব দেখে কিছুটা এগিয়ে যেতেই যা চোখে পড়ল তার জন্য সে মোটেও প্রস্তুত ছিল না, এ যে সে নিজেই , হার হীম করা শীতল চোখ জোড়া থেমে থেমে প্রদীপের মতো দপদপ করে জ্বলছে। এরপর আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলো না সে তলিয়ে গেল অসীম অন্ধকারে...

10/09/2025

(001277)
সিভিল বয়কট সিন্ডিকেটকে দেখলাম সিনেমা হলে যাচ্ছে, পাহাড়ে ঘুরতে যাচ্ছে। নাসিফ ভাইয়ের প্রতি তাদের যদি মিনিমাম এম্পেথি থাকতো এসব তারা করতোনা, এটলিস্ট সিনেমা হলে গিয়ে ৩২টা দাত দেখায়ে ছবি আপ্লোড করার আগে লজ্জা পেতো। সিএসবিতে দেখলাম অনেকে একজাম দিতে চাওয়ায় বলা হচ্ছে নাসিফ ভাইয়ের প্রতি তারা এম্পেথিটিক না, ok fine. বাট, এইযে সিনেমা হলে/ পাহাড়ের উপর বসে বসে যারা এই বয়কটের যুগলবন্দী কলাম লিখছে তাদের হিপোক্রেসিকে কেন কল-আউট করা হবেনা?
এরা কেউই নাসিফ ভাইকে নিয়ে একি ফোটাও কেয়ার করেনা, আমার-আপনার ক্যারিয়ার নিয়েও না। আমাদের এসব পোস্ট করেও আসলে লাভ নেই, ওরা দেখে জাস্ট হাসবে। নির্লজ্জ বেহায়াদের যাই বলেন গায়ে লাগাবেনা। এই নির্লজ্জরা কোন সিনিয়রের পা চেটে কোন রুমে বসে বয়কট করে এসব কম মানুষ জানেনা, তাও এই শুয়োরগুলো সবগুলো দাত দেখায়ে ঠিকই সব করবে।
নেক্সট টার্ম থেকে আমাদের উচিত, এরা যতই ব্যাচ মিটিং মারাক, পোল মারাক, একজাম দেওয়া। আমি-আপনি দিলে বাকি অনেকেও দিবে, আর যারা দিবেনা ওরা মারা খাক, পরের টার্মে দিবে। ওরা আপনার কথা এক ফোটাও ভাবেনা, আপনি ভাববেন কেন? আমি দেখতে চাই এই জানোয়ারগুলোকে সবাই disown করলে এদের দাত কেলানো হাসি থাকে কিনা।

10/09/2025

(001276)
I'm the wtiter of 1275, ekta jinish add korte bhule gesilam.

Eto exm pichayeo to cg uthaite paros na bhai. I would have shoved my head in my own ass if I had been you

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Buetian Rhapsody posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Buetian Rhapsody:

Share