20/09/2025
শাফাআত কারা করবেনঃ
আদালতে আখিরাতে মহান আল্লাহর অনুমতিক্রমে যারা শাফাআত করবেন তারা হচ্ছেন
১।, নবীগণ,
২।আলেম-ওলামা বা পীর-মাশায়খগন,
৩।, শহীদগণ,
নবীজী বলেছেন,
ﻳَﺸْﻔَﻊُ ﻳَﻮْﻡَ ﺍﻟْﻘِﻴَﺎﻣَﺔِ ﺛَﻼَﺛَﺔٌ : ﺍَﻟْﺄَﻧْﺒِﻴَﺎﺀُ ﺛُﻢَّ ﺍﻟْﻌُﻠَﻤَﺎﺀُ ﺛُﻢَّ ﺍﻟﺸُّﻬَﺪَﺍﺀُ ( ﺭﻭﺍﻩ ﺍﺑﻦ ﻣﺎﺟﺔ ﻭﺍﻟﺒﻴﻬﻘﻲ ﻭﺍﻟﺒﺰﺍﺭ )
“তিন শ্রেণীর লোক কিয়ামতের দিন সুপারিশ করবেন, নবী-রাসূরগণ,আলেম-ওলামা বা পীর- মাশায়খ ও শহীদগণ”। (ইবনু মাজাহ,বাইহাকী ওবাজ্জার)]মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং৫৩৭০
**নাবী ﷺ, ফেরেশ্তা ও মু’মিনগণ সুপারিশ করবে--
فَيَشْفَعُ النَّبِيُّونَ وَالْمَلاَئِكَةُ وَالْمُؤْمِنُونَ
তারপর নাবী ﷺ, ফেরেশ্তা ও মু’মিনগণ সুপারিশ করবে। ২২; মুসলিম ১/৮১, হাঃ ১৮৩, আহমাদ ১১১২৭ বুখারী ৭৪৩৯
তিনি বলেছেনঃ
ﺃَﻧَﺎ ﺃَﻭَّﻝُ ﺷَﺎﻓِﻊٍ ﻭَ ﺃَﻭَّﻝُ ﻣُﺸَﻔَّﻊٍ ( ﻣﺘﻔﻖ ﻋﻠﻴﻪ )
“আমিই প্রথম সুপারিশকারী এবং আমার শাফাআতই
প্রথম গ্রহণ করা হবে। (বুখারী, মুসলিম)মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং
তিনি আরও বলেছেনঃ
عَنِ الْمِقْدَامِ بْنِ مَعْدِي كَرِبَ الْكِنْدِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِنَّ لِلشَّهِيدِ عِنْدَ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ سِتَّ خِصَالٍ أَنْ يُغْفَرَ لَهُ فِي أَوَّلِ دَفْعَةٍ مِنْ دَمِهِ وَيَرَى قَالَ الْحَكَمُ وَيُرَى مَقْعَدَهُ مِنْ الْجَنَّةِ وَيُحَلَّى حُلَّةَ الْإِيمَانِ وَيُزَوَّجَ مِنْ الْحُورِ الْعِينِ وَيُجَارَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَيَأْمَنَ مِنْ الْفَزَعِ الْأَكْبَرِ قَالَ الْحَكَمُ يَوْمَ الْفَزَعِ الْأَكْبَرِ وَيُوضَعَ عَلَى رَأْسِهِ تَاجُ الْوَقَارِ الْيَاقُوتَةُ مِنْهُ خَيْرٌ مِنْ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا وَيُزَوَّجَ اثْنَتَيْنِ وَسَبْعِينَ زَوْجَةً مِنْ الْحُورِ الْعِينِ وَيُشَفَّعَ فِي سَبْعِينَ إِنْسَانًا مِنْ أَقَارِبِه
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং৩৩০ হাদিস নং
(২০০৭) মিক্বদাম বিন মা’দিকারিব কিন্দী (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘মহান আল্লাহর নিকট শহীদের জন্য রয়েছে ৬টি দান; তার রক্তের প্রথম ক্ষরণের সাথে তার পাপ ক্ষমা করা হবে, জান্নাতে তার বাসস্থান দেখানো হবে, কবরের আযাব থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া হবে, কিয়ামতের মহাত্রাস থেকে নিরাপত্তা পাবে, ঈমানের অলঙ্কার পরিধান করবে, সুনয়না হুরীদের সাথে তার বিবাহ দেওয়া হবে এবং তার নিজ পরিজনের মধ্যে ৭০ জনের জন্য তার সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হবে।’’ (আহমাদ ১৭১৮২, তিরমিযী ১৬৬৩, ইবনে মাজাহ ২৭৯৯, সহীহ তিরমিযী ১৩৫৮)
৪।ফিরিশতাবৃন্দ
৫। কোরআন -তিনি আরও বলেছেন-
ﺍِﻗﺮﺀﻭﺍ ﺍﻟﻘﺮﺁﻥ ﻓﺈﻧﻪ ﻳﺄﺗﻲ ﻳﻮﻡ ﺍﻟﻘﻴﺎﻣﺔ ﺷﻔﻴﻌﺎ ﻷﻫﻠﻪ ( ﺭﻭﺍﻩ ﻣﺴﻠﻢ )
“তোমরা কোরআন পাঠ কর। কেননা এ কোরআন তার পাঠকারীর জন্য কিয়ামতের দিন সুপারিশকারী হয়ে আবির্ভূত হবে”। (বর্ণনায় মুসলিম)মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং
৬।হাফেজে কোরআন-
٢١٤١ - وَعَنْ عَلِيٍّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ -: " «مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ فَاسْتَظْهَرَهُ فَأَحَلَّ حَلَالَهُ، وَحَرَّمَ حَرَامَهُ أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ وَشَفَّعَهُ فِي عَشَرَةٍ مِنْ أَهْلِ بَيْتِهِ كُلِّهِمْ قَدْ وَجَبَتْ لَهُ النَّارُ» " رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَالدَّارِمِيُّ، وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ، وَحَفْصُ بْنُ سَلْمَانَ الرَّاوِي لَيْسَ هُوَ بِالْقَوِيِّ يَضْعُفُ فِي الْحَدِيثِ.
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং১৮৬/৮৭ হাদিস নং
অর্থ: যে ব্যক্তি কুরআন শরীফ পড়ে এবং উহাকে সমুন্নত রাখে আর উহার মধ্যে বর্নিত হালালকে হালাল এবং হারামকে হারাম জানে। আল্লাহ পাক তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তার পরিবারস্থ লোকদের মধ্যে থেকে এমন দশজন ব্যক্তি সম্পর্কে তার সুপারিশ কবুল করবেন, যাদের জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব হয়েছে।"[তথ্যসূত্রঃ- মুসনাদে আহমদ, সুনানে তিরমিযী শরীফ, সুনানে ইবনে মাজাহ, মিশকাত শরীফ, দারেমী]এই হাদীস শরীফ থেকে দেখতে পাচ্ছি একজন নেককার হাফিজ সাহেবই নিশ্চিত দশজন জাহান্নামী লোককে সুপারিশ করে জান্নাতে নিতে পারবেন।
সূরা মূলক বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। হাদীস শরীফে বর্নিত আছে-
٢١٥٣ - وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ -: «إِنَّ سُورَةً فِي الْقُرْآنِ ثَلَاثُونَ آيَةً شَفَعَتْ لِرَجُلٍ حَتَّى غُفِرَ لَهُ وَهِيَ تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ» " رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ.
অর্থ: নিশ্চয়ই কুরআন শরীফে ত্রিশ আয়াত বিশিষ্ট একখানা সূরা আছে যা তার পাঠ
কারীর জন্য সুপারিশ করবে। আর তা হচ্ছে- সূরা মুলক।"[তথ্যসূত্রঃ- মুসনাদে আহমদ, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ, সুনানে ইবনে মাজাহ, মুস্তাদরেকে হাকেম]
অতএব দেখা গেলো কুরআন শরীফে একটি বিশেষ সুরাও বান্দার জন্য সুপারিশ করবে।
৬। এবং নাবালগ সন্তান
৭।, নামায,
৮। রোজার সুপারিশ-
শুধু তাই নয়, কুরআন শরীফ এবং রোজাও বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। হাদীস শরীফে আছে
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ الصِّيَامُ وَالْقُرْآنُ يَشْفَعَانِ لِلْعَبْدِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَقُولُ الصِّيَامُ أَيْ رَبِّ مَنَعْتُهُ الطَّعَامَ وَالشَّهَوَاتِ بِالنَّهَارِ فَشَفِّعْنِي فِيهِ وَيَقُولُ الْقُرْآنُ مَنَعْتُهُ النَّوْمَ بِاللَّيْلِ فَشَفِّعْنِي فِيهِ قَالَ فَيُشَفَّعَانِ
(১০৩৪) আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘কিয়ামতের দিন সিয়াম এবং কুরআন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। সিয়াম বলবে, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি ওকে পানাহার ও যৌনকর্ম থেকে বিরত রেখেছিলাম। সুতরাং ওর ব্যাপারে আমার সুপারিশ গ্রহণ কর।’ আর কুরআন বলবে, ‘আমি ওকে রাত্রে নিদ্রা থেকে বিরত রেখেছিলাম। সুতরাং ওর ব্যাপারে আমার সুপারিশ গ্রহণ কর।’ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘অতএব ওদের উভয়ের সুপারিশ গৃহীত হবে।’’ (আহমাদ ৬৬২৬, হাকেম ২০৩৬, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ১৯৯৪, ইবনে আবিদ্দুনয়্যার ‘কিতাবুল জু’, সহীহ তারগীব ৯৮৪, ১৪২৯)
-
৯।
১০।ওলিগণ
হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মতের এক বিশেষ ওলী আল্লাহর সুপারিশ করা সম্পর্কে ইরশাদ করেন,"হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবুল জাদয়া রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি, আমার উম্মতের এক ব্যক্তির সুপারিশে বনী তামীম গোত্রের লোক সংখ্যা হতেও অধিক লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে।"
[তথ্যসূত্রঃ- সুনানে তিরমিযী শরীফ, সুনানে ইবনে মাজাহ, মিশকাত শরীফ ৫৩৬১, সুনানে দারেমী]
চিন্তা এবং ফিকিরের বিষয়, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মতের এক ব্যক্তির সুপারিশে এত বিপুল সংখ্যক লোক জান্নাতে যাবে। তাহলে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুপারিশ কত ব্যপক সেটা চিন্তার বিষয়।
তাঁদের শাফাআত কোরআন-হাদীসের অকাট্য প্রমাণাদি দ্বারা প্রমানিত। তাদের মধ্যে সায়্যিদুশ শুফাআ বা শাফাআতকারীদের সর্দার হলেন নবী মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। যেমন
আল্লাহ তায়ালার দয়াও মেহের বানীঃ
فَيَقُولُ الْجَبَّارُ بَقِيَتْ شَفَاعَتِي فَيَقْبِضُ قَبْضَةً مِنْ النَّارِ فَيُخْرِجُ أَقْوَامًا قَدْ امْتُحِشُوا فَيُلْقَوْنَ فِي نَهَرٍ بِأَفْوَاهِ الْجَنَّةِ يُقَالُ لَهُ مَاءُ الْحَيَاةِ فَيَنْبُتُونَ فِي حَافَتَيْهِ كَمَا تَنْبُتُ الْحِبَّةُ فِي حَمِيلِ السَّيْلِ قَدْ رَأَيْتُمُوهَا إِلَى جَانِبِ الصَّخْرَةِ وَإِلَى جَانِبِ الشَّجَرَةِ فَمَا كَانَ إِلَى الشَّمْسِ مِنْهَا كَانَ أَخْضَرَ وَمَا كَانَ مِنْهَا إِلَى الظِّلِّ كَانَ أَبْيَضَ فَيَخْرُجُونَ كَأَنَّهُمْ اللُّؤْلُؤُ فَيُجْعَلُ فِي رِقَابِهِمْ الْخَوَاتِيمُ فَيَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ فَيَقُولُ أَهْلُ الْجَنَّةِ هَؤُلاَءِ عُتَقَاءُ الرَّحْمَنِ أَدْخَلَهُمْ الْجَنَّةَ بِغَيْرِ عَمَلٍ عَمِلُوهُ وَلاَ خَيْرٍ قَدَّمُوهُ فَيُقَالُ لَهُمْ لَكُمْ مَا رَأَيْتُمْ وَمِثْلَهُ مَعَهُ
তখন মহা পরাক্রান্ত আল্লাহ্ বলবেন, এখন শুধু আমার শাফাআতই বাকী রয়েছে। তিনি জাহান্নাম থেকে একমুষ্টি ভরে এমন কতগুলো কওমকে বের করবেন, যারা জ্বলে পুড়ে দগ্ধ হয়ে গিয়েছে। তারপর তাদেরকে জান্নাতের সম্মুখে অবস্থিত ‘হায়াত’ নামের নহরে ঢালা হবে। তারা সে নহরের দু’পার্শ্বে এমনভাবে উদগত হবে, যেমন পাথর এবং গাছের কিনারে বয়ে আনা আবর্জনায় বীজ থেকে তৃণ উদগত হয়। দেখতে পাও তার মধ্যে সূর্যের আলোর অংশের গাছগুলো সাধারণত সবুজ হয়, ছায়ার অংশেরগুলো সাদা হয়। তারা সেখান থেকে মুক্তার দানার মত বের হবে। তাদের গর্দানে মোহর লাগানো হবে। জান্নাতে তারা যখন প্রবেশ করবে, তখন অন্যান্য জান্নাতবাসীরা বলবেন, এরা হলেন রাহমান কর্তৃক আযাদকৃত যাদেরকে আল্লাহ্ কোন নেক ‘আমাল কিংবা কল্যাণকর কাজ ব্যতীতই জান্নাতে দাখিল করেছেন। তখন তাদেরকে বলা হবেঃ তোমরা যা দেখেছ, সবই তো তোমাদের, এর সঙ্গে আরো সমপরিমাণ তোমাদেরকে দেয়া হলো। [২২; মুসলিম ১/৮১, হাঃ ১৮৩, আহমাদ ১১১২৭ বুখারী ৭৪৩৯
▣ হযরত আনাস রা. বলেন, রাসুল . বলেছেন, জাহান্নামীগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে, তখন জান্নাতী এক ব্যক্তি তার নিকট দিয়ে অতিক্রম করবে। এ সময় জাহান্নামীদের সারি হতে এক ব্যক্তি বললে, হে অমুক! তুমি কি আমাকে চিনতে পারনি? আমি সেই ব্যক্তি যে একদিন তোমাকে পানি পান করিয়েছিলাম। আর একজন বলবে, আমি সেই ব্যক্তি যে একদিন তোমাকে অজুর পানি দিয়েছিলাম। তখন সে জান্নাতী ব্যক্তি তার জন্য সুপারিশ করবে এবং জান্নাতে নিয়ে যাবে_মেশকাত
❑ হযরত আবু সাঈদ রা. বলেন, রসুল সা. বলেছেন, আমার উম্মতের কোন ব্যক্তি এমন হবে, যে বিরাট একটি দলের জন্য সুপারিশ করবে, কেউ একটি গোত্রের জন্য সুপারিশ করবে। আবার কেউ আপন আত্মীয়-স্বজনের জন্য সুপারিশ করবে, অথবা কেউ শুধু একটি লোকের জন্য সুপারিশ করবে। অবশেষে আমার সমস্ত (মুমিন) উম্মত জান্নাতে প্রবেশ করবে। _মেশকাত৪৯৪পঃ
অতএব, এখানে বুঝা গেলো , যদি কেও এই পাঁচ ঔষুধ ( কোরান-হাদিস অনুযায়ী ) ঠিকমতো কেউ পালন করতে পারে, তাহলে আশাকরা যায় তাদের কথামতো কোরান হাদিসের উপর পালন করার কারনে হয়তো আল্লাহর অলিরা কখনো তাদের মুরিদদের ছারা জান্নাতে যাবেন্না, সংগে নিয়েই যাবেন ইনশাআল্লাহ।
1.
يشفع
2.
সহীহ হাদীস শরীফে আরো বর্নিত আছে-
3.
সিয়াহ ছিত্তার হাদীস শরীফে আরো বর্নিত আছে-
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, আমার উম্মতের কোন ব্যক্তি বিরাট দলের জন্য সুপারিশ করবে। আবার কেউবা নিজ আত্মীয় স্বজনের জন্য সুপারিশ করবে। আবার কেউ একটি লোকের জন্য সুপারিশ করবে। শেষ পর্যন্ত আমার সকল উম্মত বেহেশতে প্রবেশ করবে।"
[তথ্যসূত্রঃ- সুনানে তিরমিযী শরীফ, মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং ৫৩২৬]
4.
সিহাহ সিত্তার অন্যতম কিতাব সুনানে ইবনে মাজাহ শরীফে আরো একটি বিশুদ্ধ হাদীস শরীফ বর্নিত হয়েছে-
٥٦٠٤ - وَعَنْهُ، قَالَ: «قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " يُصَفُّ أَهْلَ النَّارِ، فَيَمُرُّ بِهِمُ الرَّجُلُ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ، فَيَقُولُ الرَّجُلُ مِنْهُمْ: يَا فُلَانُ أَمَا تَعْرِفُنِي؟ أَنَا الَّذِي سَقَيْتُكَ شَرْبَةً. وَقَالَ بَعْضُهُمْ: أَنَا الَّذِي وَهَبْتُ لَكَ وَضُوءًا، فَيَشْفَعُ لَهُ فَيُدْخِلُهُ الْجَنَّةَ» . رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ.بَاب فَضْلِ صَدَقَةِ الْمَاءِ
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং৪৯৪ হাদিস নং
অর্থ:হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্নিত, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, জাহান্নামীদের সাড়ি বদ্ধ ভাবে দাঁড় করানো হবে। অতঃপর জান্নাতবাসীদের মধ্যে হতে এক ব্যক্তি তাদের নিকট দিয়ে অতিক্রম করবেন। ফলে জাহান্নামীদের এক ব্যক্তি তাকে বলবে, হে ব্যক্তি ! আপনি কি আমাকে চিনতে পারছেন না? আমি ঐ ব্যক্তি, যে (তৃষ্ণার সময়) আপনাকে পানি পান করিয়েছিলাম এবং তাদের মধ্যে হতে অন্য এক ব্যক্তি বলবে আমি ঐ ব্যক্তি , যে ওযু করার জন্য আপনাকে পানির পাত্র দিয়েছিলাম। ফলে তার জন্য সুপারিশ করা হবে, অতঃপর তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে।"
[তথ্যসূত্রঃ- সুনানে ইবনে মাজাহ, মিশকাত শরীফ ৫৩৬৪]
মিশকাত ৫৬০৪
6.
7.
8.
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন "শাফায়াতে কুবরার" অধিকারী। সুবহানাল্লাহ্ !!!
** এ প্রসঙ্গে হাসীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে-
٥٧٦٨ - وَعَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - قَالَ: ( «إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ كُنْتُ إِمَامَ النَّبِيِّينَ وَخَطِيبَهُمْ، وَصَاحِبَ شَفَاعَتِهِمْ غَيْرَ فَخْرٍ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ.
অর্থ: হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, কিয়ামতের দিন আমিই হবো সমস্ত নবী রসূল আলাইহিমুস সালামগনের ইমাম ও তাদের খতীব এবং আমিই হবো তাঁদের ছহিবে শাফায়াত এতে আমার কোন ফখর নেই।"
[তথ্যসূত্রঃ- সুনানে তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ ৫১৪ পৃষ্ঠা]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন হাজরে আসওয়াদ কে যারা চুমু দিয়েছে তাদের কে সুপারিশ করবে ঃ মিশকাত শরীফ ২২৭পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে, (তিরমিজি , ইবনে মাজাহ , দারেমী শরীফ)
★
হযরত আবূ সাঈদ রঃ হতে বর্ণিত, রাসুল দঃ এরশাদ করেছেনঃ-
নিশ্চয়ই আমার উম্মতের মধ্যে এমন কিছু লোক আছেন যারা একটি বিরাট দল এর (বা তাদের সকল সমর্থক ও অনুসারীদের) জন্য সুপারিশ করবে । আর কিছু লোক আছেন যারা একটি দলের (বা আত্তীয় স্বজনদের) জন্য সুপারিশ করবে । আর কিছু লোক আছে যারা এক এক জনের জন্য সুপারিশ করবে । এভাবে তারা সকলেই জান্নাতে প্রবেশ করবে।[আল হাদিস, তিরমীযি খন্ড ২ পৃঃ ৬৭ , হাদিস ২৪৪০,
মিশকাত শরীফ ৫৩২৬]
عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ مَنْ اسْتَطَاعَ أَنْ يَمُوتَ بِالْمَدِينَةِ فَلْيَمُتْ بِهَا فَإِنِّي أَشْفَعُ لِمَنْ يَمُوتُ بِهَا
(২৯১৭) ইবনে উমার (রাঃ) প্রমুখাৎ বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি মদীনায় মৃত্যু বরণ করতে সক্ষম হয়, সে যেন তা করে। যেহেতু যে ব্যক্তি মদীনায় মৃত্যুবরণ করবে, আমি কিয়ামতে তার জন্য সুপারিশ করব।’’ (তিরমিযী ৩৯১৭, ইবনে মাজাহ ৩১১২, ইবনে হিব্বান ৩৭৪১, প্রমুখ, সহীহ তারগীব ১১৯৩-১১৯৭)
عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ قَالَ لاَ يَصْبِرُ عَلَى لأْوَاءِ الْمَدِينَةِ وَشِدَّتِهَا أَحَدٌ مِنْ أُمَّتِى إِلاَّ كُنْتُ لَهُ شَفِيعًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَوْ شَهِيدًا
(২৯১৪) আবু হুরাইরা (রাঃ) প্রমুখাৎ বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে (মুসলিম) ব্যক্তি মদীনার সংকীর্ণতা ও কষ্টের উপর ধৈর্য ধারণ করবে, আমি কিয়ামতে তার জন্য সুপারিশ করব অথবা সাক্ষ্য দেব।’’ (মুসলিম ৩৪১৩, তিরমিযী, সহীহ তারগীব ১১৮৬-১১৮৭)
عَن عَائِشَة رَضِيَ اللهُ عَنْهُا قَالَتْ : قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ مَا مِنْ مَيتٍ يُصَلِّي عَلَيْهِ أُمَّةٌ مِنَ المُسْلِمِينَ يَبْلُغُونَ مِئَةً كُلُّهُمْ يَشْفَعُونَ لَهُ إِلاَّ شُفِّعُوا فِيهِ رواه مسلم
(১৩২২) আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে মৃতের জানাযার নামায একটি বড় জামাআত পড়ে, যারা সংখ্যায় একশ’ জন পৌঁছে এবং সকলেই তার ক্ষমার জন্য সুপারিশ করে, তার ব্যাপারে তাদের সুপারিশ গ্রহণ করা হয়।’’ (মুসলিম ২২৪১)
অন্য এক বর্ণনায় আছে, ‘‘তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়।’’ (সহীহ ইবনে মাজাহ ১২০৯)
عن ابى امامة قال: سمعت رسول الله ﷺ يقول: اقرءوا القران فانه ياتى يوم القيامة شفيعا لاصحابه اقرءوا الزهراوين البقرة وسورة ال عمران فانهما تاتيان يوم القيامة كانهما غمامتان او كانهما غيايتان او فرقان من طير صواف تحاجان عن اصحابهما اقرءوا سورة البقرة فان اخذها بركة وتركها حسرة ولا تستطيعها البطلة. رواه مسلم
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং
২১২০-[১২] আবূ উমামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তোমরা কুরআন পড়। কারণ কুরআন পাঠ কিয়ামাতের দিন তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশকারী হয়ে আসবে। তোমরা দু’ উজ্জ্বল সূরা আল বাকারাহ্ ও আ-লি ‘ইমরান পড়বে। কেননা কিয়ামাতের দিন এ সূরা দু’টি মেঘখণ্ড অথবা দু’টি সামিয়ানা অথবা দু’টি পক্ষ প্রসারিত পাখির ঝাঁকরূপে আসবে। এ দু’ সূরার পাঠকদের জন্য আল্লাহর নিকট সুপারিশ করবে। বিশেষ করে তোমরা সূরা আল বাকারাহ্ পড়বে। কারণ সূরা আল বাকারাহ্ পড়া বারাকাত আর তা না পড়া আক্ষেপ। এ সূরা দু’টি পড়তে পারবে না অলস বেকুবরা। (মুসলিম)[1]
[1] সহীহ : মুসলিম ৮০৪, শু‘আবূল ঈমান ১৮২৭, সহীহ ইবনু হিববান ১১৬, সহীহাহ্ ৩৯৯২।
وعن علي قال: قال رسول الله ﷺ: ان السقط ليراغم ربه اذا ادخل ابويه النار فيقال: ايها السقط المراغم ربه ادخل ابويك الجنة فيجرهما بسرره حتى يدخلهما الجنة. رواه ابن ماجه
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং১৭৫৭-[৩৬] ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গর্ভপাতে নষ্ট হওয়া সন্তানও তার পিতা-মাতাকে জাহান্নামে প্রবেশ করানোর সময় তার ‘রবের’ সাথে বিতর্ক করবে। এর ফলে তখন বলা হবে, হে গর্ভপাতে নষ্ট হওয়া সন্তান! তোমার মাতা-পিতাকে জান্নাতে নিয়ে যাও। তখন সে অপূর্ণাঙ্গ সন্তান তার মাতা-পিতাকে নিজের নাড়ী দিয়ে টেনে জান্নাতে নিয়ে যাবে। (ইবনু মাজাহ)[1]
ইবনু মাজাহ্ ১৬০৮, ইবনু আবী শায়বাহ্ ১১৮৮৭, য‘ঈফ আল জামি‘ আস্ সগীর ১৪৬৭
١٦٦١ - وَعَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَا مِنْ مَيِّتٍ تُصَلِّي عَلَيْهِ أُمَّةٌ مِنَ الْمُسْلِمِينَ يَبْلُغُونَ مِائَةً كُلُّهُمْ يَشْفَعُونَ لَهُ إِلَّا شُفِّعُوا فِيهِ» . رَوَاهُ مُسْلِمٌ.
الْمَشْيُ بِالْجَنَازَةِ وَالصَّلَاةُ عَلَيْهَا
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং
১৬৬১-[১৬] ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তির সলাতে জানাযায় একশতজন মুসলিমের দল হাযির থাকবে, তাদের প্রত্যেকেই তার জন্য শাফা‘আত (মাগফিরাত কামনা) করবে। তাহলে তার জন্য তাদের এ শাফা‘আত (কবূল) হয়ে যাবে। (মুসলিম)[1]
[1] সহীহ : মুসলিম ৯৪৭, নাসায়ী ১৯৯১, ইবনু আবী শায়বাহ্ ১১৬২২, আহমাদ ১৩৮০৪, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৬৯০৩, সহীহ আত্ তারগীব ৩৫০৪, আত্ তিরমিযী ১০২৯।
٢١٣٣ - (الْفَصْلُ الثَّانِي) عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ عَنِ النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - قَالَ: " «ثَلَاثَةٌ تَحْتَ الْعَرْشِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ الْقُرْآنُ يُحَاجُّ الْعِبَادَ لَهُ ظَهْرٌ وَبَطْنٌ، وَالْأَمَانَةُ وَالرَّحِمُ تُنَادِي أَلَا مَنْ وَصَلَنِي وَصَلَهُ اللَّهُ وَمَنْ قَطَعَنِي قَطَعَهُ اللَّهُ» " رَوَاهُ فِي شَرْحِ السُّنَّةِ
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং২১৩৩-[২৫] ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ইরশাদ করেছেনঃ তিনটি জিনিস কিয়ামাতের দিন আল্লাহর ‘আরশের নীচে থাকবে। (১) কুরআন, এ কুরআন বান্দাদের (পক্ষে বিপক্ষে) আর্জি পেশ করবে। এর যাহের ও বাতেন দু’দিক রয়েছে। (২) আমানাত ও (৩) আত্মীয়তার বন্ধন। (এ তিনটি জিনিসের প্রত্যেকে ফরিয়াদ করবে, হে আল্লাহ! যে আমাকে রক্ষা করেছে তুমি [আল্লাহ] তাকে রক্ষা করো। যে আমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে আল্লাহ তাকে ছিন্ন করো।) (ইমাম বাগাবী: শারহুস্ সুন্নাহ)[1]
حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ صُهَيْبٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَا مِنْ النَّاسِ مُسْلِمٌ يَمُوتُ لَهُ ثَلاَثَةٌ مِنْ الْوَلَدِ لَمْ يَبْلُغُوا الْحِنْثَ إِلاَّ أَدْخَلَهُ اللهُ الْجَنَّةَ بِفَضْلِ رَحْمَتِهِ إِيَّاهُمْ
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং১৩৮১. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কোন মুসলিম ব্যক্তির এমন তিনটি (সন্তান) মারা যাবে, যারা বালিগ হয়নি, আল্লাহ্ তাদের প্রতি তাঁর রাহমাতের ফযলে সে ব্যক্তিকে (মা-বাপকে) জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। (১২৪৮)
وعن حسناء بنت معاوية قالت : حدثنا عمى قال : قلت للنبى ﷺ : من فى الجنة؟ قال : «النبى فى الجنة والشهيد فى الجنة والمولود فى الجنة والوئيد فى الجنة». رواه ابو داود
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং
৩৮৫৬-[৬৯] হাসনা বিনতু মু‘আবিয়াহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার চাচা (হারিস) আমাকে হাদীস বর্ণনা করেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলাম, কারা জান্নাতে প্রবেশ করবে? উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ নাবীগণ, শহীদগণ ও সদ্যপ্রসূত শিশু এবং জীবন্ত কবরস্থ (কন্যা সন্তান) জান্নাতে প্রবেশ করবে। (আবূ দাঊদ)[1]
আবূ দাঊদ ২৫২১, আহমাদ ২০৫৮৩
٤٩٣٦ - وَعَنْ أَبِي أُسَيْدٍ السَّاعِدِيِّ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - قَالَ: «بَيْنَا نَحْنُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - إِذْ جَاءَ رَجُلٌ مِنْ بَنِي سَلَمَةَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلْ بَقِيَ مِنْ بِرِّ أَبَوَيَّ أَبَرُّهُمَا بِهِ بَعْدَ مَوْتِهِمَا؟ قَالَ: " نَعَمْ، الصَّلَاةُ عَلَيْهِمَا، وَالِاسْتِغْفَارُ لَهُمَا، وَإِنْفَاذُ عَهْدِهِمَا مِنْ بَعْدِهِمَا، وَصِلَةُ الرَّحِمِ الَّتِي لَا تُوصَلُ إِلَّا بِهِمَا، وَإِكْرَامُ صَدِيقِهِمَا» ". رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ، وَابْنُ مَاجَهْ.
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং
٥١٠٦ - وَعَنْ حَارِثَةَ بْنِ وَهْبٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " «أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِأَهْلِ الْجَنَّةِ؟ كُلُّ ضَعِيفٍ مُتَضَعِّفٍ لَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللَّهِ لَأَبَرَّهُ. أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِأَهْلِ النَّارِ؟ كُلُّ عُتُلٍّ جَوَّاظٍ مُسْتَكْبِرٍ» ". مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. وَفِي رِوَايَةٍ: " كُلُّ جَوَّاظٍ زَنِيمٍ مُتَكَبِّرٍ ".
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং