Islamic Dawah Centre - ইসলামিক দাওয়াহ সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Islamic Dawah Centre - ইসলামিক দাওয়াহ সেন্টার

Islamic Dawah Centre - ইসলামিক দাওয়াহ সেন্টার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islamic Dawah Centre - ইসলামিক দাওয়াহ সেন্টার, Dhaka.

07/10/2021

ছেলেদের সাথে ফ্রেন্ডশিপ করা প্রায় সকল মেয়েই কোনো না কোনভাবে মাস্টারবেশনের নায়িকা।
তবে এটা এখন এই প্রজন্মের কাছে অতি সাধারণ একটা বিষয়, যৌনতাকে এখন বিনোদনের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে তারা।
এখন বোনেরা যদি তাদের ছেলে ফ্রেন্ডগুলোর মাস্টারবেশনের নায়িকা হওয়াতে প্রাউডফীল করে, মাই লাইফ-মাই রোলস বলে, যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে চলে...তাহলে আর কিছুই বলার নেই। আপনি বলতে পারেন, আমাকে নিয়ে খারাপ চিন্তা করছে তাতে আমার কি করার আছে!
আপনার কিছু করার না থাকলেও আপনিই সব করেছেন, আপনার বডি স্ট্রাকচার আপনি তাদের কাছে ফুটিয়ে তুলেছেন, আপনিই ফ্রেন্ডশিপ করে যাচ্ছেন, আপনিই নানান ঢং-এ ছবি, ভিডিও আপলোড দিচ্ছেন।
আপনার যদি এভাবে চলতে ভালো লাগে তাহলে চলুন জাহেলিয়াতের রাস্তা দিয়ে। যে রাস্তার শেষে রয়েছে জাহান্নাম।
আরে ভাই, আপনি যেই মেয়েটাকে ভাল বন্ধু বলছেন। সে যদি ভালই হতো তাহলে কি আর আপনার সাথে ফ্রেন্ডশীপ করতো! আপনার গুনাদের কারণ হতো!
বোন.. যদি ভেবে থাকেন যে, আপনার ছেলেবন্ধুগুলো অনেক ভালো। এর চেয়ে বড় ভুল আর নেই, এরাই প্রতিনিয়ত আপনার গুনাহের কারণ হচ্ছে। কবীরাহ্ গুনাহের একটা বড় অংশ আপনাদের গিফট করে যাচ্ছে।
বিষগুলো প্রায় সবাই বোঝেন, জানেন। তারপরও এগুলো থেকে তাওবা করে ফিরে আসবেন না, আপনার রবকে খুশি করবেন না। খুশি করবেন তাদের যারা আপনার গুনাহের কারণ। আর দিন শেষে টাইমলাইনে ইসলামিক পোস্ট রেখে টাইমলাইন গরম করবেন।
Shame Brothers & Sisters.. Shame...

07/10/2021

অনার্সে কেবল ভর্তি হয়েছি। তখন বাবা মায়ের ইচ্ছেকে প্রাধান্য দিয়ে তাদের পছন্দ করা মেয়েটাকে বিয়ে করার মত দিয়ে দেই। আমি বিশ্বাস করতাম তাদের পছন্দই আমার জন্য অধিক ভালো হবে। আমার বিশ্বাস তাদের দৃষ্টিতে সেরা ও সুন্দর মেয়েটাকেই আমার জন্য ঠিক করবেন। সে বিশ্বাসে আমি কনে না দেখেই 'হ্যাঁ' বলে দিয়েছিলাম।
তারপর বিয়ের দিন যখন শেরওয়ানী পাগড়ি পড়ে বসে ছিলান স্টেইজে, খুব অদ্ভুদ লাগছিল। শশুড় বাড়ির এলাকার লোকজন আমাকে দেখে কি যেন সব বলছিল। আমি ভাঙা ভাঙা দু'চার শব্দ শুনেছিলাম। তা ছিল এই, "কি মেয়ের কি জামাই! কপাল যে কার ভালো আর কার খারাপ বুঝছিনা, বাপু!" আরো আরো কথা।
কাজী সাহেব আসলেন। আমার আবার এত বনিতা ভালো লাগে না। যখনই কাজী সাহেব বললেন, বলুন আলহামদুলিল্লাহ্‌। আমি চটজলদি বলে দিলাম, 'আলহামদুলিল্লাহ্‌, আলহামদুলিল্লাহ্‌, আলহামদুলিল্লাহ্‌'। উপস্থিত সবাই বলে উঠলেন "আলহামদুলিল্লাহ্‌"।
মিষ্টি বিতরণ হলো। খাওয়া দাওয়া হলো। বিয়ে পড়ানো হলো। আমার কোন ছোট বোন ছিলনা যে তাকে জিজ্ঞাসা করবো, 'বউ কেমন দেখলি?' বন্ধুদের ও জিজ্ঞাসা করছিলাম না, নিজের লজ্জা ভেঙে!
বিয়ে শেষে কিছু আনুষ্ঠানিকতা বাকি ছিল। আমি ঠিক জানতাম না কি কি করতে হবে। আমাকে নিয়ে যাওয়া হলো একটা ঘরে। যে ঘরে কনে বসে ছিল সেই ঘরে। কনের পাশেই আমাকে বসিয়ে দেওয়া হলো। তারপর কত কিছুর কুসংস্কার এর চর্চা যে হলো ঠিক বলে বুঝাতে পারবো না। সাহস করে সেসবের বিরোধিতাও করতে পারছিলাম না।
শেষের দিকে সবাই আমাদের দাড় করালেন, বললেন নামাজ আদায় করতে। আমি এবার আর কিছু না বলে থাকতে পারলাম না। সবাইকে উদ্দেশ্য করে বুঝিয়ে বললাম, 'আমাদের নামাজ আমাদের উপর ছেড়ে দিন। আমরা পরে একান্তে পড়ে নিবো। এখানে পড়ার পরিবেশ নেই।' সবাই সম্মত হলেও দুই একজন মনঃক্ষুণ্ণ হলো তা বুঝতে বাকি রইলো না। তবুও তারা তেমন জোর না করে চুপ করে রইলেন। এবার আমাদের বসিয়ে দেওয়া হলো। তখনো আমি সাহস করে তার মুখখানা দেখতে পারছিলাম না। আসলে তার হাতের দিকে তাকাতেও কেন যেন লজ্জা পাচ্ছিলাম।
তারপর বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে নিয়ে বিদায় নিলাম তার পরবার থেকে। তখন অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল। চারপাশ নিস্তব্ধ। সে নিস্তব্ধতা ভেঙে দিলো কারো হু হু কান্নার শব্দ। তারপর গাড়িতে উঠে গেলাম। আমি তখনো তার দিকে তাকাইনি। তাকাতে পারিনি। সাহস হয়নি তার চোখে চোখ রাখার। গাড়িতে পাশাপাশি বসে ছিলাম। খানিক অন্ধকার। আবছায়া আলোয় একবার তাকিয়েছিলাম। কিন্তু চেহারা ভালো বুঝে উঠতে পারিনি।
গাড়ি চলছে আমার বাড়ির পথে। গভীর রাত। তার মাথা আমার কাঁধে। অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করছিল। এমন ভালো লাগা মুগ্ধ হওয়া হয়ে উঠেনি আমার জীবনে কখনো। তখন আমার বয়স ও খুব বেশি হয়নি। মাত্র ১৯ বছরের বালক আমি। যার সাথে আমার বিয়ে হয়েছে, তার বয়স শুনেছিলাম ১৭, মা বলেছিল।
আমি তখনো আমার সব কিছু গুছানো শিখিনি। এর মধ্যেই নতুন একজন মানুষ আমার কাঁধে মাথা রেখে নির্ভয়ে ঘুমাচ্ছে। সারাজীবন নির্ভয় আশ্রয়স্থল আমি। আজকেই সে দায়িত্ব আমার কাঁধে তুলে নিতে হলো। যে আমাকে তার আশ্রয় ভাবছে, তার সম্পর্কে আমি বেশি কিছু জানিনা। বাবা মা কে কিছুই জিজ্ঞাসা করতে পারিনি, লজ্জায়। শুধু আলোচনায় নামটা শুনেছিলাম। আয়শা। আমার কাঁধে মাথা রাখা মেয়েটার নাম আয়শা। আমার বউ আয়শা।
বাড়ি ফিরে যেতেই সবাই নতুন বউকে নিয়ে মেতে উঠে। মা চাচীরা নতুন বউকে বরণ করে নেয়। আমিও বরণ হই নতুন করে। চাল, ধান, দূর্বা ঘাস, আরো কি কি দিয়ে বরণ করে। এসবও কুসংস্কার জানি। বিরোধিতা করতে পারিনা। দুধ দেয় এক গ্লাস দুইজনকে। প্রাণ করে ঘরে যাই। তখনো আমি আয়শাকে ভালো করে দেখিনি। ইচ্ছে হচ্ছিল সব কিছু থামিয়ে দিয়ে এক পলক দেখি। আয়শা কি খুব সুন্দরী। মায়াপরী!
তারপর শেরওয়ানী পাগড়ি মালা সুতো সব খুলে স্বাভাবিক পোশাক পড়ি। মা চাচীরা নতুন বউকে নিয়ে সাজানো বাসর ঘরে তুলে দেয়। আমার ডাক পড়ে তার কিছুক্ষণ পরেই। আমি লজ্জায় মাথা নুইয়ে ঘরের দরজা ধাক্কা দেই খুব শক্ত করে। ভেবেছিলাম ভিতর থেকে হয়তো কেউ আটকিয়েছে। কিন্তু এটা ভাবিনি যে অনেক রাতে ছোটরা সব ঘুমিয়ে গেছে। আমার এহেন কান্ড দেখে দূরে দাড়িয়ে থাকা সবাই হেসে দেয়। কেউ মুখ লুকায়ে হাসে। আমি লজ্জিত হয়ে ভিতরে ডুকেই দরজা বন্ধ করে দেয়।
দরজা বন্ধ করেই ফিরে তাকাই বিছানার দিকে। ওখানেই আয়শার থাকার কথা। কিন্তু না, আয়শাকে দেখলাম মেঝেতে জায়নামাজ বিছিয়ে বসে আছে। আমি এবার আসল লজ্জাটাই পেলাম। আমি তো অজু ছাড়াই এ ঘরে চলে এসেছি। আমাদের তো নামাজ পড়ার কথা। আয়শা বসে আছে মেঝেতে। দরজার শব্দ হলেও তাকায়নি এদিকে। আমি আবার দরজা খুলে বাহিরে গেলাম। বাহিরে বসে থাকা আত্মীয় স্বজনদের চোখ এড়ানো দ্বায়। তাদের চোখের সামনে দিয়েই অজু করতে গেলাম। অজু করে আবারো ফিরে এলাম। এবার তাদের দিকে তাকাইনি একবারো।
ঘরে ডুকেই দরজা বন্ধ করে দাড়িয়ে দেখি আমার জন্য জায়নামাজ একটা সামনে বিছানো আছে। আমি গিয়ে দাড়াই ওখানে। তারপর আয়শাও আমার পিছনে দাড়ায়। আমি এই প্রথম নামাজের ইমামতি করি। আয়শা আমাকে অনুসরণ করে।
নামাজ শেষ করে মনে অনেক সাহস সঞ্চার করে পিছন ফিরে তাকালাম এই আশায় যে এবার আয়শাকে আমি দেখবো। যখনি মাথা ঘোরালাম তখনি বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলো। চার দিক আঁধার হয়ে গেল। আর তাকে দেখতে পেলাম না। চুপ করে আঁধারের মধ্যে জায়নামাজে বসে আছি। কতক্ষণ বসে ছিলাম জানিনা, তবে মনে হলো কয়েক শতাব্দি পরে এক ম্যাচের কাটির খুচায় চারদিকের আঁধার ছেদ করে আলোকিত করলো মোমের সুঁতো। সেই মোমের আলোয় প্রথম দেখেছিলাম আয়শার মুখ।
নাকে নত, কানে দুল, মাথায় টিকলি, আর বিয়ের শাড়ি। সাদামাটা চোখে শুধু কাজল, কালো এলোমেলো ভ্রু, চিকন ঠোঁট আর সেই ঠোঁটের ভিতর এক পাটি সাদা দাঁতের মন মাতানো মিষ্টি হাসি। আমি তখনো বসে আছি জায়নামাজে। কোথা থেকে যে কথা শুরু করবো ভাবতেই পারছিলাম না। হৃদপিন্ড জোরে জোরে চলছিল। বুকটা ধব ধব কাঁপছিল।
আয়শা ধীরে ধীরে আমার কাছে এসে সামনে জায়নামাজে বসলো। আমি বিমোহিত হয়ে তার দিকে নিরবে তাকিয়েছিলাম। কতক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম জানিনা। নিরবতা ভেঙে দিয়ে সেই আমাকে প্রথম বলেছিল, "আসসালামু আলাইকুম!" এতক্ষণ তার রূপ দেখে বিমোহিত হচ্ছিলাম। এখন তার কন্ঠ শুনে আরো আকর্ষিত হলাম। এমন মিষ্টি নারী কণ্ঠ আমার জীবনেও শুনিনি। আমার বাবা-মার জন্য অনেক অনেক দোয়া যারা আমার জন্য এমন একটা মেয়েকে বেছে নিয়েছেন। আল্লাহকেও অনেক ধন্যবাদ দিলাম মনে মনে এমন একটা মানুষকে আমার জন্য বরাদ্ধ রাখার জন্য।
সে আবারো আমাকে সালাম দিলো। আমি সালামের উত্তর নিয়ে চুপ করে রইলাম। কি বলবো ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না। তারপর সে আমাকে বললো পরিচিত হতে, কারণ সে আমার সম্পর্কে বেশি কিছু জানেনা। আমিও তাকে বললাম আমিও বেশি কিছু জানিনা শুধু নাম টি ছাড়া। সে তার সম্পর্কে বলতে লাগলেন। আমি শুনছিলাম আর মুগ্ধ হচ্ছিলাম। এও কি সম্ভব!
আয়শা ছিলেন একজন কোরআনের হাফেজা। ৭ বছর বয়সেই হাফেজা হয়েছিল। তারপর আলেমাতে কেবল ভর্তি হয়েছে। আমার অনুমতি থাকলে সে আলেমা শেষ করতে চায়। তারপর আমি আমার পরিচয় দিতে লজ্জা পাচ্ছিলাম। কি দিবো আমার পরিচয়। অনার্স এ ভর্তি হওয়া একটা ছেলে মাত্র। না আছে কোন যোগ্যতা। না আছে তার তুলনায় জ্ঞান! আমি যেন তার তুলনায় বিশাল নদীর বুকে এক টুকরো সামান্য বালুর চর। যার মাঝে আছে কেবলি মরিচিকা।
তার এলাকার লোকেরা কেন ওসব কথা বলেছিল তা আমি বুঝতে পারছিলাম মাত্র। তারপর চুপ করে রইলাম। আমি কোন কথা বলছিলাম না। আমি আসলে তার যোগ্য ছিলাম না। আমি এসব ভাবতে ভাবতেই সে বলেছিল, "থাক আপনার আর পরিচয় দিতে হবে না। এখন থেকে আপনার সবচেয়ে বড় পরিচয় হচ্ছে আপনি আমার স্বামী। আমাকে কখনো ভুলে যাবেন না, কষ্ট দিবেন না, এই কথাটা আমাকে দিন।"
আমি তাকে একটা শর্ত এঁটে দিলাম। যদি আজকে আপনার তেলাওয়াত শোনান তাহলে কথা দিব। তারপর কোরআনের সূরা আর-রহমান তেলাওয়াত করে আমাকে শোনালেন। আমি এতটাই মোহিত হয়ে শুনেছিলাম যে এরপর থেকে আয়শার কন্ঠে তেলাওয়াত না শুনলে আমার রাত অস্থির হয়ে উঠতো।
পরের দিন মাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, "মা, এমন হুজুর বউ এনে দিলে এই খেজুর ছেলেকে তার কারণ টা কি?" মা হেসে বলেছিলেন তোর বাবা এই মেয়ে জন্মের পরই ঠিক করেছিল। তোদের দু'জনের বাবা সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যা এখন বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র!
তারপর অনেক বছর কেটে যায়। আমাদের সংসারে দু'টি জান্নাত এসেছে ঘর আলো করে। আয়শা তাদেরকেউ তারই মত করে গড়ে তুলেছে। আমি হলাম মোম, আয়শা সে মোমের সুঁতো, আর আমাদের মেয়েরা হলো মোমবাতির আলো। যাদের আলোয় আলোকিত হয় আমাদের চারপাশ।
অনুগল্পঃ
মোমের আলো / Arfin Rafi Shohel

26/08/2021
17/08/2021

"অপরাধী সেদিনের শাস্তির বদলে দিতে চাবে তার সন্তান-সন্ততিকে,তার স্ত্রী ও ভাইকে,তার জ্ঞাতি গোষ্ঠিকে যারা তাকে আশ্রয় দিত এবং পৃথিবীর সকলকে, যাতে এই মুক্তিপণ তাকে মুক্তি দেয়।"
( সূরা মাআরিজ - ৭০:১১-১৪)

17/08/2021

মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে পড়িনি
একটু পড়েই দেখুন না। জাযাকাল্লাহ।

পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি -

"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"

يُجَرِّدُونَنِي مِنْ مَلَابِسِي

তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,

يَغْسِلُونَني

আমাকে গোসল করাবে,

يَكْفِنُونَنِي

(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,

يُخْرِجُونَنِي مِنْ بَيْتِي

আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,

يَذهَبُونَ بِي لِمَسَكِنِي الجَدِيدِ (القَبْرُ)

আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,

وَسَيَأتِي كَثِيرُونَ لِتَشْيِيْعِ الجَنَازَتِي

আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,

بَلْ سَيَلْغِي الكَثِيرُ مِنهُم أَعْمَالَهُ وَمَوَاعِيدَهُ لِأَجْلِي دَفْنِي

অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,

وَقَدْ يَكُونُ الكَثِيرُ مِنهُم لَمْ يَفَكِّرْ في نَصِيحَتِي يَوماً مِنْ الأيّامِ

কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,

أَشْيَائِي سَيَتِمُّ التَّخَلُّصُ مِنهَا

আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,

مَفَاتِيحِي

আমার চাবির গোছাগূলো,

كِتَابِي

আমার বইপত্র,

حَقِيبَتِي

আমার ব্যাগ,

أَحْذِيَتِي

আমার ‍জুতোগুলো,

وإنْ كانَ أَهْلِي مُوَفِّقِينَ فَسَوفَ يَتَصَدِّقُونَ بِها لِتَنْفَعَنِي

হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,

تَأَكِّدُوا بِأَنَّ الدُّنيا لَنْ تَحْزَنْ عَلَيَّ

এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,

وَلَنْ تَتَوَقَّفْ حَرَكَةُ العَالَمِ

এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,

وَالاِقْتِصَادُ سَيَسْتَمِرُ

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে,

وَوَظِيْفَتِي سَيَأتِي غَيرِي لِيَقُومَ بَها

আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,

وَأَمْوَالِي سِيَذْهَبُ حَلَالاً لِلوَرَثِةِ

আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,

بَينَمَا أنا سَأُحَاسِبُ عَليها

অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,

القَلِيلُ والكَثِيرُ.....النَقِيرُ والقَطمِيرُ......

ছোট এবং বড়….অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)

وَإن أَوَّلَ ما مَوتِي هو اِسمِي !!!!

আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!

لِذَلكَ عِنْذَما يَمُوتُ سَيَقُولُونَ عَنِّي أَينَ "الجُنَّةُت"...؟

কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?

وَلَن يَنَادُونِي بَاِسمِي....

কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,

وَعِندَما يُرِيدُونَ الصَّلاةَ عَلَيَّ سِيَقُلُونَ اُحْضُرُوا "الجَنَازَةَ" !!!

যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,

وَلَن يُنَادُونِي يِاسْمِي ....!

তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না….!

وَعِندَما يَشْرَعُونَ بِدَفنِي سَيَقُولُونَ قَرِّبُوا المَوتَ وَلَنْ يَذكُرُوا اِسمِي ....!

আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না…!

لِذَلِكَ لَن يَغُرَّنِي نَسبِي وَلا قَبِيلَتِي وَلَن يَغُرَّنِي مَنْصَبِي وَلا شَهرَتِي ....

এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,

فَمَا أَتْفَهُ هَذِهِ الدُّنْيَا وَمَا أَعْظَمَ مُقَلِّبُونَ عَليهِ .....

এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়…

فَيا أَيُّهَا الحَيُّ الآنَ ..... اِعْلَمْ أَنَّ الحُزْنَ عَليكَ سَيَكُونُ على ثَلَاثَةٍ أَنْواعٍ:

অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,….জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দু:খ করা হবে,

1ــ النَّاسُ الَّذِينَ يَعْرِفُونَكَ سَطْحَيّاً سَيَقُولُونَ مِسْكِينٌ

১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,

2ــ أَصْدِقَاؤُكَ سَيَحْزُنُونَ سَاعَات أَو أَيَّامَاً ثُمَّ يَعُودُونَ إِلَى حَدِيثِهِم بَلْ وَضَحِكَهُم.....

২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দু:খ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,

3ــ الحُزْنُ العَمِيقُ فِي البَيْتِ سَيَحْزُنُ أَهْلِكَ أُسْبُوعاً.... أُيسْبُوعَينِ شَهراً ....شَهرَينِ أَو حَتَّى سَنَةً وَبَعْدَهَا سَيَضْعُونَكَ فِي أَرْشِيفِ الذَّكَرِيّاتِ !!!

৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দু:খ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!!!

اِنْتَهَتْ قِصَّتُكَ بَينَ النَّاسِ وَبَدَأَتْ قِصَّتُكَ الحَقِيْقِيّةِ وَهِيَ الآخِرةُ ....

মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,

لَقدْ زَالَ عِندَكَ:

তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):

1ــ الجَمَالُ

১. সৌন্দর্য্য

2ــ والمَالُ

২. ধনসম্পদ

3ــ والصَحَّةُ

৩. সুস্বাস্থ্য

4ــ والوَلَدُ

৪. সন্তান-সন্তদি

5ــ فَارقَت الدَّور

৫. বসতবাড়ি

6ــ القُصُورُ

৬. প্রাসাদসমূহ

7ــ الزَوجُ

৭. জীবনসঙ্গী

وَلَمْ يَبْقِ إِلَّا عَمَلُكَ

তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,

وَبَدَأَتِ الحَيَاةُ الحَقِيقَيَّةُ

শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,

وَالسُّؤَالُ هُنا : ماذا أَعْدَدْتَ لِلقُبَرِكَ وَآخِرَةَكَ مِنَ الآنَ ؟؟؟

আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?

هَذِهِ حَقِيقَةٌ تَحْتَاجُ إلى تَأمَّلٍ

*ব্স্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,*

لِذَلِكَ أحرصُ عَلى :

এজন্য ‍তুমি যত্নবান হও,

1ــ الفَرَائِضِ

১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি

2ــ النَّوَافِلِ

২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি

3ــ صَدَقَةُ السِّرِّ

৩. গোপন সাদাকাহ’র প্রতি

4ــ عَمَلُ الصَّلِحِ

৪. ভালো কাজের প্রতি

5ــ صَلاةُ اللَّيلِ

৫. রাতের নামাজের প্রতি

لَعَلَّكَ تَنْجُو....

যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো….

إِنْ سَاعَدْتَ عَلى تَذْكِيرِ النَّاسِ بِهَذِهِ المُقَالَةِ وَأنتَ حَيُّ الآنَ سَتَجِدُ أَثَرَ تَذكِيرِكَ في مِيزَانِكَ يَومَ القِيامَةِ بِإِذْنِ اللهِ .....

এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ’র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,

قال الله تَعالى : ((فَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَ تَنْفَعُ المُؤمِنِينَ))

আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))

لِمَاذَا يَخْتَارُ المَيِّتِ "الصَّدَقَةَ لو رَجَعَ للدُّنيا....

তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?

كَمَا قَالَ تَعَالى: ((رَبِّ لَو لا أَخَّرْتَنِي إلى أَجَلٍ قَرِيبٍ فَأَصَّدَّقَ....))

আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম….))

ولَمْ يَقُلْ :

তারা বলবে না,

لِأعتَمَرَ

উমরাহ পালন করতাম,

أو لِأُصَلَّي

অথবা, সালাত আদায় করতাম,

أو لِأصُومُ

অথবা, রোজা রাখতাম,

قالَ العُلَماءُ : ما ذَكَرَ المَيِّتُ الصَّدَقَةَ إلا لِعَظِيمِ مَا رَأى مِن أَثَرِها بَعدَ مَوتِهِ

আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ’র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে,

فَأَكْثِرُوا مِنَ الصَّدَقَةِ وَمِن أَفضَلِ ما تَتَصَدَّقُ بِهِ الآنَ 10 ثَوَان مِنْ وَقْتِكَ لِنشَرِ هذا الكَلامَ بِنِيَّةِ النَّصْحِ فَالكَلمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ.

আর, গুরুত্ববহ এই সাদাকাহ’র কাজটি তুমি এই কথাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করে করতে পারো, যদি তোমার উদ্দেশ্য হয় এর মাধ্যমে মানুষকে উপদেশ প্রদান করা। কারণ, উত্তম কথা হল এক ধরণের সাদাকাহ।।।
-সংগৃহীত

16/08/2021
01/08/2021

সুলতান সুলায়মান, উমর সিরিজ, The Message movie, ইউসুখ-জুলায়খা ইত্যাদি টিভি সিরিয়াল দেখার হুকুম
__________________________________________
এক.
(১) আমার পরিচিত কয়েকজন “সুলতান সুলায়মান” নামে একটি টিভি সিরিয়ালের কথা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। না দেখে শুধুমাত্র বর্ণনা শুনেই আমি নিশ্চিত, এ ধরণের অনুষ্ঠান যেখানে বাদ্য যন্ত্র বাজানো হয়, নারীদের চেহারা প্রদর্শন করা হয়, মানুষের মন ভুলানোর জন্যে বানোয়াট মিথ্যা কাহিনীকে সত্যি ঘটনার মতো করে দেখানো হয়, ইসলাম সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর বিষয় দেখানো হয়, এইগুলো দেখা সম্পূর্ণ হারাম এবং গুনাহর কাজ। এইগুলো হচ্ছে নেক সুরতে শয়তানের ধোকা। মানুষ ইসলামী অনুষ্ঠান মনে করে গুনাহ দিয়ে আমলনামা পূর্ণ করছে। ওয়াল ইয়াজু বিল্লাহ।
(২) অনুরূপভাবে, উমার রাদিয়াল্লাহু আ’নহুর জীবনী নিয়ে বানানো “উমার সিরিজ” একই কারণে দেখা হারাম। সেটা আরো বেশি জঘন্য, কারণ সেখানে উমার (রাঃ) এর চরিত্রকে অভিনয় করে দেখানো হয়েছে। আহলে সুন্নাহর আলেমরা কোন সাহাবীকে অভিনয় করে দেখানো হারাম এবং এটা সম্মানিত সাহাবীদের ব্যক্তিত্বের অসম্মান বলে বিশ্বাস করেন। আপনারা এইগুলো দেখবেন না, এইগুলো যারা বানায় তারা আল্লাহওয়ালা কোন লোক নয়, বরং জাহেল এবং ফাসেক মুসলমান, এমনকি টাকা উপার্জনের জন্য অনেক সময় কাফের-মুশরেকরাও এইগুলো বানিয়ে মুসলমানদেরকে ধোঁকা দেয়।। আমাদের ছোটবেলায় অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পাওয়া, মুসলিমদের সম্পর্কে ও ইসলামী সংস্কৃতি সম্পর্কে ভুল ধারণা প্রচারকারী টিভি সিরিজ “আলিফ লায়লা” বানিয়েছিলো ভারতীয় মুশরিকরা। অনেক মুসলমানরা মনে করে, এইগুলো মুসলিমদের সাহিত্য বা বিনোদন, আসলে এইগুলো বিনোদন নাম দিয়ে শয়তান মুসলমানদেরকে বোকা বানাচ্ছে।
(৩) রাসুল সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের যুগ থেকে চলে আসা আহলে সুন্নাহর চিরন্তন ধারাকে পরিবর্তন করে ইসলামকে “নতুন রূপ” দেওয়ার মতবাদে বিশ্বাসী, এমেরিকান বক্তা ইয়াসির ক্বাদী উমার সিরিজ দেখে লজ্জিত না হয়ে উল্টা দাবী করেছিলো, এটা দেখে নাকি তার ঈমান বেড়ে গেছে! হারাম অনুষ্ঠান দেখে যার ঈমান বেড়ে যায়, এমন উস্তাদের কাছ থেকে যারা দ্বীন শিখবে, সেই সমস্ত মুসলমানদের ঈমানের কি অবস্থা হবে তা খুব সহজেই অনুমেয়। আল্লাহু মুস্তাআ’ন।
(৪) পাকিস্থানী দুইটি টিভি চ্যানেল Ary QTV ও মদীনাহ চ্যানেল - এইগুলো চালায় বেরেলুবী কবর-মাযার পূজারীরা। আপনারা এদের চ্যানেলের সুন্দর নাম দেখে ধোকায় পড়বেন না। এরা স্পষ্ট কুফুরী, শির্ক, বিদআ’ত ও হারাম অনুষ্ঠান প্রচার করে। বোকা পুরুষদের মনোরঞ্জন করা জন্য লিপস্টিক আর মেকাপ দেওয়া বেপর্দা নারীদেরকে দিয়ে গজল, নাত নামক “লাহুয়াল হাদীস” প্রচার করে, গান-বাজনা বা বিভিন্ন হারাম অনুষ্ঠান প্রচার করে, যেখানে নারীদেরকে প্রদর্শন করা হয়। এদের দেখাদেখি বাংলাদেশি বিভিন্ন টিভি চ্যানেল যেখানে দিন রাত ২৪ ঘন্টা অশ্লীল প্রোগ্রাম দেখিয়ে শয়তানকে খুশি করা হয়, তারা মাঝে মাঝে কিছু বিদআ’তি আলেম ভাড়া করে শিরক ও বিদাত প্রচার করছে। আপনারা এদের ব্যপারে সতর্ক থাকুন এবং অন্যদেরকেও সতর্ক করুন।
(৫) নারীদের দ্বারা প্রচারিত সংবাদ দেখা পুরুষদের জন্য হারাম। এমনকি যদিওবা তারা মাথায় রুমালের মতো একটা কাপড় পেঁচিয়ে হিজাব করার দাবী করে, এই হিজাব হিজাব নয়। এটা তাদের মনগড়া হিজাব, যা আল্লাহর কাছে কস্মিনকালেও গ্রহণযোগ্য নয়। বাংলাদেশের বিশেষ একটি রাজনৈতিক ইসলামী দলের অনুসারীরা মনে করে, মাথায় কাপড় পেঁচিয়ে টিভিতে সংবাদ প্রচার করা জায়েজ আছে। এমনকি তাদের একজন ইসলাম প্রচারকারী সেই দলের একটি টিভি চ্যানেলে এটাকে “জায়েজ” বলে ফতোয়াও দিয়েছিলেন। আলেম হিসেবে পরিচিত কোন ব্যক্তি যদি এমন কথা বলেন, স্বাভাবিকভাবে তা
র শ্রোতারা বিভ্রান্ত হবেন।
(৬) সবচাইতে উত্তম ও নিরাপদ হচ্ছে বাসায় টিভি না রাখা, মোবাইলে গেমস না রাখা, বরং বাসায় কুরআনী পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা। আপনার বাচ্চাকে যদি মোবাইলের গেমস না দিলে সে ঠান্ডা না হয়, কার্টুন না দেখে খেতে পারেনা - ২/৪ বছর বয়সেই হারাম কাজে আসক্ত হওয়ার জন্যে আপনিই দায়ী থাকবেন। মনে রাখবেন, আপনি যে রকম বীজ বপন করবেন, সেইরকম ফল পাবেন। আর গাছ সোজা হয়ে বেড়ে উঠার জন্যে ছোটবেলাতেই একটা লাঠি দিয়ে সোজা করে বেধে দিতে হয়। আপনি যদি এটা না করেন, গাছ যদি বাকা হয়ে বড় ও শক্ত হয়ে যায়, তখন শত চেষ্টা করেও আর সেটাকে সোজা করা যায় না। ঠিক তেমনি, সন্তান যদি আল্লাহর অবাধ্য, বেয়াড়া হয়ে বড় হয়, পরে শত চেষ্টা করেও সংশোধন করতে পারবেন না। সন্তানের জন্যে আফসোস আর দুঃখ করে কবরে যেতে হবে।
আল্লাহ আমাদের ও আমাদের পরিবারকে হেফাজত করুন, আমিন।
__________________________________________
দুই.
(১) আমরা সবাই মৃত্যু পথযাত্রী, সুতরাং অনন্ত পথে যাত্রা শুরুর পূর্বে গাফিলতি না করে দ্রুত নেক আমল সংগ্রহ করে নিন। দুনিয়া খেল-তামাশার জন্য নয়, প্রতিটা মানুষের জীবনের একটা উদ্দেশ্য দিয়ে আল্লাহ তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। আমাদের উচিত আমাদের মহান রব্বের সেই মহান ইচ্ছা অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা।
(২) আল্লাহর ইবাদতের মধ্যে সবচাইতে সহজ হচ্ছে আল্লাহর যিকির, যদিও আল্লাহর কাছে এটা অনেক মূল্যবান ও দামী। আমাদের জীবনে প্রতিটা মুহূর্তে ঘুম থেকে উঠে, ঘুমানোর পূর্বে, খাওয়ার পূর্বে ও পরে, ওযু গোসলের পূর্বে ও পরে, সালাতের পরে, সকালে ও সন্ধায়, বিপদ ও কষ্টের সময়ে এমন অসংখ্য সুন্নতী দুয়া ও যিকির রয়েছে। আপনারা এইগুলো শেখার জন্যে হিসনুল মুসলিম বইটা সংগ্রহ করুন। এই বইয়ের সবগুলো দুয়া সহীহ হাদীস থেকে সংগ্রহ করা। আপনারা এই বইটি বারবার পড়তে পড়তে আস্তে আস্তে প্রয়োজনীয় সবগুলো দুয়া মুখস্থ করার চেষ্টা করুন। বইটি আহসান পাবলিকেশান থেকে প্রকাশিত। এছাড়া পীস পাবলিকেশান থেকে শব্দার্থ সহ বেড়িয়েছে, যা অর্থসহ বুঝে মুখস্থ করার জন্যে উপকারী হবে। আপনাদের যেটা ভালো লাগে কিনতে পারেন।
(৩) টিভি সিরিয়াল “উমার সিরিজ” কাতার ভিত্তিক একটা টিভি চ্যানেল MBC কর্তৃক নির্মিত হয়েছিলো। উমার সিরিজ কাতারে বানানো হোক, দুবাইয়ে হোক, লন্ডনে কিংবা এমেরিকাতে বানানো হয়, যেকোন অবস্থাতেই হারাম। সাহাবাদেরকে অভিনয় করে দেখানো হয়, মিউজিক বাজানো হয়, নারীদেরকে প্রদর্শন করা হয় - এমন যেকোন অনুষ্ঠান দেখা হারাম।
আল্লামাহ সালিহ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-ফাউজান হা’ফিজাহুল্লাহকে উমার সিরিজ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছেন, “বর্তমান যুগের আলেমদের মাঝে ইজমা রয়েছে অর্থাৎ, সমস্ত আলেমরা এই ব্যপারে একমত যে, কোন ব্যক্তির জন্যে একজন সাহাবীর চরিত্র অভিনয় করে দেখানো জায়েজ নয়”
সমস্ত আলেমদের ফতোয়া উপেক্ষা করে নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে যেই সমস্ত লোকেরা উমার সিরিজ বানিয়েছে, শায়খ ফাউজান তাদেরকে অর্থলোভী ব্যবসায়ী বলে আখ্যা দিয়েছেন। সুবহা’নাল্লাহ! চিন্তা করে দেখুন, সমস্ত আলেমরা একমত সাহাবীদেরকে অভিনয় করে দেখানো হারাম এবং এটা সাহাবীদের মর্যাদাহানি করা হয়। সেখানে ইয়াহুদী-খ্রীস্টানদের অধীনে দ্বীন শেখা এমেরিকান কোন ব্যক্তি (ইয়াসির ক্বাদী) যদি “উমার সিরিজ দেখা হারাম” বলে আলেমরা ভুল করছেন এই কথা বলে, “আলেমরা বর্তমান যুগের মাসলা মাসায়েল বুঝতে পারছেন না” এই কথা বলে আলেমদেরকে তুচ্ছ করে, তাহলে এমন ব্যক্তিকে আপনারা কি বলবেন? সে কি একজন দ্বাইয়ী, নাকি একজন JOKER?
(৫) এক ভাই The Message সিনেমা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন। উপরে উল্লেখিত কারণ সমূহের কারণে একইভাবে The Message সিনেমা দেখা নাজায়েজ। এই সিনেমার উপরে ইতিঃপূর্বে আমি শায়খ সালিহ আস-শুহাইমি হা’ফিজাহুল্লাহর ফতোয়ার অনুবাদ আমাদের পেইজে পোস্ট করেছিলাম, ফা লিল্লাহিল হা'মদ। সুতরাং, মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার জন্যে, দ্বীন শিখার জন্যে The Message সিনেমা মানুষের মাঝে প্রচার করা অনুচিত। হারাম কাজে কোন বরকত নেই, যদিও আপাতদৃষ্টিতে সেটা দেখতে যতই ভালো মনে হোকনা কেনো।
ওয়া সোয়াল্লাল্লাহু ও সালাম্মা আ’লান-নাবী।
[Copy]

31/07/2021

যে সাহাবীর মেহমানদারীতে আল্লাহ হেসেছিলেন--
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর নিকট এলেন। তিনি (খাদ্যের জন্য) তার স্ত্রীগণের নিকট পাঠান। তারা বলেন, আমাদের কাছে পানি ছাড়া আর কিছু নাই। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ কে তার মেহমানদারি করবে?

আনসারদের একজন বলেন, আমি। তিনি তাকে নিয়ে তার স্ত্রীর কাছে গিয়ে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর মেহমানকে সম্মান করো। স্ত্রী বলেন, ছেলে-মেয়েদের রাতের খাবার ছাড়া আমাদের আর কিছু নাই। আনসারী বলেন, তুমি খাবার তৈরি করো, বাতি ঠিক করো এবং তোমার বাচ্চারা যখন রাতের খাবার চাইবে তখন প্রবোধ দিয়ে তাদের ঘুম পাড়িয়ে দিও।

মহিলা তার খাবার তৈরি করলেন, বাতি ঠিকঠাক করলেন এবং তার বাচ্চাদের ঘুম পাড়ালেন। অতঃপর তিনি উঠে বাতি ঠিক করার ছুতোয় তা নিভিয়ে দিলেন। তারা এমন ভাব দেখালেন যে, তারা যেন মেহমানের সাথে আহার করছেন। অথচ রাতে তারা উপোসই থাকলেন।

ভোর হলে তারা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট গেলেন। তিনি বলেনঃ আল্লাহ তোমাদের গত রাতের কার্যকলাপে হেসেছেন বা অবাক হয়েছেন এবং আয়াত নাযিল করেছেনঃ “তারা অভাবগ্রস্ত হলেও নিজেদের উপর অন্যদের অগ্রাধিকার দেয়। যারা মনের কার্পণ্য থেকে মুক্ত তারাই সফলকাম”। (সূরা হাশর : ৯)

( আদাবুল মুফরাদ - ৭৪৫)

17/07/2021

প্রত্যাশার কিছু আয়াত (২য় পর্ব)

প্রত্যাশার তৃতীয় আয়াতটি হলো...আমাদের নবী মূসা (আ) এর মুখ থেকে শিখুন। যখন তিনি বনী ইসরাইলকে নিয়ে মরুভূমির পথ ধরে পালিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁরা ছিলেন খুবই জরা-জীর্ণ এক জনগোষ্ঠী। কোনো সেনাবাহিনী ছিল না, কোনো অস্র সস্র ছিল না। আক্ষরিক অর্থেই এক দল কৃষক এবং দাস। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁদের কোনো সেনাবাহিনীর ট্রেনিং ছিল না, ঘোড়া ছিল না, শৌর্য বীর্য ছিল না। এক দল কৃষক, গ্রামবাসী এবং দাস পালিয়ে যাচ্ছে। আর তাদের ধাওয়া করছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী। ফেরাউনের সেনাবাহিনী। অশ্বারোহী প্রশিক্ষিত সৈনিক, তীরন্দাজ, সকল অস্র সস্র সহ গোটা সেনাবাহিনী।

অন্যদিকে, বনী ইসরাইল পালিয়ে যাচ্ছে পায়ে হেঁটে। লোহিত সাগরের উপকূলে এসে তাঁরা উপনীত হলেন। তখন বনী ইসরাইল কী বলেছিল? বনী ইসরাইলের সে ঈমান ছিল না। "ইন্না লা মুদরাকুন- অবশ্যই ‘আমরা ধরা পড়ে গেলাম!’" (২৬:৬১) ফেরাউন আমাদের ধরে ফেলবে। আমাদের মেরে ফেলবে।

তখন মূসা (আ) কী বলেছিলেন? মুখস্ত করে রাখুন এবং নিজের বিপদে ব্যবহার করুন। کَلَّا ۚ اِنَّ مَعِیَ رَبِّیۡ سَیَهۡدِیۡنِ (কাল্লা, ইন্না মা'য়ীআ রাব্বি সা ইয়াহদিন- ‘কক্ষনো নয়; আমার সাথে আমার রব রয়েছেন, শীঘ্রই তিনি আমাকে পথ দেখাবেন।) আল্লাহ্‌ আমার সাথে আছেন। কীভাবে আমি পরাজিত হবো! আল্লাহ্‌ আমার সাথে আছেন। ইন্না মা'য়ীআ রাব্বি। কে আমাকে পরাজিত করতে পারবে, যখন আল্লাহ্‌ আমার সাথে আছেন। আমার রব আমার জন্য একটি উপায় বের করে দিবেন।

এর নাম হলো আশা। তাঁর কোনো অস্র ছিল না, কোনো আর্মি ছিল না, কোনো ট্রেনিং ছিল না, কোনো ঘোড়া ছিল না। তাঁকে ধাওয়া করছে মানব ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী সেনাবাহিনী। আর তাঁর সামনে কূল-কিনারাহীন বিশাল লোহিত সাগর। সাঁতার কেটে তো পার হওয়া সম্ভব নয়। তাদের সাথে আছে ছোট ছোট শিশুরা। আর মূসা (আ) বললেন, না। আমাদের ধ্বংস হবে না। আল্লাহ্‌ আমার সাথে আছেন। তিনি আমাদের জন্য একটি উপায় বের করে দিবেন।

আল্লাহ্‌ তখন কী করলেন? আল্লাহ্‌ তাদের মুক্তির একটি ব্যবস্থা করে দিলেন।
আপনি যখন আল্লাহ্‌কে বিশ্বাস করবেন এবং আল্লাহর উপর আস্থা রাখবেন— তখনি অলৌকিক ঘটনা ঘটে। হয়তো সেটা সাগর দ্বিখণ্ডিত হওয়ার মত এতোটা বিস্ময়কর কিছু হবে না। কিন্তু, আমাদের প্রত্যেকে... আল্লাহর শপথ করে বলছি, আমরা প্রত্যেকে আমাদের জীবনে ছোট ছোট মিরাকল প্রত্যক্ষ করি। আল্লাহর শপথ! যেহেতু আল্লাহ্‌ হলেন আমাদের রব, আমরা আমাদের ব্যক্তি জীবনে এই ছোট ছোট মিরাকলগুলো প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করি।
রিজিক এমন জায়গা থেকে আসবে আমরা কোনোদিন যার আশা করিনি। এমন জায়গা থেকে সাহায্য আসবে যার চিন্তাও কোনোদিন করিনি। আমাদের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই আমরা এগুলো জানি।

আমাদের রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সাওর পর্বতের গুহায় আশ্রয় নিলেন, আবুবকর ভয়ে কাঁপছেন, রাদিয়াল্লাহু আনহু। শত্রুরা গুহার আশে পাশেই। এক মিলিসেকেন্ডেই ধরা পড়ে যেতে পারেন। তারা শুধু গুহার মুখে দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেই হবে।
তখন আমাদের রাসূল (স) কী বলেছিলেন? আয়াতটি কী ভাইয়েরা? لَا تَحْزَنْ إِنَّ اللَهَ مَعَنَا - ‘চিন্তা করো না, আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন’। (9:40) মূসা (আ) এর মত একই চিন্তাধারা। অবশ্যই, এক হওয়ার কথা। কারণ, তাঁরা উভয়ে নবী ছিলেন। "লা তাহজান, ইন্নাল্লাহা মায়ানা।" "কাল্লা ইন্না মায়ীআ রাব্বি সা ইয়াহদিন।"

একজন মুমিনের দৃষ্টি ভঙ্গি এমনই; যে মূসা (আ) কে অনুসরণ করে, যে মুহাম্মাদ (স) কে অনুসরণ করে। তাদেরকেও একই বাক্যমালা ব্যবহার করতে হবে। এটা কোনো ব্যাপার না, যাই ঘটুক, আল্লাহ্‌ আমার সাথে আছেন। আল্লাহ্‌ আমার সাথে আছেন। "ইন্না মায়ীআ রাব্বি- নিশ্চয়ই আমার রব আমার সাথে আছেন।" "ইন্নাল্লাহা মা'আনা- নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ আমাদের সাথে আছেন।"

যার পক্ষে আল্লাহ্‌ আছেন তার কি করে পরাজয় হতে পারে। অন্য পক্ষে কে আছে না আছে, তার পরোয়া করে কে। যখন আল্লাহ্‌ আমার পক্ষে আছেন।

কিন্তু আপনাকে এর সাক্ষ্য দিতে হবে। আপনাকে নিশ্চিত করে বলতে হবে, "ইয়া আল্লাহ্‌! আমি আপনার দলে। আমি আপনার দয়া ভিক্ষা চাচ্ছি। আপনি আমার রব। আপনি আমাকে রক্ষা করবেন।"

তো, এটা হল প্রত্যাশার আরেকটি আয়াত। কাল্লা, ইন্না মা'য়ীআ রাব্বি সা ইয়াহদিন- ‘কক্ষনো নয়; আমার সাথে আমার রব রয়েছেন, শীঘ্রই তিনি আমাকে পথ দেখাবেন। (২৬:৬২)

— ড. ইয়াসির ক্বাদী।

16/07/2021

আহা যদি তাদের মতো হতে পারতাম, যাদের জন্য আসমানবাসীরা অপেক্ষায় থাকে।

পঞ্চম ইসলাম গ্রহনকারী খালিদ ইবনে সাঈদ রাযিয়াল্লাহু আনহু রোমানবাহিনীর সাথে যুদ্ধে শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন। যার মৃত্যুতে আসমান আলোকিত হয়ে উঠে।

খালিদ ইবনে সাঈদ রাযিয়াল্লাহু আনহুর হত্যাকারী হঠাৎ দেখতে পেল আকাশে একটি উজ্জল আলো ছড়িয়ে পড়ল। এরপর সেই উজ্জল ও ঝলমলে আলো এসে খালিদ রাযিয়াল্লাহু আনহুর দেহ ও আশেপাশকে আলোকিত করে দিল।

এই দৃশ্য দেখে হত্যাকরী ভীষন লজ্জিত হলো এই ভেবে যে, যার মৃতদেহকে আকাশ আলোকিত করে এমন মহান মানুষকে আমি হত্যা করেছি? ছি:।

অবশেষে এটাই কারন হয়ে গেল তার আল্লাহর দীনে প্রবেশ করার আর ইসলাম কবুল করে মুক্তির মিছিলে শামিল হওয়ার।

15/07/2021

"তারা বলবেঃ অবশ্যই আমাদের নিকট সতর্ককারী এসেছিল, আমরা তাকে মিথ্যাবাদী গণ্য করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ কিছুই অবতীর্ণ করেননি, তোমরাতো মহা বিভ্রান্তিতে রয়েছ। এবং তারা আরও বলবেঃ যদি আমরা শুনতাম অথবা বিবেক-বুদ্ধি প্রয়োগ করতাম তাহলে আমরা জাহান্নামবাসী হতামনা।" ( সূরা মুলক - ৬৭:৯-১০)

Address

Dhaka

Telephone

+8801949639324

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Dawah Centre - ইসলামিক দাওয়াহ সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share