Manuser Jonno Aini Sohayota - MAJAS

Call Website Contact the organization

Manuser Jonno Aini Sohayota - MAJAS মানুষের জন্য আইনী সহায়তা (মাজআস)- একটি অরাজনৈতিক অলাভজনক আইনি সহায়তা প্রদানকারী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

কি নির্মমতা! কী ভয়াবহ নিষ্ঠুরতা!১৪ বছরের সহজ-সরল শিশু তাজমিন। সিএনজি চালক ক্ষুধার কথা বলায় নিজের কাছে থাকা মাত্র ১০০ টাক...
10/10/2026

কি নির্মমতা! কী ভয়াবহ নিষ্ঠুরতা!

১৪ বছরের সহজ-সরল শিশু তাজমিন। সিএনজি চালক ক্ষুধার কথা বলায় নিজের কাছে থাকা মাত্র ১০০ টাকা দিয়ে রুটি ও কলা কিনে তাকে খেতে দিয়েছিল সে। একজন মানুষের প্রতি সামান্য মানবিকতা দেখিয়েছিল একটি শিশু।

কিন্তু সেই মানুষটির মধ্যেই ছিল ভয়ংকর নিষ্ঠুরতা। অভিযোগ অনুযায়ী, খাবার খাওয়ার পর শর্টকাট রাস্তা দেখানোর কথা বলে তাজমিনকে ধানক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

যে মেয়েটি কিছুক্ষণ আগেও নিজের টাকা দিয়ে তাকে খাবার কিনে খাইয়েছিল—তার প্রতিই কীভাবে এমন নির্মমতা সম্ভব?

প্রতিটি মেয়েই তার পরিবারের কাছে একেকজন রাজকন্যা—পরিবারের আর্থিক অবস্থা যেমনই হোক না কেন। বাবা-মায়ের কাছে সে সবসময়ই আদরের...
10/10/2026

প্রতিটি মেয়েই তার পরিবারের কাছে একেকজন রাজকন্যা—পরিবারের আর্থিক অবস্থা যেমনই হোক না কেন। বাবা-মায়ের কাছে সে সবসময়ই আদরের, ভালোবাসার ও সম্মানের মানুষ।
কিন্তু বিয়ের পর সেই মেয়েটিই যখন শ্বশুরবাড়িতে পা রাখে, তখন অনেক সময় তার জীবনের বাস্তবতা সম্পূর্ণ বদলে যায়। এই আধুনিক যুগেও একজন স্ত্রীকে কীভাবে অবহেলা, অসম্মান আর মানসিক নির্যাতনের মধ্য দিয়ে দিন কাটাতে হয়, কীভাবে ধীরে ধীরে তাকে একজন মানুষ নয়, বরং ঘরের কাজ করার বস্তুতে পরিণত করা হয়—তা কেবল সেই ভুক্তভোগী নারীই গভীরভাবে অনুভব করতে পারেন।

যে মেয়েটি একসময় পরিবারের রাজকন্যা ছিল, সে-ই অন্যের সংসারে গিয়ে নিজের সম্মান, অধিকার আর একটু ভালোবাসার জন্য প্রতিনিয়ত লড়াই করে।

মনে রাখতে হবে, একজন মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে আনার অর্থ তাকে নিজের অধীন করে নেওয়া নয়; বরং তার সম্মান, অনুভূতি ও অধিকারকে মর্যাদা দিয়ে জীবনের সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করা।
একজন নারী শুধু কারও স্ত্রী বা পুত্রবধূ নন—তিনি একজন স্বতন্ত্র মানুষ। তাঁরও সম্মান পাওয়ার অধিকার আছে, ভালোবাসা পাওয়ার অধিকার আছে, আর আছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার।

07/10/2026

গতকাল এক বোন ফোন করে তার সমস্যার কথা জানালেন। তিনি আমাদের মাধ্যমে মামলা করলে আনুমানিক কত খরচ হতে পারে, সেটা জানতে চাইলেন। আমি তাকে আমাদের নির্ধারিত খরচের কথা বলার পরও তিনি ৩–৪ বার একই বিষয় জানতে চাইলেন।

একপর্যায়ে তিনি বললেন, “ভাইয়া, একটা কথা বলি, কিছু মনে করবেন না।” এরপর বললেন, “আমি আরও অনেকের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা মামলা করতে অনেক বেশি টাকা চেয়েছে। কিন্তু আপনাদের খরচ এত কম যে, আমি আসলে বিশ্বাসই করতে পারছি না!”

তার কথাটা শুনে মনে হলো—মানুষের আইনি সহায়তার প্রয়োজন যেমন অনেক, তেমনি সাশ্রয়ী ও স্বচ্ছ আইনি সেবার প্রতিও মানুষের একটা গভীর আস্থার সংকট রয়েছে। আমরা চাই, অর্থের অভাবে যেন কোনো মানুষ তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নাকি মানবাধিকারের লঙ্ঘন? ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি চাই নাসম্প্রতি গণমাধ্যমে 'অপারেশন ক্লিন হার্ট'-এর আদলে যৌ...
29/09/2026

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নাকি মানবাধিকারের লঙ্ঘন? ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি চাই না

সম্প্রতি গণমাধ্যমে 'অপারেশন ক্লিন হার্ট'-এর আদলে যৌথ বা বিশেষ অভিযান পরিচালনার চিন্তাভাবনার খবরটি আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে। একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে আমি মনে করি, অতীতের যেকোনো বিচারবহির্ভূত বা দায়মুক্তি-সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি দেশের জন্য এক ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে যদি আবারও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, হেফাজতে নির্যাতন বা আইনি প্রক্রিয়া লঙ্ঘনের মতো ঘটনা ঘটে, তবে তা মৌলিক অধিকার ও আইনের শাসনের ধারণাকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করবে।

আমাদের মূল দাবি ও বক্তব্য:
১. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যন্তরে শুদ্ধি অভিযান আগে প্রয়োজন: বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের যেসব দোসর, দুর্নীতিবাজ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী কর্মকর্তা এখনও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন স্তরে বসে আছেন, তাদের বিরুদ্ধে আগে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। ভেতরের ক্ষত না সারিয়ে বাহ্যিক বলপ্রয়োগ কখনোই সুফল আনতে পারে না।

২. আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ: অপরাধী যে-ই হোক না কেন, তাকে দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। কোনো ধরনের 'স্পেশাল বা বিশেষ ক্ষমতা' বা 'দায়মুক্তি'র সংস্কৃতি আমরা আর দেখতে চাই না।
৩. মানবাধিকারের প্রশ্নে আপসহীনতা: ফ্যাসিবাদ-মুক্ত নতুন বাংলাদেশে নাগরিকদের জীবন ও অধিকার রক্ষা করাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য। দমন-পীড়নের পুরোনো কৌশল দিয়ে নতুন সমাজ বিনির্মাণ সম্ভব নয়।

আমরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পক্ষে, তবে তা কোনোভাবেই নাগরিকের মৌলিক মানবাধিকার বা জীবন কেড়ে নেওয়ার মূল্যে নয়। রাষ্ট্র ও প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অতীতে এই ধরনের অভিযানের ভয়াবহ পরিণতি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের বাধ্যবাধকতাগুলোর কথা মাথায় রাখুন।

#মানবাধিকার #আইনেরশাসন #বাংলাদেশ

প্রতিবাদ ও নিন্দারাজধানীর মিরপুর-১ এলাকায় রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মানুষের জন্য আইনি ...
27/09/2026

প্রতিবাদ ও নিন্দা

রাজধানীর মিরপুর-১ এলাকায় রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মানুষের জন্য আইনি সহায়তা ফাউন্ডেশন (মাজআস) গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।

একটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে রাতের আঁধারে হামলা, স্থাপনা ধ্বংস এবং চিকিৎসাসামগ্রী ও অন্যান্য সম্পদ লুটের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশেষ করে যে প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় কাজ করে আসছে, সেখানে এমন ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

মাজআসের দাবি—

১. ঘটনার পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।
২. হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তিকে তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
৩. লুট হওয়া সম্পদ উদ্ধার ও ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. ঘটনাটি প্রতিরোধে দায়িত্বপ্রাপ্ত কারও গাফিলতি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫. কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠান দখল, ধ্বংস বা লুট করতে না পারে—এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

মাজআস মনে করে, বিরোধ বা কোনো দাবি থাকলে তার সমাধানের পথ আইন ও আদালত; হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট কখনোই গ্রহণযোগ্য সমাধান নয়।

মানুষের জন্য আইনি সহায়তা ফাউন্ডেশন (মাজআস)
মানবাধিকার ও আইনি সহায়তা সংস্থা
“নিশ্চিত হোক সকলের আইনি অধিকার।”

📢 **CALL FOR CAMPUS REPRESENTATIVES****Manuser Jonno Aini Sohayota (MAJAS )***Human Rights & Legal Aid Organization*আপনি...
26/09/2026

📢 **CALL FOR CAMPUS REPRESENTATIVES**

**Manuser Jonno Aini Sohayota (MAJAS )**
*Human Rights & Legal Aid Organization*

আপনি কি মানবাধিকার, আইনি সচেতনতা এবং সামাজিক পরিবর্তনের বিষয়ে আগ্রহী?
আপনি কি আপনার ক্যাম্পাসে ইতিবাচক পরিবর্তনের অংশ হতে চান?

তাহলে **MAJAS Campus Representative Program**-এ আপনাকে স্বাগতম। 🌱

🌍 **আপনার কণ্ঠ হতে পারে পরিবর্তনের শক্তি।**
**Join MAJAS — Together for Human Rights and Equal Justice.**

📩 আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আমাদের পেজে **Inbox** করুন অথবা আবেদন প্রক্রিয়া জানতে যোগাযোগ করুন।

23/09/2026

*সংবাদ বিজ্ঞপ্তি**

শিশু ও তরুণদের ওপর নির্যাতন-সহিংসতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ এবং সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি

ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬:

দেশের বিভিন্ন স্থানে শিশু ও তরুণদের ওপর নির্যাতন, সহিংসতা এবং হত্যাকাণ্ডের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে **মানুষের জন্য আইনি সহায়তা ফাউন্ডেশন (মাজআস) গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

সম্প্রতি কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী **ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম** হত্যার ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত এগিয়ে চলছে। একই সময়ে খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী **আজমুল হোসেনকে** মারধর করে হত্যার অভিযোগের ঘটনাটিও জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এসব ঘটনায় প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা যথাযথভাবে যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

একজন শিশু কিংবা তরুণ কোনো অভিযোগ, সন্দেহ বা বিরোধের কারণে সহিংসতার শিকার হতে পারে না। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার সত্যতা যাচাই ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ব্যবস্থা নিতে হবে। **নিজ হাতে আইন তুলে নেওয়া, শারীরিক নির্যাতন কিংবা প্রাণঘাতী সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।**

**মাজআসের দাবি—**

১. সাম্প্রতিক প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের **দ্রুত, নিরপেক্ষ ও প্রমাণভিত্তিক তদন্ত** নিশ্চিত করতে হবে এবং তদন্তে কোনো ধরনের প্রভাব বা পক্ষপাতের সুযোগ রাখা যাবে না।

২. তদন্তে অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করা গেলে তাদের বিরুদ্ধে **প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা** গ্রহণ করতে হবে এবং বিচারিক প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে এগিয়ে নিতে হবে।

৩. শিশুদের ওপর নির্যাতন, অবহেলা বা নিষ্ঠুর আচরণের অভিযোগকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করতে হবে। শিশু আইন, ২০১৩-এর ৭০ ধারায় শিশুর প্রতি নির্দিষ্ট ধরনের নিষ্ঠুরতা ও নির্যাতনের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে।

৪. কোনো ব্যক্তি নির্যাতনের শিকার হলে তার **চিকিৎসা, নিরাপত্তা, আইনগত সহায়তা ও ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার** নিশ্চিত করতে হবে।

৫. নির্যাতন ও সহিংসতার ঘটনা প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে।

মাজআস মনে করে, শুধু কোনো একটি ঘটনার পর ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। **নির্যাতন ও সহিংসতা প্রতিরোধ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা, দ্রুত তদন্ত এবং কার্যকর বিচার—এই চারটি ক্ষেত্রেই ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে হবে।**

আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাই, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন, দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব আইনগত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

**মানুষের জন্য আইনি সহায়তা ফাউন্ডেশন (মাজআস)**
**মানবাধিকার ও আইনি সহায়তা সংস্থা**
**“নিশ্চিত হোক সকলের আইনি অধিকার।”**

22/09/2026

একজন বোনের অভিযোগ—স্বামীকে বিদেশে পাঠাতে ৫ লাখ টাকা খরচ, এখন নিজের সন্তানই অবহেলিত

আজ একজন বোন আমাদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে সহযোগিতা চেয়েছেন। বলতে বলতে তিনি অঝোরে কাঁদছিলেন।

তার অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের পর স্বামীকে কাতারে পাঠানোর জন্য তার পরিবার প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ করেছে। বিদেশে যাওয়ার পর তাদের সংসারে একটি সন্তানও আসে।

কিন্তু ওই বোনের অভিযোগ, কাতারে থাকা অবস্থায় তার স্বামী অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে চুপিসারে বাংলাদেশে এসে ওই নারীকে বিয়ে করেন। তার দাবি, স্বামীর পরিবারের সদস্যরাও বিষয়টি জানতেন এবং পরবর্তীতে তাকে পাশে না থেকে স্বামীর পক্ষ নিয়েছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী বর্তমানে অন্য নারীর সংসার ও তার দুই সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করছেন; অথচ নিজের সন্তানের যথাযথ খোঁজখবর ও ভরণপোষণ করছেন না।

একদিকে স্বামীকে বিদেশে পাঠাতে পরিবারের প্রায় ৫ লাখ টাকা ব্যয়, অন্যদিকে স্বামীর নতুন সংসার—সব মিলিয়ে বোনটির পরিবার আজ আর্থিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বলে তিনি জানিয়েছেন।

এই পরিস্থিতিতে তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন এবং যৌতুক সংক্রান্ত একটি মামলা করেছেন বলে এখন আর মামলা চালাতে পারছেন না আমাদের জানিয়েছেন।

আমরা তাকে আশ্বস্ত করেছি—আইনের সীমার মধ্যে থেকে যতদূর সম্ভব, আমরা তার পাশে থাকবো।

প্রতিবাদ ও নিন্দাবরগুনায় স্কুলের ভেতরে এক ছাত্রীকে বেধড়ক মারধর এবং এতে তার দাঁত পড়ে যাওয়ার যে অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ...
22/09/2026

প্রতিবাদ ও নিন্দা

বরগুনায় স্কুলের ভেতরে এক ছাত্রীকে বেধড়ক মারধর এবং এতে তার দাঁত পড়ে যাওয়ার যে অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, মানুষের জন্য আইনি সহায়তা ফাউন্ডেশন (মাজআস) তার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছে।

একজন শিক্ষার্থীর জন্য বিদ্যালয় হওয়ার কথা নিরাপদ ও সুরক্ষিত স্থান। সেখানে কোনো শিক্ষার্থী যদি নির্যাতন বা সহিংসতার শিকার হয়, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাচ্ছি—ঘটনাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে আহত শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন নয়—প্রতিটি শিশুর নিরাপদে শিক্ষা গ্রহণের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

মানুষের জন্য আইনি সহায়তা ফাউন্ডেশন (মাজআস)

“নিশ্চিত হোক সকলের আইনি অধিকার।”

19/09/2026

সম্পর্কের সমাপ্তি হোক, হিংস্রতার নয়

এই পৃথিবীতে প্রতিটি সম্পর্কেরই একদিন না একদিন সমাপ্তি আছে। কোনো সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে, আবার কোনো সম্পর্ক শেষ হয় বিচ্ছেদের মাধ্যমে।

যখন কেউ কোনো সম্পর্ক থেকে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়, তখন ধরে নিতে হয়—হয়তো সে সেই সম্পর্কটিকে টিকিয়ে রাখতে রাখতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে, অথবা তার অনুভূতিতে পরিবর্তন এসেছে, কিংবা সে অন্য কারও সন্ধানে মগ্ন। আবার কখনো কখনো দুটি মানুষের সুন্দর সম্পর্কও তৃতীয় কোনো মানুষের হিংসা, ষড়যন্ত্র কিংবা কু-নজরের কাছে পরাজিত হয়।
একজন স্বামী-স্ত্রী ১০ বছর, ২০ বছর কিংবা তারও বেশি সময় একসঙ্গে কাটিয়ে দিতে পারেন। একসময় তারা ছিলেন একে অপরের পৃথিবীর সবচেয়ে আপন মানুষ। একে অপরের সুখ-দুঃখের সঙ্গী, একে অপরের নির্ভরতার জায়গা।

কিন্তু যখন কোনো একসময় তাদের মধ্যে ভালোবাসা, বিশ্বাস কিংবা পারস্পরিক অনুভূতির অবসান ঘটে, তখন কেন তাদের কেউ কেউ হিংস্র হয়ে ওঠেন?

এই হিংস্রতার পেছনে নানা কারণ থাকতে পারে। কেউ বিচ্ছেদকে সহজভাবে মেনে নিতে পারেন না। কেউ আবার নিজের সঙ্গীর ওপর অত্যাচার করে তাকে বোঝাতে চান যে, এই সম্পর্ক আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। আবার কেউ কেউ প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠেন, যেন সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার সমস্ত দায় অন্য পক্ষের।

কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো, মানুষ কেন হিংস্রতাকে বেছে নেয়? হিংস্রতাই কি একমাত্র পথ?

একটি সম্পর্ক শেষ হয়ে যেতে পারে, কিন্তু সেই সম্পর্কের মানুষটির প্রতি সম্মান কি শেষ হয়ে যাবে?

দুজন মানুষের মধ্যে বোঝাপড়ার মাধ্যমে কি একটি সম্পর্কের সুন্দর সমাপ্তি ঘটানো যায় না? বিচ্ছেদ মানেই কি অপমান, প্রতিশোধ, নির্যাতন কিংবা রক্তপাত?

আর একটা বিষয় আমাদের মনে রাখা উচিত—সম্পর্কের সমাপ্তিই সব সময় একমাত্র সমাধান নয়। আজ যে মানুষটিকে আপনার সহ্য হচ্ছে না, মাত্র দুই দিন আগেও হয়তো সেই মানুষটিই ছিল আপনার পৃথিবীর সবচেয়ে আপনজন। যার সঙ্গে আপনি ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেছেন, যার হাত ধরে জীবনের অনেকটা পথ পাড়ি দিয়েছেন।

আজ হয়তো কোনো কারণে সেই সম্পর্ক আর চালিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থায় নেই। হয়তো ভালোবাসা ফুরিয়ে গেছে, হয়তো বিশ্বাস ভেঙে গেছে, কিংবা দুজনের পথ আলাদা হয়ে গেছে।

কিন্তু তাই বলে কি সেই মানুষটির প্রতি আপনার সমস্ত মানবিকতা শেষ হয়ে যাবে?

কারও প্রতি ভালোবাসা না থাকতেই পারে, কিন্তু ভালোবাসা না থাকার অর্থ এই নয় যে তার ওপর অন্যায় করার অধিকার আপনি পেয়ে গেছেন।
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, যখন কারও প্রতি আমাদের অনুভূতি শেষ হয়ে যায়, তখন অনেক সময় তার কষ্ট, তার কান্না, তার অসহায়ত্ব আমাদের ভেতরে আর কোনো অপরাধবোধ তৈরি করে না। আমরা ভুলে যাই, একসময় এই মানুষটিই আমাদের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
কিন্তু অনুভূতির পরিবর্তন কখনোই নির্যাতনের বৈধতা হতে পারে না। সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে, মানুষ দূরে সরে যেতে পারে, ভালোবাসা শেষ হয়ে যেতে পারে—কিন্তু মানবিকতা যেন কখনো শেষ না হয়।
বিচ্ছেদ হোক, কিন্তু তা হোক সম্মানের সঙ্গে। দূরত্ব তৈরি হোক, কিন্তু তা হোক নিরাপত্তা ও মর্যাদা বজায় রেখে।

কারণ একটি সম্পর্ক শেষ হওয়া দুঃখজনক হতে পারে, কিন্তু সেই সম্পর্কের সমাপ্তিকে হিংস্রতায় পরিণত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

ভালোবাসতে না পারলে সরে যান। একসঙ্গে থাকতে না চাইলে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিন। কিন্তু কাউকে নির্যাতন করে, অপমান করে কিংবা ভয় দেখিয়ে নিজের অনুভূতির পরিবর্তন বোঝানোর চেষ্টা করবেন না।
মনে রাখবেন—

সম্পর্কের শেষ মানেই মানুষের শেষ নয়।

একজন মানুষ আপনার জীবনের অংশ না-ও থাকতে পারেন, কিন্তু তিনি মানুষ হিসেবে তাঁর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকারের অধিকারী থাকবেন।
ভালোবাসার সমাপ্তি হোক, কিন্তু মানবিকতার নয়।
বিচ্ছেদ হোক, কিন্তু হিংস্রতার মাধ্যমে নয়।

Address

শ-২৩/ই, লিংক রোড বাড্ডা Dhaka
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Manuser Jonno Aini Sohayota - MAJAS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Manuser Jonno Aini Sohayota - MAJAS:

Shortcuts

Share