Irf.bd

Irf.bd ISLAMI RESEARCH FOUNDATION TRY TO PUBLISH GOOD DEEDS OF HUMANITY. (মানবতার কল্?

24/07/2026

একটা আয়াত ৩১ বার — আল্লাহ কেন বারবার জিজ্ঞেস করছেন?

কুরআনে এমন একটা সূরা আছে — যেখানে আল্লাহ একটা প্রশ্ন ৩১ বার করেছেন।

একবার না। দুইবার না। ৩১ বার।

فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণ: ফাবিআইয়্যি আলাই রাব্বিকুমা তুকাযযিবান।

"তোমরা তোমাদের রবের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে?"
(সূরা রহমান)

৩১ বার। একই প্রশ্ন। কিন্তু প্রতিবার ভিন্ন নেয়ামতের পর।

কেন ৩১ বার? কারণ আমরা ভুলে যাই। নেয়ামত পাই — খেয়াল করি না। শ্বাস নিচ্ছি — ভাবি না কে দিচ্ছে। চোখ দিয়ে দেখছি — শুকরিয়া করি না। সুস্থ আছি — মনে করি এটা স্বাভাবিক।

তাই আল্লাহ বারবার জিজ্ঞেস করছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে? বলো!"

সূরা রহমান মাদানী সূরা। আয়াত সংখ্যা ৭৮। নবীজি ﷺ বলেছেন —

এই সূরাকে "আরুসুল কুরআন" বলা হয় — কুরআনের সৌন্দর্য।

আজ দেখবো — আল্লাহ কোন কোন নেয়ামতের পর এই প্রশ্ন করেছেন। আর আমরা কোনগুলো প্রতিদিন পাই — কিন্তু শুকরিয়া করি না।

---

নেয়ামত ১: সূর্য ও চাঁদ — যা ছাড়া পৃথিবী অচল

الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ

উচ্চারণ: আশশামসু ওয়াল কামারু বিহুসবান।

"সূর্য ও চাঁদ হিসাব মতো চলে।"
(সূরা রহমান: ৫)

সূর্য প্রতিদিন ওঠে। চাঁদ প্রতি রাতে আলো দেয়। ঋতু বদলায়। ফসল ফলে। সময় চলে। সব "বিহুসবান" — নিখুঁত হিসাবে।

আপনি কি আজ সকালে সূর্য ওঠা দেখে শুকরিয়া করেছেন? করেননি। কারণ এটা "স্বাভাবিক" মনে হয়। কিন্তু আল্লাহ জিজ্ঞেস করছেন — "এই নেয়ামত অস্বীকার করবে?"

---

নেয়ামত ২: গাছপালা ও শস্য — যা থেকে খাচ্ছেন

وَالنَّجْمُ وَالشَّجَرُ يَسْجُدَانِ

উচ্চারণ: ওয়ান নাজমু ওয়াশ শাজারু ইয়াসজুদান।

"তারকা ও গাছপালা সেজদা করে।"
(সূরা রহমান: ৬)

গাছ থেকে ফল খাচ্ছেন। শস্য থেকে ভাত খাচ্ছেন। শাকসবজি খাচ্ছেন। কিন্তু গাছটা কে বানিয়েছে? বীজ থেকে বিশাল গাছ — কে করেছে?

আর সেই গাছও আল্লাহকে সেজদা করে — আপনি কি করেন?

---

নেয়ামত ৩: দুই সমুদ্র — যা মিশে যায় না

مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ ○ بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَّا يَبْغِيَانِ

উচ্চারণ: মারাজাল বাহরাইনি ইয়ালতাকিয়ান। বাইনাহুমা বারযাখুল লা ইয়াবগিয়ান।

"তিনি দুই সমুদ্রকে মিলিত হতে দিয়েছেন। তাদের মাঝে একটি পর্দা — যা তারা অতিক্রম করে না।"
(সূরা রহমান: ১৯-২০)

মিঠা পানি ও নোনা পানি পাশাপাশি চলে — কিন্তু মিশে যায় না! এটা আধুনিক বিজ্ঞান ১৪০০ বছর পর আবিষ্কার করেছে — কুরআন আগেই বলে দিয়েছে।

"ফাবিআইয়্যি আলাই রাব্বিকুমা তুকাযযিবান?" — কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে?

---

নেয়ামত ৪: মুক্তা ও প্রবাল — সৌন্দর্যের উৎস

يَخْرُجُ مِنْهُمَا اللُّؤْلُؤُ وَالْمَرْجَانُ

উচ্চারণ: ইয়াখরুজু মিনহুমাল লুলুউ ওয়াল মারজান।

"সেখান থেকে বের হয় মুক্তা ও প্রবাল।"
(সূরা রহমান: ২২)

সমুদ্রের গভীর থেকে মুক্তা! নোনা পানিতে, অন্ধকারে — আল্লাহ সৌন্দর্য সৃষ্টি করেন। আপনার জীবনেও হয়তো অন্ধকার সময়ে আল্লাহ "মুক্তা" তৈরি করছেন — আপনি দেখতে পাচ্ছেন না।

---

নেয়ামত ৫: জান্নাত — যা অপেক্ষা করছে

وَلِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ جَنَّتَانِ

উচ্চারণ: ওয়ালিমান খাফা মাকামা রাব্বিহি জান্নাতান।

"যে তার রবের সামনে দাঁড়ানোর ভয় রাখে — তার জন্য দুটি জান্নাত।"
(সূরা রহমান: ৪৬)

দুটি! একটা না — দুটি জান্নাত! আর সেখানে? ঝর্ণা, ফল, সুন্দরী হুর, চিরস্থায়ী সুখ — "ফিহিন্না খাইরাতুন হিসান" — সেখানে কল্যাণময় সুন্দরীরা।

তারপরও আল্লাহ জিজ্ঞেস করছেন — "ফাবিআইয়্যি আলাই রাব্বিকুমা তুকাযযিবান?"

---

৩১ বার একই প্রশ্ন — এক নজরে

সূর্য-চাঁদ দিয়েছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে?"
গাছ-ফল দিয়েছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে?"
সমুদ্র দিয়েছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে?"
মুক্তা-প্রবাল দিয়েছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে?"
জান্নাত রেখেছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে?"

৩১ বার। আর প্রতিবার উত্তর একই হওয়া উচিত — "একটাও অস্বীকার করি না, ইয়া রব!"

জিনদের একটা দল যখন সূরা রহমান শুনেছিল, প্রতিটা "ফাবিআইয়্যি" শুনে বলেছিল — "লা বিশাইইম মিন নিআমিকা রাব্বানা নুকাযযিব" — আপনার কোনো নেয়ামত অস্বীকার করি না, হে রব! (জামে তিরমিযী: ৩২৯১)

জিনরা পেরেছে — আমরা কি পারি?

শুধু সূরা রহমান না — কুরআনের ১১৪টা সূরার প্রতিটায় জীবনের সমস্যার সমাধান আছে। কোন সূরায় কোন আমল, কোন আয়াত কীভাবে প্রয়োগ করবেন।
মনে রাখবেন!

আল্লাহ ৩১ বার জিজ্ঞেস করেছেন — আমরা একবারও উত্তর দিইনি।

আজ থেকে শুরু করুন। প্রতিদিন ৫টা নেয়ামতের শুকরিয়া করুন —

শ্বাস নিচ্ছেন — আলহামদুলিল্লাহ।
চোখ দিয়ে দেখছেন — আলহামদুলিল্লাহ।
পরিবার আছে — আলহামদুলিল্লাহ।
খাবার আছে — আলহামদুলিল্লাহ।
সুস্থ আছেন — আলহামদুলিল্লাহ।

আর আল্লাহ বলেছেন — "লাইন শাকারতুম লাআযীদান্নাকুম" — শুকরিয়া করলে বাড়িয়ে দেবো। (সূরা ইবরাহীম: ৭)

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করার তাওফিক দিন। আমিন।

রেফারেন্স:
— সূরা রহমান: ১-৭৮
— সূরা ইবরাহীম: ৭
— জামে তিরমিযী: ৩২৯১

__ সংগৃহীত

23/07/2026

“ইন্ডিয়ার ভাইয়ারা, আপনারা যে আন্দোলন করছেন, মুদী বিরোধী আন্দোলন, একবার যখন নেমেই পড়েছেন— এখন আর পিছনে ফেরার অপশন নাই। যদি এখন হাল ছেড়ে দেন, তাহলে মুদী শুভেন্দুরা আপনাদের ছিড়ে ছিড়ে খাবে। ৯০% হয়ে গেছে, ১০% আছে। গাছটা ধরে জোরে ঝাঁকি দেন, পতন হয়ে যাবে।”

~ বরিশালের কনটেন্ট ক্রিয়েটর নেপাল চোধুরী

(আমি ব্যক্তিগতভাবে দাদার সাথে ১০০% সহমত পোষণ করছি)

05/07/2026

*The Power Of " সূরা মূলক "*

মনে করেন, আপনি মারা গেছেন! আপনার জানাজার নামাজ শেষ! আপনাকে কবরে রাখা হলো! আপনি অপেক্ষা করতেছেন মুনকার নাকির ফেরেশতার জন্য! কিন্তু তারা আসছে না! অথচ জান্নাতের সুঘ্রাণ পাওয়া শুরু করেছেন আপনি! একটু পরেই কবরের সাথে জান্নাতের একটি সুড়ঙ্গপথ তৈরি হয়ে গেলো! আপনি ভাবলেন, এ কেমন কথা! প্রশ্ন উত্তর কই!? তখন আপনার মনে পড়ল' প্রতি রাতে সূরা মূলক পাঠ করলে কবরে প্রশ্ন উত্তরের ঝামেলা নাই! কবরে আজাবেরও কোনো চান্স নাই! অতঃপর, রেশমী চাদরের নরম বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে আপনি বললেন- " আলহামদুলিল্লাহ “
_(তিরমিজি-২৮৯০ এর সহীহ অংশ থেকে)_

মুতা বিয়ে!❌আমাদের বাসা কুষ্টিয়া। পাবনা রূপপুর পার*মানবিক কেন্দ্রের পাশের। দূরত্ব শুধু লালনশাহ ব্রিজ।আপনারা জানেন এখানে অ...
03/04/2026

মুতা বিয়ে!❌
আমাদের বাসা কুষ্টিয়া। পাবনা রূপপুর পার*মানবিক কেন্দ্রের পাশের। দূরত্ব শুধু লালনশাহ ব্রিজ।

আপনারা জানেন এখানে অনেক রাশিয়ানরা থাকে।
সমস্যা হলো- এখানে রাশিয়ানরা পাবনার রূপপুর আর কুষ্টিয়ার কিছু অঞ্চলে চুক্তিভিত্তিক অর্থাৎ কন্ট্রাক বিয়ে করে। যেমন: সর্বনিম্ন ৩ মাস থেকে শুরু করে ৩ বছর পর্যন্ত।

কন্ট্রাক বিয়ের বিনিময়ে রাশিয়ানরা ৫-১০ এমনকি ২০ লক্ষ পর্যন্ত টাকা দেয়। বিয়ে গোপনই থাকে। কিন্তু বিষয়টা ভেতরে ভেতরে অনেকেই জানে।

আমার বড় আপা পাবনা একটা কলেজে হলে থেকে পড়াশোনা করে। আমার বোন আগে প্রতি বৃহস্পতিবার বাড়ি আসতো, শুক্রবার বাড়ি থেকে শনিবার আবার চলে যেতো।

২ মাস যাবত শুক্রবার আর না আসায় আমার মা বকাঝকা করে।
রাগ করার পর ২বার বাড়ি আসছে তাও রবিবার।

এই মাসে আমার আপার শারীরিক অনেক পরিবর্তন হয়েছে, সেটা আমার এবং আমার মা’য়ের নজরে আসলে আমরা খোঁজ নিতে থাকি এবং প্রাথমিকভাবে কিছু তথ্য পাই এবং আমরা বাড়িতে এনে অনেক বলার পর স্বীকার করছে ৯ লক্ষ টাকার বিনিময় ৫ মাসের কন্ট্রাক বিয়ে করছে। শুক্রবার আর শনিবার ঐ লোকের ছুটি, যার ফলে উনার সাথে উনার বাসায় থাকে।

তারপর আপাকে মা অনেক মা*রধর করেন। কিন্তু সম্মানের ভয়ে এসব গোপন রেখেছেন।

▬▬▬◄❖►▬▬▬

লা হাওলা ওয়ালা কু ওয়াতা ইল্লাহ বিল্লাহ।
এটা নিয়ে সবাই আওয়াজ তুলুন।

আর কুষ্টিয়ার ভাইয়েরা স্থানীয় উলামায়ে কেরামগণের সাথে পরামর্শ করে দ্রুত একটা ব্যাবস্থা নিন।

এখনি এই ফিতনাহ না থামালে আগামীতে তা ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে।

মুতা বিয়ে (সময়ে সীমিত বিয়ে) ইসলামে হারাম।
হযরত আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) খায়বারের যুদ্ধে 'মুতা বিয়ে'কে নিষিদ্ধ করেছেন।(সহীহ মুসলিম, হাদীস: ১৪০৬)

❑ তাই যদি কোনো বিয়ে এমন হয়:
৫ মাস পর বিচ্ছেদ হবে মূল উদ্দেশ্য টাকা-পয়সা পাওয়া।
স্ত্রীকে ব্যবহার করা হয় “সময়িক সঙ্গিনী” হিসেবে, সামাজিকভাবে গোপন রাখা হয়। তাহলে এটি ইসলামে জায়েয নয়, বরং ফিতনা, অশ্লীলতা এবং হারাম কর্মে পরিণত হয়।

▬▬▬◄❖►▬▬▬

❖ ইসলাম কি বলে এ মুতা বিয়ের ক্ষেত্রে?
❖ মুতা বিয়ে কি ইসলামে বৈধ?
❖ চলুন শরীয়তের আলোকে বিস্তারিত জানা যাক।

মুতা’ বিয়ে একটি স্বল্প সময়ের বিয়ের নাম। অর্থাৎ কোন নারী ও পুরুষ অল্প কিছু সময়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়ে এ বিয়ে করতে পারে। তবে এই সময় সম্পর্কে কোন সর্বনিম্ন বা সর্বোচ্চ সময় ধরা বাধা নেই।

ইসলামে এক সময় মুতা বিয়ে জায়েজ ছিলো। কিন্তু পরে সেটা পুরাপুরিভাবে রহিত করা হয়। মুতা বিয়ে রহিত করার হাদিসগুলো হলো—

❑ ইবনু আবূ আমর‌ (রা.) বলেন,
ইসলামের প্রাথমিক যুগে নিরুপায় অবস্থায় তার (মুতা বিয়ের) অনুমতি ছিল। (যেমন: নিরুপায় অবস্থায়) মৃত জীব, রক্ত ও শূকরের (গোশ্‌ত ভক্ষণের) ন্যায়। অতঃপর আল্লাহ‌ তার দীনকে শক্তিশালী ও সুদৃঢ় করলেন এবং তা নিষিদ্ধ করলেন।

❑ ইবনু শিহাব (রহ.) বলেন,
রাবী’ ইবনু সাব‌রাহ‌ আল জুহানী আমাকে জানিয়েছেন যে, তাঁর পিতা বলেছেন, নবি করিম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগে আমি দুটি লাল চাদরের বিনিময়ে আমির গোত্রের একটি স্ত্রীলোকের সাথে মুতা‌ করেছিলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মুতা করতে নিষেধ করেন।(সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৩২০)

❑ আলী ইবনু আবূ তালিব (রা.) থেকে বর্ণিত,
খাইবারের যুদ্ধের দিন নারীদের সাথে মুতা বিয়ে করতে ও গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন।(জামে তিরমিজি, হাদিস নং ১১২১)

❑ আবু যুবায়ের (রহ.) থেকে বর্ণিত,
তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রা.) কে বলতে শুনেছি, ‘আমরা এক মুঠো খেজুর অথবা ময়দার বিনিময়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগে এবং আবূ বকর রা. এর যুগে মতা বিয়ে করতাম। শেষ পর্যন্ত ওমর রা. আমর ইবনু হুরায়স এর বিষয়টিকে কেন্দ্র করে তা নিষিদ্ধ করেন।(সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৩০৭)

❑ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আওত্বাস যুদ্ধের বছর তিন দিনের জন্য মুতা বিয়ের অনুমতি দিয়েছিলেন। অতঃপর তিনি তা নিষিদ্ধ করেন।(সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৩০৯)

❑ সাবরাহ আল জুহানী (রা.) থেকে বর্ণিত,
তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলেন। তিনি বললেন, হে লোক সকল! আমি তোমাদের স্ত্রীলোকদের সাথে মুতা বিয়ের অনুমতি দিয়েছিলাম। কিন্তু অচিরেই আল্লাহ তায়ালা তা হারাম করেছেন কিয়ামাতের দিন পর্যন্ত। অতএব যার নিকট এ ধরনের বিয়ের সূত্রে কোন স্ত্রীলোক আছে, সে যেন তার পথ ছেড়ে দেয়। আর তোমরা তাদের যা কিছু দিয়েছ তা কেড়ে নিও না ।(সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৩১৩)

❑ নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুতা‌(বিবাহ) করতে নিষেধ করেছেন।(সহিহ মুসলিম,হাদিস নং ৩৩১৭)

❑ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুতা বিয়ে নিষিদ্ধ করেছেন ও বলেছেন, সাবধান! আজকের এ দিন থেকে কিয়ামাত পর্যন্ত মুতা বিয়ে হারাম। যে কেউ (ইতোপূর্বে) মুতা বাবদ যা কিছু দিয়েছে, সে যেন তা ফেরত না দেন।(সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৩২১)

❑ আলী (রা.) থেকে বর্ণিত,
তিনি শুনতে পেলেন যে, ইবনু আব্বাস (রা.) নারীদের সাথে মুতার ব্যাপারে কিছুটা শিথিলতা প্রদর্শন করেছেন। আলী (রা.) বললেন, থামো, হে ইবনু আব্বাস! কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের যুদ্ধের দিন মুতা ও গৃহপালিত গাধার গোশ্ত নিষিদ্ধ করেছেন ।(সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৩২৫)

❑ উপরোক্ত বিশুদ্ধ
তথ্য থেকেআমরা জানতে পারলাম,
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১। মুতা বিয়ে প্রথমে বৈধ থাকলেও পড়ে সেটা কিয়ামত পর্যন্ত নিষেধ করা হয়।
২। ইসলামে বিয়ের নীতি আছে। সে নীতির আলোকে বিয়ে করবে।
৩। মুতা বিয়ে হারাম।
৪। মুতা বিয়ে হালাল না।

📌 আমাদের এই পেইজটি আপনার মহা উপকারের জন্য।

📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

📌 সদকায়ে জারিয়ার নিয়তে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন।

একটা খেজুর নিন। তারপর সেটা খেয়ে তার আঁটিটা হাতে নিন। দেখবেন সেটা একটা হালকা আবরণে বেষ্টিত। এরপর সেটার পেটের কাটা অংশের দ...
26/02/2026

একটা খেজুর নিন। তারপর সেটা খেয়ে তার আঁটিটা হাতে নিন। দেখবেন সেটা একটা হালকা আবরণে বেষ্টিত। এরপর সেটার পেটের কাটা অংশের দিকে খেয়াল করলে দেখবেন একটা সুতা আলগা হয়ে আছে। তারপর পেটের উল্টা দিকের ঠিক মাঝখানে দেখবেন একটা বিন্দু আছে। এবার নিচের আয়াত তিনটা মনযোগ দিয়ে লক্ষ্য করুন। (এক) وَالَّذِينَ تَدْعُونَ مِن دُونِهِ مَا يَمْلِكُونَ مِن قِطْمِيرٍ (فاطر: 13) “আর তোমরা আল্লাহ ব্যতিত যাদেরকে ডাকো, তারা খেজুরের তুচ্ছ আঁটির আবরণেরও অধিকারী নয়।“ এখানে ‘ক্বিতমির’ শব্দটিই হলো সেই আবরণ যার দ্বারা খেজুরের আঁটি বেষ্টিত থাকে। (দুই) فَمَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ فَأُولَٰئِكَ يَقْرَءُونَ كِتَابَهُمْ وَلَا يُظْلَمُونَ فَتِيلا (الإسراء: 71) “যাদেরকে তাদের ডান হাতে আমলনামা দেওয়া হবে, তারা নিজেদের আমলনামা পাঠ করবে এবং তাদের প্রতি ‘ফাতিল’ পরিমানও জুলুম করা হবেনা।“ আর এখানে ‘ফাতিল’ হলো সেই আলগা সুতা যা আঁটির পেটের কাটা অংশে দেখা যায়। (তিন) وَمَن يَعْمَلْ مِنَ الصَّالِحَاتِ مِن ذَكَرٍ أَوْ أُنثَىٰ وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَأُولَٰئِكَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ وَلَا يُظْلَمُونَ نَقِيرًا ( النساء: 124) কোনো পুরুষ কিংবা নারী ইমান থাকা অবস্থায় যদি ভালো কাজ করে, তাহলে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের প্রতি ‘নাক্বির’ পরিমান জুলুম করা হবেনা।“ আর এখানে ‘নাক্বির’ মানে হলো আঁটির পিঠের ঠিক মাঝখানে থাকা সূক্ষ্ম বিন্দুটি। সুবহানাল্লাহ, কি অনন্য আর নিখুঁত উপমা দিয়েছেন আল্লাহ! আয়াতগুলো পড়ে কয়েকটা খেজুর খেয়ে আয়াতের সাথে মিলিয়ে নিলাম। কোনো কিছুই এর বাইরে যায়নি। আল্লাহ যেমন বলেছেন ঠিক সেভাবেই আছে। সুবহানাল্লাহি ওবিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম!

উহুদ যুদ্ধের সেই ভয়াল মুহূর্ত…মুসলিম বাহিনী ছত্রভঙ্গ। চারদিকে বিশৃঙ্খলা।আর সেই সুযোগে কাফেররা ধেয়ে আসছে—সরাসরি রাসূলুল্ল...
25/02/2026

উহুদ যুদ্ধের সেই ভয়াল মুহূর্ত…
মুসলিম বাহিনী ছত্রভঙ্গ। চারদিকে বিশৃঙ্খলা।
আর সেই সুযোগে কাফেররা ধেয়ে আসছে—সরাসরি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর দিকে।

ঠিক তখনই, মৃত্যুর সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন অল্প কয়েকজন সাহাবি।
আর তাদের মাঝেই ছিলেন একজন নারী—
যার নাম ইতিহাসকে কাঁপিয়ে দেয়…

উম্মে আম্মারা নুসাইবা বিনতে কাব আনসারিয়া (রা.) হাতে তলোয়ার, অন্য হাতে ঢাল। কোনো ভয় নেই চোখে। নিজের জীবন তুচ্ছ করে তিনি ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সামনে।

হঠাৎ করে তেড়ে এলো কুখ্যাত কাফের ইবনে কামিয়া— তার একটাই লক্ষ্য: নবী ﷺ-কে হত্যা করা।

কিন্তু তার পথে পাহাড় হয়ে দাঁড়ালেন উম্মে আম্মারা (রা.)। তিনি প্রচণ্ড শক্তিতে তলোয়ার চালালেন। কিন্তু ইবনে কামিয়া ছিল দুই স্তরের বর্মে আবৃত—সে বেঁচে গেল।

এরপর পাল্টা আঘাত… এক নয়, দুই নয়—
১২টি গভীর ক্ষত নিয়ে তিনি লড়াই চালিয়ে গেলেন। ঘাড়ের একটি ক্ষত শুকাতে লেগেছিল পুরো এক বছর।

যুদ্ধ শেষে যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত উম্মে আম্মারা (রা.)-কে দেখলেন,
তখন আবেগে ভরে উঠে বললেন— “আল্লাহ তোমাদের পরিবারকে বরকত দিন। আজ নুসাইবার মর্যাদা অনেক পুরুষের চেয়েও উঁচু।”

এই কথা শোনার পর উম্মে আম্মারা (রা.) আর কিছুই চাননি— শুধু একটি দোয়া…
“ইয়া রাসূলাল্লাহ ﷺ!
আল্লাহর কাছে দোয়া করুন, যেন জান্নাতেও আমরা আপনার সঙ্গী হতে পারি।”

মুহূর্তেই রাসূলুল্লাহ ﷺ দোয়া করলেন—
“হে আল্লাহ! জান্নাতে এদেরকে আমার সাথী বানিয়ে দিন।”

এই দোয়া শোনার পর একজন আহত, রক্তাক্ত নারী বললেন এমন কথা— যা আজও হৃদয় কাঁপিয়ে দেয়— “এই দোয়ার পর দুনিয়ার কোনো কষ্টই আর আমার কাছে কষ্ট নয়।”

এটাই হলো ঈমান।
এটাই হলো ভালোবাসা।
এটাই হলো উম্মে আম্মারা (রা.)—
যে নারী নবীর জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

📚 সূত্র:
আত-তাবাকাতুল কুবরা (ইবনে সাদ) খণ্ড: ৮, পৃষ্ঠা: ৪১২–৪১৫
সিয়ারু আলামিন নুবালা, খণ্ড: ২, পৃষ্ঠা: ২৭৮

#নবীরঢাল #উহুদ #উম্মেআম্মারা #নারীসাহাবি #ঈমান

Islamic Srot

হযরত ইরবাদ বিন সারিয়া (রা.) বলেন, আমি সবসময় রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর দরজায় পড়ে থাকতাম। তাবুক যুদ্ধের এক রাতে আমি, জিআল বিন ...
20/02/2026

হযরত ইরবাদ বিন সারিয়া (রা.) বলেন, আমি সবসময় রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর দরজায় পড়ে থাকতাম। তাবুক যুদ্ধের এক রাতে আমি, জিআল বিন সুরাকা এবং আব্দুল্লাহ বিন মুগাফফাল (রা.)—এই তিনজন প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত অবস্থায় নবীজী (সা.)-এর তাঁবুর কাছে এলাম।

নবীজী (সা.) তখন তাঁর স্ত্রী উম্মে সালামা (রা.)-এর সাথে তাঁবুতে প্রবেশ করতে যাচ্ছিলেন। আমাদের দেখে তিনি ঘরে খাবারের খোঁজ করলেন, কিন্তু কিছুই পেলেন না।

নবীজী (সা.) হযরত বেলাল (রা.)-কে ডেকে বললেন, "হে বেলাল! এই লোকগুলোর জন্য কি রাতের কোনো খাবার আছে?" বেলাল (রা.) আরজ করলেন, "হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কসম, আমাদের খাবারের সব থলে আমরা ঝেড়ে ফেলেছি (সব শেষ)।" নবীজী বললেন, "আবার দেখো, কোথাও কিছু পাও কি না।"

বেলাল (রা.) আবার সব থলে ঝাড়তে শুরু করলেন। ঝাড়তে ঝাড়তে কোনো থলে থেকে একটি, কোনোটি থেকে দুটি—এভাবে মোট ৭টি খেজুর পাওয়া গেল।

নবীজী (সা.) একটি পেয়ালা আনলেন এবং সেই সাতটি খেজুর তাতে রেখে তার ওপর হাত রাখলেন। এরপর 'বিসমিল্লাহ' বলে আমাদের খেতে বললেন।

ইরবাদ (রা.) বলেন: আমি গুনে গুনে ৪৪টি খেজুর খেলাম এবং অন্য হাতে তার আঁটিগুলো জমা করলাম। আমার বাকি দুই সাথীও একইভাবে পেট ভরে খেলেন।

আমরা তিনজন পেট ভরে খাওয়ার পর যখন হাত সরালাম, দেখলাম সেই ৭টি খেজুর ঠিক আগের মতোই রয়ে গেছে! একটুও কমেনি। নবীজী (সা.) বেলালকে বললেন, "এগুলো তুলে রাখো, যে-ই আসবে সে-ই খেয়ে তৃপ্ত হবে।"

পরদিন সকালে ফজর নামাজ শেষে নবীজী (সা.) আমাদের জিজ্ঞেস করলেন, "তোমরা কি নাস্তা করবে?" আমি মনে মনে ভাবলাম, নাস্তা আসবে কোত্থেকে? তিনি আবার বেলালকে সেই ৭টি খেজুর আনতে বললেন। নবীজী (সা.) খেজুরগুলোর ওপর হাত রেখে বললেন, "বিসমিল্লাহ বলে খাও।"

ইরবাদ (রা.) বলেন: আল্লাহর কসম! এবার আমরা ১০ জন মানুষ সেই ৭টি খেজুর থেকে পেট ভরে খেলাম। খাওয়া শেষে হাত সরিয়ে দেখি, সেই ৭টি খেজুর এখনো আগের মতোই অক্ষত!

নবীজী (সা.) তখন বললেন:
"যদি আমি আমার রবের কাছে লজ্জা বোধ না করতাম (বেশি চেয়ে), তবে এই সাতটি খেজুর দিয়েই আমরা মদিনায় পৌঁছানো পর্যন্ত সবাই তৃপ্তির সাথে খেতে পারতাম।"

এরপর এক কিশোর দাস সেখানে এলে নবীজী (সা.) সেই ৭টি খেজুর তার হাতে দিয়ে দিলেন। সে সেগুলো চিবুতে চিবুতে চলে গেল।

নবীজীর (সা.) স্পর্শে সামান্য খাবারও যে অগণিত মানুষের জন্য যথেষ্ট হতে পারে, এটি তার জ্বলন্ত প্রমাণ। সাহাবায়ে কেরাম তাবুকের মতো কঠিন যুদ্ধেও অভাব-অনটনে ধৈর্য ধরতেন এবং নবীজীর প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখতেন। নবীজী (সা.) চাইলে আল্লাহর কাছে আরও বড় মুজিজা চাইতে পারতেন, কিন্তু তিনি তাঁর রবের প্রতি বিনয় ও অল্পে তুষ্টির এক মহান আদর্শ স্থাপন করেছেন।

সূত্র: দালাইলুন নবুওয়্যাহ

Nur Islam

আবু লাহাব এবং তার পুত্র উতবা যখন সিরিয়া (শাম) সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন উতবা উদ্ধত হয়ে বলল, "সফরে যাওয়ার আগে একবার ম...
31/01/2026

আবু লাহাব এবং তার পুত্র উতবা যখন সিরিয়া (শাম) সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন উতবা উদ্ধত হয়ে বলল, "সফরে যাওয়ার আগে একবার মোহাম্মদের (ﷺ) আল্লাহর শানে (নাউযুবিল্লাহ) গালি দিয়ে আসি।"

সে নবীজি ﷺ এর কাছে গিয়ে অত্যন্ত ধৃষ্টতা ও বেয়াদবি প্রদর্শন করল। তার এই বারবার সীমালঙ্ঘন ও চরম অভদ্রতায় রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর পবিত্র মুখ থেকে এই বদদোয়াটি বেরিয়ে এল:

"اللّٰہُمَّ سَلِّطْ عَلَیْہِ کَلْباً مِّنْ کِلَابِک"
(হে আল্লাহ! আপনার কুকুরগুলোর মধ্য থেকে একটি কুকুরকে তার ওপর লেলিয়ে দিন।)

উতবা যখন তার বাবা আবু লাহাবের কাছে ফিরে এসে পুরো ঘটনা শোনাল, তখন আবু লাহাব (নবীজির চরম শত্রু হওয়া সত্ত্বেও) ভীত হয়ে বলল, "বৎস! এখন তো আমি তোমার জীবনের ব্যাপারে শঙ্কিত। তাঁর (নবীজি ﷺ এর) দোয়া কস্মিনকালেও বিফলে যায় না।"

এরপর কাফেলা সিরিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলো। পথে এক পাদ্রীর গির্জার কাছে তারা তাবু ফেলল। পাদ্রী তাদের সতর্ক করে বললেন, "এখানে তো হিংস্র প্রাণীরা এভাবে ঘুরে বেড়ায় যেন ভেড়ার পাল! তোমরা এখানে কেন এলে?"

এ কথা শুনে আবু লাহাব থমকে গেল। সে কাফেলার সবাইকে জড়ো করে বলল, "তোমরা জানো আমার বয়স হয়েছে এবং তোমাদের ওপর আমার হক আছে। আজ আমি একটি অনুরোধ করছি। নবুওয়াতের দাবিদার (রাসূল ﷺ) আমার ছেলের জন্য বদদোয়া করেছেন, আমি তার জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।

তোমরা সব মালপত্র এক জায়গায় স্তূপ করো এবং তার ওপর আমার ছেলেকে ঘুমানোর ব্যবস্থা করো, আর তোমরা সবাই তাকে চারপাশ থেকে ঘিরে পাহারা দাও।"

সবাই তা-ই করল। তারা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পাহারা দিচ্ছিল। হঠাৎ গভীর রাতে একটি সিংহ এল এবং পাহারারত প্রত্যেকের মুখ শুঁকতে লাগল। যেন সে কাউকে খুঁজছে। সবাইকে শুঁকে যখন তার কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে পেল না, তখন সে পেছনের পায়ে ভর দিয়ে এক বিশাল লাফ দিয়ে মালামালের স্তূপের ওপর উঠে গেল। সেখানে গিয়ে সে উতবার মুখ শুঁকল এবং বুঝতে পারল এই সেই ব্যক্তি। মুহূর্তেই সিংহটি তাকে ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলল।

ছেলের এই করুণ দশা দেখে আবু লাহাব আক্ষেপ করে বলতে লাগল, "আমি জানতাম যে, মোহাম্মদের (ﷺ) মুখ থেকে কথা বের হওয়ার পর সে আর বাঁচতে পারবে না।"

আল্লাহর রাসূলের অবমাননা করলে দুনিয়া ও আখেরাতে তার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হয়। নবীজি ﷺ এর চরম শত্রু আবু লাহাবও মনেপ্রাণে বিশ্বাস করত যে নবীজির কথা মিথ্যা হয় না।

© Salman Farsi
সূত্র:
তাফসীরে ইবনে কাসীর
তারিখু দিমাশক
মুস্তাদরাকে হাকেম
দালাইলুন নুবুওয়াহ (ইমাম বাইহাকী রহ.)
আল-ইসাবা (ইবনে হাজার আসকালানী রহ.)

আমরা মসজিদুল হারাম নিয়ে অনেক কিছু জানি।  আমরা কি জানি যে মসজিদুল হারাম পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যয়বহুল স্থাপনাগুলোর শীর্ষে অবস...
30/01/2026

আমরা মসজিদুল হারাম নিয়ে অনেক কিছু জানি। আমরা কি জানি যে মসজিদুল হারাম পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যয়বহুল স্থাপনাগুলোর শীর্ষে অবস্থান করছে।
এটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর আয়তন: এক মিলিয়ন (১০,০০,০০০) বর্গমিটার

এর কিছু অনন্য ধারণক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্য রয়েছ: যেমন-

🕋 এখানে একসঙ্গে ২০ লক্ষ মানুষ জায়গা হয়।
🕋 বছরে প্রায় ২ কোটি দর্শনার্থী আসে।
🕋 এটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে—গত ১৪০০ বছরের বেশি সময়ে কখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি
🕋 এটি পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য নিয়োজিত আছে ১৮০০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ৪০টি বৈদ্যুতিক স্যানিটারি ক্লিনিং কার, খোলা প্রাঙ্গণ পরিষ্কারের জন্য ৬০টি বৈদ্যুতিক স্যানিটারি মেশিন, পুরো প্রাঙ্গণে ছড়িয়ে আছে ২০০০টি স্যানিটারি ডাস্টবিন।
🕋 মেঝে ঢাকা আছে ৪০,০০০টি কার্পেটে (কার্পেটগুলোর মোট দৈর্ঘ্য জেদ্দা থেকে মক্কার দূরত্ব—প্রায় ৭৯ কিলোমিটার—এর চেয়েও বেশি)
🕋 ১৩,০০০টি টয়লেট, প্রতিদিন অন্তত ৮ বার পরিষ্কার করা হয়
🕋 ২৫,০০০টি পানির ডিসপেনসার যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পানি বিতরণ ব্যবস্থা।
🕋 প্রতিদিন পানির ১০০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়
🕋 জমজম কূপের অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণের জন্য ট্যাংকে রাখা হয় যার পরিমান ১.৭ কোটি লিটার।

🕋 ২৪/৭ কুরআনের ১০ টি স্বীকৃত কিরাআত পদ্ধতিতে তেলাওয়াত চলমান থাকে।

🕋 মসজিদের মেঝে৷ তৈরী বিশেষ মার্বেল পাথরে যা আলো ও তাপ প্রতিফলিত করে ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
🕋 বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও জটিল সাউন্ড সিস্টেমগুলোর একটি যার মধ্যে আছে ৬০০০ স্পিকার, ৫০ জন সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার যাদের অডিও ত্রুটির হার: ০%
🕋 কুরআনের কপি ৬৫টি ভাষায় অনূদিত
🕋 প্রতি শুক্রবারের খুতবা ৫টি ভাষায় অনুবাদ করা হয়
🕋 প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ সেবা ও সুবিধা
🕋 বিনামূল্যে ব্যবহারের জন্য ১০,০০০টি সাধারণ হুইলচেয়ার
🕋 ৪০০টি ইলেকট্রনিকভাবে পরিচালিত হুইলচেয়ার

🕋 রমজানজুড়ে প্রতিদিন ৪০ লক্ষ (৪ মিলিয়ন) বিনামূল্যের ইফতার বিতরণ
🕋 প্রতিদিন ৫০ লক্ষ খেজুর মসজিদ এলাকায় বিতরণ করা হয়। এই খেজুর খেয়ে এলাকা নোংরা হবে তাই এর ভিতরে বীজ ফেলে দেয়া হয়।
🕋 ইফতারের পর খাবার ও সরঞ্জাম সরিয়ে এলাকাকে নামাজের জন্য প্রস্তুত করতে সময় লাগে মাত্র ২ মিনিট

সুবহানাল্লাহ!
আল্লাহর ঘরের ব্যবস্থাপনা কত নিখুঁত ও বিস্ময়কর। আল্লাহ অশেষ রহমত ছাড়া এ অসম্ভব।
সবাইকে ধন্যবাদ ।।।❤️❤️

খালিদ ইবনে ওয়ালিদ (রা.) অসংখ্য যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন এবং প্রতিবারই শত্রুকে পরাজিত করেছেন। তিনি অশুভ শক্তি বাইজেন্টাইন ...
14/01/2026

খালিদ ইবনে ওয়ালিদ (রা.) অসংখ্য যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন এবং প্রতিবারই শত্রুকে পরাজিত করেছেন। তিনি অশুভ শক্তি বাইজেন্টাইন (রোমান) বাহিনীকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করেছিলেন, যাদের সৈন্য সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার; যেখানে মুসলিমদের সংখ্যা ছিল মাত্র ১৬-২০ হাজার এবং তাদের রসদ ছিল অত্যন্ত সামান্য।

রোমান সম্রাট যখন মুসলিম বাহিনীকে দেখলেন, তখন তিনি সাইয়্যিদুনা খালিদকে উপহাস করে বললেন, "তোমার বাহিনীর দিকে তাকাও! তারা দুর্বল, জীর্ণশীষ এবং দরিদ্র। মদিনায় ফিরে যাও, আমি তোমাদের দুই বছরের খাবার ও ধন-সম্পদ দেব।" কিন্তু 'আল্লহর তলোয়ার' খ্যাত খালিদ বিন ওয়ালিদ তা প্রত্যাখ্যান করলেন এবং বললেন যে, রোমানদের পরাজিত ও নতজানু হতে না দেখা পর্যন্ত তিনি মদিনায় ফিরবেন না। শেষ পর্যন্ত মুসলিমরাই বিজয়ী হলো।

ইয়ারমুকের যুদ্ধের সময় খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.)-এর টুপি পড়ে যায়। তিনি সেটি খুঁজতে অনেক জোর দেন। পরে তিনি বলেন, "রসুলুল্লহ ﷺ যখন ওমরাহ শেষে মাথা মুণ্ডন করেন, তখন আমি তাঁর কপালের কিছু চুল সংগ্রহ করে এই টুপিতে রেখেছিলাম। এরপর আমি যেই যুদ্ধেই এই টুপি পরে গিয়েছি, আল্লহ আমাকে বিজয় দান করেছেন।"

খালিদ (রা.) জানতেন বিজয় আসে একমাত্র আল্লহর পক্ষ থেকে। চুলটি ছিল রসুলুল্লহ ﷺ-এর প্রতি সাহাবায়ে কেরামের 'তাবাররুক' বা বরকত হাসিলের গভীর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।

আমরা এমন এক জাতি ছিলাম যারা ইসলামের মাধ্যমে সম্মানিত ও উচ্চমর্যাদাশীল হয়েছিলাম। কিন্তু যেদিন থেকে আমরা আল্লহকে বাদ দিয়ে অন্য সবকিছুর কাছে সম্মান খুঁজতে শুরু করেছি—সেদিন থেকেই আমরা সারা বিশ্বে পরাজিত ও লাঞ্ছিত হচ্ছি। আল্লহ আমাদের সংশোধন করুন এবং আমাদের অবস্থার উন্নতি করুন।

Address

Dhaka Cantt
Dhaka Cantt

Telephone

+8801521218531

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Irf.bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share