Bangladesh Documentary Film-makers Association

Call

Bangladesh Documentary Film-makers Association Bangladesh Documentary Filmmakers Association (BDFA) is making films on different individuals life & works.

We made on Soumitra Chatterjee, an Indian veteran stage, film actor, National Professor Anisuzzaman Padmabhushan, Abdul Gaffar Chowdhury.

মুম্বইয়ের এঁদো গলি থেকেই একদিন উঠে এসেছিলেন Jackie Shroff, যেখানে একটা ঘরের মধ্যে পুরো পরিবারকে নিয়ে থাকতে হতো। রাতে ইঁদ...
09/07/2026

মুম্বইয়ের এঁদো গলি থেকেই একদিন উঠে এসেছিলেন Jackie Shroff, যেখানে একটা ঘরের মধ্যে পুরো পরিবারকে নিয়ে থাকতে হতো। রাতে ইঁদুর এসে পায়ের আঙুল কামড়ে দিত, আর সকালে স্নান করার জন্য বাথরুমের বাইরে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হতো।

আর্থিক সমস্যার কারণে একাদশ শ্রেণির পর তাঁর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। তিনি Taj Hotels-এ শেফ হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সুযোগ পাননি। এরপর Air India-তে ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট হওয়ার চেষ্টা করেন, সেখানেও সফল হননি। পরে একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে কাজ শুরু করেন।

একদিন বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকার সময় একজন তাঁকে সিনেমায় কাজ করার প্রস্তাব দেন। আর Hero ছবিটি তাঁর জীবনটাই বদলে দেয়।

কিন্তু যে জিনিসটি বদলায়নি, তা হলো তাঁর মন।

আজ ‘জগ্গু দাদা’ মুম্বইয়ের প্রায় 100টি অভাবী পরিবারের খরচ চালান। তাঁদের খাবার, পোশাক, চিকিৎসা—সবকিছুর খেয়াল রাখেন।

Nanavati Max Super Speciality Hospital-এ চিকিৎসার জন্য আসা এমন মানুষ, যাদের কাছে খরচ চালানোর মতো টাকা নেই, তাঁরা জ্যাকি শ্রফের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। তিন বত্তি থেকে পালি হিল পর্যন্ত, মুম্বইয়ের রাস্তায় থাকা গৃহহীন ও অসহায় মানুষও সাহায্যের আশায় তাঁর কাছে পৌঁছে যান।

একজন আর্ট ডিরেক্টরের যখন পক্ষাঘাতের কারণে কাজ বন্ধ হয়ে যায়, তখন জ্যাকি নিঃশব্দে তাঁর ছেলের পুরো পড়াশোনার খরচ বহন করেছিলেন। প্রতিবন্ধী মানুষদের জন্য হুইলচেয়ার কিনে দিয়েছেন। বস্তির শিশুদের জন্য শ্রেণিকক্ষ তৈরি করিয়েছেন।

আর সবচেয়ে বিশেষ বিষয় হলো—নিজের পকেটে টাকা না থাকলেও তিনি এই কাজ করে গিয়েছেন। তাঁর স্ত্রী আয়েশা নিজেই একটি টিভি অনুষ্ঠানে এই কথা জানিয়েছিলেন।

না কোনো প্রেস কনফারেন্স, না কোনো সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, না কোনো ক্যামেরার সামনে আসা—তিনি শুধু মানুষকে সাহায্য করায় বিশ্বাস করেন।

কারণ আজও তিনি সেই দারিদ্র্য, অসহায়তা আর ক্ষুধার কষ্ট অনুভব করেন, যেগুলোকে জয় করে তিনি আজকের জায়গায় পৌঁছেছেন।

হয়তো এটাই তাঁর আসল পরিচয়।

পর্দায় নয়, বরং সেই গলি, সেই ঘর আর সেই মানুষগুলোর হৃদয়ে—যাদের ভরসা হয়ে উঠেছেন জ্যাকি দাদা। 🙏

[Jackie Shroff | Humanity | Kindness | Helping Others | Monday Motivation | Actor]

ইনুকাই সুয়োশি থেকে শিনজো আবে: ইতিহাসের মর্মান্তিক ঘটনা জাপানের ইতিহাসে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড একটি বিরল হলেও গভীর প্রভাববিস...
22/04/2026

ইনুকাই সুয়োশি থেকে শিনজো আবে:
ইতিহাসের মর্মান্তিক ঘটনা

জাপানের ইতিহাসে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড একটি বিরল হলেও গভীর প্রভাববিস্তারকারী ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। আধুনিক জাপান সাধারণত শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত, কিন্তু ইতিহাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে রাজনৈতিক সহিংসতা দেশটির গতিপথে নাটকীয় পরিবর্তন এনেছে। এই লেখায় আমি আমার সীমিত অভিজ্ঞতার আলোকে জাপানের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট, কারণ এবং এর প্রভাব বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছি।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
জাপানে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বিশেষ করে ২০শ শতকের প্রথমার্ধে বেশি দেখা যায়। সে সময় দেশটি দ্রুত আধুনিকায়নের পথে এগোচ্ছিল, কিন্তু একই সঙ্গে সামরিকতন্ত্র ও উগ্র জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটে। এই অস্থিরতার মধ্যে ১৯৩২ সালের মে ১৫ ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যেখানে প্রধানমন্ত্রী ইনুকাই সুয়োশিকে হত্যা করা হয়। এই ঘটনা জাপানে গণতান্ত্রিক রাজনীতির ওপর সামরিক বাহিনীর প্রভাব বৃদ্ধির সূচনা করে।
এরপর ১৯৬০ সালে ঘটে আরেকটি আলোচিত হত্যাকাণ্ড আসানুমা ইনেজিরো হত্যাকান্ড। এই সমাজতান্ত্রিক নেতাকে টোকিওর হিবিয়াতে একটি টেলিভিশন বিতর্কের সময় প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়। এই ঘটনা জাপানের রাজনৈতিক বিভাজন ও উগ্র মতাদর্শের সংঘাতকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
আধুনিক যুগের ঘটনা:
দীর্ঘ সময় শান্ত থাকার পর ২০২২ সালে জাপান আবারও রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হয়, যখন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকান্ড শুধু জাপান নয়, বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে।
এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যক্তিগত ক্ষোভ, ধর্মীয় সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতার মতো জটিল কারণ জড়িত ছিল বলে তদন্তে উঠে আসে। এটি দেখায় যে, আধুনিক ও উন্নত সমাজেও ব্যক্তিগত অসন্তোষ কখনও কখনও চরম সহিংসতায় রূপ নিতে পারে।

জাপানের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের পেছনে কয়েকটি মূল কারণ লক্ষ্য করা যায়:
১. উগ্র জাতীয়তাবাদ ও মতাদর্শিক সংঘাত
বিশেষ করে ১৯৩০-এর দশকে সামরিকবাদী গোষ্ঠীগুলো রাজনৈতিক নেতাদের “রাষ্ট্রবিরোধী” মনে করে সহিংসতার পথ বেছে নেয়।
২. সামাজিক ও মানসিক চাপ
আধুনিক যুগে, যেমন শিনজো আবের হত্যাকাণ্ডে দেখা যায়, ব্যক্তিগত হতাশা ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্নতা বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
৩. নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা
জাপান তুলনামূলকভাবে কম সহিংস অপরাধের দেশ হওয়ায় অনেক সময় রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা তুলনামূলক শিথিল থাকে।

পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মত জাপানের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলো দেশটির রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে। যেমন ভারতের ইন্দিরা গান্ধী হত্যাকান্ড কিংবা বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকান্ড উভয় দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কিংবা পরিবর্তন এনেছে।

১৯৩২ সালের ঘটনার পর গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে সামরিক শাসনের পথ সুগম হয়।
১৯৬০ সালের হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক সহিংসতার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলে।
২০২২ সালের ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা করা হয় এবং সমাজে চরমপন্থা ও একাকীত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।

জাপানের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়—শান্তিপূর্ণ সমাজও কখনও কখনও সহিংসতার মুখোমুখি হতে পারে, যদি মতাদর্শিক সহনশীলতা, সামাজিক সংহতি এবং কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় না থাকে।
জাপান আজ একটি স্থিতিশীল গণতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও অতীতের এই ঘটনাগুলো মনে করিয়ে দেয় যে, রাজনৈতিক সহিংসতা রোধে শুধু আইন নয়, বরং সামাজিক সচেতনতা ও মানবিক মূল্যবোধও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

আসানুমা ইনেজিরোর হত্যাকাণ্ড জাপানের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক শোকাবহ ও নাটকীয় ঘটনা। ১৯৬০ সালের ১২ অক্টোবর, টোকিওতে একটি নির্বাচনী বিতর্কের মঞ্চে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়, যা সারা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিল।
এই ঘটনাটি ঘটে খোদ টোকিওর হিবিয়াতে। আসানুমা ছিলেন জাপানের জাপান সোসালিষ্ট পার্টির একজন প্রভাবশালী নেতা এবং তৎকালীন বিরোধীদলীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ মুখ। তিনি তার স্পষ্টভাষী ও প্রগতিশীল মতাদর্শের জন্য পরিচিত ছিলেন, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–জাপান নিরাপত্তা চুক্তির বিরোধিতায়।
হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয় টোকিওর হিবিয়া পাবলিক হলে আয়োজিত এক রাজনৈতিক বিতর্ক সভায়। টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের সময়, মাত্র ১৭ বছর বয়সী এক ডানপন্থী উগ্রপন্থী যুবক ওতোইয়া ইয়ামাগুচি হঠাৎ মঞ্চে উঠে এসে একটি ঐতিহ্যবাহী সামুরাই তরবারি (ওয়াকিজাশি) দিয়ে আসানুমাকে আঘাত করে। আঘাতটি ছিল এতটাই গুরুতর যে, অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এই হত্যাকাণ্ডটি জাপানের সমাজে গভীর প্রভাব ফেলে। একদিকে এটি রাজনৈতিক সহিংসতার ভয়াবহতা তুলে ধরে, অন্যদিকে গণমাধ্যমের শক্তিও প্রকাশ পায়, কারণ ঘটনাটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছিল। বিশেষ করে এই ঘটনার একটি বিখ্যাত ছবি তুলেছিলেন ইয়াসুশি নাগাও নামে একজন যা পরে পুলিৎজার পুরস্কার অর্জন করে এবং বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে।
আসানুমার মৃত্যু জাপানে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেয় এবং দেশজুড়ে শোক ও প্রতিবাদের ঢেউ ওঠে। এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, বরং জাপানের যুদ্ধোত্তর গণতন্ত্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘোরানো মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
এই ঘটনার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, মতাদর্শগত বিরোধ কখনও কখনও কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তবুও, জাপান পরবর্তীকালে গণতন্ত্রের পথেই এগিয়ে যায় এবং রাজনৈতিক সহিংসতা রোধে আরও সচেতন হয়ে ওঠে।

আসানুমা ইনেজিরোর হত্যাকাণ্ড শুধু একজন নেতার মৃত্যু নয়, বরং একটি জাতির জন্য গভীর আত্মসমালোচনার মুহূর্ত। ইতিহাসের এই অধ্যায় আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—সহনশীলতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

আমি টোকিওতে যখন এশিয়ান পিপলস ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির মহাসচিব ছিলাম তখন ১৯৯১ সালে সংগঠনের সভাপতি মি. ইয়োসিনারী কাৎসুর নেতৃত্বে শতাধিক সদস্যদের নিয়ে টোকিও থেকে ১৮০ কিলোমিটার দূরে মিয়াকেজিমা দ্বীপে এক শিক্ষা সফরে গমন করি । জাহাজ থেকে নামার পর মিয়াকেজিমার শোনচো সান (গ্রামের চেয়ারম্যান) আমাদের স্বাগত জানান। মিয়াকেজিমা এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ প্রকৃতির শক্তির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে বসবাস করছে। আগ্নেয়গিরি, বিষাক্ত গ্যাস, আর তার মধ্যেও জীবনের চলমানতা—এই দ্বীপকে একেবারেই আলাদা করে তোলে।
এই দ্বীপই হচ্ছে আসানুমা ইনেজিরোর পৈত্রিক বসতবাড়ি। তাঁর বাড়িটি দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার।
(সীমাগুনির চিঠি: সাহস প্রকাশনী, ১৯৯৩)।

জাপানের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাসে এক শোকাবহ ও নাড়া দেওয়া ঘটনা হলো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে হত্যাকাণ্ড যা শুরুতেই উল্লেখ করেছি। ২০২২ সালের ৮ জুলাই, জাপানের ঐতিহ্যবাহী শহর নারায়। নারা জাপানের রাজধানী ছিল ৭১০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৭৯৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
এই সময়কালকে জাপানের ইতিহাসে নারা যুগ বলা হয়। এই সময়ে নারা শহরের নাম ছিল হেইজো-কিয়ো। এটি ছিল জাপানের প্রথম স্থায়ী ও পরিকল্পিত রাজধানী। চীনের রাজধানী চাংআন এর আদলে তৈরি করা হয়েছিল। সে প্রসঙ্গ থাক।

নারা শহরে একটি নির্বাচনী প্রচারণার সময় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে, যা শুধু জাপান নয়, সমগ্র বিশ্বকে স্তব্ধ করে দেয়। শিনজো আবে ছিলেন জাপানের দীর্ঘতম সময়ের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নেতৃত্বে জাপান অর্থনৈতিক সংস্কার, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং নিরাপত্তা নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখেছে। “আবেনোমিক্স” নামে পরিচিত তাঁর অর্থনৈতিক নীতিমালা জাপানের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার একটি বড় প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হয়।
ঘটনার দিন সকালে, আবে একটি রাজনৈতিক বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। হঠাৎই পেছন থেকে গুলিবিদ্ধ হন তিনি।

এই হত্যাকাণ্ড জাপানের মতো একটি শান্তিপূর্ণ ও কম অপরাধপ্রবন দেশে এক বিরল ঘটনা। সাধারণত জাপানে রাজনৈতিক সহিংসতা খুবই কম দেখা যায়। তাই এই ঘটনা দেশটির নাগরিকদের মধ্যে গভীর শোক, বিস্ময় এবং নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবনার জন্ম দেয়।
শিনজো আবে কেবল একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, বরং তিনি জাপানের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করার একজন কৌশলী নেতা ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে বিশ্বনেতারা শোক প্রকাশ করেন এবং তাঁকে একজন দূরদর্শী নেতা হিসেবে স্মরণ করেন।
এই হত্যাকাণ্ড আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, নিরাপত্তা ও মানবিক মূল্যবোধ রক্ষা করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এমন একটি সমাজেও, যেখানে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে, সেখানেও হঠাৎ সহিংসতার ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই শিনজো আবের মৃত্যু জাপানের ইতিহাসে একটি গভীর ক্ষত হিসেবে থেকে যাবে। তাঁর অবদান, নেতৃত্ব এবং দেশের প্রতি তাঁর নিবেদন চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর প্রতি অসীম শ্রদ্ধা আর ভালবাসা জানাই।

© মাসুদ করিম
২২ এপ্রিল ২০২৬।

আমরা অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টির আরোগ্য কামনা করছি।
15/02/2026

আমরা অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টির আরোগ্য কামনা করছি।

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান একাত্তরের চেতনা কেবল সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না; এটি নির্ভর করে বিশ্বাস, আদর্শ ও আত্মত্...
13/02/2026

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান

একাত্তরের চেতনা কেবল সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না; এটি নির্ভর করে বিশ্বাস, আদর্শ ও আত্মত্যাগের গভীরতায়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ আমাদের শিখিয়েছে—একজন সচেতন, সাহসী ও নৈতিকভাবে অটল মানুষও ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন। তাই হাজারো মানুষের ভিড়ে নয়, বরং একজন প্রকৃত বীরের দৃঢ় অবস্থানেই চেতনার দীপ্তি জ্বলে ওঠে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের নাম উচ্চারণ করা মানে কেবল একজন ব্যক্তিকে স্মরণ করা নয়; বরং সেই অবিনাশী মনোবলকে স্বীকৃতি দেওয়া, যা পরাজয়কে মেনে নেয় না। “লাইলাতুল পরাজয় নয়, জয়ী হয়েই ঘরে ফেরা”—এই বাক্যটি আসলে প্রতীকী। এটি বোঝায়, সত্য ও ন্যায়ের পথে যারা অবিচল থাকেন, তারা সাময়িকভাবে বিপর্যস্ত হতে পারেন, কিন্তু ইতিহাসের বিচারে তারাই শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হন।

ফজলুর রহমানরা ব্যক্তি নন, এক একটি আদর্শের নাম। একটি কবিতার নাম। তাঁর নির্বাচনী প্রচারাভিযানে তিনি অনেক দীর্ঘ কবিতা এই বয়সে অবলীলায় বক্তৃতাকালে একের পর এক পাঠ করেছেন, ভাবা যায়?

তারা সময়ের প্রয়োজনে ফিরে আসেন—কখনও প্রতিবাদে, কখনও নীরব দৃঢ়তায়, কখনও কলমে, কখনও কর্মে। একাত্তরের চেতনা মানে কেবল অতীত স্মরণ নয়; এটি বর্তমানকে সৎ ও সাহসী রাখার অঙ্গীকার।

আপনাকে অভিনন্দন—কারণ আপনি ব্যক্তি থেকে আদর্শকে বড় করে দেখেছেন। যতদিন এমন চিন্তা বেঁচে থাকবে, ততদিন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কখনও পরাজিত হবে না।

12/01/2026
"আম্মার (কণ্ঠশিল্পী ফরিদা পারভীন) চিকিৎসা যতটা ভাল ভাবে করা সম্ভব তা-ই চেষ্টা করা হচ্ছে। সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়-সহ, বেশ কয়ে...
07/07/2025

"আম্মার (কণ্ঠশিল্পী ফরিদা পারভীন) চিকিৎসা যতটা ভাল ভাবে করা সম্ভব তা-ই চেষ্টা করা হচ্ছে। সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়-সহ, বেশ কয়েকজন উপদেষ্টাবৃন্দ আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন, আমরা তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আম্মা অত্যন্ত সম্মানের সাথে সকল প্রকার অনুদান গ্রহনে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন, তিনি চান সরকারি এইসকল অনুদান আর্থিকভাবে অসচ্ছল মানুষের কাজে আসুক।
যেসকল পেজ ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ফরিদা পারভীনের নামে যত্রতত্র অনুদান চেয়ে বেড়াচ্ছে, তারা কি বোঝে না এটা তাঁর জন্য কতটা অসম্মানজনক? আপনারা অনেকই অবগত আছেন যে আমাদের আম্মা, কণ্ঠশিল্পী ফরিদা পারভীন বেশ কিছুদিন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। আমরা নানা মাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি যে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান তাঁর নাম ব্যবহার করে তাঁর চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অনুদান সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তাঁর চিকিৎসার জন্য কোনো ধরনের আর্থিক সহযোগিতার প্রয়োজন নেই এবং এ-ধরনের কোনো আবেদন আম্মা বা আমাদের পক্ষ থেকে করাও হয়নি। তাঁর প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসা যথাযথভাবে চলছে, আলহামদুলিল্লাহ। সবাইকে এসকল প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।" From her son Imam Zafar

জ্বলে ওঠো সাহসী মানুষ।
06/05/2025

জ্বলে ওঠো সাহসী মানুষ।

Address

Karim Tower, 44/7/A-B, West Panthapath, Kalabagan
Dhaka-1205

Telephone

+88029126964

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Documentary Film-makers Association posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share