শাহেনশাহ শাহ্ আব্দুল্লাহ গাজীপুরী রহঃ Shahensha Shah Abdullah Gazipuri

  • Home
  • Bangladesh
  • Cumilla
  • শাহেনশাহ শাহ্ আব্দুল্লাহ গাজীপুরী রহঃ Shahensha Shah Abdullah Gazipuri
Call Website Contact the organization

শাহেনশাহ শাহ্ আব্দুল্লাহ গাজীপুরী রহঃ Shahensha Shah Abdullah Gazipuri Hazrat Hafez Qari Shah Abdullah Gazipuri (R,A) DarghaSharif,
Darogabari Mazar,Comilla City,Bangladesh

16/10/2026

তুমি বলো আল্লাহকে খুঁজে পাচ্ছো না, অথচ তুমি ফজরেই তাঁকে হারিয়েছো,তুমি বলো দোয়া কবুল হচ্ছে না, অথচ তুমি হারাম দিয়ে পেট ভরেছো। আল্লাহ হারিয়ে যাননি, তুমি সরে গেছো ফিরে এসো,দেখবে তিনি ওখানেই আছেন।

২শ বছরের ঐতিয্য কুমিল্লা দারোগা বাড়ি মাজার শরীফ ২য় খন্ডঃ কুমিল্লা থেকে দেড় হাজার কিলোমিটার দূরে বর্তমান ভারতের মধ্যপ্রদে...
08/10/2026

২শ বছরের ঐতিয্য কুমিল্লা দারোগা বাড়ি মাজার শরীফ ২য় খন্ডঃ কুমিল্লা থেকে দেড় হাজার কিলোমিটার দূরে বর্তমান ভারতের মধ্যপ্রদেশের গাজীপুরে জন্ম গ্রহণ করেন ধর্মীয় সাধক হযরত শাহ আবদুল্লাহ গাজীপুরী(রহঃ)। তিনি মিয়ানমারের রেগুনে এক মসজিদের ইমাম ছিলেন। ১৮৯০ সালে দাউদকান্দি হয়ে রেগুন যাওয়ার পথে নৌকা ও গরুর গাড়িতে করে কুমিল্লা দারোগা বাড়ীতে অবস্থান করেন। এ বাড়ীর ফরাসি ভাষার পন্ডিত ও আলেম মৌলভী আশরাফ উদ্দিন আহমেদের অনুরোধে তিনি এখানে স্হায়ী ভাবে বসবাস শুরু করেন। ইসলামের সত্যবাণী প্রচারে নিয়জিত ছিলেন। শাহ আবদুল্লাহ গাজীপুরী(রহঃ) এর অধ্যত্নিক ক্ষমতা দেখে অনেকে তাঁর নিকট মুরিদ হন। গায়েবী নির্দেশে তিনি দুইজন শফি দরবেশ অলির জানাযায় ইমামতি করেন। এই দুইজন হচ্ছেন ময়নামতি'র পাশে হযরত হিলাল শাহ(রহঃ) ও মিয়ার বাজারের চাঁদশ্রীর হযরত শাহ ফয়জন মিয়া(রহঃ)। সুফী দরবেশ হযরত হিলাল শাহ(রহঃ) এর ওফাতের পূর্বে অছিয়ত করে যান একজন হিন্দু স্হানীয় আলেম তাঁর জানাযার নামাজ পড়াতে আসবেন। তিনিই যেন তার জানাযার নামাজ পড়ান।

ঢাকা আজিমপুর দায়রা শরীফে,আগামী ৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, হযরত শাহ সুফী সৈয়্যদ লাকীত উল্লাহ (রহমতুল্লাহি আলাইহি)-এর  ...
04/10/2026

ঢাকা আজিমপুর দায়রা শরীফে,আগামী ৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, হযরত শাহ সুফী সৈয়্যদ লাকীত উল্লাহ (রহমতুল্লাহি আলাইহি)-এর ওরশ মোবারক উদযাপন হতে যাচ্ছে।

হযরত শাহ সুফী সৈয়্যদ লাকীত উল্লাহ (রহ.) একজন মাদারজাত ওলী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি তাঁর পিতা ইমামুল হাইয়ুল কাইয়ুম হজরত শাহ সুফি সৈয়্যদ দায়েম পাক (রহ.)-এর নিকট বায়আত গ্রহণ করেন এবং খেলাফত লাভ করেন।তাঁর বড় ভাই হযরত শাহ সুফী সৈয়্যদ আহমদ উল্লাহ (রহ.)-এর ওফাতের পর তিনি দায়রা শরীফের গদীনশীন হন। হযরত শাহ সুফী সৈয়্যদ লাকীতুল্লাহ (রহ.) দায়রা শরীফের মাদরাসায় প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। পরবর্তীতে জাহাঙ্গীর নগরস্থ মাদরাসায় তাফসীর, হাদীস, ফিকহ প্রভৃতি শাস্ত্রে অধ্যয়ন করে মাদরাসা শিক্ষা সমাপ্ত করেন। তিনি তৎকালীন সময়ে একজন প্রসিদ্ধ আলেম হিসেবে সুনাম অর্জন করেছিলেন। তিনি নিজ মাদ্রাসাতেই ছাত্রদের কোরআন, হাদিস, ফেকাহ ও তাসাউফের পাঠ দিতেন। তার মাদ্রাসায় মানুষের এর পাশাপাশি জিন সাম্প্রদায়ও কোরআন ও হাদিস এর শিক্ষা গ্রহন করতো।

04/10/2026
🕌 হযরত মখদুম আলাউদ্দিন আলী আহমদ সাবির পাক কালিয়ারী (রহঃ)দরগাহ হযরত সাবির-ই-পাকপীরান কালিয়ার শরীফ, রুরকি, উত্তরাখণ্ড–২৪...
03/10/2026

🕌 হযরত মখদুম আলাউদ্দিন আলী আহমদ সাবির পাক কালিয়ারী (রহঃ)
দরগাহ হযরত সাবির-ই-পাক
পীরান কালিয়ার শরীফ, রুরকি, উত্তরাখণ্ড–২৪৭৬৬৭, ভারত

হযরত মখদুম আলাউদ্দিন আলী আহমদ সাবির কালিয়ারী (রহঃ) ত্রয়োদশ শতাব্দীর একজন প্রসিদ্ধ সুফি সাধক হিসেবে পরিচিত। তিনি সাবির পাক, বাবা সাবির, মখদুম-উল-আলম, আলী আহমদ, চেরাগ-এ-চিশত প্রভৃতি নামে পরিচিত।
তাঁর দরগাহ ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের হরিদ্বারের নিকটবর্তী পিরান কালিয়ার শরীফে অবস্থিত। মুসলিম সমাজে এই দরগাহ বিশেষ শ্রদ্ধার স্থান হিসেবে পরিচিত।
🌿 পরিচিতি
নাম: মখদুম আলাউদ্দিন আলী আহমদ সাবির কালিয়ারী (রহঃ)
উপাধি: সাবির-ই-পাক, মখদুম-উল-আলম, বাবা সাবির, চেরাগ-এ-চিশত
তরিকাহ: চিশতিয়া
পীর ও মুর্শিদ: হযরত শেখ ফরিদউদ্দিন গঞ্জেশকর (রহঃ)
মাতা: হযরত জামিলা খাতুন (রহঃ)
পিতা: হযরত আব্দুর রহিম (রহঃ)
মাজার শরীফ: পিরান কালিয়ার, রুরকি, উত্তরাখণ্ড, ভারত
ইন্তেকাল: ৬৯০ হিজরি / ১২৯১ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ রবিউল আউয়াল
তাঁকে চিশতিয়া তরিকার সাবিরিয়া শাখার অন্যতম প্রধান সাধক হিসেবে স্মরণ করা হয়।
🌙 বংশপরিচয় ও শৈশব
বর্ণিত আছে, হযরত সাবির পাক (রহঃ) ছিলেন হযরত বাবা ফরিদউদ্দিন গঞ্জেশকর (রহঃ)-এর ভাগ্নে। তাঁর মাতা হযরত জামিলা খাতুন (রহঃ) ছিলেন বাবা ফরিদের বোন।
শৈশবেই তাঁর পিতা ইন্তেকাল করলে তিনি ও তাঁর মা আর্থিকভাবে কঠিন অবস্থার মধ্যে পড়েন। কথিত আছে, তাঁর মা অত্যন্ত সংযম ও আল্লাহভীতির সঙ্গে তাঁকে লালন-পালন করেন।
পরবর্তীতে তাঁর মাতা তাঁকে তাঁর মামা হযরত শেখ ফরিদউদ্দিন গঞ্জেশকর (রহঃ)-এর কাছে আধ্যাত্মিক শিক্ষার জন্য পাঠান। সেখানে তিনি তাসাউফের শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীকালে তাঁর পীরের হাতে বায়আত গ্রহণ করেন।
🍞 ১২ বছর লঙ্গরখানার দায়িত্ব
হযরত বাবা ফরিদ (রহঃ) তাঁকে লঙ্গরখানার খাবার বিতরণের দায়িত্ব দিয়েছিলেন।
কথিত আছে, সাবির পাক (রহঃ) দীর্ঘ ১২ বছর এই দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নিজে লঙ্গরের খাবার গ্রহণ না করে রোজা রাখতেন এবং বনে গিয়ে বুনো ফল ও পাতা খেয়ে জীবনযাপন করতেন।
দীর্ঘদিন পর তাঁর দুর্বলতা দেখে বাবা ফরিদ (রহঃ) কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন—
“আপনি আমাকে লঙ্গরখানা দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়েছিলেন; কিন্তু সেখান থেকে খাবার খাওয়ার অনুমতি দেননি।”
তাঁর এই জবাব শুনে বাবা ফরিদ (রহঃ) তাঁর ধৈর্য ও আনুগত্যে সন্তুষ্ট হন এবং তাঁকে “সাবির” নামে অভিহিত করেন বলে প্রচলিত আছে।
সেই থেকেই তিনি সাবির পাক নামে প্রসিদ্ধ হন।
✨ সাবির পাক (রহঃ)-এর জালাল ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব
সুফি ঐতিহ্যে হযরত সাবির পাক (রহঃ)-কে অত্যন্ত জালালি প্রকৃতির সাধক হিসেবে বর্ণনা করা হয়। তাঁর জীবনের সঙ্গে বহু অলৌকিক কারামতের কাহিনি লোকমুখে প্রচলিত রয়েছে।
তাঁর অনুসারীদের কাছে তিনি ছিলেন তাকওয়া, ধৈর্য, ইবাদত ও আত্মসংযমের প্রতীক।

🌹 কথিত কারামতসমূহ

১. জন্মের সময় কারামত
কথিত আছে, জন্মের সময় ধাত্রী তাঁকে অজু ছাড়া কোলে নিলে তাঁর শরীরে জ্বালা-পোড়া অনুভূত হয়েছিল। এই ঘটনাকে তাঁর আধ্যাত্মিক মর্যাদার প্রাথমিক নিদর্শন হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
২. ১২ বছর লঙ্গরের খাবার গ্রহণ না করা
দীর্ঘ ১২ বছর লঙ্গরখানার দায়িত্ব পালন করেও তিনি সেখানকার খাবার গ্রহণ করেননি—এটি তাঁর অসাধারণ সংযম ও আনুগত্যের অন্যতম প্রসিদ্ধ কাহিনি।
৩. কাজী তবারকের সঙ্গে ঘটনা
কথিত আছে, কালিয়ারে অবস্থানকালে কাজী তবারকের সঙ্গে তাঁর একটি ঘটনা ঘটে। তাঁকে সাধারণ ফকির মনে করে অসম্মান করা হয়েছিল বলে বিভিন্ন বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে।
এরপর তাঁর জালালি অবস্থার সঙ্গে কালিয়ার শহরের ধ্বংসের একটি কাহিনি প্রচলিত হয়েছে।
৪. কালিয়ার শহর ধ্বংসের কাহিনি
লোকমুখে প্রচলিত আছে, কাজী তবারকের আচরণে অসন্তুষ্ট হয়ে সাবির পাক (রহঃ) বলেছিলেন—
“সব ধ্বংস হোক।”
এরপর এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে কালিয়ার শহরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে কিংবদন্তিতে বর্ণিত আছে। একটি গাছ অক্ষত ছিল এবং সেই গাছের সঙ্গে সাবির পাক (রহঃ)-এর স্মৃতি জড়িয়ে আছে বলেও প্রচলিত আছে।
৫. হারিয়ে যাওয়া ছাগলের ঘটনা
আরেকটি প্রচলিত কাহিনিতে বলা হয়, কাজী তবারক তাঁর আধ্যাত্মিক ক্ষমতা পরীক্ষা করার জন্য হারিয়ে যাওয়া একটি ছাগলের কথা জানতে চান।
সাবির পাক (রহঃ)-এর নির্দেশে কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর সামনে উপস্থিত হয় এবং তাঁদের পেটে থাকা ছাগলের অবশেষ থেকে ছাগলের কথা শোনা যায়—এমন একটি অলৌকিক ঘটনার বর্ণনা লোকমুখে রয়েছে।
৬. বিবাহের কাহিনি
সাবির পাক (রহঃ)-এর বৈরাগ্য ও আল্লাহর স্মরণে নিমগ্নতার সঙ্গে তাঁর বিবাহিত জীবনের একটি কিংবদন্তিও প্রচলিত আছে। বর্ণনাটি বিভিন্ন সূত্রে বিভিন্নভাবে পাওয়া যায়।
৭. নিজের জানাজা নিজে পড়ার কাহিনি
কথিত আছে, ইন্তেকালের আগে তিনি তাঁর ভক্তদের বলেছিলেন যে তাঁর মৃত্যুর পর একজন ব্যক্তি সাদা ঘোড়ায় এসে তাঁর জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করবেন।
পরবর্তীতে একজন সাদা ঘোড়ায় এসে তাঁর জানাজা ও দাফন করেন এবং চলে যাওয়ার সময় তাঁর মুখের কাপড় সরালে তাঁকে সাবির পাক (রহঃ) হিসেবে দেখা যায়—এমন একটি অলৌকিক কাহিনি প্রচলিত রয়েছে।
৮. মাজার শরীফ পাহারা দেওয়ার কাহিনি
সাবির পাক (রহঃ)-এর ইন্তেকালের পর তাঁর মাজার শরীফকে ঘিরে বিভিন্ন অলৌকিক কাহিনি প্রচলিত হয়েছে।
কথিত আছে, তাঁর রওজা শরীফের চারপাশে দীর্ঘ সময় বিশেষ জালালি প্রভাব ছিল এবং একটি সিংহ ৪০ দিন পর্যন্ত মাজার পাহারা দিয়েছিল।
পরবর্তীকালে তাঁর মাজার শরীফ সর্বসাধারণের জিয়ারতের জন্য উন্মুক্ত হয় বলে বর্ণনা করা হয়।
৯. জিন-পরীদের সঙ্গে সম্পর্কিত কাহিনি
আরেকটি লোকপ্রচলিত বর্ণনায় বলা হয়, তাঁর মাজার শরীফের ওপর দিয়ে কোনো জিন বা পরী অতিক্রম করলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হতো।
এসব ঘটনা মূলত তাঁর ভক্তদের মধ্যে প্রচলিত কারামতের বর্ণনা হিসেবে পরিচিত।

🕋 পিরান কালিয়ার শরীফ
হযরত সাবির পাক (রহঃ)-এর মাজার শরীফ ভারতের উত্তরাখণ্ডের পিরান কালিয়ার এলাকায় অবস্থিত।
এটি ভারতীয় উপমহাদেশের সুফি ঐতিহ্যের একটি পরিচিত তীর্থস্থান। প্রতি বছর বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এখানে জিয়ারতের উদ্দেশ্যে আসেন।
দরগাহ শরীফকে ঘিরে মুসলিম সমাজে বিশেষ শ্রদ্ধা ও ভক্তির পরিবেশ রয়েছে।
📍 কোথায় অবস্থিত?
পিরান কালিয়ার শরীফ
রুরকি, উত্তরাখণ্ড–২৪৭৬৬৭
ভারত
এটি রুরকি শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে এবং হরিদ্বারের নিকটবর্তী কালিয়ার অঞ্চলে অবস্থিত বলে উল্লেখ করা হয়।

🚆 কীভাবে যাবেন?

পিরান কালিয়ার শরীফ যাওয়ার জন্য নিকটবর্তী প্রধান রেলওয়ে স্টেশন হলো রুরকি রেলওয়ে স্টেশন।
রুরকি রেলওয়ে স্টেশন থেকে স্থানীয় অটো, ট্যাক্সি বা অন্যান্য যানবাহনের মাধ্যমে সহজেই কালিয়ার শরীফের দিকে যাওয়া যায়।
🌿 সাবির পাক (রহঃ)-এর শিক্ষা
হযরত সাবির পাক (রহঃ)-এর জীবনকাহিনিতে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়গুলো ফুটে ওঠে তা হলো—
ধৈর্য, ইবাদত, আত্মসংযম, আনুগত্য, আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং দুনিয়াবি ভোগ-বিলাস থেকে দূরে থাকা।
তাঁর নামের মধ্যেই রয়েছে “সাবির” — অর্থাৎ ধৈর্যশীল।
তাই তাঁর জীবন থেকে শিক্ষা হতে পারে—
“আল্লাহর পথে চলতে হলে ধৈর্য ধরতে হয়, নিজের নফসকে সংযত করতে হয় এবং প্রতিটি অবস্থায় আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতে হয়।”
🤲 আল্লাহ তাআলা হযরত মখদুম আলাউদ্দিন আলী আহমদ সাবির পাক কালিয়ারী (রহঃ)-এর প্রতি রহমত নাজিল করুন এবং তাঁর জীবন ও শিক্ষা থেকে আমাদের উপকৃত হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।
সংগৃহীত।

03/10/2026

তুমি যা পাওনি তার হিসাব করো, তাই তুমি গরিব।
যা পেয়েছো তার হিসাব করো, দেখবে তুমি বাদশা।
ভেবে দেখো নিঃশ্বাসটা কিনতে হয়নি, ঘুমটা ভাড়া দিতে হয়নি।চোখ খুললেই আলো,এগুলো কি ছোট নেয়ামত?
যে শুকরিয়া করে, তার নেয়ামত বাড়ে।
শুকরিয়া মুখের কথা না, দিলের নরম হওয়া। আজ যা আছে, এটাই অনেকের দোয়া।

-আঃ রাজ্জাক (কবি মশাই)

উনার কথা মনে আছেনি সবার,চিনলে কমেন্টে জানিয়ে দিন
02/10/2026

উনার কথা মনে আছেনি সবার,চিনলে কমেন্টে জানিয়ে দিন

কুমিল্লা দারোগা বাড়ি মাজার শরীফ প্রথম খন্ডঃ কুমিল্লা দারোগা বাড়ি মাজার শরীফ অতিপরিচিত ইবাদত কেন্দ্র। এ মাজার শরীফে প্রতি...
02/10/2026

কুমিল্লা দারোগা বাড়ি মাজার শরীফ প্রথম খন্ডঃ কুমিল্লা দারোগা বাড়ি মাজার শরীফ অতিপরিচিত ইবাদত কেন্দ্র। এ মাজার শরীফে প্রতিদিন ছুটে আসেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা ও অন্য ধর্মাবলম্বীরাও। প্রতি বছর মাঘ মাসের প্রথম জুম্মা রাতে অনুষ্ঠিত হয় বাৎসরিক উরস।
হাজার হাজার মুসলিম ও অমুসলিম মানুষের ঢল নামে মাজার প্রাঙ্গণে। প্রশ্ন কিন্তু কেন? গাজীপুর (রাঃ) জীবনীতে, যাকে ঘিরে এই মাজার শরীফ। উনার ওফাতের অল্প কিছু দিন পর মাজার পাকা করার সময় দেখা যায় মাজার কোন দেহ ছিল না। ছিল না কোন হাড় ও গন্ধও শুধু পায়ের কাছে কাফনের কাপড় দেখা গিয়াছে। জীবিত অবস্থায় গায়েবি নির্দেশে দুইজন অলি আল্লাহর জানাযায় ইমামতি করার অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী হিসাবে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পরেছিল সর্বত। ওফাতের পরও জীবদ্দশায় কথা সত্য প্রমাণিত হওয়ায় তাঁর কেরামত কাহিনি দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
সে প্রখ্যাত ধর্মীয় সাধক কেউ নন তিনি হযরত হাফেজ ক্বারি মাওলানা আলহাজ্ব শাহ আবদুল্লাহ গাজীপুরী(রহঃ)।

16/01/2026

আক্বার দরবারে মদিনা শরিফ এর তোহফা মোবারক।

16/01/2026

আলহামদুলিল্লাহ,, শাহেনশাহ হযরত শাহ আব্দুল্লাহ গাজীপুরি (রহ:) ১২২তম ওরশ মোবারক সম্পূর্ণ হয়েছে।
আখেরি মুনাজাত পরিচালনা করছেন, শাহপুর দরবার শরীফের আওলাদে গাউছে জামান আলহাজ্ব শাহজাদা মাহবুব ইলাহ আল্ ক্বাদেরী মাঃজিঃআঃ।

Address

Cumilla

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শাহেনশাহ শাহ্ আব্দুল্লাহ গাজীপুরী রহঃ Shahensha Shah Abdullah Gazipuri posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to শাহেনশাহ শাহ্ আব্দুল্লাহ গাজীপুরী রহঃ Shahensha Shah Abdullah Gazipuri:

Shortcuts

Share