Dirghavomi Students Association - DSA

Dirghavomi Students Association - DSA Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dirghavomi Students Association - DSA, Community Organization, Dirghavomi, B-PARA, Cumilla.

21/09/2024

আসসালামুয়ালাইকুম,
মতামত ব্যক্ত করছি সুযোগ হলে শুনুন,
অপরাধ সবসময়ই অপরাধ; সে যেই করুক না কেন। অপরাধী সবসময়ই অপরাধী; তার কোন জাত ধর্ম হয়না। একজন হুজুর অপরাধী হতে পারে, একজন পুরুহিত অপরাধী হতে পারে, একজন অভিনেতা বা অভিনেত্রী অপরাধী হতে পারে, একজন শিক্ষক অপরাধী হতে পারে, একজন শিক্ষার্থী অপরাধী হতে পারে, একজন পুলিশ বা সেনা সদস্য অপরাধী হতে পারে। অপরাধ যে কেউ করতে পারে। যে অপরাধ করবে সেই অপরাধী। ইসলাম যদি অপরাধ সমর্থন করে তাহলে আপনি মুসলিমদের অপরাধী বলতে পারেন। কিন্তু একজন মুসলিম যদি অপরাধ করে আর তা যদি ইসলাম সমর্থন না করে তাহলে তাঁর অপরাধের জন্য অন্য মুসলিমরা বা ইসলাম ধর্ম দায়ী নয়। হিন্দু (সনাতন) ধর্ম সমর্থন করে না এমন অপরাধ কোন হিন্দু (সনাতনী) করলে তার জন্য হিন্দু (সনাতন) ধর্ম বা অন্য কোন হিন্দু (সনাতনী) দায়ী নয়। একজন শিক্ষক এর অপরাধের জন্য সকল শিক্ষক দায়ী নয়। একজন শিক্ষার্থীর জন্য সকল শিক্ষার্থী কিংবা একজন পুলিশ বা সেনা সদস্যের অপরাধের জন্য সকল পুলিশ বা সেনা সদস্যরা দায়ী নয়। যে অপরাধ করে তার শাস্তির জন্য আওয়াজ তুলুন, তার অপরাধের প্রতিবাদ করুন। মনে রাখবেন একজন যতক্ষন ভালো কাজ করে বা ভালো কাজের সমর্থন করে ততোক্ষনই সে ভালো। যখনই সে খারাপ কাজ করবে বা খারাপ কাজে সমর্থন দেবে তখন থেকেই সে খারাপ। একজন মুক্তিযোদ্ধার মুক্তিযুদ্ধের যে অবদান তাঁর বর্তমান কোন অপরাধের জন্য তিনি শাস্তি পেতে পারেন, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তাঁর মুক্তিযুদ্ধের অবদানকে আপনি অস্বীকার করবেন বা ভুল বলবেন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন কোনভাবেই ভুল কিছু ছিলোনা বা ঠিক ছিলো - যদি মনে করেন তাহলে সে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী কারো অন্য অপরাধের জন্য সে আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করবেন না। যে জনগোষ্ঠী এই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলো সেই জনগোষ্ঠী ও ভুল করতে পারে। কিন্তু এর জন্য স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ভুল হতে পারেনা।
একদল আছেন যারা খারাপ কিছু হতে দেখলেই স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনকে উদ্দেশ্য করে "মেধাবীদের কাজ" বলে খোঁচা দেয়ার চেষ্টা করেন। যেকোন বিষয়েই গঠনমূলক সমালোচনা অবশ্যই গ্রহণযোগ্য। কিন্তু যুক্তিবিহীন তর্ক কখনোই জ্ঞান প্রকাশ করেনা।
অপরাধীর অপরাধকে গুরুত্ব দিন, এর জন্য তার ভালো কাজকেও খারাপ করে দিয়েন না।
কোন হত্যাই কাম্য নয়, কোন নির্বিচার হত্যাই গ্রহণযোগ্য নয়, কোন অন্যায়ই গ্রহণযোগ্য নয়।
বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদ ভালো করতে পারে, খারাপ ও করতে পারে। খারাপ ভুলের কারণে ও করতে পারে, ইচ্ছাকৃতভাবেও করতে পারে। সবগুলো সম্ভানাই আছে। কথা হচ্ছে যতক্ষন খারাপ করছেনা ততোক্ষণ তো তাঁদেরকে কাজ করতে দেন। তাঁদের অন্যায় করার সম্ভাবনা আছে এটা বলে তো আপনি তাঁদের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারেন না- এটা শুধুই হাস্যকর।
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনকে ঘিরে আওয়ামীপন্থীদের কিছু কথা-
১। সরকার সব মেনে নেয়ার পরও ছাত্ররা কেন আন্দোলন থামালোনা?
২। এই আন্দোলন ছিলো বিএনপি, জামাত-শিবির আর আমেরিকার ষড়যন্ত্র।
তারিখ উল্লেখ করেই বলতে পারবো দরকার হলে। আপাতত ঘটনাগুলো উল্লেখ করছি, বিরোধীতা করলে রেফারেন্সসহ লিখে দেবো।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন টা যেভাবে এগিয়েছে:
১। আবু সাঈদের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের জন্য আন্দোলন করেছে ।
সরকার কোনভাবেই তাঁদের দাবি মেনে তো নেইনি বরং স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী ঠাট্টা করেছেন, বলেছেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা কোটা পাবেনা তো কি রাজাকারের সন্তানেরা পাবে? আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের তিনি রাজাকারের সন্তান বোঝাতে চেয়েছেন কিনা এই কথা টা বাদ ই দিলাম। শুধু এতটুকু বলতে চাই তিনি কোটা সংস্কার করবেনইনা। ২০১৮ সালে রাগ করে সব কোটা বাতিল করে দিয়েছিলেন এই কথাটা ও বলেছেন। যেখানে ২০১৮ সালেও কোটা সংস্কারের জন্য আন্দোলন হয়েছিল, বাতিলের জন্য নয়। এমনকি ছাত্রলীগের শুয়োরগুলো শিক্ষার্থীদের উপর নির্মম অত্যাচার করে। মেয়ে শিক্ষার্থীদের শরীরে লাঠি দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করে - যা সারা দেশ দেখেছে, দেখেনি শুধু স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দালালেরা।
২। শুধু কোটা সংস্কারের দাবিতেই আন্দোলন চলে। সেই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদ শহীদ হয়, সেই সাথে সারাদেশে আরও ৬ জন শহীদ হয়। আওয়ামী পন্থীরা আবু সাঈদের এই মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলে এমন, ক) সরাসরি কি একই ফ্রেমে দেখা গেছে যে পুলিশ গুলি করছে আর আবু সাঈদের বুকে গুলি লেগেছে?
খ) আবু সাঈদ পুলিশের উপর আক্রমণ করছিলো তাই তাকে গুলি করা হয়েছে।
গ) আবু সাঈদ ছিলো শিবিরের সন্ত্রাসী।
ঘ) গুলির কোন আদেশ ছিলোনা। যে পুলিশ গুলি চালিয়েছে সে জামায়াতের লোক। তাই সরকারকে বিপদে ফেলতে এই কাজ করেছে।
স্বৈরাচার শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের খেলা খুব মনযোগ দিয়ে দেখেন। কাকে কখন খেলাতে হবে মাঝেমধ্যে তা-ও বলে দিয়ে বাংলাদেশেকে জিততেও সাহায্য করেন। দেশের যেকোন ভালো ব্যাপারেই তিনি আদেশ দেন। কিন্তু আবু সাঈদের এই হত্যার ব্যাপারটা তিনি জানতেনই না। তাইতো এই বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্যই করেননি।
এমন পরিস্থিতিতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা বললেন আদালতের রায়ের জন্য অপেক্ষা করতে । রায় ভালো কিছুই আসবে বলে তিনি আশা করছেন।
৩। যেহেতু আবু সাঈদসহ ৬ জনের মৃত্যুর মতো ঘটনা ঘটেছে, তাই দাবিটা আর কোটা সংস্কারের জন্য থাকবেনা এটাই স্বাভাবিক। শিক্ষার্থী হত্যার পর তার বিচার চাইবে এটাই স্বাভাবিক। সাধারণ শিক্ষার্থীরা ৯ দফা দাবি করেছে।
দাবিগুলো হলো—
ক. ছাত্র হত্যার দায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
খ. ছাত্র হত্যার দায় নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিজ নিজ মন্ত্রণালয় ও দল থেকে পদত্যাগ করতে হবে।
গ. যেসব এলাকায় ছাত্র হত্যার ঘটনা ঘটেছে, সেখানকার পুলিশের ডিআইজি ও পুলিশ সুপারকে বরখাস্ত করতে হবে।
ঘ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টরকে পদত্যাগ করতে হবে।
ঙ. নিহত ও আহত শিক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
চ. ছাত্র হত্যার দায়ে অভিযুক্ত পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীদের আটক ও হত্যা মামলা দায়ের করতে হবে।
ছ. দলীয় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ও ছাত্রসংসদ চালু করতে হবে।
জ. অবিলম্বে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হলগুলো খুলে দিতে হবে।
ঝ. আন্দোলনে অংশ নেওয়া সব শিক্ষার্থী যেন একাডেমিক ও প্রশাসনিক কোনো হয়রানির শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বৈরাচারী স্বত্তা বজায় রেখে আদালতের মাধ্যমে রায় আনলেন - কোটা সংস্কার করেছেন। এখন যেন আর আন্দোলন না হয়। কোটার জন্য আন্দোলন হয়েছে, তা মেনে নেয়া হয়েছে। তাই এরপরও যারা আন্দোলন করবে তারা সন্ত্রাসী বলে গণ্য হবে। আর সমন্বয়কদেরকে হাসপাতাল থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে আন্দোলন বন্ধ ঘোষনার নাটক করলেন।
কি চমৎকার! অথচ এই রায় হওয়ার আগেই তাঁরা আবু সাইদসহ ৬ জনকে হত্যা করেছে এবং শিক্ষার্থীরাও যৌক্তিকভাবে তাদের ৯ দফা দাবি করেছে। আর ওরা এখন কোটা সংস্কার করে বলছে দাবি পূরণ করা হয়েছে???

৪। ৯ দফা মানলেন না। দমন পীড়ন চালালেন। শতশত মানুষ হত্যা করলেন। ঘোষণা দিলেন রাজপথে থেকে শিক্ষার্থীদের দমন করবেন। কি না করেছেন???
এতো নির্যাতন, এতো লাশের পরও সবাই চুপ থাকবে? থাকলোনা। যেহেতু শিক্ষার্থীদের একটি দাবিও আপনি মানেন নি, তাই এদেশের সবাই মিলেই ১ দফায় চলে গেলো। এবারে আপনার হুঁশ হলো, আপনি শিক্ষার্থীদের জন্য গণভবন এর দরজা খোলা রেখেছেন। ছিঃ, কি বিবেকহীন!
এই যে দীর্ঘ সময় স্বৈরাচার শেখ হাসিনা এতো গুলো মানুষের দাবি নিয়ে তামাশা করেছে, এই যে এতগুলো প্রাণ নিয়েছে তাঁর বিচার কেন হবেনা??? তাঁর পতনের ডাক মানুষ কেন দিবেনা???
যারা আওয়ামী লীগের অন্ধ সমর্থক, যারা আওয়ামী লীগের কোন দোষ ই দেখেন না, তাঁদের জন্য শুরুর প্রশ্ন দুটির উত্তর হচ্ছে -
স্বৈরাচার শেখ হাসিনা কোন দাবিই মেনে নেননি। কারন যখন কোটা সংস্কার চেয়েছে তখন তা মেনে নেননি, ধ্বীক্কার দিয়েছেন প্রাণ নিয়েছেন।
যখন প্রাণ নেয়ার প্রতিবাদ করেছে, বিচার দাবি করেছে তখন কিন্তু তা মেনে নেননি। তখন করলেন কোটা সংস্কার। আর বললেন এরপর যারা আন্দোলন করবে তাঁরা সন্ত্রাসী, নিলেন শত শত তাজা প্রাণ।
অন্ধরা এখনো বুঝেই না স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার অপরাধটা কি!
আবার ছাগলের মতো অন্তবর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা এমনভাবে করে যে শেখ হাসিনাই ভালো ছিলো।
অন্তবর্তীকালীন সরকার ব্যর্থ হতে পারে। অন্তবর্তীকালীন সরকারের সদস্যরা দুর্নীতি করতে পারে। কিন্তু যতক্ষন তা না করছে তাঁদেরকে সাহায্য করতে হবে। যে যখনি অপরাধ করবে প্রতিবাদ হবেই। কিন্তু প্রতিকূল পরিবেশে সৃষ্টি করে বা প্রতিকূল কথাবার্তা বলা স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে সঠিক প্রমাণ করতে চাওয়া কোনভাবেই জ্ঞানীর কাজ নয়। আর সময়মতো যদি জ্ঞান কাজে না লাগে তবে সেই জ্ঞানের উপর ধ্বীক্কার।
বিবেক যদি থেকে থাকে, দয়া করে তা জাগ্রত করুন।
আজকে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট এর একটা ফেইসবুক পেইজে বাংলাদেশ এর প্রথম টেস্ট এর দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম উইকেট পড়ার উদযাপনে লাভ রিয়েক্ট দেয়া আমার বাংলাদেশি বন্ধুটি আমাকে প্রশ্ন করে আসলেই কি আমাদের দেশ প্রেম আছে??? এই হচ্ছে তাঁদের অবস্থা! তাঁরা জানেই না তাঁদের অবস্থান কোথায়!

29/08/2024

প্রথমত, একটা স্বৈরাচারী সরকার, একজন স্বৈরাচার এবং তার শান্ড-পান্ডদের হাত থেকে দেশের মানুষ মুক্তি পেয়েছে- শুধু এটাই দেশের মানুষের জন্য একটা অনেক বড় শান্তির বিষয়, অনেক বড় একটি অর্জন। এই বিষয়টিতে যিনি যুক্তি শুনতে চাইবেন, শুধু যুক্তি শুনতে চাইবেন, তাতেই আমি আপনার সাথে আলোচনা করতে অনিচ্ছুক। তার কারন একটাই হয় আপনি খুবই অবুঝ, আপনাকে শুধু আপনার পরিবারের সদস্যরাই খুব ধৈর্য্য নিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করতে পারে; নাহয় আপনি ঠিকমতো বাংলা না বলতে পারা, আমার লেতা তোমার লেতা হতে চাওয়া, কোন স্বনামধন্য রাজনৈতিক পরিবারের আধুনিক কার্টুন, যার বাজি হলো আমাকে বুঝাইতে পারলে আমি আপনাকে আমার বউ দিয়ে দিবো বলার পর আর বুঝেইনা।
দ্বিতীয়ত, স্বৈরাচার পরবর্তী বাংলাদেশ, উপদেষ্টা পরিষদ, সমন্বয়ক, আন্দোলনকারী, বিএনপি এবং সাময়িক বিশৃঙ্খলা।
স্বৈরাচার পরবর্তী বাংলাদেশ সরকারবিহীন অবস্থায় যতোটা খারাপ অবস্থায় যাওয়ার কথা তার ১০% ও হয়নি। কারন, যে অত্যাচার স্বৈরাচার আর তার বাহিনীগুলো মানুষের সাথে করেছে তাতে করে তৎক্ষণাৎ অনেকগুলো প্রাণহানি ঘটার কথা ছিলো। যা ঘটেছে তার আরও ১০ গুণ বেশি হওয়ার কথা ছিলো। আমি বলবো আমরা বেঁচে গেছি। এখন মানুষের ব্যক্তিগত জেদগুলো অনেকটা স্তিমিত হয়ে এসেছে শুধু এই শান্তনায় যে এখন অন্তত নতুন একটা শুরু করা যাবে। তাছাড়া পুলিশ আর সাধারণ জনতার যে সম্পর্ক কিছু পুলিশ নামক অবিবেচক তৈরি করেছিলো তাতে স্পষ্টভাবেই বলা যায় আমরা বড় বাঁচা বেঁচে গেছি।
উপদেষ্টা পরিষদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে দ্বিমত করার কোন সুযোগ নেই। তাঁদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নেই, একদমই নেই বললেও দ্বিমত করতে চাইবোনা কারন আমার মনে হয় এটা খুব বেশি প্রাসঙ্গিক না। কারন যারা রাজনীতি অনেক বুঝে বা তুখোড় রাজনীতিবিদ বলে মানুষজন জানতো বা বলতো, তাঁরা পৃথিবীর ইতিহাসে নিকৃষ্টদের তালিকায় স্বর্ণাক্ষরে নাম লিখিয়েছে যা জন্ম জন্মাতরের প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের সবাই পড়বে, জানবে আর বড় করে থু দিবে। তাই সৎভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে এসব রাজনীতি না জানলেও কোন সমস্যা হবেনা বরং এটাই ভালো। উপদেষ্টাদের সৎ প্রচেষ্টায় শুধু অসৎ লোকগুলো কে এবং তাঁদের অসৎ সিস্টেম কে ধ্বংস করে দিতে হবে যেভাবে ধ্বংস করা হয় তেলোপোকার বংশধরদের; যেন একটা ও টিকে থেকে বংশ বিস্তার করতে না পারে। কথা হলো শুধু সততা দিয়ে তাঁরা তা পারবেন কিনা? উত্তর খুবই স্পষ্ট, কোনভাবেই সম্ভব না; শুধু সততা দিয়ে একদমই সম্ভব না। তাহলে? তাহলে প্রতিটি মানুষই জন্ম থেকে রাজনীতির সাথে যুক্ত নিশ্চয়ই জানেন। অতএব উপদেষ্টারা চায়ের দোকানের আলোচকদের চেয়ে ভালো রাজনীতি বুঝেন, আপনাকে তা মানতেই হবে। এতটুকু দিয়েই কাজটা হয়ে যাবে, উদ্দেশ্যটা পূরণ হয়ে যাবে; যদি একই উদ্দেশ্য সাধারনেরও হয়। তো আপনার কী মনে হয়, যারা আন্দোলন করে, ভাইদের জীবনের বিনিময়ে স্বৈরাচারকে সরালো তাদের ভিন্ন কোন উদ্দেশ্য থাকতে পারে? হ্যাঁ, এটা ঠিক যে একটা গোষ্ঠী বেশিরভাগ মনে মনে আর অল্পসংখ্যক বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেয় যে তুলনা করে তাঁরা ভালো কিছু পায়নি আর ভবিষ্যতে পাবেওনা, তাঁহারা পূর্বেই ভালো ছিলো। আমি তাঁহাদেরকে গালমন্দ করতে চাইনা, গালমন্দ করা ভালো না- তাই। যতদিন আপনি বা আপনারা এক উদ্দেশ্যে কাজ করবেন না, কথা বলবেন না ততোদিন ই যে অর্জন দেরি হবে তা নিশ্চিত। তবে আপনার বা আপনাদের চিন্তাধারার যে অবস্থা তাতে এই অর্জনের জন্য আপনারা দূরে থাকলেও খুব বেশি কষ্ট হবেনা। অতএব দ্রুত ভালো কিছু পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে বা আপনাদেরকে উপদেষ্টা পরিষদের উদ্দেশ্যের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে কাজ করতে হবে এবং অবশ্যই সেভাবেই কথা ও বলতে হবে।
সমন্বয়করা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত। তাঁরা জাতীয় প্রয়োজনেই আন্দোলন সংগ্রাম করেছে, শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যাচারিত হয়েছে। এতগুলো জীবনের বিনিময়ে এতো এতো কষ্টে অর্জিত এই স্বাধীনতা কে অক্ষুন্ন রাখতে হলে সমন্বয়কদেরকে অবশ্যই জাতীয় জরুরী বিষয়গুলো তে যুক্ত থাকতে হবে এবং এর মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের সাথে উপদেষ্টা পরিষদের বুঝাপড়া ঠিক করে উপদেষ্টা পরিষদের শক্তি আরো বাড়াতে হবে। তা নাহলে বন্যার পানি সেচার মতো সারাদিন সেচতে থাকলেও এক পানি গিয়ে অন্য পানি যায়গা দখল করবেই। এবং আমি আপনি যদি একেকজন সমন্বয়ক হতে না পারি, আমাদের অর্জন বিলম্বিত হতেই থাকবে।
আন্দোলন শুরু হয়েছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের দ্বারা। যথেষ্ট যৌক্তিক আন্দোলন তাঁদের জন্য। এই আন্দোলন টা আবু সাঈদসহ ছয় জনের জীবনের বিনিময়ে অন্য সকল ছাত্র-ছাত্রী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ছড়িয়ে যায়। তাই যুক্ত হয় অনেক মানুষ যাদের অনেকেই যথেষ্ট জ্ঞানী নন বা পরিপক্ক নন বা অনেক ক্ষেত্রেই বয়সে অনেক ছোট। কিন্তু বিবেকের তাড়নায় তা আন্দোলন করেছে। এরপর যখন স্বৈরাচার নির্বিচারে এতগুলো মানুষ মারলো তখন স্বৈরাচার ছাড়া সকলেই আন্দোলনে যোগ দিলো। প্রকাশ্যে বা গোপনে। অতএব সব আন্দোলনকারীর চিন্তা একরকম হবে তা বলার কোন সুযোগই নাই। বরং তাঁদের বেশির ভাগই স্বৈরাচারের অত্যারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলো। অতএব তাঁরা অনেক ভুল করতে পারে। শুধু খেয়াল করতে হবে মূল আন্দোনকারীরা এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা বিষয়গুলোকে কীভাবে দেখছেন।
বিএনপি অনেক কিছুই চাইবে। চাইলেই তো আর সব খুলে দিয়ে খুশি করে দেয়া যায়না! তাঁদেরকে তা অর্জন করেই নিতে হবে। এতো বড় রাজনৈতিক ভুলের পর, এতো বড় বিপদ দেখেও যদি তাঁরা শিক্ষা নিতে না পারে, শোধরাতে না পারে, তবে তাঁরা শুধু তাদের সুযোগ হারাবে। এই সুযোগ ক্ষমতা পাওয়ার সুযোগ নয়, এই সুযোগ মানুষের মন জয় করে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর সুযোগ, নিজেদের আধুনিকতায় পৌছানোর সুযোগ।
সাময়িক যে বিশৃঙ্খলা হচ্ছে তা ২-৩ মাসের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে ইনশাআল্লাহ। শুধু একটু শক্তি বাড়ুক, সবদিকেই চোখ কান যাবে ইনশাআল্লাহ।

Address

Dirghavomi, B-PARA
Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dirghavomi Students Association - DSA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share