Shahanshah Hazrat Syed Ziaul Huq Maizbhandari Trust

Shahanshah Hazrat Syed Ziaul Huq Maizbhandari Trust SZHM Trust is non-communal, non-political, non-profitable, Humanitarian and Religious Organization.
(2)

TARIQA-E-MAIZBHANDARIYA
Hazrat Shah Sufi Syed Ahmad Ullah (1826-1906), founder of Tariqa e Maizbhandaria, was a descendant of Prophet Hazrat Muhammad (PBUH). Since his departure in 1906 spiritualism and philosophy (Tasawwuf or Sufi way) has continuously been flourishing among the millions of devotees, which is also frequently interpreted as a tariqa (way of mass people towards Allah SWT) suitable

for all according to their merit and beliefs, which is popularly known as Walayat-e-Motlaqa. For Muslims it will strengthen their iman and for non-Muslims they can find the Nur (Divine light) of Iman rekindled in their heart. The Maizbhandaria tariqa encourages regular prayer of Islam for Muslims, synthesizes various spiritual streams and characteristic of Qadiria tariqa, Malamiah, Chistia and Tariqa-e-Khidhir to compose a composite nature of spiritualism to fit the modern age and practice. It holds the position in favour of religious freedom and give emphasis on the good moral and spiritual conduct over mechanical ritualistic practices. One of the major dawah of this tariqa is an open call to all religions to come in a platform under the common belief in one creator and to consider diversity as normal and a will of Allah (SWT) for the total betterment of the humanity. SZHM TRUST
SZHM Trust wants to act as a catalyst to flourish spiritual enlightenment across the rank and file of the society and polity. Since its inception in January 2016, the Trust has started functioning with a vision to ensure the welfare of the poor destitute persons and orphans and the society in general. To achieve these objectives the Trust is working tirelessly in the field of education, health, training, publication, intellectual and research initiatives, poverty
aliviation and awareness programs.

মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফ দরবার-ই-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী'র গাউসিয়া হক মনজিলের সম্মানিত সাজ্জাদানশীন ও শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জ...
27/05/2026

মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফ দরবার-ই-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী'র গাউসিয়া হক মনজিলের সম্মানিত সাজ্জাদানশীন ও শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট এর মাননীয় ম্যানেজিং ট্রাস্টি মহোদয়ের পক্ষ হতে পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম🌐 ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্যে জিলহজ মাস।⏳ সোনালী অতীতের কুশলী নির্মাতা:🗓️ ৯ জিলহজ: হযরত মুসলিম ইবন...
27/05/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
🌐 ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্যে জিলহজ মাস।
⏳ সোনালী অতীতের কুশলী নির্মাতা:
🗓️ ৯ জিলহজ: হযরত মুসলিম ইবনে আক্বীল (রা.)’র শাহাদাত দিবস।
💠 হযরত মুসলিম ইবন আক্বীল (রা.) ছিলেন আহলে বাইতের এক মহান সদস্য, অসাধারণ সাহসী ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিত্ব এবং কারবালার ঘটনার অন্যতম অগ্রদূত। তিনি হযরত আক্বীল ইবন আবি তালিব (রা.)-এর পুত্র এবং তাই আমীরুল মু’মিনীন হযরত আলী ইবন আবি তালিব (কা.)-এর ভ্রাতুষ্পুত্র ছিলেন। এ দিক থেকে তিনি ইমাম হযরত হুসাইন (রা.)-এর চাচাতো ভাই।
তিনি বনি হাশিমের মধ্যে প্রজ্ঞা, আনুগত্য ও বীরত্বের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়, তিনি হযরত আলী (রা.)-এর সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠেন এবং আহলে বাইতের প্রতি তাঁর আনুগত্য ছিল প্রশ্নাতীত।
৬০ হিজরিতে, যখন ইয়াযিদ ইবন মুয়াবিয়া-এর খেলাফতের বিরুদ্ধে কুফাবাসীদের পক্ষ থেকে ইমাম হযরত হুসাইন (রা.)-কে অসংখ্য পত্র পাঠানো হয় এবং তাঁকে কুফায় আগমনের আহ্বান জানানো হয়, তখন ইমাম হুসাইন (রা.) পরিস্থিতি যাচাইয়ের জন্য তাঁর বিশ্বস্ত প্রতিনিধি হিসেবে মুসলিম ইবন আক্বীল (রা.)-কে কুফায় প্রেরণ করেন।
প্রথমদিকে কুফায় তাঁর আগমন অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়। বহু মানুষ তাঁর হাতে হযরত ইমাম হুসাইন (রা.)-এর পক্ষে আনুগত্যের অঙ্গীকার (বাইআত) করে। কিন্তু পরে কুফার গভর্নর উবাইদুল্লাহ ইবন যিয়াদ কঠোর দমননীতি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে জনমত পরিবর্তন করেন। ফলে মুসলিম ইবন আক্বীল (রা.) ক্রমে একাকী হয়ে পড়েন।
অবশেষে তিনি কুফায় গ্রেফতার হন এবং ৬০ হিজরির ৯ জিলহজ (ইয়াওমে আরাফা)-এ শাহাদাত বরণ করেন। তাঁর শাহাদাত কারবালার মহাবিয়োগান্তক ঘটনার পূর্বসূচনা হিসেবে ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। তাঁর শাহাদাতের সংবাদ পরে হযরত ইমাম হুসাইন (রা.)-এর কাছে পৌঁছে এবং কারবালার ঘটনাপ্রবাহ আরও বেদনাময় পরিণতির দিকে অগ্রসর হয়।
ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক দৃষ্টিতে হযরত মুসলিম ইবন আক্বীল (রা.) বিশ্বস্ততা, আত্মত্যাগ এবং সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে স্মরণীয়।
🟢 তাঁর মাজার ইরাকের কুফা শহরে, ঐতিহাসিক কুফা মসজিদ সংলগ্ন স্থানে।
📓 তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম🌐 ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্যে জিলহজ মাস:⏳ “সোনালী অতীতের কুশলী নির্মাতা”🗓️ ৮ জিলহজ্ব: শাইখ হযরত আহ...
26/05/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
🌐 ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্যে জিলহজ মাস:
⏳ “সোনালী অতীতের কুশলী নির্মাতা”
🗓️ ৮ জিলহজ্ব: শাইখ হযরত আহমদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ ইবনে হাজার আসক্বালানী (রহ.)-এর ওফাত দিবস।
🖊️ শাইখ হযরত আহমদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ, ইবনে হাজার আসক্বালানী নামে পরিচিত ও প্রসিদ্ধ, একজন বিখ্যাত হাদীস বিশারদ, শাফেয়ী মাযহাবের ফকীহ্ এবং মুসলিম ব্যক্তিত্ব। তাঁর রচিত ফতহুল বারী বুখারী শরিফের প্রসিদ্ধতম ব্যাখ্যাগ্রন্থগুলোর অন্যতম।
✅ নাম ও বংশ:
তাঁর আসল নাম হলো শাহাবুদ্দিন আবুল ফাদ্বল আহমদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বীন মুহাম্মাদ বীন আলী বীন মাহমুদ বীন আহমাদ বীন আহমাদ আল কিনানী আল আসক্বালানী আল মিসরী আশ শাফিয়ী। আবুল ফজল হলো তাঁর উপনাম। শিহাবুদ্দীন হলো তার উপাধি। এছাড়া তিনি হাফেজ উপাধিতেও ভূষিত হয়েছেন। তাঁর পরিবার মূলত তিউনিসিয়ার অন্তর্গত কাবেস এলাকার অধিবাসী ছিল। পরবর্তীতে তাঁরা ফিলিস্তিনের অন্তর্গত আসক্বালান নামক এলাকায় বসতি গড়ে। তাঁর পরিবার আসক্বালানের অধিবাসী ছিল বলে তাঁকে আসক্বালানী (আসক্বালান সংশ্লিষ্ট) বলা হয়, যদিও তাঁর জন্ম মিশরে।
✅ জন্ম ও শৈশব:
তিনি ১৩৭২ খ্রিস্টাব্দে (১০ শাবান ৭৭৩ হিজরী) মিশরের কায়রোতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা নুরুদ্দিন আলী ছিলেন একজন কবি এবং শাফেয়ী মাযহাবের ফকীহ্। শৈশবেই পিতা-মাতা উভয়কেই হারান। তাঁর এক মামা তাঁর কুরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করেন। তিনি প্রখর মেধার অধিকারী ছিলেন। শৈশবেই তিনি পুরো কুরআন শরিফ এবং আরো বেশকিছু গ্রন্থ মুখস্থ করে ফেলেন।
✅ ব্যক্তিগত জীবন:
১৩৯৭ খ্রিস্টাব্দে ২৫ বছর বয়সে তিনি বিখ্যাত হাদীস বিশারদ উনস খাতুনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন৷ উনস খাতুন হাফিয আল ইরাকি (রহ.) এর থেকে ইজাযাত পেয়েছিলেন এবং ইমাম আস সাখাভী (রহ.) সহ অন্যান্য ইমামদের সামনে হাদীসের দারস দিতেন।
📗 রচনাবলী:
তাঁর রচিত গ্রন্থাবলীর সংখ্যা দেড় শতাধিক। নিচে তাঁর রচিত গ্রন্থাবলীর একটি তালিকা দেয়া হলো:
• ফাতহুল বারি
• তাগলীক আল-তা'লীক
• তাবাকাতুল মুদাল্লিসিন
• নুখবাতুল ফিকার ফী মুসতালাহি আহলিল-আসার
• নুযহাতুন নাযার ফী শারহি নুখবাতুল ফিকার
• তাহযিবুত তাহযিব
• আল-তালখীস আল-হাবীর
• তা'জীল আল-মানফাআ'ত
• আল-উ'জাব ফী বায়ানি আল-আসবাব
• তাবসীর আল-মুতানাব্বিহ বিতাহরীরি আল-মুশতাবিহ
• আল-আমালী আল-মুতলাক্বাহ
• আল-ইমতা' বি আল-আরবাঈ'না আল-মুতাবায়িনাতি আল-সামা'
• আল-আমালী আল-হালবিয়্যাহ্‌
• নুযহাত আল-আলবাব ফী আল-আলক্বাব
• আল-ঈছার বি মা'রিফাতি রুওয়াতি আল-আছার
• আল-দিরায়াহ্ ফী তাখরীজি আহাদীছি আল-হিদায়াহ্
• লিসানুল মিজান
• আল-ইসাবাহ্ ফী তামায়ীযি আল-সাহাবাহ
• বুলূগ আল-মারাম মিন আদিল্লাতি আল-আহকাম
• তাক্বরীব আল-তাহযীব
• আল-নুকাত আ'লা কিতাবি ইবনে আল-সালাহ্
• নুযহাত আল-সামিঈ'ন ফী রিওয়ায়াতি আল-সাহাবাহ্ আ'ন আল-তাবিঈ'ন
• সিলসিলাতু আল-যাহাব
• আল-ক্বাওল আল-মুসাদ্দাদ ফী আল-যাব্বি আ'ন মুসনাদি আহমাদ
• আল-দুরার আল-কামিনাহ্ ফী আয়া'নি আল-মিআত আল-ছামিনাহ্
• তাসদীদ আল-ক্বাওস মুখতাসারু মুসনাদ আল-ফিরদাউস
🌀 ৮ জিলহজ্ব ৮৫২ হিজরী তিনি ওফাত লাভ করেন।
📓 তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া

26/05/2026
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম🌐 ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্যে জিলহজ মাস।⏳ সোনালী অতীতের কুশলী নির্মাতা:🗓️ ৭ই জিলহজ: হযরত ইমাম মুহা...
25/05/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
🌐 ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্যে জিলহজ মাস।
⏳ সোনালী অতীতের কুশলী নির্মাতা:
🗓️ ৭ই জিলহজ: হযরত ইমাম মুহাম্মদ আল-বাকির (রা.) ওফাত দিবসে তাঁর অতিসংক্ষেপ সুফি জীবনী।
🖊️ নাম ও বংশপরিচয়:
হযরত ইমাম মুহাম্মদ আল-বাকির (রা.) ছিলেন আহলে বাইতের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি ইমাম জয়নুল আবিদিন (রা.)–এর পুত্র এবং হযরত ইমাম হুসাইন (রা.)–এর নাতি। তাঁর মা ছিলেন হযরত ইমাম হাসান (রা.)–এর বংশধর। অর্থাৎ, তিনি পিতৃ ও মাতৃ দুই দিক থেকেই আহলে বাইতের শিরোমণি।
✅ জন্ম: ০১লা রজব ৫৭ হিজরি (৬৭৬ খ্রিস্টাব্দ)–তে মদিনায়।
✅ ওফাত: ৭ই জিলহজ ১১৪ হিজরি (৭৩২ খ্রিস্টাব্দ)–তে।
🖊️ আধ্যাত্মিক পরিচয় ও সুফি দৃষ্টিকোণ:
ইমাম আল-বাকির (রহ.)–এর নাম "বাকির" এসেছে "বাকিরুল উলূম" থেকে, যার অর্থ: জ্ঞান ভেদকারী, গভীর জ্ঞানের খনি। তিনি কেবল বাহ্যিক জ্ঞানের ধারকই ছিলেন না, বরং অন্তর্জ্ঞানের (মা‘রিফাহ) ও অন্তর্দৃষ্টির একজন শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। অনেক সুফি আধ্যাত্মিক শৃঙ্খলার (সিলসিলা) মধ্যে তাঁকে দেখা হয় ঐশী জ্ঞানের ধারক হিসেবে।
🖊️ তাসাউফে তাঁর অবদান ও প্রভাব:
• তিনি বলেন: "প্রকৃত জ্ঞান হল সেই জ্ঞান, যা আল্লাহর নিকট তোমাকে নিয়ে যায়।"
এটি তাসাউফের মূল কথা—‘মা‘রিফাতুল্লাহ’ অর্জনই জ্ঞানের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য।
• তাঁর প্রতিটি শিক্ষা ছিল কুরআন ও সুন্নাহ-ভিত্তিক, কিন্তু তা এমন এক আধ্যাত্মিক গভীরতায় ছিল, যা পরে সুফিরা তাঁদের তরিকায় ধারণ করেছেন।
• সুফিগণ তাঁর ধৈর্য, গোপন ইবাদত, দুনিয়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়া এবং আল্লাহর প্রতি নির্ভরতার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন।
🖊️ তাঁর কথায় আধ্যাত্মিকতা:
তিনি বলেন:
"তিন প্রকারের লোক আছেন: একদল আলেম, একদল শিক্ষানবিশ, আর একদল ছাগল (অন্ধ অনুসারী)। তুমি হয় আলেম হও, নতুবা শিক্ষার্থী হও। ছাগলের মতো হও না।"
— এটি নফ্সের অন্ধ অনুসরণ ত্যাগ করে আত্মসচেতনতার দিকে আহ্বান, যা তাসাউফের মূল সুর।
🖊️ সুফি পরম্পরায় প্রভাব:
• কাদিরিয়া, চিশতিয়া, নকশবন্দিয়া প্রভৃতি সুফি তরিকার অনেক শায়েখ তাঁদের জ্ঞান ও মারেফাতের উৎস হিসেবে ইমাম বাকির (রা.)–এর নাম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
• বলা হয়, তাঁর কাছে বহু গোপন ইলহামি জ্ঞান ছিল, যা তিনি শুধু যোগ্য ছাত্রদের দিতেন—যেমন সুফি ধারায় ‘ইলমে লাদুন্নি’ নামে পরিচিত।
🟢 সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন:
ইমাম আল-বাকির (রা.) ছিলেন এমন এক নূরানী চরিত্র, যিনি শরিয়াহ ও তাসাউফের মাঝে সেতুবন্ধন রচনা করেন। তাঁর জীবনে ছিল জ্ঞানের গভীরতা, দৃষ্টির পবিত্রতা, আর অন্তরের নিরবতা। তিনি বাহ্যিক আমল ও অভ্যন্তরীণ খালিস নিয়তের সমন্বয়ে পথ দেখিয়েছেন।
পবিত্র মদিনাতুল মুনাওয়ারাস্থ জান্নাতুল বাকী শরিফে তাঁর পিতা হযরত ইমাম জয়নুল আবেদিন (রা.) এবং তাঁর পুত্র হযরত ইমাম জাফর আস্ সাদিক (রা.)-এর মাঝখানে তিনি শায়িত আছেন।

✅‘এস জেড এইচ এম ট্রাস্ট’-এর ‘আলোর পথে’র মহিলা মাহফিলে শাহজাদা শেখ সাইফুল্লাহ ফারুকী-📍‘কোরবানি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়,...
24/05/2026

✅‘এস জেড এইচ এম ট্রাস্ট’-এর ‘আলোর পথে’র মহিলা মাহফিলে শাহজাদা শেখ সাইফুল্লাহ ফারুকী-
📍‘কোরবানি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর প্রেম অর্জনের এক আধ্যাত্মিক শিক্ষা’

🌐"এস জেড এইচ এম ট্রাষ্ট" নিয়ন্ত্রনাধীন মহিলাদের আত্মজিজ্ঞাসা ও জ্ঞানানুশীলনমূলক সংগঠন “আলোর পথে”র ব্যবস্থাপনায় মাসিক মহিলা মাহফিল ট্রাস্ট মিলনায়তনে ২৩মে ২০২৬ শনিবার অনুষ্ঠিত হয়। “কোরবানি: আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ ও তাকওয়া অর্জনের পথ” শীর্ষক বিষয়ের উপর আলোচনা করেন বোয়ালখালী চরণদ্বীপ দরবার এর নায়েবে সাজ্জাদানশীন শাহজাদা শেখ সাইফুল্লাহ ফারুকী।
তিনি বলেন, কোরবানি শুধু পশু জবাই করার নাম নয়, এটি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজের নফস, অহংকার , লোভ ও পার্থিব মোহ ত্যাগ করার এক মহান ইবাদত। তাসাওউফের দৃষ্টিতে কোরবানির মূল শিক্ষা হলো আত্মশুদ্ধি (তাজকিয়াতুন নফস) আত্মসমর্পণ এবং তাকওয়া অর্জন। কোরবানীর মাধ্যমে আল্লাহপাক কোরবানীর পশুর বাহ্যিক রক্ত বা গোশত কিছুই চান না; বরং তিনি চান তাকওয়া, ত্যাগ, নিষ্ঠা ও বিশুদ্ধ অন্তর ।
তাসাওউফ শিক্ষা দেয় যে, মানুষ যখন নিজের ইচ্ছাকে আল্লাহর ইচ্ছার কাছে পরিপূর্ণভাবে সমর্পণ করে তখন তার অন্তরে তাকওয়া সৃষ্টি হয় এবং সে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে।
তাই কোরবানি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি আত্মশুদ্ধি, মানবতা ও আল্লাহর প্রেম অর্জনের এক আধ্যাত্মিক শিক্ষা। অনুষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত করেন সিদরাতুল মুনতাহা, নাতে রাসুল (দ.) পরিবেশন করেন উম্মে সায়মা সাদিয়া ও মাইজভাণ্ডারী কালাম পরিবেশন করেন রাজিয়া সুলতানা পপি।
শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন তাসমিয়া তাবাসসুম এবং সঞ্চালনা করেন মাশরেখা সুলতানা মুক্তা ও সৈয়দা তাসনিয়া তাবাসসুম।মিলাদ কিয়ামের পর দেশের কল্যাণ কামনা ও বিশ্বের নিপীড়িত মুসলিমদের জন্য সাহায্য কামনা করে মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে ফরিয়াদ জানানো হয়।

Address

DEW UDAYAN (Level-12), Bus Terminal Connecting Road, (Near To Rupali R/A), Chandgaon
Chittagong
4212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shahanshah Hazrat Syed Ziaul Huq Maizbhandari Trust posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Shahanshah Hazrat Syed Ziaul Huq Maizbhandari Trust:

Share