Gulshan-E-Maizbhandar

Gulshan-E-Maizbhandar Gulshan E Maizbhandar is the main frame page of Islamic Sufism of Bangladesh. May Allah give peace on his heart.

Asssalamualikum The Gulshan E Maizbhandar is the main frame of Islam of Bangladesh through South Asia. H.E Hazrat Syed Ahemd Ullah Maizhbahandari is the main point of Maizbhandar Sharif who spread the light of Islam and Islamic Sufism on Bangladesh through south asia.

ইসলামের ইতিহাসে এবং মানব ইতিহাসের পাতায় ত্যাগের সবচেয়ে বড় এবং অবিস্মরণীয় ঘটনা হলো হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এবং তাঁর পুত্র হযরত...
20/05/2026

ইসলামের ইতিহাসে এবং মানব ইতিহাসের পাতায় ত্যাগের সবচেয়ে বড় এবং অবিস্মরণীয় ঘটনা হলো হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এবং তাঁর পুত্র হযরত ইসমাইল (আঃ)-এর কোরবানির ঐতিহাসিক কাহিনী। আজ আমরা যে ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ পালন করি, তা মূলত এই বাবা-ছেলের অসীম ত্যাগেরই এক জীবন্ত স্মৃতিচারণ।
সেই হৃদয়স্পর্শী সম্পূর্ণ গল্পটি নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো:

✔️✔️ত্যাগের মহত্তম পরীক্ষা: হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ও ইসমাইল (আঃ)-এর কোরবানির গল্প ✔️✔️

১. দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এক টুকরো চাঁদ
হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ছিলেন আল্লাহর এক মহান নবী। দীর্ঘ জীবনের বহু বছর পার হয়ে গেলেও তাঁর কোনো সন্তান ছিল না। তিনি আল্লাহর দরবারে আকুল হয়ে দোয়া করতেন, "হে প্রভু! আমাকে একটি সৎ ও নেককার সন্তান দান করো।" অবশেষে বৃদ্ধ বয়সে আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করলেন। মা হাজেরার কোল আলোকিত করে জন্ম নিল এক পরম সুন্দর ও বাধ্য সন্তান, যার নাম রাখা হলো 'ইসমাইল'। ইসমাইলকে পেয়ে ইব্রাহিম (আঃ)-এর মরুভূমির জীবনে যেন আনন্দের জোয়ার এল।
২. স্বপ্নের সেই কঠিন নির্দেশ
দেখতে দেখতে ইসমাইল (আঃ) বড় হতে লাগলেন। যখন তাঁর বয়স মাত্র তেরো বছর—যে বয়সে একটি সন্তান পিতার হাঁটাচলা ও কাজের প্রধান সঙ্গী হয়, ঠিক তখনই নেমে এল আল্লাহর পক্ষ থেকে এক কঠিন পরীক্ষা।
জিলহজ মাসের ৮ তারিখ রাতে হযরত ইব্রাহিম (আঃ) স্বপ্নে দেখলেন, মহান আল্লাহ তাঁকে তাঁর সবচেয়ে প্রিয় বস্তু কোরবানি করার নির্দেশ দিচ্ছেন। তিনি ভাবলেন, তাঁর কাছে সবচেয়ে প্রিয় তো তাঁর উটগুলো। পরদিন তিনি ১০০টি উট আল্লাহর নামে কোরবানি করে দিলেন। কিন্তু ৯ তারিখ রাতে তিনি আবারও একই স্বপ্ন দেখলেন। এবার তিনি বুঝতে পারলেন, দুনিয়াতে তাঁর কলিজার টুকরা সন্তান ইসমাইলের চেয়ে প্রিয় আর কোনো বস্তু নেই। আল্লাহ আসলে তাঁর আদরের সন্তানকেই কুরবানি হিসেবে চাচ্ছেন।
৩. পিতা ও পুত্রের ঐতিহাসিক কথোপকথন
১০ জিলহজ সকালে হযরত ইব্রাহিম (আঃ) মিনা প্রান্তরের দিকে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলেন। তবে তিনি ছেলেকে জোর করে নিয়ে যেতে চাইলেন না, বরং তিনি দেখতে চাইলেন আল্লাহর নির্দেশের প্রতি ছেলের মনোভাব কেমন। তিনি ইসমাইল (আঃ) কে ডেকে অত্যন্ত নরম সুরে বললেন:
"হে আমার প্রিয় বৎস! আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, আমি তোমাকে নিজ হাতে জবেহ (কোরবানি) করছি। এখন এ বিষয়ে তোমার রায় কী, তা আমাকে বলো?"
পিতার মুখে এই ভয়ংকর স্বপ্নের কথা শুনে তেরো বছরের কিশোর ইসমাইল (আঃ) একটুও ভয় পেলেন না, কিংবা জীবন বাঁচানোর কোনো আকুতি করলেন না। বরং তিনি এক ঐতিহাসিক ও অবিস্মরণীয় উত্তর দিলেন। তিনি বললেন:
"আব্বাজান! আপনাকে আল্লাহ তাআলা যে আদেশ করেছেন, আপনি ঠিক তা-ই করুন। ইনশাআল্লাহ, আপনি আমাকে ধৈর্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত পাবেন।"
৪. শয়তানের চক্রান্ত ও মিনার পথে যাত্রা
পিতা ও পুত্র যখন আল্লাহর নির্দেশ পালনের জন্য মিনা প্রান্তরের দিকে রওনা হলেন, তখন ইবলিস শয়তান চরম হিংসায় মেতে উঠল। সে ভাবল, এই কোরবানি যদি সফল হয়ে যায়, তবে ইব্রাহিম ও ইসমাইল আল্লাহর কাছে অমর হয়ে যাবেন।
শয়তান প্রথমে মা হাজেরার কাছে গিয়ে ফুসলাতে লাগল, "তুমি কেমন মা? তোমার স্বামী তোমার একমাত্র সন্তানকে জবাই করতে নিয়ে যাচ্ছে!" মা হাজেরা উত্তর দিলেন, "যদি এটি আমার রবের নির্দেশ হয়ে থাকে, তবে আমার জান-মাল সবকিছুই তাঁর জন্য উৎসর্গ।"
এরপর শয়তান ইব্রাহিম (আঃ) এবং ইসমাইল (আঃ) কে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করল। ইসমাইল (আঃ) রাগান্বিত হয়ে মাটি থেকে পাথর তুলে শয়তানকে লক্ষ্য করে ছুড়ে মারলেন। (আজও হজের সময় হাজিরা যে জামারাত বা শয়তানকে পাথর মারেন, তা ইসমাইল (আঃ)-এর সেই ঘটনারই সুন্নাহ)। চক্রান্তে ব্যর্থ হয়ে শয়তান অপমানিত হয়ে পালিয়ে গেল।
۵. ছুরির নিচে জবেহ ও অলৌকিক মহিমা
অবশেষে মিনার এক নির্জন স্থানে বাবা ও ছেলে এসে দাঁড়ালেন। ইসমাইল (আঃ) পিতাকে বললেন, "আব্বাজান! আপনি আমার হাত-পা ভালো করে বেঁধে নিন, যেন ব্যথার চোটে আমি নড়াচড়া না করি। আর আপনার চোখ দুটি কাপড় দিয়ে বেঁধে নিন, যেন ছেলের ছটফটানি দেখে পিতা হিসেবে আপনার হাত কেঁপে না ওঠে এবং আল্লাহর নির্দেশ পালনে কোনো কমতি না হয়।"
হযরত ইব্রাহিম (আঃ) নিজের চোখ কাপড় দিয়ে শক্ত করে বাঁধলেন। পরম আদরের সন্তানকে মাটিতে শুইয়ে দিয়ে তাঁর গলায় ধারালো ছুরি চালালেন। আনুগত্য আর ভালোবাসার এক চরম মুহূর্ত!
কিন্তু মহান আল্লাহর ইচ্ছা ছিল অন্য কিছু। তিনি ইব্রাহিম (আঃ) এর কোরবানি করার মানসিকতা ও ইখলাস দেখতে চেয়েছিলেন, ইসমাইলের রক্ত নয়। জিবরাইল (আঃ) এর মাধ্যমে আল্লাহ জান্নাত থেকে একটি হৃষ্টপুষ্ট দুম্বা পাঠিয়ে দিলেন এবং ইসমাইলকে সরিয়ে সেই জায়গায় দুম্বাটি রেখে দিলেন।
৬. চোখ খুলে বিস্ময়
কোরবানি শেষ করে হযরত ইব্রাহিম (আঃ) যখন চোখের কাপড় খুললেন, তখন তিনি বিস্ময়ে স্তব্ধ হয়ে গেলেন! তিনি দেখলেন, তাঁর চোখের সামনে অলৌকিকভাবে একটি দুম্বা জবেহ হয়ে পড়ে আছে, আর তাঁর অক্ষত, প্রাণপ্রিয় সন্তান ইসমাইল পাশে দাঁড়িয়ে মুচকি হাসছেন!
আসমান থেকে আওয়াজ এল, "হে ইব্রাহিম! তুমি তোমার স্বপ্নকে সত্য করে দেখিয়েছ। আমি আমার নেককার বান্দাদের এভাবেই পুরস্কৃত করে থাকি।"
গল্পের অমূল্য শিক্ষা:
চূড়ান্ত আনুগত্য: আল্লাহর যেকোনো নির্দেশের সামনে নিজের যৌক্তিকতা বা আবেগ বিসর্জন দিয়ে পূর্ণ আত্মসমর্পণ করাই হলো প্রকৃত ইমান।
ধৈর্য ও ইখলাস: বাবা ও ছেলের এই আত্মত্যাগ আমাদের শেখায় যে, কোরবানি মানে পশুর রক্ত বা গোশত নয়, বরং আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও তাকওয়াই আল্লাহর দরবারে পৌঁছায়।
কোরবানির মূল চেতনা: প্রতি বছর পশু কোরবানির মাধ্যমে মুমিন বান্দারা মূলত এই শপথই নেন যে, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তারা তাদের জীবনের যেকোনো প্রিয় বস্তু এবং নিজেদের ভেতরের পশুবৃত্তিকে কোরবানি দিতে প্রস্তুত।

সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে।

একদিন আমাদের প্রিয় নবী ﷺ মসজিদে বসে ছিলেন। তখন তাঁর কন্যা, সম্মানিতা ফাতিমা যাহরা (রাযি.) কাঁদতে কাঁদতে তাঁর কাছে এলেন।...
24/04/2026

একদিন আমাদের প্রিয় নবী ﷺ মসজিদে বসে ছিলেন। তখন তাঁর কন্যা, সম্মানিতা ফাতিমা যাহরা (রাযি.) কাঁদতে কাঁদতে তাঁর কাছে এলেন। নবী ﷺ জিজ্ঞাসা করলেন:
«مَا يُبْكِيكِ يَا فَاطِمَةُ؟»
(“হে ফাতিমা! তোমাকে কাঁদাচ্ছে কী?”)
তিনি বললেন:
“হে আল্লাহর রাসূল! হাসান ও হুসাইন সকাল থেকে বের হয়েছে, এখনো পর্যন্ত তাদের কোনো খবর জানি না।”
তখন নবী ﷺ বললেন:
«يَا فَاطِمَةُ، إِنَّ الَّذِي خَلَقَهُمَا هُوَ أَرْحَمُ بِهِمَا مِنِّي وَمِنْكِ»
(“হে ফাতিমা! যিনি তাদের সৃষ্টি করেছেন, তিনি তাদের প্রতি আমার ও তোমার থেকেও বেশি দয়ালু।”)
এরপর তিনি আকাশের দিকে হাত তুলে দোয়া করলেন:
«اللَّهُمَّ احْفَظِ الْحَسَنَ وَالْحُسَيْنَ فِي الْبَرِّ أَوْ فِي الْبَحْرِ»
(“হে আল্লাহ! হাসান ও হুসাইনকে রক্ষা করুন, তারা স্থলে থাকুক বা সমুদ্রে থাকুক।”)
এরপর জিবরাইল (আ.) নাযিল হলেন এবং বললেন:
“আল্লাহ আপনাকে সালাম জানাচ্ছেন এবং বিশেষ সম্মান ও অভিবাদন দিচ্ছেন। তিনি জানাচ্ছেন—হাসান ও হুসাইন বনু নাজ্জারের এক বাগানে ঘুমিয়ে আছে, আর আল্লাহ তাদের পাহারার জন্য একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করেছেন।”
তখন রাসূল ﷺ তাঁর কিছু সাহাবীকে নিয়ে সেই বাগানে গেলেন। সেখানে গিয়ে দেখলেন, হাসান ও হুসাইন ঘুমিয়ে আছে। আর সেই ফেরেশতা একটি ডানা তাদের নিচে বিছিয়ে দিয়েছে এবং আরেকটি ডানা দিয়ে তাদের রোদ থেকে ছায়া দিচ্ছে।
নবী ﷺ তাদের দু’জনকে নিজের কাঁধে তুলে নিলেন। তখন আবু বকর (রাযি.) বললেন:
“হে আল্লাহর রাসূল! তাদের একজনকে আমাকে বহন করতে দিন।”
তখন নবী ﷺ বললেন:
«لَا يَا أَبَا بَكْرٍ، فَنِعْمَ الرَّاكِبَانِ هُمَا»
(“না, হে আবু বকর! তারা কতই না উত্তম আরোহী!”)
এরপর নবী ﷺ তাদের নিয়ে মসজিদে ফিরে এলেন এবং সাহাবীদের বললেন বসতে। সবাই বসে গেলে তিনি বললেন:
“হে মানুষ! আমি কি তোমাদেরকে সেই দু’জন সম্পর্কে জানাব, যাদের পিতা-মাতা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ?”
সাহাবীরা বললেন: “জি হে আল্লাহর রাসূল!”
তিনি বললেন:
“হাসান ও হুসাইন—তাদের পিতা হলেন আলী ইবন আবি তালিব, যিনি সমগ্র আরবের নেতা; আর তাদের মাতা হলেন ফাতিমা যাহরা, যিনি বিশ্ব নারীদের সেরা।”
তারপর তিনি বললেন:
“আমি কি তোমাদেরকে তাদের মামা ও খালা সম্পর্কে জানাব, যারা শ্রেষ্ঠ?”
সাহাবীরা বললেন: “জি!”
তিনি বললেন:
“তাদের মামা হলেন কাসিম (রাসূল ﷺ-এর পুত্র), আর খালা হলেন যায়নাব (রাসূল ﷺ-এর কন্যা)।”
এরপর তিনি বললেন:
“আমি কি তোমাদেরকে তাদের চাচা ও ফুফু সম্পর্কে জানাব?”
সাহাবীরা বললেন: “জি!”
তিনি বললেন:
“তাদের চাচা হলেন জাফর তায়্যার, যিনি জান্নাতে; আর তাদের ফুফু হলেন উম্মে হানী, যিনি রাসূল ﷺ-এর লালনকারী।”
তারপর তিনি বললেন:
“আমি কি তোমাদেরকে তাদের নানা-নানী সম্পর্কে জানাব?”
সাহাবীরা বললেন: “জি!”
তিনি বললেন:
“তাদের নানা হলেন মুহাম্মাদ ﷺ—সমস্ত সৃষ্টির নেতা; আর তাদের নানী হলেন খাদিজা (রাযি.), যিনি জান্নাতের নারীদের নেত্রী।”
এরপর নবী ﷺ হাত তুলে দোয়া করলেন:
«اللَّهُمَّ إِنِّي أُحِبُّهُمَا، اللَّهُمَّ أَحِبَّ مَنْ يُحِبُّهُمَا»
(“হে আল্লাহ! আমি তাদেরকে ভালোবাসি, আপনি তাদেরকে ভালোবাসুন এবং যারা তাদেরকে ভালোবাসে তাদেরকেও ভালোবাসুন।”)
এরপর বলা হয়েছে:
«اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلِّمْ أَجْمَعِينَ»
(“হে আল্লাহ! আমাদের সর্দার মুহাম্মাদ ﷺ এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবীদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।”)
এবং:
«أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ»
(“জেনে রাখ, আল্লাহর স্মরণেই অন্তর প্রশান্ত হয়।”)

ঈদের দিন মুরব্বি—বড়দের কদম চুম্বন করার সম্পূর্ণ দলিল।              "কদম বুসি’র বিধান"✍️ আল্লামা মুফতি আবু নাছের জিলানী ​...
23/03/2026

ঈদের দিন মুরব্বি—বড়দের কদম চুম্বন করার সম্পূর্ণ দলিল।

"কদম বুসি’র বিধান"
✍️ আল্লামা মুফতি আবু নাছের জিলানী

​আবহমান কাল থেকে মুসলমানদের নিকটে এই রীতি চালু রয়েছে যে, সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের কদম বুসি করা। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, এই কদম বুসি (পায়ে হাত দিয়ে সালাম করা বা পদচুম্বন) করলে অনেককেই লাফিয়ে উঠে শিরকের ফতোয়া প্রদান আর বলে- বাবা তুমি আমাকেও গুনাহগার বানাইওনা, নিজেকেও গুনাহগার বানাইওনা। হায়! আফসোস, তিনি নিজেও সুন্নাত আমল করল না, অন্য মুসলমান ভাইকেও সুন্নাত আমল করতে বাধা দিল। মূলতঃ এর বিরোধিতা ঐ সব ব্যক্তিরা করে থাকে, যাদের কাছে কুরআন, হাদিস ও ফেকাহ-

ফতোয়ার জ্ঞান নাই অথবা থাকলেও বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করে থাকে।

​ইজ্জতদার ও সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের আলাদা ইজ্জত ও সম্মানের মানদন্ড হল- কদম বুসি ও হাত বুসি। মহান রাব্বুল আলামীনের আলীশান ঘোষণা- وَلِلَّهِ الْعِزَّةُ وَلِرَسُولِهِ وَلِلْمُؤْمِنِينَ "ইজ্জত আল্লাহর জন্য, তাঁর রাসূলের জন্য এবং মুমিনদের জন্য।" তাই মুসলিম সমাজে যারা অজ্ঞতার হেতু সে সুন্নাত পরিত্যাগ করে অগণিত সওয়াব ও নেকী হতে বঞ্চিত হচ্ছে তাদেরকে সঠিক দিক নির্দেশনার জন্য সংক্ষিপ্ত পরিসরে হাদিস শরীফের মূল এবারত সূত্রসহ বর্ণনা করার চেষ্টা করছি।
​حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ نا عَبْدُ اللهِ بْنِ ادْرِيْسَ وَ أَبُو أُسَامَةَ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَمْرُو بْنِ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَلَمَةَ

عَنْ صَفْوَانَ عَنْ عَسَّالٍ قَالَ قَالَ يَهُودِيٌّ لِصَاحِبِهِ اذْهَبْ بِنَا إِلَى هَذَا النَّبِيِّ فَقَالَ صَاحِبُهُ لَا تَقُلْ نَبِيٌّ أَنَّهُ لَوْ سَمِعَكَ كَانَ لَهُ أَرْبَعَةُ أَعْيُنٍ فَأَتَيَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَأَلَاهُ عَنْ تِسْعِ آيَاتٍ بَيِّنَاتٍ فَقَالَ لَهُمْ لَا تُشْرِكُوا بِاللَّهِ شَيْئًا وَلَا تَسْرِقُوا وَ لَا تَزْنُوا وَ لَا تَقْتُلُوا النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللهُ إِلَّا بِالْحَقِّ وَلَا تَمْشُوا بِبَرِيئٍ إِلَى ذِي سُلْطَانٍ لِيَقْتُلَهُ وَ لَا تَسْحَرُوا وَ لَا تَأْكُلُوا الرِّبوا وَ لَا تَقْذِفُوا مُحْصَنَةً وَ لَا تُوَلُّوا الْفِرَارَ يَوْمَ الزَّحْفِ وَ عَلَيْكُمْ خَاصَّةً الْيَهُودَ أَنْ لَا تَعْتَدُوا فِي السَّبْتِ قَالَ فَقَبَّلُوا يَدَيْهِ وَ رِجْلَيْهِ وَ قَالُوا نَشْهَدُ أَنَّكَ نَبِيٌّ قَالَ فَمَا يَمْنَعُكُمْ أَنْ تَتَّبِعُونِي قَالَ قَالُوا إِنَّ دَاوُدَ دَعَا رَبَّهُ أَنْ لَا يَزَالَ مِنْ ذُرِّيَّتِهِ نَبِيٌّ وَ إِنَّا نَخَافُ أَنْ تَبَعْنَاكَ أَنْ تَقْتُلَنَا الْيَهُودُ

হযরত সাফওয়ান বিন আসসাল (رَضِيَ اللهُ عَنْهُ) বর্ণনা করেন। একজন ইহুদি তার সাথীকে বললেন, আমাকে এ নবীর নিকট নিয়ে চল। বন্ধুদের সব সাথী তাকে বললেন, তুমি তাঁকে নবী বলো না কারণ সে যদি শুনে তুমি তাঁকে নবী বলেছ তবে তিনি খুশি হয়ে যাবেন (রাসূলে খোদার চারটি চোখ বিদ্যমান)। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর দরবারে আসলেন এবং ৯ টি নিদর্শন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তার উত্তরে রাসূল (সঃ) বললেন ১. তোমরা আল্লাহর ইবাদতের সাথে কাউকে শরীক করো না। ২. চুরি করো না। ৩. যিনা করো না। ৪. হত্যা করো না ঐ ব্যক্তিকে যাকে আল্লাহ পাক হারাম করেছেন ন্যায় বিচারের ব্যতিত, নিরপরাধ ব্যক্তিকে হত্যা করার জন্য কোন শাসকের কাছে নিয়ে যেও না। ৫. যাদু করো না। ৬. সুদ খেয়ো না। ৭. সতী সাধ্বী নারীকে যিনা অপবাদ দিও না। ৮. যুদ্ধের

ময়দান হতে পলায়ন করো না। ৯. বিশেষ করে তোমরা ইহুদিরা শনিবার দিন সীমা অতিক্রম করো না। বর্ণনাকারী বলেন- হুজুর (সঃ) এর উত্তর শুনে ঐ দুই জন তাঁর হাত ও দুপায়ে চুম্বন করলেন এবং বললেন-নিশ্চয় আপনি নবী। হুজুর (সঃ) যখন তাদেরকে বললেন কি কারণে তোমরা আমাকে অনুসরণ করো না। উত্তরে তারা বলল, হযরত দাউদ (আঃ) তাঁর প্রভুর কাছে দোয়া করেছিলেন যাতে তাঁর বংশ হতে নবীর ধারা অবিচ্ছিন্ন থাকে। নিশ্চয় আমরা ভয় করি। আমরা আপনাকে মান্য করি, এ খবর আমাদের জাতি ইহুদিদের কাছে গেলে সাথে সাথে তারা আমাদেরকে হত্যা করবে। (তিরমিযি শরীফ, ২য় খন্ড, ১০২ পৃষ্ঠা مَا جَاءَ فِي قُبْلَةِ الْيَدِ وَالرَّجُلِ অধ্যায়।)

وَفِي الْبَابِ عَنْ يَزِيْدِ بْنِ الْأَسْوَدِ وَابْنِ عُمَرَ وَ كَعْبِ بْنِ مَالِكِ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيْحٌ
​ইমাম তিরমীযি (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ) বলেন, হযরত সাফওয়ান ইবনে আসসাল এর মতো হযরত ইয়াজিদ ইবনে আসওয়াদ, ইবনে উমর এবং কাব বিন মালিক (رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا) হতেও হাত পা চুম্বন করার হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বর্ণিত হাদিসটি সনদের দিক দিয়ে হাসান, সহীহ অর্থাৎ হাদিসটির ২ টি সনদ বিদ্যমান। একটি সনদে হাসান আর অন্য সনদে সহীহ।
​حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنِ ادْرِيْسَ وَ غُنْدَرُ وَ أَبُو سَلَمَةَ عَنْ شُعْبَةَ وَ عَمْرُو بْنِ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَلَمَةَ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَسَّالٍ اَنَّ قَوْمًا مِنَ الْيَهُودِ قَبَّلُوْا يَدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَ رِجْلَيْهِ

হযরত সাফওয়ান ইবনে আসসাল (رَضِيَ اللهُ عَنْهُ) হতে বর্ণিত নিশ্চয় ইহুদিদের একটি দল রাসূল (ﷺ) এর হাত ও পা মোবারক চুম্বন করেছেন।
​(ইবনে মাজাহ- ২৬৩ পৃঃ الرَّجُلُ تُقَبَّلُ يَدَا الرَّجُلِ অধ্যায়)।
​হাত ও পায়ে চুম্বন করা জায়েজ তা প্রমাণ হল। হ্যা, এক্ষেত্রে প্রশ্ন করা যায়- যারা চুম্বন করেছে তারা ইহুদি ছিল। মুসলমানেরা করে নাই। এর উত্তর দেখি হাদিস শরীফে আছে কি না?
​حدثنا ابو بكر بن ابي شَيْبَةَ ثنا محمد بن فُضَيْلٍ ثنا يَزِيدُ بن ابي زيادٍ عن عبد الرحمان بن ابي ليلى عن ابن عُمَرَ رضي الله عنهما قَالَ قَبَّلْنَا يَدَا النَّبِيِّ ﷺ)

​হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا) হতে বর্ণিত-তিনি বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ) এর পবিত্র হাত মোবারক চুম্বন করলাম। (ইবনে মাজা ২৬৩ পৃঃ الرَّجُلُ تُقَبَّلُ يَدَا الرَّجُلِ অধ্যায়) অপর আরেকটি হাদীস শরীফ লক্ষ্য করুন-
​حدثنا عبد الله بن محمد قال حدثنا ابن عيينه عن ابن جدعان قال ثابت لانس رضى الله تعالى عنه امسست النبي صلى الله عليه وسلم بيدك ؟ قال نعم فقبلها
​হযরত জদআন (رضي الله عنهم) বলেন, হযরত সাবিত হযরত আনাস (رضي الله عنهم)-কে বললেন, আপনি কি নবী করিম (ﷺ) কে হাত দ্বারা স্পর্শ করেছেন? উত্তরে তিনি বললেন হ্যাঁ, তখন তিনি তাঁর হাতকে চুম্বন করলেন। (ইমাম বুখারী (رَحْمَةُ اللهُ عَلَيْهِ)

​تَقْبِيْلُ الْيَدِ কর্তৃক প্রণিত আদাবুল মুফরাদ (অধ্যায়
​আবু দাউদ শরীফের ৭০৯ পৃষ্ঠায় একটি অধ্যায় আছে তা হলো قُبْلَةُ الرَّجُلِ তথা পা চুম্বনের অধ্যায়। তথায় রয়েছে-

​حدثنا محمد بن عيسى نا مطر بن عبد الرحمان الاعنق حدثنى ام ابان لما بنت الوازع عن زارع عن جدها زارع وكان فى وفد عبد القيس قال قَدِمْنَا المَدِيْنَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ رَسُولِ اللهِ ﷺ وَرِجْلَيْهِ الخ

​হযরত উম্মে আবান বিন ওয়াজে বিন জারে (رضي الله عنه) হতে বর্ণিত তার দাদা জারে বর্ণনা করেন

তিনি আবদুল কায়স প্রতিনিধি দলের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন (যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আশজ) যখন আমরা মদিনা শরীফে পৌঁছলাম তখন তাড়াহুড়া করে আমাদের বাহন হতে নেমে রাসূল (ﷺ) এর হাত ও পা মোবারক চুম্বন করলাম।

​এ হাদিসের ব্যাখ্যায় শায়খে মুহাক্কিক আবদুল হক মুহাদ্দিস দেহলভী (রَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ) বলেন- وَفِي هَذَا الْحَدِيثِ دَلِيْلٌ عَلَى جَوَازِ تَقْبِيْلِ الْأَرْجُلِ অর্থাৎ এ হাদিস হলো দলিল যা দ্বারা পা চুম্বন করা জায়েজ।

​ইমাম বুখারী (রَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ) এর আরেক বিখ্যাত হাদিসের কিতাব হলো আল-আদাবুল মুফরাদ। এর একটি অধ্যায়ের নাম হলো تَقْبِيْلُ الرَّجُلِ অর্থাৎ পা চুম্বনের অধ্যায় তথায় আছে-

حدثنا مُوسَى بن إسماعيل قال حدثنا مطر بن عبد الرحمان الاعنق قال حدثني امرأة من صباح عبد القيس يقال لها ام ابان ابنة الوازع عن جدها ان جدها الوازع بن عامر قَالَ قَدِمْنَا فَقِيلَ ذَاكَ رَسُولُ اللهِ ﷺ فَأَخَذْنَا بِيَدَيْهِ وَرِجْلَيْهِ نُقَبِّلُهَا
​হযরত ওয়াজে ইবনে আমের (رضي الله عنه) হতে বর্ণিত তিনি বলেন- আমরা রাসূল (ﷺ) এর দরবারে আসলাম। কেউ একজন বলল ইনিই আল্লাহর রাসূল (ﷺ), তখন আমরা রাসূল (ﷺ) এর পবিত্র হাত ও পা ধরে চুম্বন করলাম।

হয়তবা প্রশ্ন করা যেতে পারে রাসূল (ﷺ) কে শুধু চুম্বন দিয়েছে। তাই অন্যদের বেলায় নয়। এই দ্বন্দ্ব নিরসনে আরেকটি হাদিস আদাবুল মুফরাদ এর تَقْبِيْلُ الرَّجُلِ এ পাওয়া যায়। আর তা নিম্নরূপ-

​حدثنا عبد الرحمان بن المبارك قال حدثنا سفيان بن حبيب قال حدثنا شعبة قال حدثنا عمرو عن ذكوان عن صهيب قال رَأَيْتُ عَلِيًّا يُقَبِّلُ يَدَا الْعَبَّاسِ وَرِجْلَيْهِ
​হযরত সোহাইব বলেন- আমি হযরত আলীকে হযরত আব্বাস (رَضِيَ اللهُ عَنْهُمْ) এর হাত ও পা চুমু দিতে দেখেছি। সুতরাং বর্ণিত হাদিস শরীফ দ্বারা এই কথায় প্রমাণিত হয় সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের হাত পা চুম্বন করা শরিয়ত সম্মত।

এবার ইমাম বুখারী (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ) কে ইমাম মুসলিম (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ) কিভাবে সম্মান জানিয়েছেন তা দেখি।
​روى الحاكم ابو عبد الله في تاريخ نيسابور باسناده عن احمد بن حمدون قَالَ جَاءَ مُسْلِمُ ابْنُ الْحَجَّاجِ إِلَى الْبُخَارِيِّ فَقَبَّلَ بَيْنَ عَيْنَيْهِ وَقَالَ دَعْنِي أُقَبِّلْ رِجْلَيْكَ يَا أُسْتَاذَ الْأُسْتَاذِينَ وَسَيِّدَ الْمُحَدِّثِينَ وَطَبِيْبَ الْحَدِيْثِ فِي عِلَلِهِ
​হযরত হাকেম আবু আবদুল্লাহ স্বীয় সনদে নিশাপুরের ইতিহাসে আহমদ ইবনে হামদুন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন মুসলিম শরীফের গ্রন্থকার হাদিসের উজ্জ্বল নক্ষত্র ইমাম মুসলিম (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ) ইমামুল হাদিস ফিদদুনিয়া ইমাম বুখারী

এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে তাঁর কপালে চুম্বন দিয়ে বললেন হে শিক্ষা গুরুদের গুরু, হে মুহাদ্দিসগণের ইমাম, হে ইলমে হাদিসের রোগ নিরাময়কারী আপনি আমাকে ছাড়ুন (সুযোগ দিন), আমি আপনার পায়ে চুম্বন করি। (বুখারী শরীফের ভূমিকা, পৃঃ ১ লাইন ২৩ ও ২৪)।

​কদম বুসি তথা পায়ে ধরে সালাম বা চুম্বন দেয়াকে শিরকের ফতোয়া প্রদানকারী দেওবন্দী আলেমদের পেশওয়া রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী এর নিকট এভাবে প্রশ্ন করা হলো-
​سوال - کسی شخص کی تعظیم کو کھڑا ہو جانا اور پاوں پکڑنا اور چومنا تعظیما درست ہے یا نہیں؟ بلج
​جواب - تعظیم دیندار کو کھڑا ہونا درست ہے اور پاوں چومنا ایسے شخص کا بھی درست ہے حدیث سے ثابت ہے فقط

প্রশ্ন- কোন ব্যক্তির সম্মানে দাঁড়িয়ে যাওয়া, পা স্পর্শ করা ও তাজীম করে চুম্বন দেয়া জায়েজ কি না?

​উত্তর- দীনদারদের সম্মানার্থে দাঁড়ানো জায়েজ এবং এমন ব্যক্তির পা চুম্বন করা ও জায়েজ। হাদিস শরীফ দ্বারা তা প্রমাণিত। (ফতোয়ায়ে রশিদিয়া ৫৪৫ পৃঃ)

​বর্ণিত হাদিসে পাক, ইমাম বুখারী, ইমাম মুসলিম এবং বিরোধী পক্ষের ফতোয়ার মাধ্যমে প্রমাণিত হলো কদম বুসি করা সুন্নাত।

​আল্লাহ মাফ করুক। তা যদি শিরক হয় তবে আল্লাহ পাক- যে রাসূল (ﷺ) কে শিরক নিশ্চিহ্ন করতে পাঠালেন উল্টো তিনি কি করে এই শিরক কাজকে অনুমোদন দিলেন? বিবেচনা করুন...

আপনার পিরকের ফতোয়া কি রাসূল (ﷺ) এর শান-মানে আঘাত হানে নাই?

​ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِمْ) উভয় হযরাত কি শিরকের মাসআলা বুঝেন নাই? তদুপরি আপন দলের বুজুর্গের ক্ষেত্রে আপন ফতোয়া কোন পর্যায়ে গেল?

​মোদ্দা কথা হলো- আপনার মন যদি না চায়, তবে করবেন না। কিন্তু অপর জনকে এই নেক আমল হতে বিরত রাখবেন না কিংবা রাখার চেষ্টাও করবেন না।

​আল্লাহ আমাদেরকে সম্মানিত ব্যক্তিদেরকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করার তাওফিক দান করুন। আমিন! সুম্মা আমিন, বেহরমতে সাইয়্যিদিল মুরসালিন।

Tar

10/02/2026
প্রিয় ফটিকছড়িবাসী আপনারা বারবার প্রতিক দেখে ভোট দিয়ে প্রতারিত হয়েছেন এবার আর প্রতিক দেখে নয় ব্যক্তি দেখে ভোট দিন।শাহজাদা...
10/02/2026

প্রিয় ফটিকছড়িবাসী আপনারা বারবার প্রতিক দেখে ভোট দিয়ে প্রতারিত হয়েছেন এবার আর প্রতিক দেখে নয় ব্যক্তি দেখে ভোট দিন।

শাহজাদা ড. সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভান্ডারী
চেয়ারম্যান : বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বি.এস.পি)
একতারা মার্কা।

Address

Mazbhandar Darbar Sharif, P/O Maizbhandar, Fatickchari
Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gulshan-E-Maizbhandar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Gulshan-E-Maizbhandar:

Share