23/03/2026
ঈদের দিন মুরব্বি—বড়দের কদম চুম্বন করার সম্পূর্ণ দলিল।
"কদম বুসি’র বিধান"
✍️ আল্লামা মুফতি আবু নাছের জিলানী
আবহমান কাল থেকে মুসলমানদের নিকটে এই রীতি চালু রয়েছে যে, সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের কদম বুসি করা। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, এই কদম বুসি (পায়ে হাত দিয়ে সালাম করা বা পদচুম্বন) করলে অনেককেই লাফিয়ে উঠে শিরকের ফতোয়া প্রদান আর বলে- বাবা তুমি আমাকেও গুনাহগার বানাইওনা, নিজেকেও গুনাহগার বানাইওনা। হায়! আফসোস, তিনি নিজেও সুন্নাত আমল করল না, অন্য মুসলমান ভাইকেও সুন্নাত আমল করতে বাধা দিল। মূলতঃ এর বিরোধিতা ঐ সব ব্যক্তিরা করে থাকে, যাদের কাছে কুরআন, হাদিস ও ফেকাহ-
ফতোয়ার জ্ঞান নাই অথবা থাকলেও বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করে থাকে।
ইজ্জতদার ও সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের আলাদা ইজ্জত ও সম্মানের মানদন্ড হল- কদম বুসি ও হাত বুসি। মহান রাব্বুল আলামীনের আলীশান ঘোষণা- وَلِلَّهِ الْعِزَّةُ وَلِرَسُولِهِ وَلِلْمُؤْمِنِينَ "ইজ্জত আল্লাহর জন্য, তাঁর রাসূলের জন্য এবং মুমিনদের জন্য।" তাই মুসলিম সমাজে যারা অজ্ঞতার হেতু সে সুন্নাত পরিত্যাগ করে অগণিত সওয়াব ও নেকী হতে বঞ্চিত হচ্ছে তাদেরকে সঠিক দিক নির্দেশনার জন্য সংক্ষিপ্ত পরিসরে হাদিস শরীফের মূল এবারত সূত্রসহ বর্ণনা করার চেষ্টা করছি।
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ نا عَبْدُ اللهِ بْنِ ادْرِيْسَ وَ أَبُو أُسَامَةَ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَمْرُو بْنِ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَلَمَةَ
عَنْ صَفْوَانَ عَنْ عَسَّالٍ قَالَ قَالَ يَهُودِيٌّ لِصَاحِبِهِ اذْهَبْ بِنَا إِلَى هَذَا النَّبِيِّ فَقَالَ صَاحِبُهُ لَا تَقُلْ نَبِيٌّ أَنَّهُ لَوْ سَمِعَكَ كَانَ لَهُ أَرْبَعَةُ أَعْيُنٍ فَأَتَيَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَأَلَاهُ عَنْ تِسْعِ آيَاتٍ بَيِّنَاتٍ فَقَالَ لَهُمْ لَا تُشْرِكُوا بِاللَّهِ شَيْئًا وَلَا تَسْرِقُوا وَ لَا تَزْنُوا وَ لَا تَقْتُلُوا النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللهُ إِلَّا بِالْحَقِّ وَلَا تَمْشُوا بِبَرِيئٍ إِلَى ذِي سُلْطَانٍ لِيَقْتُلَهُ وَ لَا تَسْحَرُوا وَ لَا تَأْكُلُوا الرِّبوا وَ لَا تَقْذِفُوا مُحْصَنَةً وَ لَا تُوَلُّوا الْفِرَارَ يَوْمَ الزَّحْفِ وَ عَلَيْكُمْ خَاصَّةً الْيَهُودَ أَنْ لَا تَعْتَدُوا فِي السَّبْتِ قَالَ فَقَبَّلُوا يَدَيْهِ وَ رِجْلَيْهِ وَ قَالُوا نَشْهَدُ أَنَّكَ نَبِيٌّ قَالَ فَمَا يَمْنَعُكُمْ أَنْ تَتَّبِعُونِي قَالَ قَالُوا إِنَّ دَاوُدَ دَعَا رَبَّهُ أَنْ لَا يَزَالَ مِنْ ذُرِّيَّتِهِ نَبِيٌّ وَ إِنَّا نَخَافُ أَنْ تَبَعْنَاكَ أَنْ تَقْتُلَنَا الْيَهُودُ
হযরত সাফওয়ান বিন আসসাল (رَضِيَ اللهُ عَنْهُ) বর্ণনা করেন। একজন ইহুদি তার সাথীকে বললেন, আমাকে এ নবীর নিকট নিয়ে চল। বন্ধুদের সব সাথী তাকে বললেন, তুমি তাঁকে নবী বলো না কারণ সে যদি শুনে তুমি তাঁকে নবী বলেছ তবে তিনি খুশি হয়ে যাবেন (রাসূলে খোদার চারটি চোখ বিদ্যমান)। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর দরবারে আসলেন এবং ৯ টি নিদর্শন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তার উত্তরে রাসূল (সঃ) বললেন ১. তোমরা আল্লাহর ইবাদতের সাথে কাউকে শরীক করো না। ২. চুরি করো না। ৩. যিনা করো না। ৪. হত্যা করো না ঐ ব্যক্তিকে যাকে আল্লাহ পাক হারাম করেছেন ন্যায় বিচারের ব্যতিত, নিরপরাধ ব্যক্তিকে হত্যা করার জন্য কোন শাসকের কাছে নিয়ে যেও না। ৫. যাদু করো না। ৬. সুদ খেয়ো না। ৭. সতী সাধ্বী নারীকে যিনা অপবাদ দিও না। ৮. যুদ্ধের
ময়দান হতে পলায়ন করো না। ৯. বিশেষ করে তোমরা ইহুদিরা শনিবার দিন সীমা অতিক্রম করো না। বর্ণনাকারী বলেন- হুজুর (সঃ) এর উত্তর শুনে ঐ দুই জন তাঁর হাত ও দুপায়ে চুম্বন করলেন এবং বললেন-নিশ্চয় আপনি নবী। হুজুর (সঃ) যখন তাদেরকে বললেন কি কারণে তোমরা আমাকে অনুসরণ করো না। উত্তরে তারা বলল, হযরত দাউদ (আঃ) তাঁর প্রভুর কাছে দোয়া করেছিলেন যাতে তাঁর বংশ হতে নবীর ধারা অবিচ্ছিন্ন থাকে। নিশ্চয় আমরা ভয় করি। আমরা আপনাকে মান্য করি, এ খবর আমাদের জাতি ইহুদিদের কাছে গেলে সাথে সাথে তারা আমাদেরকে হত্যা করবে। (তিরমিযি শরীফ, ২য় খন্ড, ১০২ পৃষ্ঠা مَا جَاءَ فِي قُبْلَةِ الْيَدِ وَالرَّجُلِ অধ্যায়।)
وَفِي الْبَابِ عَنْ يَزِيْدِ بْنِ الْأَسْوَدِ وَابْنِ عُمَرَ وَ كَعْبِ بْنِ مَالِكِ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيْحٌ
ইমাম তিরমীযি (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ) বলেন, হযরত সাফওয়ান ইবনে আসসাল এর মতো হযরত ইয়াজিদ ইবনে আসওয়াদ, ইবনে উমর এবং কাব বিন মালিক (رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا) হতেও হাত পা চুম্বন করার হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বর্ণিত হাদিসটি সনদের দিক দিয়ে হাসান, সহীহ অর্থাৎ হাদিসটির ২ টি সনদ বিদ্যমান। একটি সনদে হাসান আর অন্য সনদে সহীহ।
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنِ ادْرِيْسَ وَ غُنْدَرُ وَ أَبُو سَلَمَةَ عَنْ شُعْبَةَ وَ عَمْرُو بْنِ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَلَمَةَ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَسَّالٍ اَنَّ قَوْمًا مِنَ الْيَهُودِ قَبَّلُوْا يَدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَ رِجْلَيْهِ
হযরত সাফওয়ান ইবনে আসসাল (رَضِيَ اللهُ عَنْهُ) হতে বর্ণিত নিশ্চয় ইহুদিদের একটি দল রাসূল (ﷺ) এর হাত ও পা মোবারক চুম্বন করেছেন।
(ইবনে মাজাহ- ২৬৩ পৃঃ الرَّجُلُ تُقَبَّلُ يَدَا الرَّجُلِ অধ্যায়)।
হাত ও পায়ে চুম্বন করা জায়েজ তা প্রমাণ হল। হ্যা, এক্ষেত্রে প্রশ্ন করা যায়- যারা চুম্বন করেছে তারা ইহুদি ছিল। মুসলমানেরা করে নাই। এর উত্তর দেখি হাদিস শরীফে আছে কি না?
حدثنا ابو بكر بن ابي شَيْبَةَ ثنا محمد بن فُضَيْلٍ ثنا يَزِيدُ بن ابي زيادٍ عن عبد الرحمان بن ابي ليلى عن ابن عُمَرَ رضي الله عنهما قَالَ قَبَّلْنَا يَدَا النَّبِيِّ ﷺ)
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا) হতে বর্ণিত-তিনি বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ) এর পবিত্র হাত মোবারক চুম্বন করলাম। (ইবনে মাজা ২৬৩ পৃঃ الرَّجُلُ تُقَبَّلُ يَدَا الرَّجُلِ অধ্যায়) অপর আরেকটি হাদীস শরীফ লক্ষ্য করুন-
حدثنا عبد الله بن محمد قال حدثنا ابن عيينه عن ابن جدعان قال ثابت لانس رضى الله تعالى عنه امسست النبي صلى الله عليه وسلم بيدك ؟ قال نعم فقبلها
হযরত জদআন (رضي الله عنهم) বলেন, হযরত সাবিত হযরত আনাস (رضي الله عنهم)-কে বললেন, আপনি কি নবী করিম (ﷺ) কে হাত দ্বারা স্পর্শ করেছেন? উত্তরে তিনি বললেন হ্যাঁ, তখন তিনি তাঁর হাতকে চুম্বন করলেন। (ইমাম বুখারী (رَحْمَةُ اللهُ عَلَيْهِ)
تَقْبِيْلُ الْيَدِ কর্তৃক প্রণিত আদাবুল মুফরাদ (অধ্যায়
আবু দাউদ শরীফের ৭০৯ পৃষ্ঠায় একটি অধ্যায় আছে তা হলো قُبْلَةُ الرَّجُلِ তথা পা চুম্বনের অধ্যায়। তথায় রয়েছে-
حدثنا محمد بن عيسى نا مطر بن عبد الرحمان الاعنق حدثنى ام ابان لما بنت الوازع عن زارع عن جدها زارع وكان فى وفد عبد القيس قال قَدِمْنَا المَدِيْنَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ رَسُولِ اللهِ ﷺ وَرِجْلَيْهِ الخ
হযরত উম্মে আবান বিন ওয়াজে বিন জারে (رضي الله عنه) হতে বর্ণিত তার দাদা জারে বর্ণনা করেন
তিনি আবদুল কায়স প্রতিনিধি দলের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন (যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আশজ) যখন আমরা মদিনা শরীফে পৌঁছলাম তখন তাড়াহুড়া করে আমাদের বাহন হতে নেমে রাসূল (ﷺ) এর হাত ও পা মোবারক চুম্বন করলাম।
এ হাদিসের ব্যাখ্যায় শায়খে মুহাক্কিক আবদুল হক মুহাদ্দিস দেহলভী (রَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ) বলেন- وَفِي هَذَا الْحَدِيثِ دَلِيْلٌ عَلَى جَوَازِ تَقْبِيْلِ الْأَرْجُلِ অর্থাৎ এ হাদিস হলো দলিল যা দ্বারা পা চুম্বন করা জায়েজ।
ইমাম বুখারী (রَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ) এর আরেক বিখ্যাত হাদিসের কিতাব হলো আল-আদাবুল মুফরাদ। এর একটি অধ্যায়ের নাম হলো تَقْبِيْلُ الرَّجُلِ অর্থাৎ পা চুম্বনের অধ্যায় তথায় আছে-
حدثنا مُوسَى بن إسماعيل قال حدثنا مطر بن عبد الرحمان الاعنق قال حدثني امرأة من صباح عبد القيس يقال لها ام ابان ابنة الوازع عن جدها ان جدها الوازع بن عامر قَالَ قَدِمْنَا فَقِيلَ ذَاكَ رَسُولُ اللهِ ﷺ فَأَخَذْنَا بِيَدَيْهِ وَرِجْلَيْهِ نُقَبِّلُهَا
হযরত ওয়াজে ইবনে আমের (رضي الله عنه) হতে বর্ণিত তিনি বলেন- আমরা রাসূল (ﷺ) এর দরবারে আসলাম। কেউ একজন বলল ইনিই আল্লাহর রাসূল (ﷺ), তখন আমরা রাসূল (ﷺ) এর পবিত্র হাত ও পা ধরে চুম্বন করলাম।
হয়তবা প্রশ্ন করা যেতে পারে রাসূল (ﷺ) কে শুধু চুম্বন দিয়েছে। তাই অন্যদের বেলায় নয়। এই দ্বন্দ্ব নিরসনে আরেকটি হাদিস আদাবুল মুফরাদ এর تَقْبِيْلُ الرَّجُلِ এ পাওয়া যায়। আর তা নিম্নরূপ-
حدثنا عبد الرحمان بن المبارك قال حدثنا سفيان بن حبيب قال حدثنا شعبة قال حدثنا عمرو عن ذكوان عن صهيب قال رَأَيْتُ عَلِيًّا يُقَبِّلُ يَدَا الْعَبَّاسِ وَرِجْلَيْهِ
হযরত সোহাইব বলেন- আমি হযরত আলীকে হযরত আব্বাস (رَضِيَ اللهُ عَنْهُمْ) এর হাত ও পা চুমু দিতে দেখেছি। সুতরাং বর্ণিত হাদিস শরীফ দ্বারা এই কথায় প্রমাণিত হয় সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের হাত পা চুম্বন করা শরিয়ত সম্মত।
এবার ইমাম বুখারী (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ) কে ইমাম মুসলিম (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ) কিভাবে সম্মান জানিয়েছেন তা দেখি।
روى الحاكم ابو عبد الله في تاريخ نيسابور باسناده عن احمد بن حمدون قَالَ جَاءَ مُسْلِمُ ابْنُ الْحَجَّاجِ إِلَى الْبُخَارِيِّ فَقَبَّلَ بَيْنَ عَيْنَيْهِ وَقَالَ دَعْنِي أُقَبِّلْ رِجْلَيْكَ يَا أُسْتَاذَ الْأُسْتَاذِينَ وَسَيِّدَ الْمُحَدِّثِينَ وَطَبِيْبَ الْحَدِيْثِ فِي عِلَلِهِ
হযরত হাকেম আবু আবদুল্লাহ স্বীয় সনদে নিশাপুরের ইতিহাসে আহমদ ইবনে হামদুন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন মুসলিম শরীফের গ্রন্থকার হাদিসের উজ্জ্বল নক্ষত্র ইমাম মুসলিম (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ) ইমামুল হাদিস ফিদদুনিয়া ইমাম বুখারী
এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে তাঁর কপালে চুম্বন দিয়ে বললেন হে শিক্ষা গুরুদের গুরু, হে মুহাদ্দিসগণের ইমাম, হে ইলমে হাদিসের রোগ নিরাময়কারী আপনি আমাকে ছাড়ুন (সুযোগ দিন), আমি আপনার পায়ে চুম্বন করি। (বুখারী শরীফের ভূমিকা, পৃঃ ১ লাইন ২৩ ও ২৪)।
কদম বুসি তথা পায়ে ধরে সালাম বা চুম্বন দেয়াকে শিরকের ফতোয়া প্রদানকারী দেওবন্দী আলেমদের পেশওয়া রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী এর নিকট এভাবে প্রশ্ন করা হলো-
سوال - کسی شخص کی تعظیم کو کھڑا ہو جانا اور پاوں پکڑنا اور چومنا تعظیما درست ہے یا نہیں؟ بلج
جواب - تعظیم دیندار کو کھڑا ہونا درست ہے اور پاوں چومنا ایسے شخص کا بھی درست ہے حدیث سے ثابت ہے فقط
প্রশ্ন- কোন ব্যক্তির সম্মানে দাঁড়িয়ে যাওয়া, পা স্পর্শ করা ও তাজীম করে চুম্বন দেয়া জায়েজ কি না?
উত্তর- দীনদারদের সম্মানার্থে দাঁড়ানো জায়েজ এবং এমন ব্যক্তির পা চুম্বন করা ও জায়েজ। হাদিস শরীফ দ্বারা তা প্রমাণিত। (ফতোয়ায়ে রশিদিয়া ৫৪৫ পৃঃ)
বর্ণিত হাদিসে পাক, ইমাম বুখারী, ইমাম মুসলিম এবং বিরোধী পক্ষের ফতোয়ার মাধ্যমে প্রমাণিত হলো কদম বুসি করা সুন্নাত।
আল্লাহ মাফ করুক। তা যদি শিরক হয় তবে আল্লাহ পাক- যে রাসূল (ﷺ) কে শিরক নিশ্চিহ্ন করতে পাঠালেন উল্টো তিনি কি করে এই শিরক কাজকে অনুমোদন দিলেন? বিবেচনা করুন...
আপনার পিরকের ফতোয়া কি রাসূল (ﷺ) এর শান-মানে আঘাত হানে নাই?
ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম (رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِمْ) উভয় হযরাত কি শিরকের মাসআলা বুঝেন নাই? তদুপরি আপন দলের বুজুর্গের ক্ষেত্রে আপন ফতোয়া কোন পর্যায়ে গেল?
মোদ্দা কথা হলো- আপনার মন যদি না চায়, তবে করবেন না। কিন্তু অপর জনকে এই নেক আমল হতে বিরত রাখবেন না কিংবা রাখার চেষ্টাও করবেন না।
আল্লাহ আমাদেরকে সম্মানিত ব্যক্তিদেরকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করার তাওফিক দান করুন। আমিন! সুম্মা আমিন, বেহরমতে সাইয়্যিদিল মুরসালিন।
Tar