সদ্-গুরু নিগমানন্দ পরমহংসদেব

সদ্-গুরু  নিগমানন্দ  পরমহংসদেব সদ্-গুরু শ্রী নিগমানন্দ পরমহংসদেব যোগ, জ্ঞান ,তন্ত্র এবং প্রেম পথে সিদ্ধ মহাযোগী।পরমহংস পদে ভূষিত।
(1)

14/05/2026

আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠ কোকিলামুখ -এর ১১৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী তথা সত্যযুগোৎপত্তি পূণ্য অক্ষয়তৃতীয়া উৎসব ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২০২৬ ইং শ্রী শ্রী নিগমানন্দ সারস্বত আশ্রম, দেওয়ানজী পুকুর পাড়, চট্টগ্রাম আশ্রমে অনুষ্ঠিত হয়।

স্থান :- শ্রীশ্রী নিগমানন্দ সারস্বত আশ্রম, দেওয়ানজী পুকুর পাড়, চট্টগ্রাম।

ভিডিও ক্রেডিট :- অপরূপ দত্ত আসন

🌼 জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🌼

সদ্-গুরু নিগমানন্দ পরমহংসদেব

#জয়গুরু #শ্রীশ্রীঠাকুর

29/04/2026

নগর পরিক্রমা, শ্রী শ্রী ঠাকুর মহারাজকে সাথে নিয়ে নগর পরিক্রমা।আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠ কোকিলামুখ -এর ১১৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী তথা সত্যযুগোৎপত্তি পূণ্য অক্ষয়তৃতীয়া উৎসব শ্রী শ্রী নিগমানন্দ সারস্বত আশ্রম, দেওয়ানজী পুকুর পাড়, চট্টগ্রাম আশ্রমে অনুষ্ঠিত হয় ।

স্থান :- শ্রীশ্রী নিগমানন্দ সারস্বত আশ্রম, দেওয়ানজী পুকুর পাড়, চট্টগ্রাম।

ভিডিও ক্রেডিট :- আনন্দ রায় ও অপরূপ দত্ত আসন

🌼 জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🌼

#জয়গুরু #শ্রীশ্রীঠাকুর

১১৫ তম আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠ  প্রতিষ্ঠা দিবসে শ্রী শ্রী গণেশ পূজা সম্পাদন 🌼জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🌼ছবি :-অনাথ চৈতন্য ব্রহ...
26/04/2026

১১৫ তম আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠ প্রতিষ্ঠা দিবসে শ্রী শ্রী গণেশ পূজা সম্পাদন

🌼জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🌼

ছবি :-অনাথ চৈতন্য ব্রহ্মচারী থেকে সংগৃহীত

সদ্-গুরু নিগমানন্দ পরমহংসদেব

১১৫ তম আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠ  প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনের কিছু স্থির চিত্র 🌼জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🌼ছবি :-অনাথ চৈতন্য ব্রহ্মচ...
26/04/2026

১১৫ তম আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠ প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনের কিছু স্থির চিত্র

🌼জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🌼

ছবি :-অনাথ চৈতন্য ব্রহ্মচারী থেকে সংগৃহীত

সদ্-গুরু নিগমানন্দ পরমহংসদেব

জয়গুরু, ভাগবতপাদ শিবাবতার জগৎগুরু আদি শংকরাচার্যের ২৫৩৩তম প্রাকৃতিক উৎসব উদযাপন ।জগদগুরু আদি শংকরাচার্য্য জয়ন্তীর পূণ্...
24/04/2026

জয়গুরু, ভাগবতপাদ শিবাবতার জগৎগুরু আদি শংকরাচার্যের ২৫৩৩তম প্রাকৃতিক উৎসব উদযাপন ।জগদগুরু আদি শংকরাচার্য্য জয়ন্তীর পূণ্যলগ্নে আশ্রমের বটুকার অবসর দীক্ষা ও উপনয়ন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

স্থান:- আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠ, কোকিলামুখ, জোরহাট, আসাম, ভারত।

🌼 জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🌼

সদ্-গুরু নিগমানন্দ পরমহংসদেব

আজ আদি জগৎগুরু শঙ্করাচার্য্যদের জন্ম তিথি আদি শঙ্করাচার্য (৭৮৮-৮২০ খ্রিস্টাব্দ) ছিলেন অষ্টম শতাব্দীর একজন মহান ভারতীয় দ...
22/04/2026

আজ আদি জগৎগুরু শঙ্করাচার্য্যদের জন্ম তিথি

আদি শঙ্করাচার্য (৭৮৮-৮২০ খ্রিস্টাব্দ) ছিলেন অষ্টম শতাব্দীর একজন মহান ভারতীয় দার্শনিক, ধর্মগুরু এবং অদ্বৈত বেদান্ত দর্শনের প্রধান প্রবক্তা। তিনি হিন্দুধর্মের পুনর্জাগরণ ও অদ্বৈতবাদ প্রচারের জন্য সারা ভারত ভ্রমণ করেন এবং দেশের চার প্রান্তে চারটি মঠ (পুরী, জোশীমঠ, দ্বারকা, শৃঙ্গেরি) স্থাপন করেছিলেন। মাত্র ৩২ বছরের জীবনে তিনি উপনিষদ, ব্রহ্মসূত্র ও গীতার ওপর প্রামাণ্য ভাষ্য রচনা করেন।

সংস্কার: তিনি হিন্দুধর্মকে সুসংগঠিত করতে সন্ন্যাসীদের দশনামী সম্প্রদায় এবং পূজার ‘সন্মত’ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন

তিনি সনাতন ধর্মের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করেছিলেন বলে তাঁকে ‘জগৎগুরু’ বা ‘আদি শঙ্কর’ বলে সম্বোধন করা হয়।

আদি শংকরাচার্যের জীবন কেবল শাস্ত্রীয় পাণ্ডিত্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; তাঁর জীবন ছিল অলৌকিকতা, প্রখর যুক্তি এবং অবিশ্বাস্য কর্মক্ষমতার এক সংমিশ্রণ। গভীর অনুসন্ধান করলে তাঁর সম্পর্কে এমন কিছু বিস্ময়কর তথ্য পাওয়া যায় যা আজও মানুষকে অবাক করে:
১. ৩২ বছরের অবিশ্বাস্য কর্মযজ্ঞ:
শংকরাচার্য মাত্র ৩২ বছর বেঁচে ছিলেন। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে তিনি ভারতের চার প্রান্তে চারটি মঠ স্থাপন করেন, প্রস্থানত্রয়ীর (উপনিষদ, ব্রহ্মসূত্র এবং ভগবদ্গীতা) ওপর অমর ভাষ্য রচনা করেন এবং কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত অন্তত তিনবার পদব্রজে ভ্রমণ করেন। আধুনিক যুগে যাতায়াতের সুবিধা ছাড়াই সেই সময়ে তাঁর এই গতি এবং কাজের পরিমাণ এক কথায় অলৌকিক।

২. অদ্বৈত বেদান্তের প্রসারে 'বিতর্ক' বা শাস্ত্রার্থ:
তিনি তলোয়ার দিয়ে নয়, বরং যুক্তির সাহায্যে ধর্ম সংস্কার করেছিলেন। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বিতর্কটি ছিল মন্ডন মিশ্রের সঙ্গে। কথিত আছে, এই বিতর্ক টানা ২১ দিন ধরে চলেছিল এবং মন্ডন মিশ্রের বিদুষী পত্নী উভয় ভারতী বিচারকের ভূমিকা পালন করেছিলেন।

৩. পরকায়া প্রবেশ (অন্যের শরীরে প্রবেশ):
মন্ডন মিশ্রের সঙ্গে বিতর্কের এক পর্যায়ে উভয় ভারতী শঙ্করকে কামশাস্ত্র বা গৃহস্থ জীবন নিয়ে প্রশ্ন করেন (যেহেতু শঙ্কর ব্রহ্মচারী ছিলেন)। উত্তর দেওয়ার জন্য শঙ্কর যোগবলে তাঁর দেহ ত্যাগ করে মৃত রাজা অমরুকের শরীরে প্রবেশ করেন। রাজকীয় জীবনে অভিজ্ঞ হওয়ার পর তিনি পুনরায় নিজের দেহে ফিরে আসেন এবং বিতর্কে জয়লাভ করেন। এই ঘটনাটি তাঁর অসামান্য যোগশক্তির পরিচয় দেয়।

৪. কনকধারা স্তোত্র ও স্বর্ণবৃষ্টি:
শৈশবে শঙ্কর যখন ভিক্ষা করতে এক দরিদ্র মহিলার বাড়িতে যান, সেই মহিলার ঘরে একটি শুকনো আমলকী ছাড়া আর কিছুই ছিল না। তাঁর দারিদ্র্যে ব্যথিত হয়ে শঙ্কর তাৎক্ষণিক মা লক্ষ্মীর স্তুতি (কনকধারা স্তোত্র) রচনা করেন। লোকশ্রুতি অনুযায়ী, দেবীর কৃপায় সেই দরিদ্র ব্রাহ্মণের বাড়িতে সোনার আমলকী বৃষ্টি হয়েছিল।

৫. মাতাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা:
সন্ন্যাসীদের জন্য শাস্ত্রীয় নিয়ম হলো তাঁরা পরিবারের কোনো অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন না। কিন্তু শঙ্কর তাঁর মা আর্যাম্বাকে কথা দিয়েছিলেন যে তাঁর শেষ সময়ে তিনি পাশে থাকবেন। মায়ের মৃত্যুর পর যখন গ্রামবাসীরা সন্ন্যাসী হওয়ার কারণে তাঁকে বাধা দেয়, তখন শঙ্কর তাঁর বাড়ির উঠোনেই যোগাগ্নিতে মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করেছিলেন, যা তৎকালীন সামাজিক প্রথার বিরুদ্ধে এক সাহসী পদক্ষেপ ছিল।

৬. অদ্বৈত অভিজ্ঞতায় চণ্ডাল দর্শন:
কাশীতে থাকাকালীন একবার এক চণ্ডাল (তথাকথিত নিম্নবর্ণের ব্যক্তি) তাঁর পথ আগলে দাঁড়ান। শঙ্কর তাঁকে সরে যেতে বললে সেই ব্যক্তি প্রশ্ন করেন— "কাকে সরে যেতে বলছেন? এই নশ্বর দেহকে নাকি অবিনাশী আত্মাকে?" শঙ্করাচার্য মুহূর্তে উপলব্ধি করেন যে এই ব্যক্তি স্বয়ং মহাদেব। তিনি সেখানেই 'মনীষা পঞ্চকম্' রচনা করেন, যেখানে তিনি স্বীকার করেন যে যার মধ্যে আত্মজ্ঞান আছে, তিনি চণ্ডাল হোন বা ব্রাহ্মণ, তিনিই তাঁর গুরু।

শংকরাচার্যের এই তথ্যগুলো প্রমাণ করে যে তিনি কেবল একজন দার্শনিক ছিলেন না, বরং একাধারে মহাযোগী, সংস্কারমুক্ত সমাজচিন্তক এবং অনন্য প্রতিভার অধিকারী ছিলেন।

🌼 জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🌼

সদ্-গুরু নিগমানন্দ পরমহংসদেব

১১৫ তম আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠ  প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন প্রথন দিবসের কিছু স্থির চিত্র 🌼জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🌼ছবি :-অনাথ চৈত...
21/04/2026

১১৫ তম আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠ প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন প্রথন দিবসের কিছু স্থির চিত্র

🌼জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🌼

ছবি :-অনাথ চৈতন্য ব্রহ্মচারী থেকে সংগৃহীত

সদ্-গুরু নিগমানন্দ পরমহংসদেব

আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠের ১১৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীস্বামী নিগমানন্দ সরস্বতী পরমহংসদেব  শিবসাগর জেলার জোড়হাটে এক খন্ড জমি ...
21/04/2026

আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠের ১১৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

স্বামী নিগমানন্দ সরস্বতী পরমহংসদেব শিবসাগর জেলার জোড়হাটে এক খন্ড জমি নেন এবং ১৩১৯ বঙ্গাব্দের (১৯১২ সালে) বৈশাখ মাসের অক্ষয় তৃতীয়ায় সেখানে একটি আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। এটাকে বলা হতো "শান্তি আশ্রম" বা সারস্বত মঠ, যা পরবর্তীকালে আসাম-বঙ্গীয় সারস্বত মঠ নামে পরিচালিত হয়ে আসছে।

সারস্বত মঠ জোড়হাটের ছয় মাইলের মধ্যে এক দারুণ তৃণভূমির কোলে আশ্রিত ছিল। মঠের এক পাশে ছিল এক উপজাতীয় গ্রাম আর এর তিন দিক গভীর বনে ঘেরা ছিল। মারিয়ানি-জোড়হাট রেলপথ উপজাতীয় গ্রামটির মধ্য দিয়ে কোকিলামুখ পর্যন্ত গিয়েছে। হিমালয় পর্বতমালা এ জায়গার উত্তরে, উদয়গিরি পূর্বে এবং নাগা পর্বত দক্ষিণে অবস্থিত। আশ্রমের দৃশ্য প্রাচীনকালের আশ্রমের দৃশ্য মনে করিয়ে দিত। পাশ্ববর্তী জঙ্গল এবং জায়গাটির নির্জনতা ধ্যানের অত্যন্ত অনুকূল ছিল। ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও ধ্যানের সাথে সাথে গবাদি পশু চরানো, ঘাস খাওয়ানো এবং এদের জন্য শুকনো খাদ্য সংগ্রহ ছিল আশ্রমের ব্রহ্মচারীদের উপর অর্পিত কাজ।

স্বামী নিগমানন্দ কর্তৃক সম্পাদিত "সারস্বত গ্রন্থাবলী"র কাজ এই মঠের প্রেস হতে প্রকাশিত হয়েছিল। আর্য দর্পণ নামের ধর্মীয় মাসিক পত্রিকা এখান হতে মুদ্রিত হওয়া অব্যাহত ছিল। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটিকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে আশ্রমটিতে মুদ্রণ, অন্যান্য শিল্প যেমন কাঠের কাজ, কামারের কাজ এবং হস্তচালিত তাঁত চালু করা হয়েছিল। দাতব্য ঔষধালয়টি মঠের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে পরিণত হয়েছিল যেখানে গরীব রোগীদের ঔষধসহ চিকিৎসা সেবা দেয়া হতো। ছাত্রদের যোগ শিক্ষা দেয়ার জন্য ঋষি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

ঠাকুর মহারাজ মহান শঙ্করাচর্যের আদেশে "সরস্বতী"র ঐতিহ্যে তাঁর দশ জন ধর্মপ্রাণ শিষ্যকে সন্ন্যাসে দীক্ষা দেন, যাদের মধ্যে কনিষ্ঠতম ছিলেন "স্বামী নির্বাণানন্দ সরস্বতী" এবং "স্বামী প্রজ্ঞানানন্দ সরস্বতী"। স্বামী প্রজ্ঞানানন্দকে সারস্বত মঠ ও আশ্রম প্রতিষ্ঠানসমূহের ট্রাস্টি এবং মোহন্ত হিসেবে কর্মরত হন।

মঠের মাহাত্ম্য নিয়ে ঠাকুর মহারাজের অমৃত বাণী -

"অক্ষয়তৃতীয়ার যে দিন যোরহাট কোকিলামুখ সারস্বত মঠের আসন প্রতিষ্ঠা হয়, সেইদিন ঠাকুর আমাদের সকলকে আসনের সম্মুখে একত্র দাঁড়া করায়ে বলেছিলেন- তোমরা চিন্তা কর যে, 'তোমাদিগের হৃদপিণ্ড ছিন্ন করে আমি এই আসন প্রতিষ্ঠা করলাম। আমি ( স্বরূপানন্দজী), বোধানন্দ, যোগানন্দ, চিদানন্দ, প্রেমানন্দ, রমা প্রসন্ন, সরু রাম, প্রভৃতি উপস্থিত ছিলাম। আমি দেখিলাম-- আমাদের প্রত্যেকের ভিতর হইতে উল্কাপিন্ডের ন্যায় জ্যোতি রাশি নির্গত হয়ে সমস্ত আসনে বিলীন হইল।
"শান্তি আশ্রম টি আমার জীবন ব্যাপী সাধনার ফল, আশ্রমের কাছে আমার প্রাণটা তুচ্ছ-ঐ আশ্রমের জন্য আমি শতবার আমার প্রাণ বিসর্জন দিতে পারি। আশা আছে, ঐ আশ্রম হইতে কালে শত শত নিগমানন্দের বিকাশ হইবে। বৎস ! তোরা আমার সেই আশ্রমের রক্ষক, আশা আছে আমার প্রাণ তুল্য আশ্রমকে অবহেলা করিয়া তোরা কেহ আমার প্রাণ হন্তারক হবি না।"

"তোমাদের পাঁচজনের মঙ্গলের দরুন এবং উদ্দেশ্য সিদ্ধির অনুকূল ক্ষেত্র রূপেই এই মঠাশ্রম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত সাধনার চেয়ে সংঘবদ্ধ সাধনার প্রয়োজন বেশি। কাজেই এখানে যারা আছ, তাদের আত্মপ্রতিষ্ঠার দিকে লক্ষ্য না করে, আত্মসমর্পণের পথ ধরেই চলতে হবে।"

জগদ্-গুরু আসন

"এটা হ'ল আসন-ঘর। এই আসন জগদ্‌গুরুর আসন। এখানে তোমরা যেমন প্রণাম করতে পার, তেমনি আমিও পারি। একদিন অক্ষয় তৃতীয়ায় আমি নিজ হাতে জগদ্‌গুরুর ঐ আসন প্রতিষ্ঠা করেছি। ঐ আসন তোমাদের অন্তর্দ্দেবতার আসন, আর এই আসনে আমি আমার দেহ ধারণ পর্যন্ত স্থূল দেহে বিদ্যমান থাকব। কারণ বাইরে ঘোরাফেরা - থাকা সে আমার বাসাবাড়ীর মত, আর এটা আমার নিজের বাড়ী। কাজেই এখানে আমি দেহধারণ পর্যন্ত স্থূলদেহে তো থাকবই, পরন্তু আমার দেহরক্ষার পরও যিনি এই আসনে গুরু হয়ে বসবেন, তাঁর মধ্যেও থাকব। "

ঠাকুর মহারাজ জগদ্-গুরু আসনে নিরাকার পরমব্রহ্মের শক্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি অক্ষয় তৃতীয়ার এই পূর্ণ তিথিতে জগদ্-গুরু আসন প্রতিষ্ঠা করেন কারণ এই দিনে যেকোনো কিছু কাজ করলে তা অক্ষয় হয়ে যায়। এই সকল ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সমান ভাবে পূজনীয় কারণ নিরাকার পরমব্রহ্ম ভেদাভেদ করে না। এই আসন এক অসীম শক্তির আধার, এই শক্তি হল ব্রহ্ম শক্তির অনুভূতি।

মঠের উদ্দেশ্য/ব্রত ছিল সনাতন ধর্ম ব্যাপকভাবে প্রচার, প্রকৃত শিক্ষা বিস্তার এবং ঈশ্বর সম্পর্কে সত্য জ্ঞানের প্রসার ও প্রচার করা, গুরুর কাজ করার জন্য আধ্যাত্মিক প্রাপ্তি অর্জনের জন্য বন্দীদের প্রস্তুত করা, সকলকে ঈশ্বরের প্রতিমূর্তি হিসেবে সেবা করা।

🌼জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🌼

সদ্-গুরু নিগমানন্দ পরমহংসদেব

আজ সত্যযুগোৎপওি তিথি পুণ্য শুভ অক্ষয়তৃতীয়া ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ অক্ষয়তৃতীয়ায় কী করণীয়, এই বিষয় শ্রী শ্রী ঠাকুর মহারাজের মধুর উক...
20/04/2026

আজ সত্যযুগোৎপওি তিথি পুণ্য শুভ অক্ষয়তৃতীয়া ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অক্ষয়তৃতীয়ায় কী করণীয়, এই বিষয় শ্রী শ্রী ঠাকুর মহারাজের মধুর উক্তি -

" অক্ষয় তৃতীয়া হল চন্দ্র বৈশাখ মাসে শুকলো পক্ষে তৃতীয়া তিথি। অক্ষয় শব্দের অর্থ হলো যা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। এই পবিএ তিথিতে কোনো শুভ কার্য সম্পূর্ণ হলে তা অনন্তকাল অক্ষয় হয়ে থাকে। যদি ভালো কাজ করা হয় তার জন্য আমাদের লাভ হয় অক্ষয়পূর্ণ আর যদি খারাপ কাজ করা হয় তার জন্য আমাদের লাভ হয় অক্ষয়পাপ।

তাই অক্ষয় তৃতীয়া তিথিতে আমিষ আহার পরিত্যাগ করা উচিত কেননা প্রাণী হত্যা মহা পাপ। শ্রী শ্রী ঠাকুর মহারাজ বা নিজ নিজ আপন গুরু বা কৃষ্ণ প্রসাদ গ্রহণ করা উচিত। নিজ নিজ ঠাকুর মন্দিরে গিয়ে ভোগ,চন্দন, ফুল-ফল ইত্যাদি দান করা উচিত।

এদিন খুব সাবধানে কাজ করা উচিত। কখনো কোন কটুকথা না বের হয়। কোনো কারণে যে কারো ক্ষতি না করে ফেলি বা কারোর মনে আগাত দিয়ে কোন কথা না বলে ফেলি।তাই এইদিন যথাসম্ভব আপন গুরু কথা কৃষ্ণ কথা বা মহৎ কথা বলা উচিত এইদিন পুজো যপ ধ্যান দাম অপরের মনে আনন্দ দেওয়ার মত কাজ করা উচিত। যেহেতু এই তৃতীয়ায় সব কাজ অক্ষয় হয়ে থাকে তাই প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলতে হয় সতর্কভাবে। "

জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু

সদ্-গুরু নিগমানন্দ পরমহংসদেব

জয়গুরু, আগামী  ১৯ ও ২০ এপ্রিল ইং আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠ কোকিলামুখ -এর ১১৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী তথা সত্যযুগোৎপত্তি   পূণ...
17/04/2026

জয়গুরু,
আগামী ১৯ ও ২০ এপ্রিল ইং আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠ কোকিলামুখ -এর ১১৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী তথা সত্যযুগোৎপত্তি পূণ্য অক্ষয়তৃতীয়া উৎসব উদযাপন শ্রী শ্রী নিগমানন্দ সারস্বত আশ্রম, দেওয়ানজী পুকুর পাড়, চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে।

শ্রী শ্রী ঠাকুর মহারাজের সকল ভক্ত শিষ্যগণ উক্ত আশ্রমে উপস্থিত থাকার জন্য বিনম্র অনুরোধ জানাচ্ছি।

জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু

সদ্-গুরু নিগমানন্দ পরমহংসদেব

Address

Chittagong
CHITTAGONG-4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সদ্-গুরু নিগমানন্দ পরমহংসদেব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to সদ্-গুরু নিগমানন্দ পরমহংসদেব:

Share