Halal Dizworld

Halal Dizworld Whatsapp/Call: 01560058315 This Is Rizwan Ahmed, A Founder of Halal Dizworld & Graphic Designer, Specializing In Social Media Kit Design. Enjoy Watching It!

আপনার হালাল সম্পর্কের শুরু ভালোবাসা ও বিশ্বাস দিয়ে। 💍 বায়োডাটা ও নিকাহনামা ডিজাইন করি শরিয়াহ মেনে, আন্তর্জাতিক কোয়ালিটি মেইন্টেইন করে। আজই মেসেজ করুন আপনার স্বপ্নের ডিজাইনের জন্য! My Experience On Graphics Design Is Upto 3 Years Of My Life-Time. Now, My Task Is To Stand Out The Small And Medium Offline-Online Businesses At Marketing & Branding Sector. And Attract The Attention Of My Clients' Tar

get Audience. And I Also Want To Help Islamic Scholars And Researchers,To Grow Their Personal And Professional Branding On The Visual World. In This Case Study I Will Show You How I Developed My Own Naming, Logo, Identity And Web Branding.

কথা ঠিক কিনা?
15/02/2026

কথা ঠিক কিনা?

মুসলমানদের ভাগ করার জন্য যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, তা খুব সরাসরি নয়। তারা পুরো উম্মাকে একবারে ধ্বংস করবে না, পুরো মুসলম...
13/02/2026

মুসলমানদের ভাগ করার জন্য যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, তা খুব সরাসরি নয়। তারা পুরো উম্মাকে একবারে ধ্বংস করবে না, পুরো মুসলমানের বিরুদ্ধে কোন মিছিল মিটিংও করবে না। বরং পুরো উম্মতের এক বিভক্ত করে নিজেরা নিজেরা হাতে ধ্বংস হতে পারে সে ব্যবস্থা করে দিবে।

আমরা মাঝে মাঝে বলি, ঐ দলকে ইহুদি খ্রিষ্টানরা লাখ লাখ টাকা দিয়েছে। কিন্তু তারা এত বোকা নয় যে টাকা দিয়ে ধ্বংস করবে। তাদের বুদ্ধিই আমাদের ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট।

এই এক স্কুল দিয়েই তারা চলছে, আর আমরা আজ খুশি হয়ে একে অপরকে গালি দিয়ে মারি কাটি। সত্যি বলতে, আমাদের এই উম্মতের এক বিভক্ত করাটাই মুসলমানদের ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট।

ভাই, একটু থামি। ভিন্নমত থাকুক, কিন্তু বিদ্বেষ না। নিজেদের হাতেই নিজেদের ক্ষতি যেন না করি।

নারীদের জন্য নার্সিং পেশা কি জায়েয?.ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো নারীর জন্য অপ্রয়োজনে চাকরির উদ্দেশ্যে ঘরের বাইরে বের হওয়া মোটে...
08/02/2026

নারীদের জন্য নার্সিং পেশা কি জায়েয?.
ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো নারীর জন্য অপ্রয়োজনে চাকরির উদ্দেশ্যে ঘরের বাইরে বের হওয়া মোটেও কাম্য নয়; কেননা এতে নানাবিধ অনৈতিকতা ও ক্ষতির আশঙ্কা বিদ্যমান। এ কারণেই নিছক শখের বশে চাকরি করার শরঈ অনুমতি নেই। বিশেষত যখন কোনো নারীর জীবনের প্রয়োজনীয় বিষয়—যেমন খাদ্য, পোশাক ও বাসস্থানের ব্যবস্থা একজন মাহরাম বা স্বামী দ্বারা পূর্ণ হয়ে যায়, তখন শরীয়তের দৃষ্টিতে তার জন্য বাইরে চাকরি করা প্রয়োজনীয়ও নয়, অনুমোদিতও নয়।
তবে চরম প্রয়োজনের ক্ষেত্রে, যদি কোনো নারী পূর্ণ পর্দা রক্ষা করে চাকরির উদ্দেশ্যে ঘরের বাইরে বের হন, তাহলে শরীয়ত সে পরিস্থিতিতে সীমিত পরিসরে অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু কেবল শখের বশে, কিংবা পর্দা লঙ্ঘন করে অফিসে কাজ করা এবং ফ্রি মিক্সিং বা পুরুষদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশায় জড়িয়ে পড়া—শরীয়তের দৃষ্টিতে কোনোভাবেই বৈধ নয়।
নার্সিং কিংবা ডাক্তারি পেশার ক্ষেত্রেও একই মূলনীতি প্রযোজ্য। যদি কোনো নারী চিকিৎসকের পক্ষে নিজ বাড়িতে ক্লিনিক পরিচালনা করা সম্ভব হয় এবং সেখানে কেবল নারীরাই এসে চিকিৎসা গ্রহণ করেন, তাহলে তা শরঈভাবে অনুমোদিত। আর যদি ঘরে ক্লিনিক পরিচালনা করা সম্ভব না হয়, তবে তিনি পর্দা বজায় রেখে এবং মাহরামসহ যাতায়াত করে চিকিৎসা পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন—শর্ত হলো, তাঁর উদ্দেশ্য হবে শুধুমাত্র নারীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করা এবং কর্মস্থলেও পর্দার বিধান যথাযথভাবে রক্ষা করা।
(আল জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউন, করাচী; ফাতাওয়া নম্বর: 144001200890)
এ প্রসঙ্গে দারুল উলুম দেওবন্দের ফাতাওয়ায় উল্লেখ করা হয়েছে—“সাধারণত হাসপাতালের পরিবেশে নার্সদের পক্ষে শরীয়তের সীমা ও বিধান পুরোপুরি রক্ষা করে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। ফলে এ ধরনের চাকরি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ফিতনা ও নৈতিক অবক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অতএব, যদি কোনো নারী স্বাস্থ্য বিভাগ বা হাসপাতালে শরীয়তসম্মত পর্দা ও প্রয়োজনীয় শর্তাবলি যথাযথভাবে রক্ষা না করে চাকরি করেন, তবে সে চাকরি শরীয়তের দৃষ্টিতে বৈধ নয়। একইভাবে, স্বামীর জন্যও এমন চাকরির অনুমতি প্রদান করা সঠিক নয়।”(ওয়েব ফাতাওয়া নম্বর: 165488)
সারকথা, নারী রোগীদের জন্য যদি পৃথক ও স্বতন্ত্র ব্যবস্থা থাকে, তাহলে সে পরিসরে নারীদের নার্স হিসেবে কাজ করার ক্ষেত্রে শরঈ কোনো আপত্তি নেই।
কিন্তু বর্তমানে হাসপাতালগুলোতে পুরুষ ওয়ার্ডেও নারী নার্স নিয়োগ দেওয়ার যে অপ্রয়োজনীয় ও অযৌক্তিক রেওয়াজ চালু রয়েছে, তা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সম্পূর্ণ হারাম। কোনো নারীর জন্য এতে অংশগ্রহণ করা জায়েয নয়।
বিশেষ পরিস্থিতিতে কারো জীবন রক্ষার জন্য বাধ্য হয়ে সাময়িকভাবে সাহায্য করা আর স্থায়ীভাবে গাইরে মাহরাম পুরুষদের সেবায় পর্দাহীন বা মিশ্র ব্যবস্থার অংশ হওয়া—এই দুটি বিষয় কখনোই এক নয়। অথচ দুঃখজনকভাবে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়িক স্বার্থে এসব পদে পুরুষদের পরিবর্তে নারীদের নিয়োগ দিয়ে থাকে। আর কর্পোরেট জগতের এই নাজায়েজ ব্যবস্থাকে অনেকেই অজ্ঞতাবশত অপব্যাখ্যার মাধ্যমে বৈধ প্রমাণ করার চেষ্টা করেন।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এ ধরনের ভয়াবহ গুনাহ থেকে হেফাজত করুন। আমীন।
সুরা আহযাব, আয়াত ৩৩, হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা ২/৩২৮, ফাতাওয়া শামী ২/৭৯, ফাতাওয়া বাযযাযিয়া ৪/১৫৭।

জেনারেল শিক্ষিত হিসেবে আপনি কতইনা মোটা মোটা বই পড়েছেন, জটিল জটিল ফর্মূলা মুখস্ত করেছেন, কত বড় বড় কঠিন কঠিন এসাইনমেন্ট কম...
07/02/2026

জেনারেল শিক্ষিত হিসেবে আপনি কতইনা মোটা মোটা বই পড়েছেন, জটিল জটিল ফর্মূলা মুখস্ত করেছেন, কত বড় বড় কঠিন কঠিন এসাইনমেন্ট কমপ্লিট করেছেন।

অথচ আপনি মুসলিম হিসেবে কুরআন এর মূল শিক্ষা পড়লেন না, জানলেন না, শিখলেন না। কুরআনে আপনার রব আপনাকে কি কি বলছেন, কি কি জানাচ্ছেন তা নিজে জানার জনয কুরআনের বাংলা অনুবাদ হাতে ধরলেনও না।

ডন্ট মাইন্ড, আমার মতে আপনি মহা মূর্খ। আর এই মূর্খতার জন্য শত্রু শয়তান ২৪/৭ চক্রান্ত করে গেছে।

আর কিয়ামতে এই কুরআন আল্লাহর কাছে আপনার এই আচরনের জন্য আপনার বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে বিচার নালিশ করবে। কুরআনে আল্লাহ বলেন, কিয়ামতের দিন রাসূল ﷺ অভিযোগ করবেন:
“হে আমার রব, আমার জাতি এই কুরআনকে পরিত্যাগ করেছিল।” (সূরা আল-ফুরকান ২৫:৩০)

এখানে “পরিত্যাগ” মানে শুধু না পড়া না। আলেমরা বলেন, কুরআনের বিরুদ্ধে নালিশ করার মতো আচরণ কয়েকভাবে হতে পারে।

১. ঘরে কুরআন আছে, কিন্তু মাসের পর মাস খোলা হয় না।
২. তিলাওয়াত করি, কিন্তু অর্থ জানার, বুঝার, শেখার চেষ্টা নেই।
৩. জানি এটা হারাম, এটা ফরজ। তবু জীবনে তার প্রভাব নেই।
৪. বিচার হিসেবে কুরআনকে বাদ দেওয়া। ব্যক্তিগত জীবন, ব্যবসা, সম্পর্ক সব জায়গায় নিজের ইচ্ছা চলে, কুরআনের নির্দেশ নয়।
৫. কুরআনের কথা শুনে বিরক্ত হওয়া। নসিহত শুনলে মনে রাগ, অস্বস্তি, এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা।

এভাবে চলতে থাকলে কুরআন যেন সাক্ষী হয়ে দাঁড়াবে—
“এই মানুষটা আমাকে জানত, তবু মানেনি।”

কে জিতবে নির্বাচনে?প্রেম নাকি পছন্দ আম্মুর মাথা গেল কনফিউশনে উড়েশেষে জয় তো বউয়ের 😜
05/02/2026

কে জিতবে নির্বাচনে?
প্রেম নাকি পছন্দ আম্মুর
মাথা গেল কনফিউশনে উড়ে
শেষে জয় তো বউয়ের 😜

“তোমার মা নাকি তোমার স্ত্রী?”শাইখ আল্লামা সালিহ আল-ফাওযান (আল্লাহ তাঁকে হেফাজত করুন) তাকে কোনো ব্যক্তির স্ত্রী ও মায়ের ...
04/02/2026

“তোমার মা নাকি তোমার স্ত্রী?”
শাইখ আল্লামা সালিহ আল-ফাওযান (আল্লাহ তাঁকে হেফাজত করুন) তাকে কোনো ব্যক্তির স্ত্রী ও মায়ের মাঝে সম্পর্ক ভালো না হলে কী করবে? এ প্রশ্ন করা হলে তিনি জবাবে বলেন—
“যদি এই স্ত্রী তোমার মা ও বাবার সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারে, তাহলে স্ত্রীকে আলাদা বাসায় রাখবে। তোমার মাকে তোমার কাছে রাখবে।
অথবা অন্য কোনো স্ত্রী খোঁজবে যে তোমাকে তোমার মা বাবার খেদমতে সহযোগিতা করবে।
কিন্তু তোমার মাকে দূরে রাখবে, স্ত্রীকে কাছে রাখবে, স্ত্রীর অনুগত হয়ে থাকবে এটি কখনও জায়েয নয়। এটি পিতামাতার প্রতি স্পষ্ট দুর্ব্যবহার।”
গ্রন্থ: মিনাল হুকূক “অধিকারসমূহের অন্তর্ভুক্ত”।
প্রফেসর ড. আবু বকর মুহাম্মাদ জাকারিয়া

ইয়া আল্লাহ, আমাদের মা’বুদ, তোমার নবি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে বা যারা পেডোফাইল-এর মিথ্যা অপবাদ বার...
03/02/2026

ইয়া আল্লাহ, আমাদের মা’বুদ, তোমার নবি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে বা যারা পেডোফাইল-এর মিথ্যা অপবাদ বারংবার তুলতে চায় তাদের উপর তোমার লা’নত বর্ষিত হোক। সকল ফেরেশতারা লা'নত দিক, সকল মুমিনরা লানত দিক।
হে আল্লাহ, তাদের হাত ও জবান ধ্বংস করে দাও। দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের জন্য লাঞ্ছনা ও অপমান হোক।

লা'আনাল্লাহ, ওয়া গাদ্বিবা আলাইহ, ওয়া জা'আলা মিনহুমুল ক্বিরাদাতা ওয়াল খানাযির, ওয়া বাদাত ত্বাগূত!

অবশেষে এসে গেল স্বাধীন সোস্যাল মিডিয়া! ফেসবুকের দিন কি শেষ? 🔥🚀সারাবিশ্বে এখন তোলপাড় সৃষ্টি করেছে নতুন অ্যাপ "Upscrolled"...
29/01/2026

অবশেষে এসে গেল স্বাধীন সোস্যাল মিডিয়া! ফেসবুকের দিন কি শেষ? 🔥🚀

সারাবিশ্বে এখন তোলপাড় সৃষ্টি করেছে নতুন অ্যাপ "Upscrolled"।
লঞ্চ হওয়ার মাত্র ৩ দিনের মধ্যে আমেরিকায় ৭৫,০০০+ ডাউনলোড হয়ে এটি এখন অ্যাপ স্টোরের #2 Trendingঅ্যাপ! 📈

কেন সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ছে এই অ্যাপে?
✅ ১. এটি Instagram + Twitter (X) এর হাইব্রিড ভার্সন। অর্থাৎ ছবি, ভিডিও এবং টেক্সট—সব এক জায়গায়।
✅ ২. সবচেয়ে বড় কথা—এখানে আপনার ভয়েস বা পোস্ট রিচ ডাউন করা হবে না। এটি তৈরিই করা হয়েছে "Freedom of Speech" বা বাকস্বাধীনতার জন্য।

সবচেয়ে গর্বের বিষয় হলো—এই অ্যাপটির নির্মাতা একজন ফিলিস্তিনি-অস্ট্রেলিয়ান প্রযুক্তিবিদ, নাম Issam Hijazi। ❤️🇵🇸

তিনি চেয়েছিলেন এমন একটা প্লাটফর্ম তৈরি করতে যেখানে কোনো রেস্ট্রিকশন থাকবে না, সবাই সত্য কথা বলতে পারবে।

ফেসবুকের সেন্সরশিপে যারা বিরক্ত, তাদের জন্য এটি হতে পারে নতুন ঠিকানা।

আমি অলরেডি ইন্সটল করেছি। আপনারা ট্রাই করেছেন? কেমন লাগল ইন্টারফেস?

(প্লে স্টোরে সার্চ দিলেই পাবেন। লিংক দিচ্ছি না, রিচ কমে যায়। নিজ দায়িত্বে খুঁজে নিন!)

আমি মতে, সংসারে অশান্তির সমস্যা টাকার অভাব নয়, বরং দিকনির্দেশনার অভাব। নিকাহ ভাঙছে প্রেমের অভাবে নয়, বরং বোঝাপড়া, দায়িত্...
27/01/2026

আমি মতে, সংসারে অশান্তির সমস্যা টাকার অভাব নয়, বরং দিকনির্দেশনার অভাব। নিকাহ ভাঙছে প্রেমের অভাবে নয়, বরং বোঝাপড়া, দায়িত্ববোধ আর সঠিক গাইডলাইনের অভাবে।
তাই, আমার মিশন হলো একটি সফল ফ্রিল্যান্স ব্যবসা গড়ে তোলা, যাতে আমি সময়, অর্থ ও প্রভাব এই তিনটাকে ব্যবহার করে নিকাহকেন্দ্রিক দাওয়াত ছড়িয়ে দিতে পারি এবং পরিবার রক্ষার বাস্তব কাজ করতে পারি।
রিজওয়ান আহমেদ
ফাউন্ডার, সিইও এবং ক্রিয়েটিভ ডাইরেক্টর
হালাল ডিজওয়ার্ল্ড

26/01/2026

২০ বছর ধরে পড়াশুনা করা শিক্ষার্থীদের প্রতি আবু ত্ব হা মুহাম্মাদ আদনান ভাইয়ের চ্যালেঞ্জ

25/01/2026

ইসলামী শরীয়াহের ভিত্তিতে বোনদের বিয়ের সঠিক বয়স - শামসুল আরেফীন শক্তি

বিয়ে : পার্টনারশিপ (শারিকানা) নাকি পোশাক? আমরা যখন বলি, বিয়ে হলো একটি শারিকানা (partnership), তখন এর অর্থ দাঁড়ায়—স্বামী-...
22/01/2026

বিয়ে : পার্টনারশিপ (শারিকানা) নাকি পোশাক?
আমরা যখন বলি, বিয়ে হলো একটি শারিকানা (partnership), তখন এর অর্থ দাঁড়ায়—স্বামী-স্ত্রী সবকিছু সমানভাবে ভাগ করে নেবে। দায়িত্ব, খরচ, দায়বদ্ধতা, অধিকার ও কর্তব্য সবকিছু সমানভাবে তাদের উপর বর্তাবে। এই ধারণাটি মূলত পাশ্চাত্য বা ইসলাম বহির্ভূত চিন্তাধারার সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
‘শরিক’ বা partner শব্দটির ব্যবহার বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে নারী-পুরুষ সমতার আন্দোলনের শুরুর দিকে। এটি মূলত পুঁজিবাদী দর্শন থেকে জন্ম নেওয়া একটি ধারণা, যা বস্তুবাদী জীবনে, বিশেষ করে ব্যবসা, বিনিয়োগ ও ব্যক্তিগত মালিকানার ক্ষেত্রে বেশি প্রচলিত। পশ্চিমা সমাজে সামাজিক সম্পর্কগুলোও এই পুঁজিবাদী চিন্তা থেকে ‘পার্টনারশিপ’ শব্দটি ধার করেছে।
কিন্তু আমরা মুসলমানরা বিশ্বাস করি না যে বিয়ে একটি পার্টনারশিপ, কিংবা স্বামী-স্ত্রী একে অপরের শরিক। কারণ যদি আমরা ‘শরিক’ শব্দটি অর্থাৎ সবকিছুতে সম্পূর্ণ সমতার ধারণা মেনে নিই, তাহলে তার মানে দাঁড়ায়— পরিবারে দুজন নেতা থাকবে, দু’জনেরই সমান ক্ষমতা থাকবে। এমনকি তারা চাইলে পরিবার পরিচালনায় তৃতীয় কোনো পার্টনারও যুক্ত করতে পারবে।
যার অর্থ হল, দুজনই নিজেদের ইচ্ছামতো জীবন পরিচালনার মানদণ্ড বেছে নিতে পারবে। কারণ সিদ্ধান্তের মালিক তারাই। সংসার গড়ার সময় দুপক্ষই সমানভাবে শ্রম ও অর্থ দেবে, আর বিচ্ছেদ বা তালাকের ক্ষেত্রে সম্পদ, মালামাল এমনকি সন্তানের অভিভাবকত্বও সমানভাবে ভাগ হবে।
এই সব ধারণাই ইসলামী পদ্ধতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ইসলাম স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে এমন এক ন্যায়ভিত্তিক কাঠামোয় সাজিয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষের সামর্থ্য ও সক্ষমতাকে বিবেচনায় রাখা হয়।
দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে কুরআনের আয়াতগুলো গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখবেন, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে পোশাক (لباس), ভালোবাসা ( مودة), অনুগ্রহ (رحمة), প্রশান্ত আবাস ( سكن) ও ফসলের ক্ষেত ( حرث) এর মত ধারণা বা দৃষ্টান্তসমূহের ওপর।
এই শব্দগুলো ‘শরিকানা’র অর্থের সঙ্গে একেবারেই ভিন্নতা রাখে। কুরআন কখনো এই সম্পর্ককে ‘পার্টনারশিপ চুক্তি’ বলেনি। বরং একে বলেছে, “মিসাকান গলিজা ( ميثاقا غليظا)”। অর্থাৎ এক দৃঢ় ও গভীর অঙ্গীকার।
‘চুক্তি’ (contract) আর অঙ্গীকার ( মিসাক) এর মধ্যে বড় পার্থক্য আছে। চুক্তি সহজেই ভেঙে ফেলা যায়, এর একটি শেষ সময় থাকে। কিন্তু ‘মিসাক’ শব্দটি অনেক গভীর। এর অর্থ দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরা এক শক্ত ও মজবুত বন্ধন। এটি ভাঙা কঠিন, ত্যাগ করা কষ্টসাধ্য, এবং এর কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই। আর এই অঙ্গীকার সাধারণ নয়। কুরআন একে বলেছে গলিজা (দৃঢ় ও ভারী)। সুতরাং, বিষয়টি কোনোভাবেই শরিকানার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে আল্লাহ পোশাক হিসেবে বর্ণনা করেছেন, “তারা তোমাদের জন্য পোশাক, আর তোমরা তাদের জন্য পোশাক”। [সূরা বাকারা, আয়াত : ১৮৭]
এটাই ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি, পার্টনারশিপ নয়।
পোশাক মানে হলো ঐক্য, পরিপূরকতা, সামঞ্জস্য, সৌন্দর্য, শোভা, আচ্ছাদন, সুরক্ষা, পবিত্রতা, সতীত্ব এবং স্বভাবজাত স্বাভাবিকতা। এই অর্থগুলো পার্টনারশিপ কখনোই পূরণ করতে পারে না।
পোশাকের ভিত্তি হলো নৈকট্য, সহযোগিতা ও একাত্মতা। আর শরিকানার ভিত্তি হলো স্বার্থ, লাভ-ক্ষতির হিসাব। দুটির মাঝে পার্থক্য আকাশ-পাতাল।
এভাবেই ক্বাওয়ামা (দায়িত্বপূর্ণ অভিভাবকত্ব) ও আনুগত্য সবই পোশাকের ধারণার অধীনেই আসে। ক্বাওয়ামা মানে রক্ষণাবেক্ষণ, সুরক্ষা, দায়িত্ব নেওয়া, প্রয়োজন পূরণ করা এবং কল্যানের সিদ্ধান্ত নেওয়া। আর আনুগত্য হবে মারুফ অর্থাৎ ন্যায়সঙ্গত ও কল্যাণকর বিষয়ের মধ্যে।
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো ন্যায় ও জু*লুমবিহীনতা। তাদের সম্পর্কের মানদণ্ড নিজেদের খেয়ালখুশির চুক্তি নয়। বরং,আল্লাহ তাআলা কুরআনে যে বিধান দিয়েছেন এবং নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে আদর্শ রেখে গেছেন, সেটিই তাদের পথনির্দেশক।
দাম্পত্য জীবনের আসল ভিত্তি হলো বোঝাপড়া, ত্যাগ, সহযোগিতা ও সওয়াবের আশা। এখানে সম্পর্কের ভিত্তি এটা নয় যে, বিয়ের প্রথম দিন থেকেই কথোপকথন হবে– “এটা আমার অধিকার, ওটা তোমার অধিকার” বা “এটা আমার দায়িত্ব, ওটা তোমার দায়িত্ব।”
অধিকার ও কর্তব্যের আলোচনা আসে তখনই, যখন বিরোধ দেখা দেয়। সম্পর্কের শুরুটা সেগুলোর হিসাব দিয়ে হয় না। শুরুটা হয় বোঝাপড়া, ত্যাগ আর সহযোগিতা দিয়ে।
আজ আমাদের সমাজে বিয়ে নিয়ে অনেক ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়েছে। কারণ আমরা পাশ্চাত্য ধারণা দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছি এবং কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দূরে সরে গেছি।
আমাদের সন্তানরাও সোশ্যাল মিডিয়া, নাটক ও চলচ্চিত্রে প্রচারিত এমন সব ধারণার প্রভাবে আটকে আছে, যেগুলোর নির্মাতা ও প্রযোজকদের আমাদের দীন ও সংস্কৃতির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। ফলে তাদের সামনে বিয়ের ধারণা বিকৃত ও বিভ্রান্তিকর হয়ে আছে।

Address

Pahartoli
Chittagong
4202

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Telephone

+8801673080400

Website

http://www.behance.net/halaldizworld, https://www.halaldizworld.com/marriage-consult

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Halal Dizworld posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Halal Dizworld:

Share