Instructive Media

Instructive Media Education is the backbone of a nation.

ইসলামী শাস্তিই একমাত্র সমাধান! ধর্ষকদের জন্য করুণা নয়, কঠিন শাস্তি দরকার!ধর্ষণ! মানবতার কলঙ্ক, সভ্যতার অভিশাপ! আজকের সমা...
13/03/2025

ইসলামী শাস্তিই একমাত্র সমাধান!
ধর্ষকদের জন্য করুণা নয়, কঠিন শাস্তি দরকার!

ধর্ষণ! মানবতার কলঙ্ক, সভ্যতার অভিশাপ! আজকের সমাজে ধর্ষণ মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়েছে, আর তথাকথিত আধুনিক আইনের কারণে ধর্ষকেরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিছু মানুষ ইসলামী শাস্তিকে বর্বর বলে? বর্বরতা কার? ইসলামের শাস্তি, নাকি সেই সমাজ যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার নারী ধর্ষণের শিকার হয়? —ধর্ষণের একমাত্র কার্যকর সমাধান ইসলামী বিধান!

১. আধুনিক আইন: ধর্ষকদের অভয়ারণ্য!

এই তথাকথিত আধুনিক আইন ধর্ষকদের লালন-পালন করে।
✅ ধর্ষণ করো, তারপর জামিন নিয়ে ঘুরে বেড়াও!
✅ আদালতের দীর্ঘসূত্রিতা ধর্ষিতাকে হয়রানি করে, ধর্ষক মজা দেখে!
✅ প্রমাণ দাও, ডিএনএ দাও, দশবার ধর্ষিতার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, কিন্তু ধর্ষকের জন্য আইন নরম!
✅ মিডিয়া ধর্ষকের নাম পর্যন্ত প্রকাশ করতে ভয় পায়, আর ধর্ষিতা হয় লজ্জিত!

তাই তো পশ্চিমা দেশে প্রতি মিনিটে একজন নারী ধর্ষিত হয়! যুক্তরাষ্ট্রে বছরে ৪.৬ লাখ ধর্ষণ হয়, ভারতে প্রতি ১৫ মিনিটে একজন ধর্ষিত হয়! আধুনিক আইন কী করছে? বিচারহীনতার উৎসব!

২. ইসলামের শাস্তি: ধর্ষণ হবে ইতিহাস!

ইসলাম ধর্ষকদের জন্য কোনো করুণা রাখে না।
✅ ধর্ষক প্রমাণিত হলে সরাসরি মৃত্যুদণ্ড!
✅ জনসম্মুখে পাথর ছুড়ে হত্যা!
✅ ক্রুশবিদ্ধ করে শাস্তি দেওয়া!
✅ জনসম্মুখে বেত্রাঘাত ও নির্বাসন!

এই কঠোর শাস্তি শুনলে ধর্ষকদের হাড্ডি কাঁপবে! সমাজে কেউ ধর্ষণের কথা কল্পনাও করতে পারবে না! কারণ শাস্তির ভয় সমাজকে ঠিক রাখে!

কোথায় প্রমাণ? সৌদি আরবে ধর্ষণের হার প্রায় শূন্য! যেই দেশে ইসলামী আইন কার্যকর, সেই দেশে ধর্ষকেরা মাথা তুলতে ভয় পায়!

৩. পশ্চিমাদের ভণ্ডামি ফাঁস!

এই পশ্চিমা বুদ্ধিজীবীরা ইসলামের শাস্তিকে "বর্বর" বলে! কিন্তু ওদের দেশে কী হয়?

❌ ধর্ষণের শাস্তি ৫-১০ বছরের কারাদণ্ড, তাও জামিন পেয়ে বেরিয়ে আসে!

❌ ধর্ষক কারাগারে আরাম করে, সরকার তাকে খাইয়ে-পরিয়ে রাখে!

❌ পর্নোগ্রাফি, উন্মুক্ত সংস্কৃতি, বেপরোয়া জীবনযাপন ধর্ষণকে উৎসাহিত করে!

এইসব তথাকথিত মানবাধিকারের ফেরিওয়ালারা কি ধর্ষিতার অধিকার নিয়ে ভাবে? একটা মেয়েকে ধর্ষণ করে ফেলে দেওয়া হয়, তার জীবন নষ্ট হয়ে যায়, অথচ ধর্ষক আরাম করে! এটাই মানবাধিকার? ধিক!

৪. দাঁতভাঙা জবাব: বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ!

✅ যুক্তি ১: "চারজন সাক্ষী ছাড়া ধর্ষণ প্রমাণ করা যায় না!"

❌ মিথ্যা! ধর্ষণ প্রমাণের জন্য চারজন সাক্ষীর প্রয়োজন নেই! ডিএনএ, ফরেনসিক রিপোর্ট, মেডিকেল পরীক্ষা—এসবই যথেষ্ট! নবী মুহাম্মদ (ﷺ) এক নারীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে ধর্ষকের শাস্তি দিয়েছেন!

✅ যুক্তি ২: "কঠোর শাস্তি মানবাধিকারের লঙ্ঘন!"

❌ ধিক্কার! ধর্ষকের মানবাধিকারের চেয়ে ধর্ষিতার অধিকারের মূল্য বেশি! ধর্ষকের শাস্তি মানবতার জন্য জরুরি!

✅ যুক্তি ৩: "নারীর স্বাধীনতা খর্ব হয়!"

❌ মিথ্যা! ইসলাম নারীদের সর্বোচ্চ সম্মান দেয়! আধুনিক বিশ্বে নারীকে পণ্য বানানো হয়েছে! ওদের তথাকথিত স্বাধীনতা মানে মেয়েদের নগ্ন করা, ধর্ষকদের সহজ শিকার বানানো!

৫. শেষ কথা: ধর্ষণ বন্ধ করতে হলে ইসলামী শাস্তিই চাই!

একটা সুন্দর সমাজ চাই? ধর্ষণের ভয় থেকে নারীদের মুক্তি চাই? তাহলে ইসলামী আইন আনো!

❌ আধুনিক আইনের ভ্রান্তি দিয়ে ধর্ষণ বন্ধ করা যাবে না!

✅ ধর্ষকদের শাস্তি দাও! মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করো!
✅ ইসলামি মূল্যবোধ মেনে চলো!
✅ নারীদের সুরক্ষা দাও, তাদের সম্মান দাও!

আল্লাহর আইনই একমাত্র ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে পারে! ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলার আগে সত্যটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখো! নইলে মুখ থুবড়ে পড়বে!

"তোমরা কি মানুষের তৈরি অকার্যকর আইন মানবে, নাকি আল্লাহর আইন যা চিরন্তন ন্যায়বিচার?" (সূরা মায়েদাহ ৫:৫০)

_______________________
ব্রাদার রাহুল হোসেন রুহুল আমিন
তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৫
জলঙ্গি- মুর্শিদাবাদ -ভারত

Ten Unknown Facts About  1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was founded in 1916 in Munich, Germa...
12/09/2024

Ten Unknown Facts About
1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was founded in 1916 in Munich, Germany, initially producing aircraft engines. The company transitioned to motorcycle production in the 1920s and eventually to automobiles in the 1930s.
2. Iconic Logo: The BMW logo, often referred to as the "roundel," consists of a black ring intersecting with four quadrants of blue and white. It represents the company's origins in aviation, with the blue and white symbolizing a spinning propeller against a clear blue sky.
3. Innovation in Technology: BMW is renowned for its innovations in automotive technology. It introduced the world's first electric car, the BMW i3, in 2013, and has been a leader in developing advanced driving assistance systems (ADAS) and hybrid powertrains.
4. Performance and Motorsport Heritage: BMW has a strong heritage in motorsport, particularly in touring car and Formula 1 racing. The brand's M division produces high-performance variants of their regular models, known for their precision engineering and exhilarating driving dynamics.
5. Global Presence: BMW is a global automotive Company
6. Luxury and Design: BMW is synonymous with luxury and distinctive design, crafting vehicles that blend elegance with cutting-edge technology and comfort.
7. Sustainable Practices: BMW has committed to sustainability, incorporating eco-friendly materials and manufacturing processes into its vehicles, as well as advancing electric vehicle technology with models like the BMW i4 and iX.
8. Global Manufacturing: BMW operates numerous production facilities worldwide, including in Germany, the United States, China, and other countries, ensuring a global reach and localized production.
9. Brand Portfolio: In addition to its renowned BMW brand, the company also owns MINI and Rolls-Royce, catering to a diverse range of automotive tastes and luxury segments.
10. Cultural Impact: BMW's vehicles often become cultural icons, featured in fi

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিজের রিক্সায় দাঁড়িয়ে স্যালুট দেন রিক্সাচালক ভাই।জয় বাংলা 💜😍
03/08/2024

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিজের রিক্সায় দাঁড়িয়ে স্যালুট দেন রিক্সাচালক ভাই।

জয় বাংলা 💜😍

আলে-ইমরান, আয়াত: ৫৪وَ مَكَرُوْا وَ مَكَرَ اللّٰهُ١ؕ وَ اللّٰهُ خَیْرُ الْمٰكِرِیْنَ۠
31/08/2023

আলে-ইমরান, আয়াত: ৫৪

وَ مَكَرُوْا وَ مَكَرَ اللّٰهُ١ؕ وَ اللّٰهُ خَیْرُ الْمٰكِرِیْنَ۠

12/07/2020

পর্ন- নীরব মহামারি, নির্দোষ আনন্দ, নীল অন্ধকার। পর্ন এবং পর্ন আসক্ত ব্যক্তির সম্পর্কে ভয়ঙ্কর কিছু তথ্য:
১) পর্ন একটা মুভি মাত্র। এখানে অভিনয়-ই হচ্ছে। ১০ মিনিটের একটা ভিডিও ১০ দিন শ্যুট করা হয়। তারপর ইডিট করা হয়। সবকিছুই ফেইক। এক্সপ্রেশনটাও ফেইক।
২) পর্নের নারীর শরীর সম্পূর্ণ আর্টিফিশিয়াল। পুরো শরীর সার্জারি করে ফুলানো হয় বিশেষ অঙ্গগুলি। অপরদিকে বাস্তব জীবনে একজন নারী পড়াশুনা করে, চাকরি করে, সংসার করে, ছেলে-মেয়ের দেখা শুনা করে, কত হাজার দায়িত্ব পালন করে। একজন সাধারণ নারীর পক্ষে সার্জারি করে তার শরীরের অঙ্গগুলি পরিবর্তন করা সম্ভব?কখনই নাহ। তাছাড়া এটাতে হিউজ রিস্ক থাকে। ক্যান্সারের প্রবল সম্ভাবনা থাকে। তাই যখন একজন পর্ন আসক্ত দেখে তার বউয়ের শরীর পর্নের নারীর শরীরের মতো নাহ, তখন আর বউকে ভালো লাগে নাহ। পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে, পতিতালয়ে যেতেও দ্বিধাবোধ করে নাহ। অথচ সে জানেই না পর্নের নারীর শরীর সার্জারি করা ফেইক একটা বডি।
৩)যখন একজন পর্ন আসক্ত ব্যক্তি তার বউয়ের শরীর পর্নের নারীর আর্টিফিশিয়াল & সার্জিকাল শরীরের সাথে তুলনা করে, তখন ঐ নারীর মন ভেঙ্গে যায়।
৪) পর্ন ইন্ডাস্ট্রির মেয়েদের কি পরিমাণ অত্যাচার করা হয় জানেন? ওদের পিটিয়ে বাধ্য করা হয়। ভিডিও শুরুর আগে ওদের ড্রাগ ইনজেক্ট করা হয়। ওদের যোনীপথ ও পায়ুপথে কোকেইন ঢালা হয় যাতে কোন ব্যথা না পায়। ওদের জরায়ু কিডনি পর্যন্ত নষ্ট হয়ে গেছে। ক্যান্সারে মারা যায় শেষ পর্যন্ত। তাদের স্বীকার করতে বাধ্য করা হয় যে, তারা নিজের ইচ্ছায় পর্নে কাজ করছে। নাহলে তো পর্ন ইন্ডাস্ট্রির ধান্ধা বন্ধ হয়ে যাবে।
৫) অলমোস্ট সকল রেইপিস্ট স্বীকার করেছে তারা পর্ন দেখে রেইপ করার জন্য অনুপ্রাণিত হয়েছে।
৬) সিগারেট থেকে নেশার শুরু যেমন কোকেইনে গিয়ে শেষ হয়, তেমনি দীর্ঘদিন পর্ন দেখলে নরমাল পর্নে আর কাজ হয় না। আগের মতো ডোপামিন-অক্সিটোসিন ক্ষরণ হয় নাহ। তখন আরো কড়া ডোজ দরকার হয়। এক্সট্রিম ইনোভেটিভ পর্ণ দরকার হয়। ঐ কড়া ডোজের জন্য রেইপ পর্ন, শিশু পর্ন দেখতে শুরু করে।
৭)পর্ন আসক্ত ব্যক্তির সেল্ফ কনফিডেন্স থাকেনা। মেয়েদের সাথে ঠিকমতো কথাও বলতে পারে না। মেয়েদের চোখের দিকে তাকানোর বদলে অন্যান্য অঙ্গগুলোর দিকে তাকায়। এমনকি নিজের মা বোনের দিকেও তাকাতে পারে না। লজ্জায় মাথা হেট হয়ে থাকে।
৮)একজন ড্রাগ এডিক্ট এর মস্তিষ্ক এবং একজন পর্ন এডিক্ট এর মস্তিষ্কের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।
৯)একজন পর্ন আসক্ত পর্ন দেখার জন্য ক্লাস,আড্ডা,স্টাডি ট্যুর, ফ্যামিলি ট্রিপ সেক্রিফাইস করতে পারে।
১০)পর্নে আমাদের পরিচিত পরিবেশ-রুম-পেশা-ড্রেসআপ ব্যবহার করা হয়। যাতে আমরা যেকোন জায়গায় পর্নের দৃশ্য নিয়ে চিন্তা করতে থাকি।
১১)স্ট্রেসের ঠুনকো বাহানা দিয়ে একটু শান্তির জন্য পর্নের দুনিয়ায় হারিয়ে যায়। কোন কারণে মন খারাপ হলে দ্রুত মন ভালো হওয়ার জন্য পর্ন দেখে। এতে পর্ন আসক্ত ব্যক্তি তার স্বাভাবিকভাবে খুশি হওয়ার যে ক্ষমতা সেটা হারিয়ে ফেলে।
১২)পর্ন আসক্তদের স্মৃতিশক্তি লোপ তো পায়ই, বুদ্ধিমত্তাও কমে যায়। মেজাজ খিটখিটে থাকে সবসময়। সুন্দর কিছু চিন্তাও করতে পারে নাহ। ব্রেইন আর ভালো কাজে ইউজ করতে পারে নাহ। অকালে বুড়ো হয়ে যায়।
১৩)অনেকেই মনে করছেন বিয়ে করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। ভুল । একটু ইন্টারনেটে পর্ন এডিক্টদের সাক্ষাৎকার দেখুন। বিয়ের পরেও পর্ন এডিক্টদের উত্তেজিত হওয়ার জন্য পর্ন দেখতে হয়। কারণ তারা ঐ কৃত্তিমভাবে ফুলানো বডিটা দেখেই উত্তেজিত হয়। রক্ত মাংসের বউয়ের শরীরে আর কাজ হয় নাহ।
১৪)পর্ন-মাস্টারবেশন সম্পর্কটা চা-বিস্কুটের মতো। একটা ছাড়া আরেকটা জমে নাহ। মাস্টারবেশনে উত্তেজিত হওয়ার জন্য পর্ন দেখে। আর পর্ন দেখার পর মাস্টারবেশন করে।
১৫)যখন পর্ন দেখে মাস্টারবেশন করে তখন চেষ্টা করে কতো দ্রুত অরগাজম করে চরম সুখ পাওয়া যায়। কেও দেখে ফেলার আগে কত দ্রুত অরগাজম করা যায়। এভাবে দ্রুত অরগাজম ব্রেইনে সেট হয়ে যায়। একসময় গিয়ে দেখে সে ১ সেকেন্ডও পারফর্ম করতে পারছে না। এটাই অকালস্থলন(premature ejaculation)। এছাড়া আপনি আপনার পুরুষত্ব পর্যন্ত হারিয়ে ফেলতে পারেন।
১৬)আপনি যত বেশি পর্ন দেখছেন ততবেশি মেয়ে কিডন্যাপ হচ্ছে। হবেই তো। আপনার চাহিদা মেটাতে নতুন নতুন মেয়ে লাগবে নাহ? এক মেয়ের ভিডিও দেখে তো আপনি আর উত্তেজিত হচ্ছেন না।
১৭)রক্ত মাংসের পার্টনার থেকেও কৃত্তিম এবং সার্জিকাল আর্টিফিশিয়াল বডিই বেশি ভালো লাগে। পড়াশোনা, ক্যারিয়ার, চাকরি জীবন, সংসার জীবন, ব্যক্তিগত জীবন সব গোল্লায় যাবে।
১৮) বউকে পর্ন দেখিয়ে বাধ্য করে পর্নের নারীর মতো সেক্স করতে। পর্ন আসক্ত চিন্তা করে এভাবেই হয়তো তার বউ সুখ পাবে। হয়ে উঠে হিংস্র জানোয়ার।
১৯)যে ছেলেটা রাতে ছাত্র-শিক্ষিকা পর্ন দেখে পরেরদিন স্কুলে যায়, সে তার স্কুলের ম্যাডামের দিকে স্বাভাবিক চোখে তাকাতে পারবে?
২০)আমাদের জেনারেশনের উপর পর্ন একটা এক্সপেরিমেন্ট মাত্র। সরকার নয়, আমরাই পর্ন ব্যান করবো ইনশাআল্লাহ। যদি কেওই পর্ন না দেখে তাহলে ওদের ধান্ধা বন্ধ হয়ে যাবে।
হারিয়ে যেও না ভাই, ভালবাসা নাও।
পর্ন-মাস্টারবেশন থেকে বাঁচার উপায় অবশ্যই আছে।

কপি

https://youtu.be/BL0b-83w1b8
09/04/2020

https://youtu.be/BL0b-83w1b8

শবে বরাত বিষয়ে সকল বিতর্কের সমাধান। ডঃ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যার

15/06/2019

#বিয়ের সুন্নত তরিকা ------ ইসলামিক #বিবাহ।
---------------------------------------
বিবাহের কতিপয় সুন্নত সমূহঃ . (১) মাসনূন বিবাহ সাদা সিধে ও অনাড়ম্বর হবে, যা অপচয়, অপব্যয়, বেপর্দা ও বিজাতীয় সংস্কৃতি মুক্ত হবে এবং তাতে যৌতুকের শর্ত বা সামর্থের অধিক মহরানার শর্ত থাকবেনা। (তাবারানী আউসাত, হাদিস নং- ৩৬১২) .

(২) সৎ ও খোদাভীরু পাত্র-পাত্রীর সন্ধান করে বিবাহের পূর্বে পয়গাম পাঠানো। কোন বাহানা বা সুযোগে পাত্রী দেখা সম্ভব হলে, দেখে নেয়া মুস্তাহাব। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘটা করে পাত্রী দেখানোর যে প্রথা আমাদের সমাজে প্রচলিত তা সুন্নতের পরিপন্থী ও পরিত্যাজ্য। (বুখারী হাদিস নং-৫০৯০, ইমদাদুল ফাতাওয়া-৪: ২০০) .

(৩) শাউয়াল মাসে এবং জুমুয়ার দিনে মসজিদে বিবাহ সম্পাদন করা। উল্লেখ্য, সকল মাসের যে কোন দিন বিবাহ করা যায়িজ আছে। (মুসলিম ১৪২৩/ বায়হাকী ১৪৬৯৯) .

(৪) বিবাহের খবর ব্যাপকভাবে প্রচার করে বিবাহ করা এবং বিবাহের পরে আকদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত লোকদের মাঝে খেজুর বন্টন করা। (বুখারী/৫১৪৭) .

(৫) সামর্থানুযায়ী মোহর ধার্য করা। (আবু দাউদ/২১০৬) .

(৬) বাসর রাতে স্ত্রীর কপালের উপরের চুল হাতে নিয়ে এই দোয়া পড়াঃ “আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকা খয়রাহা ওয়া খয়রা মা জাবালতুহা আলাইহি ওয়াওযুবিকা মিন শার্রিহা মিন শার্রিমা জাবালতাহা আলাইহি” (আবু দাউদ/২১৬০) .

(৭) স্ত্রীর সঙ্গে প্রথমে অন্তরঙ্গতা সৃষ্টি করবে, তার পর যখনই সহবাস এর ইচ্ছা হয়, তখন প্রথমে নিম্নোক্ত দু’আ পড়ে নিবেঃ “বিসমিল্লাহ্‌। আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শায়তান ও জান্নিবিশ শায়তানা মা রাযাকতানা।” (মুসলিম/১৪৩৪) . (উপরোক্ত দোয়া না পড়লে শয়তানের তাছীরে বাচ্চার উপর কু-প্রভাব পড়ে। অতঃপর সন্তান বড় হলে, তার মধ্যে ধীরে ধীরে তা প্রকাশ পেতে থাকে এবং বাচ্চা নাফরমান ও অবাধ্য হয়। সুতরাং পিতা মাতাকে খুবই শতর্ক থাকা জরুরী) .

(৮) বাসর রাতের পর স্বীয় আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, শুভাকাংখী এবং গরীব মিসকীনদের তাউফীক অনুযায়ী ওলীমা খাওয়ানোর আয়োজন করা (মুসলিম/১৪২৭) .

(৯) কোন পক্ষ যেওরের শর্ত করা নিষেধ এবং ছেলের পক্ষ থেকে যৌতুক চাওয়া হারাম (আহসানুল ফাতাওয়া ৫/১৩) .

(১০) কনের ইযন এর জন্য স্বাক্ষীর কোন প্রয়োজন নাই। সুতরাং ছেলের পক্ষের লোক ইযন শুনতে যাওয়া অনর্থক এবং বেপর্দা। সুতরাং তা নিষেধ। মেয়ের কোন মাহরুম বিবাহের এবং উকীল হওয়ার অনুমতি নিবে। (মুসলিম/১৪২১) .

(১১) শর্ত আরোপ করে বর যাত্রীর নামে বরের সাথে অধিক সংখ্যাক লোকজন নিয়ে যাওয়া এবং কনের বাড়ীতে মেহমান হয়ে কনের পিতার উপর বোঝা সৃষ্টি করা আজকের সমাজের একটি জঘন্য কু-প্রথা, যা সম্পূর্ন রুপে পরিত্যাগ করা আবশ্যক। (মুসনাদে আহমাদ/২০৭২২, বুখারী/২৬৯৭) .

(১২) ওলীমায় অতিরিক্ত ব্যয় করা কিংবা খুব উচু মানের খানার ব্যবস্থা করা জরুরী নয়। বরং সামর্থানুযায়ী খরচ করাই সুন্নত আদায়ের জন্য যথেষ্ট। যে ওলীমায় শুধু ধনী ও দুনিয়াদার লোকদের দাওয়াত দেওয়া হয়, দ্বীনদার ও গরীব গরীব-মিসকিনদের দাওয়াত দেওয়া হয়না, সে ওলীমাকে হাদিসে নিকৃষ্টতম ওলীমা বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সুতরাং এ ধরনের ওলীমা আয়োজন থেকে বিরত থাকা উচিত (আবু দাউদ /৩৭৫৪) . আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুন্নত মোতাবেক বিবাহ করার তৌফিক দান করুন। আমীন....

09/01/2019

Nose unblock Tips.

11/12/2018

SHAME .....!!!

চেক করে নিতে পারেন আপনার ফেইজবুক আইডি!কমেন্টে লিখুন @ [4:0] এইভাবে space ছাড়া টাইপ করুন।যদি Mark Zuckerberg লেখা আসে তাহ...
25/11/2018

চেক করে নিতে পারেন আপনার ফেইজবুক আইডি!

কমেন্টে লিখুন @ [4:0] এইভাবে space ছাড়া টাইপ করুন।

যদি Mark Zuckerberg লেখা আসে তাহলে বুঝনেন আইডি সুরক্ষিত আছে।

12/09/2018

গর্ভবতী_মহিলাদের_আমলঃ-
🌾প্রথম মাসে সূরা-আলে ইমরান পড়লে সন্তান দামী হবে।
🌾দ্বিতীয় মাসে সূরায়ে ইউসুফ পড়লে সন্তান সুন্দর হবে।
🌾তৃতীয় মাসে সূরায়ে মারয়াম পড়লে সন্তান সবরকারী হবে।
🌾চতুর্থ মাসে সূরায়ে লোকমান পড়লে সন্তান হেকমত ওয়ালা হবে।
🌾পঞ্চম মাসে সূরায়ে মুহাম্মাদ পড়লে সন্তান চরিত্রবান হবে।
🌾ষষ্ঠ মাসে সূরায়ে ইয়াসিন পড়লে সন্তান জ্ঞানী হবে।
🌾সপ্তম,অষ্ঠম,নবম এবং দ্বশম মাসে সূরা-ইউসুফ,মুহাম্মদ এবং ইবরাহিম এর প্রথম থেকে দশ আয়াত পড়বে।
✓✓ ব্যাথা উঠলে সূরা-ইনশিকাক পড়ে পানিতে ফুক দিয়ে পান করবে।
আল্লাহ তাআ‘লা সকল গর্ভবতি মহিলাদেরকে উক্ত আমলগুলো করার তাওফীক দান করুন৷ আমীন!!

(((সংগৃহীত)))

Pregnant_mahiladar_amal-
🌾 The first month of Surah Al-Imran's recitation of the child will be expensive.
🌾 In the second month of Sura Yusuf, children will be beautiful.
The child will be patient while reciting Surat Mary in the third month.
🌾 In the fourth month, if the surah lokman is read, the child will be haiktanta.
If the Surah Muhammad reads in the fifth month, the child will be virtuous.
The child will be wise after reading the sura yasin in the sixth month.
The first ten verses of Surah Yusuf, Muhammad, and Ibrahim will be read in the seventh, seventh, ninth and twelfth month.
✓✓ When you get hurt, you will drink the water and drink it with water.
Allaah has given the gift of women to all pregnant women. Amin !!

(((Collected)))

Important Elaboration
29/08/2018

Important Elaboration

Education is the backbone of a nation.Types of Master Degree.Types of Master Degree, Full form of MA, MSc, MBA, LLM, MEng, MFA.

Address

Char Asia
6600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Instructive Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Instructive Media:

Share