Sufia Sharif Foundation

Sufia Sharif Foundation মানবতার কল্যাণে

26/04/2026
জার্মান দার্শনিক লুডভিগ ফয়েরবাখ (Ludwig Feuerbach) তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'দ্য এসেন্স অফ ক্রিশ্চিয়ানিটি' (The Essence of Ch...
26/04/2026

জার্মান দার্শনিক লুডভিগ ফয়েরবাখ (Ludwig Feuerbach) তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'দ্য এসেন্স অফ ক্রিশ্চিয়ানিটি' (The Essence of Christianity - ১৮৪১)-তে ঈশ্বর এবং ধর্ম সম্পর্কে এই বৈপ্লবিক মতবাদটি পেশ করেছিলেন। ফয়েরবাখ বিশ্বাস করতেন যে, ঈশ্বর কোনো বাস্তব, অতীন্দ্রিয় বা স্বয়ংসম্পূর্ণ সত্তা নন, বরং তিনি মানুষের কল্পনার ফসল।

ফয়েরবাখ কেন এই কথা বলেছিলেন, তার মূল কারণগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:

মানব প্রকৃতির প্রক্ষেপণ (Projection of Human Nature): ফয়েরবাখের মতে, মানুষ তার নিজের ভেতরের শ্রেষ্ঠ গুণগুলো—যেমন অসীম ভালোবাসা, জ্ঞান, করুণা, ন্যায়পরায়ণতা—এগুলোকে নিজের থেকে আলাদা করে একটি কাল্পনিক সত্তার ওপর আরোপ করে, যাকে আমরা 'ঈশ্বর' বলি। অর্থাৎ, ঈশ্বর হলেন মানুষেরই নিখুঁত বা আদর্শ রূপের প্রক্ষেপণ ল।

মানুষের সীমাবদ্ধতা ও ইচ্ছা:
মানুষ তার সীমাবদ্ধতা (সীমাবদ্ধ জ্ঞান, মৃত্যুভয়) সম্পর্কে সচেতন। এই সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে এবং নিজের কামনা-বাসনা পূরণের জন্য মানুষ ঈশ্বরের ধারণা তৈরি করেছে। যে গুণগুলো মানুষের নেই বা কম আছে, সেগুলোকে অসীম করে ঈশ্বরের মধ্যে স্থাপন করে মানুষ সান্ত্বনা খুঁজে পায়।

ঈশ্বর মানুষের দর্পণ:
ফয়েরবাখ বলেছিলেন, "ঈশ্বর মানুষ, মানুষ ঈশ্বর"—অর্থাৎ মানুষ নিজের সারসত্তাকে ঈশ্বরের মধ্যে দেখছে, কিন্তু বুঝতে পারছে না যে সে তার নিজেরই উপাসনা করছে। মানুষ ঈশ্বরকে তৈরি করেছে নিজের সুবিধামতো, যাতে নিজের অসহায়ত্বে সান্ত্বনা পায় এবং আদর্শিক জগত পায়।

ধর্মীয় বিচ্ছিন্নতা (Alienation):
ফয়েরবাখের মতে, মানুষ যখন তার নিজের গুণগুলোকে ঈশ্বরের গুণ হিসেবে পূজা করে, তখন সে নিজেকে ছোট ও দুর্বল মনে করে এবং নিজের ক্ষমতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফয়েরবাখ চেয়েছিলেন মানুষ যেন এই অলীক ঈশ্বরের উপাসনা ছেড়ে নিজের মানবীয় সত্তাকে ভালোবাসে ও মর্যাদা দেয় (মানবিকতাবাদ)।

মানুষের নিজস্ব সৃষ্টি:
তিনি মনে করতেন, ধর্ম মানুষের কল্পনার একটি বস্তুনিষ্ঠ রূপ। মানুষ নিজের মন থেকেই ঈশ্বরের ধারণা তৈরি করে এবং পরে সেই ধারণার কাছেই মাথা নত করে।

সংক্ষেপে:
ফয়েরবাখের মতে, ঈশ্বর মানুষকে সৃষ্টি করেননি; মানুষই নিজের প্রয়োজন, ভয়, আশা এবং উচ্চতর আদর্শকে বাস্তব রূপ দিতে ঈশ্বরকে সৃষ্টি করেছে।

লুডভিগ ফয়েরবাখ ❤️
(Ludwig Andreas von Feuerbach, ১৮০৪–১৮৭২) ছিলেন ১৯শ শতকের একজন প্রভাবশালী জার্মান বস্তুবাদী দার্শনিক, নৃবিজ্ঞানী এবং ধর্ম সমালোচক। তিনি মূলত ধর্মের যৌক্তিক সমালোচনা এবং হেগেলের ভাববাদের (Idealism) বিরুদ্ধে বস্তুবাদী অবস্থানের জন্য পরিচিত। কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের চিন্তাধারার ওপর ফয়েরবাখের গভীর প্রভাব ছিল।

লুডভিগ ফয়েরবাখের পরিচিতির মূল দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

১. জন্ম ও শিক্ষা:
জন্ম:
১৮০৪ সালের ২৮ জুলাই জার্মানির ব্যাভারিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন।

পারিবারিক পরিচয়:
তিনি বিশিষ্ট আইনজ্ঞ পল ফন ফয়েরবাখের চতুর্থ পুত্র ছিলেন।

শিক্ষা:
তিনি হাইডেলবার্গ এবং বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মতত্ত্ব এবং পরবর্তীতে হেগেলের অধীনে দর্শন অধ্যয়ন করেন।

২. দার্শনিক দর্শন ও চিন্তাধারা:
বস্তুবাদ (Materialism):
ফয়েরবাখ হেগেলের ভাববাদকে প্রত্যাখ্যান করে বস্তুবাদী দর্শনের প্রবর্তন করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষের চিন্তাই আসল, অস্তিত্বের বাইরে কোনো 'নিরাকার মন' বা 'ঈশ্বরের' অস্তিত্ব নেই।

ধর্ম সমালোচনা:
তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ হলো "দ্য এসেন্স অফ ক্রিশ্চিয়ানিটি" (The Essence of Christianity - ১৮৪১)। এই গ্রন্থে তিনি যুক্তি দেখান যে, ঈশ্বর মানুষের নিজস্ব গুণাবলী—যেমন প্রেম, জ্ঞান ও ইচ্ছাশক্তির—প্রতিচ্ছবি বা প্রক্ষেপণ (Projection) মাত্র। মানুষ নিজের দুর্বলতা বা গুণাবলীকে ঈশ্বর রূপে কল্পনা করে তার উপাসনা করে, যা মানুষকে তার নিজের প্রকৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।

মানবতাবাদ ও নৃবিজ্ঞান:
ফয়েরবাখ দর্শনকে আকাশকুসুম কল্পনা থেকে বের করে বাস্তব মানুষ ও তাদের চাহিদার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর মতে, দর্শনের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত 'মানুষ'।

৩. তরুণ হেগেলিয়ান (Young Hegelians):
ফয়েরবাখ 'তরুণ হেগেলিয়ান' নামক বুদ্ধিজীবী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য ছিলেন, যারা হেগেলের দর্শনের উদারনৈতিক ও নাস্তিক্যবাদী ব্যাখ্যা করতেন।

৪. মার্কসবাদের ওপর প্রভাব:
কার্ল মার্কস ফয়েরবাখের বস্তুবাদ দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন, বিশেষ করে ধর্মের সমালোচনায়। যদিও পরবর্তীতে মার্কস ফয়েরবাখের ধারণার সীমাবদ্ধতা নিয়ে সমালোচনাও করেছিলেন।

৫. উল্লেখযোগ্য কাজ:
Thoughts on Death and Immortality (১৮৩০)
The Essence of Christianity (১৮৪১)
Principles of the Philosophy of the Future (১৮৪৩)

ফয়েরবাখ তাঁর জীবনের শেষভাগে নিভৃত জীবনযাপন করেন এবং ১৮৭২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে জার্মান দর্শন থেকে মার্কসবাদে উত্তরণের অন্যতম সেতু হিসেবে গণ্য করা হয়।

তথ্য: উইকিপিডিয়া
সংগ্রহ: মৃণাল নন্দী

কার্ল মার্ক্স (Karl Marx) ধর্মকে "মানুষের তৈরি এক সুন্দর জগত যা বাস্তবে নেই" বা "জনগণের আফিম" (O***m of the people) হিসে...
23/04/2026

কার্ল মার্ক্স (Karl Marx) ধর্মকে "মানুষের তৈরি এক সুন্দর জগত যা বাস্তবে নেই" বা "জনগণের আফিম" (O***m of the people) হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন, কারণ তিনি মনে করতেন ধর্ম পুঁজিবাদী সমাজে নিপীড়িত ও শোষিত মানুষের কষ্ট ভুলিয়ে রাখার একটি মানসিক নেশা বা সান্ত্বনা হিসেবে কাজ করে।

তার এই মন্তব্যের পেছনের মূল কারণগুলো হলো:
নিপীড়নের সান্ত্বনা:
মার্ক্স ধর্মকে "নিপীড়িত প্রাণীর দীর্ঘশ্বাস" হিসেবে দেখেছিলেন। বাস্তব জীবনে মানুষ যখন দারিদ্র্য, শোষণ ও কষ্টের শিকার হয়, তখন তারা ধর্মের আশ্রয়ে পরকালে সুখের বা স্বর্গীয় শান্তির কল্পনা করে আরাম খোঁজে, যা বাস্তবে নেই।

আফিমের মতো নেশা:
ঠিক যেমন আফিম শারীরিক ব্যথা কমিয়ে দেয় কিন্তু রোগের মূল কারণ দূর করে না, তেমনি ধর্মও মানুষের ইহলৌকিক কষ্ট লাঘব করে এবং কষ্ট সহ্য করার মানসিক শক্তি দেয়। মার্ক্স মনে করতেন, এই মানসিক সান্ত্বনা মানুষকে তাদের বাস্তব শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে বাধা দেয়।

কল্পিত জগত:
মার্ক্সের মতে, মানুষ তার বাস্তব জীবনে যে সুন্দর জগত পায় না, ধর্ম কল্পনার মাধ্যমে সেই জগতের অস্তিত্ব তৈরি করে। এটি একটি "উল্টানো জগত" (inverted world), কারণ এটি কষ্ট দূর না করে কষ্টকেই মহিমান্বিত করে।

শ্রেণি শোষণের হাতিয়ার:
তিনি বিশ্বাস করতেন, শাসক শ্রেণী (bourgeoisie) ধর্মকে একটি আদর্শগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে, যাতে শোষিত শ্রেণী (proletariat) তাদের ভাগ্যকে ঈশ্বরের ইচ্ছা বলে মেনে নেয় এবং সামাজিক পরিবর্তনের দাবি না তোলে।

সংক্ষেপে:
মার্ক্স ধর্মের অস্তিত্বকে বাস্তব জগতের কষ্ট এবং শোষণের প্রতিফলন হিসেবে দেখেছেন এবং মনে করতেন যে, এই কল্পিত সুন্দর জগত মানুষকে বাস্তব মুক্তির সংগ্রাম থেকে দূরে সরিয়ে রাখে।

কার্ল মার্ক্স ❤️
(১৮১৮–১৮৮৩) ছিলেন একজন বিখ্যাত জার্মান দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, সমাজবিজ্ঞানী এবং বিপ্লবী। তাঁকে আধুনিক সাম্যবাদের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়। ফ্রেডরিখ এঙ্গেলসের সাথে মিলে তিনি যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তত্ত্ব প্রচার করেন, তা বিশ্বজুড়ে মার্ক্সবাদ নামে পরিচিত।

জীবন ও দর্শন:
জন্ম ও শিক্ষা:
১৮১৮ সালের ৫ মে জার্মানির ট্রায়ারে একটি ইহুদি পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। তিনি বন এবং বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন ও দর্শন নিয়ে পড়াশোনা করেন।

প্রধান কাজ:
মার্ক্স পুঁজিবাদের কড়া সমালোচক ছিলেন। তাঁর মতে, ইতিহাস হলো শ্রেণি সংগ্রামের ইতিহাস, যেখানে বুর্জোয়া (মালিক পক্ষ) ও প্রলেতারিয়েতের (শ্রমিক শ্রেণী) দ্বন্দ্ব অনিবার্য।

বিখ্যাত গ্রন্থসমূহ:
দ্য কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো (১৮৪৮):
এটি সাম্যবাদের মূল ঘোষণা।

ডাস ক্যাপিটাল (১৮৬৭):
এই বিশাল গ্রন্থে তিনি পুঁজিবাদের অভ্যন্তরীণ সংকট ও শ্রমের শোষণ নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন।

মূল তত্ত্বসমূহ:
দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ, ঐতিহাসিক বস্তুবাদ এবং
উদ্বৃত্ত মূল্য তত্ত্ব তাঁর দর্শনের ভিত্তি।
মার্ক্স মনে করতেন, দার্শনিকরা জগতকে শুধু ব্যাখ্যাই করেছেন, কিন্তু আসল কাজ হলো একে পরিবর্তন করা।

১৮৮৩ সালের ১৪ মার্চ লন্ডনে তাঁর মৃত্যু হয়। আজও বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে তাঁর চিন্তা অত্যন্ত প্রভাবশালী।

তথ্য: উইকিপিডিয়া
সংগ্রহ: মৃণাল নন্দী

09/12/2025

♦️যাঁরা পৃথিবীকে বদলে দিতে গিয়ে নিজেরাই হারিয়ে গেলেন—বিজ্ঞান যাদের জীবন কেড়ে নিয়েছিল!

♦️বিজ্ঞান আমাদের জীবন বদলে দেয়, সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যায়, অন্ধকার থেকে আলো এনে দেয়। কিন্তু ইতিহাসে এমন কিছু বিজ্ঞানীর গল্প আছে যাঁদের নিজের আবিষ্কারই শেষ পর্যন্ত তাদের জীবন কেড়ে নিয়েছে। এই মানুষগুলো শুধু গবেষণাগারে বসে কাজ করেননি—তারা নিজেদের জীবনকে বাজি রেখে সত্যের খোঁজ করেছিলেন। আজ তাদের সেই অজানা, হৃদয়বিদারক কয়েকটি গল্প আপনাদের শেয়ার করলাম।

♦️ #মেরি_কুরি—তেজস্ক্রিয়তার জননী। রেডিয়াম ও পোলোনিয়াম আবিষ্কার করে তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানে নতুন যুগের সূচনা করেন। কিন্তু তখন কেউ জানত না রেডিয়েশনের ভয়াবহ ক্ষতি। তিনি খালি হাতে রেডিয়াম ধরতেন, পকেটে রাখতেন। দীর্ঘদিনের বিকিরণে তার শরীর ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ে। শেষ পর্যন্ত তিনি মারা যান অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়ায়। বিজ্ঞানকে আলো দিতে গিয়ে নিজেই নিজের জীবন বাতি নিবিয়ে ফেলেছিলেন।

♦️ #লুই_স্লোটিন—পারমাণবিক গবেষণার এক সাহসী বিজ্ঞানী। তিনি প্লুটোনিয়াম নিয়ে পরীক্ষা করছিলেন যখন একটি ধাতব যন্ত্র তার হাত থেকে পিছলে যায়। মুহূর্তের মধ্যে ঘটে যায় মারাত্মক নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া। তিনি এতটাই রেডিয়েশনে আক্রান্ত হন যে মাত্র ৯ দিনের মধ্যে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে ইতিহাসে “ডেমন কোর দুর্ঘটনা” বলা হয়।

#আলেকজান্ডার_লিটভিনেনকো—তার মৃত্যু যেন সিনেমার গল্প। তাকে পোলোনিয়াম-২১০ মেশানো চা খাওয়ানো হয়। এই তেজস্ক্রিয় বিষ তার শরীরকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দেয়। মৃত্যুর আগে তিনি নিজেই বলে গিয়েছিলেন তাকে তেজস্ক্রিয় বিষ দিয়ে মারা হয়েছে। এটি ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত রেডিয়েশন হত্যাকাণ্ড। (বিঃদ্রঃ তিনি বিজ্ঞানী নন, তিনি একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন)

#থমাস_মিডগলি_জুনিয়র—তিনি আবিষ্কার করেছিলেন লেডযুক্ত পেট্রল ও CFC গ্যাস। আজ আমরা জানি এই দুটি আবিষ্কার পৃথিবীর জন্য কতটা ক্ষতিকর ছিল। পরবর্তীতে তিনি পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন এবং নিজেকে উঠাতে একটি দড়ির যন্ত্র বানান। সেই যন্ত্রেই তিনি শ্বাসরোধ হয়ে মারা যান। নিজের আবিষ্কার যেমন পৃথিবীকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তেমনি নিজের বানানো যন্ত্রেই তার মৃত্যু হয়।

#কার্ল_উইলহেল্ম_শিলে—তিনি অক্সিজেন, ক্লোরিন ও অনেক বিষাক্ত গ্যাস আবিষ্কার করেন। সেই সময় বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক চেখে পরীক্ষা করতেন। তিনিও তাই করতেন। বছরের পর বছর আর্সেনিক ও পারদের বিষ তার শরীরে জমতে থাকে। অল্প বয়সেই বিষক্রিয়ায় তার মৃত্যু হয়।

#জর্জ_উইলহেল্ম_রিচম্যান—তিনি বজ্রপাত থেকে বিদ্যুৎ সংগ্রহের চেষ্টা করছিলেন। একদিন পরীক্ষার সময় সরাসরি বজ্রাঘাত লাগে তার মাথায়। তিনি সঙ্গে সঙ্গে মারা যান। বিজ্ঞান ইতিহাসে তিনিই একমাত্র বিজ্ঞানী যিনি বজ্রপাতের পরীক্ষায় সরাসরি প্রাণ হারান।

এই মানুষগুলো আমাদের শেখান—বিজ্ঞান শুধু বইয়ের বিষয় নয়, এটি সাহসের বিষয়, ত্যাগের বিষয়, এবং কখনো কখনো জীবনের শেষ মূল্য দিয়েও সত্যকে ছুঁয়ে দেখার বিষয়। আজ আমরা নিরাপদ গবেষণাগারে বসে কাজ করি, কারণ তাদের মতো মানুষরা নিজেদের জীবন দিয়ে আমাদের সেই নিরাপত্তার পথ তৈরি করে গেছেন।

#বিজ্ঞানমনস্ক #বিজ্ঞানপ্রেমী

ঝিনাইদহ সদরে প্রথমবার গিয়ে দোকানেদোকানে তাঁর ছবি চোখে পড়ে—কৌতূহল প্রশস্ত হয়, জানতে চায় মন।পরে জানতে পারি, তিনি একজন মহাম...
09/12/2025

ঝিনাইদহ সদরে প্রথমবার গিয়ে দোকানে
দোকানে তাঁর ছবি চোখে পড়ে—
কৌতূহল প্রশস্ত হয়, জানতে চায় মন।

পরে জানতে পারি, তিনি একজন মহামানব।
তাঁর কোনো দরবার নেই, আস্তানা নেই,
মাজার বা সমাধিস্থলও নেই।

তাঁর কোনো সন্ধান নেই—
হদিস নেই, তিনি নিখোঁজ।

তবু তিনি হারিয়ে যাননি মানুষের হৃদয় থেকে;
লোকোমুখের সম্মান ও ভালোবাসাতেই তিনি জীবিত।

ঝিনাইদহের সকল ধর্মের মানুষ—
সাধু–গুরু, পীর–ফকির, মাওলানা, দরবেশ, ঠাকুর, ফাদার, বৈষ্ণব, ব্রহ্মচারী— সাধারণ মানুষ
সবার কাছেই তিনি এক প্রিয় মানুষ।

মানুষই তাঁর আস্তানা,
মানুষের ভালোবাসাই তাঁর মাজার।
তিনি সেই মানবদরদী আত্মা—
দয়াল গুরু 🪷 গনি মাস্তান 🕊️

" আমরা  কি  কখনো মানুষ হবোনা ! "  মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব -এ কথা যেমন সত্য, আবার মানুষের মত জঘন্য সৃষ্টি পৃথিবীতে আর দ্বি...
03/12/2025

" আমরা কি কখনো মানুষ হবোনা ! "

মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব -এ কথা যেমন সত্য, আবার মানুষের মত জঘন্য সৃষ্টি পৃথিবীতে আর দ্বিতীয়টি নেই -যখন মানুষ তার মনুষত্ব হারিয়ে ফেলে | আল্লাহ পাক আমাকে মানুষ হিসেবে দয়া করে সৃষ্টি করেছেন -যেখানে আমি মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছি -আমার কোনো হাত ছিলোনা ! আল্লাহ পাক মানুষের কল্যাণে কুকুর বানিয়েছেন -কুকুর হওয়ার পিছনে কুকুরের কোনো হাত ছিলোনা ! আল্লাহ তো আমাকেও কুকুর বানাতে পারতেন, তিনি কৃপা করে আমাকে মানুষ বানিয়েছেন ! আমার মনে আমি ঐ কুকুরের থেকে অনেক অধম, কুকুর তার মনিবের প্রতি সব সময় সন্তুষ্ট -মানুষ যা খেতে দেয়,তাই সে খায়, কোনো অভিযোগ নেই তার I বরং বিপদের সময় -নিজের জীবন দিয়ে মনিবের জীবন রক্ষা করে ! কুকুর যেমন তার মনিবের প্রতি সব সময় খুশী থাকে, আমরা কি আমাদের রবের উপর সব সময় খুশী থাকি?

একটা বিড়াল, একটা কুকুর- আপনার কাছে কি চায় ? একটু খাবার ,একটু ভালোবাসা ! বিনিময়ে ওরা যা আপনাকে দেয়-সেটা কোনো মূল্য দিয়ে কেনা যায়না ! তাহলে কেন এতো নিষ্ঠূরতা ? কেন ?? আটটা বাচ্চা হারানোর বেদনা আপনার কানে কি পৌঁছেনা !! বোবা প্রাণী হয়তো কথা বলতে পারেনা -কিন্তু তার বেদনা -একজন মায়ের বাচ্চা হারানোর মতোই কষ্ট ! এক মায়ের সব বাচ্চাদের হারালে -যে কষ্ট হয় , মা কুকুরটা সেই কষ্টে জ্বলছে !! আহারে বোবা ধন!! কাকে বিচার দেবে সে !!

আপনি মানুষকে ভালোবাসেন না ! প্রাণীদেরকে ভালোবাসেন না ! নিজেকে ধার্মিক ভাবছেন ??

তাহলে আপনি বোকার স্বর্গে বাস করছেন ! আল্লাহর সৃষ্টিকে ভালোবাসা পক্ষান্তরে -সেটা আল্লাহকেই ভালোবাসা ! হাদিস কুরসীতে আল্লাহ পাক বলেন : " আমি গোপন ধনাগারে লুকায়িত ছিলাম , নিজেকে প্রকাশ করতে চাইলাম , তাই প্রেম দিয়ে আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি " | আর সেই প্রেম যদি আমার -আপনার মধ্যে না থাকে -তাহলে নিজেকে মানুষ দাবি করা যায়না !

পরিশেষে বলবো -যে বা যারা এই কুকুরের বাচ্চাগুলোকে মেরেছে -তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি | এই অবলা প্রাণীদের রক্ষায় -সরকার এমন কঠোর আইন পাশ করুক -যাতে ভবিষ্যতে কেউ কোনো প্রাণীকে মারা তো দূরের কথা - আঘাত করার সাহস না পায়!

আল্লাহর সৃষ্টিকে ভালোবাসুন -পৃথিবীর সব সৃষ্টিকে ভালোবাসুন | সব কিছু নিয়েই আমাদের এই পৃথিবীটা একটা পরিবার ! পৃথিবীটা একটা বাগান -এখানে সব রকম ফুল থাকবে | আমরা সবাই সেই ফুলের একটি অংশ ! আমরা যেন মনে রাখি " জীবে প্রেম করে যেইজন -সেইজন সেবিছে ঈশ্বর "!

রবুবিয়াত কোন ধর্মের কথা নহে। ইহা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের একটি স্বতঃসিদ্ধ বিধান। তাই হিন্দু- মুসলমান- বৌদ্ধ- খ্রিষ্টান সকল মানু...
27/11/2025

রবুবিয়াত কোন ধর্মের কথা নহে। ইহা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের একটি স্বতঃসিদ্ধ বিধান। তাই হিন্দু- মুসলমান- বৌদ্ধ- খ্রিষ্টান সকল মানুষের জন্য হুকুমতে রব্বানিয়া অর্থাৎ যে দেশে রবুবিয়াতের আদর্শ রাষ্ট্রীয় ভিত্তিতে কায়েম হইয়াছে, কল্যাণকর বৈ কিছু নয়। মুসলমানদের জন্য যিনি রব বা পালনকর্তা, বিবর্তনকারী প্রভু, হিন্দুর জন্য তিনিই একই বিধানে আলো-হাওয়া, ফল, পানি, বস্ত্র, খাদ্য সবই যোগাইতেছেন। একমাত্র রবুবিয়াতের আদর্শই মানুষে মানুষে ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করিতে পারে। রবুবিয়াতের আদর্শকে নফসানিয়াত অর্থাৎ আমার নিমিত্ত, আমার উদ্দেশ্য, আমার লক্ষ্য ইত্যাদি দৃষ্টিভঙ্গি, মূল্যবোধ, চিন্তাধারা লুপ্ত করিয়া ফেলে। আলেম-ওলামারা ও কমিউনিস্টরা দুই দিক হইতে জীবনের একই ব্যাখ্যা করিয়া বসেন যা সূক্ষ্ম ও সঠিক দৃষ্টিতে নফসানিয়াতরই নামান্তর। তাই নফসানিয়াত কখনো জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল মানুষের সমভাবে কল্যাণ সাধন করিতে পারে না, পারিবে শুধু রবুবিয়াত বা পালনবাদের ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় সকল সমস্যার সমাধান।
[হুকুমতে রব্বানিয়া : কী ও কেন (১৯৭৪); মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী]

Address

Village :/VT Jograrchor. Ps+po:/Bancharampur. District : Brahmanbaria
Brahmanbaria
3420

Telephone

+8801716029541

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sufia Sharif Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Sufia Sharif Foundation:

Share