হিকাহ ও ফতোয়া গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়া

  • Home
  • Bangladesh
  • Bogura
  • হিকাহ ও ফতোয়া গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়া
Website

হিকাহ ও ফতোয়া গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়া দেওবন্দী ধারায় পরিচালিত

14/09/2026

আসসালামু আলাইকুম।
ভাই আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমি একটি মাসআলা জানতে চাচ্ছি। আমাদের বাড়ির পাশে একজন হুজুর সাহেব তাবিজ ও ঝাঁড় ফুক দিয়ে চিকিৎসা করে। অনেক মানুষ সেখানে চিকিৎসার জন্য আসেন। এখন আমার জানার বিষয় হল যে, তার কাছে চিকিৎসার জন্য যাওয়া শরীয়তের দৃষ্টিতে অবৈধ হবে কিনা? দলিলসহ জানিয়ে উপকৃত করবেন।
وعليكم السلام و رحمة الله و بركاته
الجواب حامدا و مصليا
بسم الله الرحمن الرحيم
উত্তর -

যদি কোন কবিরাজ হারাম পদ্ধতিতে তাবীজ করে থাকে, কিংবা হারাম পদ্ধতিতে ঝাড়ফুঁক করে থাকে, তাহলে উক্ত কবিরাজের কাছ থেকে তাবীজ নেয়া বা ঝাড়ফুঁক করা জায়েজ নয়। অন্যথায় যদি হালাল পদ্ধতি চিকিৎসা করে তাহলে তার কাছে চিকিৎসা করা গ্রহন করা বৈধ্য হবে।

কুরআনের আয়াত বা হাদীসের দুআ কিংবা জায়েজ শব্দে তাবীজ ও ঝাড়ফুঁক করা বৈধ্য হবে।

কুরআনের আায়াত বা হাদিসের দুআ কিংবা জায়েজ শব্দ সমর্থিত নয় যেমন কুফরি শব্দ, হারাম শব্দ, তন্ত্র, মন্ত্র ইত্যাদি এইগুলো দিয়ে তাবিজ ও ঝাঁড়ফুক হারাম হিসেবে ধর্তব্য হবে।
الادلة الشريعة
শরীয়তের দলিলসমূহ

(1)
مسلم، كتاب السلام، باب لا بأس بالرقى مالم يكن فيه شرك، رقم-2200

(2)
رد المحتار، كتاب الحظر والإباحة-9/523

(3)
مرقاة المفاتيح، كتاب الطب والرقى، الفصل الأول-8/303-304، رقم-4528-4530

( 4)
فتح البارى، كتاب الطب، دار الفكر-10/195

(5)
فتح البارى-4/457، رد المحتار-9/523

(6)
رواه الحاكم-4/418، وقال صحيح الإسناد

(7)
سنن أبى داود، كتاب الطب، باب كيف الرقى-2/543

والله اعلم بالصواب

উত্তর লিখনে
মাওঃ মুফতি আবু হানিফ
ফাযেলে শাইখ সাঈদ আহমাদ পালনপুরী রহঃ ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার গাজীপুর, ঢাকা।

09/09/2026
আমাদের আল্লামা আব্দুল মালেক হাফিজাহুল্লাহ। সত্য প্রকাশে আপোসহীন।
09/09/2026

আমাদের আল্লামা আব্দুল মালেক হাফিজাহুল্লাহ। সত্য প্রকাশে আপোসহীন।

09/09/2026

বর্তমানে সংসদে পাশ হওয়া হিবাহ সংক্রান্ত আঈন কোরআন বিরুদ্ধী। দলিল ও যুক্তিসহ আলোচনা করছেন
আল্লামা মুফতি রেজাউল করিম আবরার হাফিঃ
#শরীয়ত #ইসলাম #মুসলমান হিকাহ ও ফতোয়া গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়া

09/09/2026

বর্তমানে সংসদে পাশ হওয়া হিবাহ সংক্রান্ত আঈন কোরআন বিরুদ্ধী। দলিল ও যুক্তিসহ আলোচনা করছেন
আল্লামা মুফতি রেজাউল করিম আবরার হাফিঃ
#ইসলাম #মুসলমাম #বাংলাদেশ
হিকাহ ও ফতোয়া গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়া

01/09/2026

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, "যদি কোনো ব্যক্তি তার কোনো মুসলিম ভাইকে 'কাফের' বলে, তবে এই কুফরির হুকুম দুজনের যেকোনো একজনের ওপর অবশ্যই পতিত হবে" (সহীহ বুখারী)। তাই না জেনে বা রাগের বশে কোনো মুসলিমকে কাফের বলা মারাত্মক গুনাহের কাজ।
Mufti Abu Hanif Bogura

28/08/2026

২৮/০৮/২০২৬ ইং
আজকে বগুড়া সেন্টার মসজিদে
মুতাল্লিমে ইসলাম
আল্লামা ইলিয়াস গুম্মান হাফিঃ পাকিস্তান
হযরত দালিলিক আলোচন করেছেন। নবী করিম সাঃ এর মর্যাদা, নামাজে ইমামের পিছনে মুক্তাদির সূরা ফাতেহা না পড়া, খতমে নবুওয়াত ও মে'রাজ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। শায়খের আলোচনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও দলিল ভিত্তিক ছিল।

28/08/2026

মুসলমানদের ফিতনার সময়ে করণীয় বিষয়ক
মূলনীতি হলো: হক স্পষ্ট হলে হকের সাহায্য করতে হবে; আর হক অস্পষ্ট হলে ফিতনা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে। [ইনআমুল বারী-১/৪৬৭-৪৬৮]

28/08/2026

মুসলমানদের ফিতনার সময়ে করণীয়

যখন দুই মুসলিম দলের মধ্যে সংঘাত বা যুদ্ধ শুরু হয়, তখন এ বিষয়ে মূলত দুটি অবস্থা হতে পারে।

প্রথমত, যদি দলিলের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, কোন দল হকের ওপর এবং কোন দল বাতিলের ওপর; অথবা কে জালিম ও কে মজলুম—তাহলে হকের পক্ষ নেওয়া শুধু জায়েজ নয়, পরিস্থিতিভেদে তা দায়িত্বও হয়ে যায়। আল্লাহ তাআলা বলেন:

فَإِنْ بَغَتْ إِحْدَاهُمَا عَلَى الْأُخْرَىٰ فَقَاتِلُوا الَّتِي تَبْغِي حَتَّىٰ تَفِيءَ إِلَىٰ أَمْرِ اللَّهِ
“যদি তাদের একদল অপর দলের ওপর সীমালঙ্ঘন করে, তবে যে দল সীমালঙ্ঘন করেছে, তার বিরুদ্ধে লড়াই করো, যতক্ষণ না তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে।” [সূরা আল-হুজুরাত: ৯]

অতএব, হক যখন সুস্পষ্ট হয়ে যায়, তখন হকের সাহায্য ও সমর্থন করাই কর্তব্য।

দ্বিতীয়ত, যদি হক-বাতিল বা জালিম-মজলুম নির্ণয় করা সম্ভব না হয়, তাহলে ফিতনা থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকাই করণীয়। বিশেষত, যদি উভয় পক্ষই বংশ, ভাষা, জাতি, দলীয় স্বার্থ বা দুনিয়াবি অন্ধতার ভিত্তিতে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তাহলে কোনো পক্ষ নেওয়া উচিত নয়। একইভাবে, উভয় পক্ষ দ্বীনের দাবি করলেও যদি তাদের দলিলের মধ্যে কোনটি অধিক শক্তিশালী তা নির্ণয় করা সম্ভব না হয়, তাহলেও ফিতনা থেকে দূরে থাকাই নিরাপদ।

ফিতনার সময় এ কারণেই হাদীসে ঘরে অবস্থান করা, সংঘর্ষে জড়িয়ে না পড়া এবং নিজের অস্ত্র পর্যন্ত ভেঙে ফেলার মতো কঠোর নির্দেশনা এসেছে। উদ্দেশ্য হলো—যে বিষয়ে হক স্পষ্ট নয়, সেখানে আবেগ, দলীয় পক্ষপাত বা অনুমানের ভিত্তিতে এমন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া, যাতে মানুষ নিজেই ফিতনার শিকার হয়ে যায়।

সুতরাং মূলনীতি হলো: হক স্পষ্ট হলে হকের সাহায্য করতে হবে; আর হক অস্পষ্ট হলে ফিতনা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে। [ইনআমুল বারী-১/৪৬৭-৪৬৮]

লেখক
মুফতি লুৎফর রহমান ফরায়েজী দাঃবাঃ

08/02/2026

জামিয়া মাহমুদিয়া হিফজুল কোরআন মাদরাসা বগুড়ায় দুইজন খাদেম লাগবে।

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন >
( imo, WhatsSpp) ০১৭৪১৫০১০৭৪ @হাইলাইট করুন জামিয়া মাহমুদিয়া হিফজুল কোরআন মাদরাসা, বগুড়া

Address

Talora
Bogura
5881

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হিকাহ ও ফতোয়া গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share