17/09/2026
আমতলীতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দুই টিয়াসহ ৭ পাখি অবমুক্ত
আমতলীতে খাঁচায় আটকে রেখে বিক্রির সময় দুটি টিয়াপাখি, দুটি অস্ট্রেলিয়ান ঘুঘু ও তিনটি দেশি ঘুঘুসহ মোট সাতটি পাখি উদ্ধার করে অবমুক্ত করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আমতলী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন বাজার এলাকায় ‘পাখি সাজঘর’ থেকে পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নেওয়ার পর সেগুলো বনে অবমুক্ত করা হয়।
জানা গেছে, পটুয়াখালী এনিম্যাল লাভারসের টিম লিডার মো. আমিরুল ইসলাম ও সহযোগী টিম লিডার তুষার আহমেদের কাছ থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে আমতলী উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. মনিরুল হক অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় পাখি সাজঘরের মালিক মো. কবির হোসেন ওরফে ‘পাখি কবিরের’ কাছ থেকে খাঁচায় আটক অবস্থায় দুইটি টিয়াপাখি, দুইটি অস্ট্রেলিয়ান ঘুঘু ও তিনটি দেশি ঘুঘু উদ্ধার করা হয়।
পটুয়াখালী এনিম্যাল লাভারসের আমতলী উপজেলা টিম লিডার মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, “উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা আমাদের কাজে অনুপ্রাণিত করে।”
আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন, ২০১২-এর ১৮(ক) ধারায় বন্যপ্রাণী শিকার, ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, জবরদখলে রাখা ও পাচার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ বিষয়ে পাখি সাজঘরের মালিকের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে এবং উদ্ধার করা সাতটি পাখি বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পটুয়াখালী এনিম্যাল লাভারস টিমের সদস্যদের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। পাশাপাশি অবৈধভাবে পাখি শিকার ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।