21/05/2026
❝Thousands of Ramishas in this country will fade away too soon — sacrificing their lives without committing any crime, while the most heinous criminals, even after being identified, will continue to live on❞
ভিক্টিম হারিয়ে গেল—
অন্যায় না করেও তাকে এবং তার পরিবারকে ভোগ করতে হলো নির্মম শাস্তি।
কিন্তু যারা প্রকৃত অপরাধী,
যারা একটি জীবন, একটি পরিবার, একটি স্বপ্ন ধ্বংস করে দিল—
তারা এখনো শ্বাস নিচ্ছে স্বাভাবিকভাবে।
কী নির্মম এই বাস্তবতা!
যে মানুষটা চিরতরে বিদায় নিল,
তার বিচার এখনো অপেক্ষমাণ।
অপরাধী এখনো আকাশ দেখে, আলো দেখে, মানুষ হয়ে বেঁচে থাকে—
আর নিরপরাধ মানুষগুলো
বেদনা, কান্না আর শূন্যতায় বিলীন হয়ে যায়।
এই দেশে সত্যকে সত্য বলতে ৯০ দিন লাগে,সত্যকে মেনে নিতে দিনের পর দিন কেটে যায়,সত্যতা শনাক্ত হওয়ার পরেও তার বিচার করার আগেই অপরাধীর সংখ্যা দ্বিগুন থেকে বহুগুন হয়ে যায়।অপরাধীর আর শাস্তি পাওয়া হয় না,নিউজফিড কিছুদিন পর নতুন কোনো নিউজে মেতে থাকবে(মধু মধু,কি রাগ করলা বা পরি মনি আজকে দুপুরে কি রান্না করল,কোন কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের কি হলো),নতুন কোনো ছাপরির পিছনে সাংবাদিকরা ছোটাছোটি করবে,ততদিনে পুরনো শোক ভুলে আবার কিছুদিন নতুন শোক নিয়ে মাতামাতি হবে।একদিকে অপরাধীর সংখ্যা বেড়ে যাবে অন্যদিকে মায়ের কোল খালি হতে থাকবে।
কী ভয়াবহ, কী করুণ এক ব্যঙ্গ!
তারপরও দেখা যাবে—
সময় পার হবে, শোক পুরোনো হবে,
কিন্তু অপরাধীরা তখনো বেঁচে থাকবে।
শুধু একটা বার কি প্রকাশ্য এমন অপরাধীকে মৃত্যুদন্ড দেয়া যায় না যেভাবে করে অপরাধী ভিক্টিমের চোখের আলো নিভিয়ে দিলো,ঠিক সেই ভাবে বা তার থেকেও করুন ভাবে।একটা বার কি যায় না?
অদ্ভুত এই সমাজ—
এখানে অপরাধীরা ভয়ংকর অপরাধ করেও জীবন পায়,
আর ভুক্তভোগীরা নির্দোষ হয়েও
চিরস্থায়ী অন্ধকারে হারিয়ে যায়।
প্রশ্ন শুধু একটাই—
আর কত আচিয়া থেকে রামিশা নিঃশব্দে হারিয়ে গেলে
বিচারকের ঘুম ভাঙবে?