10/08/2024
✅Lifan Kpr Fi Nbf2 তার সাথে পথ চলা ২৩,০০০ কি:মি:
✅সব কিছু স্টক পার্টস ব্যবহার করতেছি
✅ ২ টা জিনিস পরিবর্তন ১/ মনোশক ২/চেইন স্পোকেট সেট
✅হরনেট মনোশক লাগানোর পরে বাইক স্মুথ হয়েছে অনেক পাশাপাশি কোন স্পিড ব্রেকারে বাইক বাজেনা।
✅এখনও এভারেজ মাইলেজ পাচ্ছি ৪৪/৪৭ এমন আলহামদুলিল্লাহ
✅ আমার গাড়িটা এখনও যার নজরেই পরে সেই বলে গাড়ি একদম নতুনের মতো। সত্যি বলতে নিজের চেয়ে বাইকের যত্ন বেশি নেই সব সময়ই।
✅মোবিল ইউজ করি ফুল সিন্থেটিক। মোবিল পরিবর্তন করি ২৫০০/৩০০০ এর মধ্যে সব সময়
✅প্রতিবার মোবিল পাল্টানোর সময় মোবিল ফিল্টার এবং এয়ারফিল্টার ভালভাবে ক্লিন করি।
✅একবার fi ক্লিন করেছি
✅ব্যাক চ্যাসিস বুশ দুইবার ক্লিন এবং গ্রিজ করেছি
✅ব্যাটারি পরিবর্তন করেছি ২১,০০০ কি:মি: পরে এখন Hamko ব্যবহার করতেছি
✅প্লাগ পাল্টাইছি একবার এবং বল রেসার পাল্টাইছি একবার এবং সিঙ্গেল ওয়েল সিল পাল্টাইছি একবার
✅ট্যাসলক সিকিউরিটি এবং জি পি এস কম্বো ইউজ করতেছি আলহামদুলিল্লাহ। এই জি পি এস এর জন্য কখনোই কোন সমস্যায় আমি পরিনি আলহামদুলিল্লাহ।
✅স্টক টায়ারের গ্রিপ এখনও যথেষ্ট ভাল লেভেলে আছে।
✅স্টক ব্রেক পেড এখনও যা আছে তা দিয়ে আরও কমপক্ষে ৩,০০০+ চালানো যাবে
✅আমি বাইক রাইডিং এর ক্ষেত্রে সর্বদাই ইঞ্জিন ব্রেকে অভ্যস্ত
✅কেনার পর থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত সেম এনার্জি এবং সেম পারফর্ম পাচ্ছি। এখনও রাইডিং করা অবস্থায় নতুন বাইকের মতই পারফর্ম ফিল করি।
✅সিটির বাহিরে যারা থাকেন অথবা রাজধানীর বাহিরে যারা থাকেন তাদের জন্য বাজেট অনুযায়ী পারফেক্ট বাইক এটা।
✅আর হাইওয়ে তে ব্যবহারের জন্য মিড বাজেটের সেরা বাইক আমি বলবো।
✅আমি একটানা কোন বিরতি ছাড়া বেশ কয়েকবার চুয়াডাঙ্গা থেকে পিরোজপুর চরখালী ফেরীঘাটে গিয়েছি। আবার ঢাকা টু সাতক্ষীরা এবং সাতক্ষীরা টু ঢাকা কোন বিরতি ছাড়া রাইড করেছি। বাইকের লিকুইড কুলিং উইথ রেডিওটর ইঞ্জিনের পারফর্ম ডাউন হয় কিনা সেটা টেস্ট করার জন্য।আলহামদুলিল্লাহ বাইক ক্ষণিকের জন্যও ক্লান্ত হয়নি।
✅লং রাইড যেমন চুয়াডাঙ্গা টু বরগুনা আপ-ডাউন প্রতি মাসে একবার, ঢাকা টু সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া টু কুয়াকাটা আপ-ডাউন, চুয়াডাঙ্গা টু ঢাকা আপ-ডাউন, চুয়াডাঙ্গা টু মাওয়া আপ-ডাউন,
✅১২ হাজার rpm এর বাইক, এক্সপ্রেস ওয়েতে টপ স্পিড ১৪৮ পেয়েছি ১০ হাজার ৫০০ rpm এ, এরপর বাইকের মায়ার কারণে আর rpm ফাটাতে ইচ্ছে করেনি।কারণ মাথায় কাজ করতেছিল যে টপ চেক করলে তো আর আমি বিরাট কোন পুরষ্কার পাবোনা সুতরাং শুধুশুধু বাইকে প্রেশার দেয়ার দরকার নাই। এর পর আর কখনোই টপ চেক দেইনি। আর এই টপ চেক দিয়েছিলাম বাইকের ১৫,০০০ রাইডিং বয়স অতিক্রম করার পরে।
✅৯ হাজার rpm থেকে ৯ হাজার ৫০০ rmp এর মাঝে বাইক রাইডিং এর ক্ষেত্রে বেশ কয়েকবার আমি ১৩৫ এবং ১৩৮ স্পিড পেয়েছি
✅আমার বাইক ৫,৮০০/৬,০০০ rpm এর মাঝে ইজিলি ৮০ ধরে আর বরাবর ৭ হাজার rpm এ ইজিলি ১০০ ধরে এবং ৮,২০০/৮,৩০০ rpm এর মাঝে ইজিলি ১২০ ধরে।
✅আমি ৮০/১০০ এর মাঝে এভারেজ স্পিড বজায় রেখে বাইক রাইড করতে সব থেকে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।
✅আমার বন্ধু ভাই ব্রাদারদের মাঝে যাদের বাইক সব সময় টিপটপ থাকে এবং ইঞ্জিন পারফর্ম ভাল থাকে তাদের থেকে খোজ নিয়েছি যে তারা কোন গ্যারেজে কাজ করায় অতঃপর আমিও সেইসব জায়গায় টুকটাক কিছু কাজ করিয়ে জাস্টিফাই করেছি আসোলেই গ্যারেজ মেকানিক যত্নের সাথে কাজ করেন কিনা। অতঃপর আমি এমন একজনকে পাই যার বাইকের কাজ করা দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে যাই। তিনি খুবই যত্নের সাথে ঠান্ডা মাথায় ধীরা সুস্থে পারফেক্ট ভাবে বাইকের কাজ করেন। তাই আমি বলবো আপনি এমন জায়গা থেকে কাজ করাবেন যে আপনার বাইকের যত্ন নিয়ে কাজ করবে আর আপনার বাইক কে মূল্যায়ন করবে।
⛔ইমার্জেন্সি কাজ,বাজারঘাটে যাওয়া এইসবের জন্য kpr fi nbf2 একদমই নয়
⛔রাজধানীতে রাইড করলে অথবা জ্যামের মধ্যে রাইড করলে এবং দেশের অন্যান্য যেইসব সিটিতে জ্যাম বেশি থাকে সেইসব জায়গায় রাইড করলে ইঞ্জিন হিট ইস্যু পাবেন
⛔তবে এই বাইক টা সিটিতে ইউজের জন্য একদমই কম্ফোর্ট নয় পাশাপাশি অনেক প্যারাও খেতে হয়।
তবে সিটি ইউজের জন্য কমিউটার বাইকের কোন বিকল্প নেই আমি মনে করি।
⛔একটা সমস্যা শুরু থেকেই ফেস করতেছি সেটা হচ্ছে রাইডিং করার ক্ষেত্রে যখন স্পিড ব্রেকার অতিক্রম করার জন্য যখন বাইক ফুল স্লো করি অথবা কোন বরোসরো ভাঙ্গা অতিক্রম করার জন্য ফুল স্লো করি তখন মাঝেমধ্যে প্রায়ই স্টার্ট অফ হয়ে যায়। তা ছাড়া বিন্দুমাত্র কোন সমস্যা আমার বাইকে নেই আলহামদুলিল্লাহ। আর এটায় এখন আমি অভ্যস্ত। তবে জানিনা কি কাজ করালে বা কি পরিবর্তন করালে এই রোগ থেকে মুক্তি পাব।
⛔স্টক মনোশক থাকা কালীন বাংলাদেশের ৯০% স্পিড ব্রেকারে বাইক বেজে যাবে।
বিদ্র: আমি বাইক কেনার আগে আমি আমার রাডিং চাহিদা বিবেচনা করে বাজেট অনুযায়ী বাইক কিনেছি।
আমার রেডি পিকাপ এবং বেশি টর্ক দরকার কেননা আমার হাইওয়ে তে বাইক চালানো হয় বেশি পাশাপাশি আমার ডান পাশ দিয়ে কেও আমাকে অবহেলা করে বা তাচ্ছিল্য করে বের হলে তাকে ধাওয়া দিয়ে ওভারটেক করা এটা আমার শিরা-উপশিরায় বহমান। আর আমার ইনকাম কম তাই মাইলেজ ভাল দরকার ছিল।
তাই আমি আমার বাজেট অনুযায়ী শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ।
পাশাপাশি বন্ধুরা মিলে একসাথে বসলে তাদের বাইকের সাথে যাতেকরে আমার টাও সামঞ্জস্য বজায় রাখতে পারে আবার রাইডে বের হলে ভাল পজিশন ধরে রাখতে পারে। এইসকল বিবেচনা করেই আমি এই বাইক নিয়েছি।
তবে কমিউটার সেগমেন্টের বাইক হাইওয়েতে lifan kpr fi nbf2 এর সামনে টিকতে পারেনা। আমি আমার বাইকের সামনে কখনো কোন কমিউটার বাইক কে টিকতে দেখিনি এখন পর্যন্ত। জাস্ট পিকাপ দিলেই কমিউটার হারাইয়া যায়। Rtr 4v & 2v এরাও kpr fi nbf2 এর সামনে হাইওয়েতে টিকতে পারেনা।
ছবি দুইটা ২৩ হাজার অতিক্রম হবার পরের ছবি
ধৈর্য ধরে পরার জন্য আন্তরিক ভালবাসা ও ধন্যবাদ ❤️