05/02/2026
#আনুষ্ঠানিক_বিবৃতি
শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি—এই নামটি আজ কেবল একজন মানুষের নয়, এটি একটি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার দলিল, একটি জাতির বিবেকের সামনে দাঁড় করানো রক্তাক্ত প্রশ্ন।
আমরা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও দৃশ্যমান বিচার এখনো নিশ্চিত হয়নি। ন্যায়বিচার যখন বিলম্বিত হয়, তখন তা অবিচারে রূপ নেয়—ইতিহাস আমাদের এই শিক্ষা বারবার দিয়েছে।
শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চ–এর পক্ষ থেকে জাবের ভাইয়ের নেতৃত্বে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি কোনো ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থে নয়; এটি একটি নৈতিক ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ।
ইনসাফ বাংলা কমিটি এই গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়া আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে।
আমরা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করছি—
সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই, তা যে-ই করুক, যে পরিচয়েই হোক।
কারণ ইনসাফ কোনো নির্বাচনী স্লোগান নয়, ইনসাফ হলো সভ্য রাষ্ট্রের ভিত্তি।
আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে আমাদের সদস্যদের সরাসরি সম্পৃক্ততা এই সত্যই প্রমাণ করে যে, ইনসাফ বাংলা কমিটি আপসের এবং আধিপত্যের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। আমরা ক্ষমতার ভাষায় নয়, ন্যায়ের ভাষায় কথা বলি।
সাধারণ জনগণের মধ্যে যে বক্তব্য উচ্চারিত হচ্ছে—
“জাবের ভাইয়ের ওপর একটা ফুলের টোকাও যদি লাগে, তাহলে যমুনাতেই আরেকটা বিপ্লব হয়ে যাবে”—
এই বক্তব্য কোনো হুমকি নয়; এটি রাষ্ট্রের প্রতি একটি সতর্ক উচ্চারণ। এটি প্রমাণ করে, জনগণের ধৈর্য সীমাহীন নয় এবং ন্যায়বিচারকে অবহেলা করলে তার রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া অনিবার্য।
আমরা রাষ্ট্রকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই—
নিরাপদ প্রতিবাদ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
ন্যায়ের দাবি দমন করা নয়, বাস্তবায়ন করাই রাষ্ট্রের কর্তব্য।
ইনসাফ বাংলা কমিটি শান্তিপূর্ণ আন্দোলন, ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতি এবং জনগণের অধিকার রক্ষার প্রশ্নে আপসহীন থাকবে।
শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।
ন্যায় প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কণ্ঠ স্তব্ধ হবে না।
ইনসাফ বাংলা কমিটি,
ন্যায়, স্বাধীনতা ও গণমর্যাদার পক্ষে ৷
#শহীদ #শরীফ #ওসমান #বিন #হাদি #হত্যা #জাবের