Al Islam Foundation - AIFA

Al Islam Foundation - AIFA Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al Islam Foundation - AIFA, Non-Governmental Organization (NGO), Barisal.

আপনারা মন খুলে আমাদের সমালোচনা করুন....  প্রধান উপদেষ্টাঅন্তর্বর্তী সরকার সংবাদমাধ্যম ও মত প্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্...
11/09/2024

আপনারা মন খুলে আমাদের সমালোচনা করুন.... প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকার সংবাদমাধ্যম ও মত প্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, সবাইকে বলে দিয়েছি, আপনারা মন খুলে আমাদের সমালোচনা করুন।

অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের এক মাস পূর্তি উপলক্ষে বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সংবাদমাধ্যম ও মত প্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা ইতোমধ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে। আমরা সবাইকে বলে দিয়েছি, আপনারা মন খুলে আমাদের সমালোচনা করুন। আমরা সবার মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

গণমাধ্যম যাতে কোনো বাধা-বিপত্তি ছাড়াই নির্বিঘ্নে তাদের কাজ করতে পারে, সেজন্য মিডিয়া কমিশন গঠন করা সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান ড. ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যেসব কমিশন সরকারসহ অন্য সবাইকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারে, আমরা তাদের পুনর্গঠন ও সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি যাতে তারা আরও শক্তিশালী হয়, জনকল্যাণে কাজ করে।

সন্ত্রাস দমন আইন ও ডিজিটাল বা সাইবার নিরাপত্তা আইনে দায়েরকৃত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহার করা হচ্ছে বলে জানান ড. ইউনূস।

তিনি বলেন, সাইবার নিরাপত্তা আইনসহ বাংলাদেশে বিদ্যমান সব কালো আইনের তালিকা করা হয়েছে। অতি শিগগির এসব কালো আইন বাতিল ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সংশোধন করা হবে।

সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডসহ বহুল আলোচিত পাঁচটি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ও দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তির জন্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।

মহানবির মহৎ গুণ আতিথেয়তা অতিথি পরায়ণতা ইসলামের সৌন্দর্য ও মহানবি (সা.)-এর সুমহান আদর্শ। অতিথির আগমনে সন্তুষ্ট থেকে তাকে ...
05/09/2024

মহানবির মহৎ গুণ আতিথেয়তা

অতিথি পরায়ণতা ইসলামের সৌন্দর্য ও মহানবি (সা.)-এর সুমহান আদর্শ। অতিথির আগমনে সন্তুষ্ট থেকে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো, তার সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করা ও সাধ্যমতো আপ্যায়ন করা অত্যন্ত পুণ্যের কাজ। মেহমানদারির দ্বারা মানুষের মাঝে পারস্পরিক বন্ধন ও সৌহার্দ সৃষ্টি হয়। সামাজিক এবং আত্মীয়তা সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। প্রায় সব নবি-রাসূল ছিলেন অতিথি পরায়ণ। বিশেষ করে বিশ্বমানবতার মুক্তির দূত হজরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর অতিথি পরায়ণতার বিষয়টি মানুষের মাঝে ছিল প্রসিদ্ধ ও উপমাহীন। মেহমানদারির দ্বারা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হয়, উপার্জনে বরকত আসে, রিজিক বৃদ্ধি পায় এবং বিপদ-আপদ দূর হয়। সংগত কারণেই ইসলামে মেহমানদারির গুরুত্ব অপরিসীম।

এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন, তারা তাদের (মেহমানদের) নিজেদের ওপর প্রাধান্য দেয়, নিজেরা অভাবগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও। যাদের অন্তরের কার্পণ্য থেকে মুক্ত রাখা হয়েছে, তারাই সফলকাম। (সূরা হাশর, আয়াত : ০৯)।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর ওপর এবং পরকালের ওপর ইমান আনে, সে যেন নিজ মেহমানের সম্মান করে। যে ব্যক্তি আল্লাহতায়ালার ওপর এবং আখেরাতের ওপর ইমান আনে, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে। যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর এবং পরকালের ওপর ইমান আনে, সে যেন কল্যাণের কথা বলে অথবা চুপ থাকে। (সহিহ বুখারি)।

হজরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, নবি করিম (সা.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে, তার রিজিক প্রশস্ত হোক এবং হায়াত দীর্ঘ হোক, সে যেন আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখে। (সহিহ বুখারি)।

প্রিয়নবি হজরত মুহাম্মাদ (সা.) মেহমানদের সামনে সর্বদা হাস্যোজ্জ্বল থাকতেন এবং বিদায়ের সময় মেহমানদের বিভিন্ন উপঢৌকন দিয়ে সম্মানিত করতেন। তিনি মেহমানদারির ক্ষেত্রে ধনী-গরিব, মুসলিম-অমুসলিমের তারতম্য করতেন না। তাই অনেক অমুসলিম ব্যক্তিবর্গও রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। নবি করিম (সা.) ইরশাদ করেন, যে অলিমায় কেবল ধনীদের আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং গরিবদের বাদ দেওয়া হয়, তা সবচেয়ে নিকৃষ্ট খাবার। (সহিহ বুখারি)।

হজরত সালমান ফারসি (রা.) বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এলাম। তখন তিনি একটি বালিশে হেলান দিয়ে বসা ছিলেন। তিনি আমাকে দেখে বালিশটি আমার দিকে এগিয়ে দিলেন এবং বললেন, হে সালমান! যদি কেউ নিজ মুসলমান ভাইয়ের সম্মানে একটি বালিশও এগিয়ে দেয়, মহান আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন। (হায়াতুস সাহাবা)।

মনে রাখতে হবে, মেহমান কখনো মেজবানের রিজিক ভক্ষণ করে না, বরং প্রত্যেক মেহমান তার জন্য আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত রিজিক ভক্ষণ করে। সুতরাং মেহমানের আগমনে অসন্তুষ্ট হওয়া বা অন্তরে সংকীর্ণতা রাখা অনুচিত ও নিন্দনীয়।

কুরআনের আলোকে সুখী পরিবার একটি আদর্শ পরিবার বা পরিবারের সবাই যেন উন্নত ও আদর্শবান হয়ে গড়ে উঠতে পারে, এ ব্যাপারে ইসলামের ...
05/09/2024

কুরআনের আলোকে সুখী পরিবার

একটি আদর্শ পরিবার বা পরিবারের সবাই যেন উন্নত ও আদর্শবান হয়ে গড়ে উঠতে পারে, এ ব্যাপারে ইসলামের সুনিপুণ নির্দেশনা রয়েছে। পরিবার গঠনে প্রথম কাজ হচ্ছে, একজন পুণ্যবতী স্ত্রী পাওয়া। যার মাধ্যমে পরিবারের সবাই পাবে ইসলাম মেনে চলার উদ্দীপনা এবং হৃদয়ে আসবে প্রশান্তির পরশ।

আল্লাহতায়ালা এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন, ‘আর তার অনুগ্রহসমূহের একটি হচ্ছে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সঙ্গিনীদের সৃষ্টি করেছেন। যাতে করে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাকতে পার। আর তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া প্রবণতা করে দিয়েছেন। নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শনাবলি রয়েছে’। (সূরা আর রুম-২১)।

সন্তানদের আখলাক ও আচরণের অনেকটাই নির্ভর করে সন্তানদের প্রতি মায়ের আচরণ কিংবা পরিবারের শাসনের ওপর। এ জন্যই ইসলামে উত্তম স্ত্রী গ্রহণের নির্দেশনা এসেছে। নবি (সা.) বলেছেন ‘চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ রেখে নারীদের বিয়ে করা উচিত, তার সম্পদ, তার বংশমর্যাদা, তার সৌন্দর্য এবং তার দ্বীনদারিতা। অতএব, তুমি তার দ্বীনদারিতাকেই প্রাধান্য দেবে অন্যথায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে’। (সহিহ বুখারি-৫০৯০)।

প্র্যাকটিসিং ইসলাম বা ইসলামের সব অনুশাসন সুন্দরভাবে মেনে চলার জন্য পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আশপাশের মানুষজন বা প্রতিবেশী যদি ইসলামি আদর্শের মূল্যায়ন না করে কিংবা তারা ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হয়, তাহলে এর প্রভাব ছোট বাচ্চাদের ওপর পড়বে। উপরন্তু পরিবারের অন্য সদস্যরাও এতে প্রভাবিত হতে পারে। যা আদর্শ ইসলামি পরিবার গঠনে অন্তরায় তৈরি হতে পারে। সে বিষয়ে সতর্কতা স্বরূপ হাদিসের বর্ণনা পাওয়া যায়, নবিজি (সা.) বলেছেন ‘অসৎ সঙ্গীর চেয়ে একাকী থাকা উত্তম আর একাকী থাকার চেয়ে সৎ সঙ্গী উত্তম’। (সহিহ বুখারি-২৪৩৯)। রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘মানুষ তার সঙ্গীর ধর্ম তথা স্বভাব চরিত্র দ্বারা প্রভাবিত হয়, সুতরাং কার সঙ্গে বন্ধুত্ব করছে তা যেন যাচাই বাছাই করে নেয়’। (তিরমিযি শরিফ-২৩৪৭)।

এছাড়া পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন ‘হে মুমিনরা, আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমরা সৎ লোকদের সাথি হও’। (সূরা তাওবা-১১৯)। ভালো কাজের চর্চা করা ও মন্দ বিষয় পরিহার করা এবং পরিবারে ইসলামি বিধিনিষেধ নিয়ে সবার খোলামেলা আলোচনা করা উচিত। একটি বাচ্চা যদি ছোট থেকেই শিখতে পারে যে, সালাত আদায় প্রতিটি মুসলিমের জন্য অপরিহার্য এবং পরিবারের সবাই সালাতের প্রতি যত্নশীল তাহলে বাচ্চাটি নিয়মিত সালাত আদায় করবে। তদ্রুপ, যদি মিথ্যা বলা, গিবত করা, এসব মন্দ কাজগুলো পরিবারের সবাই পরিহার করে তাহলে বাচ্চাটি অনায়াসে এসব থেকে বিরত থাকবে। এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা স্বরূপ হাদিসে সন্তানদের ৭ বছর বয়স থেকেই সালাত আদায়ের আদেশ করতে বলা হয়েছে। নবি (সা.) বলেছেন ‘তোমরা সন্তানকে ৭ বছর থেকেই সালাত শিক্ষা দাও এবং ১০ বছর বয়স থেকে সালাত আদায়ের জন্য তাকে প্রহার করো’ (আবু দাউদ-৪৯৪)।

পরিবারকে কর্মঠ ও গতিশীল করার জন্য সবাইকে নিয়মানুবর্তিতার শিক্ষা দিতে হবে। অযথা সময় নষ্ট করা কিংবা অকল্যাণ বয়ে আনে এমন কাজে নিয়োজিত থাকার অসাড়তা তুলে ধরতে হবে। সুমহান ধর্ম ইসলাম সর্বদাই অনর্থক কাজে সময় নষ্ট করাকে অসুন্দর মনে করে। রাসূল (সা.) বলেছেন ‘মানুষের জন্য ইসলামের সৌন্দর্য হচ্ছে, যা অনর্থক ও অপ্রয়োজনীয় তা বর্জন করা’। ( তিরমিযি, বুলুগুল মারাম, হাদিস : ১৪৮৯)।

একটি আদর্শ পরিবারে পারস্পরিক সুসম্পর্ক ও শ্রদ্ধাবোধ থাকা জরুরি। ছোটরা বড়দের থেকে শিখবে এ মূলনীতির আলোকে পরিবার গড়ে তুলতে হবে। একটি শিশুকে যদি বকা দেওয়া হয় তাহলে সে বকা দেওয়া শিখবে। পক্ষান্তরে শিশুটিকে নবির সুন্নাহ অথবা ভালো ব্যবহার করা শিক্ষা দিলে বাচ্চাটি সে কাজটিই করবে। বড়দের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা করা শিক্ষা দেওয়ার জন্য বড়দের কর্তব্য হচ্ছে শিশুটির প্রতি ভালোবাসা ও মমত্ব দিয়ে সুন্দর আচরণ করা। বড় ও ছোটদের সুন্দর আখলাক শিক্ষা দেওয়ার জন্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ‘যে আমাদের ছোটদের স্নেহ করে না এবং আমাদের বড়দের হক সম্পর্কে অজ্ঞাত সে আমাদের দলভুক্ত (মুসলিম) নয়’। (আদাবুল মুফরদ-৩৫৪)।

সাধারণত পাপের সূচনা হয় মিথ্যা দিয়ে। ধীরে ধীরে পাপ হৃদয়কে কলুষিত করে তোলে। প্রথম প্রথম পাপ বা মন্দকাজ করে ফেলার পর অপরাধবোধ কাজ করে। কিন্তু এভাবে অনবরত পাপ করার ফলে হৃদয় থেকে আল্লাহর ভয় ও রাসূলের ভালোবাসা কমে যায়। তখন মানুষ আরও বড় গোনাহে লিপ্ত হয়। তাই পরিবারে মিথ্যা না বলা এবং কাউকে বলতে না দেওয়ার প্রতি যথেষ্ট সতর্কতা প্রয়োজন।

সর্বোপরি, একজন পবিত্র জীবনসঙ্গী/সঙ্গিনী, শিশুদের আদব ও তরুণদের আখলাক শিক্ষা দেওয়া। নিজেরা ইসলামি অনুশাসনগুলো মেনে চলা এবং বাচ্চাদের সে পথে পরিচালিত করার মাধ্যমে একটি পররিবার তার সার্থকতা খুঁজে পাবে এবং অনাবিল শান্তিতে দুনিয়া/আখিরাত উভয় জগতের সফলতা অর্জন করবে।

03/09/2024
যা‌দের উপর যাকাত ফরজ ‌কিন্তু রমজান মাসে আদায় ক‌রেন, তারা এখনই বন‌্যা ও বন‌্যা পরবর্তী পূনর্বাসন কা‌জে নিকটাত্নীয়, প্রতি‌...
28/08/2024

যা‌দের উপর যাকাত ফরজ ‌কিন্তু রমজান মাসে আদায় ক‌রেন, তারা এখনই বন‌্যা ও বন‌্যা পরবর্তী পূনর্বাসন কা‌জে নিকটাত্নীয়, প্রতি‌বেশী ও অসহায় ক্ষ‌তিগ্রস্ত‌দের পূনর্বাস‌নে সহ‌যোগীতা করুন। রমজান মা‌সে চুড়ান্ত হিসা‌বের সময় উক্ত টাকা মোট আদায়‌যোগ‌্য যাকাত থে‌কে বাদ দি‌য়ে হিসাব করলে কোন সমস‌্যা হ‌বেনা, কিংবা সওয়াব একটুও কম হ‌ওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারন সওয়াব ও প‌্রতিদান দেয়ার মা‌লিক আল্লাহ। আর তিনি নিয়‌্যাতের উপর ভি‌ত্তি ক‌রেই প্রতিদান দেন।

28/08/2024

চিঠিতে লিখা:" উনি একজন মুসলিম মহিলা। কোনো ব্যক্তি যদি ওনাকে পেয়ে থাকেন,দয়া করে দাফন করে দিবেন "

এমন চিঠির ভার বহনের পরিক্ষা নিয়েন না মাবু'দ

27/08/2024

Address

Barisal
8400

Telephone

+8801717855540

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Islam Foundation - AIFA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Al Islam Foundation - AIFA:

Shortcuts

Share