RRF RHL Project, Morrelganj

RRF RHL Project, Morrelganj Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from RRF RHL Project, Morrelganj, Non-Governmental Organization (NGO), Morrelganj, Bagerhat.

This page promotes activities of Rural Reconstruction Foundation (RRF) under ''Resilient Homestead and Livelihood Support to the Vulnerable Coastal People of Bangladesh (RHL) Project" funded by Green Climate Fund (GCF) and PKSF.

II At a glance: Md. Abu Hanif- A Climate Adaptation Fighter II
20/08/2026

II At a glance: Md. Abu Hanif- A Climate Adaptation Fighter II

“নিরাপদ ঘরেই নিরাপদ ভবিষ্যৎ: আবু হানিফের জীবন বদলের গল্প”মোঃ আবু হানিফ (৩৬), ইনডেক্স নাম্বারঃ ২০৭৬৯; বাগেরহাট জেলার মোড়ে...
19/08/2026

“নিরাপদ ঘরেই নিরাপদ ভবিষ্যৎ: আবু হানিফের জীবন বদলের গল্প”

মোঃ আবু হানিফ (৩৬), ইনডেক্স নাম্বারঃ ২০৭৬৯; বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সানকিভাঙ্গা গ্রামের সানকিভাঙ্গা পশ্চিমপাড়া জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দলের একজন সদস্য।

Green Climate Fund (GCF) এর অর্থায়নে এবং Palli Karma-Sahayak Foundation (PKSF) কর্তৃক কারিগরী সহায়তার মাধ্যমে বাস্তবায়িত “Resilient Homestead and Livelihood Support to the Vulnerable Coastal People of Bangladesh (RHL)” প্রকল্পের আওতায় রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (RRF) -এর বাস্তবায়নে দুর্যোগ সহনশীল বসতবাড়ি পেয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে নতুন করে সংসারটা গোছেতে শুরু করেছে।
আবু হানিফের জীবনটা অন্যদের মত এতটা সহজ-স্বাভাবিক ছিল না। ছোট বেলায় থেকেই তার বাবা অসুস্থ থাকায় পরিবারের হাল ধরতে হয়েছিল তাকে। অভাবের সংসারে স্কুলে যেতে পারেনি তেমন একটা। কোন রকমে নিজের নামটা লিখতে পারে। প্রথম দিকে ভ্যান চালিয়ে, দিন মজুরি করে অসুস্থ বাবা, মা, দুই বোন ও ছোট ভাইকে নিয়ে কোনরকমে টেনে টুনে সংসার চালাতেন। অভাবের সংসারে দুই বোনের বিয়ে দিতে হিমশিম খেতে হয়েছিল তাকে। তারপর কিছুদিনের মধ্যে বাবা মারা যায় আবু হানিফের। এরপর নিজের সংসার হয়। ছোট ভাই তার মাকে নিয়ে আলাদা সংসার পাতে। তারপর বেশ কয়েক বছর কেটে যায়। হানিফের টানা পোড়েন এর সংসারে এই কয়েক বছরে দুই থেকে ৫ সদস্যের হয়ে যায়। তিন সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে জীবন যুদ্ধে দিন পার করতে থাকে। এর মধ্যে পেশা পাল্টিয়ে মাছ ধরার পেশা বেছে নেয় আবু হানিফ। মাঝে মাঝেই গভীর সমুদ্রে এলাকার জেলেদের সাথে দল বেঁধে কয়েকদিনের জন্য মাছ ধরতে যেতে হয় তাকে। ঝড়-বৃষ্টির সময় সমুদ্রে গেলে মনটা পড়ে থাকত বাড়িতে। বুকের মধ্যে আনচান করে উঠত আর মনে হত এইবারই বুঝি মাথার উপর চালটা ঝড়ে উড়ে যায়। অথচ ৫ জনের সংসারের চাহিদা মিটিয়ে একটি নিরাপদ ঘর নির্মাণ করার মতো সামর্থ্য হয়ে ওঠেনি কখনও তার। প্রতিবার বর্ষা এলেই শুরু হতো তার দুঃস্বপ্ন। নড়বড়ে খুঁটি আর ছিদ্রযুক্ত টিনের ছাউনি বেঁয়ে চুঁইয়ে পড়ত পানি। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যেত উঠান, আর ঝড়ের সময় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কোথাও নিরাপদে আশ্রয় নেওয়ার উপায় ছিল না। বড় কোন ঝড়ে প্রতি বছরই ঘর মেরামত করতে তার অল্প আয়ের বড় একটা অংশ খরচ হয়ে যেত। ফলে অর্থনৈতিক টানা পোড়েন লেগেই থাকত সারা বছর জুড়ে।

সানকিভাঙ্গা গ্রামের আরএইচএল প্রকল্পের সানকিভাঙ্গা পশ্চিমপাড়া জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দল (CCAG) -এর মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের চিহ্নিত করে। এই প্রক্রিয়ায় আবু হানিফের নাম উঠে আসে। ঘরবাড়ির অভাব, সংসারের টানা পোড়েন তাকে করে তোলে একেবারে অগ্রাধিকার প্রাপ্তদের একজন। দলের সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেয় আবু হানিফের জলবায়ু সহনশীল একটি ঘর দেওয়া হবে। সকল যাচাই-বাছাই ও সকল প্রক্রিয়া শেষে শুরু হয় ঘর নির্মাণের কাজ। পাকা মেঝে, মজবুত দেয়াল, উঁচু ভীত—সব মিলিয়ে একটি নিরাপদ বাসস্থান তৈরি হয়। শুধু ঘর নয়, তার উঠান উঁচু করে দেওয়া হয়, যাতে জলাবদ্ধতা না হয়। দেওয়া হয় ৩০০০ লিটারের বিশুদ্ধ পানির ট্যাংক, বন্ধু চুলা এবং ১০০ ওয়াটের সৌর বিদ্যুৎ সুবিধা, যাতে রাতে আলো জ্বলে, মোবাইল চার্জ হয়, ছেলে-মেয়েরা পড়াশোনা করতে পারে।
ঘর পাওয়ার পর আবু হানিফ বলেন, ‘আগে বৃষ্টি বা ঝড় শুরু হলেই বুকের ভিতর ভয় কাজ করত। মনে হতো, কখন যেন ঘরের চাল উড়ে যায়। বৃষ্টির পানি ঘরের ভেতর ঢুকে সবকিছু ভিজিয়ে দিত। সন্তানদের নিয়ে খুব কষ্টে রাত কাটাতে হতো। এখন আর সেই ভয় নেই। নতুন ঘরটি অনেক মজবুত ও নিরাপদ। উঠান উঁচু হওয়ায় জোয়ার বা অতিবৃষ্টির পানিও ঘরে ঢোকে না। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ট্যাংক থাকায় বিশুদ্ধ পানির চিন্তা করতে হয় না। সৌর বিদ্যুৎ থাকায় রাতে ঘরে আলো জ্বলে, ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করতে পারে। এই ঘরটি শুধু আমার থাকার জায়গা নয়, এটি আমার পরিবারের নিরাপত্তা ও নতুন করে বাঁচার সাহস দিয়েছে।
আবু হানিফের স্ত্রীও জানান, আগে সামান্য বৃষ্টি হলেই তাদের দুশ্চিন্তা শুরু হয়ে যেত। ঘরের চাল দিয়ে পানি পড়ত, সন্তানদের নিয়ে কোথায় নিরাপদে থাকবেন—সেই চিন্তায় রাত কাটত। এখন সেই ভয় অনেকটাই কেটে গেছে। নতুন ঘরের পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা ও সৌর বিদ্যুতের সুবিধা তাদের দৈনন্দিন জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে।

নতুন ঘর পাওয়ার পর আবু হানিফের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে তার মানসিকতায়। আগে নিজের উপার্জনের বড় একটি অংশ ঘর মেরামত করতে ব্যয় করতে হতো। এখন সেই অর্থ পরিবারের খাবার, সন্তানদের পড়াশোনা এবং জীবিকার পিছনে ব্যয় করার সুযোগ পাচ্ছেন। মাছ ধরার পাশাপাশি তিনি ভবিষ্যতে ছোট পরিসরে অন্য কোনো আয়ের কাজ করার পরিকল্পনাও করছেন।
আবু হানিফ বলেন, ‘আগে মনে হতো, সারাজীবন শুধু ঘর মেরামত আর সংসারের খরচ চালিয়েই জীবন পার করে দিতে হবে। এখন মনে হচ্ছে, আমরাও একটু একটু করে সামনে এগোতে পারব। আমার সন্তানদের জন্য ভালো কিছু করার স্বপ্ন দেখতে পারছি। এই ঘর আমাদের শুধু ঝড়-বৃষ্টি থেকে রক্ষা করবে না, আমাদের ভবিষ্যৎটাকেও নিরাপদ করবে।


🏠 আগে ও পরে: একটি পরিবর্তনের গল্প 🏠 মোঃ বেল্লাল শিকদার (৪৪), ইনডেক্স নাম্বারঃ ৬৫৬৪৩; বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার নি...
12/08/2026

🏠 আগে ও পরে: একটি পরিবর্তনের গল্প 🏠

মোঃ বেল্লাল শিকদার (৪৪), ইনডেক্স নাম্বারঃ ৬৫৬৪৩; বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ধানসাগর গ্রামের ধানসাগর চাপরাশি বাড়ি জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দলের একজন সদস্য।
Green Climate Fund (GCF) এর অর্থায়নে এবং Palli Karma-Sahayak Foundation (PKSF) কর্তৃক কারিগরী সহায়তার মাধ্যমে বাস্তবায়িত “Resilient Homestead and Livelihood Support to the Vulnerable Coastal People of Bangladesh (RHL)” প্রকল্পের আওতায় RRF এর বাস্তবায়নে দুর্যোগ সহনশীল বসতবাড়ি পেয়ে অগোছালো সংসারটা নতুন করে গোছাতে শুরু করেছে।
ছোট বেলা থেকেই বেল্লাল শিকদারের জীবনটা ছিল সংগ্রামে ভরা। ছোট বেলা থেকেই বাবা না থাকা এবং ভাই বোনদের মধ্যে সবার বড় হওয়ায় পরিবারের হাল ধরতে হয়েছিল তাকেই। অভাবের সংসারে স্কুলে যেতে পারেনি। ভ্যান চালিয়ে, দিন মজুরি করে কোনরকমে ৬ সদস্যের সংসার চালাতেন। সংসারের চাহিদা মিটিয়ে একটি নিরাপদ ঘর নির্মাণ করার মতো সামর্থ্য হয়ে ওঠেনি কখনও। প্রতিবার বর্ষা এলেই শুরু হতো তাদের দুঃস্বপ্ন। ছিদ্রযুক্ত টিনের ছাউনি বেয়ে চুঁইয়ে পড়ত পানি। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যেত উঠান, আর ঝড়ের সময় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কোথাও নিরাপদে আশ্রয় নেওয়ার উপায় ছিল না। বড় কোন ঝড়ে প্রতি বছরই ঘর মেরামত করতে তাঁর অল্প আয়ের বড় একটা অংশ খরচ হয়ে যেত। ফলে অর্থনৈতিক টানা পোড়েন এর মধ্যেই থাকতে হতো সারা বছর তাঁকে।
ধানসাগর গ্রামের আরএইচএল প্রকল্পের ধানসাগর চাপরাশি বাড়ি জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দল (CCAG) গ-এর মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের চিহ্নিত করে। এই প্রক্রিয়ায় বেল্লাল শিকদারের নাম উঠে আসে। তার শারীরিক অসুস্থতা, ঘরবাড়ির অভাব এবং তিন সন্তান ও অসুস্থ স্ত্রীর দেখভালের দায়িত্ব তাকে করে তোলে একেবারে অগ্রাধিকার প্রাপ্তদের একজন।
সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেয় বেল্লাল শিকদারকে জলবায়ু সহনশীল একটি ঘর দেওয়া হবে। শুরু হয় ঘর নির্মাণের কাজ। পাকা মেঝে, মজবুত দেয়াল, উঁচু ভিত্তি—সব মিলিয়ে একটি নিরাপদ বাসস্থান তৈরি হয়। শুধু ঘর নয়, তার উঠান উঁচু করে দেওয়া হয়, যাতে জলাবদ্ধতা না হয়। দেওয়া হয় ৩০০০ লিটারের বিশুদ্ধ পানির ট্যাংক, বন্ধু চুলা এবং ১০০ ওয়াটের সৌর বিদ্যুৎ সুবিধা, যাতে রাতে আলো জ্বলে, মোবাইল চার্জ হয়, ছেলে-মেয়েরা পড়াশোনা করতে পারে।
ঘর পাওয়ার পর বেল্লাল শিকদার বলেন, "এই ঘরটা আমার জন্য শুধু ইট-বালি-রড-সিমেন্ট না, এটা আমার সন্তানদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তা। আগে ঝড় এলেই বুক কাঁপত, এখন মনে সাহস পাই।"
বেল্লাল শিকদারের মুখে ফোটে দীর্ঘদিন পর একচিলতে হাসি। তাদের জীবনে এখন একটু স্বস্তি, একটু নিরাপত্তা, আর সবচেয়ে বড় কথা—আছে একটা নির্ভরযোগ্য আশ্রয়।


"আরএইচএল প্রকল্পের সহায়তায় জলবায়ু সহনশীল কৃষি"বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার জিউধরা ইউনিয়নের  ৬ নং ওয়ার্ডের বাইনতল...
06/08/2026

"আরএইচএল প্রকল্পের সহায়তায় জলবায়ু সহনশীল কৃষি"

বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার জিউধরা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বাইনতলা গ্রামের বাইনতলা জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দলের একজন সদস্য শিপ্রা রানী অধিকারী। দীর্ঘদিন ধরে মাছের ঘের ও ঘেরের পাড়ে শাক-সবজি করে আসছেন। তবে ঘেরে মাছ থাকায় কীটনাশক ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ এবং প্রায় অসম্ভব। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় ঘেরের জমিতে ফসল চাষ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এই কারণে এই অঞ্চলের কৃষকরা ঘেরের পাশের জমিতে কৃষিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন।

আরএইচএল (RHL) প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু সহনশীল কৃষি, সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা এবং বেড পদ্ধতিতে সবজি চাষের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি কৃষি উপকরণ সহায়তা পেয়ে তিনি সেই চ্যালেঞ্জকে সম্ভাবনায় রূপ দিয়েছেন। তিনি তার বসতবাড়ির পাশে অব্যবহৃত জমি সবজি বাগানে রূপান্তর করেছে। আজ তার বসতবাড়ির আঙিনায় ফলেছে ঢেঁড়স, কলমি শাক, পুঁইশাক, ধুন্দল, চাল কুমড়াসহ নানা ধরনের সবজি। এতে যেমন পরিবারের পুষ্টি ও আয় বেড়েছে, তেমনি প্রমাণ হয়েছে যে সঠিক জ্ঞান, দক্ষতা ও সহায়তা থাকলে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবের মধ্যেও টেকসই কৃষি সম্ভব।


"আরএইচএল প্রকল্পের সহায়তায় জলবায়ু সহনশীল কৃষিতে সফলতা"বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়া...
30/07/2026

"আরএইচএল প্রকল্পের সহায়তায় জলবায়ু সহনশীল কৃষিতে সফলতা"

বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের আমুরবুনিয়া গ্রামের আমুরবুনিয়া উত্তরপাড়া জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দলের ক্ষুদ্র কৃষক মোঃ সালাম ফকির। দীর্ঘদিন ধরে মাছের ঘের ও ঘেরের পাশের জমিতে কৃষিকাজ করে আসছেন। তবে ঘেরে মাছ থাকায় কীটনাশক ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ এবং প্রায় অসম্ভব। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় ঘেরের জমিতে ফসল চাষ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এই কারণে এই অঞ্চলের কৃষকরা ঘেরের পাশের জমিতে কৃষিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন।

আরএইচএল (RHL) প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু সহনশীল কৃষি, সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা এবং বেড পদ্ধতিতে সবজি চাষের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি কৃষি উপকরণ সহায়তা পেয়ে তিনি সেই চ্যালেঞ্জকে সম্ভাবনায় রূপ দিয়েছেন। আজ তার বসতবাড়ির আঙিনায় ফলেছে ঢেঁড়স, কলমি শাক, পুঁইশাক, ধুন্দল, চাল কুমড়াসহ নানা ধরনের সবজি। এতে যেমন পরিবারের পুষ্টি ও আয় বেড়েছে, তেমনি প্রমাণ হয়েছে যে সঠিক জ্ঞান, দক্ষতা ও সহায়তা থাকলে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবের মধ্যেও টেকসই কৃষি সম্ভব।


🌱🌱 আদা চাষে সফলতার দিকে পা বাড়াচ্ছে প্রশান্ত বিশ্বাস  🌱🌱 প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস (১৩৮৭৪), গ্রামঃ ডেউয়াতলা, ইউনিয়নঃ জিউধরা...
22/07/2026

🌱🌱 আদা চাষে সফলতার দিকে পা বাড়াচ্ছে প্রশান্ত বিশ্বাস 🌱🌱

প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস (১৩৮৭৪), গ্রামঃ ডেউয়াতলা, ইউনিয়নঃ জিউধরা, উপজেলাঃ মোড়েলগঞ্জ -এর ডেউয়াতলা হিন্দুপাড়া সিসিএজি'র সদস্য আরএইচএল প্রকল্পের সহযোগিতায় বস্তায় আদা ও একাঙ্গী চাষ করে সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ।
গত এপ্রিল ২০২৬ মাসে তাকে পরীক্ষামূলকভাবে বস্তায় চাষ করার জন্য একাঙ্গী ও আদা বীজ প্রদান করা হয়। তিনি প্রথমে ৪ টি বস্তায় একাঙ্গী ও ২৬ টি বস্তায় আদা চাষ শুরু করেন। বর্তমানে তার চাষকৃত একাঙ্গী গাছসমূহ অত্যন্ত সুন্দর ও স্বাস্থ্যবানভাবে বেড়ে উঠছে, যা তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও যত্নের ইতিবাচক ফলাফল। 🎋🎋
প্রশান্ত বিশ্বাস বলেন, এর আগে আদা চাষ কখনও এভাবে করা হয়নি। মাটিতে আদা লাগালে মাটির লবণাক্ততা ও বর্ষাকালে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে মারা যেত। কিন্তু এ বছর পিকেএসএফ এর আর্থিক সহযোগিতায় আরআরএফ ও আরএইচএল প্রকল্পের মাধ্যমে বস্তা পদ্ধতিতে আদা ও একাঙ্গি চাষ করে মনে হচ্ছে সফলতার মুখ দেখব। আরআরএফ কতৃক প্রদানকৃত প্রশিক্ষণে বস্তা পদ্ধতিতে আদা ও একাঙ্গি চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা ও জ্ঞান লাভ করতে পেরেছি এবং প্রশিক্ষণ পরিলুব্ধ জ্ঞানকে কাজে লাগাতে পারছি। এজন্য আরএইচএল প্রকল্প ও এই প্রকল্প নিয়ে কাজ করা সকল সংস্থাকে আমি অসংখ্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

প্রশান্ত কুমার বিশ্বাসের এই সফল উদ্যোগ এলাকার অন্যান্য কৃষকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠছে। কৃষিতে নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে সকলের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা যায়। 🌱🌿


🌱🌱সফলতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে  সীমা 🌱🌱 সীমা সরকার (১৩৮৬১), গ্রামঃ ডেউয়াতলা, ইউনিয়নঃ জিউধরা, উপজেলাঃ মোড়েলগঞ্জ -এর নারী কৃষক ...
19/07/2026

🌱🌱সফলতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে সীমা 🌱🌱

সীমা সরকার (১৩৮৬১), গ্রামঃ ডেউয়াতলা, ইউনিয়নঃ জিউধরা, উপজেলাঃ মোড়েলগঞ্জ -এর নারী কৃষক আরএইচএল প্রকল্পের সহযোগিতায় পরীক্ষামূলকভাবে একাঙ্গী চাষ করে সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ।
গত এপ্রিল ২০২৬ মাসে তাকে পরীক্ষামূলকভাবে একাঙ্গী ও আদা বীজ প্রদান করা হয়। তিনি প্রথমে ৪ টি বস্তায় একাঙ্গী ও ২৬ টি বস্তায় আদা চাষ শুরু করেন। বর্তমানে তার চাষকৃত একাঙ্গী গাছসমূহ অত্যন্ত সুন্দর ও স্বাস্থ্যবানভাবে বেড়ে উঠছে, যা তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও যত্নের ইতিবাচক ফলাফল। 🎋🎋
সীমা সরকারের এই সফল উদ্যোগ এলাকার অন্যান্য নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে। কৃষিতে নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে নারীদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা যায়। 🌾

সঠিক পরিচর্যা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে কৃষিতে সফলতা অর্জন সম্ভব, সীমা সরকার তারই উদাহরণ। 🌱🌿🌾


🏠 আগে ও পরে: একটি পরিবর্তনের গল্প 🏠  লাল মিঞা তালুকদার (৭৩), ইনডেক্স নাম্বারঃ ৬৫৬৪১; বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার নি...
15/07/2026

🏠 আগে ও পরে: একটি পরিবর্তনের গল্প 🏠

লাল মিঞা তালুকদার (৭৩), ইনডেক্স নাম্বারঃ ৬৫৬৪১; বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের উমাজুড়ি গ্রামের উমাজুড়ি পূর্বপাড়া জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দলের একজন সদস্য।
Green Climate Fund (GCF) এর অর্থায়নে এবং Palli Karma-Sahayak Foundation (PKSF) কর্তৃক কারিগরী সহায়তার মাধ্যমে বাস্তবায়িত “Resilient Homestead and Livelihood Support to the Vulnerable Coastal People of Bangladesh (RHL)” প্রকল্পের আওতায় RRF এর বাস্তবায়নে দুর্যোগ সহনশীল বসতবাড়ি পেয়ে অগোছালো সংসারটা নতুন করে গোছাতে শুরু করেছে।

ছোট বেলা থেকেই লাল মিঞা তালুকদারের জীবনটা ছিল সংগ্রামে ভরা। ছোট বেলা থেকেই বাবা না থাকায় ভাই বোনদের মধ্যে সবার বড় হওয়ায় পরিবারের দায়িত্ব নিতে হয়েছিল তাকেই। অভাবের সংসারে স্কুলে যেতে পারেনি। ভ্যান চালিয়ে কোনরকমে ৬ সদস্যের সংসার চালাতেন। সংসারের চাহিদা মিটিয়ে একটি নিরাপদ ঘর নির্মাণ করার মতো সামর্থ্য ছিলো না। প্রতিবার বর্ষা এলেই শুরু হতো তাদের দুঃস্বপ্ন। খড়ের ছাউনি বেয়ে চুঁইয়ে পড়ত পানি। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যেত উঠান, আর ঝড়ের সময় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কোথাও নিরাপদে আশ্রয় নেওয়ার উপায় ছিল না। বড় কোন ঝড়ে প্রতি বছরই ঘর মেরামত করতে তাঁর অল্প আয়ের বড় একটা অংশ খরচ হয়ে যেত। ফলে অর্থনৈতিক টানা পোড়েন এর মধ্যেই থাকতে হতো সারা বছর তাঁকে।
উমাজুড়ি গ্রামের আরএইচএল প্রকল্পের উমাজুড়ি পূর্বপাড়া জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দল (CCAG) গ-এর মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের চিহ্নিত করে। এই প্রক্রিয়ায় লাল মিঞা তালুকদারের নাম উঠে আসে। তার শারীরিক অসুস্থতা, ঘরবাড়ির অভাব এবং তিন সন্তান ও অসুস্থ স্ত্রীর দেখভালের দায়িত্ব তাকে করে তোলে একেবারে অগ্রাধিকার প্রাপ্তদের একজন।
সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেয়, লাল মিঞা তালুকদারকে জলবায়ু সহনশীল একটি ঘর দেওয়া হবে। শুরু হয় ঘর নির্মাণের কাজ। পাকা মেঝে, মজবুত দেয়াল, উঁচু ভিত্তি—সব মিলিয়ে একটি নিরাপদ বাসস্থান তৈরি হয়। শুধু ঘর নয়, তার উঠান উঁচু করে দেওয়া হয়, যাতে জলাবদ্ধতা না হয়। দেওয়া হয় ৩০০০ লিটারের বিশুদ্ধ পানির ট্যাংক, বন্ধু চুলা এবং ১০০ ওয়াটের সৌর বিদ্যুৎ সুবিধা, যাতে রাতে আলো জ্বলে, মোবাইল চার্জ হয়, নাতি-নাতনীরা পড়াশোনা করতে পারে।
ঘর পাওয়ার পর লাল মিঞা তালুকদার বলেন, "এই ঘরটা আমার জন্য শুধু ইট-বালি-সিমেন্ট না, এটা আমার সন্তানদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তা। আগে ঝড় এলেই বুক কাঁপত, এখন মনে সাহস পাই।"
লাল মিঞা তালুকদারের মুখে ফোটে দীর্ঘদিন পর একচিলতে হাসি। তাদের জীবনে এখন একটু স্বস্তি, একটু নিরাপত্তা, আর সবচেয়ে বড় কথা—আছে একটা নির্ভরযোগ্য আশ্রয়।


Under the Project, On 5th & 6th July, 2026; two-days field monitoring visit was conducted by Mr. Md. Ashraful Alam, Fina...
07/07/2026

Under the Project, On 5th & 6th July, 2026; two-days field monitoring visit was conducted by Mr. Md. Ashraful Alam, Finance & Accounts Officer and Md. Farid Munnaf, Assistant Project Coordinator (Environmental Engineer ), RHL project Management Unit of PKSF. Throughout the visit, they were accompanied by Dr. Asit Baran Mondal, Senior Assistant Director (Programme) of RRF. The team visited under FY 2025–26, various project interventions like constructed climate resilient houses , ginger cultivation in sack bags, homestead vegetable gardening, slatted goat rearing house, crab farming activities and so on through interaction with project participants. As part of the monitoring mission, Mr. Md. Ashraful Alam did a comprehensive review of the Office's administrative and financial records including bills, vouchers and other relevant documents.

After that, the field-level activities and office documents checking, the team expressed satisfaction with the overall progress and quality of project implementation.


বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের গুলিশাখালী গ্রামের গুলিশাখালী ভূমিহীন পাড়া জলবায়ু পর...
01/07/2026

বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের গুলিশাখালী গ্রামের গুলিশাখালী ভূমিহীন পাড়া জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দলের সদস্য মজিবর সরদার তার বসতবাড়ির আঙ্গিনায় বস্তায় আদা চাষের পাশাপাশি পরীক্ষামূলকভাবে ১ টি বস্তায় একাঙ্গী চাষ করে সফলতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
গত এপ্রিল ২০২৬ মাসে গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) -এর অর্থায়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) -এর কারিগরী সহায়তায় আরএইচএল প্রকল্পের মাধমে তাকে আদা চাষের জন্য ৩০ টি বস্তা, ৬০ কেজি কেঁচো সার ও ২ কেজি আদার বীজ এবং ১ টি বস্তায় পরীক্ষামূলকভাবে একাঙ্গী চাষের জন্য ৪ পিচ একাঙ্গীর বীজ প্রদান করা হয়। এই সহায়তার পাশাপাশি তিনি নিজ উদ্যোগে বসতবাড়ির আঙিনায় সবজি বাগান গড়ে তোলার জন্য তিনি বাজার থেকে নিজ অর্থায়নে সবজির বীজ ক্রয় করে বোপন করেন। বর্তমানে তার চাষকৃত সবজি, আদা ও একাঙ্গী গাছসমূহ অত্যন্ত সুন্দর ও স্বাস্থ্যবানভাবে বেড়ে উঠছে, যা তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও নিয়মিত পরিচর্যার ইতিবাচক ফলাফল।
মজিবর সরদার -এর এই উদ্যোগ এলাকার অন্যান্যদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠছে। কৃষিতে নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে সকলের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা যায়।
সঠিক পরিচর্যা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে কৃষিতে সফলতা অর্জন সম্ভব, মজিবর সরদার তার দৃষ্টান্ত।


Address

Morrelganj
Bagerhat

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RRF RHL Project, Morrelganj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share