14/10/2024
আওয়ামী স*ন্ত্রা*সীদের
আপাতত কোনো প্রকার রাজনৈতিক অধিকার থাকা উচিত নয়।
তারা কেবল এদেশের জনগণ হিসেবে থাকবে।
তাদের বিচারের পর চিন্তা ভাবনা করে তাদের রাজনৈতিক অধিকার দেওয়া উচিত।
এখন তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং কথা বার্তাকেও নিষিদ্ধ করা জরুরি।
এবং আগামী জাতীয় নির্বাচন শেষ এবং সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত, সকল আওয়ামী স*ন্ত্রা*সী এবং তাদের দোসরদের দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
যে কেউ যেনো বর্তমান সরকার, দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে না পারে। এবং বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে তাদের সমালোচনা করাটাও নিষিদ্ধ করা অতীব ও জরুরি।
এই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলা ও সমালোচনা করার অধিকার কয়েকটি কারণে আওয়ামী লীগের নাই,
১. এটি একটি বিপ্লবী সরকার। হাজার হাজার প্রাণের বিনিময়ে এই সরকার গঠন করা হয়েছে।
২. বিগত দিনে আওয়ামী লীগ কারো সমালোচনা গ্রহণ করেনি। তাই তাদের সমালোচনা করার অধিকার নেই।
৩. আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য, হাজার হাজার মানুষ হ* ত্যা করেছে।
৪. আওয়ামী লীগ এখনও তাদের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তাই তাদের কোনো সমালোচনা যে, সংস্কারের জন্য হবে না এটাই চিরন্তন সত্য।
৫. যে দলের প্রধান থেকে শুরু করে চামচা পর্যন্ত দেশের ক্ষতি, হ*ত্যা ও টাকা পাচারের সাথে যুক্ত, তাদের এই দেশে রাজনৈতিক অধিকার হারানোর কথা ।
* এখন ইউনুস সরকার যদি ভূল করে তাহলে আমরা কি কথা বলতে পারব না ?
• হ্যাঁ অবশ্যই পারবেন,
এ কাজ গুলো কয়েকটি ধাপে হতে পারে বা হওয়া উচিত।
১. মাঠ পর্যায়ের নাগরিকদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা। এ কাজটি করা যেতে পারে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র প্রতিনিধিদের মাধ্যমে।
২. বিভিন্ন বৈধ রাজনৈতিক দলগুলো ইউনুস সরকারের ভূল গুলো ধরিয়ে দিবে এবং সমালোচনা করবে।
৩. আন্দোলনে যারা মূখ্য ভূমিকা পালন করেছে, অনলাইন ও অফলাইনে তাদের মাধ্যমে যুক্তি সমালোচনা ও সমাধান করা যেতে পারে।
৪. যেহেতু এটা একটি বিপ্লবী সরকার তাই যদি কোনো উপদেষ্টা ভূল বক্তব্য ও ভূল পদক্ষেপ নেয়, তাহলে সাথে সাথে সে বিষয়ে সরকার, রাজনৈতিক দল, সাধারণ জনগণ এবং ছাত্র-জনতার সমালোচনাকে মূল্যায়ন করতে হবে।
*রাজনৈতিক দলগুলোর করণীয় কি হতে পারে?
• রাজনৈতিক দল গুলো যেমন তাদের দল গোছানোর কাজে ব্যস্ত বা কাজ করে যাচ্ছে।
ঠিক সেইভাবে তাদের আরো কাজ কিছু কাজ করা জরুরি।
১. সরকারকে দেশ সংস্কারের জন্য, নিরপেক্ষ ও সঠিক তথ্য ও তত্ত্ব প্রদান ও পূর্ণ সহযোগিতা করা।
২. রাজনীতি দলগুলো যেভাবে, দল গোছানোর কাজ করছে, সেভাবে দেশ গোছানোর কাজেও লেগে পরা জরুরি।
৩. তাদের খেয়াল রাখতে হবে, আওয়ামী স*ন্ত্রাসী*রা যেনো কোনো ভাবে কোনো প্রকার রাজনৈতিক কার্যক্রম ও আধিপত্য বিস্তার করতে না পারে।
৪. রাজনৈতিক দল গুলো যেনো কোনো ভাবেই ভোটের কাছে বিক্রি না হয়। সে বিষয়ে নিজেদের লক্ষ্য রাখতে হবে।
*আওয়ামী লীগ যদি আবার ফিরে আসে তাহলে দেশের কি হবে ?
• আওয়ামী লীগ যদি নির্বাচন অথবা আন্দোলনের মাধ্যমে এ দেশের ক্ষমতা আবার লাভ করে, তাহলে দেশের এবং দেশের জনগণ সহ রাজনৈতিক দলগুলো পরিনতি হবে ভয়াবহ।
সেজন্য কিছু কাজ করা জরুরিঃ
১. আওয়ামীলীগের কুকীর্তি গুলো নিয়ে প্রচুর আলোচনা হওয়া জরুরি।
২. তাদের কুকীর্তি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। এবং সে বিষয় গুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিকট পৌঁছানো জরুরি।
৩. পাঠদানের সময় এই প্রজন্মের শিক্ষকদের সত্যতা আগামী প্রজন্মের কাছে নিশ্চিত করা জরুরি।
৪. ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান ও আওয়ামী কুকীর্তি নিয়ে অনেক বেশি নাটক সিনেমা করা জরুরি। এবং প্রয়োজন মত সরকারি অর্থ প্রদান করা।
৫. আওয়ামীলীগের ফিরে আসার সকল দরজা সাংবিধানিক উপায়ে বন্ধ করা জরুরি।
৬. ১৯৭১ ও ১৯৭৫ সালের সঠিক ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা।
৭. আওয়ামীলীগের সকল প্রকার অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা।
৮. আওয়ামীলীগ যদি বিএনপি ও অন্যান্য দলে যোগদান করে, এবং অন্যদল গুলো চুপ থাকে, তাহলে পরবর্তীতে এর মাসুল দিতে হবে।
*ড. ইউনুস কি পারবে দেশ সংস্কার করতে ?
দেশ একার পক্ষে সংস্কার কেউই করতে পারবে না ।
সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে, দেশের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে হবে । যেনো আর কোনো অবৈধ অপশক্তি এবং স্বৈরশাসক আমাদের ঘারের উপর না উঠে।
আপনারা যদি আওয়ামীলীগকে রাজনৈতিক অধিকার দেন।
পরবর্তিতে আওয়ামীলীগ আপনার অধিকার সবার আগে হরণ করবে। নিশ্চিন্তে থাকুন।