Centre for Research & Policy Studies

Centre for Research & Policy Studies CRPS - Centre for Research and Policy Studies একটি মননশীল গবেষণা প্রতিষ্ঠান

নৈতিক অবক্ষয়ে বিপন্ন আমাদের সমাজ ব্যবস্থাকে আদর্শিক পথে পরিচালিত করার লক্ষ্যে ‘সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড পলিসি স্টাডিজ’ নামে ২০১৩ সালে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সংরক্ষণ ও অর্থবহকরণ, ধর্মীয় ভাবধারা লালন-পালন এবং জাতির উন্নতি-অগ্রগতি সাধনে দিক-নির্দেশনা প্রদানই এর উদ্দেশ্য। উত্তরাধুনিক যুগে দৈনন্দিন জীবনে অপরিহার্য বিবদমান যে কোন ইস্যুতে ঐশী প্রত্যাদেশের আলোকে

সহজ সমাধানের পথ উন্মুক্ত করতে এ প্রতিষ্ঠান বদ্ধপরিকর। সামাজিক ন্যায় বিচার এবং সাম্য ও মৈত্রী প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে তৎপরতা চালানোই এ সেন্টারের কাজ । সেন্টারের এ প্রচেষ্টায় রয়েছেন সারা দুনিয়ায় বিচরণশীল একদল চিন্তাশীল গবেষক ও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর। তথ্য প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের যুগে এ কর্ম তৎপরতা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
আজ বলার অপেক্ষা রাখে না যে আমাদের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের উপর ত্রিমুখী আক্রমন চলছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বকীয় চেতনা বিলুপ্ত। স্যাটেলাইট সাংস্কৃতিক দৌরাত্মে ঐতিহ্য ও আদর্শ বিপন্নের পথে। ভবিষ্যত প্রজন্মের অন্ধকারে হাতড়ে বেড়ানো ছাড়া কোন উপায় নেই। একজন সচেতন নাগরিক ও ঈমানদার মুসলমান হিসেবে পরকালিন জবাবদিহিতার চিন্তা মাথায় থাকলে এক মুহূর্তও বসে থাকার অবকাশ নেই। স্বজাত্য ও স্বাতন্ত্রবোধ হারানোর পূর্বেই সবাইকে জাগতে হবে। তাই বুদ্ধিভিত্তিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে আপনার মেধা ও অর্থের কুরবানী আজ সময়ের দাবি।

আমরা জানি আপনি সমাজসেবা ও ধর্মীয় আদর্শে উদ্বুদ্ধ ব্যক্তি। বর্তমান বস্তুবাদী আগ্রাসনের মুকাবিলা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দেশ ও ধর্মের প্রতি আপনার দায়বদ্ধতা আশাব্যঞ্জক। আমাদের সেন্টারের সাথে আপনার অবদান ও যোগ্যতা সংযুক্ত হলে আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছা সম্ভব হবে, ইনশাল্লাহ

CBN কে ধন্যবাদ
18/09/2024

CBN কে ধন্যবাদ

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ হামিদুর রহমান এর এমফিল ডিগ্রি লাভ

16/09/2024
16/09/2024
15/09/2024

ধন্যবাদ চ্যানেল ২৪ কে

17/07/2024

আজ পবিত্র আশুরা
রায়হান আজাদ
আজ পবিত্র ঐতিহাসিক আশুরা। ইসলামে ঘটনাবহুল এবং বরকত ও ফজিলতময় যে কয়টি দিবস রয়েছে তন্মধ্যে আশুরা অন্যতম। আশুরা শব্দটি আরবী ‘আশরুন’ থেকে এসেছে। ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় হিজরী সনের প্রথম মাস মুহররমের ১০ তারিখকে আশুরা বলা হয়। ইসলামের ইতিহাসে নানাভাবে অবিস্মরণীয় ও মহিমান্বিত এ দিবস সবদিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ। মুসলমানদের মতো পৃথিবীর অধিকাংশ ধর্মানুসারীদের কাছেও এ দিবসের গুরুত্ব স্বীকৃত।
পবিত্র আশুরার দিনে মহান আল্লাহ তা‘আলা সাগর, পাহাড়, প্রাণীক‚ল,আসমান-জমিন ও লওহ-কলম সৃষ্টি করেছেন। আবার এদিনেই আরশে আজীমে সমাসীন হয়েছেন। তামাম মাখলুকাত ধ্বংসও হবে কোন এক জুমাবারে মুহররমের দশ তারিখে এই আশুরার দিনে। আল্লাহ পরওয়ারদেগার এ দিনে আদি পিতা হযরত আদম (আ:) কে তার খলিফা নিযুক্ত করেছেন আর জান্নাতে দাখিল ও পৃথিবীতে নির্বাসনের পর মক্কায়ে মুয়াজ্জামার আরাফাত ময়দানে হযরত মা হাওয়ার সাথে পরিচিত করত: দীর্ঘ দিন ক্ষমা প্রার্থনা শেষে দু‘ জনের তাওবা কবুল করেন। পৃথিবীর প্রথম হত্যাকাÐ হাবিল কাবিলের ঘটনাও আশুরার দিনে সংগঠিত হয়। হযরত নূহ (আ:) সদলবলে মহা প্লাবন শেষে জুদী পাহাড়ে অবতরণ করে পৃথিবীকে নতুনভাবে সাজিয়ে তুলেন এ দিনে। হযরত ইব্রাহীম (আ:) ক্ষমতাশালী মূর্তিপূজারী নমরুদের অগ্নিকাÐ থেকে উদ্ধার, হযরত আইয়ুব (আ:) কুষ্ঠরোগ থেকে মুক্তি, হযরত ইউনুস (আ:) মাছের পেট থেকে পরিত্রাণ এবং ফেরাউনের স্ত্রী হযরত আছিয়া (আ:) শিশুপুত্র মুসা (আ:)কে এ দিনেই গ্রহণ করেন। এ দিনেই হযরত দাউদ (আ:) এর গুনাহ মাফ হয়, কুমারী মাতা বিবি মরিয়ম (আ:) এর গর্ভ হতে হযরত ঈসা (আ:)‘র পৃথিবীতে আগমন ঘটে। এ দিনেই রহমত স্বরূপ আসমান হতে প্রথম বৃষ্টি বর্ষিত হয়। পবিত্র আশুরার দিনেই হযরত সোলাইমান (আ:) তার হাতের আংটি হারিয়ে সাময়িকভাবে রাজ্যহারা হলে আল্লাহ তা‘আলা তাকে আবার রাজ্য ফিরিয়ে দেন। হযরত ইউসূফ (আ:) তার পিতা ইয়াকুব (আ:) এর সাথে সুদীর্ঘ ৪০ বৎসর পর এ দিনে সাক্ষাৎ লাভ করেন। এই দিনেই হযরত মুসা (আ:) তুর পর্বতে আল্লাহ তা‘আলার সাথে কথাবার্তা বলেছিলেন এবং তাওরাত কিতাব লাভ করেছিলেন। হযরত মুসা (আ:) তৎকালীন মিশরের বাদশাহ ফেরাউনের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে পড়লে এ দিনে তিনি বনী ইসরাঈলকে সাথে নিয়ে নীল নদ পার হয়ে যান আর নদীর মাঝ পথে পানি চাপা পড়ে ফেরাঊনের সলিল সমাধি ঘটে। হযরত ঈসা (আ:) কে আল্লাহ তা‘আলা নিজ অনুগ্রহে এ দিনে আসমানে তুলে নেন। হযরত মুসা ও ঈসা (আ:) এর স্মৃতি বিজড়িত এ দিন ইহুদি-খৃষ্টানদের মাঝেও খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। আমাদের কাছে ১০ মুহররম ইরাকের ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে মহানবীর প্রাণপ্রিয় কন্যা খাতুনে জান্নাত হযরত ফাতিমা (রা:) ও ৪র্থ খলীফা হযরত আলী (রা:) এর পুত্র ইমাম হোসাইন (রা:) সিরিয়ার কুখ্যাত বাদশাহ ইয়াজিদের অসভ্য সেনা বাহিনীর হাতে স্বপরিবারে শাহাদাত বরণ করলে এদিন ঐতিহাসিক কারবালা দিবস হিসেবেও শোকাবহ ধর্মীয় গাম্ভীর্য সহকারে উদযাপিত হয়ে আসছে।

আরবী ‘মুহররম’শব্দের অর্থ নিষিদ্ধ বা পবিত্র। এই মাসে কোন প্রকার ঝগড়া-বিবাদ বা যুদ্ধ-বিগ্রহ করা শরীয়তে নাজায়েয বা নিষিদ্ধ। যাবতীয় নিষিদ্ধ কাজগুলো হতে মাসটি পাক-পবিত্র বলে একে মাহে মুহররম তথা ‘পবিত্র মাস’ বলা হয়। রাসুলে আকরাম (সা:) এ মাসে কাফির-মুশরিকদের বিরুদ্ধে কখনো যুদ্ধ যাত্রায় বের হননি। ইসলাম পূর্ব যুগেও এ মাসে সর্বত্র শান্তি বিরাজ করত। মুহররম, রজব, যিলক্বদ ও যিলহজ্ব- এ চারটি মাসকে আল্লাহ তা‘আলা পরম সম্মানিত ও পবিত্র বলে আল কোরআনে ঘোষণা দিয়েছেন। বর্ণিত হয়েছে “ এর মধ্য থেকে চারটি (মাস) সম্মানিত, এটাই প্রতিষ্ঠিত দীন। সুতরাং তোমরা এ মাসসমূহে নিজদের উপর কোন জুলম করো না” (সূরা আত-তাওবাহ:৩৬)। তাই স্বাভাবিকভাবে বুঝা যায়, এসব মাসে নেক আমল করলে সাওয়াবও বেশী হয়।
আমাদের পেয়ারা নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) হিযরতের পর মদিনায় এসে দেখতে পেলেন যে ইহুদিরা আশুরার দিনে রোজা রাখছে । তারা ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যের সাথে এদিন পালন করছে । মহানবী (সা:) জানতে পারলেন, তারা হযরত মুসা (আ:) এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের জন্য এ দিনকে বেছে নিয়েছে । হুজুরে পাক (সা:) উপলদ্ধি করলেন, হযরত মুসা (আ:) এর সাথে আমাদেরও ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে । তাই তিনি ঐ দিনই রোজা রাখলেন এবং সাহাবীদেরও রোজা রাখতে উপদেশ করলেন। তবে ১০ মুহররমের আগে পরে আরেকটি রোজা বাড়িয়ে দুটি রোজা রাখতে বললেন। ২য় হিজরীতে রমজান মাসের রোজা ফরজ হলে আশুরার রোজা নফল হয়ে যায়। তবে রমজানের রোজার পর আশুরার রোজার মর্যাদা এখনও সর্বাধিক। আশুরার রোজা সম্পর্কে হযরত সালমা বিনতে আকওয়া (রা:) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, “আসলাম গোত্রের এক লোককে মহানবী (সা:) এ সংবাদ ঘোষণার দায়িত্ব দিয়ে আশুরার দিন প্রেরণ করলেন যে ‘ যারা আজ রোজা রাখেনি তারা যেন রোজা রেখে নেয়। আর যারা ইতিমধ্যে খাওয়া-দাওয়া করেছে তারা যেন সন্ধ্যা পর্যন্ত খাবার ও পানাহার হতে বিরত থাকে”। (সহীহ মুসলিম)
আশুরার রোজাকে ইহুদিদের রোজা হতে পৃথক করার জন্য নবীজী বলেছেন “তোমরা আশুরার দিন রোজা রাখ এবং ইহুদিদের থেকে ব্যতিক্রম কর । আশুরার একদিন পূর্বে ও একদিন পরেও রোজা রাখ”। তিনি আশা প্রকাশ করেন, “ আমি আগামী বছর বেঁচে থাকলে নবম দিনেও রোজা রাখব (সহীহ মুসলিম )।

আশুরার দিন রোজা রাখার ফজিলত সম্পর্কে মহানবী (সা:) বলেছেন, ‘আশুরার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর নিকট আশাবাদী যে তিনি একবছর পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন’। (মুসনাদে আহমদ)
আশুরার দিন দান-খয়রাত বড়ই সাওয়াবের কাজ। হুজুর (সা:) বলেছেন, “যদি কেউ এ দিন অসহায় এতিমের মাথায় হাত বুলায়, ক্ষুধার্তকে আহার দান করে তাহলে আল্লাহ তা‘আলা তাকে জান্নাতের খাদ্য খাওয়াবেন এবং পবিত্র পানীয় পান করাবেন”। শোহাদায়ে কারবালার মাগফিরাত ও বুলন্দ দরজা কামনায়ও এসব নেক আমল করা যায়।
আসুন, শোহাদায়ে কারবালার উন্নত মর্যাদা ও পরিবার-পরিজনের মাগফিরাত কামনায় আমরা প্রতি বছর মুহররমের ৯/১০ ও ১১ তারিখ দুটি রোজা রাখি এবং বেশী বেশী নফল ইবাদত করি। শোহাদায়ে কারবালার মহান আদর্শকে ধারন করে যাবতীয় সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মিথ্যাকে রুখে দাড়াই। হযরত ইমাম হোসাইন (রা:) এর দৃঢ় প্রত্যয় ও অতুলনীয় আত্মত্যাগের দীক্ষা প্রতি আশুরায় আমাদেরকে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যে কোন আত্মত্যাগের প্রেরণায় উজ্জীবিত করলে আশুরা উদযাপন সার্থক হবে। এ কথারই প্রতিধ্বনি করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
“ ফিরে এলো আজ মুহররম মাহিনা
ত্যাগ চাই, মসিয়া ক্রন্দন চাহি না। ” #

সস্মানিত / সুপ্রিয় গবেষকবৃন্দ, আসসালামু আলাইকুম।  আজ বিকাল  ৫: ০০ টা উপরোক্ত নোটিশের আলোকে ফেলোশিপের আবেদনের লাস্ট সময়। ...
03/06/2024

সস্মানিত / সুপ্রিয় গবেষকবৃন্দ, আসসালামু আলাইকুম। আজ বিকাল ৫: ০০ টা উপরোক্ত নোটিশের আলোকে ফেলোশিপের আবেদনের লাস্ট সময়। ৫টায় আবেদনসমূহ পর্যালোচনা করে সন্ধ্যা ৭: ০০ টায় আবেদনকারীদেরকে জরুরি ভিত্তিতে উপস্থিত থাকতে বলা হবে। সেখানে CRPS চেয়ারম্যান মহোদয়ের উপস্থিতিতে চূড়ান্তভাবে ফেলো নির্বাচন করা হবে। তাই যারা গবেষণা করতে আগ্রহী তারা CV সহ আজ বাদ মাগরিব সেন্টার অফিসে উপস্থিত হোন। - ধন্যবাদান্ত, ED, CRPS.

01/06/2024

আলহামদুলিল্লাহ। আমাদের স্মরণ সভা ও দুআ মাহফিলের নিউজটি জাতীয় টিভি চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টি ফোরে প্রচারিত হয়েছে।

01/06/2024
সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড পলিসি স্টাডিজ-CRPS এর স্মরণসভায় বক্তারা --------------------------------------------------------...
31/05/2024

সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড পলিসি স্টাডিজ-CRPS এর স্মরণসভায় বক্তারা
--------------------------------------------------------------------------
গুণীজনের স্মরণের মধ্যদিয়ে সমাজে গুণীজন তৈরী করতে হবে

মননশীল গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড পলিসি স্টাডিজ- CRPS এর উদ্যোগে গতকাল ৩১ মে ২০২৪; শুক্রবার বিকেলে সেন্টারের দুজন উপদেষ্টা দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, গবেষক ও ইতিহাসবিদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর প্রথম মহাপরিচালক ও সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুঈন উদ-দীন আহমদ খান এবং চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের কলা অনুষদের প্রাক্তন ডীন প্রফেসর ড. শব্বির আহমদ স্যার এর স্মরণ সভা ও দু‘আ মাহফিল চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের এস রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সেন্টারের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. বিএম মফিজুর রহমান আল-আযহারীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রফেসর, ইতিহাসবিদ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মুহিবউল্ল্যাহ ছিদ্দিকী। সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে প্রফেসর ড. মুঈন উদ-দীন আহমদ খান এর কর্মময় জীবনের উপর প্রবন্ধ পেশ করেন ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রাম এর প্রাক্তন ভাইস চ্যান্সেলর ও CRPS এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু বকর রফীক আহমদ। এতে মুখ্য আলোচক হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের প্রফেসর ড. আ. ক. ম আবদুল কাদের বক্তব্য রাখেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে মরহুম স্যারগণের জীবনের নানান দিক নিয়ে আলোচনা পেশ করেন চট্টগ্রাম ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশন এর সভাপতি এডভোকেট মুহাম্মদ আবু তাহের ও চট্টগ্রাম সংস্কৃতি কেন্দ্রের সভাপতি বিশিষ্ট আবৃত্তিকার মুহাম্মাদ আমীরুল ইসলাম।

প্রফেসর ড. শব্বির আহমদকে নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রাম এর প্রফেসর ড. আবুল কালাম মুহাম্মদ শাহেদ। স্মরণ সভায় প্রফেসর ড. শব্বির আহমদ‘র ২য় পুত্র ও চট্টগ্রাম সরকারি মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ হাবীব হাসান, চুনতী সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ প্রফেসর দীন মুহাম্মদ মানিক, প্রফেসর ড. মুঈন উদ-দীন আহমদ খান এর কন্যা অধ্যাপক ডা. মালেকা আফরোজ, ওয়েস্টার্ন মেরিন সার্ভিস এর ডিএমডি ইঞ্জিনিয়ার আরিফুর রহমান খান, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রাম এর লেকচারার সায়েদ মাহমুদুল হাসান প্রমুখ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান শেষে মরহুম স্যারদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দু‘আ ও মুনাজাত পরিচালনা করেন সেন্টারের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. বিএম মফিজুর রহমান আল-আযহারী।

সভায় বক্তারা বলেন, আজকাল দেশে গুণীজনের চর্চা নেই। যারা এ সমাজ ও দেশকে নিজের জীবন উজাড় করে ভালোবেসে গেছেন, দেশের উন্নয়ন ও কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন তাদের অবদানকে সমহিমায় স্মরণ করতে হবে। কারণ, যে সমাজে গুণীজনের কদর নেই সেই সমাজে গুণীলোকের পয়দা হয় না। সুতরাং ভবিষ্যত প্রজন্মের মাঝে গুণীজনের কৃতিত্ব ছড়িয়ে দেয়ার মধ্যদিয়ে তাদেরকে গুণী হয়ে গড়ে ওঠার প্রেরণা যুগাতে হবে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সেক্রেটারি রায়হান আজাদ ও সেন্টারের সদস্য এমফিল গবেষক মুহাম্মদ ইউনুস।

Address

সিজিটিআই, মোতালেব মার্কেট (৪র্থ তলা) কলেজ রোড, চকবাজার মোড়
চট্টগ্রাম।

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Centre for Research & Policy Studies posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share